Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রাম্য চিকিৎসককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল জনতা শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: রায় ঘোষণা আজ ৬ দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন শের-ই-বাংলা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-কলেজ দৌলতদিয়ায় বাস ডুবির ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৩ সীমান্তে থামছে না বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিচ্ছে বিজিবি সরকারি বনের জমিতে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক অটোরিকশায় পিকআপের ধাক্কা, মা-ছেলেসহ নিহত ৩

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোড়ন শুরু হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে।

 

কলকাতার ঝর্ণা মঞ্চে মঙ্গলবার (২ জুন) বিজেপির বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিনি দাবি করেছেন, গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে এসেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেফতার করলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়।

 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেশের স্বার্থে, নিরাপত্তার স্বার্থে এবং দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে তিনি এতদিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে অনেক অপ্রকাশিত বিষয় সামনে আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গ্রেফতারের পর বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, চাইলে তিনি অনেক আগেই বিষয়টি নিয়ে সরব হতে পারতেন, কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তা করেননি।

 

তার বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। মমতা বলেন, তিনি যদি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে শুরু করেন, তাহলে বাংলাদেশেও বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই তিনি এখনও সংযত অবস্থান বজায় রেখেছেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং গোয়েন্দা তৎপরতা সংক্রান্ত বিষয় সাধারণত প্রকাশ্য রাজনৈতিক মঞ্চে খুব কমই উঠে আসে। এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে।

 

তৃণমূলের অভিযোগ, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিরোধী মতকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেও এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কয়েকদিন আগেই তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে তিনি রাস্তায় নামবেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ শানান তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মমতার এই বক্তব্য কেবল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি সামনে আসায় বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে পারে। এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পেছনে কী তথ্য রয়েছে এবং আগামী দিনে তিনি এ বিষয়ে আরও কোনও তথ্য প্রকাশ করেন কি না, তা নিয়ে।

 

কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এখন এই প্রসঙ্গ সামনে আনলেন। সেই উত্তর খুঁজতেই ব্যস্ত রাজনৈতিক মহল।

শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজের অসুস্থ দাদির জন্য ওষুধ আনতে গিয়ে এক অবুঝ ও নিষ্পাপ শিশু (৮) বর্বরোচিত ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পৈশাচিক ও ন্যাক্কারজনক ঘটনার জানাজানি হতেই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত আফতাব ওরফে তরিকুল নামের এক গ্রাম্য চিকিৎসককে গণপিটুনি দিয়ে ঘরের মধ্যে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশে সোপর্দ করে তারা। 

শনিবার (৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে এই হীন অপরাধের ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এই ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের তথ্যমতে, শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিকেলে তার দাদির আকস্মিক অসুস্থতার কারণে সে বাড়ির পাশের বাজারে তরিকুল ডাক্তারের ফার্মেসিতে ওষুধ আনতে গিয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দোকানে আর কোনো ক্রেতা বা অন্য কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তরিকুল ওই অবুঝ মেয়েটিকে কৌশলে দোকানের ভেতরের একটি গোপন রুমে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শিশুটি রক্তাক্ত ও কান্নাকাটি অবস্থায় বাড়িতে ফিরে তার মা-বাবাকে এই পৈশাচিক ঘটনা জানালে পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সমাজসেবক ও প্রতিবেশীদের বিষয়টি অবহিত করেন। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শত শত বিক্ষুব্ধ মানুষ ওই চিকিৎসকের দোকান ঘেরাও করে তাকে গণধোলাই দেয়।

 

নৃশংস এই ঘটনার পর কান্নায় ভেঙে পড়ে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিকেলে আমার ছোট মেয়েটি ওষুধ আনতে গেলে তরিকুল ডাক্তার এই জঘন্য ও পৈশাচিক কাণ্ড ঘটায়। আমি একজন অসহায় বাবা হিসেবে প্রশাসনের কাছে এই নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুততম বিচার চাই।’

 

এদিকে ঘটনার পরপরই রাতেই শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আরিফুল ইসলাম প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে মনে হচ্ছে শিশুটিকে পৈশাচিক উপায়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে ধর্ষণের বিষয়টি আরও শতভাগ নিশ্চিত হওয়া এবং উচ্চতর ফরেনসিক আলামত সংগ্রহের জন্য ভিকটিমকে উন্নত পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘ফার্মেসিতে এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক গ্রাম্য চিকিৎসককে জনতা আটকে রেখেছে—এমন সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশের একটি ফোর্স পাঠিয়ে অভিযুক্তকে দ্রুত আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এরই মধ্যে নির্যাতিত শিশুটিকে উন্নত ডাক্তারি ও মেডিকেল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত এজাহারের আলোকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

 

৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রাম্য চিকিৎসককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল জনতা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় রায়ের জন্য আজ (রোববার) ধার্য রয়েছে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।

 

গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের এ দিন ধার্য করেন। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছাল। মামলা দায়েরের পর ৪ দিনের মাথায় চার্জশিট দাখিল, অভিযোগ গঠন ও সাক্ষ্যগ্রহণ সব ক্ষেত্রেই ছিল দ্রুতগতি। আদালত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় এত দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে যাওয়ার নজির দেশে খুব কমই দেখা গেছে। সাধারণত তদন্ত প্রতিবেদন, বিচার শুরু ও সাক্ষ্যগ্রহণের বিভিন্ন ধাপ পার হতে বছরের পর বছর লেগে যায়।

 

যেভাবে এগিয়েছে মামলা : ১৯ মে সকালে পল্লবীতে ঘটনাটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২ টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। ওইদিনও মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হলে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন। অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন ধার্য করেন। ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন আসামি সোহেল রানা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২ জুন চার্জশিটভূক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার পর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। পরদিন বুধবার (৩ জুন) আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। সেদিন শুনানিতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। দুই আসামির বক্তব্য রেকর্ড শেষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার ধার্য করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি আজিজুর রহমান দুলু যুক্তি উপস্থাপন করেন। এসময় সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যায়ক্রমে পড়ে শোনান তিনি এবং আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানিতে তিনি আসামি সোহেল রানার সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রার্থনা। অপর আসামি স্বপ্নার শুধুমাত্র লাশ গুম চেষ্টায় সহযোগিতার আপরাধের শাস্তি চান। পরে আদালত রায় ঘোষণার জন্য রোববার ধার্য করেন।

 

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী ঢাকা পোস্টকে বলেন, এই শিশুটির সাথে যা হয়েছে এর বর্ণনা শুনে পুরো দেশের মানুষ স্তব্ধ। এ নৃশংস ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক এটা সবার চাওয়া। যারা সাক্ষী দিয়েছে তারা ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার আপ্লূত হয়েছেন। আদালতে ও এজলাসের বাইরে উপস্থিত সকলেই এই নৃশংসতার বর্ণনা শুনে অঝোরে কেঁদেছেন।

 

প্রসিকিউটর ফারুকী বলেন, এটা একটা চাঞ্চল্যকর মামলা। আমি মনে করি সরকার এখানে যথেষ্ট আন্তরিক। ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তার, আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা ও পরবর্তীতে বিচার শুরু প্রক্রিয়া যৌক্তিকভাবে দ্রুততম সময়ে হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর প্রথম দিনেই সমাপ্ত করা গেছে। এখানে আদালতের আন্তরিকতা, সাক্ষীদের স্ব-প্রণোদিত অংশগ্রহণ ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। আশা করছি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে। দেশের মানুষ ন্যায়বিচার চায়, বিচার ব্যবস্থায় আস্থা রাখতে চায়। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হলে সমাজে এমন ঘৃণ্য অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।

 

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।

 

এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: রায় ঘোষণা আজ

এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের ক্লাস, ওয়ার্ড ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

 

আজ শনিবার (৬ জুন) কলেজের ৫৪, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পক্ষে এক যৌথ বিবৃতিতে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির মধ্যে প্রধান দাবিটি হলো— স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ কর্তৃক গত ১৯ মে গৃহীত এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক’ সিদ্ধান্ত আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করা।

 

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৪ বছর করা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা, ইন্টার্ন ডাক্তারদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো তৈরি করা।

 

এছাড়া, বিএমডিসি-২০২৩ অধ্যাদেশের খসড়া আইনে রূপান্তর করে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সকল ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ১০০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

 

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও সর্বস্তরের চিকিৎসক সমাজ আজ চরম বৈষম্য, অবহেলা আর নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার কারণে পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। দাবি অবিলম্বে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত চলমান এই ছাত্র ধর্মঘট ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

৬ দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন শের-ই-বাংলা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের টানা ছুটি শেষে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ১৬ দিনের বিরতির পর আজ রোববার (৭ জুন) থেকে দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হবে নিয়মিত পাঠদান। এতে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর শ্রেণিকক্ষে ফিরছে শিক্ষার্থীরা।

 

‎‎ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি চলে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পর্যন্ত। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পাঠদান শুরু হচ্ছে আজ রবিবার (৭ জুন) থেকে। ‎

 

‎অন্যদিকে, দেশের সব মাদ্রাসার আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলবে আরও দেরিতে। মাদ্রাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে ছুটি শুরু হয়ে চলবে ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। পরবর্তী ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ১৪ জুন (রবিবার) থেকে পুনরায় শ্রেণিকক্ষ খুলবে।

 

গত ২৪ মে ছুটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীরা মূলত ২১ মে ক্লাসের পরেই ছুটিতে যাওয়ার সুযোগ পান। ২২ ও ২৩ মে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ছিল।

 

এদিকে, ঈদুল আজহার ছুটির সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এক মাসের লম্বা ছুটি পেয়েছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ আগামীকাল সোমবার (৮ জুন) থেকে শুরু হবে।

 

তবে রাজশাহীসহ বেশির ভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামীকাল রবিবার থেকে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা পুনরায় ফিরছেন। তাদের ছুটি শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পাঠদান শুরু হচ্ছে আজ রবিবার থেকে। ‎

দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-কলেজ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির র‌্যাম ভেঙে যাত্রীবাহী বাস নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মামলা করেছে নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে গ্রেফতারকৃত তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

এর আগে, শুক্রবার (৫ জুন) রাতে দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের পাশাপাশি পরিবহন পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাসচালক ঝন্টু আলী (৪৮), হেলপার শাকিব হোসেন (২২) এবং সুপারভাইজার আজমল হোসেন (৩৮)।

 

শুক্রবার সকালে মেহেরপুরের গাংনী থেকে প্রায় ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার গাবতলীর উদ্দেশে ছেড়ে আসে এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে পৌঁছে। প্রশাসনের কঠোর তদারকিতে নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীদের নামিয়ে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগতিতে ফেরিতে উঠে অপর প্রান্তের র‌্যাম ভেঙে নদীতে পড়ে যায়।

 

দুর্ঘটনার সময় বাসের হেলপার দ্রুত নেমে যেতে সক্ষম হলেও চালক বাসের ভেতরেই আটকা পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।

 

ঘটনার পর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর দুপুর ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ও ডুবুরি দলের সহায়তায় বাসটি নদীর তলদেশ থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

যাত্রীদের মালামাল যাচাই-বাছাই শেষে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি রেকারের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফেরিটি ঘাট থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক হয়।

 

এদিকে, শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

ঘটনার পরদিনই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বাস ডুবির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দৌলতদিয়ায় বাস ডুবির ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৩

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পুশইনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আজও শনিবার (৬ জুন) দেশের কয়েকটি সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা চালায় তারা। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থানের মুখে কয়েকটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করা ১০০ জনকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে তারা।

 

একইসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে যোগ দিয়ে রুখে দিচ্ছে এমন অপতৎপরতা। শেষ পর্যন্ত নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, হিলি, মেহেরপুর ও লালমনিরহাটে পুশইনকৃত মানুষদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ।

 

ভোরে মেহেরপুরের তেঁতুলবাড়ির হাটপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে এপারে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। পরে বিজিবির বাধায় পণ্ড হয় পুশইনের চেষ্টা।

 

আর ঠাকুরগাঁওয়ের মশালগাঁও সীমান্ত দিয়েও ১১ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চালায় বিএসএফ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিহত করে বিজিবির সদস্যরা। পরে পতাকা বৈঠকে বিষয়টি অস্বীকার ও সীমান্তে শূন্য রেখায় অবস্থান করা ১১ জনকে ফেরত নিতে অস্বীকার করে বিএসএফ।

 

এ বিষয়ে দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

 

এদিকে, দিনাজপুর হিলির ঘাসুড়িয়া সীমান্ত দিয়েও চলে বিএসএফের চেষ্টা। ৫ জনকে ভোরে এপারে ঠেলে দিতে গেলে, তা রুখে দেয় বিজিবি। অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

 

একইভাবে লালমনিরহাটের ৪টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। বিজিবির কঠোর অবস্থান ও সার্বক্ষণিক নজরদারির মুখে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ।

 

এ বিষয়ে ১৫ বিজিবির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, সীমান্তে পুশইনের জন্য আনা সব ব্যক্তিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়েছে।

 

গতকাল শুক্রবার সকালে নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে টানা ১৯ ঘণ্টার চেষ্টার পর রাতেই ওই ব্যক্তিদের আবারও ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

 

অন্যদিকে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি প্রধান পাড়া সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তের শূন্য রেখায় দীর্ঘ ৩৫ ঘণ্টা ধরে অবস্থান করছেন পুশইন হওয়া ১০ জন। তাদের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিজিবি-বিএসএফ।

 

এ বিষয়ে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কিছুক্ষণ আগে অধিনায়ক পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি।

 

এছাড়াও গতরাতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে খুমি সম্প্রদায়ের ৪৭ জন। খবর পেয়ে বান্দরবানের রেমাক্রি হৈকু খুমি পাড়া থেকে তাদেরকে হেফাজতে নেয় বিজিবি। এরপর তাদেরকে পুশব্যাক করানো হয়।

সীমান্তে থামছে না বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিচ্ছে বিজিবি

সরকারি বনের জমিতে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা ।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাড়ইপাড়া এলাকায় দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সরকারি বনের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগীরা জানান এই এলাকায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস কইরা আসতেছি আমাদের বাড়িঘর নেই সরকারি বনের জায়গার ওপর ঘরবাড়ি করে থাকতে হইলে বোন কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা দিতে হবে। যদি না দেই বিট কর্মকর্তার লোকজন এসে আমাদের বাড়িঘর ভেঙ্গে দেয় আমরা গরীব দুঃখী অসহায় মানুষ যাব কোথায়। অন্যদিকে আর এক জন ভুক্তভোগি টাকা নেওয়ার ব্যাপারে যদি কেউ জানে তাহলে এই ঘর  আবারো ভেঙ্গে দেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের জমি দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

 

‎‎অভিযোগকারীরা জানান, প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি সরকারি বনের জমি দখল করে

ডাঃ সোহান নামের এক ব্যাক্তি

পাঁচতলা ফাউন্ডেশন করে বাড়ি নির্মান করছেন। সরেজমিনে ডাঃ সোহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,

কালিয়াকৈর রেঞ্জের আওতাধীন বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা, এবং সার্ভেয়ার আওলাদ হোসেন, সফিপুর ভূমি অফিসের নায়েব কাজ করতে বলেছে বলে জানান।

 

বিট কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা রয়েছে বলে ডাঃ সোহান জানান । বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ তহিদুল ইসলাম কে গণমাধ্যম কর্মী ফোন করলে তিনি বলেন আপনার সঙ্গে পরে কথা বলবো। স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি বনের জমিতে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা বাসটিকে উপরে তুলতে সক্ষম হয়।

 

এর আগে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এসবি সুপার ডিলাক্স বাসটি সকাল ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে, ফেরি কবরী কনভেনশন পকেট দিয়ে প্রবেশ করে ফেরির বিপরীত পার্শ্বের র‍্যাম ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে থাকা সহকারী সাকিব হোসেন (২৭) দুর্ঘটনার বিষয়টি বুঝতে পেরে লাফিয়ে ফেরির পন্টুনের ওপর পড়ে যান। এতে তিনি কিছুটা আহত হন। কিন্তু চালক ঝন্টু আলী (৪৭) বাসটিসহ নদীতে পড়ে যান। তবে তিনি বাসের জানালা দিয়ে বের হয়ে সাঁতরে ওপরে উঠতে সক্ষম হন। তাদের দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী শুভ সেন জানান, তিনি ফেরিঘাট দিয়ে লুজ যাত্রীদের পারাপারে নিয়োজিত মারুফ বিল্ডার্সের ম্যানেজার। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ৭নং ঘাটের পন্টুনে দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় দেখতে পান এসবি পরিবহণের বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য অ্যাপ্রোচ সড়কের দিকে আসছে। তবে সেখানে নিয়োজিত নৌ-পুলিশ ও অন্যরা বাসটি থেকে যাত্রীদের নেমে যেতে বলেন।

 

যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর চালক বাসটি নিয়ে সোজা ফেরিতে উঠে যান। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা গিয়ে ফেরির ডালায় গিয়ে আঘাত করে। এতে ডালার তার ছিড়ে গিয়ে বাসটি নদীতে পড়ে যায়।

 

বাসটির সুপার ভাইজার আজমল হোসেন বলেন, বাসটিতে মোট ৪০ জন টিকিট কাটলেও যাত্রী ছিল ৩৭ জন। তাদের নিয়েই ঢাকা যাচ্ছিলাম। তবে আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে সব যাত্রী নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের বিপদ থেকে আমরা বেঁচে যাই।

 

চিকিৎসাধীন চালক ঝন্টু মিয়া বলেন, কুষ্টিয়ার মজমপুর গেট থেকে সকাল সোয়া ৭টার দিকে বাসটি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেই। এর আগে বাসের ইঞ্জিন ও ব্রেক ঠিক আছে কিনা তা দেখে নেই। তারপরও ফেরিতে ওঠার আগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যাই। এ সময় হেলপার আমাকে সতর্ক করে লাফিয়ে ফেরির পন্টুনে নেমে যান। এছাড়া বাসের ভেতর আমি ছাড়া আর কোনো লোক ছিল না। বাসটি পানিতে তলিয়ে গেলেও সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমি জানালা দিয়ে বের হয়ে উপরে ভেসে উঠতে সক্ষম হই। পরে স্থানীয়রা আমাকে নৌকাযোগে টেনে তীরে তুলে। এরপর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ আমাদের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস, এসিল্যান্ড মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি শফিকুল ইসলাম, দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ওসি ত্রিনাথ সাহা, বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিনসহ অন্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

 

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন সাংবাদিকদের জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে যাত্রীদের আগেই নামিয়ে দেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমরা পরিবহণ সংশ্লিষ্টসহ সব যাত্রীদের কাছে অনুরোধ করব, এভাবেই ফেরিতে উঠা-নামার আগে বাস থেকে সবাই নেমে যাবেন।

পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার

রাজধানীর সড়কে এআই দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সফলতা এসেছে দাবি করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

 

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক সমাবেশে যোগ দিয়ে এই কথা জানান তিনি।

 

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি, যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন তারাও এগিয়ে আসবেন। আমরা বলছি না একদিনেই পারব, আমরা তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন কর‍তে চাই। আমরা সবাই মিলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করব।

 

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণরূপে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। কোনো লঙ্ঘন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মা ও ছেলেসহ সিএনজিচালিত অটোরকিশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন।

 

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশহর এলাকার কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন- অটোরিকশাচালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশা যাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)। তাদেরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। তাদের বাড়ি জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে।

 

পুলিশ জানায়, সকালে কসবা থেকে অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার। পথিমধ্যে বিয়াল্লিশহর এলাকায় পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপ ভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন অটোরিকশার যাত্রীরা। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তিনজের মৃত্যু হয়।

 

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি মো. আবু তাহের জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই পিকআপচালক ও তার সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদেরকে আটক করা যায়নি।

অটোরিকশায় পিকআপের ধাক্কা, মা-ছেলেসহ নিহত ৩

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

জাতীয়

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেওয়া এক ফেসবুক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

 

ফেসবুক বার্তায় তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বর্তমানে সমগ্র মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপদাহ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম হলেও ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চ জনঘনত্ব এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল অর্থনীতির কারণে দেশটি জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

 

তিনি লেখেন, Climate Risk Index 2026 অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকির সম্মুখীন। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

তারেক রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP), জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC), উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

তিনি জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

 

কৃষিখাতকে জলবায়ু-সহিষ্ণু ও আধুনিক ভিত্তিতে পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

 

বার্তায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

 

সবশেষে তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

সব শেষে তিনি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বন্ধ ও লোকসানি সরকারি কারখানাগুলোতে নতুন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী রোড শো আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নেওয়া এ উদ্যোগের প্রস্তুতি চলতি মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’–সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সরকারি কারখানার বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণ এবং সেগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে টেকসই ও লাভজনক করা যায়, সে বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।

 

সভাসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রস্তাবিত রোড শো কর্মসূচির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোর সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক সুযোগ তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু বলেন, বৈঠকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কারখানাগুলোর বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, আর্থিক অবস্থা এবং সম্ভাব্য পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পুনরায় সচল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়।

 

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুজ্জীবিত করা এবং লোকসানি সংস্থাগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

 

সভায় আরও জানানো হয়, কারখানাগুলোর পুনর্গঠন ও পুনরায় চালুর বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার কাজ চলছে। সুপারিশগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর সেগুলোর ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

 

বৈঠকে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বন্ধ কারখানা চালু করতে রোড শো আয়োজনের সিদ্ধান্ত সরকারের

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদি পশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ। আর গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর সংখ্যা বেড়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। দেশব্যাপী কোরবানি হওয়া গবাদিপশুর প্রাথমিক হিসাব এবং সরকারের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

তিনি বলেন, দেশে কোরবানির পশু উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

 

প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন ৮টি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট জাবাইকৃত বা কোরবানিকৃত পশুর সংখ্যা ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮। এর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যা ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩ এবং অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি।

 

বিভাগভিত্তিক কোরবানির চিত্র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে এবার সর্বাধিক ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি পশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫টি গরু ও মহিষ, ৯ লাখ ৮২ হাজার ১০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং ৫৫৪টি অন্যান্য পশু। গরু ও মহিষ কোরবানির ক্ষেত্রে ঢাকা বিভাগ দেশের শীর্ষে রয়েছে।

 

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কোরবানি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে, যার সংখ্যা ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১২১টি, ছাগল ও ভেড়া ১৫ লাখ ৪৬ হাজার ৭০৬টি এবং অন্যান্য পশু ৪২টি। ছাগল ও ভেড়া কোরবানির ক্ষেত্রে রাজশাহী বিভাগ দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।

 

তৃতীয় অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগে কোরবানি হয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি পশু, যার মধ্যে গরু ও মহিষ ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬৭২টি, ছাগল ও ভেড়া ৫ লাখ ১৪ হাজার ১৯২টি এবং অন্যান্য পশু ১৬১টি।

 

অন্যান্য বিভাগের মধ্যে খুলনায় ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, রংপুরে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, বরিশালে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি পশু কোরবানি হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির যোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে দেশে কোরবানির যোগ্য পশুর প্রাপ্যতা বা জোগান ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। ফলে কোরবানি শেষে দেশে এবার ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

 

গত বছর (২০২৫ সাল) কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০টি এবং প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। গত বছর দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজারটি পশু কোরবানি হয়েছিল এবং উদ্বৃত্ত ছিল ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৭টি পশু। সেই তুলনায় গত বছরের চেয়ে এবার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি বেশি পশু কোরবানি হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এ বছরও কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, খামারিদের কঠোর পরিশ্রম ও উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের কারণে প্রাণিসম্পদ খাত আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারি বান্ধব নীতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

দেশে রেকর্ড সংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে-প্রতিমন্ত্রী টুকু

খেলাধুলা

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজ মুখোমুখি পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

লাহোরের ঐতিহাসিক গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আজ বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক পাকিস্তান ও সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে সিরিজ ১-১ সমতায় থাকায় আজকের ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে। যে দল জিতবে, ট্রফিও উঠবে তাদের হাতেই।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই সমন্বিত পারফরম্যান্স দেখিয়ে স্বাগতিকদের হারিয়ে দেয় তারা।

ফলে আজকের ম্যাচে দুই দলের সামনেই সমান সুযোগ। পাকিস্তান চাইবে নিজেদের কন্ডিশন, ঘরের মাঠের সুবিধা এবং দর্শকদের সমর্থন কাজে লাগিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিতে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য থাকবে দ্বিতীয় ম্যাচের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে শিরোপা জয়ের মিশন সফল করা।

লাহোরের উইকেট কিছুটা মন্থর হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় স্পিনারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি দুই দলের টপ অর্ডার ব্যাটারদেরও ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার বড় পরীক্ষা দিতে হবে।

সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণী এই ম্যাচে স্নায়ুচাপ সামলে কোন দল শেষ হাসি হাসে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজ মুখোমুখি পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া

স্কীপ রাইজিং স্টারস গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের,, আর এইচ ফুটবল একাদশের জয়

 

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁ সদর উপজেলা হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন কাটখৈরে অনুষ্ঠিত হলো বহুল প্রতীক্ষিত রাইজিং স্টারস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬।

ঈদের ছুটির আমেজে গ্রামের সকল স্তরের মানুষের মাঝে এ খেলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। খেলা শুরুর আগেই মাঠটি দর্শকদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

 

খেলার প্রথমার্ধ থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে। মাঠের চারপাশ থেকে দর্শকদের তুমুল করতালি আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

 

জমজমাট এই ফুটবল আসরে মুখোমুখি হয় সূযমুখি ফুটবল একাদশ ও আর. এইচ ফুটবল একাদশ

রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছে আর এইচ ফুটবল একাদশ।

 

০১ জুন ২০২৬, সোমবার বিকেল ৫ টায় কাটখৈর ভূতলিয়া ফুটবল মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় রাইজিং স্টার গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর গুরুত্বপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচ।

 

ম্যাচের শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় দর্শকদের। মাঠজুড়ে ছিল তুমুল উত্তেজনা, প্রতিটি মুহূর্তে দর্শকরা উপভোগ করেছেন রুদ্ধশ্বাস লড়াই। তবে নির্ধারিত সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আর এই ফুটবল একাদশ খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত সমন্বয়ে আসে ম্যাচের একমাত্র গোল।

এই গোলেই সূর্যমুখী ফুটবল একাদশকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে নেয় আর এস ফুটবল একাদশ ।

 

টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ জালাল হোসেন শাহানা সাবেক চেয়ারম্যান, হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ, সভাপতি হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপি, সহ সভাপতি নওগাঁ সদর উপজেলা বিএনপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির অন্যান্য সংগঠনের সহযোগী রাজনৈতিক বৃন্দ,সামাজিক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব।

খেলার পুরো সময় জুড়ে মাঠে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি টুর্নামেন্টকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

 

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, এই ধরণের প্রীতি ম্যাচ গ্রামীণ জনপদে ঈদের আনন্দকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যুবসমাজকে মাদক, মোবাইলে জুয়া আসক্তি থেকে দূরে রাখতে এবং সমাজের সকল বয়সের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরিতে এই আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন এবং তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন রাইজিং স্টারস গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজক ও দর্শকরা।

স্কীপ রাইজিং স্টারস গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের,, আর এইচ ফুটবল একাদশের জয়

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১০দিন বাকি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ জুন মাঠে গড়াবে ফিফা বিশ্বকাপ। ফুটবল বিশ্বকাপ ভারতে সরাসরি দেখাবে জি এন্টারটেইনমেন্ট।

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা।

 

সোমবার জি এন্টারটেইনমেন্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, তারা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০৩৪ সাল পর্যন্ত আরও ৩৮টি ফিফা ইভেন্ট সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে। চুক্তির আর্থিক শর্তাবলী প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এই চুক্তির মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এতে ভারতজুড়ে বেশ স্বল্পমূল্যেই ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।

 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফা প্রাথমিকভাবে ভারতের প্যাকেজটির জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছিল। পরে তাদের চাওয়া দাম কমিয়ে ৬০ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনে। এর আগে গত ১৫ মে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘সিএমজি’ প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলারে ২০২৬ বিশ্বকাপের একচেটিয়া স্বত্ব কিনে নেয়।

 

ভারত ও চীনে সম্প্রচার স্বত্ব চূড়ান্ত হলেও বাংলাদেশের দর্শকরা এখনো জানেন না তারা কোথায় দেখবেন বিশ্বকাপ। বাংলাদেশে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বের জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা) দাবি করেছে ফিফার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এর সঙ্গে কর, অগ্রিম আয়কর ও ভ্যাট যুক্ত হলে মোট ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে।

 

বিপুল পরিমাণ এই অর্থের কারণে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বিটিভি কিংবা দেশের অন্য কোনো বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এখন পর্যন্ত এই চুক্তিতে সম্মত হতে পারেনি। মূলত এই আকাশচুম্বী আর্থিক চাহিদার কারণেই বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

 

তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যয় সংকোচন করে দেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চেষ্টা এখনো চলমান রয়েছে। আজ বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। বর্তমানে দেশের কয়েকটি বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যম যৌথভাবে স্বত্ব নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। যেখানে টি-স্পোর্টস ও স্টার নিউজের অংশীদারিত্বের একটি উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি দুবাইভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে বিনা মূল্যে বিশ্বকাপ দেখানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও ফিফা তাতে সায় দেয়নি।

বিশ্বকাপ দেখানোর সুখবর পেল ভারত, আলোচনায় বাংলাদেশ

ব্রাজিল জাতীয় দলের আসন্ন প্রীতি ম্যাচগুলো থেকে ছিটকে গেছেন তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও তার খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমার বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

তিনি জানান, এমআরআই স্ক্যানে নেইমারের ডান পায়ের কাফে গ্রেড-টু ইনজুরি ধরা পড়েছে। এতে তাকে আরো দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

 

লাসমার বলেন, নেইমার গতকাল গ্রানজা কোমারিতে দলের সঙ্গে যোগ দেয়।

 

এরপর তার সব ধরনের মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। এমআরআই স্ক্যানে শুধু ফোলা নয়, বরং গ্রেড-টু ক্যাফ ইনজুরি ধরা পড়েছে। তাকে সুস্থ হতে আরো দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে। তবে এই ইনজুরির কারণে নেইমারকে চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।

 

এর আগে মঙ্গলবার জাতীয় দলে যোগ দিলেও বুধবারের প্রথম অনুশীলনে অংশ নেননি নেইমার। ডান পায়ের কাফে ফোলাভাবের অভিযোগ করায় তাকে তেরেসোপোলিসের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে স্ক্যানের জন্য পাঠানো হয়।

 

ব্রাজিল দল ঘোষণার আগে নেইমারের ক্লাব সান্তোসের চিকিৎসক রদ্রিগো জোগাইব জানিয়েছিলেন, তার সমস্যাটি কেবল সামান্য ফোলাভাব এবং তিনি অনুশীলনে যোগ দেওয়ার মতো ফিট আছেন। কিন্তু জাতীয় দলের মেডিক্যাল পরীক্ষায় ভিন্ন চিত্র সামনে আসে।

 

এই ইনজুরির কারণে রবিবার মারাকানায় পানামার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলতে পারবেন না নেইমার। এ ছাড়া ক্লিভল্যান্ডে মিশরের বিপক্ষের ম্যাচেও তার খেলা হচ্ছে না।

 

সবশেষ পরিস্থিতিতে আগামী ১৩ জুন নিউ জার্সিতে আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও তার খেলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। বিশ্বকাপে ব্রাজিল রয়েছে গ্রুপ ‘সি’-তে। একই গ্রুপে আছে হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

 

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি ইতোমধ্যেই রবিবারের ম্যাচে পাচ্ছেন না ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, মার্কিনিওস এবং ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিকে।

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আর্সেনাল ও পিএসজির হয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা আপাতত জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন।

 

গত সপ্তাহে নেইমারের দলে ফেরা ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছিল। কার্লো আনচেলত্তির দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরো এক বছর তার পরিকল্পনায় ছিলেন না ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফরোয়ার্ড।

 

১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করা নেইমার গত কয়েক বছর ধরেই চোটের সমস্যায় ভুগছেন। ক্লাব সান্তোসে ফেরার পরও প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি তিনি।

 

এর আগে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেছিলেন, নেইমারকে কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। জাতীয় দলে তার জায়গা নির্ধারণ হবে শুধুই ফিটনেস ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। ফলে আপাতত নেইমারকে ছাড়াই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন নেইমার

আসন্ন লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) ২০২৬ আসরের জন্য সরাসরি চুক্তিতে জাফনা কিংসে নাম লিখিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

 

শুক্রবার (২২ মে) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষ।

 

সাকিবকে দলে পেয়ে জাফনা কিংস উচ্ছ্বসিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা লিখেছে, ‘কিংসে যোগ দিলেন গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি মায়েস্ত্রো। সাকিব আল হাসান এলপিএল ২০২৬ সামনে রেখে জাফনা কিংসের সঙ্গে চুক্তি করেছেন।’

সাকিবকে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে আখ্যা দিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি আরও জানায়, ‘দলের যখন স্থায়িত্ব প্রয়োজন, তখন আসে রান। খেলার যখন একটি ব্রেকথ্রু (উইকেট) প্রয়োজন, তখন আসে উইকেট। চাপের মুখে যখন পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন বজায় থাকে চরম আত্মসংযম। সাকিবকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে জাফনা কিংস তাদের ইতিমধ্যেই শক্তিশালী লাইনআপে আরও বাড়তি শক্তির যোগান দিল।’

 

এর আগে, ২০২৩ সালে এলপিএলে নাম লিখিয়েছিলেন সাকিব। সেই আসরে গল টাইটান্সের হয়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন এই টাইগার অলরাউন্ডার।

সরাসরি চুক্তিতে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দল পেলেন সাকিব

নতুন এক মহাকাব্য লিখল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে সফরকারী পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে দুই টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

 

এই জয়ের মধ্য দিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই সিরিজে ব্যাক-টু-ব্যাক হোয়াইটওয়াশের অনন্য এক বিশ্বরেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে স্বাগতিকদের ধবলধোলাই করেছিল টাইগাররা। ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার টেস্ট জয়ের সাফল্যে ভাসছে টাইগাররা।

 

সিলেটে পঞ্চম ও শেষ দিনে ৪৩৮ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নামে পাকিস্তান। তাদের হাতে ছিল তিন উইকেট। পাকিস্তানের লোয়ার-অর্ডারদের নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

 

এমন সমীকরণ নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই নাহিদ রানা, তাসকিনদের ওপর চড়াও হন পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খান। কিন্তু ২৮ রানে এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরান তাইজুল ইসলাম। সঙ্গীকে হারিয়ে ৯৪ রান করে মোহাম্মদ রিজওয়ান কাটা পড়েন শরিফুল ইসলামের পেসে। ৩৫৮ রানে নবম উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর ৯৮তম ওভারে বল করতে এসে স্বাগতিকদের কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। খুররাম শাহজাদকে নিজের ষষ্ঠ শিকারে পরিণত করলে ৩৫৮ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান।

 

এই জয়ের ফলে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে ভারতকে টপকে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ৫ নম্বরে উঠে এলো টাইগাররা।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

আজ বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সরকারের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির নেতারা।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দুই বছর দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও মাত্র তিন মাসের মাথায় মূল্যবৃদ্ধি করে সরকার জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।’

 

তিনি অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং তা না হলে সরকারকে জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে বলেও হুশিয়ারি দেন।

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘ গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ সেক্টরে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা ভরাট করার চেষ্টা চলছে।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, সরকার সেদিকে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বোঝার ওপর শাকের আঁটি চাপিয়ে দিচ্ছে।’

 

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সংবাদ সম্মেলন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম জুন থেকে কার্যকর।

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

 

বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং এসব বৈঠকের অনেকগুলো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হতো।

 

রাশেদ খানের দাবি, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে ৪ কোটি টাকার একটি সমঝোতার আলোচনা হয়।

 

বৈঠক শেষে হান্নান মাসউদ আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ১ কোটি টাকা দিতে চান, তবে ৩ কোটি টাকায় চুক্তি করার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ওই নেতাদের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে এবং অর্থের প্রয়োজন আছে বলেও হান্নান মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন।

 

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, হান্নান মাসউদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হাতিয়ার বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান।

 

তিনি জানান, ২৭ জুলাইয়ের পর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। জিসান বিভিন্ন সময় সমন্বয়কদের ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজও করতেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান হান্নান মাসউদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তবে হান্নান মাসউদের অর্থের প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ ও আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে তিনি দূরে সরে যান।

 

ফেসবুক পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

 

তার দাবি, হান্নান মাসউদ মনে করতেন মোহাম্মদ আলী তার রাজনৈতিক পথে প্রধান বাধা। এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতারে ভূমিকা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ব্যক্তিগত আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি বলেছেন যে নোয়াখালীর আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের সঙ্গে তার কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই বিরোধ রয়েছে।

 

একই সঙ্গে নোয়াখালীর রাজনীতিতে প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বিভিন্ন আলোচনায় তুলে ধরতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা এক ধরনের ধোঁকাবাজি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

 

তিনি বলেন, ‘সরকার আগে আশ্বস্ত করেছিল অন্তত চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে না। এরপরও যদি নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে তা হবে জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ।

 

রোববার (৩১ মে) দিনগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।

 

তিনি বলেন, ‘গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও, ফলে দ্রব্যমূল্য আরও বেড়ে গেছে। কিন্তু মানুষের আয় না বাড়লেও বেকারত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।’তিনি অভিযোগ করেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির উদ্যোগের খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়াবে। জনগণ ইতোমধ্যে দিশেহারা অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তারা কোথায় যাবে, কী করবে এবং কীভাবে জীবনযাপন করবে—সেই প্রশ্ন এখন সামনে চলে এসেছে।’

 

জামায়াত আমির বলেন, ‘এক সপ্তাহের ব্যবধানে জাতীয় বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। এর আগে যদি তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে।’

 

তিনি এ ধরনের যেকোনো জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার ঘোষণা দেন।

 

বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে জনগণকেই সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে। নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কথা বলতে হবে এবং গণতান্ত্রিক উপায়ে দাবি আদায় করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী জনগণের পাশে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, দেশে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি ঘটেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি যুক্ত হয়ে দেশ ও সমাজের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, অধিকার কেউ কাউকে এনে দেয় না; তা সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমেই অর্জন করতে হয়।

 

এর আগে রোববার জুন মাসের জন্য দেশে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে সরকার। নতুন দাম অনুযায়ী, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা করে বেড়েছে। তবে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

 

এদিন রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন মূল্য আজ (সোমবার) থেকেই কার্যকর হবে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ জনস্বার্থবিরোধী: জামায়াত আমির

ঢাকা জেলা উত্তর সহ দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মাহাফুজ ইকবাল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঢাকা জেলা উত্তরসহ সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহাফুজ ইকবাল

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় ছাত্রদল নেতা মাহাফুজ ইকবাল বলেন, “ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য বার্তা নিয়ে হাজির হয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গ করার মাধ্যমেই এই ঈদের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।”

 

তিনি আরও বলেন, ঈদের এই আনন্দ যেন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানোই হোক এবারের ঈদের অন্যতম লক্ষ্য। ত্যাগের এই মহান আদর্শকে ধারণ করে সবাইকে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

 

“ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমি দেশবাসী ও সর্বস্তরের জনগণকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা— ঈদ মোবারক। সবার জীবন আনন্দ, শান্তি ও সাফল্যে ভরে উঠুক।”

— মোঃ মাহাফুজ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল।

 

পরিশেষে, তিনি সবার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন এবং উৎসবের দিনগুলোতে সবাইকে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার অনুরোধ জানান।

ঢাকা জেলা উত্তর সহ দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মাহাফুজ ইকবাল

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজের অসুস্থ দাদির জন্য ওষুধ আনতে গিয়ে এক অবুঝ ও নিষ্পাপ শিশু (৮) বর্বরোচিত ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পৈশাচিক ও ন্যাক্কারজনক ঘটনার জানাজানি হতেই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত আফতাব ওরফে তরিকুল নামের এক গ্রাম্য চিকিৎসককে গণপিটুনি দিয়ে ঘরের মধ্যে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশে সোপর্দ করে তারা। 

শনিবার (৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে এই হীন অপরাধের ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এই ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের তথ্যমতে, শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিকেলে তার দাদির আকস্মিক অসুস্থতার কারণে সে বাড়ির পাশের বাজারে তরিকুল ডাক্তারের ফার্মেসিতে ওষুধ আনতে গিয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দোকানে আর কোনো ক্রেতা বা অন্য কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তরিকুল ওই অবুঝ মেয়েটিকে কৌশলে দোকানের ভেতরের একটি গোপন রুমে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শিশুটি রক্তাক্ত ও কান্নাকাটি অবস্থায় বাড়িতে ফিরে তার মা-বাবাকে এই পৈশাচিক ঘটনা জানালে পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সমাজসেবক ও প্রতিবেশীদের বিষয়টি অবহিত করেন। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শত শত বিক্ষুব্ধ মানুষ ওই চিকিৎসকের দোকান ঘেরাও করে তাকে গণধোলাই দেয়।

 

নৃশংস এই ঘটনার পর কান্নায় ভেঙে পড়ে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিকেলে আমার ছোট মেয়েটি ওষুধ আনতে গেলে তরিকুল ডাক্তার এই জঘন্য ও পৈশাচিক কাণ্ড ঘটায়। আমি একজন অসহায় বাবা হিসেবে প্রশাসনের কাছে এই নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুততম বিচার চাই।’

 

এদিকে ঘটনার পরপরই রাতেই শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আরিফুল ইসলাম প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে মনে হচ্ছে শিশুটিকে পৈশাচিক উপায়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে ধর্ষণের বিষয়টি আরও শতভাগ নিশ্চিত হওয়া এবং উচ্চতর ফরেনসিক আলামত সংগ্রহের জন্য ভিকটিমকে উন্নত পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘ফার্মেসিতে এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক গ্রাম্য চিকিৎসককে জনতা আটকে রেখেছে—এমন সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশের একটি ফোর্স পাঠিয়ে অভিযুক্তকে দ্রুত আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এরই মধ্যে নির্যাতিত শিশুটিকে উন্নত ডাক্তারি ও মেডিকেল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত এজাহারের আলোকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

 

৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রাম্য চিকিৎসককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল জনতা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির র‌্যাম ভেঙে যাত্রীবাহী বাস নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মামলা করেছে নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে গ্রেফতারকৃত তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

এর আগে, শুক্রবার (৫ জুন) রাতে দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের পাশাপাশি পরিবহন পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাসচালক ঝন্টু আলী (৪৮), হেলপার শাকিব হোসেন (২২) এবং সুপারভাইজার আজমল হোসেন (৩৮)।

 

শুক্রবার সকালে মেহেরপুরের গাংনী থেকে প্রায় ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার গাবতলীর উদ্দেশে ছেড়ে আসে এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে পৌঁছে। প্রশাসনের কঠোর তদারকিতে নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীদের নামিয়ে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগতিতে ফেরিতে উঠে অপর প্রান্তের র‌্যাম ভেঙে নদীতে পড়ে যায়।

 

দুর্ঘটনার সময় বাসের হেলপার দ্রুত নেমে যেতে সক্ষম হলেও চালক বাসের ভেতরেই আটকা পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।

 

ঘটনার পর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর দুপুর ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ও ডুবুরি দলের সহায়তায় বাসটি নদীর তলদেশ থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

যাত্রীদের মালামাল যাচাই-বাছাই শেষে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি রেকারের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফেরিটি ঘাট থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক হয়।

 

এদিকে, শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

ঘটনার পরদিনই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বাস ডুবির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দৌলতদিয়ায় বাস ডুবির ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৩

সরকারি বনের জমিতে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা ।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাড়ইপাড়া এলাকায় দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সরকারি বনের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগীরা জানান এই এলাকায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস কইরা আসতেছি আমাদের বাড়িঘর নেই সরকারি বনের জায়গার ওপর ঘরবাড়ি করে থাকতে হইলে বোন কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা দিতে হবে। যদি না দেই বিট কর্মকর্তার লোকজন এসে আমাদের বাড়িঘর ভেঙ্গে দেয় আমরা গরীব দুঃখী অসহায় মানুষ যাব কোথায়। অন্যদিকে আর এক জন ভুক্তভোগি টাকা নেওয়ার ব্যাপারে যদি কেউ জানে তাহলে এই ঘর  আবারো ভেঙ্গে দেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের জমি দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

 

‎‎অভিযোগকারীরা জানান, প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি সরকারি বনের জমি দখল করে

ডাঃ সোহান নামের এক ব্যাক্তি

পাঁচতলা ফাউন্ডেশন করে বাড়ি নির্মান করছেন। সরেজমিনে ডাঃ সোহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,

কালিয়াকৈর রেঞ্জের আওতাধীন বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা, এবং সার্ভেয়ার আওলাদ হোসেন, সফিপুর ভূমি অফিসের নায়েব কাজ করতে বলেছে বলে জানান।

 

বিট কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা রয়েছে বলে ডাঃ সোহান জানান । বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ তহিদুল ইসলাম কে গণমাধ্যম কর্মী ফোন করলে তিনি বলেন আপনার সঙ্গে পরে কথা বলবো। স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি বনের জমিতে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা

বিস্তারিত....

Top