Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’ চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চাইলেই বাতিল করা যায় না: বাণিজ্যমন্ত্রী আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে রিয়াজউদ্দিন ফালানকে চায় অত্র ইউনিয়নের জনগণ। যে আমানত কাঁধে তুলে দিয়েছেন, সেটা রক্ষার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত দেশে স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমলো কত? নেভি ব্লু শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্টের রঙ কী হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পশ্চিমবঙ্গে যেই আসুক, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

 

হাম সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি ইউনূস সরকার। সম্প্রতি একটি বার্তা সংস্থাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া।

 

প্রশ্ন: প্রতিবছর ইউনিসেফ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুকে টিকা দিতে সহায়তা করে, যাতে তারা সুস্থভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও ইউনিসেফ প্রতিবছর লাখো শিশুর জন্য এই কাজ করছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করছে। বাংলাদেশে গণটিকাদানের এই সাফল্য কতটা?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: ১৯৭৪ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আন্তর্জাতিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ তাদের কাজের কেন্দ্রে টিকাদানকে রেখেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিটি শিশু সে যেখানেই থাকুক, যেন জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে ইপিআই চালুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরকারকে ব্যাপক কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে। বাংলাদেশে এই অংশীদারত্ব বড় বড় সাফল্য এনে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোলিও নির্মূল, নতুন টিকা চালু এবং ধারাবাহিকভাবে টিকাদানের উচ্চ হার। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশে পূর্ণ টিকাদান কাভারেজ ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

বাংলাদেশে ইউনিসেফ পোলিও নির্মূল, মাতৃ ও নবজাতকের টিটেনাস নির্মূল, হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণ এবং এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মতো নতুন টিকা চালু করতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (ওয়াশ) কার্যক্রমের সঙ্গে টিকাদান যুক্ত করে সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, তথ্যভিত্তিক কৌশল, কমিউনিটির আস্থা, ইউনিসেফসহ অংশীদারদের সমন্বিত সহায়তার ফলে বাংলাদেশ গণটিকাদান দ্রুত সম্প্রসারণ করে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে পেরেছে।

 

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর পেছনে সময়মতো হামের টিকাদানের ব্যর্থতার প্রশ্নটি আসছে বারবারই। সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছিলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকার দেশে টিকা আনতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং তারা টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিও পরিবর্তন করেছিল।’ তাহলে কি অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিকাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন এনেছিল?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: বিশ্বব্যাপী টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিসেফ শতাধিক দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ টিকা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সরকার-ইউনিসেফের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়ে আসছে, যার ফলে সময়মতো, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিকভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ওপেন টেন্ডার মেথডে (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কেনার বিষয়টি বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফ ও তাদের অংশীদারেরা তখন উদ্বেগ জানায় যে এই প্রক্রিয়ায় সামগ্রিক ক্রয়প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। দুঃখজনকভাবে, এ সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব ঘটে। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ আগাম অর্থায়নের ব্যবস্থা করে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে, যাতে তীব্র সংকট মোকাবিলা করা যায়। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিছু টিকার মজুত বজায় রাখা সম্ভব হয়।

 

তবে কিছু টিকার ক্ষেত্রে এর আগেই মজুত শেষ হয়ে যায় এবং কিছু টিকার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি দেখা দেয়। অর্থছাড়ে বিলম্ব এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে টিকা সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়। কারণ, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন করা যায়নি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থও ছাড় করতে পারেনি।

 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনিসেফ ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ মাসে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমে আগের পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

 

পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ড. শামছুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের অবহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করতে চায়-এ লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনের করণীয় বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’-যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন-সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছি। জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত, সেটিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

 

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের সমন্বিত কাজের প্রশংসা করে এ সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে। পুরো আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং ডিসিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তারা সন্তুষ্ট। পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী ও জনগণমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরে শেষ হবে কি-না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘না। বলা হয়েছে যে নির্বাচনটা ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে শুরু হওয়ার পর। নির্বাচন শুরু হবে এ বছরের শেষের দিকে, কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, সেটাও ইনফ্যাক্ট ওই মন্ত্রণালয় থেকে আগে জানানো হয়েছে।’

 

উপজেলা পরিষদে এমপিদের বসার জায়গা হয়েছে, সরকার কি উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করতে চায়?

 

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা বাতিল করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এই সরকার নেয়নি। অফিস দেওয়াতে উপজেলাকে খর্ব করা হচ্ছে ব্যাপারটা আমার কাছে এরকম মনে হয় না। বরং আইনগতভাবেই আপনি যদি খেয়াল করেন, উপজেলা পরিষদ আইনের ধারা ২৫—এটা নিয়ে আমরা একসময় প্রচুর বলেছি, লিখেছি— সেখানে তো একজন সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবেই লিগ্যালি আছেন।

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও আতঙ্ক উড়িয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি জানান, এই চুক্তি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এই চুক্তিটি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এটি চাইলেই হুট করে বাতিল করার সুযোগ নেই। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ চুক্তিতেই রাখা হয়েছে।

 

তাই অহেতুক বিভ্রান্ত না হতে তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

 

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা-ওয়াশিংটন একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই করে।

 

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চাইলেই বাতিল করা যায় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালানকে পূর্ণ মেয়াদে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালান এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তার বিনয়ী আচরণ এবং সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর গুণটি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে এসেছে।

 

ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রিয়াজউদ্দিন ফালান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনেও তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছেন।

 

এলাকার সাধারণ জনগণের দাবি, এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়তে হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালানের কোনো বিকল্প নেই। যোগ্য ও কর্মঠ নেতা হিসেবে তাকেই পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চান তারা।

 

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সাধারণ মানুষের এই দাবি এখন সর্বত্র আলোচনায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন আসন্ন নির্বাচনে রিয়াজউদ্দিন ফালানের জন্য বড় শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়াবে।

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে রিয়াজউদ্দিন ফালানকে চায় অত্র ইউনিয়নের জনগণ।

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেছেন, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো-ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

 

 

সোমবার (৪ মে) রাতে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিযোগ করেন। তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

 

 

‘প্রিয় কুষ্টিয়াবাসী, আসসালামু আলাইকুম। সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে। যার রহমত এবং আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি আজকে সংসদ বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আসলে এই মুহূর্তে তাদের হাতে কোনো কল্যাণকর রাজনীতি নেই। তারা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে ক্যাপাবল নয়, সেজন্য আমার পথ আটকানোর চেষ্টা এখন তাদের একমাত্র রাজনীতি হয়ে উঠেছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমার কুষ্টিয়াবাসী।

 

 

চাঁদাবাজির বিষয়ে আমির হামজা লেখেন, আমি এমপি হওয়ায় অনেকে তাদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, মাদকের সাম্রাজ্য আগের মতো নির্বিঘ্নে চালাতে পারছে না। বরং এসব অপকর্মের সাম্রাজ্য ধ্বংসের আশঙ্কা করছেন তারা এখন। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ ধারণ করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।

 

 

তিনি সতর্ক করে লেখেন, আমি তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কুষ্টিয়াবাসী শান্তিতে বসবাসের জন্য যে আমানত আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে। সেই আমানত রক্ষার্থে আমি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত, তবুও পিছপা হবো না, ইনশাপ্রিয় কুষ্টিয়া ৩ আসনের মা, বাবা, ভাই, বোনেরা আমার বিশ্বাস আগেও আপনারা আমার পাশে ছিলেন, এখনও আমার পাশে আছেন, ভবিষ্যতেও আমার পাশে থাকবেন, ইনশাল্লাহ। আপনাদের নিয়ে সম্মিলিত লড়াইয়ে আমরা বারবার অপকর্মকারীদের পরাজিত করবো ইনশাল্লাহ।

যে আমানত কাঁধে তুলে দিয়েছেন, সেটা রক্ষার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত

স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

 

ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

 

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

এর আগে, সবশেষ গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

 

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকেই।

 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬১ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়ে ছিল ২৯ বার।

 

দেশে স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমলো কত?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয়। এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না। এ কারণে বর্তমান সরকার পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পোশাকের উপরের অংশ আগে যেটা ছিল ‘নেভি ব্লু’ শার্ট, সেটা বহাল রাখা হয়েছে। আর প্যান্ট দেওয়া হয়েছে খাকি রঙের। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী ড্রেস যাতে দেওয়া যায়, সেটা বিবেচনা করেছি। আগের শার্ট, উপরের অংশ আগে যেটা ছিল, মেট্রোর জন্য এবং সারা দেশের জন্য, সেটা আমরা বহাল রেখেছি। প্যান্ট সেটা খাকি ড্রেস দিয়েছি। তবে নতুন পোশাক পরতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে। একটি প্রস্তুতির বিষয় আছে, কাপড় তৈরির বিষয় আছে।’

 

পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসর প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং মন্ত্রণালয়ের একটি নিয়মিত রুটিন কার্যক্রম। নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা এবং অবসর গ্রহণ- সবই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। এসব প্রশাসনিক কাজে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ পুলিশ কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসরের বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে এবং বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অবিচার না ঘটে।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়া অপরাধীদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদালত থেকে জামিন পাওয়া আইনি বিষয়। তবে এসব চিহ্নিত অপরাধী যাতে সমাজে আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’ ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ খন্দকার নাইম আহমেদ টিটন হত্যার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এগুলোর বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী হোক আর যাই হোক, হত্যাকাণ্ড মানেই হত্যাকাণ্ড। সেটা আইনের আওতায় আসবে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা ব্যতিক্রম হিসাবে দেখার কোনো কারণ নেই।’

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন যাবত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিল, যেহেতু তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না, সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকাণ্ড তারা সেভাবে হয়তো যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেনি। হয়তো নিয়ন্ত্রণ সেভাবে ছিল না। আইনশৃঙ্খলার এমন পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। এখন গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের স্বস্তির জন্য আইনশৃঙ্খলাকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করছি। মন্ত্রী আরও বলেন, ১ মে থেকে সারা দেশে মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাব এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে অভিযানে কাজ করছে। মাদক ব্যবসার হোতা এবং সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানে জড়িত বড় সিন্ডিকেটগুলোকে ধরা এ অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। মাদকের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি পেতে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহিষ্ণুতা) নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সারা দেশের মতো পরিস্থিতি টেকনাফ, কক্সবাজার, উখিয়াতে নয়। সেখানে কিছু ব্যতিক্রমধর্মী বিষয় আছে। প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী সেখানে আছে। তাদের ক্ষেত্রে বিস্তারিত ম্যানেজমেন্ট, ক্যাম্পের ভিতর শৃঙ্খলা রাখা, মাদকদ্রব্য, চোরা কারবারির বিষয়গুলো আছে। সে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি যাতে সুন্দরভাবে কাজ করতে পারি। সেখানে যৌথ অভিযান কীভাবে হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্যাম্প ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবারের সংসদ অধিবেশন ছিল ইতিহাসের অন্যতম সফল। এটি কোনো বিতর্ক ছাড়াই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তা গঠনমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এক সাংবাদিককে বিদেশে যেতে না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখি।

 

নেভি ব্লু শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্টের রঙ কী

 

হাম সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। তবে অজ্ঞাত কারণে সেই সতর্কবার্তা আমলে নেয়নি ইউনূস সরকার। সম্প্রতি একটি বার্তা সংস্থাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান টিকাদান কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া।

 

প্রশ্ন: প্রতিবছর ইউনিসেফ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুকে টিকা দিতে সহায়তা করে, যাতে তারা সুস্থভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও ইউনিসেফ প্রতিবছর লাখো শিশুর জন্য এই কাজ করছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করছে। বাংলাদেশে গণটিকাদানের এই সাফল্য কতটা?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: ১৯৭৪ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আন্তর্জাতিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ তাদের কাজের কেন্দ্রে টিকাদানকে রেখেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিটি শিশু সে যেখানেই থাকুক, যেন জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে ইপিআই চালুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরকারকে ব্যাপক কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে। বাংলাদেশে এই অংশীদারত্ব বড় বড় সাফল্য এনে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোলিও নির্মূল, নতুন টিকা চালু এবং ধারাবাহিকভাবে টিকাদানের উচ্চ হার। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশে পূর্ণ টিকাদান কাভারেজ ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

 

বাংলাদেশে ইউনিসেফ পোলিও নির্মূল, মাতৃ ও নবজাতকের টিটেনাস নির্মূল, হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণ এবং এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মতো নতুন টিকা চালু করতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (ওয়াশ) কার্যক্রমের সঙ্গে টিকাদান যুক্ত করে সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, তথ্যভিত্তিক কৌশল, কমিউনিটির আস্থা, ইউনিসেফসহ অংশীদারদের সমন্বিত সহায়তার ফলে বাংলাদেশ গণটিকাদান দ্রুত সম্প্রসারণ করে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে পেরেছে।

 

প্রশ্ন: বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর পেছনে সময়মতো হামের টিকাদানের ব্যর্থতার প্রশ্নটি আসছে বারবারই। সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছিলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকার দেশে টিকা আনতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং তারা টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিও পরিবর্তন করেছিল।’ তাহলে কি অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিকাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন এনেছিল?

 

স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া: বিশ্বব্যাপী টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিসেফ শতাধিক দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ টিকা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সরকার-ইউনিসেফের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়ে আসছে, যার ফলে সময়মতো, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিকভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ওপেন টেন্ডার মেথডে (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কেনার বিষয়টি বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফ ও তাদের অংশীদারেরা তখন উদ্বেগ জানায় যে এই প্রক্রিয়ায় সামগ্রিক ক্রয়প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। দুঃখজনকভাবে, এ সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব ঘটে। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ আগাম অর্থায়নের ব্যবস্থা করে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে, যাতে তীব্র সংকট মোকাবিলা করা যায়। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিছু টিকার মজুত বজায় রাখা সম্ভব হয়।

 

তবে কিছু টিকার ক্ষেত্রে এর আগেই মজুত শেষ হয়ে যায় এবং কিছু টিকার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি দেখা দেয়। অর্থছাড়ে বিলম্ব এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে টিকা সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়। কারণ, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন করা যায়নি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থও ছাড় করতে পারেনি।

 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনিসেফ ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ মাসে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমে আগের পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

হামের সংক্রমণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্কাশনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ঈদুল আযহার সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই নির্দেশনার কথা জানান।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায়, এর ওপরে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না। একই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে রেললাইনের পাশের এলাকাগুলোর জন্য।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, কোরবানি পরবর্তী পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং এর সঠিক সংরক্ষণে সব ধরনের সরকারি সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ, ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঈদের ৭ দিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করে ১২ ঘণ্টার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্য সরিয়ে শহর ও জনপদ পরিষ্কার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বা ফলাফল যাই হোক না কেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

 

সোমবার (৪ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

 

পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যেই ক্ষমতায় আসুক, বাংলাদেশ নিজের স্বার্থ বজায় রেখে কাজ করবে। ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল নয়। বিভিন্ন বিষয়ে ছড়ানো গুজব নিয়ে কান না দিয়ে বাংলাদেশ তার লক্ষ্য অর্জনে আশাবাদী।

 

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা সেবা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা দ্রুতই নিরসন হবে বলে জানান শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা সেবা পুনরায় চালু করবে ভারত। ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং আমরা আশা করছি দ্রুতই এর সুফল পাওয়া যাবে।

 

প্রতিমন্ত্রী জানান, সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন বন্ধ করা এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত পানি চুক্তিসহ অন্যান্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন যে, নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও এই আলোচনাগুলো আরও জোরালো হবে এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর থাকবে।

পশ্চিমবঙ্গে যেই আসুক, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও আতঙ্ক উড়িয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি জানান, এই চুক্তি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এই চুক্তিটি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এটি চাইলেই হুট করে বাতিল করার সুযোগ নেই। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ চুক্তিতেই রাখা হয়েছে।

 

তাই অহেতুক বিভ্রান্ত না হতে তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

 

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা-ওয়াশিংটন একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই করে।

 

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চাইলেই বাতিল করা যায় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

 

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে হেরে গেলো বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ১-১ এ সিরিজ ড্র করলো নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের দেয়া ১০৩ রানের লক্ষ্য ২০ বল আগেই টপকে যায় ব্ল্যাকক্যাপরা।

 

মিরপুরে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ২১ রান। এই জুটি ভাঙ্গে ১১ বলে ১৬ করা সাইফ হাসানকে লিনক্স সাজঘরে ফেরালে। ইনিংস লম্বা হয়নি আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমের। শূন্য রানে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর বৃষ্টি বাধায় বন্ধ হয় দুদলের লড়াই, প্রায় দুই ঘণ্টা পর আবারও মাঠে গড়ায় খেলা।

 

বৃষ্টির পরপরই আউট হন অধিনায়ক লিটন দাস। বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি শামীম পাটোয়ারীও। ২৪ বলে ৩৩ করা তাওহিদ হৃদয় আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। শেষ ২৫ বলে ২৬ রানে বাংলাদেশ হারায় ৬ উইকেট।

 

জবাবে ১২ রানে কিউইদের ২ উইকেট ফেলে দারুণ সূচনা করে বাংলাদেশ। মাত্র এক রান করেই সাজঘরে ফেরেন ক্লেভার ও কেলি। ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে সফরকারীরা।

 

অবশ্য এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি নিউজিল্যান্ডের। বেভন জ্যাকবসের ৩১ বলে ৬২ রানের ক্যামিওতে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্ল্যাকক্যাপরা।

 

বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ইসলাম তুলে নেন ৩টি উইকেট।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যায়। আজ তৃতীয় ম্যাচে জয় লাভ করে সিরিজ ড্র করলো নিউজিল্যান্ড।

পারল না বাংলাদেশ, সহজ জয় নিউজিল্যান্ডের

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে আজ সফরকারী নিউজিল্যান্ডের মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ। সিরিজের ১-০ তে এগিয়ে রয়েছে টাইগাররা।

 

শনিবার (২ মে) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টায়। শেষ ম্যাচের জন্য আগের স্কোয়াড অপরিবর্তিত রেখেই দল ঘোষণা করেছে বিসিবি।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে বল মাঠে না গড়াতেই বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ফলে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য সিরিজ নিশ্চিতের মিশন। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্যে নামবে।

 

তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য বাংলাদেশ দল: লিটন দাস (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), শামীম পাটোয়ারী, তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহান, মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মন্ডল, সাইফুদ্দিন এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে দুপুরে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রায় দুই বছর ধরে দেশের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসান অবশেষে বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাব্য সময় নিয়ে কথা বলেছেন। সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশে ফিরতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর আর দেশে ফেরা হয়নি সাকিবের। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক আইনি জটিলতা তৈরি হয়। এরপর থেকেই তিনি পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ে ‘ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম ২০২৬’-এর জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘স্পোর্টস্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাকিব।

তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে বছরের শেষ দিকে সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে। আপাতত ভালো কিছুর প্রত্যাশা করছি। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত- আমাকে বাংলাদেশে ফিরতেই হবে। প্রশ্ন শুধু এটাই যে কত দ্রুত তা ঘটতে পারে।’

সাকিব আরও বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে বছরের শেষ দিকে ফিরতে পারব। কিভাবে ঘটবে জানি না। তবে আমি সত্যিই আশাবাদী।’

চলতি বছরের শুরুতে সাকিবকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তখন আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড তার আইনজীবীদের কাছ থেকে মামলার কাগজপত্র সংগ্রহ করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল।

সে সময় বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই জাতীয় দলে ফিরতে পারেন সাকিব। তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি।

সাকিবের দাবি, আগের বোর্ড ফেরানোর আগ্রহ দেখালেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

তিনি বলেন, ‘আগের বোর্ড সত্যিই আমাকে ফেরানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল। কিন্তু মুখে বলা আর সেটাকে বাস্তবায়িত করা- দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। এখনও আমি শুনি যে সবাই আমাকে ফেরাতে চায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো- সত্যিকার অর্থে কেউ তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।’

এদিকে বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালও সাকিবের দেশে ফেরার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সাকিবকে নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, আমাদের আরও দুই সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি ও দুর্জয় ভাইও একই অবস্থায় আছেন। তাদের নিয়েও ভাবা উচিত।’

তামিম আরও বলেন, ‘ওর যে বিষয়টা আছে, ক্রিকেটিং যেকোনো সুযোগ-সুবিধার জন্য আমাদের দুয়ার সবসময় খোলা। আইনগত বিষয়গুলো আমাদের মন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) মহোদয় দেখছেন, তারা নমনীয় হওয়ার কথা বলেছেন। আইনি সমস্যা সমাধান করে তারা ফিরলে আমরা তাদের দুই হাত বাড়িয়ে স্বাগত জানাব।’

বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্ট খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর আর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামেননি তিনি। তবে এর আগে একাধিকবার দেশের মাটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার।

কবে দেশে ফিরবেন, জানালেন সাকিব

নারী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিতঃ

 

বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি ক্লাবের আয়োজনে আজ ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ০৭.০০ ঘটিকায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে “নারী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, খুলনা জনাব চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল-রাজী এবং সভাপতিত্ব করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মান্যবর পুলিশ কমিশনার এবং বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা।

 

নির্ধারিত ৩০ মিনিটের টানটান ও উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি নারী দল, খুলনা জেলা নারী কাবাডি দলকে ১৭–১৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয় লাভ করে! প্রতিযোগিতামূলক এই ম্যাচটি উপস্থিত দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে!

 

প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ খেলার শুরুতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার আপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

পরিশেষে, মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় তাঁর সমাপনী বক্তব্যে মাননীয় প্রধান অতিথিকে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কাবাডি খেলা উপভোগ করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন । তিনি উভয় টিমের নারী সদস্যদের দেশের মূল্যবান সম্পদ হিসাবে আক্খায়িত করে তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা এবং দেশের জন্য আরও সুনাম বয়ে আনার আহবান জানান!

 

এ সময় কেএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য এবং ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নারী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিতঃ

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারালো বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। কিউইদের দেয়া ১৮৩ রানের টার্গেট ১২ বল হাতে রেখেই টপকে যায় টাইগাররা।

 

এই জয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ব্ল্যাকক্যাপদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার কীর্তি গড়েছে বাংলাদেশ।

 

সাগরিকায় শুরুতেই হোচট নিউজিল্যান্ড শিবিরে। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন টিম রবিনসন। এরপর ৮৮ রানের জুটি গড়েন ওপেনার ক্লার্ক ও ক্লেভার। ৩৭ বলে ৫১ রান করেন ক্লার্ক। ৩৯ রান করা অধিনায়ক নিক ক্যালিকে ফেরান শরিফুল। শেষ দিকে জশ ক্লার্কসনের ২৭ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জিং পুজিঁ পায় কিউইরা।

 

বাংলাদেশের পক্ষে ২টি উইকেট শিকার করেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব ও শেখ মেহেদী হাসান ১টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন।

 

জবাবে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান। ১৭ রান করে আউট হন সাইফ। লিটন ২১ ও তামিম ২০ রানে ফিরলে ৭৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর পারভেজ ইমনের সাথে ৫৪ রানের জুটিতে ম্যাচে রোমাঞ্চ এনে দেন তাওহিদ হৃদয়। ১৪ বলে ২ ছক্কায় ২৮ রানে ফেরেন ইমন।

 

শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের ২৭ বলে অপরাজিত ৫১ আর শামীম হোসেন পাটোয়ারীর ১৩ বলে ৩১ রানের ক্যামিওতে ২ ওভার বাকি থাকতে ৬ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা হন হৃদয়।

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারালো বাংলাদেশ

বিস্তারিত....

বিনোদন

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালানকে পূর্ণ মেয়াদে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালান এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তার বিনয়ী আচরণ এবং সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর গুণটি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে এসেছে।

 

ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রিয়াজউদ্দিন ফালান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনেও তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছেন।

 

এলাকার সাধারণ জনগণের দাবি, এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়তে হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালানের কোনো বিকল্প নেই। যোগ্য ও কর্মঠ নেতা হিসেবে তাকেই পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চান তারা।

 

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সাধারণ মানুষের এই দাবি এখন সর্বত্র আলোচনায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন আসন্ন নির্বাচনে রিয়াজউদ্দিন ফালানের জন্য বড় শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়াবে।

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে রিয়াজউদ্দিন ফালানকে চায় অত্র ইউনিয়নের জনগণ।

  • মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্যোগে সোমবার (০৪ মে ২০২৬) পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ এক আসামীকে আটক করা হয়।

 

অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী মুন্সিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সফিকুল ডাক্তার-এর পুত্র। এ সময় তার কাছ থেকে নিষিদ্ধ টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৫ (পাঁচ) পিস উদ্ধার করা হয়, যা একটি নিয়ন্ত্রিত মাদক হিসেবে পরিচিত।

 

ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব রুহুল আমীন। প্রসিকিউশনে দায়িত্ব পালন করেন উপ-পরিদর্শক মোঃ শাকিলার রহমান। এছাড়াও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোঃ হারুন অর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ০৭ (সাত) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ (দুইশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।

 

স্থানীয় সচেতন মহল এই অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সোমবার (০৪ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য হাইকমিশনার ধন্যবাদ জানান।

 

সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চলমান অগ্রগতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা করেন।

 

দুই দেশের নতুন সক্ষমতা ও আকাঙ্ক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আগামীতে এই সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

প্রণয় ভার্মা পুনর্ব্যক্ত করেন যে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে ভারত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। দুই দেশের জাতীয় উন্নয়নের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও লাভের ভিত্তিতে জনকল্যাণমুখী সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখার ওপর তিনি জোর দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে প্রণয় ভার্মার অবদানের প্রশংসা করেন এবং তার পরবর্তী কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ী সাক্ষাৎ

বিস্তারিত....

Top