Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেলের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী আর্থিক সহায়তার কথা বলে প্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩ পিএসসির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করছেন সাভারে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান অভির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি, গাইবান্ধায় সম্মাননা পেলেন ডিবি ওসি হারালেন মেয়ের বিয়ের বাজারের ৫০ হাজার টাকা, ফিরিয়ে দিল ট্রাফিক পুলিশ খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর স্কুলে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশু শিক্ষার্থীর সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফেরাতে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন সাতক্ষীরায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার: ‘টেমি’ হাফিজ ও মাছুরাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, চুরি-ডাকাতির আতঙ্কে জনজীবন

নেত্রকোনার দুর্গাপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে মোমবাতির আগুনে শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন নিবারণ হাজং। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

 

অর্থের অভাবে যখন তার চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল, ঠিক সেই সংকটময় সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নিবারণ হাজংকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

 

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিবারণের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। তার উন্নত ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন।

 

জানা গেছে, বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন নিবারণ হাজং। রাত আনুমানিক ১২টার দিকে মোমবাতির আগুন থেকে ঘরে আগুন ধরে যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে নিবারণের শরীরেও আগুন ধরে যায়। এতে তার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

 

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে প্রথমে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

তবে দরিদ্র পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছিল না। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে একপর্যায়ে তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

 

নিবারণের পরিবারের সদস্যরা জানান, তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। একদিকে শরীরের অসহনীয় যন্ত্রণা, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল ব্যয়—সব মিলিয়ে চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটছিল পরিবারের।

 

রোববার রাতে হাসপাতালে ছুটে যান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সেখানে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

 

এ বিষয়ে দুর্গাপুরের অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ খান বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুধু চিকিৎসা করানোতেই নয়, নিজ অর্থায়নে সেতু নির্মাণ, কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাকে সহায়তা, গৃহহীনদের নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

অগ্নিদগ্ধ নিবারণ হাজংয়ের পাশে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল

শিক্ষক-সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক প্রয়োজন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদ শূন্য রয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে এ-সংক্রান্ত মামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান এভাবে চলতে পারে না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। শিক্ষক নিয়োগ কত দ্রুত করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করছি।’

 

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি শিক্ষা ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে।

 

‎অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (ন্যাপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।

শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেলের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় আর্থিক সহায়তার কথা বলে এক প্রতিবন্ধী নারীকে নির্জন স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতব্বররা সালিশে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোরে উপজেলার উত্তর ছয়ঘরিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতাররা হলেন—ওই গ্রামের মনির আহমদের ছেলে সাকিব (১৮), ইব্রাহিমের ছেলে ইয়াছিন (১৬) ও আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরমান (১৫)।

 

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার দুপুরে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা বলে একই এলাকার টমটমচালক সাকিব, আরমান ও বাদশা দুই সন্তানের জননী ওই নারীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। পরে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তিনজন মিলে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর তাকে সেখানে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা চলে যান।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে সোমবার রাতে স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর সালিশে বসেন। সেখানে অভিযুক্তদের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। গুরুতর এ অপরাধের বিষয়টি পুলিশকে না জানিয়ে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

 

পরে বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে মঙ্গলবার ভোরে ছয়ঘরিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাকিব, ইয়াছিন ও আরমানকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোকছেদ আহাম্মদ মুন্না বলেন, ঘটনাটি তার এলাকার। একটা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সালিশি বৈঠক করেছে এলাকার কিছু লোক। যা আইন বিরোধী। আমিও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচাই চাই।

 

ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন , আমার স্ত্রী প্রতিবন্ধী। আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা বলে ওই তিনজন তাকে ধর্ষণ করে। এলাকার সালিশদারদের চাপে সোমবার রাতে বৈঠকে বসি। সেখানে তিনজনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং আমাদের সালিশ মানতে বাধ্য করা হয়েছে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

 

ছাগলনাইয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আবু তাহের জানান, ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাটি সালিশের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আর্থিক সহায়তার কথা বলে প্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩

পিএসসির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করছেন

সাভারে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান অভির সাথে সৌজন্য সাক্ষা।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

মানবাধিকার সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন’ সাভার উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান অভির সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

 

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এলাকার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়। এ সময় ওবায়দুর রহমান অভি বলেন, “মানবাধিকার সুরক্ষায় সামাজিক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। সমাজ থেকে অন্যায়-অবিচার দূর করে মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।” তিনি সংস্থার এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো সৎ ও সামাজিক কাজে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

 

অনুষ্ঠানে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন সাভার উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ নুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুমন মন্ডল, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহরিয়াজ আকন্দ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন, শাহা জালাল রনি, মোঃ ফজলুল শেখ সহ

বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান অভির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি, গাইবান্ধায় সম্মাননা পেলেন ডিবি ওস

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা, মাদক উদ্ধার, অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানসহ অপরাধ দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মোত্তালিব সরকারকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন ডিবি ওসি আব্দুল মোত্তালিব সরকারের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

 

জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের গ্রেফতার, অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এসব কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ডিবি ওসিকে এ বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি, গাইবান্ধায় সম্মাননা পেলেন ডিবি ওসি

মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করতে শহরে এসে হারিয়ে ফেলেছিলেন ৫০ হাজার টাকা। সেই টাকা ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের তাজুল ইসলাম।

 

এদিকে সড়কে পড়ে থাকা টাকাভর্তি ব্যাগটি কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য।

 

রোববার বিকালে জেলা শহরের কাউতুলি এলাকায় তথ্য-প্রমাণ যাচাই শেষে তাজুল ইসলামের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়ের বিয়ের কেনাকাটার জন্য রসুলপুর গ্রাম থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতুলি মোড়ে আসেন তাজুল ইসলাম। অটোরিকশা থেকে নেমে ভাড়া পরিশোধের সময় অসাবধানতাবশত তার সঙ্গে থাকা টাকাভর্তি একটি ব্যাগ সড়কে পড়ে যায়। ব্যাগে ছিল মেয়ের বিয়ের বাজারের জন্য রাখা ৫০ হাজার টাকা।

 

এ সময় দায়িত্ব পালনরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ট্রাফিক পুলিশের এটিএসআই নুরুল আমিন সড়কে পড়ে থাকা ব্যাগটি দেখতে পান। পরে ব্যাগটি খুলে ভেতরে নগদ ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পাশাপাশি টাকার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেয় পুলিশ।

 

এদিকে টাকা হারানোর পর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাজুল ইসলাম। পরে তার দেওয়া তথ্য ও প্রয়োজনীয় প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনিই টাকার প্রকৃত মালিক। এরপর তার হাতে পুরো ৫০ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

 

টাকা ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত তাজুল ইসলাম বলেন, মাইয়ার বিয়ার বাজার করার লাইজ্ঞা গেরাম থেইক্কা শহরে আইছিলাম। পরে দেহি আমার সব টেহা হাড়াই গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে জানতে পারলাম এক পুলিশ অফিসার আমার টাকাগুলো পেয়েছেন। প্রমাণ দেওয়ার পর তারা আমারে টেহা বুঝাইয়া দিছে। দুনিয়াতে এখনও সৎমানুষ আছে। যার কারণে আমি বড় বিপদ থেইক্কা উদ্ধার অইছি। নাইলে মাইয়ার বিয়া দিতে অনেক কষ্ট হইত।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. রাসেলুর রহমান বলেন, তাজুল ইসলাম টাকা হারানোর বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তার দেওয়া তথ্য ও প্রমাণ যাচাই করে নগদ ৫০ হাজার টাকা তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

হারালেন মেয়ের বিয়ের বাজারের ৫০ হাজার টাকা, ফিরিয়ে দিল ট্রাফিক পুলিশ

বিয়ের অনুষ্ঠানে খদরে (বড় থালায়) খাসি না পাওয়ায় বিয়ে না করেই চলে গেলেন জাপান প্রবাসী বর জুনায়েদ।

 

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

জুনায়েদ কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিয়ের দিনে বর জুনায়েদ কনের বাড়িতে পৌঁছালে প্রথমে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এ সময় ফুল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন তিনি। পরে ফুল ও গেটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে জুনায়েদকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

পরে আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বরপক্ষের জন্য খদরে খাবার দেওয়া হয়। এ সময় খদরে খাসি না থাকায় জুনায়েদ আপত্তি জানান। তিনি খাসি ছাড়া খাবেন না এবং খাসি না দিলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না বলে জানান।

 

এ সময় কনেপক্ষের আত্মীয়-স্বজনসহ উপস্থিত অনেকেই তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে তিনি সিদ্ধান্তে অনড়। শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই একা কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান বর জুনায়েদ।

 

এ বিষয়ে কনের বাবা শফিক মিয়া বলেন, আমাকে আগে জানানো হলে খদরে খাসির ব্যবস্থা করতাম। এ বিষয়ে আমাকে আগে কিছুই বলা হয়নি। এরপরও আত্মীয়-স্বজনসহ সবাই ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি কোনোভাবেই রাজি হননি।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিক মিয়া বলেন, এ ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। কোনো মা-বাবা চান না মেয়ের বিয়েতে এমন ঘটনা ঘটুক। তবে ছেলেটির কথাবার্তা কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। খাসির বিষয়ে তাকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি খাসি ছাড়া বিয়ে করতে রাজি হননি।

 

 

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী বর

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা বগুড়াগামী মেইল বাসের ধাক্কায় এক স্কুলশিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শিশু শিক্ষার্থী শেফা মনি (৯) ফুলবাড়ীর নর্থ পয়েন্ট আইডিয়াল স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। সে ফুলবাড়ী পৌরসভার উত্তর সুজাপুরের ইস্তামুলের দ্বিতীয় সন্তান।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্কুলে যাওয়ার পথে সে তার মায়ের সঙ্গে রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় দিনাজপুর থেকে আসা বগুড়াগামী মেইল বাসটি তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ লোকজন রাস্তা অবরোধ করে। দুর্ঘটনার পরপরই খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

 

ফুলবাড়ী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বাসটিকে চিহ্নিত করতে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্কুলে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশু শিক্ষার্থীর

 

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির জন্য আবেদন করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

 

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার (ইন্টারপোল) সংশ্লিষ্টবিধি অনুযায়ী আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

 

একই সঙ্গে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানাতে এবং প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

 

চিঠিটি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকের পাশাপাশি পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এনসিবি), বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে।

 

জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে অভিযান ও পরদিন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গুলির ঘটনায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ও তৎকালীন বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক জেনারেল আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আবেদন করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং পুলিশের ইন্টারপোল ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) অতিরিক্ত আইজিকে চিঠি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

 

চিফ প্রসিকিউটর জানান, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় প্রথম কোনো পলাতক আসামিকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ মধ্যপ্রাচ্য বা অন্য কোনো দেশে পালিয়ে গেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে পারবো বলে আমরা মনে করি।

 

পর্যায়ক্রমে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামি যারা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তাদেরও দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

 

এর আগে গত ২৭ জুলাই রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

 

একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং অন্য মামলায় গ্রেফতার আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

শেখ হাসিনা ছাড়া মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। এ ছাড়া আসামিদের তালিকায় রয়েছেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, তৎকালীন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী,সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ এবং গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার। সাংবাদিকদের মধ্যে আসামি করা হয়েছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে।

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজকে ফেরাতে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার: ‘টেমি’ হাফিজ ও মাছুরাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, চুরি-ডাকাতির আতঙ্কে জনজীবন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:

 

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মাননীয় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি)সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করা অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের সুনাম ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রচারিত ভিডিও বক্তব্য ও সংবাদকে পরিকল্পিত অপপ্রচার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সচেতন মহল ও স্থানীয়দের দাবি, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করে এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ফেসবুকে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেদের কথিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে পরিচালনার সুযোগ তৈরি করতে চাইছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। চুরি-ডাকাতির আশঙ্কায় জনজীবনে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

 

আইজিপিসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মিতুন, ডি-১ হাফিজুর রহমান, ডিবির অফিসার ইনচার্জ মো. নিজামুদ্দিন, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাফিজুর রহমান, কালিগঞ্জ থানার এসআই কামাল হোসেন, এসআই সুদীপ, এসআই পিংকু, এএসআই রফিকসহ ৭/৮ জন পুলিশ সদস্য তাঁকে ডেকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এসআই কামাল হোসেন ও এসআই সুদীপ মহিলা পুলিশ সদস্যদের নিয়ে তাঁর ভাড়া বাসায় তল্লাশি চালান। এ সময় তাঁর বৈধভাবে ক্রয়কৃত একটি OPPO মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় এবং তাঁকে আটক করে মিথ্যা মামলায় চালান করা হয় বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

 

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা অবৈধ আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে তাঁকে হয়রানি, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

 

জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং জেলার আলোচিত মাদক, অস্ত্র ও ডাকাত চক্রের সদস্য ইয়ার আলী, বাহার আলী, রেজাউ ও রফিকুলের সহযোগী হিসেবে পরিচিত একাধিক মামলার আসাম ‘টেমি’ হাফিজুর রহমান (৪৮), পিতা: মৃত এলাইবাক্স গাজী, সাং: বাজারগ্রাম, থানা: কালিগঞ্জ অভিযোগ লিখে নিজে স্বাক্ষরে দাখিল করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর সহযোগী হিসেবে পরিচিত জেলার আলোচিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ব্ল্যাকমেইলার ‘লেডি ডাকাত’ মোছা. মাছুরা বেগম (৩৫), স্বামী: ছুবাহান (কুখ্যাত চোর), পিতা: আবু বক্কার সিদ্দীক গাজী, সাং: চন্ডিপুর, থানা: শ্যামনগর, বর্তমান ঠিকানা: মঞ্জিতপুর, থানা ও জেলা: সাতক্ষীরা কে ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

 

ওই অভিযোগে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী এস. এম. নাসির উদ্দীনকেও জড়ানো হয়েছে। অভিযোগের জবাবে বলা হয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত নন। সততা, সুনাম, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংবাদিকতা এবং বৈধ ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে মাদক, চোরাচালান, সংঘবদ্ধ চুরি, ডাকাতি ও অন্যান্য সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্যগত সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। এ কারণেই স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

 

অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। বরং নিজেদের বিরুদ্ধে চলমান আইনগত প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা, পুলিশকে হয়রানি করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেই এ ধরনের অভিযোগ করা হয়েছে।

 

তাঁদের আরও দাবি, টেমি হাফিজ, মাছুরা খাতুন, ইয়াবা ব্যবসায়ী তানভীর এবং তাঁদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, ব্ল্যাকমেইল, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি ও অস্ত্র কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এসব কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি।

 

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই রাতে সশস্ত্র ডাকাত দল মধুসূদন কর্মকারের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে গৃহকর্তা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারাত্মকভাবে আহত করার ঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় এজাহার নং-০৪ (তারিখ: ০৬/০৭/২০২৫), পেনাল কোডের ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, উক্ত ঘটনার তদন্তকালে পুলিশি কলাকৌশল প্রয়োগ এবং মোবাইল প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্তে আরও জানা যায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ওই আসামির কাছে রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তা অজ্ঞাত স্থানে বিক্রি করা হয়েছে। এসব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সাতক্ষীরা শহর থেকে মোছা. মাছুরা বেগম (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

স্থানীয়দের তথ্যমতে, শ্যামনগরের ভেটখালী এলাকার বাসিন্দা, কুখ্যাত চোর ছুবানের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী মাছুরার এর আগে ডজনখানেক বিয়ে হয়েছে। ছুবান একসময় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আহত হয়ে পঙ্গু হন বলেও স্থানীয়দের দাবি।

 

এ ছাড়া মাছুরা ২০১৮ সালে শ্যামনগর বিআরটিসি কাউন্টার মালিক মতির সঙ্গে তাঁর দেবর, সুন্দরবন-ডাকাতদের জন্য বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে ভেটখালী এলাকা থেকে পুলিশের হাতে আটক হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পরে ২০২৩ সালে নিজ বাড়ি থেকে ইয়াবাসহ তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় শ্যামনগর থানায় দায়ের করা দুটি মাদক মামলার তথ্য রয়েছে—মামলা নং-৩১, তারিখ: ৩০/০১/২০২৩ এবং মামলা নং-০৬, তারিখ: ১০/১২/২০১৮।

 

স্থানীয় সূত্রের দাবি, মাছুরা খাতুন ও টেমি হাফিজ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের বিরুদ্ধে অজ্ঞান পার্টির সদস্য হিসেবে সক্রিয় থাকা, চুরি, ডাকাতি, ব্ল্যাকমেইল, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।

 

আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্য, ভুয়া সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সহযোগিতায় তাঁরা বারবার আইনি সুবিধা পেয়েছেন এবং গ্রেপ্তারের পরও স্বল্প সময়ের মধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন। অভিযোগের বিষয়গুলো যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

প্রতিবেদনটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও সংযুক্ত করা যেতে পারে।

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার: ‘টেমি’ হাফিজ ও মাছুরাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, চুরি-ডাকাতির আতঙ্কে জনজীবন

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

খেলাধুলা

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিপিসি-৩ গাইবান্ধা র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এই সচেতনতা মুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিপিসি-৩ ও র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহারুল মান্নান । এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দেয়।

 

মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে বিপদগামী মাদকাসক্ত তরুণদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনায় মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনাসহ মাদক ও সামাজিক অপরাধ নির্মুলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

 

সভা শেষে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহনকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোকাহত লিওনেল মেসি যখন পরিবারের পাশে থাকতে আর্জেন্টিনায়, তখন মাঠে নেমে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন রদ্রিগো দে পল। নিজের জার্সির নিচে মেসির ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নেমেছিলেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন তারকা। গোল করেই সেই জার্সি প্রকাশ করেন এবং আবেগঘনভাবে মেসির প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধা জানান।

 

শনিবারের দিনটি মেসি পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ইন্টার মায়ামির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের পাশে থাকতে রোজারিওতে ফিরে যান মেসি।

 

এ কারণে লিগস কাপের গ্রুপ পর্বে মনতেরের বিপক্ষে ম্যাচে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অনুপস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হয় অন্যদের। সেই দায়িত্বের অন্যতম একজন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু দে পল।

 

ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইন্টার মায়ামি। একপর্যায়ে বক্সের বাইরে থেকে বজ্রগতির এক শটে দারুণ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দে পল।

 

গোল করার পরই নিজের জার্সি খুলে ফেলেন তিনি। তখন প্রকাশ পায় আসল চমক। নিজের জার্সির নিচে তিনি পরে ছিলেন মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি। গোল করার পর সেই জার্সি দেখিয়ে মেসি ও তাঁর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও সমবেদনা জানান দে পল।

 

মেসির কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার এটি ছিল দে পলের আবেগঘন এক বার্তা। মাঠের বাইরেও দুজনের বন্ধুত্ব বেশ গভীর। আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে শুরু করে ইন্টার মায়ামি—দুই জায়গাতেই মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দে পলের।

 

মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও জার্মান বেরতেরামে না থাকায় মনতেরের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে ৩২ বছর বয়সী দে পল সামনে থেকে দায়িত্ব নেন। গোল করে দলকে যেমন এগিয়ে দেন, তেমনি বন্ধুর পরিবারের কঠিন সময়েও পাশে থাকার বার্তা দেন।

 

মেসির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর ফুটবল বিশ্বের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। দে পলের এই শ্রদ্ধা যেন সেই শোকের মধ্যেই বন্ধুত্বের আরেকটি গভীর উদাহরণ হয়ে থাকল।

 

মেসি যখন রোজারিওতে বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে পরিবারের সঙ্গে, তখন তাঁর হয়ে মাঠে লড়লেন দে পল। আর গোলের পর মেসির ১০ নম্বর জার্সি দেখিয়ে জানিয়ে দিলেন—কঠিন সময়ে বন্ধুকে তিনি একা হতে দেবেন না।

মেসির জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন দে পল, গোল করে উৎসর্গ করলেন মেসির প্রয়াত বাবাকে

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নেইমার জুনিয়র। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়া এই তারকা এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্রাজিলের জার্সিতে আর মাঠে নামার ইচ্ছা নেই।

 

ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। দেশের জার্সির জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

নেইমারের ভাষায়, ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি। তবে এখন তিনি মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

 

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় দলকে। সেই ম্যাচে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। পরে জানা যায়, সেটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১০ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমারের। এরপর ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল তার।

 

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে নিজের যাত্রা চালিয়ে যেতে চান নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ের ফলে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

 

এদিকে সম্প্রতি সান্তোস ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে নেইমারের আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেটিও নাকচ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি তরুণ দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সমালোচনা করেন এবং তাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।

 

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচের পর তিনি শুধু দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন এবং সহজে পয়েন্ট হারানো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভুলগুলো তুলে ধরা নিজের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই ধরনের বক্তব্য অন্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়রাও দিয়েছিলেন বলে জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

ব্রাজিল অধ্যায়ের ইতি টানলেন নেইমার!

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসির ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে যাওয়ার পথে দেয়া অনুপ্রেরণামূলক ভাষণের একটি ভিডিও প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর ভিডিওটির একটি অংশ ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে মেসির বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ বাক্যটির গোপন অর্থ খুঁজতে শুরু করেছিলেন অনেকে। তবে সম্প্রতি পুরো ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বক্তব্যকে ঘিরে নতুন ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে।

 

মাঠে নামার আগে সতীর্থদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘চলো সবাই, শান্ত থাকো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা যেন শান্ত থাকি। শুধু খেলায় মনোযোগ দাও। সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলো, খেলায় মনোযোগ দাও। চলো।’

 

তার এই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল চাপমুক্ত থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটি খেলা।

 

মাঠে প্রবেশের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে কৌশলগত কিছু কথোপকথনও শোনা যায়। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে উদ্দেশ করে ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো বলেন, প্রতিপক্ষের আক্রমণে কীভাবে চাপ সৃষ্টি করতে হবে এবং লামিন ইয়ামালকে সামলানোর পরিকল্পনা নিয়ে।

 

লিসান্দ্রো ‘লিচা’ মার্টিনেজ দিবুকে সতর্ক করে বলেন, প্রতিপক্ষ ভেতরে ঢুকে শট নেয়ার চেষ্টা করবে, তাই সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পরে লিচা নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে বলেন, ‘পুরো ম্যাচ জুড়ে তাকে আটকে রাখবে।’ দিবুকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি বল নিশ্চিতভাবে ধরবে, মানসিকভাবে শক্ত থাকো।’

 

এ সময় মেসি আবারও ডিফেন্ডারদের বলেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে এলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে সামনে উঠে না যান। সবশেষে কুতি রোমেরো দিবুকে বলেন, ‘আজ তোমার দিন।’ জবাবে দিবুর আত্মবিশ্বাসী উত্তর ছিল, ‘আজ আমার দিন। আজ ইতিহাসে লেখা থাকবে।’

 

এরপর দুই দল মাঠে প্রবেশ করে এবং প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। খেলার বিভিন্ন মুহূর্তে তীব্র লড়াই ও বাকবিনিময় দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টিনাকে।

 

ভিডিওটি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক সম্পর্কে জানতে চাইলে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। এসব বিষয়ে কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কেও আমার কোনো ধারণা নেই।’

ফাইনালের আগমুহূর্তে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী হচ্ছিল? স্পষ্ট করলো দেশটির গণমাধ্যম

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন আলোচনার তুঙ্গে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেলার একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যায়, এই চেলসি তারকা একটি সাধারণ সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে করে বিশ্বকাপ ট্রফির মতো দেখতে একটি বস্তু নিয়ে স্টেডিয়াম ছাড়ছেন। অত্যন্ত মূল্যবান এই ট্রফিটি এভাবে ‘ময়লা ফেলার ব্যাগে’ বহনের দৃশ্য দেখে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খেলোয়াড়েরা যখন ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরছিলেন, তখন ক্যামেরায় ধরা পড়ে কুকুরেলার এই অদ্ভুত দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি শপিং ব্যাগের ভেতর সোনালী রঙের ট্রফিটি নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন তিনি।

 

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি এমন সাদামাটাভাবে বহন করতে দেখে নেটিজেন ও সাংবাদিকেরা বিষ্ময় প্রকাশ করেন। তবে এই রহস্যের সমাধান হয়েছে খুব দ্রুতই। জানা গেছে, কুকুরেলার ব্যাগে থাকা বস্তুটি আসল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ছিল না; বরং সেটি ছিল লেগো (LEGO) দিয়ে তৈরি ট্রফির একটি হুবহু প্রতিচ্ছবি বা খেলনা। শখের বশে তৈরি করা এই লেগো ট্রফিটিই তিনি প্লাস্টিকের ব্যাগে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

কুকুরেয়ার প্লাস্টিকের ব্যাগে ‘বিশ্বকাপ ট্রফি’! আসল রহস্য কী?

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের স্কুলছাত্রী মরিয়মকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

 

সোমবার (২০ জুলাই) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল চুয়াডাঙ্গার বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

 

আসামি আবুল হোসেনের বাড়ি পার্শ্ববর্তী গয়েশপুর গ্রামে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর গোয়ালপাড়া গ্রামের মরিয়ম খাতুন কয়েকজন শিশুকে সাথে নিয়ে মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে আসামী মরিয়মকে একটি ভুট্টাখেতের ভেতর নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ শেষে হত্যা করে।

 

এ ঘটনায় তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

 

চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু আদালতের পিপি এমএম শাহজাহান মুকুল জানান, ‘৩১জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।’ আদালতের রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তষ্টি প্রকাশ করেন। এমন বিচার অব্যাহত থাকলে দেশে ধর্ষণ হত্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড

বিস্তারিত....

বিনোদন

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজবৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিশা। শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

জামিন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা বললেন, ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসবো। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা এমন কিছুই করিনি।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সবকিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে তাকে চিনি না।

 

এদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷ এরপর তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গন ছাড়েন। এসময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভীড় জমান।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তানজিল তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশ। সেই প্রতিবেদনের আদালত আমলে গ্রহণ করে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান প্রয়াত আলহাজ্ব মাহমুদুল হাসান আলালকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারকে ভূষিত করেছে সাভার পৌর বিএনপি।

 

 

 

১৩তম (ত্রয়োদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর সাভার পৌরসভার ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মরহুমের স্মৃতি ও রাজনৈতিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাভার পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলালের পক্ষে ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর কাছ থেকে এই সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তার ছোট ভাই সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল ।

 

দলীয় সূত্র মতে, সাভারের রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা, তৃণমূল বিএনপিতে দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব এবং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বসাধারণের সেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মরণোত্তর সম্মাননা জানানো হয়।

 

সম্মাননা স্মারক গ্রহণকালে মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল সাভার পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি তার প্রয়াত ভাইয়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন।

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে শরীয়তপুরের জাজিরায় এসেছেন মো. মোজাম্মেল হোসাইন নামে এক যুবক। গত শনিবার (১১ জুলাই) পাকিস্তানের লাহোর থেকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তার প্রেমিকা তানজিলা আক্তারের বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় ইমামের মাধ্যমে শরিয়াহ অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।

 

ভিনদেশি যুবকের এমন প্রেমকাহিনি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। তবে ভালোবাসার এই গল্পের পাশাপাশি স্থানীয়দের একাংশের মনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগও। তানজিলাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার আগে পুরো বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তানজিলার সঙ্গে পরিচয় হয় পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা উর্দুভাষী মোজাম্মেল হোসাইনের। তানজিলা মজিবর শিকদারের একমাত্র মেয়ে। পরিচয়ের পর নিয়মিত চ্যাটিং ও ভিডিও কলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

দীর্ঘ চার বছরের সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে গত ১১ জুলাই শনিবার লাহোর থেকে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নের রহিম উদ্দিন মালাই মৃধাকান্দি গ্রামের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তানজিলার বাড়িতে এসে হাজির হন মোজাম্মেল। পরে জাজিরায় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

 

তানজিলার মা আসমা আক্তার এ বিয়ে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ছেলের পরিবারের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এত দূরে মেয়েকে বিয়ে দিতে কিছুটা খারাপ লাগলেও তাদের মনে কোনো ভয় বা শঙ্কা নেই।

 

তবে পরিবারের এই স্বস্তির বিপরীতে প্রতিবেশী ও স্বজনদের একাংশের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। তানজিলার ফুফু রাত্রি আক্তার ও চাচা তোফাজ্জল শিকদার বলেন, ইদানীং প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েদের বিদেশে পাচারের নানা খবর পাওয়া যাচ্ছে। ছেলের পরিবারের কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় এভাবে একটি মেয়েকে পাকিস্তানে পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

 

এ কারণে পুরো বিষয়টি যাচাই করে প্রশাসনের নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে যুবকের জাজিরায় ছুটে আসার ঘটনা এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চার বছরের প্রেম শেষ পর্যন্ত দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীকে এক ছাদের নিচে এনেছে। তবে নববধূকে নিয়ে পাকিস্তানে যাত্রার আগে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেমের টানে শরীয়তপুরে পাকিস্তানি যুবক

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

বিস্তারিত....

মতামত

এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্ত।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

এইচএসসি ও সমমানের দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক,ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল।

 

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বলেন, “আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর। মেধা, অধ্যবসায় ও সততার মাধ্যমে তারা আগামী দিনে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

 

শিক্ষার্থীদের এই ধারাবাহিক সাফল্য বজায় রেখে সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই কৃতিত্বপূর্ণ অর্জনের পেছনে অবদান রাখা সকল অভিভাবক ও শিক্ষকমণ্ডলীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

যেসব শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে নতুন উদ্যোমে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্তা

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি , সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)। ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তার সততা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।

 

স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ৯নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন।

 

এলাকাবাসীর মতে, সাভার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর কোনো বিকল্প নেই। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও পরোপকারী মানসিকতার কারণে ওয়ার্ডের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

নিজের প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) বলেন, “আমি পদের লোভে নয়, বরং ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সেবা করতেই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেয়, তবে ৯নং ওয়ার্ডকে সাভার পৌরসভার মধ্যে একটি রোল মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।”

 

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে সমর্থন ও জোয়ার ততই বাড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত ওয়ার্ড গঠনে সাধারণ মানুষ এবার ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক নেতাকেই বেছে নেবেন, অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ।

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তিনি পেশাগত জীবনে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে সফল এবং কালারফুল। ব্যক্তি এবং দল হিসেবে আমি এবং আমরা তার ক্লায়েন্ট ছিলাম।

 

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে স্মরণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিশেষ করে আমাদের কষ্টের দিনগুলোতে, সেই ওয়ান-ইলেভেন আমলে আইনের যাঁতাকলে যখন আমরা পিষ্ট, তখন প্রায়ই আমরা তার কাছে যেতাম, দ্বারস্থ হতাম। তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েই শুধু আমাদের কাজ সারেননি, বরং আমাদের মজলুম নেতৃবৃন্দের পক্ষে তিনি আদালতে বারবার দাঁড়িয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, এরকম তো আরও অনেকেই দাঁড়িয়েছেন, কিন্তু তিনি একদিক দিয়ে ভীষণ ব্যতিক্রম ছিলেন। প্রথমবার থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাকে কিছু ফি দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত আমরা এই কাজে সফল হইনি।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তার এই অবদান স্মরণ করে আমার চোখে পানি আসছে। আমরা তার ঋণ পরিশোধ করতে পারবো না। তিনি স্পিকার হিসেবে পার্লামেন্টকে প্রাণবন্ত করে রাখতেন, আর আইনের অঙ্গনে তিনি অনেকের গুরু। তার চলন-বলন, সবকিছুই ছিল শিক্ষণীয়।

ব্যক্তি-দল হিসেবে জমির উদ্দিন সরকারের ক্লায়েন্ট ছিলাম: বিরোধীদলীয় নেতা

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

পিএসসির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করছেন

অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি, গাইবান্ধায় সম্মাননা পেলেন ডিবি ওস

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা, মাদক উদ্ধার, অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানসহ অপরাধ দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মোত্তালিব সরকারকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন ডিবি ওসি আব্দুল মোত্তালিব সরকারের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

 

জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের গ্রেফতার, অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এসব কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ডিবি ওসিকে এ বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি, গাইবান্ধায় সম্মাননা পেলেন ডিবি ওসি

মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করতে শহরে এসে হারিয়ে ফেলেছিলেন ৫০ হাজার টাকা। সেই টাকা ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের তাজুল ইসলাম।

 

এদিকে সড়কে পড়ে থাকা টাকাভর্তি ব্যাগটি কুড়িয়ে নিয়ে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য।

 

রোববার বিকালে জেলা শহরের কাউতুলি এলাকায় তথ্য-প্রমাণ যাচাই শেষে তাজুল ইসলামের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়ের বিয়ের কেনাকাটার জন্য রসুলপুর গ্রাম থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতুলি মোড়ে আসেন তাজুল ইসলাম। অটোরিকশা থেকে নেমে ভাড়া পরিশোধের সময় অসাবধানতাবশত তার সঙ্গে থাকা টাকাভর্তি একটি ব্যাগ সড়কে পড়ে যায়। ব্যাগে ছিল মেয়ের বিয়ের বাজারের জন্য রাখা ৫০ হাজার টাকা।

 

এ সময় দায়িত্ব পালনরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ট্রাফিক পুলিশের এটিএসআই নুরুল আমিন সড়কে পড়ে থাকা ব্যাগটি দেখতে পান। পরে ব্যাগটি খুলে ভেতরে নগদ ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পাশাপাশি টাকার প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেয় পুলিশ।

 

এদিকে টাকা হারানোর পর বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাজুল ইসলাম। পরে তার দেওয়া তথ্য ও প্রয়োজনীয় প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনিই টাকার প্রকৃত মালিক। এরপর তার হাতে পুরো ৫০ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

 

টাকা ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত তাজুল ইসলাম বলেন, মাইয়ার বিয়ার বাজার করার লাইজ্ঞা গেরাম থেইক্কা শহরে আইছিলাম। পরে দেহি আমার সব টেহা হাড়াই গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে জানতে পারলাম এক পুলিশ অফিসার আমার টাকাগুলো পেয়েছেন। প্রমাণ দেওয়ার পর তারা আমারে টেহা বুঝাইয়া দিছে। দুনিয়াতে এখনও সৎমানুষ আছে। যার কারণে আমি বড় বিপদ থেইক্কা উদ্ধার অইছি। নাইলে মাইয়ার বিয়া দিতে অনেক কষ্ট হইত।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. রাসেলুর রহমান বলেন, তাজুল ইসলাম টাকা হারানোর বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তার দেওয়া তথ্য ও প্রমাণ যাচাই করে নগদ ৫০ হাজার টাকা তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

হারালেন মেয়ের বিয়ের বাজারের ৫০ হাজার টাকা, ফিরিয়ে দিল ট্রাফিক পুলিশ

বিস্তারিত....

Top