Home | Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। | Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
মিরপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতার মতবিনিময় মাদক সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪ মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীদের আরতিতে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা নাম বদলানোতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, রানার্সআপ ট্রাম্প স্বাধীনতার কথা বলে দিল্লির কৃতদাসত্ব করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার: রুহুল কবির রিজভী ৫৮ বছর পর রিয়ালের কীর্তি ছুঁয়ে বার্সেলোনার ‘নয়ে নয়’ এবার জমবে কি পার্থ–নীহার রসায়ন বিএনপি নিজেদের ঘোষিত সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার প্রার্থনা আর পুষ্পাঞ্জলিতে মহাসপ্তমী ‘লালনের জীবনদর্শন ছড়িয়ে পড়ুক সারা দেশে’
ব্রেকিং নিউজঃ

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

গানে থাকা দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানোর সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানো হলেও এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করতে গোপন প্রযুক্তিগত চিহ্ন বহাল থাকবে।

 

গুগল নতুন একটি সেটিং চালু করেছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা জেমিনির ‘ন্যানো ব্যানানা’ ইমেজ জেনারেশন মডেল দিয়ে তৈরি ছবির দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরাতে পারবেন। বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে জেমিনি ও ‘ফ্লো’ প্ল্যাটফর্মে এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। শিগগিরই গুগলের ‘সার্চ এআই মোডেও’ এটি চালু হতে পারে।

 

শুধু ছবিই নয়, এআই দিয়ে তৈরি অন্যান্য কনটেন্টের ক্ষেত্রেও ওয়াটারমার্ক সরানোর সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে গুগলের। জেমিনি ‘ওমনি’ দিয়ে তৈরি ভিডিও এবং ‘লিরিয়া’ দিয়ে তৈরি গান থেকেও দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

 

স্থানীয় আইনের ওপর নির্ভর করবে ওয়াটারমার্ক অপসারণ

 

গুগল জানিয়েছে, যেসব দেশ বা অঞ্চলে আইন অনুযায়ী এআই-নির্মিত কনটেন্টে ওয়াটারমার্ক প্রদর্শন বাধ্যতামূলক, সেখানে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না।

 

তবে দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানো গেলেও এআই-নির্মিত কনটেন্ট থেকে গোপন শনাক্তকারী সরাবে না গুগল। প্রতিষ্ঠানটি কনটেন্টের উৎস ও পরিচয় শনাক্ত করতে ‘সিন্থআইডি’ নামের অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক প্রযুক্তির পাশাপাশি ‘সিটুপিএ’ মেটাডেটা ব্যবহার করবে।

ওয়াটারমার্ক সরালেও শনাক্ত করা যাবে এআই কনটেন্ট

 

দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরিয়ে ফেললেই কোনো কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হয়েছে—এটি শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে যাবে না। গুগলের দাবি, ব্যবহারকারীরা চাইলে জেমিনিকে জিজ্ঞেস করেও জানতে পারবেন কোনো ছবি এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হয়েছে কি না।

 

জেমিনি ছবির গোপন উৎস-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে এবং যেখানে প্রযোজ্য, সেখানে ‘সিন্থআইডি’ শনাক্তকারী খুঁজে বের করতে পারে। এর ফলে দৃশ্যমানভাবে কনটেন্টে কোনো চিহ্ন না থাকলেও পেছনের প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটি এআই-নির্মিত কি না, তা শনাক্ত করার সুযোগ থাকবে।

 

এআই কনটেন্ট নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

 

এআই দিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও, গানসহ বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ফলে কৃত্রিমভাবে তৈরি কনটেন্ট যেন সহজে শনাক্ত করা যায়, সে বিষয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপও বাড়ছে।

 

একই সঙ্গে ব্যবহারকারীরা যেন নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী এআই-নির্মিত কনটেন্টের দৃশ্যমান উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, সেই দাবিও রয়েছে। গুগলের নতুন সিদ্ধান্তকে দৃশ্যমান লেবেলিং ও গোপন শনাক্তকরণ—এই দুই ব্যবস্থার মধ্যে ভারসাম্য তৈরির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেমিনির এআই কনটেন্ট থেকে ওয়াটারমার্ক সরানোর সুযোগ দিচ্ছে গুগল

বিনোদন

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে বলিউডে পা রাখা অভিনেত্রী দিয়া মির্জা অভিনয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ। নানা ধরনের চরিত্রে এখনো নিয়মিত দেখা যায় তাকে।

 

তবে ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ‘মুঝে তুমসে মোহাব্বত হ্যায়’ গানটি দিয়াকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছিল।

 

ইমরান হাশমির সঙ্গে তার সেই গ্ল্যামারাস নাচ দর্শকের নজর কাড়লেও ক্যামেরার পেছনের অভিজ্ঞতা ছিল অভিনেত্রীর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন দিয়া মির্জা। তিনি জানান, সেটে উপস্থিত শত শত পুরুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে নাচের দৃশ্যের শুটিং করতে হয়েছিল। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তিনি বেশ দ্বিধায় ও অস্বস্তিতে ছিলেন।দিয়ার ভাষ্য, তখন নিজের শরীর নিয়ে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না তিনি। রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে এমন পোশাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো তার জন্য সহজ ছিল না।

 

তবে শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাই তার জীবনে আত্মবিশ্বাস ও মুক্তির অনুভূতি এনে দেয়।

 

দিয়া বলেন, এই শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আমাকে এমনভাবে মুক্ত করেছিল, যা আমি কখনো আশা করিনি। নৃত্যপরিচালক বৈভবী মার্চেন্টের জন্যই আমি এই গানের শুটিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে পেরেছিলাম। সেটে যারা কাজ করছিলেন, প্রত্যেকেই আমাকে খুব নিরাপদ অনুভব করিয়েছিলেন।

 

পোশাক ও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন নারী হিসেবে এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন কাজ। কারণ শত শত মানুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে ক্যামেরার সামনে নাচতে হয়েছিল।

 

তবে কেন শেষ পর্যন্ত তিনি সেই দৃশ্যে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অভিনেত্রী। তার মতে, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের প্রয়োজন এবং চরিত্রের ভেতরের সত্যকে বোঝা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

দিয়া বলেন, বিষয়টি অস্বস্তিকর হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। কারণ আমি বুঝতে পেরেছিলাম, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের সত্যিটা খুঁজে বের করা জরুরি এবং সেই চরিত্রের মাধ্যমে কী প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘরে ৫০০ জন মানুষ থাকুক বা ১ হাজার জন, সেটা আর আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

 

হায়দরাবাদে রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠা দিয়া জানান, একসময় নিজের শরীর নিয়ে তার যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। কিন্তু ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ওই গানের শুটিংই তাকে নিজের প্রতি আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

 

দর্শকের কাছে এটি হয়তো ছিল একটি গ্ল্যামারাস গানের দৃশ্য। তবে দিয়া মির্জার কাছে সেই অভিজ্ঞতা ছিল নিজের সীমাবদ্ধতা ভেঙে বেরিয়ে আসা, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া এবং এক ধরনের মুক্তির অনুভূতির স্মরণীয় অধ্যায়।

অভিনেত্রী দিয়া মির্জার গোপন ভিডিও ফাঁস, তোলপাড় নেটদুনিয়া!

বিস্তারিত....

মতামত

৭ নং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচ্ছন্ন শ্রমিক নেতা আবু কালামকে দেখতে চায় সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

সাভারের ঐতিহ্যবাহী ৭ নং বিরুলিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ স্থানীয় পরিচ্ছন্ন শ্রমিক নেতা বাংলা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আবু কালামকে আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। এলাকার অবহেলিত শ্রমিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাঁর প্রতি এই জোরালো জনসমর্থন তৈরি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবু কালাম দীর্ঘ দিন ধরে বিরুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও শ্রমজীবী মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তাদের ন্যায্য অধিকার রক্ষা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং জীবনমান উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। একজন সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় তাঁর বিশেষ সুনাম রয়েছে।

 

এলাকার একাধিক শ্রমজীবী মানুষ জানান, বিরুলিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে এমন একজন নেতার প্রয়োজন যিনি সাধারণ মানুষের ভাষা বোঝেন এবং মাঠপর্যায় থেকে উঠে এসেছেন। অতীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকের দ্বারাই সাধারণ শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ অবহেলিত হয়েছে। তাই এবার তারা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আবু কালামের মতো পরিশ্রুত ও পরীক্ষিত নেতাকে ইউনিয়নের নেতৃত্বে দেখতে চান।

 

এ বিষয়ে আবু কালাম বলেন, “শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা ও আস্থার কথা জানিয়েছেন, তা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। আমি আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার ও কল্যাণের জন্য কাজ করে গেছি। জনগণের চাওয়া সামাজিক বিবেচনায় বিরুলিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে নিজেকে আরও নিবেদিতভাবে নিয়োজিত করতে চাই।”

 

স্থানীয় সচেতনমহল ও সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতার প্রতি সাধারণ মানুষের এই আবেগ ও সমর্থন ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিতে পারে।

৭ নং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচ্ছন্ন শ্রমিক নেতা আবু কালামকে দেখতে চায় সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ

সাভারের কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই কাজী আব্দুর রহিম পেলেন ঢাকা জেলার বিশেষ পুরস্কার

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

আগস্ট মাসের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা জেলার মাননীয় পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে বিশেষ পুরস্কার লাভ করেছেন সাভার মডেল থানাধীন কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কাজী আব্দুর রহিম।

 

পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় তাঁর হাতে এই সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়।

 

যোগদানের পর থেকেই কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় মাদক উদ্ধার, পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছেন এসআই কাজী আব্দুর রহিম। তাঁর এই অর্জনে কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়িসহ সাভার মডেল থানা পরিবারে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

 

এই প্রাপ্তি সম্পর্কে এসআই কাজী আব্দুর রহিম জানান, “এই স্বীকৃতি আমার কাজের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। আমি যেন সততা ও নিষ্ঠার সাথে সাধারণ মানুষের সেবা করে যেতে পারি, সেজন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

সাভারের কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই কাজী আব্দুর রহিম পেলেন ঢাকা জেলার বিশেষ পুরস্কার

নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

বিশেষ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সমাজের ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক সাংবাদিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, শ্রমিক নেতা, উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এ আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এ কমিটি গঠনের মূল লক্ষ্য। কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এবং প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ও প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে রয়েছেন নওগাঁ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জয়ব্রত পাল, সমন্বয় হিসেবে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। নবগঠিত কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক বায়োজিত হোসেন পলাশ এবং সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক খায়রুল আলম গোল্ডেন। কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন এ্যাড: সাব্বির আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ, গোলাম রাব্বানী, আব্দুল মজিদ, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ডাঃ এবারত আলী, মাহমুদুন নবী বেলাল, তারেক রহমান, আমজাদ হোসেন, আবু জাহেদ মাসুদ, মহিলা সদস্য শবনম মোস্তারী কলি, লাকী আক্তার, শ্যামলী বেগম। নবগঠিত এ আহবায়ক কমিটির মাধ্যমে নওগাঁ জেলার পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় তৈরি হবে এবং অপরাধ প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন 

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

আন্তঃনগর সীমান্ত ট্রেনে এক যাত্রীকে অচেতন করে টাকা ও মোবাইল হাতিয়ে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া (৫৬) নামে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। বুধবার

(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী। অসচেতন হয়ে যাওয়া যাত্রী হাজী মফিজুল রহমান সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সীমান্ত এক্সপ্রেসের ‘ঙ’ বগির ৩৪ নম্বর আসনে ছিলেন তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হেলাফেলা গ্রামে। বুধবার

বিকেল ৩টা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমন্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলস্টেশন অতিক্রম করার পর মফিজুর রহমান ও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে ট্রেনে দায়িত্ব পালনরত রেলওয়ে পুলিশ তার পাশের যাত্রী ফুল মিয়াকে আটক করে। পরে তার দেহে তল্লাশি করে মফিজুল রহমানের টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরও জানাই ২০২৫ সালে ২

৩০ আগস্ট একই ট্রেনে দুই নারী যাত্রীকে জুস পান করিয়ে অচেতন করার অভিযোগে ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছিল। ওই সময় অচেতন দুই নারী কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে পাশের এক যাত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে ফুল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার কাছে থাকা জুস পরীক্ষা করতে তাকেই পান করানো হলে তিনি নিজেই অচেতন হয় পড়েন। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি জুলফিকার আলী বলেন, উপপরিদর্শক (এএসআই)

মিজানুর রহমান বাদী হয়ে

ফুল মিয়াসহ তার অজ্ঞাত নামা দুই থেকে তিনজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

অচেতন করে টাকা-মোবাইল নেওয়ার সময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার 

বিস্তারিত....

জেলার খবর

জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

কক্সবাজারের খুনিয়া পালংয়ে জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানার মিলনায়তনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা, শিক্ষাবিদ, লেখক-কলামিস্ট, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হাফেজ মাওলানা নজরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, লেখক ও কলামিস্ট মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান এবং বড়ডেবা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা লতিফ মাহমুদ খালভী বক্তব্য রাখেন।

 

বক্তারা শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আদর্শিক চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেবল জ্ঞানার্জনের সুযোগ তৈরি করে না; শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে শিক্ষার্থীদের জীবন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে হেফজখানা ও মাদ্রাসাগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ রিয়াজুল হাসান সিকদার, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মাওলানা সাঈদুল ইসলাম, হাজী রকিম উল্লাহ, ডা. মাওলানা আবুল কালাম, মো. আনোয়ার ইসলাম, হাফেজ মাওলানা নুরুদ্দীনসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ। এ সময় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাওলানা আজগর আলী। বক্তৃতা পর্ব শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানার শিক্ষা কার্যক্রমের উত্তরোত্তর উন্নতি এবং প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার কল্যাণ কামনা করেন।

জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাথালিয়া ইউনিয়নে পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

ঢাকা জেলার সাভার উপজেলাধীন পাথালিয়া ইউনিয়নে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ফগিং এর মাধ্যমে মশা নিধন এবং রাস্তাঘাট ও ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হচ্ছে।

 

এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর আব্দুল বারেক।

 

ইউপি চেয়ারম্যান জনসাধারণকে বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে না দেওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাথালিয়া ইউনিয়নে পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু

বিস্তারিত....

Top