Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
দুই মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি, থেমে থেমে চলছে গাড়ি বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আ. লীগের পথেই হাঁটছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ঢাকায় কালশীতে বস্তিতে আগুন, পানির সংকটে ফায়ার সার্ভিস ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিক মামুনকে যুবদল নেতার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ সাভার পৌরবাসী সহ দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা লিটন মিয়া দেশে হামের ভয়াবহ রূপ, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ মৃত্যু সরকারের ১০০ দিনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে সাভার থানা জিয়া মঞ্চের সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাকিব হাসান গফুরের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

সৌদি আরবে শুরু হয়েছে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। আজ সোমবার (২৫ মে) ভোর থেকে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে পবিত্র মক্কা নগরী।

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখো মুসলমান এখন তাঁবুর শহর হিসেবে পরিচিত মিনাতে সমবেত হচ্ছেন। আজ দুপুর পর্যন্ত হাজিদের মিনায় পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চলবে বলে জানিয়েছে সৌদি গেজেট।

 

হজযাত্রীরা ৮ জিলহজ থেকে মিনায় অবস্থান করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। এই দিনটি ‘ইয়াওমুত তারভিয়া’ নামে পরিচিত। সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী এর আগেই অনেক দেশের হাজি, বিশেষ করে বাংলাদেশি হাজিরা মিনায় পৌঁছে যান।

 

এরপর ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) হাজিরা রওনা হবেন আরাফাতের উদ্দেশে। সেখানে তারা জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। এই অবস্থানকেই হজের মূল রুকন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফায়ের উদ্দেশে যাত্রা করবেন এবং সেখানে রাতযাপন শেষে পরদিন মিনায় ফিরে শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি ও মাথা মুণ্ডনসহ হজের গুরুত্বপূর্ণ বিধান পালন করবেন।

 

বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৮ লাখ মুসলমান এবারের হজে অংশ নিচ্ছেন। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭৮ হাজারের বেশি হজযাত্রী পবিত্র এ ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করছেন।

মিনায় পৌঁছাচ্ছেন লাখো হজযাত্রী, ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত মক্কা

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির উদ্দেশে বের হওয়া ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) বিকেলে আশুলিয়ায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখো মানুষরা।

 

ঈদের ছুটিতে একযোগে সবাই গ্রামের উদ্দেশে রাস্তায় নেমে এলে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে এবং যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠনামা করানোয় এই যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে বিকেলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীনগর ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের নবীনগর থেকে বাইপাইল এবং জিরানী থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত সড়কে তীব্র যানজটের খবর পাওয়া গেছে।

 

এ সময় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাইপাইল পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের জিরানী থেকে বাড়ইপাড়া পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।

 

সাভার পরিবহনের যাত্রী মুন্না হোসেন বলেন, আমি গাবতলী থেকে বিকেল ৪টার দিকে রওনা হয়েছি চন্দ্রা যাওয়ার উদ্দেশে।

কিন্তু সাড়ে ৫টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইলে এসে যানজটে বসে আছি বলে জানান তিনি।

 

সেলফী পরিবহনের চালক মো. মারুফ বলেন, দুপুরের পর থেকে সড়কে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। তাই বাসের চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশমাইল এলাকায় মহাসড়কের ওপর যত্রতত্রভাবে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করায় যানজটের শুরু হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আটকে থেকে নবীনগর পার হতেই আধাঘণ্টার ওপর সময় চলে গেছে।

 

এদিকে মহাসড়কের যানজটের প্রভাব পড়েছে আশাপাশের সংযোগ সড়কেও। এতে করে মানুষ প্রয়োজনীয় কাজেও যেতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ যানজটে আটকে থেকে শিশু, বৃদ্ধসহ সাধারণ যাত্রীরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই এমন ভোগান্তিতে পড়ে হতাশ সাধারণ যাত্রীরা।

 

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহজাহান বলেন, বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানোর কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে যানজট শুরু হয়ে বাইপাইল পর্যন্ত গেছে। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

দুই মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি, থেমে থেমে চলছে গাড়ি

বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আবারও আ. লীগের পথেই হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে।

 

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর হামলা, এনসিপি ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ৫ আগস্টের পরে আমরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথে ধাবিত হচ্ছিলাম। এখন বিচারকদের পোস্টিং, প্রমোশন কে নিয়ন্ত্রণ করে বিএনপি বিচারকদের স্বাধীনতা হরণ করেছে। সেটির মহড়া আমরা ঝিনাইদহে দেখতে পাচ্ছি। এই কর্মকাণ্ডকে আমরা যদি বিশ্লেষণ করি আমাদের মনে হয় না— বিচারকদের রায় বিচারালয়ে বসে হয়। আমাদের মনে হয়— ঢাকা থেকে সেটি রিমোট কন্ট্রোলে পরিচালিত হয়।

 

তিনি আরও বলেন, পুলিশ তো কোন দলের হওয়ার কথা ছিলো না। পুলিশ হওয়ার কথা বাংলাদেশের জনগণের। আইনগত বিষয় পুলিশ আইনগতভাবে সমাধান করবে। আমরা দেখলাম, আ.লীগ আমলে সরকার দলীয় আদেশের অপেক্ষায় থেকে পুলিশ যেভাবে পেটুয়া বাহিনীর কাজ করতো একইভাবে পুলিশ পেটুয়া বাহিনীরা ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে।

 

পুলিশের একাংশ অসহায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশকে পোস্টিং-প্রমোশন ও পদায়নের ভয় দেখিয়ে সরকার তাদেরকে আবারও লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করতে চাচ্ছে। পুলিশ ভাইদের কাছে আহ্বান জানাবো, আপনারা পেশায় মেধা, দক্ষতা ও ট্রেনিং এর মধ্য দিয়ে এসেছেন। আপনারা ৫ আগস্ট ও জুলাইয়ের কথা মনে রাখুন। বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে আ. লীগের দল দাস হয়ে পুলিশের যে পরিণতি হয়েছিল আমরা বিশ্বাস করি আপনারা পুলিশকে সেইদিকে ঠেলে দেবেন না।

বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আ. লীগের পথেই হাঁটছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিক মামুনকে যুবদল নেতার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাংবাদিক আল মামুন জীবনকে হত্যার হুমকি ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালা’জ করার প্রতিবাদে ভানোর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জুয়েল রানাকে গ্রেফতারে’র দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধীসমাজ।

 

সোমবার (২৫মে) দুপুরে উপজেলার চৌরাস্তায় বালিয়াডাঙ্গী প্রেস ক্লাবের আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচী পালিত হয়।

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য দেন বালিয়াডাঙ্গী প্রেস ক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম মশিউর রহমান, সাবেক সভাপতি জুলফিকার আলী শাহ, প্রবীণ সাংবাদিক এন এম নুরুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী, সাংবাদিক রাজিউর রহমান জেহাদ রাজু, বাংলানিউজ২৪-এর প্রতিনিধি রাসেল রানা মেহেদী।

 

এছাড়া আরও বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বাধীন সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ রায়হান দুলু, বালিয়াডাঙ্গী প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নুরনবী, সাংবাদিক হাসান আলী, জিয়াউর রহমান ও আব্দুল মোমেন সহ অন্যান্যরা।

 

বক্তারা জানান, ভানোর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জুয়েল রানা গত ১১ মে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসহ আটক হন। পরদিন ১২ মে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।

 

এই খবরটি সাংবাদিক আল মামুন জীবন তার পত্রিকা ও ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে গত ১৯ মে দুপুরে মুঠোফোনে সাংবাদিক আল মামুন জীবনকে হত্যার হুমকি দেন এবং তার বাবা-মাকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন জুয়েল রানা। এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।

ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিক মামুনকে যুবদল নেতার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ

 

মুজাহিদ শেখ,স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

মাগুরা সদর উপজেলার ৫নং হাজরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন তরুণ ছাত্রনেতা ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজ। দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় বর্তমানে তিনি এলাকার তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রথম পছন্দ ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

 

ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে দীর্ঘকাল ধরে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। তিনি ২০১২ সালে হাজরাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত সরকারের আমলে একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হলেও রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

 

বিশেষ করে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই শিক্ষার্থী সাধারণ ছাত্রদের সাথে নিয়ে ঢাকার রাজপথে একদফা আন্দোলনে সক্রিয় নেতৃত্ব দেন। আন্দোলন চলাকালে পুলিশি হামলায় টিয়ারশেল ও রাবার বুলেটে তিনি গুরুতর আহত হন। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে নিরলস কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি সামাজিক সংগঠন “আমরা জুলাই যোদ্ধা”-র কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক এবং মাগুরা জেলা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী সাইমুম সিরাজ এসএসসি ও ডিপ্লোমা শেষে ২০২৪ সালে বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন এবং বর্তমানে এমএসসিতে অধ্যয়নরত আছেন।

 

হাজরাপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজ বলেন:

 

“আমি সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান, ইউনিয়ন পরিষদকে হয়রানিমুক্ত করা, নাগরিক সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, কৃষি উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠাই আমার মূল লক্ষ্য। ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়ক ঘিরে শিল্প-কারখানা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খাল-নদী খনন এবং কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করতে আমি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেব। ইউনিয়নবাসীর সেবা করার জন্য আমি সবার দোয়া ও একটিবার সুযোগ কামনা করছি।”

 

 

এলাকার সাধারণ ভোটার ও তরুণদের মতে, একজন উচ্চশিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে কাজী সাইমুম সিরাজ হাজরাপুর ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে সবচেয়ে যোগ্য নেতৃত্ব হতে পারেন।

হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ

সাভার পৌরবাসী সহ দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা লিটন মিয়া

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাভার পৌরবাসী তথা সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার পৌর যুবদল নেতা মোঃ লিটন মিয়া। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।যুবদল নেতা মোঃ লিটন মিয়া বলেন:

“ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা নিয়ে হাজির হয়। এই উৎসবের মূল শিক্ষাই হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের ভেতরের অহংকার ও স্বার্থকে বিসর্জন দেওয়া। সাম্য, মৈত্রী ও ত্যাগের এই আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমাদের সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সাভারের প্রতিটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে, এটাই তাঁর প্রত্যাশা। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সবাইকে স্বাস্থ্যসচেতন থেকে এবং আশেপাশের অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, সাভার পৌর যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এই যুবনেতা। ঈদ মোবারক!

সাভার পৌরবাসী সহ দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা লিটন মিয়া

দেশে হাম ও এর আনুষঙ্গিক উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। মহামারি আকার ধারণ করা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে আরও ১ হাজার ২২৪ জনের দেহে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

 

সোমবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৫৪৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৮৭ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৫৮ শিশু।

 

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৮ হাজার ৭১৯ শিশু। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৬৪ হাজার ৯৪০ শিশু। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৩১ শিশুর ও আক্রান্ত ৩৬ হাজার ৭০৬ শিশু।

 

এই হিসাব গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৫ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।

 

চিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। সঠিক সময়ে টিকা না নেওয়া এবং সচেতনতার অভাবে এই রোগের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। হঠাৎ তীব্র জ্বর, শরীরে লালচে র‍্যাশ বা দানা দানা ওঠা, কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ইতোমধ্যে টিকাদান জোরদার এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সাথে শিশুদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

দেশে হামের ভয়াবহ রূপ, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ মৃত্যু

বর্তমান সরকারের ১০০ দিনের কাজে অগ্রগতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে শিল্প-কারখানার শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণ, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন।

 

আজ সোমবার (২৫) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বর্তমান সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি।

 

মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মাসের ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা সম্পন্ন করেছে। এসব সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তারমধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত অর্থাৎ প্রায় ৬২ শতাংশ এরইমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন তাদের সময়কার সরকার দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিকাশ নিশ্চিত করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

 

মাহদী আমিন বলেন, এ নজিরবিহীন স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, অশোভন আচরণ ও অশালীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরির যে প্রয়াস চলছে, তা গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর বলেও অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, সরকার একদিকে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার প্রতিফলন গত ১০০ দিনের উদার ও সহিষ্ণুতার নতুন মানদণ্ডে বারবার প্রতীয়মান হয়েছে। অন্যদিকে বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষেদগারের যে রাজনীতি একটি গোষ্ঠীর অপকৌশলে পরিণত হয়েছে, সেই চর্চা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খার সাথে সাংঘর্ষিক।

 

মাহদী আমিন বলেন, দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আনতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কাজও।

 

তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার বদ্ধপরিকর। এরইমধ্যে কুষ্টিয়ার মেহেরপুরে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে এক আসামিকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। মাত্র ২৯ কার্যদিবসের মধ্যে এ মামলার রায় ঘোষণায় দেশের বিচার ব্যবস্থার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এক বিরল নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভেঙে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। এক দশক পর আলোচিত তনু হত্যা মামলার প্রথম আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিমান্ডে নেওয়ার মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের পথ আরও সুগম হয়েছে। একইভাবে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিকে ভারতে দ্রুত শনাক্ত করা হয়েছে এবং দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

 

মাহদী আমিন বলেন, এখন ভুক্তভোগীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান না; বরং প্রধানমন্ত্রীই জনগণের দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছেন। তিনি মানুষের কথা শুনছেন, দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়াচ্ছেন এবং সাহস ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এই পরিবর্তন কেবল প্রশাসনিক নয়, এটি মানবিক ও জনমুখী রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এখানে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি জনগণের সমস্যা থেকে বিচ্ছিন্ন নন বরং তিনি সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অনুভূতিশীল নেতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন।

 

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশি পাসপোর্টে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আবারও যুক্ত করা হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ, যা ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বাদ দেওয়া হয়েছিল। জাতীয় স্বার্থ, ইসলামী মূল্যবোধ ও জনগণের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিএনপি সরকার এই শব্দবন্ধ পুনর্বহালের উদ্যোগ নিয়েছে।

 

তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের অগ্রযাত্রায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে অর্থনৈতিক খাত, ব্যাংকিং, ও সামগ্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের মাধ্যমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য।

 

দেশের মানুষের প্রকৃত অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা পৌঁছে দিতে বহুল আলোচিত এস আলম গ্রুপের ৪ হাজার ২৬৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ সফলভাবে জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকার সফলভাবে ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অর্থনীতির দৃঢ় ও সক্ষম অবস্থানের প্রমাণ দিয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে ১০টি দেশের মধ্যে এরইমধ্যে ৩টি দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে বলেও জানান মাহদী আমিন।

 

মাহদী আমিন বলেন, গত মাসেই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে, যা এই গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশিদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। প্রবাসীদের পাঠানো মাসিক রেমিট্যান্স ইতোমধ্যেই প্রায় ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

 

বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও জানান তিনি।

সরকারের ১০০ দিনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট

গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

 

প্রতিবেদনেঃ মোঃ ওমর ফারুক

Kaliganj Upazila উপজেলার তারালী, তেঁতুলিয়া, রাজাপুর, ঘুশুড়ি সহ বেশিরভাগ এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দিনের পর দিন ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। দিন হোক কিংবা গভীর রাত— কোনো সময়ই ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন। গরমে রাতভর ঘুমাতে পারছেন না অনেকেই। বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ, মোবাইল চার্জ, ফ্যান চালানো এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও নেমে এসেছে স্থবিরতা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন— কেন এই চরম বিদ্যুৎ সংকট? কেন বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে মিলছে না নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা?

এলাকাবাসীর ক্ষোভ, শুধু উন্নয়নের গল্প আর আশ্বাসের বক্তব্য দিলেই হবে না, বাস্তবেও তার প্রতিফলন দেখতে চায় জনগণ। জনপ্রতিনিধিদের জনগণের দুর্ভোগ বুঝে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কালীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত এই বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে সাভার থানা জিয়া মঞ্চের সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাকিব হাসান গফুরের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন সাভার থানা জিয়া মঞ্চের সভাপতি এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোঃ রাকিব হাসান গফুর।

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এই অভিনন্দন জানান।

হাজী মোঃ রাকিব হাসান গফুর বলেন, “ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও ধৈর্যের শিক্ষা নিয়ে হাজির হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গ করার মাধ্যমেই এই ঈদের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। কোরবানির এই মহান আদর্শকে ধারণ করে আমাদের সমাজের হিংসা, বিদ্বেষ ও বৈষম্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “আমি বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি। পবিত্র এই দিনে আমরা যেন সবাই মিলে একটি মানবিক, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসি। ঈদুল আযহা সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও অনাবিল শান্তি। ঈদ মোবারক।”

 

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সুশৃঙ্খলভাবে ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানান।

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে সাভার থানা জিয়া মঞ্চের সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাকিব হাসান গফুরের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

আসন্ন লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) ২০২৬ আসরের জন্য সরাসরি চুক্তিতে জাফনা কিংসে নাম লিখিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

 

শুক্রবার (২২ মে) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষ।

 

সাকিবকে দলে পেয়ে জাফনা কিংস উচ্ছ্বসিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা লিখেছে, ‘কিংসে যোগ দিলেন গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি মায়েস্ত্রো। সাকিব আল হাসান এলপিএল ২০২৬ সামনে রেখে জাফনা কিংসের সঙ্গে চুক্তি করেছেন।’

সাকিবকে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে আখ্যা দিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি আরও জানায়, ‘দলের যখন স্থায়িত্ব প্রয়োজন, তখন আসে রান। খেলার যখন একটি ব্রেকথ্রু (উইকেট) প্রয়োজন, তখন আসে উইকেট। চাপের মুখে যখন পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন বজায় থাকে চরম আত্মসংযম। সাকিবকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে জাফনা কিংস তাদের ইতিমধ্যেই শক্তিশালী লাইনআপে আরও বাড়তি শক্তির যোগান দিল।’

 

এর আগে, ২০২৩ সালে এলপিএলে নাম লিখিয়েছিলেন সাকিব। সেই আসরে গল টাইটান্সের হয়ে মাঠ মাতিয়েছিলেন এই টাইগার অলরাউন্ডার।

সরাসরি চুক্তিতে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দল পেলেন সাকিব

নতুন এক মহাকাব্য লিখল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে সফরকারী পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে দুই টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

 

এই জয়ের মধ্য দিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই সিরিজে ব্যাক-টু-ব্যাক হোয়াইটওয়াশের অনন্য এক বিশ্বরেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে স্বাগতিকদের ধবলধোলাই করেছিল টাইগাররা। ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার টেস্ট জয়ের সাফল্যে ভাসছে টাইগাররা।

 

সিলেটে পঞ্চম ও শেষ দিনে ৪৩৮ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নামে পাকিস্তান। তাদের হাতে ছিল তিন উইকেট। পাকিস্তানের লোয়ার-অর্ডারদের নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

 

এমন সমীকরণ নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই নাহিদ রানা, তাসকিনদের ওপর চড়াও হন পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খান। কিন্তু ২৮ রানে এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরান তাইজুল ইসলাম। সঙ্গীকে হারিয়ে ৯৪ রান করে মোহাম্মদ রিজওয়ান কাটা পড়েন শরিফুল ইসলামের পেসে। ৩৫৮ রানে নবম উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর ৯৮তম ওভারে বল করতে এসে স্বাগতিকদের কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। খুররাম শাহজাদকে নিজের ষষ্ঠ শিকারে পরিণত করলে ৩৫৮ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান।

 

এই জয়ের ফলে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে ভারতকে টপকে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ৫ নম্বরে উঠে এলো টাইগাররা।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। এবারের দলে সবচেয়ে বেশি চারজন ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে। তিন দশক পর বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলে এমন দৃশ্য দেখা গেল।

 

সর্বশেষ ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সাও পাওলো থেকে চারজন ফুটবলার সুযোগ পেয়েছিলেন। সেই দলে ছিলেন গোলরক্ষক জেত্তি, ডিফেন্ডার কাফু ও লিওনার্দো এবং ফরোয়ার্ড মুলার। পরে বিদেশি ক্লাব হিসেবেও চারজন প্রতিনিধির নজির গড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটি।

 

এবার কার্লো আনচেলত্তি-র ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে জায়গা পেয়েছেন ডিফেন্ডার অ্যালেক্স সান্দ্রো, দানিলো ও লিও পেরেইরা এবং মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। যদিও প্রাথমিক দলে থাকা লিও অর্টিজ, সামুয়েল লিনো ও পেদ্রো শেষ পর্যন্ত জায়গা পাননি।

 

এ ছাড়া দুজন করে ফুটবলার সুযোগ পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনাল থেকে।

 

১৯৫৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলে চারজন ফুটবলার পাঠাল ফ্ল্যামেঙ্গো। সেই বিশ্বকাপে ক্লাবটি থেকে ডাক পেয়েছিলেন জাগালো, দিদা, জোয়েল ও মোয়াসির। কিংবদন্তি জাগালো ফাইনালের শুরুর একাদশেও ছিলেন। ওই আসরে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল।

 

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, এবারের বিশ্বকাপে ফ্ল্যামেঙ্গোর প্রতিনিধির সংখ্যা নয়জন পর্যন্ত হতে পারে। উরুগুয়ের হয়ে ডাক পেতে পারেন আরাসকাইতা, ভারেলা ও দে লা ক্রুজ। কলম্বিয়ার হয়ে থাকতে পারেন কারাসকাল এবং ইকুয়েডরের জার্সিতে দেখা যেতে পারে প্লাতাকে।

 

রিও ডি জেনেইরোর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘মিউজিয়াম অব টুমরো’-তে বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে দল ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে সাবেক ফুটবলার, কর্মকর্তা ও ফুটবল বিশ্বের অনেক পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। ১৩টি দেশের সাংবাদিকসহ ৬০০-এর বেশি সংবাদকর্মী অনুষ্ঠানটি কভার করেন।

 

আগামী ২৭ মে থেকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করবে ব্রাজিল দল। তবে পিএসজি ও আর্সেনাল-এর যেসব ফুটবলার দলে আছেন, তারা ৩০ মে ইউরোপসেরা ক্লাব প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে।

নেইমারকে নিয়েই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জানিয়েছেন, গুরুতর চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পথে তাকে অসংখ্য ‘অর্থহীন’ সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে। তবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে পুরোপুরি ফিট প্রমাণ করতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট এবং বিশ্বাস করেন, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার জন্য নিজের সর্বোচ্চটা তিনি দিয়েছেন।

 

সান্তোস ফরোয়ার্ড নেইমার ২০২৩ সালের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি। ইনজুরি ও হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কারণে প্রায় এক বছর মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তাকে। ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি আগেই জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেতে হলে নেইমারকে পুরোপুরি ফিট ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাতে হবে।

 

রোববার করিতিবার বিপক্ষে সান্তোসের ৩-০ গোলের পরাজয়ের পর সাংবাদিকদের নেইমার বলেন, ‘শারীরিকভাবে আমি দারুণ অনুভব করছি। প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে আমি উন্নতি করছি।’

 

তিনি বলেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়েছি। এটা সহজ ছিল না, সত্যিই সহজ ছিল না।’

 

দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত সংগ্রামের কথা তুলে ধরে আবেগি নেইমার বলেন, ‘বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেছি। একই সঙ্গে আমার শারীরিক অবস্থা নিয়ে অসংখ্য বাজে কথা শুনতে হয়েছে। মানুষ যেভাবে কথা বলেছে, তা সত্যিই কষ্টদায়ক।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ঘরে বসে নীরবে কঠোর পরিশ্রম করেছি। মানুষের কথায় কষ্ট পেয়েছি, কিন্তু থামিনি। শেষ পর্যন্ত আমি আমার কাঙ্ক্ষিত জায়গায় ফিরতে পেরেছি। আমি নিজের পারফরম্যান্স ও এখন পর্যন্ত যা করেছি, তাতে সন্তুষ্ট।’

 

বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়া নিয়ে নেইমার বলেন, ‘যাই হোক না কেন, আনচেলত্তি অবশ্যই এই লড়াইয়ের জন্য সেরা ২৬ জন খেলোয়াড়কেই বেছে নেবেন।’

 

করিতিবার বিপক্ষে ম্যাচে ভুলবশত বদলি সিদ্ধান্ত নিয়ে নেইমার তীব্র প্রতিবাদ জানান, যা ম্যাচের অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে ওঠে। বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার ঠিক আগে এই ঘটনা তার জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

 

আজ সোমবার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি।

 

রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবে ব্রাজিল। উত্তর আমেরিকায় ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টের গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

আমি নিজের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট, কোচ অবশ্যই সেরা ২৬ জনকে বেছে নেবেন: নেইমার

আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল সাপোর্টারদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখর আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ

 

প্রতিবেদনে: ওমর ফারুক

 

খেলাধুলা মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলে। সেই ধারাবাহিকতায় আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক জমজমাট ও প্রাণবন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টে অংশ নেয় আর্জেন্টিনা সাপোর্টার দল ও ব্রাজিল সাপোর্টার দল।

 

কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রিয় দুই ফুটবল পরাশক্তির সমর্থকদের অংশগ্রহণে পুরো মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। খেলাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, উল্লাস ও আনন্দ যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

 

উক্ত টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক তারক চাঁদ ঢালি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুমন কুমার বিশ্বাস এবং বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ শাখার সভাপতি শেখ শামসাদ হোসেন আবিদ।

 

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এমন আয়োজন তরুণদের মাঝে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে এবং মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

খেলার শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়রা দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। মাঠজুড়ে ছিল দর্শকদের করতালি, উল্লাস ও প্রিয় দলের প্রতি সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচটি হয়ে ওঠে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য।

 

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

সবশেষে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল সাপোর্টারদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখর আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এই মধ্যে প্রাথমিক দলও ঘোষণা করেছে দলটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে আলোচিত নাম এখন নেইমার। দীর্ঘ চোটের পর মাঠে ফিরলেও তার ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দল নির্বাচন নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বা জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নয়—ফিটনেস ও ফর্মের ভিত্তিতেই গড়া হবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড।

 

আগামী ১৮ মে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এর আগে ফিফার কাছে ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে নেইমারের নামও রয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত দলে জায়গা পেতে হলে তাকে শতভাগ ফিট ও ম্যাচ ফিটনেসে থাকতে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ।

 

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, নেইমার নিঃসন্দেহে অসাধারণ প্রতিভা এবং ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তবে চোট ও শারীরিক অবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নেইমার উন্নতি করেছে এবং নিয়মিত খেলছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।

 

ব্রাজিল কোচ আরও জানান, নেইমার শুধু সমর্থকদের কাছেই নয়, ড্রেসিংরুমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়। তবে দল গঠনের ক্ষেত্রে আবেগ নয়, প্রয়োজন হবে বাস্তব মূল্যায়ন। খেলোয়াড়দের মতামত স্বাভাবিক বিষয় হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোচ হিসেবেই তিনি নেবেন।

 

তিনি বলেন, দলের ভেতরের পরিবেশ ইতিবাচক এবং কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। খেলোয়াড় হিসেবে কার পারফরম্যান্স কেমন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

নেইমারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন আনচেলত্তি। তার মতে, শেষ কয়েকটি ম্যাচে নেইমারের ফিটনেস ও গতি আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। তবে প্রতিটি ম্যাচ ও পরিস্থিতি আলাদা, তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।

 

সবশেষে ব্রাজিল কোচ জানান, নেইমারকে দলে রাখা বা না রাখার সিদ্ধান্তে কোনো চাপ নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে পেশাদার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। তিনি বলেন, নিখুঁত দল গঠন করা সম্ভব নয়, তবে লক্ষ্য থাকবে এমন একটি স্কোয়াড তৈরি করা যেখানে ভুলের পরিমাণ সর্বনিম্ন থাকে।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে কঠোর অবস্থানে আনচেলত্তি, চাপে নেইমার!

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

প্রধানমন্ত্রী ও তার কন্যাকে নিয়ে কটুক্তি ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহ জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট এবং দুদকের পিপি একে এম আজিজুল হক খান এই নোটিশ প্রদান করেন। শনিবার (২৩ মে) দৈনিক ইত্তেফাককে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এছাড়াও একে এম আজিজুল হক খান তার ফেসবুক প্রোফাইলে লিগ্যাল নোটিশটি স্ট্যাটাস আকারে প্রকাশ করেন ।

লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়- প্রাপক, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এনসিপি নেতা। আপনাকে এই মর্মে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে আপনি সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার কন্যা জায়মা রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করে মানহানি কর বক্তব্য দিয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষে মনে আঘাত করেছেন, তাতে আমিও আঘাত প্রাপ্ত হয়েছি।

 

এতে আরও বলা হয়, কেন আপনার বিরুদ্ধে কেন মানহানির মামলা করা হবে না, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তার ব্যাখ্যা সহজবাব লিখিত ভাবে নিম্ন স্বাক্ষরকারির নিকট দিতে অনুরোধ করছি। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে আদালতে আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

 

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে এরমধ্যে একটি হলো এই নির্বাচনে পোস্টার থাকবে না। আমরা নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টার না রাখার পক্ষে।’

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংশোধিত বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

 

তিনি জানান, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বর্তমান বিধান বাতিল করা হবে। একইভাবে ইভিএম ব্যবহারের নিয়মও থাকছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।

 

বর্তমানে নির্দলীয় প্রার্থীদের জন্য সমর্থন হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেটিও বাতিল করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে কী পরিমাণ বাড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

 

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা পোস্টাল ভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। একই সঙ্গে ফেরারি আসামিরাও প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ, সুন্দর ও সুষ্ঠু করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কাজ চলছে।

 

ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জুন মাসের মধ্যেই পুরো বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে। ঈদের আগে আরেকটি বৈঠক করা গেলে খসড়া বিধিমালা কমিশনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন আগামী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে পারবে বলে আশা করছে।

 

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।

 

প্রথমত, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন, সরকার কী চায় এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী-সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে।

 

দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কী চায়? তারা কি মারামারি-হানাহানির পথে যাবে, নাকি দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবে? তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সংঘর্ষ নয়।

 

তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব। তিনি বলেন, ইসি নিরপেক্ষ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও ইসির নিজস্ব কোনো শক্তি নেই; তবুও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে ‘হুংকার’ দিতে হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকে।

 

চতুর্থত-নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের আচরণ। লাখ লাখ মানুষ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন। প্রিসাইডিং অফিসার যদি আন্তরিকভাবে বলেন- জাল ভোট আমি করতে দেব না, বা দুই নম্বর কাজ হবে না-তাহলে তা তার সততা, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের গুণাবলির ওপর নির্ভর করে।

 

তিনি বলেন, নিজের সততার শতভাগ দরকার, সঙ্গে থাকতে হবে নেতৃত্বের সক্ষমতাও।

 

সহিংসতাহীন ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে বলেন, এজন্য সরকারের শতভাগ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন প্রয়োজন। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারের স্বার্থেই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

 

তিনি বলেন, সহিংসতা মূলত আইন-শৃঙ্খলার বিষয়। কেউ সংঘর্ষ সৃষ্টি করলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তি হবে। তবে শুধু আইনের কঠোর প্রয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোরও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।

 

তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে প্রার্থীরা রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। কোনো দলের সমর্থিত প্রার্থী মাঠে নামলে অন্য পক্ষ থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়ায়। এ অবস্থায় দলগুলোর মধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না থাকলে এবং তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

 

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে দলগতভাবে অনুরোধ জানানো হবে যাতে তারা-নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত না করে, মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি বা লাঠালাঠি থেকে বিরত থাকে। দলবাজি বা উত্তেজনা তৈরির প্রচেষ্টা না চালায়।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতা না করলে আমরা কী করব? খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’

 

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দুটি রাজনৈতিক জোট আচরণবিধি মেনে চলেছে। ভোটের দিন বড় কোনো ঝামেলা, কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা খুব কম হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত।

 

তিনি আরও বলেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

 

তিনি জানান, প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা; আইন ও বিধিমালায় রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে।’

বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেছেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে’ মধ্যযুগীয় আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করেছেন। দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থার প্রতি চরম অবমাননার শামিল।

 

শুক্রবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারি দলের নীতিনির্ধারকগণ প্রায়ই ‘মদিনার সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা’ এবং ‘শরীয়াবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন না করার’ মৌখিক অঙ্গীকার ব্যক্ত করে থাকেন। অথচ বাস্তব ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়া আইনকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলে হেয় প্রতিপন্ন করার মাধ্যমে তাদের আদর্শিক দেউলিয়াত্ব, সস্তা রাজনৈতিক অবস্থান এবং চরম দ্বিচারিতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটলো।

 

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই অবমাননাকর মন্তব্য দেশের আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে এবং সামগ্রিকভাবে তাদের ক্ষুব্ধ ও উসকে দিয়েছে। দেশের ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজ মনে করেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী শরীয়া আইনের প্রতি চরম অবমাননা প্রদর্শন করেছেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আহ্বানও জানিয়েছে জামায়াত।

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের

ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে অভিনেত্রী ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন বলে জানান।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি নিজেদের জায়গা থেকে শোবিজ অঙ্গণের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করেন উর্বী।

 

ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।

 

কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

 

শৈশবের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’

 

ধর্ষকের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’

 

সবট্যাটাসের শেষাংশে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’

ছোটবেলায় আমিও আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলাম: উর্বী

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিক মামুনকে যুবদল নেতার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাংবাদিক আল মামুন জীবনকে হত্যার হুমকি ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালা’জ করার প্রতিবাদে ভানোর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জুয়েল রানাকে গ্রেফতারে’র দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধীসমাজ।

 

সোমবার (২৫মে) দুপুরে উপজেলার চৌরাস্তায় বালিয়াডাঙ্গী প্রেস ক্লাবের আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচী পালিত হয়।

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য দেন বালিয়াডাঙ্গী প্রেস ক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম মশিউর রহমান, সাবেক সভাপতি জুলফিকার আলী শাহ, প্রবীণ সাংবাদিক এন এম নুরুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলী, সাংবাদিক রাজিউর রহমান জেহাদ রাজু, বাংলানিউজ২৪-এর প্রতিনিধি রাসেল রানা মেহেদী।

 

এছাড়া আরও বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বাধীন সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ রায়হান দুলু, বালিয়াডাঙ্গী প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নুরনবী, সাংবাদিক হাসান আলী, জিয়াউর রহমান ও আব্দুল মোমেন সহ অন্যান্যরা।

 

বক্তারা জানান, ভানোর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক জুয়েল রানা গত ১১ মে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসহ আটক হন। পরদিন ১২ মে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।

 

এই খবরটি সাংবাদিক আল মামুন জীবন তার পত্রিকা ও ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে গত ১৯ মে দুপুরে মুঠোফোনে সাংবাদিক আল মামুন জীবনকে হত্যার হুমকি দেন এবং তার বাবা-মাকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন জুয়েল রানা। এই ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।

ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিক মামুনকে যুবদল নেতার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ

 

মুজাহিদ শেখ,স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

মাগুরা সদর উপজেলার ৫নং হাজরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন তরুণ ছাত্রনেতা ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজ। দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় বর্তমানে তিনি এলাকার তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রথম পছন্দ ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

 

ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে দীর্ঘকাল ধরে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। তিনি ২০১২ সালে হাজরাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত সরকারের আমলে একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হলেও রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

 

বিশেষ করে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই শিক্ষার্থী সাধারণ ছাত্রদের সাথে নিয়ে ঢাকার রাজপথে একদফা আন্দোলনে সক্রিয় নেতৃত্ব দেন। আন্দোলন চলাকালে পুলিশি হামলায় টিয়ারশেল ও রাবার বুলেটে তিনি গুরুতর আহত হন। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে নিরলস কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি সামাজিক সংগঠন “আমরা জুলাই যোদ্ধা”-র কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক এবং মাগুরা জেলা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত মেধাবী সাইমুম সিরাজ এসএসসি ও ডিপ্লোমা শেষে ২০২৪ সালে বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেন এবং বর্তমানে এমএসসিতে অধ্যয়নরত আছেন।

 

হাজরাপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজ বলেন:

 

“আমি সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান, ইউনিয়ন পরিষদকে হয়রানিমুক্ত করা, নাগরিক সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, কৃষি উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠাই আমার মূল লক্ষ্য। ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়ক ঘিরে শিল্প-কারখানা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খাল-নদী খনন এবং কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করতে আমি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেব। ইউনিয়নবাসীর সেবা করার জন্য আমি সবার দোয়া ও একটিবার সুযোগ কামনা করছি।”

 

 

এলাকার সাধারণ ভোটার ও তরুণদের মতে, একজন উচ্চশিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে কাজী সাইমুম সিরাজ হাজরাপুর ইউনিয়নের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে সবচেয়ে যোগ্য নেতৃত্ব হতে পারেন।

হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ

সাভার পৌরবাসী সহ দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা লিটন মিয়া

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাভার পৌরবাসী তথা সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার পৌর যুবদল নেতা মোঃ লিটন মিয়া। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।যুবদল নেতা মোঃ লিটন মিয়া বলেন:

“ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা নিয়ে হাজির হয়। এই উৎসবের মূল শিক্ষাই হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের ভেতরের অহংকার ও স্বার্থকে বিসর্জন দেওয়া। সাম্য, মৈত্রী ও ত্যাগের এই আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমাদের সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সাভারের প্রতিটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে, এটাই তাঁর প্রত্যাশা। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সবাইকে স্বাস্থ্যসচেতন থেকে এবং আশেপাশের অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, সাভার পৌর যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এই যুবনেতা। ঈদ মোবারক!

সাভার পৌরবাসী সহ দেশবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন যুবদল নেতা লিটন মিয়া

বিস্তারিত....

Top