বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আট পরিচালকের আনাস্থা ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের মাধ্যমে অনেকটা নিশ্চিত করা হয় বিসিবি সভাপতি হিসাবে থাকছেন না ফারুক আহমেদ। এদিকে এ ঘটনায় আইসিসির কাছে অভিযোগ দিয়েছেন ফারুক আহমেদ। তার প্রত্যাশা, কিছুদিনের মধ্যে আইসিসি ত্বরিৎ তাদের অ্যাকশন শুরু করবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আট পরিচালকের আনাস্থা ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের মাধ্যমে অনেকটা নিশ্চিত করা হয় বিসিবি সভাপতি হিসাবে থাকছেন না ফারুক আহমেদ। এদিকে এ ঘটনায় আইসিসির কাছে অভিযোগ দিয়েছেন ফারুক আহমেদ। তার প্রত্যাশা, কিছুদিনের মধ্যে আইসিসি ত্বরিৎ তাদের অ্যাকশন শুরু করবে। ফারুক আহমেদ বলেন, আমি অন্যায়ের শিকার, আমাকে জোরপূর্বক পদচ্যুত করা হয়েছে। আমি এরই মধ্যে আইসিসির কাছে জানিয়েছি। আমার বিশ্বাস ও আমি নিশ্চিত, আইসিসি ত্বরিৎ তাদের অ্যাকশন শুরু করবে। দেখবেন আগামী ২-১ দিনের মধ্যেই বিসিবিতে আইসিসির চিঠি আসবে।শ্রীলঙ্কার উদাহরণ টেনে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘দুই বছর আগে শ্রীলঙ্কায়ও এমন ঘটনা ঘটেছিল। শ্রীলঙ্কায় মন্ত্রীপরিষদ পুরো বোর্ড ভেঙে দিয়েছিল। তখন আইসিসি ত্বরিৎ পদক্ষেপ নিয়ে পুরো বোর্ডকে আবার পুনর্বহাল করেছিল।’ তার প্রত্যাশা, তার ক্ষেত্রেও তাই করবে আইসিসি এবং তিনি আবার আইসিসির মাধ্যমে বোর্ড সভাপতি পুনর্বহাল হবেন।
এদিকে আপন ভায়রা ভাই আকরাম খান ছাড়া বর্তমান বিসিবি পরিচালক পর্ষদের বাকি আট পরিচালকই অনাস্থা জ্ঞাপন করেছেন ফারুক আহমেদের বিপক্ষে। বিসিবি পরিচালক মাহবুব আনাম ও ইফতিখার রহমান মিঠু জানান, খোদ সরকার যেখানে ফারুক আহমেদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তাকে আর চায় না, সেখানে আমরা পরিচালকরা তার সাথে থাকি কী করে?
গত ২৮ মে রাতে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ফারুক আহমেদের সঙ্গে একান্তে কথা হয়। ওই বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয়, বিসিবি সভাপতি হিসেবে ফারুক আহমেদকে আর চায় না সরকার। এর পরে আসে আট পরিচালকের অনাস্থা। সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয়ে যায়, ফারুক আহমেদের বিদায় ঘণ্টা বাজতে আর বাকি নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঘড়ির কাঁটা ১১টা ছোঁয়ার আগেই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বিজ্ঞপ্তি; ‘বিসিবি পরিচালক হিসেবে ফারুক আহমেদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। অর্থাৎ যে প্রক্রিয়ায় ফারুক আহমেদ বিসিবিতে এসে পরিচালক হয়েছিলেন, সেই প্রক্রিয়াটি বাতিল করা হলো। এর ফলে ফারুক আহমেদ প্রাথমিকভাবে বিসিবিতে তার পরিচালক পদও হারালেন। আর খুব স্বাভাবিকভাবেই পরিচালক পদ হারানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি আর সভাপতি পদেও আসীন থাকতে পারবেন না।
Leave a Reply