Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবে

 

লন্ডন থেকে আজিজুল আম্বিয়া,

 

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

 

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ, আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, মৌলানা হেলাল আহমদ, জিলু খান , আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

 

 

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

 

সাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজের ক্যান্টিন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্যান্টিনটি চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক সোহেল পারভেজ, কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক বাবুল হোসাইন, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ শামসুল আলম এবং ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন,”শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুপরিচালিত ক্যান্টিন শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্যান্টিনের সেবার মান বজায় রাখতে হবে”। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান বলেন,”ক্যান্টিন চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হয়েছে। এটি শুধু খাদ্য সংগ্রহের স্থান নয়, শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও বন্ধন সুদূর করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক জানান, শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হবে। ক্যান্টিনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থাও থাকবে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম, নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আয়ববাহক মোঃ পায়েলুজ্জামান রকসি , সদস্য সচিব মোঃ রইসুল ইসলাম রানা, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ফিরোজ আহমেদ সৈকতসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

এক ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক পুশইনকে কেন্দ্র করে জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই উত্তেজনা বিজিবি- বিএসএফ ছাড়াও ছড়িয়ে পড়েছে দুই দেশের জনগণের মধ্যেও।

 

বুধবার (১০ জুন) বিকালে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে বাংলাদেশীদের ধাওয়ায় পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

 

জানা যায়, আজ সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে এক ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে। এসময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলেও শুন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শুন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা প্রদান করেন। পরে আবার শুন্য রেখায় চলে যায় ৬০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি।

 

এনিয়ে বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোন পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিতে রাজী হননি। এরপর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিকালে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের জনগণের মধ্যে। এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

 

স্থানীয়রা জানান, ভারতের বিএসএফ প্রতিনিয়ত পুশইনের চেষ্টা করছে। আমরা বিজিবিকে সহযোগিতা করতে গেলেই তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিকালে ভারতের কয়েকজন যুবক বাংলাদেশীদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়লে আমরাও পাল্টা ঢিল ছুড়ি। আমাদের প্রতিরোধের মুখে তারা পালাতে বাধ্য হয়।

 

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, সীমান্তে শুন্য রেখা অতিক্রম না করতে প্রত্যেকটি নাগরিককে অনুরোধ করছি। এসময় তিনি বিজিবিকে সহযোগিতা করতে স্থানীয়দের প্রতি আহবান জানান।

সীমান্তে ভারতীয়-বাংলাদেশিদের ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আরও বেড়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ঢাকাতেই মারা গেছে ৬ জন। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৯ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯২ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৪৭ জন।

 

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৯ হাজার ৯২৭ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৮২ হাজার ২৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৮৫ জন ও আক্রান্ত ৪৫ হাজার ১১০ জন।

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারী সদরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন।

এসময় আহত হয়েছেন একজন। বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বাবু বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কুঠিপাড়া নদীরপাড় এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে মুজিবুর রহমান (৫৫) ও কচুকাটা ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে জালাল উদ্দিন (৪৫)। আহত মিঠু ইসলাম (৩৫) সে ওই ঘটনায় নিহত মজিবুর রহমানের ছেলে। এলাকাবাসী জানান, আহত ও নিহতরা পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। ঘটনার দিন সকালে উক্ত বাবু বাজার এলাকায় একটি পুকুরে বিদ্যুৎ চালিত সেচ যন্ত্র লাগিয়ে মাছ ধরার জন্য পানি নিষ্কাশন করছিল। সেসময় সেচ পাম্পের বিদ্যুতের থ্রি-পেজ লাইন অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে পড়লে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হয়। আহত মিঠু নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

(ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে সদর উপজেলার এটাখোলা ইউনিয়নের মোজাহারের টারি এলাকায় পুকুরে ডুবে স্বপন ইসলাম (২৮) নামে একজন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার তৈয়ব আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার (১ জুন) রান্নার জ্বালানি হিসেবে খড়ি সংগ্রহ করতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর বুধবার সকালে বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়সংলগ্ন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় পুকুরপাড়ে খড়ির একটি বোঝাও পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, খড়ি সংগ্রহের সময় মৃগী রোগের খিচুনি উঠলে তিনি পুকুরে পড়ে যান এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে

ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান বলেন, “স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। প্রায়ই তার খিচুনি উঠত।খড়ি কুড়াতে গিয়ে হয়তো তার খিচুনি উঠেছিল। ঘটনাস্থলটি নির্জন হওয়ার কেউ বিষয়টি দেখতে পায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পুকুরে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা নগদ ৭ লক্ষ টাকা আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় শাহজাহানপুর থানায় এই অর্থ প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

শাহজাহানপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শাহজাহানপুর থানার একটি বিশেষ টিম ডিউটি করাকালীন পরিত্যক্ত অবস্থায় নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। টাকা উদ্ধারের পরপরই পুলিশ বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকাসহ বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

 

পরবর্তীতে সবুজবাগ থানার উত্তর বাসাবো প্রেস গলি এলাকার বাসিন্দা কাজী শহিদুল ইসলাম (৪৮) শাহজাহানপুর থানায় এসে উক্ত টাকার মালিকানা দাবি করেন। তখন থানা পুলিশ তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করে।

 

আদালতের নির্দেশনা এবং পুলিশের যথাযথ তদন্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ আজ উক্ত ৭ লাখ টাকা প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে।

 

হারানো টাকা ফিরে পেয়ে কাজী শহিদুল ইসলাম শাহজাহানপুর থানা পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ লাখ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিল পুলিশ

 

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা প্রণয়ন কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বড় ধরনের শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলে তাদের এবং পরিবারকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত এককালীন আর্থিক অনুদান দেওয়ার লক্ষ্যে একটি নতুন নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

 

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ‘নির্বাচনে ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত কর্মকর্তা/কর্মচারী ও মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা/অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৬’ শিরোনামে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে যাওয়া এই নীতিমালার মাধ্যমে দায়িত্ব পালনকারীদের যেকোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা, অঙ্গহানি বা চিকিৎসার ব্যয়বহুল আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নির্বাচন কমিশন প্রতি অর্থবছরে তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে এই বড় অঙ্কের অনুদান নিশ্চিত করবে।

 

ইসি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এই নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন। নীতিমালার অধীনে অনুদানের হারকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমত, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি দুর্বৃত্তদের হামলা অথবা কোনো দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার পরিবারকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। একই কারণে কেউ গুরুতর আহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা, গুরুতর আহত বা সাময়িকভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা এবং সাধারণ আহতের ক্ষেত্রে আঘাতের ধরন বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে।

 

দ্বিতীয়ত, দায়িত্ব পালনকালে কেউ যদি আকস্মিকভাবে অসুস্থ বা মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার পরিবার সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা অনুদান পাবেন। এছাড়া আকস্মিক গুরুতর অসুস্থতা বা স্থায়ী অক্ষমতার জন্য সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা, সাময়িক অসুস্থতার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা, হাসপাতালে ভর্তির পর ব্যয়বহুল চিকিৎসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা এবং সাধারণ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

 

নীতিমালায় অনুদান প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পরিবারের উত্তরাধিকার নির্ধারণের জন্য অর্থ বিভাগের সর্বশেষ সরকারি কর্মচারী পেনশন সহজীকরণ আদেশ অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকে তবে অনুদানের টাকা তাদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হবে এবং এক্ষেত্রে স্ত্রীদের যৌথভাবে আবেদন করতে হবে; তবে অনুদান পাওয়ার আগে স্বামী বা স্ত্রী পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে এই সুবিধা পাবেন না। মৃত ব্যক্তির কোনো স্বামী বা স্ত্রী জীবিত না থাকলে তার অনূর্ধ্ব ২৫ বছর বয়সী ছেলে বা অবিবাহিত মেয়ে এবং সন্তান না থাকলে বাবা-মা এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নাবালক সন্তান থাকলে অভিভাবক নির্ধারণের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স ১৯৮৫ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা ভাই-বোন এবং কোনো সন্তান না থাকলে স্বামী বা স্ত্রী অর্ধেক এবং বাকি অর্ধেক বাবা-মা বা অবিবাহিত ভাই-বোন সমহারে পাবেন। কোনো উপযুক্ত উত্তরাধিকারী না থাকলে বিবাহিত মেয়েরাও প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ আবেদন করতে পারবেন।

 

আর্থিক সহায়তার জন্য যেকোনো দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা অফিস প্রধানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিব বরাবর আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। আবেদনের সঙ্গে নির্ধারিত আবেদন ফরম, আবেদনকারীর সত্যায়িত ছবি, উত্তরাধিকার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং সিভিল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রদত্ত চিকিৎসাজনিত বা মৃত্যুর সনদ সংযুক্ত করতে হবে।

 

এই আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়নের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-১ উইংয়ের যুগ্মসচিবকে সভাপতি এবং বাজেট ও অর্থ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি প্রতি অর্থবছরে অন্তত দুইবার প্রাপ্ত আবেদনসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে অনুদানের পরিমাণ নির্ধারণপূর্বক সচিবের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। পরে এই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে এককালীন এই অনুদানের অর্থ সরাসরি হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নির্বাচনী দায়িত্বে প্রাণ হারালে পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা, নতুন নীতিমালা জারি করল ইসি

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে সম্পত্তির জন্য মাকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ছেলে ও ছেলের বউকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা খোতেজা বেগমকে তার ঘরে ঢুকে তারই আপন বড় ছেলে ফখরুল রাজু (৩৫) ও পুত্রবধূ মানিকা স্বপ্না (৩০) সম্পত্তি জন্য মারধর করেন। একপর্যায়ে ছেলে ও ছেলে বউ সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্বাসরোধের করে।

 

এ সময় খোতেজা বেগমের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তার ছোটো ছেলে রাকিব হোসেন আহত অবস্থায় তার মাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খোতেজা বেগমর ছেলে মো. রাকিব হোসেন (২৪) বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ফখরুল রাজু ও তার স্ত্রী মানিকা স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর সদর থানার এস আই শাহিনুর ইসলাম বলেন, মামলার প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মাকে হত্যাচেষ্টা, ছেলে ও ছেলের বউ গ্রেপ্তার

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে আমজাদের মোড় এলাকার আয়েশা টাওয়ারে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

 

নিহত শিক্ষার্থীর নাম মাহফুজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি নিয়ে আমি ঘটনাস্থলেই আছি। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারছি না। পরে বিস্তারিত জানাব।’

 

 

মেস থেকে রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনবল বৃদ্ধি, অতিরিক্ত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৮ জুন থেকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থানরত ভারতের ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়। তবে সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও নজরদারির কারণে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।

 

পুশ-ইন প্রতিরোধে ১৭ বিজিবি একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন, মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত ও অতিরিক্ত রাত্রীকালীন টহল, সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাঁশি, লাইট ও মেগাফোনসহ বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

এছাড়া নদীপথে পুশ-ইনের সম্ভাবনা রোধে সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় হাই-স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভাও আয়োজন করা হচ্ছে।

 

বিজিবি জানিয়েছে, যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব, পিএসসি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশ-ইনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

পুশ-ইন ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় বিজিবি

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে সরকার ২১২টি ডাবল কেবিন পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব গাড়ি ক্রয়ে মোট ব্যয় হবে ১৮২ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

 

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাহিনীর জন্য এসব গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য মোট ২১২টি ডাবল কেবিন পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব উত্থাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

পুলিশের জন্য এসব যানবাহনগুলো সরবরাহ করবে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ১৮২ কোটি ৩২ লাখ টাকায় ক্রয়চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশজুড়ে পুলিশের সেবার মান, টহল কার্যক্রম, অপরাধ দমন এবং জরুরি অভিযানে যানবাহন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

 

নতুন যানবাহন যুক্ত হলে মাঠপর্যায়ে পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণারয়।

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে কেনা হচ্ছে ২১২ গাড়ি

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

থাকেন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে। পেশায় ভ্যানচালক। স্ত্রীসহ এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে তার। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হলেই বদলে যান তিনি। স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার ঋণ নিয়ে আর্জেনটিনা এ ভক্ত সেজেছেন নিজে। সাজিয়েছেন ভ্যান রিকশা সেই সাথে কিনেছেন ১৬টি আর্জেন্টিনার পতাকা।

 

বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় আর্জেন্টিনার এ ভক্তের নাম সুমন গৌড়। থাকেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর সদরের দত্তপাড়া সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে। এলাকায় তিনি মেসি সুমন নামে সমধিক পরিচিত। তার রয়েছে স্ত্রী এক মেয়ে এক ছেলে।

বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই যেন বদলে যায় তার জীবন।

 

আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন আর নানা সাজসজ্জায় নিজের বসতিপাড়া সাজিয়ে তুলছেন তিনি। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন ছোট্ট একটি আর্জেন্টিনা গ্রাম।

 

তবে এই আয়োজনের পেছনের গল্প আরও বিস্ময়কর। আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানাতে স্ত্রী আরতি রাণী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পূর্ণিমার নামে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন সুমন। সেই অর্থ ব্যয় করছেন পতাকা, ব্যানার, রং ও বিভিন্ন সাজসজ্জার কাজে।

 

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য বিরিয়ানি রান্না করে আপ্যায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

 

নিজস্ব কোনো জমিজমা নেই সুমনের। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন। জীবিকা নির্বাহ করেন ভ্যান রিকশা চালিয়ে। সংসারে অভাব-অনটন থাকলেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আর আর্জেন্টিনার প্রতি আবেগ তাকে থামাতে পারেনি।

 

সুমন বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। এখন সবাই আমাকে সুমন না, ‘মেসি সুমন’ নামেই চেনে। বিশ্বকাপ এলেই আমি চেষ্টা করি আর্জেন্টিনার জন্য কিছু করতে। এটা আমার ভালোবাসা।

 

সুমনের স্ত্রী আরতি রাণী বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই স্বামীর আর্জেন্টিনাপ্রেম দেখে আসছি। সংসারে অভাব আছে, তবুও বিশ্বকাপ এলে তিনি সবকিছু ভুলে যান। এত টাকা খরচ করে এসব করা পাগলামি মনে হলেও স্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছি।’

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুমন খুবই দরিদ্র মানুষ। ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালান। কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই ঋণ নিয়ে এলাকায় সাজসজ্জা করেন, খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেন। এ কারণেই সবাই তাকে ‘মেসি সুমন’ নামে চেনে।

স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক

 

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ মামলার রায় দেবেন।

 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা তাম্মির সঙ্গে রাকিব হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাদীর দাবি, ওই বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার আগেই ২০২১ সালে ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন তামিমা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন রাকিব হোসেন।

 

তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। তাদের দাবি, আগের বৈবাহিক সম্পর্ক আইন অনুযায়ী শেষ হওয়ার পরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান ইসরাত হাসান বলেন, আমরা চাই, আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মামলার বিচার চলেছে। বিভিন্ন বিষয় চ্যালেঞ্জ করে তারা উচ্চ আদালতে রিভিশন করেছে। ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

 

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে আশা করছি। নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দুই ধারায় ও তামিমার বিরুদ্ধে তিন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর ও তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

 

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আমাদের আশা পজিটিভ। আসামিরা খালাস পাবেন আশা করছি। তারা কেন খালাস পাবেন যুক্তিতর্কে তুলে ধরেছি।

 

রায় শুনতে নাসির-তামিমা আদালতে আসবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, আশা করি, আসবেন।

 

মামলার বাদী রাকিব বলেন, ইনশাআল্লাহ, ন্যায় বিচার হোক। এ ধরনের কাজ যেন আর না হয়। রায়ের মাধ্যমে একটা ম্যানেজ যাক সমাজে। আমার সাথে যেমনটা ঘটেছে, যেন আর কারও সঙ্গে এমনটা না হয়।

 

এ বিষয়ে নাসির হোসেনের বক্তব্য শুনতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণে হতে পারে কোন সাজা?

মানিকগঞ্জে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফয়সাল (১৮) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সদর উপজেলার ভাটবাউর এলাকার তাসনুভা ফিলিং স্টেশনের আম গাছে পতাকা টানাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ফয়সাল ভাটবাউর এলাকার মুন্নু মিয়ার ছেলে। তিনি ফয়সাল ফিলিং স্টেশনে চাকরি করতেন।

 

পুলিশ ও স্থানিয়দের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফয়সাল ফুটবল বিশ্বকাপ খেলাকে কেন্দ্র করে তার প্রিয় দল ব্রাজিলকে সমর্থন করে পতাকা টানানোর জন্য আমগাছে উঠেন। গাছের পাশ দিয়েই বিদ্যুৎতের তার ছিল।

 

ফয়সাল পতাকা টানানোর সময় তার গায়ে বিদ্যুৎতের তারের সঙ্গে শরীর লেগে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে গাছ থেকে পড়ে যায়। পরে আশে পাশের লোকজন ফয়সালকে উদ্ধার করে জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

সদর থানার ওসি মো. মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফয়সাল ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। আমরা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে রেখেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন।

ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট কিশোরের মৃত্যু

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির সভাপতি হলেন তামিম

ব্রাজিলের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং সমর্থকদের উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন রাজবাড়ী জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা। তিনি ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালীন ব্রাজিল সমর্থকদের অর্ধেক ফি’তে আইনি সহায়তা প্রদান করবেন।

 

অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের শোলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার এমন ‘এক্সক্লুসিভ অফারে’ স্থানীয় ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা।

 

রাজবাড়ীর রাকিবুল ইসলাম রনি ও মোহাম্মদ সজিবসহ একাধিক ব্রাজিল সমর্থক বলেন, ব্রাজিল দলকে যারা ভালোবাসে, তারা ছাড় দিতে জানে। আইনজীবী গোলাম মোস্তফার এই উদ্যোগ তারই প্রমাণ। তবে মাঠের খেলায় আমাদের দলের খেলোয়াড়রা কোনো ছাড় দেয় না। এবারও ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করবে।

 

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বলেন, ফুটবল আমার প্রিয় খেলা। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ। জ্ঞান হওয়ার পর পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহোসহ ব্রাজিলের কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের খেলা দেখে মুগ্ধ হই। ১৯৯৮ সাল থেকে আমি ব্রাজিল দলের সমর্থক।

 

তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে যে নান্দনিকতা ও দক্ষতা রয়েছে তা অন্য দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব কমই দেখা যায়। আমি বিশ্বাস করি এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলই চ্যাম্পিয়ন হবে। আর আমি যেহেতু একজন আইনজীবী তাই বিশ্বকাপ চলাকালীন আমার কাছে কোনো ব্রাজিল সমর্থক মক্কেল এলে তাকে অর্ধেক ফি-তে আইনি সহায়তা দেব।

 

মক্কেল ব্রাজিলের সমর্থক কিনা তা কীভাবে নির্ধারণ করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বলেন, আমি ব্রাজিল দলকে মন থেকে ভালোবাসি। সমর্থকদের বাড়তি উৎসাহ দিতেই এই ঘোষণা। আর কে কোন দলের সমর্থক কথা বললেই অনেকটা বোঝা যায়। যাচাই-বাছাই করেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন এই ব্রাজিল সমর্থক আইনজীবী।

ব্রাজিল সমর্থকদের অর্ধেক ফি’তে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা রাজবাড়ীর আইনজীবীর

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজ মুখোমুখি পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

লাহোরের ঐতিহাসিক গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আজ বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক পাকিস্তান ও সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে সিরিজ ১-১ সমতায় থাকায় আজকের ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে। যে দল জিতবে, ট্রফিও উঠবে তাদের হাতেই।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই সমন্বিত পারফরম্যান্স দেখিয়ে স্বাগতিকদের হারিয়ে দেয় তারা।

ফলে আজকের ম্যাচে দুই দলের সামনেই সমান সুযোগ। পাকিস্তান চাইবে নিজেদের কন্ডিশন, ঘরের মাঠের সুবিধা এবং দর্শকদের সমর্থন কাজে লাগিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিতে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য থাকবে দ্বিতীয় ম্যাচের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে শিরোপা জয়ের মিশন সফল করা।

লাহোরের উইকেট কিছুটা মন্থর হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় স্পিনারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি দুই দলের টপ অর্ডার ব্যাটারদেরও ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার বড় পরীক্ষা দিতে হবে।

সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণী এই ম্যাচে স্নায়ুচাপ সামলে কোন দল শেষ হাসি হাসে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আজ মুখোমুখি পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েই সংসদে গিয়েছিলাম। দুটি ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু তারা একটি শপথ নিলেন, আরেকটি নিলেন না। গণভোটকে তারা অস্বীকার করলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যদি এভাবেই জনগণকে ধোঁকা দেয় তাহলে রাজনৈতিক দলের ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কীভাবে?

 

জামায়াতের আমির বলেন, দুই-তৃতীয়াংশের জোরে সরকার আমাদের দাবি অগ্রাহ্য করে জনগণকে অপমান করেছে। গণভোটের রায় ব্যর্থ হওয়ার দলিল কোথাও নেই। এবারই প্রথম বিপত্তি ঘটলো। আমরা যে আশঙ্কা করেছিলাম, এখন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সমাজে। আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবাদিক সমস্ত জায়গায় আজকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। সমাজের অপরাধী লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমরা বাজেট কোনো দলের জন্য দিচ্ছি না, এই বাজেট ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের। আমরা যে প্রস্তাবনা জনগণের সামনে পেশ করবো এটার শর্ত আছে। সততা, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা থাকলে এটা অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আর একাউন্টটিবিলিটি না থাকলে যে বাজেট সরকার দেবে সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।

 

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার জুলাই টু জুন। জুন মাস সাধারণত দেশ বর্ষা-খরা-সাইক্লোনে আক্রান্ত হয়। আমরা লক্ষ্য করি এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসে তাড়াহুড়ো করা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণ লুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। আমরা সংসদে প্রস্তাব দেব, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করা হোক। তাহলে বর্ষার পানিতে আমাদের টাকাগুলা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে না।

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

আজ বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সরকারের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির নেতারা।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দুই বছর দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও মাত্র তিন মাসের মাথায় মূল্যবৃদ্ধি করে সরকার জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।’

 

তিনি অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং তা না হলে সরকারকে জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে বলেও হুশিয়ারি দেন।

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘ গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ সেক্টরে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা ভরাট করার চেষ্টা চলছে।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, সরকার সেদিকে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বোঝার ওপর শাকের আঁটি চাপিয়ে দিচ্ছে।’

 

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সংবাদ সম্মেলন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম জুন থেকে কার্যকর।

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

 

বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং এসব বৈঠকের অনেকগুলো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হতো।

 

রাশেদ খানের দাবি, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে ৪ কোটি টাকার একটি সমঝোতার আলোচনা হয়।

 

বৈঠক শেষে হান্নান মাসউদ আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ১ কোটি টাকা দিতে চান, তবে ৩ কোটি টাকায় চুক্তি করার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ওই নেতাদের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে এবং অর্থের প্রয়োজন আছে বলেও হান্নান মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন।

 

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, হান্নান মাসউদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হাতিয়ার বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান।

 

তিনি জানান, ২৭ জুলাইয়ের পর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। জিসান বিভিন্ন সময় সমন্বয়কদের ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজও করতেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান হান্নান মাসউদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তবে হান্নান মাসউদের অর্থের প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ ও আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে তিনি দূরে সরে যান।

 

ফেসবুক পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

 

তার দাবি, হান্নান মাসউদ মনে করতেন মোহাম্মদ আলী তার রাজনৈতিক পথে প্রধান বাধা। এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতারে ভূমিকা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ব্যক্তিগত আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি বলেছেন যে নোয়াখালীর আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের সঙ্গে তার কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই বিরোধ রয়েছে।

 

একই সঙ্গে নোয়াখালীর রাজনীতিতে প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বিভিন্ন আলোচনায় তুলে ধরতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

 

সাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজের ক্যান্টিন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্যান্টিনটি চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক সোহেল পারভেজ, কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক বাবুল হোসাইন, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ শামসুল আলম এবং ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন,”শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুপরিচালিত ক্যান্টিন শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্যান্টিনের সেবার মান বজায় রাখতে হবে”। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান বলেন,”ক্যান্টিন চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হয়েছে। এটি শুধু খাদ্য সংগ্রহের স্থান নয়, শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও বন্ধন সুদূর করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক জানান, শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হবে। ক্যান্টিনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থাও থাকবে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম, নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আয়ববাহক মোঃ পায়েলুজ্জামান রকসি , সদস্য সচিব মোঃ রইসুল ইসলাম রানা, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ফিরোজ আহমেদ সৈকতসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারী সদরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন।

এসময় আহত হয়েছেন একজন। বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বাবু বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কুঠিপাড়া নদীরপাড় এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে মুজিবুর রহমান (৫৫) ও কচুকাটা ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে জালাল উদ্দিন (৪৫)। আহত মিঠু ইসলাম (৩৫) সে ওই ঘটনায় নিহত মজিবুর রহমানের ছেলে। এলাকাবাসী জানান, আহত ও নিহতরা পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। ঘটনার দিন সকালে উক্ত বাবু বাজার এলাকায় একটি পুকুরে বিদ্যুৎ চালিত সেচ যন্ত্র লাগিয়ে মাছ ধরার জন্য পানি নিষ্কাশন করছিল। সেসময় সেচ পাম্পের বিদ্যুতের থ্রি-পেজ লাইন অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে পড়লে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হয়। আহত মিঠু নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

(ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে সদর উপজেলার এটাখোলা ইউনিয়নের মোজাহারের টারি এলাকায় পুকুরে ডুবে স্বপন ইসলাম (২৮) নামে একজন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার তৈয়ব আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার (১ জুন) রান্নার জ্বালানি হিসেবে খড়ি সংগ্রহ করতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর বুধবার সকালে বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়সংলগ্ন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় পুকুরপাড়ে খড়ির একটি বোঝাও পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, খড়ি সংগ্রহের সময় মৃগী রোগের খিচুনি উঠলে তিনি পুকুরে পড়ে যান এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে

ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান বলেন, “স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। প্রায়ই তার খিচুনি উঠত।খড়ি কুড়াতে গিয়ে হয়তো তার খিচুনি উঠেছিল। ঘটনাস্থলটি নির্জন হওয়ার কেউ বিষয়টি দেখতে পায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পুকুরে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা নগদ ৭ লক্ষ টাকা আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় শাহজাহানপুর থানায় এই অর্থ প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

শাহজাহানপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শাহজাহানপুর থানার একটি বিশেষ টিম ডিউটি করাকালীন পরিত্যক্ত অবস্থায় নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। টাকা উদ্ধারের পরপরই পুলিশ বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকাসহ বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

 

পরবর্তীতে সবুজবাগ থানার উত্তর বাসাবো প্রেস গলি এলাকার বাসিন্দা কাজী শহিদুল ইসলাম (৪৮) শাহজাহানপুর থানায় এসে উক্ত টাকার মালিকানা দাবি করেন। তখন থানা পুলিশ তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করে।

 

আদালতের নির্দেশনা এবং পুলিশের যথাযথ তদন্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ আজ উক্ত ৭ লাখ টাকা প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে।

 

হারানো টাকা ফিরে পেয়ে কাজী শহিদুল ইসলাম শাহজাহানপুর থানা পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ লাখ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিল পুলিশ

বিস্তারিত....

Top