Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
আশ্রয়দাতা ‘বাবার’ ঘরেই চুরি, গাজীপুরে গ্রেফতার ১নং আসামি তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা। প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা ও দেশের সংকটে করণীয় শীর্ষক পেনাংয়ে এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রশিবির কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন বিদিশা সিদ্দিক নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন : সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক বেলাল ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগীরা ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা।

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

‘মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২’-এর মাধ্যমে নথিবিহীন বিদেশিদের দেশে ফেরার সুযোগ দিচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার। মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ভিসাহীন বাংলাদেশিদের দেশে ফিরে যেতে তাগিদ দিয়েছে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

 

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের ফেসবুক পেজে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান।

 

ভিডিও বার্তায় তরিকুল ইসলাম বলেন, “আপনারা হয়তো জানেন, অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশি অভিবাসীদের জন্য বর্তমানে মালয়েশিয়া সরকারের ইমিগ্রেশন বিভাগের একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু রয়েছে। এর নাম ‘মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২’ বা ‘বিআরএম ২.০’। এই কর্মসূচির আওতায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশি নাগরিক বা কর্মীরা আইনসম্মতভাবে ও নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

 

“প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা এই কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরতে চান, তাদের সহজ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রথমত, বৈধ ও মেয়াদযুক্ত বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকতে হবে। যাদের বৈধ পাসপোর্ট নেই বা পাসপোর্টের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে, তারা বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে একটি ট্রাভেল পারমিট বা টিপি নেবেন।

 

“এরপর দেশে ফেরার জন্য বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। মালয়েশিয়ার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, টিকিটের যাত্রার তারিখ ইমিগ্রেশনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের কমপক্ষে পাঁচ দিন পর এবং ১৪ দিনের মধ্যে হতে হবে।”

 

আবেদনকারীকে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে নিজে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে জানিয়ে তরিকুল ইসলাম বলেন, “কোনো প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে না। আবেদনের সময় সঙ্গে রাখতে হবে—মূল পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট, পাসপোর্টের বায়োডাটা পৃষ্ঠার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুরোনো ও নতুন উভয় পাসপোর্ট এবং বাংলাদেশে ফেরার বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিট।

 

“সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি ও প্রযোজ্য জরিমানা ইমিগ্রেশন বিভাগের অনুমোদিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে পরিশোধ করতে হবে। আবেদন করার আগে সর্বশেষ ফি ও শর্তাবলি ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছ থেকে নিশ্চিত করে নিতে হবে।”

 

অনিয়মিত বাংলাদেশিদের সতর্ক করে তরিকুল ইসলাম বলেন, “মনে রাখবেন, বিআরএম ২.০-এর আবেদন করতে কোনো দালাল, প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে টাকা চাইলে সতর্ক থাকুন। নিজের আবেদন নিজেই করুন এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

 

“ভাই ও বোনেরা, আপনারা যদি এই কর্মসূচির আওতায় আইনসম্মতভাবে এবং নিরাপদে দেশে ফিরতে চান, তাহলে শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নিন।”

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা।

আশ্রয়দাতা ‘বাবার’ ঘরেই চুরি, গাজীপুরে গ্রেফতার ১নং আসামি

 

তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ

 

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

যাকে মেয়ের মতো স্নেহ করতেন, সেই ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধেই উঠেছে আশ্রয়দাতা পরিবারের ঘরে চুরির অভিযোগ। বসতঘরের তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১ নম্বর আসামি আরফিন আক্তার ছবিয়া (২০)কে অবশেষে গাজীপুরের কাশেমপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি শাহিদ আলী (২২) এখনো পলাতক।

 

ঘটনাটি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মধুরেশপুর গ্রামের। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য চাষ ও ঘের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক (৬৪) তাঁর বাড়ির একটি অংশ ভাড়া দিয়েছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে আরফিন আক্তার ছবিয়া ও শাহিদ আলী সেখানে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে আরফিনকে মেয়ের মতোই স্নেহ করতেন বাড়ির মালিক।

 

কিন্তু গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে ঘটে যায় চুরির ঘটনা-এমনই অভিযোগ বাদীর।

 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, রতনপুর এলাকায় এক নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুর রাজ্জাক। যাওয়ার আগে বসতঘরে তালা লাগিয়ে যান। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ফিরে এসে দেখেন, ঘরের দরজার তালা ভাঙা। ভেতরের স্টিলের শোকেসও ক্ষতিগ্রস্ত। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়*বাড়িতে নেই দুই ভাড়াটিয়া আরফিন আক্তার ও শাহিদ আলী।

 

বাদীর অভিযোগ, ঘর থেকে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, ১২ আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের দুল, ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের আংটি, তিন ভরি রুপার নূপুর এবং নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মামলায় চুরি যাওয়া মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ঘটনার পর দুই আসামি আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ করেন আব্দুর রাজ্জাক। পরে তাঁর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০/৩৪ ধারায় মামলা হয়। মামলাটি কালিগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-০১, তারিখ ৬ জুন ২০২৬।

 

মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আরফিন আক্তারের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর গাজীপুরের কাশেমপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে কাশেমপুর থানাধীন সারদারগঞ্জ সাতবাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মামলার ১ নম্বর আসামি আরফিন আক্তারকে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামি শাহিদ আলীকে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার আরফিন আক্তারকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।

আশ্রয়দাতা ‘বাবার’ ঘরেই চুরি, গাজীপুরে গ্রেফতার ১নং আসামি তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা।

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

‘মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২’-এর মাধ্যমে নথিবিহীন বিদেশিদের দেশে ফেরার সুযোগ দিচ্ছে মালয়েশিয়া সরকার। মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ভিসাহীন বাংলাদেশিদের দেশে ফিরে যেতে তাগিদ দিয়েছে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

 

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের ফেসবুক পেজে রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তরিকুল ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান।

 

ভিডিও বার্তায় তরিকুল ইসলাম বলেন, “আপনারা হয়তো জানেন, অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশি অভিবাসীদের জন্য বর্তমানে মালয়েশিয়া সরকারের ইমিগ্রেশন বিভাগের একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু রয়েছে। এর নাম ‘মাইগ্র্যান্ট রিপেট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২’ বা ‘বিআরএম ২.০’। এই কর্মসূচির আওতায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অনিয়মিত বা নথিবিহীন বিদেশি নাগরিক বা কর্মীরা আইনসম্মতভাবে ও নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

 

“প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা এই কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরতে চান, তাদের সহজ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রথমত, বৈধ ও মেয়াদযুক্ত বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকতে হবে। যাদের বৈধ পাসপোর্ট নেই বা পাসপোর্টের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে, তারা বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে একটি ট্রাভেল পারমিট বা টিপি নেবেন।

 

“এরপর দেশে ফেরার জন্য বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। মালয়েশিয়ার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, টিকিটের যাত্রার তারিখ ইমিগ্রেশনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের কমপক্ষে পাঁচ দিন পর এবং ১৪ দিনের মধ্যে হতে হবে।”

 

আবেদনকারীকে নির্ধারিত ইমিগ্রেশন অফিসে নিজে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে জানিয়ে তরিকুল ইসলাম বলেন, “কোনো প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে না। আবেদনের সময় সঙ্গে রাখতে হবে—মূল পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট, পাসপোর্টের বায়োডাটা পৃষ্ঠার কপি, সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন পাসের কপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পুরোনো ও নতুন উভয় পাসপোর্ট এবং বাংলাদেশে ফেরার বৈধ ও নিশ্চিত বিমান টিকিট।

 

“সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি ও প্রযোজ্য জরিমানা ইমিগ্রেশন বিভাগের অনুমোদিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে পরিশোধ করতে হবে। আবেদন করার আগে সর্বশেষ ফি ও শর্তাবলি ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছ থেকে নিশ্চিত করে নিতে হবে।”

 

অনিয়মিত বাংলাদেশিদের সতর্ক করে তরিকুল ইসলাম বলেন, “মনে রাখবেন, বিআরএম ২.০-এর আবেদন করতে কোনো দালাল, প্রতিনিধি বা তৃতীয় পক্ষকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে টাকা চাইলে সতর্ক থাকুন। নিজের আবেদন নিজেই করুন এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

 

“ভাই ও বোনেরা, আপনারা যদি এই কর্মসূচির আওতায় আইনসম্মতভাবে এবং নিরাপদে দেশে ফিরতে চান, তাহলে শেষ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা না করে সংশ্লিষ্ট ইমিগ্রেশন অফিস ও বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নিন।”

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা।

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা ও দেশের সংকটে করণীয় শীর্ষক পেনাংয়ে এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের পেনাং আঞ্চলিক কমিটির উদ্যোগে ‘প্রবাসীদের অধিকার এবং দেশের সংকটে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার, জুরুর অটো সিটি এলাকার কমিউনিটি সেন্টার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন। তেলাওয়াত শেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পেনাং আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব রাশেদুল ইসলাম শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

 

কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব সাজেদুল আলম এবং যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস বিথী-এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) যুগ্ম সদস্য সচিব জনাব ফরিদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) যুগ্ম সদস্য সচিব ও গ্লোবাল ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের সম্পাদক জনাব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ এবং এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের সদস্য সচিব জনাব আলম রওশন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব ফরিদুল হক বলেন, “এই রাষ্ট্রের ভিত্তি হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ, মেহনতি কৃষক, বিদেশে কর্মরত আমাদের প্রবাসী শ্রমিক ভাই-বোনেরা এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স। অথচ রাষ্ট্রের এই মূল ভিত্তি যারা গড়ে তুলছেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও শাসনব্যবস্থায় তাদের যথাযথ মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি।”

 

তিনি বলেন, “এই রাষ্ট্রে আমলাতন্ত্র, দুর্নীতিপরায়ণ ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদদের প্রভাব রয়েছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থা থেকে পাওয়া মানসিকতা ও কাঠামোর অনেকটাই এখনো আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান। রাষ্ট্রের কর্মচারীরা জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে না দেখে প্রজা হিসেবে বিবেচনা করেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক মানসিকতার এই ধারাবাহিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”

 

ফরিদুল হক আরও বলেন, “রাষ্ট্রের মালিক জনগণ—এই মৌলিক ধারণাকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ঔপনিবেশিক মানসিকতা ও জনগণকে নিয়ন্ত্রণের পুরোনো ব্যবস্থা পরিবর্তন করে জবাবদিহিমূলক, জনবান্ধব ও নাগরিককেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই প্রথা ও সিস্টেম পরিবর্তন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব নয়।”

 

তিনি দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, বিদেশের মাটিতে একজন প্রবাসী কতটুকু সম্মান ও মর্যাদা পাবেন, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে তার দেশের পরিচয় ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর।

 

তিনি বলেন, “বিদেশে আমরা কতটুকু সম্মান পাবো, তা মূলত নির্ভর করে আমাদের কান্ট্রি অব অরিজিনের ওপর। আপনি ব্যক্তিগতভাবে যতই ভালো, যোগ্য বা সফল হন না কেন, বিদেশে আপনার ব্যক্তি পরিচয়ের চেয়ে অনেক সময় সামষ্টিক জাতীয় পরিচয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আপনার দেশকে যদি তারা সম্মানজনক ও কাঙ্ক্ষিত একটি দেশ হিসেবে বিবেচনা করে, তাহলে সেই দেশের নাগরিক হিসেবেও আপনি সম্মানিত হবেন। কিন্তু দেশের পরিচয় দুর্বল হলে শুধু ব্যক্তি হিসেবে ভালো হওয়ার কারণে সবসময় আলাদাভাবে সেই সম্মান পাওয়া সম্ভব নয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “এ কারণেই নিজের দেশকে ঠিক করতে না পারলে কোনো দেশেই আত্মমর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করা কঠিন। দেশের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা শুধু দেশের মানুষের দায়িত্ব নয়; প্রবাসীরাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।”

 

আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, প্রবাসীদের শুধু রেমিট্যান্স প্রেরণকারী হিসেবে দেখলে হবে না। দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ, জ্ঞান, দক্ষতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

 

প্রবাসীদের অধিকার ও দেশের সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

 

সভায় বক্তারা প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের কার্যকর সমাধান, দেশের চলমান সংকট উত্তরণে প্রবাসীদের দায়িত্ব ও করণীয় এবং জাতীয় অর্থনীতি ও উৎপাদনে প্রবাসীদের আরও কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

 

বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখেন না; তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগও দেশের উন্নয়ন ও ভাবমূর্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

 

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব তানভীরুল ইসলাম, সেলাঙ্গর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সোহেল হোসেন, পেনাং আঞ্চলিক কমিটির সহ-সমন্বয়ক জনাব শেখ আবদুল মতিন, পেনাং আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব রুকন বেপারী এবং পেনাং আঞ্চলিক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সোহেল রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

এ সময় এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টার, কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর ও পেনাং আঞ্চলিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

পরিশেষে, এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়ার যুগ্ম সচিব জনাব মুশফিক চৌধুরী-এর গুরুত্বপূর্ণ সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সফল, প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ এই মতবিনিময় সভার সমাপ্তি ঘটে।

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা ও দেশের সংকটে করণীয় শীর্ষক পেনাংয়ে এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রশিবির

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ

 

নীলফামারীতে এসএসসি

ও দাখিল পরীক্ষা জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নীলফামারী জেলা শহর শাখা।

আজ মঙ্গলবার

(৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নীলফামারী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, ফুল ও সামগ্রী উপহার দিয়ে বরণ করে নেন ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ।

 

ইসলামী ছাত্রশিবির নীলফামারী শহর শাখার সভাপতি সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, নীলফামারী শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আহমাদ রায়হান ও ছাত্রশিবিরের রংপুর মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি নুরুল হুদা।

 

 

সংবর্ধনা অনুষ্টানে বক্তারা বলেন “মেধাবীদের হাত ধরেই একটি স্বনির্ভর ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। শুধু জিপিএ-৫ পেলেই চলবে না, বরং নৈতিকতা ও সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সামনের দিনগুলোতে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।”

বক্তারা আরো বলেন, এসএসসি বা দাখিল পরীা হলো উ”চশিার প্রথম ধাপ। আগামী দিনে কাঙ্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও ক্যারিয়ার গঠনের জন্য এখন থেকেই সুনির্দিষ্ট

নির্ধারণ করে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সততা ও দক্ষতার সমন্বয়ে নিজেদের সৎ, দ ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আহ্বান জানিয়েছেন।

নীলফামারীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রশিবির

কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন বিদিশা সিদ্দিক

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

প্রতারণা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড হওয়া বিদিশা সিদ্দিক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্ত্রী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ নজরুল ইসলাম।

 

তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে বিদিশার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছে। তা যাচাই বাছাই শেষে মুক্তি দেওয়া হয়।

বিকাল সোয়া ৫টার দিকে কারাগার থেকে বেরিয়ে যান তিনি।’

 

গত রবিবার বিদিশা সিদ্দিকের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মোঃ খায়রুল আলম ও বিচারপতি মোঃ রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ জামিনের আদেশ দেন।

 

প্রতারণার ওই মামলায় ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিদিশাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন বিদিশাকে আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিদিশার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর পর থেকে কারাগারে ছিলেন।

 

এর আগে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে করা ওই মামলায় গত ২০ মে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। রায়ে আদালত কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের দিন অনুপস্থিত থাকায় বিদিশার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।

 

বিচারিক আদালতের দণ্ডাদেশের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন বিদিশা। পাশাপাশি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। জামিন আবেদন নাকচের আদেশের বিরুদ্ধে ও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন বিদিশা। পরে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন বিদিশা সিদ্দিক

নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন : সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক বেলাল

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পরিবেশ সুরক্ষা, ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগামী দুই বছর মেয়াদি অর্থাৎ ২০২৮ সাল পর্যন্ত মেয়াদের এই নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল-এর সার্বিক পরিচালনায় গঠিত এই নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক দেওয়ান মোঃ ফারুক হোসেন। সাধারণ সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন পরিবেশ সংগঠক মাহমুদুন নবী বেলাল।

কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান খান চৌধুরী আপেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী এবং অর্থ সম্পাদক তানিয়া ফেরদৌসী। এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে স্থান পেয়েছেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী গোলাম মোস্তফা মুন্টু ও তরুণ সংগঠক সজিব হোসেন।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক বৃক্ষপ্রেমী মাহমুদুন নবী বেলাল বলেন, “নওগাঁর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়ন নিশ্চিত করতেই এই সংগঠনের জন্ম। নতুন কমিটির সকল সদস্যকে সাথে নিয়ে আমরা আমাদের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করব। বিশেষ করে আগামী দুই বছর ‘গ্রীণ নওগাঁ, ক্লীন নওগাঁ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা মাঠপর্যায়ে কঠোর পরিশ্রম করব।”

নবনির্বাচিত সভাপতি দেওয়ান মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং নওগাঁ জেলাকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে এই কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। আগামী দিনে জেলার সর্বস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধ ও প্লাস্টিক বর্জনের পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।”

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার এই নতুন ও গতিশীল কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় সুধীসমাজ, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন : সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক বেলাল

সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আর এক হাজার ৫৭১ জন।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩০ জন। অন্যদিকে মোট শনাক্তের সংখ্যা হয়ে গেল ৪৫ হাজার ৩৯৪ জন।

 

এর আগে, গতকাল (৭ সেপ্টেম্বর) ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছিল, নতুন ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ১৩৯ জন, দক্ষিণ সিটির ১৪৩ জন এবং দুই সিটির বাইরে ঢাকা বিভাগের ২২৫ জন রয়েছেন।

 

এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৫৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৮ জন, খুলনায় ২৩৫ জন, ময়মনসিংহে ৮১ জন, রংপুরে ৩৬ জন, রাজশাহীতে ৯৯ জন এবং সিলেটে ৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগীরা।

 

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক আমাদের দেশ।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বিভিন্ন ভবনের পাশে অপরিষ্কার ড্রেন ও যত্রতত্র জমে থাকা ময়লা আবর্জনা থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের অভ্যন্তরের একাধিক ড্রেন ও নালা দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় ময়লায় ভরে গেছে। কোথাও কোথাও বর্জ্য জমে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে আছে। ফলে পুরো এলাকায় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

 

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, সুস্থ হওয়ার আশায় হাসপাতালে এসে উল্টো দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য এই পরিবেশ অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার প্রধান এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন শত শত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার এমন বেহাল দশা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

 

ভুক্তভোগীদের দাবি, দ্রুত ড্রেন পরিষ্কার করে ময়লা আবর্জনা অপসারণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালুর আহ্বান জানান তারা।

 

এ বিষয়ে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাকিল আহমেদ জানান, কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিলে এই সমস্যা দ্রুত দূর হয়ে যাবে।

 

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন রোগী, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ রোগীরা

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নে পুকুর থেকে মুক্তি বনিক (২৮) নামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকায় বান্দিগড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি পুকুরে তার মরদেহ দেখতে পান এক অজ্ঞাত অটো চালক। পরে তিনি আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।

এবং নিহত মুক্তি বনিকের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

নিহত মুক্তি বনিক ৪নং বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের বান্দিগড় বানিয়াপাড়া এলাকার বিবাকান্ত ও অনিমা বনিক দম্পতির দ্বিতীয় কন্যা। জন্মের পর থেকেই তিনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন।

 

মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় সিয়াম হোসেন (৭) নামের প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম উপজেলার রামনগর দক্ষিণপাড়া গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে। সে রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে সিয়াম বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য বের হয়। পথিমধ্যে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি ভটভটি তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

তারিখঃ ০৮/০৯/২০২৬ ইং

মোবাইল নং ০১৭২৪২৫৫৭০৬

নওগাঁর মান্দায় ভটভটির ধাক্কায় এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

খেলাধুলা

মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ভূল্লীতে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ভূল্লী উপজেলার ১ নং বড়গাঁও ইউনিয়নের কাচারি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে কাচারি বাজার যুব সংঘের উদ্দ্যোগে দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

টুর্নামেন্টকে ঘিরে সকাল থেকেই খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিভিন্ন এলাকার ফুটবল দল এতে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের দারুণ নৈপুণ্যে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়।

 

খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী দর্শক। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে পুরো মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

আয়োজকরা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। নিয়মিত এমন আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিভাবান ফুটবলার তৈরি হবে এবং যুবসমাজ খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঠমুখী করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে।

 

টুর্নামেন্ট শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নুর আলম বাবু, বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক ও স্বপ্ন গ্রুপ এর পরিচালক মামুনুর রশিদ মামুন, ছাত্রদল নেতা সুবাহান।

 

এ সময় আয়োজক কমিটির সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, খেলোয়াড় ও বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।

 

টুর্নামেন্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন হয় আসিফ একাদশ (ভূল্লী) ও রানার্সআপ হয় কাচারি বাজার একাদশ।

মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ভূল্লীতে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

গাইবান্ধায় ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা জেলা স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে শুরু হয়েছে ‘গাইবান্ধা ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ (জিপিপিএল) ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬’। শুক্রবার (২১শে আগস্ট) বিকেলে জেলা স্টেডিয়াম চত্বরে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)-এর নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদ। উদ্বোধনী ক্রীড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আশরাফ হোসেন, শাহাদত হোসেন সাগর, খন্দকার রবিউল ইসলাম, মাসুদ রানা ও সেলিম মিয়া।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, “সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন গঠনে এবং যুবসমাজকে মাদক ও যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ফার্মাসিউটিক্যালস পেশাজীবীদের দিনভর কর্মব্যস্ততার মাঝে এই টুর্নামেন্ট কেবল মানসিক প্রশান্তিই দেবে না, বরং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখবে।”

উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নেওয়া দলগুলোকে উৎসাহ দিতে মাঠে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে বিরাজ করছিল টানটান উত্তেজনা ও উৎসবের আমেজ।

গাইবান্ধায় ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিপিসি-৩ গাইবান্ধা র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এই সচেতনতা মুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিপিসি-৩ ও র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহারুল মান্নান । এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দেয়।

 

মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে বিপদগামী মাদকাসক্ত তরুণদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনায় মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনাসহ মাদক ও সামাজিক অপরাধ নির্মুলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

 

সভা শেষে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহনকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোকাহত লিওনেল মেসি যখন পরিবারের পাশে থাকতে আর্জেন্টিনায়, তখন মাঠে নেমে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন রদ্রিগো দে পল। নিজের জার্সির নিচে মেসির ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নেমেছিলেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন তারকা। গোল করেই সেই জার্সি প্রকাশ করেন এবং আবেগঘনভাবে মেসির প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধা জানান।

 

শনিবারের দিনটি মেসি পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ইন্টার মায়ামির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের পাশে থাকতে রোজারিওতে ফিরে যান মেসি।

 

এ কারণে লিগস কাপের গ্রুপ পর্বে মনতেরের বিপক্ষে ম্যাচে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অনুপস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হয় অন্যদের। সেই দায়িত্বের অন্যতম একজন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু দে পল।

 

ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইন্টার মায়ামি। একপর্যায়ে বক্সের বাইরে থেকে বজ্রগতির এক শটে দারুণ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দে পল।

 

গোল করার পরই নিজের জার্সি খুলে ফেলেন তিনি। তখন প্রকাশ পায় আসল চমক। নিজের জার্সির নিচে তিনি পরে ছিলেন মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি। গোল করার পর সেই জার্সি দেখিয়ে মেসি ও তাঁর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও সমবেদনা জানান দে পল।

 

মেসির কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার এটি ছিল দে পলের আবেগঘন এক বার্তা। মাঠের বাইরেও দুজনের বন্ধুত্ব বেশ গভীর। আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে শুরু করে ইন্টার মায়ামি—দুই জায়গাতেই মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দে পলের।

 

মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও জার্মান বেরতেরামে না থাকায় মনতেরের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে ৩২ বছর বয়সী দে পল সামনে থেকে দায়িত্ব নেন। গোল করে দলকে যেমন এগিয়ে দেন, তেমনি বন্ধুর পরিবারের কঠিন সময়েও পাশে থাকার বার্তা দেন।

 

মেসির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর ফুটবল বিশ্বের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। দে পলের এই শ্রদ্ধা যেন সেই শোকের মধ্যেই বন্ধুত্বের আরেকটি গভীর উদাহরণ হয়ে থাকল।

 

মেসি যখন রোজারিওতে বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে পরিবারের সঙ্গে, তখন তাঁর হয়ে মাঠে লড়লেন দে পল। আর গোলের পর মেসির ১০ নম্বর জার্সি দেখিয়ে জানিয়ে দিলেন—কঠিন সময়ে বন্ধুকে তিনি একা হতে দেবেন না।

মেসির জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন দে পল, গোল করে উৎসর্গ করলেন মেসির প্রয়াত বাবাকে

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নেইমার জুনিয়র। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়া এই তারকা এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্রাজিলের জার্সিতে আর মাঠে নামার ইচ্ছা নেই।

 

ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। দেশের জার্সির জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

নেইমারের ভাষায়, ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি। তবে এখন তিনি মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

 

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় দলকে। সেই ম্যাচে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। পরে জানা যায়, সেটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১০ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমারের। এরপর ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল তার।

 

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে নিজের যাত্রা চালিয়ে যেতে চান নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ের ফলে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

 

এদিকে সম্প্রতি সান্তোস ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে নেইমারের আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেটিও নাকচ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি তরুণ দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সমালোচনা করেন এবং তাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।

 

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচের পর তিনি শুধু দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন এবং সহজে পয়েন্ট হারানো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভুলগুলো তুলে ধরা নিজের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই ধরনের বক্তব্য অন্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়রাও দিয়েছিলেন বলে জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

ব্রাজিল অধ্যায়ের ইতি টানলেন নেইমার!

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসির ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে যাওয়ার পথে দেয়া অনুপ্রেরণামূলক ভাষণের একটি ভিডিও প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর ভিডিওটির একটি অংশ ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে মেসির বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ বাক্যটির গোপন অর্থ খুঁজতে শুরু করেছিলেন অনেকে। তবে সম্প্রতি পুরো ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বক্তব্যকে ঘিরে নতুন ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে।

 

মাঠে নামার আগে সতীর্থদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘চলো সবাই, শান্ত থাকো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা যেন শান্ত থাকি। শুধু খেলায় মনোযোগ দাও। সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলো, খেলায় মনোযোগ দাও। চলো।’

 

তার এই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল চাপমুক্ত থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটি খেলা।

 

মাঠে প্রবেশের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে কৌশলগত কিছু কথোপকথনও শোনা যায়। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে উদ্দেশ করে ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো বলেন, প্রতিপক্ষের আক্রমণে কীভাবে চাপ সৃষ্টি করতে হবে এবং লামিন ইয়ামালকে সামলানোর পরিকল্পনা নিয়ে।

 

লিসান্দ্রো ‘লিচা’ মার্টিনেজ দিবুকে সতর্ক করে বলেন, প্রতিপক্ষ ভেতরে ঢুকে শট নেয়ার চেষ্টা করবে, তাই সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পরে লিচা নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে বলেন, ‘পুরো ম্যাচ জুড়ে তাকে আটকে রাখবে।’ দিবুকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি বল নিশ্চিতভাবে ধরবে, মানসিকভাবে শক্ত থাকো।’

 

এ সময় মেসি আবারও ডিফেন্ডারদের বলেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে এলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে সামনে উঠে না যান। সবশেষে কুতি রোমেরো দিবুকে বলেন, ‘আজ তোমার দিন।’ জবাবে দিবুর আত্মবিশ্বাসী উত্তর ছিল, ‘আজ আমার দিন। আজ ইতিহাসে লেখা থাকবে।’

 

এরপর দুই দল মাঠে প্রবেশ করে এবং প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। খেলার বিভিন্ন মুহূর্তে তীব্র লড়াই ও বাকবিনিময় দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টিনাকে।

 

ভিডিওটি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক সম্পর্কে জানতে চাইলে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। এসব বিষয়ে কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কেও আমার কোনো ধারণা নেই।’

ফাইনালের আগমুহূর্তে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী হচ্ছিল? স্পষ্ট করলো দেশটির গণমাধ্যম

বিস্তারিত....

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

গানে থাকা দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানোর সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানো হলেও এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করতে গোপন প্রযুক্তিগত চিহ্ন বহাল থাকবে।

 

গুগল নতুন একটি সেটিং চালু করেছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা জেমিনির ‘ন্যানো ব্যানানা’ ইমেজ জেনারেশন মডেল দিয়ে তৈরি ছবির দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরাতে পারবেন। বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে জেমিনি ও ‘ফ্লো’ প্ল্যাটফর্মে এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। শিগগিরই গুগলের ‘সার্চ এআই মোডেও’ এটি চালু হতে পারে।

 

শুধু ছবিই নয়, এআই দিয়ে তৈরি অন্যান্য কনটেন্টের ক্ষেত্রেও ওয়াটারমার্ক সরানোর সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে গুগলের। জেমিনি ‘ওমনি’ দিয়ে তৈরি ভিডিও এবং ‘লিরিয়া’ দিয়ে তৈরি গান থেকেও দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

 

স্থানীয় আইনের ওপর নির্ভর করবে ওয়াটারমার্ক অপসারণ

 

গুগল জানিয়েছে, যেসব দেশ বা অঞ্চলে আইন অনুযায়ী এআই-নির্মিত কনটেন্টে ওয়াটারমার্ক প্রদর্শন বাধ্যতামূলক, সেখানে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না।

 

তবে দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানো গেলেও এআই-নির্মিত কনটেন্ট থেকে গোপন শনাক্তকারী সরাবে না গুগল। প্রতিষ্ঠানটি কনটেন্টের উৎস ও পরিচয় শনাক্ত করতে ‘সিন্থআইডি’ নামের অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক প্রযুক্তির পাশাপাশি ‘সিটুপিএ’ মেটাডেটা ব্যবহার করবে।

ওয়াটারমার্ক সরালেও শনাক্ত করা যাবে এআই কনটেন্ট

 

দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরিয়ে ফেললেই কোনো কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হয়েছে—এটি শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে যাবে না। গুগলের দাবি, ব্যবহারকারীরা চাইলে জেমিনিকে জিজ্ঞেস করেও জানতে পারবেন কোনো ছবি এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হয়েছে কি না।

 

জেমিনি ছবির গোপন উৎস-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে এবং যেখানে প্রযোজ্য, সেখানে ‘সিন্থআইডি’ শনাক্তকারী খুঁজে বের করতে পারে। এর ফলে দৃশ্যমানভাবে কনটেন্টে কোনো চিহ্ন না থাকলেও পেছনের প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটি এআই-নির্মিত কি না, তা শনাক্ত করার সুযোগ থাকবে।

 

এআই কনটেন্ট নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

 

এআই দিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও, গানসহ বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ফলে কৃত্রিমভাবে তৈরি কনটেন্ট যেন সহজে শনাক্ত করা যায়, সে বিষয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপও বাড়ছে।

 

একই সঙ্গে ব্যবহারকারীরা যেন নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী এআই-নির্মিত কনটেন্টের দৃশ্যমান উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, সেই দাবিও রয়েছে। গুগলের নতুন সিদ্ধান্তকে দৃশ্যমান লেবেলিং ও গোপন শনাক্তকরণ—এই দুই ব্যবস্থার মধ্যে ভারসাম্য তৈরির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেমিনির এআই কনটেন্ট থেকে ওয়াটারমার্ক সরানোর সুযোগ দিচ্ছে গুগল

বিনোদন

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে বলিউডে পা রাখা অভিনেত্রী দিয়া মির্জা অভিনয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ। নানা ধরনের চরিত্রে এখনো নিয়মিত দেখা যায় তাকে।

 

তবে ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ‘মুঝে তুমসে মোহাব্বত হ্যায়’ গানটি দিয়াকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছিল।

 

ইমরান হাশমির সঙ্গে তার সেই গ্ল্যামারাস নাচ দর্শকের নজর কাড়লেও ক্যামেরার পেছনের অভিজ্ঞতা ছিল অভিনেত্রীর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন দিয়া মির্জা। তিনি জানান, সেটে উপস্থিত শত শত পুরুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে নাচের দৃশ্যের শুটিং করতে হয়েছিল। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তিনি বেশ দ্বিধায় ও অস্বস্তিতে ছিলেন।দিয়ার ভাষ্য, তখন নিজের শরীর নিয়ে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না তিনি। রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে এমন পোশাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো তার জন্য সহজ ছিল না।

 

তবে শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাই তার জীবনে আত্মবিশ্বাস ও মুক্তির অনুভূতি এনে দেয়।

 

দিয়া বলেন, এই শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আমাকে এমনভাবে মুক্ত করেছিল, যা আমি কখনো আশা করিনি। নৃত্যপরিচালক বৈভবী মার্চেন্টের জন্যই আমি এই গানের শুটিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে পেরেছিলাম। সেটে যারা কাজ করছিলেন, প্রত্যেকেই আমাকে খুব নিরাপদ অনুভব করিয়েছিলেন।

 

পোশাক ও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন নারী হিসেবে এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন কাজ। কারণ শত শত মানুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে ক্যামেরার সামনে নাচতে হয়েছিল।

 

তবে কেন শেষ পর্যন্ত তিনি সেই দৃশ্যে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অভিনেত্রী। তার মতে, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের প্রয়োজন এবং চরিত্রের ভেতরের সত্যকে বোঝা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

দিয়া বলেন, বিষয়টি অস্বস্তিকর হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। কারণ আমি বুঝতে পেরেছিলাম, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের সত্যিটা খুঁজে বের করা জরুরি এবং সেই চরিত্রের মাধ্যমে কী প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘরে ৫০০ জন মানুষ থাকুক বা ১ হাজার জন, সেটা আর আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

 

হায়দরাবাদে রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠা দিয়া জানান, একসময় নিজের শরীর নিয়ে তার যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। কিন্তু ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ওই গানের শুটিংই তাকে নিজের প্রতি আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

 

দর্শকের কাছে এটি হয়তো ছিল একটি গ্ল্যামারাস গানের দৃশ্য। তবে দিয়া মির্জার কাছে সেই অভিজ্ঞতা ছিল নিজের সীমাবদ্ধতা ভেঙে বেরিয়ে আসা, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া এবং এক ধরনের মুক্তির অনুভূতির স্মরণীয় অধ্যায়।

অভিনেত্রী দিয়া মির্জার গোপন ভিডিও ফাঁস, তোলপাড় নেটদুনিয়া!

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজবৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিশা। শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

জামিন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা বললেন, ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসবো। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা এমন কিছুই করিনি।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সবকিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে তাকে চিনি না।

 

এদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷ এরপর তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গন ছাড়েন। এসময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভীড় জমান।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তানজিল তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশ। সেই প্রতিবেদনের আদালত আমলে গ্রহণ করে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান প্রয়াত আলহাজ্ব মাহমুদুল হাসান আলালকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারকে ভূষিত করেছে সাভার পৌর বিএনপি।

 

 

 

১৩তম (ত্রয়োদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর সাভার পৌরসভার ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মরহুমের স্মৃতি ও রাজনৈতিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাভার পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলালের পক্ষে ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর কাছ থেকে এই সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তার ছোট ভাই সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল ।

 

দলীয় সূত্র মতে, সাভারের রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা, তৃণমূল বিএনপিতে দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব এবং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বসাধারণের সেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মরণোত্তর সম্মাননা জানানো হয়।

 

সম্মাননা স্মারক গ্রহণকালে মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল সাভার পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি তার প্রয়াত ভাইয়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন।

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে শরীয়তপুরের জাজিরায় এসেছেন মো. মোজাম্মেল হোসাইন নামে এক যুবক। গত শনিবার (১১ জুলাই) পাকিস্তানের লাহোর থেকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তার প্রেমিকা তানজিলা আক্তারের বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় ইমামের মাধ্যমে শরিয়াহ অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।

 

ভিনদেশি যুবকের এমন প্রেমকাহিনি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। তবে ভালোবাসার এই গল্পের পাশাপাশি স্থানীয়দের একাংশের মনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগও। তানজিলাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার আগে পুরো বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তানজিলার সঙ্গে পরিচয় হয় পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা উর্দুভাষী মোজাম্মেল হোসাইনের। তানজিলা মজিবর শিকদারের একমাত্র মেয়ে। পরিচয়ের পর নিয়মিত চ্যাটিং ও ভিডিও কলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

দীর্ঘ চার বছরের সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে গত ১১ জুলাই শনিবার লাহোর থেকে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নের রহিম উদ্দিন মালাই মৃধাকান্দি গ্রামের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তানজিলার বাড়িতে এসে হাজির হন মোজাম্মেল। পরে জাজিরায় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

 

তানজিলার মা আসমা আক্তার এ বিয়ে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ছেলের পরিবারের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এত দূরে মেয়েকে বিয়ে দিতে কিছুটা খারাপ লাগলেও তাদের মনে কোনো ভয় বা শঙ্কা নেই।

 

তবে পরিবারের এই স্বস্তির বিপরীতে প্রতিবেশী ও স্বজনদের একাংশের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। তানজিলার ফুফু রাত্রি আক্তার ও চাচা তোফাজ্জল শিকদার বলেন, ইদানীং প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েদের বিদেশে পাচারের নানা খবর পাওয়া যাচ্ছে। ছেলের পরিবারের কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় এভাবে একটি মেয়েকে পাকিস্তানে পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

 

এ কারণে পুরো বিষয়টি যাচাই করে প্রশাসনের নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে যুবকের জাজিরায় ছুটে আসার ঘটনা এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চার বছরের প্রেম শেষ পর্যন্ত দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীকে এক ছাদের নিচে এনেছে। তবে নববধূকে নিয়ে পাকিস্তানে যাত্রার আগে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেমের টানে শরীয়তপুরে পাকিস্তানি যুবক

বিস্তারিত....

মতামত

ওয়ার্ল্ড ভিশনের নীলফামারী কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে

 

 

 

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

 

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নীলফামারী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নায়িরুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র ডিরেক্টর-অপারেশনস চন্দন জেড. গমেজ।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে পবিত্র কোরআন, গীতা ও বাইবেল পাঠ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং সফলতার গল্প নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ ছাড়া ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিশু, যুব, পরিবার ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জন তুলে ধরা হয়। উপকারভোগীদের কয়েকজন তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরেন।

 

এ সময় বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ডেপুটি ডিরেক্টর-ফিল্ড অপারেশনস রাজু উইলিয়াম রোজারিও, নীলফামারী জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এ বি এম মঞ্জুরুল আলম সিয়াম, পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ডিরেক্টর-অপারেশনস অ্যান্ড টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম লিমা হান্না দারিং। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারীর সিনিয়র ম্যানেজার অনুকুল চন্দ্র বর্মন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টেকসই পরিবর্তন নিশ্চিত করা। শিশু ও তরুণদের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

 

সভাপতির বক্তব্যে চন্দন জেড. গমেজ বলেন, নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের সাফল্য স্থানীয় জনগোষ্ঠী, শিশু, যুব, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

 

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। পরে নীলফামারী এরিয়া প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক সমাপনী ঘোষণা করা হয়।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের নীলফামারী কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে

মালিক সমিতির কমিটি গঠন , সভাপতি জসিম উদ্দিন , সম্পাদক নাহিদ হাসান।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

গাজীপুর জেলা অটোটেম্পো, সিএনজি, অটোরিকশা মালিক সমিতির বাড়ইপাড়া শাখার ১৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিন বছরের জন্য গঠিত এই কমিটিতে সভাপতি, জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসানকে নির্বাচিত করা হয়েছে। সোমবার সকালে কালিয়াকৈর কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনালে গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এ নতুন কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-শ্রমবিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, এই কমিটির অন্যরা হলেন, কার্যকরী সভাপতি রকি আহম্মেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি রবিউল আওয়াল মোল্লা, সহ-সভাপতি-১ হামিদ খান,সহ-সভাপতি-২ আলিমুদ্দিন ঐলা, সহ-সভাপতি -৩ লেহাজ উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল হোসেন বাবু, সহ সাধারণ সম্পাদক-১ দেলোয়ার হোসেন, সহ-সাধারন সম্পাদক-২ আঃ রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হানিফ, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সওকত হোসেন, সহ- কোষাধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোখলেস হোসেন, সহ-দফতর সম্পাদক মোঃ সুজন, প্রচার সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ জলিল, সম্মানিত সদস্য শহিদুল ইসলামসহ ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

এর আগে গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিনার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-শ্রমবিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, গাজীপুর জেলা অটো টেম্পু মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর ইসলাম, গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম দেওয়ান। এসময় উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রুবেল শেখ, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা জেলা কমিটির সাবেক সদস্য শামীম হোসেন সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মালিক সমিতির কমিটি গঠন , সভাপতি জসিম উদ্দিন , সম্পাদক নাহিদ হাসান

“শ্যামনগরের ভেটখালীর কাঁকড়া ব‌্যবসায়ী ম‌নিরুল নি‌খোঁজ

 

মো: জাহাঙ্গীর আলম

ক্রাইম রিপোর্টার

শ্যামনগর প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ‌্যামনগর উপ‌জেলার ভেটখালী বাজা‌রের কাঁকড়া ব‌্যবসায়ী , ভেটখালী বাজারের নৈশ প্রহরী নূরুর পুত্র মোঃ ম‌নিরুল ইসলাম আজ সন্ধ‌্যা ৬.৩০ মি‌নি‌টের সময় ভেটখালী নিজ দোকা‌নের সাম‌নে থে‌কে নি‌খোঁজ হ‌য়ে‌ছে । তার ব‌্যবহৃত মটর সাইকেল দোকা‌নের সাম‌নে থাক‌লেও তার সন্ধান নাই । বিশ্বস্ত সূ‌ত্রে জানা যায় , বেশ ক‌য়ে‌ক‌দিন ধ‌রে মোবাইল ফো‌নের মাধ‌্যমে ম‌নিরু‌লের কাছে এক‌টি চক্র চাঁদা দাবী ক‌রে আস‌ছিল । ম‌নিরুল নি‌খোঁজ হওয়ার সময় তার নিকট ৩ লক্ষা‌ধিক টাকা ছিল ব‌লে জানা গে‌ছে । ম‌নিরুল নি‌খোঁজ হওয়ার প‌রে এলাকার সাধারন মানু‌ষের ম‌ধ্যে আতঙ্ক বিরাজ কর‌ছে । কয়‌দিন পূ‌র্বে মু‌ক্তিপ‌নের দাবী‌তে কৈখালীর পশু চি‌কিৎসক অ‌নি‌মেষকে অপহরন ক‌রে সুন্দরব‌নে নি‌য়ে যায় অপহরনকারীরা । মৃত‌্যুর মুখ থে‌কে সে ফি‌রে আসে । অ‌নিমে‌ষের রেশ না কাট‌তে ম‌নিরু‌ল নি‌খোঁজের ঘটনা । এ বিষ‌য়ে শ‌্যামনগর থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ মোঃ শা‌ফিউল ইসলাম পা‌ট্য়োরী ব‌লেন এ বিষ‌য়ে এখনও কোন অ‌ভি‌যোগ পায়‌নি । অ‌ভি‌যোগ পে‌লে বিষয়‌টি খ‌তি‌য়ে দেখা হ‌বে । ম‌নিরুল নি‌খোঁজের বিষয়‌টি নজ‌রে নি‌য়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদ‌ক্ষেপ গ্রহ‌নের জন‌্য প্রশাস‌নের দৃ‌ষ্টি আকর্ষন ভুক্তভোগী পরিবার ।

শ্যামনগরের ভেটখালীর কাঁকড়া ব‌্যবসায়ী ম‌নিরুল নি‌খোঁজ”

গাইবান্ধায় জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পাল

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় উৎসব মুখর পরিবেশে নানা আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহব্বায়ক মাহমুদুন নবী টিটুলের সভাপতিত্বে ও শহর বিএনপির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সদস্য সচিব শহিদুজ্জামান শহিদের সঞ্চলনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ড. মো. শামীম কায়সার লিংকন(এমপি)।

 

প্রধান বক্তা ছিলেন গাইবান্ধা ১, ২, ৩ ও ৫ আসনের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য মমতাজ আলো। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির রংপুর বিভাগের সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম। এছাড়া যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবকদল,তাতীদল,কৃষকদল সহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। দীর্ঘ ১৭বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে দলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

 

আরও বলেন, সংগঠনকে ঐক্য এবং শক্তিশালী করে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে।

 

আলোচনা শেষে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিন করে পুনোরায় সেখানে গিয়ে শেষ হয়। এরপর দলীয় নেতাকর্মীরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দলটির চেয়ারপার্সন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন।

গাইবান্ধায় জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসাশিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতৃবৃন্দ।

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে, এনসিপি’র মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ, জাতীয় যুবশক্তির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল এবং এনসিপি’র সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

এ সময় এনসিপি নেতৃবৃন্দ জামিয়া ইউনুছিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুহতামিম ও জেলা হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা মুবারাকুল্লাহ, জামিয়ার মুহাদ্দিস ও জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মারুফ কাসেমী, জেলা হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরীফ উদ্দিন আফতাবী এবং জেলা হেফাজতে ইসলামের কোষাধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাফিজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

 

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও মহব্বত অটুট রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসাশিক্ষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন এনসিপি নেতারা

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

আশ্রয়দাতা ‘বাবার’ ঘরেই চুরি, গাজীপুরে গ্রেফতার ১নং আসামি

 

তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ

 

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

যাকে মেয়ের মতো স্নেহ করতেন, সেই ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধেই উঠেছে আশ্রয়দাতা পরিবারের ঘরে চুরির অভিযোগ। বসতঘরের তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১ নম্বর আসামি আরফিন আক্তার ছবিয়া (২০)কে অবশেষে গাজীপুরের কাশেমপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি শাহিদ আলী (২২) এখনো পলাতক।

 

ঘটনাটি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মধুরেশপুর গ্রামের। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য চাষ ও ঘের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক (৬৪) তাঁর বাড়ির একটি অংশ ভাড়া দিয়েছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে আরফিন আক্তার ছবিয়া ও শাহিদ আলী সেখানে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে আরফিনকে মেয়ের মতোই স্নেহ করতেন বাড়ির মালিক।

 

কিন্তু গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে পরিবারের সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে ঘটে যায় চুরির ঘটনা-এমনই অভিযোগ বাদীর।

 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, রতনপুর এলাকায় এক নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুর রাজ্জাক। যাওয়ার আগে বসতঘরে তালা লাগিয়ে যান। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ফিরে এসে দেখেন, ঘরের দরজার তালা ভাঙা। ভেতরের স্টিলের শোকেসও ক্ষতিগ্রস্ত। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়*বাড়িতে নেই দুই ভাড়াটিয়া আরফিন আক্তার ও শাহিদ আলী।

 

বাদীর অভিযোগ, ঘর থেকে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, ১২ আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের দুল, ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের আংটি, তিন ভরি রুপার নূপুর এবং নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মামলায় চুরি যাওয়া মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ঘটনার পর দুই আসামি আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ করেন আব্দুর রাজ্জাক। পরে তাঁর লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে কালিগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০/৩৪ ধারায় মামলা হয়। মামলাটি কালিগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-০১, তারিখ ৬ জুন ২০২৬।

 

মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আরফিন আক্তারের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর গাজীপুরের কাশেমপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় ৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে কাশেমপুর থানাধীন সারদারগঞ্জ সাতবাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মামলার ১ নম্বর আসামি আরফিন আক্তারকে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক আসামি শাহিদ আলীকে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার আরফিন আক্তারকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে।

আশ্রয়দাতা ‘বাবার’ ঘরেই চুরি, গাজীপুরে গ্রেফতার ১নং আসামি তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা ও দেশের সংকটে করণীয় শীর্ষক পেনাংয়ে এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়া।।

 

রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের পেনাং আঞ্চলিক কমিটির উদ্যোগে ‘প্রবাসীদের অধিকার এবং দেশের সংকটে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার, জুরুর অটো সিটি এলাকার কমিউনিটি সেন্টার এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন। তেলাওয়াত শেষে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর পেনাং আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব রাশেদুল ইসলাম শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন।

 

কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক জনাব সাজেদুল আলম এবং যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস বিথী-এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) যুগ্ম সদস্য সচিব জনাব ফরিদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) যুগ্ম সদস্য সচিব ও গ্লোবাল ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের সম্পাদক জনাব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ এবং এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের সদস্য সচিব জনাব আলম রওশন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব ফরিদুল হক বলেন, “এই রাষ্ট্রের ভিত্তি হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ, মেহনতি কৃষক, বিদেশে কর্মরত আমাদের প্রবাসী শ্রমিক ভাই-বোনেরা এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স। অথচ রাষ্ট্রের এই মূল ভিত্তি যারা গড়ে তুলছেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও শাসনব্যবস্থায় তাদের যথাযথ মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি।”

 

তিনি বলেন, “এই রাষ্ট্রে আমলাতন্ত্র, দুর্নীতিপরায়ণ ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদদের প্রভাব রয়েছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থা থেকে পাওয়া মানসিকতা ও কাঠামোর অনেকটাই এখনো আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান। রাষ্ট্রের কর্মচারীরা জনগণকে রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে না দেখে প্রজা হিসেবে বিবেচনা করেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক মানসিকতার এই ধারাবাহিকতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।”

 

ফরিদুল হক আরও বলেন, “রাষ্ট্রের মালিক জনগণ—এই মৌলিক ধারণাকে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ঔপনিবেশিক মানসিকতা ও জনগণকে নিয়ন্ত্রণের পুরোনো ব্যবস্থা পরিবর্তন করে জবাবদিহিমূলক, জনবান্ধব ও নাগরিককেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই প্রথা ও সিস্টেম পরিবর্তন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব নয়।”

 

তিনি দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, বিদেশের মাটিতে একজন প্রবাসী কতটুকু সম্মান ও মর্যাদা পাবেন, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে তার দেশের পরিচয় ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর।

 

তিনি বলেন, “বিদেশে আমরা কতটুকু সম্মান পাবো, তা মূলত নির্ভর করে আমাদের কান্ট্রি অব অরিজিনের ওপর। আপনি ব্যক্তিগতভাবে যতই ভালো, যোগ্য বা সফল হন না কেন, বিদেশে আপনার ব্যক্তি পরিচয়ের চেয়ে অনেক সময় সামষ্টিক জাতীয় পরিচয় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আপনার দেশকে যদি তারা সম্মানজনক ও কাঙ্ক্ষিত একটি দেশ হিসেবে বিবেচনা করে, তাহলে সেই দেশের নাগরিক হিসেবেও আপনি সম্মানিত হবেন। কিন্তু দেশের পরিচয় দুর্বল হলে শুধু ব্যক্তি হিসেবে ভালো হওয়ার কারণে সবসময় আলাদাভাবে সেই সম্মান পাওয়া সম্ভব নয়।”

 

তিনি আরও বলেন, “এ কারণেই নিজের দেশকে ঠিক করতে না পারলে কোনো দেশেই আত্মমর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করা কঠিন। দেশের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা শুধু দেশের মানুষের দায়িত্ব নয়; প্রবাসীরাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।”

 

আলাউদ্দিন মোহাম্মদ বলেন, প্রবাসীদের শুধু রেমিট্যান্স প্রেরণকারী হিসেবে দেখলে হবে না। দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ, জ্ঞান, দক্ষতা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে প্রবাসীদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

 

প্রবাসীদের অধিকার ও দেশের সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

 

সভায় বক্তারা প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের কার্যকর সমাধান, দেশের চলমান সংকট উত্তরণে প্রবাসীদের দায়িত্ব ও করণীয় এবং জাতীয় অর্থনীতি ও উৎপাদনে প্রবাসীদের আরও কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

 

বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখেন না; তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগও দেশের উন্নয়ন ও ভাবমূর্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

 

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব তানভীরুল ইসলাম, সেলাঙ্গর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সোহেল হোসেন, পেনাং আঞ্চলিক কমিটির সহ-সমন্বয়ক জনাব শেখ আবদুল মতিন, পেনাং আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব রুকন বেপারী এবং পেনাং আঞ্চলিক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সোহেল রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

এ সময় এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়া চ্যাপ্টার, কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর ও পেনাং আঞ্চলিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

পরিশেষে, এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, মালয়েশিয়ার যুগ্ম সচিব জনাব মুশফিক চৌধুরী-এর গুরুত্বপূর্ণ সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সফল, প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ এই মতবিনিময় সভার সমাপ্তি ঘটে।

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা ও দেশের সংকটে করণীয় শীর্ষক পেনাংয়ে এনসিপি-ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন বিদিশা সিদ্দিক

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

প্রতারণা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড হওয়া বিদিশা সিদ্দিক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্ত্রী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ নজরুল ইসলাম।

 

তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে বিদিশার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছে। তা যাচাই বাছাই শেষে মুক্তি দেওয়া হয়।

বিকাল সোয়া ৫টার দিকে কারাগার থেকে বেরিয়ে যান তিনি।’

 

গত রবিবার বিদিশা সিদ্দিকের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মোঃ খায়রুল আলম ও বিচারপতি মোঃ রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ জামিনের আদেশ দেন।

 

প্রতারণার ওই মামলায় ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিদিশাকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন বিদিশাকে আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিদিশার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর পর থেকে কারাগারে ছিলেন।

 

এর আগে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে করা ওই মামলায় গত ২০ মে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। রায়ে আদালত কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের দিন অনুপস্থিত থাকায় বিদিশার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত।

 

বিচারিক আদালতের দণ্ডাদেশের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন বিদিশা। পাশাপাশি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. শাহজাহান কবির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। জামিন আবেদন নাকচের আদেশের বিরুদ্ধে ও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন বিদিশা। পরে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন বিদিশা সিদ্দিক

বিস্তারিত....

Top