Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
প/র্নো/গ্রা/ফিক কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেফতার বিয়ের কথা বলে বাড়িতে ডেকে প্রেমিক পলাতক, ৩ দিন ধরে প্রেমিকার অনশন ভূমি-তথ্যসেবাকে আরও সহজ করতে তোহিদুল ইসলামের নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ জান্নাতুলের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণ, পেলেন ৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০ যুবককে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি, ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার ভূল্লীতে ১৬ বছরের স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা নতুন বিয়ে করে যে বার্তা দিলেন খাসি কাণ্ডে বিয়ে ভাঙা সেই প্রবাসী বাসের নিচে চাপা পড়া শিক্ষার্থীর লাশ ৩ দিন পর উদ্ধার বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে মোমবাতির আগুনে শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন নিবারণ হাজং। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

 

অর্থের অভাবে যখন তার চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল, ঠিক সেই সংকটময় সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

 

ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নিবারণ হাজংকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। রোববার (১৬ আগস্ট) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

 

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিবারণের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। তার উন্নত ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন।

 

জানা গেছে, বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন নিবারণ হাজং। রাত আনুমানিক ১২টার দিকে মোমবাতির আগুন থেকে ঘরে আগুন ধরে যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে নিবারণের শরীরেও আগুন ধরে যায়। এতে তার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

 

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে প্রথমে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

তবে দরিদ্র পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছিল না। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে একপর্যায়ে তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

 

নিবারণের পরিবারের সদস্যরা জানান, তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য তাদের নেই। একদিকে শরীরের অসহনীয় যন্ত্রণা, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল ব্যয়—সব মিলিয়ে চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটছিল পরিবারের।

 

রোববার রাতে হাসপাতালে ছুটে যান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সেখানে তিনি চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

 

এ বিষয়ে দুর্গাপুরের অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ খান বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুধু চিকিৎসা করানোতেই নয়, নিজ অর্থায়নে সেতু নির্মাণ, কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাকে সহায়তা, গৃহহীনদের নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

অগ্নিদগ্ধ নিবারণ হাজংয়ের পাশে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল

সোশ্যাল মিডিয়ায় পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানী থেকে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। এ সময় ওই তরুণীর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

এ ঘটনায় মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম অবহিত থেকেও তার উপার্জনে সম্মতি থাকা এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও আসামি করা হয়েছে মামলায়।ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম আইডিতে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেসব বিক্রির বিজ্ঞাপন দৃষ্টিগোচর হয়। মোবাইল ফোন ভিত্তিক অর্থ লেনদেনের মাধ্যম বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি (যেমন- ৩ হাজার ৫০০ টাকায় লাইফটাইম প্যাকেজ) নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো।

 

এরপর প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গত ১১ আগস্ট রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সুমাইয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্ল্যাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করা হয়।এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে সুমাইয়া চক্রটি পরিচালনা করতেন। আর চাঞ্চল্যকর তথ্য হচ্ছে, সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব অপকর্ম জানার পরও তাতে কোনো ধরনের বাধা না দিয়ে, বরং নিয়মিত এর অর্থ নিতেন।

 

এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার রহস্য উদঘাটন এবং এ চক্রের পলাতক অন্যসব আসামিদের গ্রেফতারের জন্য আদালতে গ্রেফতারকৃতদের তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

প/র্নো/গ্রা/ফিক কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেফতার

বগুড়ার ধুনটে সুমন মিয়া (৩৫) নামে সৌদি আরব প্রবাসী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিয়ের কথা বলে প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে এনে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরপর ওই প্রেমিকা তিন দিন ধরে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই নারী।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সুমন মিয়া ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। ওই প্রেমিকা সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের বাসিন্দা।

 

ওই নারী অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় ফেসবুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে দুজনই সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তারা বিভিন্ন স্থানে একান্তে সময় কাটান।

 

তিনি দাবি করেন, সুমন কৌশলে তাকে দেশে রেখে আবার সৌদি আরবে চলে যান। সেখানে যাওয়ার পরও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। চলতি মাসে সুমন আবার ছুটিতে দেশে এলেও তাকে বিষয়টি জানাননি। পরে অন্যদের মাধ্যমে সুমনের দেশে ফেরার কথা জানতে পেরে তিনি তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন।

 

এদিকে, সুমন চাপের মুখে বিয়ের কথা বলে গত ১৬ আগস্ট তাকে বেড়েরবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়িতে আসতে বলেন। তার কথামতো বাড়িতে যাওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে সুমন কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

 

সুমনের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বাড়িতেও ফেরেননি। এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলম জানান, বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের পরামর্শে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেছেন। তবে সুমন ও তার পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি।

 

এ ব্যাপারে ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই নারীকে থানায় এসে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। তিনি আসেননি। অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যব

স্থা নেওয়া হবে।

 

বিয়ের কথা বলে বাড়িতে ডেকে প্রেমিক পলাতক, ৩ দিন ধরে প্রেমিকার অনশন

ভূমি ও উত্তরাধিকার তথ্যকে সহজ করতে ডিজিটাল উদ্যোগ— http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ ও BhumiBD

 

বাংলাদেশে জমি, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য খুঁজে বের করা অনেকের জন্যই সময়সাপেক্ষ ও জটিল। খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্য কিংবা উত্তরাধিকারীদের অংশ নির্ধারণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় সঠিক তথ্য ও হিসাব। এসব বিষয়কে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.com

 

উত্তরাধিকার হিসাব এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে

 

http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ মূলত ইসলামি উত্তরাধিকার বা ফারায়েজ-সংক্রান্ত তথ্য ও হিসাবকে সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ। পরিবারের সদস্যদের তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরাধিকার বণ্টনের হিসাব বুঝতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য প্ল্যাটফর্মটিতে সহজ বাংলা ইন্টারফেস রাখা হয়েছে।

 

উত্তরাধিকার আইন ও ফারায়েজের হিসাব অনেকের কাছেই জটিল মনে হতে পারে। ডিজিটাল ক্যালকুলেটর ও তথ্যভিত্তিক নির্দেশনার মাধ্যমে সেই জটিলতাকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম।

 

মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে Uttoradhikar অ্যাপ, যার মাধ্যমে স্মার্টফোন থেকেই উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাব ও তথ্য ব্যবহার করা যায়।

 

BhumiBD-তে খতিয়ান অনুসন্ধান ও ভূমি তথ্য

 

অন্যদিকে http://Bhumibd.comভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে একটি সহজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। এখানে খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, ভূমি-সংক্রান্ত হিসাব এবং বিভিন্ন তথ্য ও গাইড ব্যবহারকারীদের জন্য সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো খতিয়ান অনুসন্ধান। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে খতিয়ান-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে জমি-সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য খোঁজার প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করার সুযোগ তৈরি হয়।

 

স্যাটেলাইট ম্যাপে জমি দেখার সুবিধা

 

ভূমি-সংক্রান্ত তথ্যকে আরও ভিজ্যুয়াল ও সহজবোধ্য করতে স্যাটেলাইট ম্যাপ সুবিধার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জমির অবস্থান ও আশপাশের এলাকার ভৌগোলিক চিত্র স্যাটেলাইট ম্যাপের মাধ্যমে দেখার সুযোগ থাকায় ব্যবহারকারীরা শুধু লিখিত তথ্যের ওপর নির্ভর না করে মানচিত্রের মাধ্যমেও জায়গাটি সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন।

 

জমি কেনাবেচা, জমির অবস্থান বোঝা কিংবা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের ম্যাপভিত্তিক সুবিধা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করতে পারে।

 

AI সহায়ক—জটিল তথ্য বুঝতে প্রযুক্তির ব্যবহার

 

BhumiBD-এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো AI সহায়ক। ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের প্রাথমিক উত্তর ও তথ্য খুঁজে পেতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য AI-ভিত্তিক সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অনেক ব্যবহারকারী খতিয়ান, দলিল, জমির হিসাব, ভূমি আইন কিংবা বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোথা থেকে তথ্য শুরু করবেন তা বুঝতে পারেন না। AI সহায়ক এ ক্ষেত্রে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়ার পথে একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে।

 

তবে AI থেকে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নথি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

 

একই ইকোসিস্টেমে ভূমি ও উত্তরাধিকার

 

জমি ও উত্তরাধিকার অনেক ক্ষেত্রেই একে অপরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। একটি পরিবারের সম্পত্তির মালিকানা, জমির খতিয়ান বা দলিলের তথ্যের পাশাপাশি সেই সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কীভাবে বণ্টিত হবে—এ বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

 

এই বাস্তবতায় http://Bhumibd.com যেখানে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক সুবিধার মাধ্যমে ভূমি-তথ্যকে সহজ করার চেষ্টা করছে, সেখানে http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার ও ফারায়েজ-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

 

সাধারণ মানুষের জন্য ডিজিটাল তথ্যসেবার সম্ভাবনা

 

বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যও ধীরে ধীরে ডিজিটাল মাধ্যমে সহজলভ্য হচ্ছে। এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে প্রাথমিক তথ্য নিজেরাই খুঁজে দেখা, হিসাব বোঝা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

 

http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.comএর মতো প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জটিল তথ্যকে প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও সহজ, বোধগম্য ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলা।

 

ভবিষ্যতে আরও উন্নত AI প্রযুক্তি, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপিং এবং ভূমি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য এক জায়গায় সমন্বিত হলে সাধারণ মানুষের জন্য জমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের অভিজ্ঞতা আরও সহজ হতে পারে।

 

http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার উদ্যোগ, আর http://Bhumibd.com ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে ডিজিটালভাবে সহজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম—যেখানে খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্যপ্রাপ্তির অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভূমি-তথ্যসেবাকে আরও সহজ করতে তোহিদুল ইসলামের নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ

হবিগঞ্জের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস (জেমি)। চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এইউডব্লিউ) পড়াশোনার জন্য প্রায় ৭৪ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) বৃত্তি পেয়েছেন তিনি। চার বছর মেয়াদি এ বৃত্তির আওতায় প্রতিবছর ১৫ হাজার মার্কিন ডলার করে পাবেন জান্নাতুল।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির পরিচালক মৌরি রহমান চিঠি দিয়ে জান্নাতুলকে বৃত্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

জান্নাতুল হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাবা আফজল আলী শায়েস্তাগঞ্জের পশ্চিম লেঞ্জাপাড়ার বাসিন্দা। তিনি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। পরিবারের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় জান্নাতুল পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

 

২০২৫ সালে জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন জান্নাতুল। এরপর ২০ জুলাই থেকে শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেন। প্রোগ্রামটি সফলভাবে শেষ করার পর শেভরনের সহায়তায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান তিনি।

 

বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের সামার স্কুলে অংশ নেওয়া জান্নাতুলের জন্য সহজ ছিল না। তবে নিজের আগ্রহ, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তিনি সফলভাবে প্রোগ্রামটি শেষ করেন।

 

জান্নাতুল বৃত্তি পাওয়ার পর বলেন, এ রকম একটি বৃত্তির কথা শুনে প্রথমে বিশ্বাস হচ্ছিল না। বারবার চিঠি পড়ে বিশ্বাস তৈরি করছিলাম। এখন নিজেকে প্রস্তুত করা শুরু করেছি। আমাকে আরও এগোতে হবে। পাশাপাশি আমি চাই, আরও শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তি অর্জন করুক।

 

মেয়ের এ অর্জনে খুব খুশি বাবা আফজল আলী। মেয়েকে পড়াশোনা করানোর মতো সামর্থ্য তার নেই জানিয়ে তিনি বলেন, জান্নাতুল বৃত্তি পাওয়ায় চিন্তামুক্ত হয়েছি। এখন মেয়ে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করবে, এগিয়ে যাবে। তাই মেয়েকে নিয়ে গর্ববোধ করি।

 

জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জান্নাতুলের এ অর্জন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। সদিচ্ছা, প্রচেষ্টা ও প্রতিভার সমন্বয় থাকলে যে কোনো প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব—জান্নাতুল তার প্রমাণ।

 

জান্নাতুলের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণ, পেলেন ৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসা ছাত্রদের উত্তেজনা, হামলা ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জেলা পুলিশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে মাদ্রাসা ছাত্ররাও পালটা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ ও মাদ্রাসাছাত্রসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ, মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয় লোকজন জানান, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানোয় মাদ্রাসা ছাত্ররা শব্দের মাত্রা কমাতে বলেন। এ নিয়ে পুলিশ ও মাদ্রাসা ছাত্রদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়।

 

পরে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় মাদ্রাসা ছাত্ররাও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এতে পুলিশ ও মাদ্রাসা ছাত্রসহ ৩০ জন আহত হন।

 

আহতদের মধ্যে রয়েছেন- শেখ সানি (১১), সাখাওয়াত (২০), বিন ইয়ামিন (২০), আব্বাস (১৭), জাকারিয়া (২১), মেরাজ (১৮), আশরাফ (১৮), হাবিবুল্লাহ (১৮), সিয়াম (১৭), ফাইজুর রহমান (২১), আরাফাত (১৮), বাশার (১৯), মাহাদী (২০), তাওহীদ (১৮), হাবিবুল্লাহ (১৮), বাইজিদ (১৭), শেখ সাদী (১৬), ফাহিম (২০), আব্দুর রহিম (২০), মিরাজ (২৭), আশরাফ (১৭), সাদেক (১৯), মনি (২৭), রাফি (১৮), শামিম (১৭), তালহা (১৮), আতাউল্লাহ (১৯), নিয়ামত উল্লাহ (২২), ইমতিয়াজ (১৭), আশরাফ (১৭) ও তানভির (১৭)।

 

দারুল আরকাম মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের মাদ্রাসায় পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে তাদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। তাই প্রথমে তারা কয়েকজন পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দের মাত্রা কমানোর অনুরোধ করেন। কিছু সময়ের জন্য শব্দ কমানো হলেও পরে আবার উচ্চস্বরে গান বাজানো শুরু হয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসা ছাত্রদের বাদানুবাদ শুরু হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

তারা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে জানতে জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং কোনো বক্তব্য দেননি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এক যুবককে আটকে মারধর করে ১০ লাখ টাকা দাবির অভিযোগে দুই ছাত্রদল নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি দানিশ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক তানজিল হাওলাদারের যৌথ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

 

বহিষ্কৃতরা হলেন উপজেলার টবগী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান পলিন ও সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমন হাওলাদার।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে টবগী ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদলের মো. মেহেদী হাসান পলিন ও ইমন হাওলাদারকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। উপজেলা শাখার জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বহিষ্কৃতদের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) ভুক্তভোগী যুবক মো. আল মামুন মিঠু বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় ছাত্রদলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা তার পূর্বপরিচিত এবং একই উপজেলার বাসিন্দা। কয়েক মাস আগে সামাজিক মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে অভিযুক্তদের ভাগ্নির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে মনিরাম বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান পলিন ও ইমন। সেখানে সমকামিতার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করা হয়।

 

পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে, মাদকদ্রব্য সামনে রেখে ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন মিঠু। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রায় ৫৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রায় ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইনও জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

 

পরে কৌশলে তাদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন মিঠু। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বহিষ্কৃত টবগী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান পলিনের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় আল মামুন মিঠু বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুবককে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবি, ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

ভূল্লীতে ১৬ বছরের স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা

 

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁও ভূল্লী উপজেলাধীন ৩ নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের কচুবাড়ী (তেলিপাড়া) এলাকায় এক নাবালিকা ১৬ বছর বয়সী কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা মোঃ সাহাজান আলী বাদী হয়ে ভূল্লী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার নম্বর ৭/৮৩।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর নাবালিকা মেয়ে শারমিন আক্তার (১৬) স্থানীয় কচুবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বাড়ির সামনে রাস্তা থেকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মোঃ ইসমাইল সহ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মাধ্যমে তাকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর থেকে ওই কিশোরীর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

 

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও নাবালিকার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

পরবর্তীতে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা হুমকিদামকি দেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

 

বিষয়টি নিয়ে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বাদীর দাবি, তার নাবালিকা মেয়েকে মিথ্যা প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে পরিকল্পিতভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে মেয়েটির নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে। বাদী উল্লেখ করে যে অভিযুক্ত আসামী মোঃ ইসমাইল এর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত আসামি স্বীকার করে আমার মেয়ে মোছাঃ শারমিন আক্তার (১৬) তার সাথেই আছে।

 

এ ঘটনায় দ্রুত নাবালিকাকে উদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তার পরিবার।

 

এ ঘটনায় বাদী মোঃ শাহজাহান আলী ভূল্লী থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করলে পুলিশ মামলা নং-৭/৮৩ হিসেবে মামলা গ্রহণ করে।

 

এ বিষয়ে ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আলম (সিদ্দিকী) সাথে কথা বলে জানা যায় অভিযোগটি গ্রহন করা হয়ছে এবং তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ভূল্লীতে ১৬ বছরের স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা

খাবারে খাসি না পেয়ে বিয়ের আসর থেকে চলে যাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেই জাপানপ্রবাসী অবশেষে বিয়ে করেছেন। এবার বড় খাসির খদর দিয়েই বিয়ে করেছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে প্রবাসী জুনায়েদ মিয়া সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে বিয়ের ছবি পোস্ট দিয়ে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহ সম্পন্ন হলো। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সবার কাছে দোয়া ও শান্তিময়, সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা করছি।’

 

জানা গেছে, প্রবাসী জুনায়েদ মিয়ার স্ত্রীর নাম জান্নাত আক্তার। তিনি আখাউড়ার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে। স্থানীয় একটি মহিলা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী জান্নাত। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে। জুনায়েদ মিয়ার বাড়িও একই গ্রামে। নতুন বিয়েতে ৬ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে খদরে (বড় থালায় বিশেষ আয়োজন) খাসি না পাওয়ায় বিয়ে না করেই চলে গেছেন জাপান প্রবাসী বর জুনায়েদ মিয়া। উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

 

বর জুনায়েদ কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে বর জুনায়েদ কনের বাড়িতে পৌঁছালে ফুল দিয়ে তাকে বরণ করা হয়। এ সময় ফুল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে। পরে ফুল ও গেটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বরকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

একপর্যায়ে আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বরপক্ষের জন্য খদরে খাবার দেওয়া হয়। এ সময় খদরে খাসি না থাকায় জুনায়েদ আপত্তি জানান। তিনি খাসি ছাড়া খাবেন না এবং খাসি না দিলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না বলে জানান।

 

এ সময় কনে পক্ষের আত্মীয়-স্বজনসহ উপস্থিত অনেকেই তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে তিনি সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই একা কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান জুনায়েদ।

নতুন বিয়ে করে যে বার্তা দিলেন খাসি কাণ্ডে বিয়ে ভাঙা সেই প্রবাসী

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষের পর খাদে পড়ে যাওয়া বাসের নিচে চাপা পড়ে নিখোঁজ হাফিজুর রহমান (২৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর লাশ তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের পাইকহাটি এলাকায় দুর্ঘটনাস্থলের পাশের খাদ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

 

হাফিজুর রহমান কাশিয়ানী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পিংগুলিয়া গ্রামের মৃত কাওসার মোল্যার ছেলে। তিনি বোয়ালমারী ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির সপ্তম সেমিস্টারের (ফাইনাল বর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। দুর্ঘটনার দিন তিনি ফাইনাল পরীক্ষা দিতে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৭ আগস্ট) পাইকহাটি এলাকায় বিদ্যুতের সাবস্টেশনের সামনে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন।

 

পরদিন দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হলেও তখন কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

তবে বুধবার সকালে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি যেখানে পড়ে ছিল, সেই খাদে পাট জাগ দিতে আসা এক কৃষক পানিতে একটি লাশ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। পরে স্বজনরা এসে লাশটি হাফিজুর রহমানের বলে শনাক্ত করেন।

 

নিহতের চাচা মোশারেফ মোল্যা বলেন, আমার ভাতিজা সোমবার সকালে বাড়ি থেকে পরীক্ষা দিতে বের হয়েছিল। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। এ ঘটনায় থানায় একটি জিডিও করা হয়েছিল। আজ খবর পাই, বাস দুর্ঘটনার ওই খাদে একটি লাশ ভেসে উঠেছে। এসে দেখি লাশটি আমার ভাতিজার।

 

বোয়ালমারী থানার ওসি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার বাস ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের পর যাত্রীবাহী বাসটি খাদে পড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, হাফিজুর রহমান বাসের নিচে পানিতে চাপা পড়েছিলেন। বুধবার তার লাশ ভেসে উঠলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বজনরা লাশ শনাক্ত করেছেন। বিষয়টি পর্যালোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাসের নিচে চাপা পড়া শিক্ষার্থীর লাশ ৩ দিন পর উদ্ধার

নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

এদিকে ঘটনার রাতেই লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহকে প্রত্যাহার করেছে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবু মাসুদ রানা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট দুপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল বাতিলের দাবিতে একদল বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জড়ো হন। পরে ৪০ থেকে ৫০ জন ইউএনওর কার্যালয়ে প্রবেশ করে বিক্ষোভ ও স্লোগান দিতে থাকেন।

 

এ সময় ইউএনও, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাসহ সরকারি কর্মকর্তারা কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। অভিযোগ করা হয়, বিক্ষুব্ধরা কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে নিয়োগের ফলাফল বাতিলের জন্য চাপ দিতে থাকেন।

 

একপর্যায়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে মারধর করে তার শার্ট ছিঁড়ে ফেলা এবং উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র লাথি দিয়ে এলোমেলো করারও অভিযোগ রয়েছে।

 

এজাহারে আরও বলা হয়, ইউএনওর কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরা বন্ধ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ক্যামেরার তার ছিঁড়ে ফেলা হয়। কয়েকজন ইউএনওকে ঘিরে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

 

এছাড়া ইউএনওকে কার্যালয় থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে ভেতরে থাকা ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা ইউএনওর গায়ে ও কক্ষে ডিম ছুড়ে মারেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে বিক্ষুব্ধরা কর্মকর্তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আবারও জড়ো হন বলে অভিযোগ করা হয়।

 

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিক আলী মিষ্টু, ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রঞ্জু, গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম, লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, চংধুপইল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব জিল্লুর রহমান জুলহাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন, কদিমচিলান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল বারী কাজল, সাবেক সভাপতি হযরত আলী, দুয়ারিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শাহিনুর রহমান, আড়বাব ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ইলিয়াস হোসেন, এবি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবেদ আলী, লালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম রবি, বিএনপি নেতা আজম আলী গাগান, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রায়হান কবির সুইট, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হান, পৌর যুবদলের সুমন ও ছাত্রদলের মাফি।

 

লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় একটি লিখিত এজাহার পেয়েছি। পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

খেলাধুলা

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিপিসি-৩ গাইবান্ধা র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এই সচেতনতা মুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিপিসি-৩ ও র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহারুল মান্নান । এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দেয়।

 

মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে বিপদগামী মাদকাসক্ত তরুণদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনায় মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনাসহ মাদক ও সামাজিক অপরাধ নির্মুলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

 

সভা শেষে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহনকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোকাহত লিওনেল মেসি যখন পরিবারের পাশে থাকতে আর্জেন্টিনায়, তখন মাঠে নেমে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন রদ্রিগো দে পল। নিজের জার্সির নিচে মেসির ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নেমেছিলেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন তারকা। গোল করেই সেই জার্সি প্রকাশ করেন এবং আবেগঘনভাবে মেসির প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধা জানান।

 

শনিবারের দিনটি মেসি পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ইন্টার মায়ামির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের পাশে থাকতে রোজারিওতে ফিরে যান মেসি।

 

এ কারণে লিগস কাপের গ্রুপ পর্বে মনতেরের বিপক্ষে ম্যাচে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অনুপস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হয় অন্যদের। সেই দায়িত্বের অন্যতম একজন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু দে পল।

 

ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইন্টার মায়ামি। একপর্যায়ে বক্সের বাইরে থেকে বজ্রগতির এক শটে দারুণ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দে পল।

 

গোল করার পরই নিজের জার্সি খুলে ফেলেন তিনি। তখন প্রকাশ পায় আসল চমক। নিজের জার্সির নিচে তিনি পরে ছিলেন মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি। গোল করার পর সেই জার্সি দেখিয়ে মেসি ও তাঁর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও সমবেদনা জানান দে পল।

 

মেসির কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার এটি ছিল দে পলের আবেগঘন এক বার্তা। মাঠের বাইরেও দুজনের বন্ধুত্ব বেশ গভীর। আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে শুরু করে ইন্টার মায়ামি—দুই জায়গাতেই মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দে পলের।

 

মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও জার্মান বেরতেরামে না থাকায় মনতেরের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে ৩২ বছর বয়সী দে পল সামনে থেকে দায়িত্ব নেন। গোল করে দলকে যেমন এগিয়ে দেন, তেমনি বন্ধুর পরিবারের কঠিন সময়েও পাশে থাকার বার্তা দেন।

 

মেসির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর ফুটবল বিশ্বের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। দে পলের এই শ্রদ্ধা যেন সেই শোকের মধ্যেই বন্ধুত্বের আরেকটি গভীর উদাহরণ হয়ে থাকল।

 

মেসি যখন রোজারিওতে বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে পরিবারের সঙ্গে, তখন তাঁর হয়ে মাঠে লড়লেন দে পল। আর গোলের পর মেসির ১০ নম্বর জার্সি দেখিয়ে জানিয়ে দিলেন—কঠিন সময়ে বন্ধুকে তিনি একা হতে দেবেন না।

মেসির জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন দে পল, গোল করে উৎসর্গ করলেন মেসির প্রয়াত বাবাকে

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা ছিলেন নেইমার জুনিয়র। জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়া এই তারকা এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন। কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ব্রাজিলের জার্সিতে আর মাঠে নামার ইচ্ছা নেই।

 

ভেনেজুয়েলার ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নেইমার বলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার পথচলা শেষ হয়েছে। দেশের জার্সির জন্য নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

নেইমারের ভাষায়, ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানগুলোর একটি। তবে এখন তিনি মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

 

২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় দলকে। সেই ম্যাচে শেষদিকে পেনাল্টি থেকে গোল করলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। পরে জানা যায়, সেটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে ২০১০ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলে অভিষেক হয় নেইমারের। এরপর ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়ে তিনি করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল তার।

 

জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে নিজের যাত্রা চালিয়ে যেতে চান নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ের ফলে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

 

এদিকে সম্প্রতি সান্তোস ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে নেইমারের আচরণ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, সেটিও নাকচ করেছেন এই ফরোয়ার্ড। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে তিনি তরুণ দুই ফুটবলার গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সমালোচনা করেন এবং তাদের নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন।

 

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচের পর তিনি শুধু দলের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলেছেন এবং সহজে পয়েন্ট হারানো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে দলের ভুলগুলো তুলে ধরা নিজের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই ধরনের বক্তব্য অন্য জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়রাও দিয়েছিলেন বলে জানান ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

ব্রাজিল অধ্যায়ের ইতি টানলেন নেইমার!

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসির ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে যাওয়ার পথে দেয়া অনুপ্রেরণামূলক ভাষণের একটি ভিডিও প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর ভিডিওটির একটি অংশ ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে মেসির বলা ‘সবকিছু ভুলে যাও’ বাক্যটির গোপন অর্থ খুঁজতে শুরু করেছিলেন অনেকে। তবে সম্প্রতি পুরো ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর সেই বক্তব্যকে ঘিরে নতুন ব্যাখ্যাও সামনে এসেছে।

 

মাঠে নামার আগে সতীর্থদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘চলো সবাই, শান্ত থাকো। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা যেন শান্ত থাকি। শুধু খেলায় মনোযোগ দাও। সবকিছু ভুলে যাও। শুধু খেলো, খেলায় মনোযোগ দাও। চলো।’

 

তার এই বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল চাপমুক্ত থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটি খেলা।

 

মাঠে প্রবেশের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে কৌশলগত কিছু কথোপকথনও শোনা যায়। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজকে উদ্দেশ করে ক্রিস্তিয়ান ‘কুতি’ রোমেরো বলেন, প্রতিপক্ষের আক্রমণে কীভাবে চাপ সৃষ্টি করতে হবে এবং লামিন ইয়ামালকে সামলানোর পরিকল্পনা নিয়ে।

 

লিসান্দ্রো ‘লিচা’ মার্টিনেজ দিবুকে সতর্ক করে বলেন, প্রতিপক্ষ ভেতরে ঢুকে শট নেয়ার চেষ্টা করবে, তাই সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পরে লিচা নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকে বলেন, ‘পুরো ম্যাচ জুড়ে তাকে আটকে রাখবে।’ দিবুকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি বল নিশ্চিতভাবে ধরবে, মানসিকভাবে শক্ত থাকো।’

 

এ সময় মেসি আবারও ডিফেন্ডারদের বলেন, প্রতিপক্ষ আক্রমণে এলে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজ যেন অপ্রয়োজনীয়ভাবে সামনে উঠে না যান। সবশেষে কুতি রোমেরো দিবুকে বলেন, ‘আজ তোমার দিন।’ জবাবে দিবুর আত্মবিশ্বাসী উত্তর ছিল, ‘আজ আমার দিন। আজ ইতিহাসে লেখা থাকবে।’

 

এরপর দুই দল মাঠে প্রবেশ করে এবং প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তবে ম্যাচ শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা বাড়তে থাকে। খেলার বিভিন্ন মুহূর্তে তীব্র লড়াই ও বাকবিনিময় দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টিনাকে।

 

ভিডিওটি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক সম্পর্কে জানতে চাইলে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেখি না। এসব বিষয়ে কিছুই জানি না। আপনারা কী নিয়ে বলছেন, সে সম্পর্কেও আমার কোনো ধারণা নেই।’

ফাইনালের আগমুহূর্তে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কী হচ্ছিল? স্পষ্ট করলো দেশটির গণমাধ্যম

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে স্পেন। তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন আলোচনার তুঙ্গে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেলার একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যায়, এই চেলসি তারকা একটি সাধারণ সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে করে বিশ্বকাপ ট্রফির মতো দেখতে একটি বস্তু নিয়ে স্টেডিয়াম ছাড়ছেন। অত্যন্ত মূল্যবান এই ট্রফিটি এভাবে ‘ময়লা ফেলার ব্যাগে’ বহনের দৃশ্য দেখে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খেলোয়াড়েরা যখন ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরছিলেন, তখন ক্যামেরায় ধরা পড়ে কুকুরেলার এই অদ্ভুত দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি শপিং ব্যাগের ভেতর সোনালী রঙের ট্রফিটি নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন তিনি।

 

বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি এমন সাদামাটাভাবে বহন করতে দেখে নেটিজেন ও সাংবাদিকেরা বিষ্ময় প্রকাশ করেন। তবে এই রহস্যের সমাধান হয়েছে খুব দ্রুতই। জানা গেছে, কুকুরেলার ব্যাগে থাকা বস্তুটি আসল ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি ছিল না; বরং সেটি ছিল লেগো (LEGO) দিয়ে তৈরি ট্রফির একটি হুবহু প্রতিচ্ছবি বা খেলনা। শখের বশে তৈরি করা এই লেগো ট্রফিটিই তিনি প্লাস্টিকের ব্যাগে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

কুকুরেয়ার প্লাস্টিকের ব্যাগে ‘বিশ্বকাপ ট্রফি’! আসল রহস্য কী?

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামের স্কুলছাত্রী মরিয়মকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে অভিযুক্ত একমাত্র আসামি আবুল হোসেন ওরফে ফটিককে মৃত্যুদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

 

সোমবার (২০ জুলাই) শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল চুয়াডাঙ্গার বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোক্তাগীর আলম আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

 

আসামি আবুল হোসেনের বাড়ি পার্শ্ববর্তী গয়েশপুর গ্রামে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ ডিসেম্বর গোয়ালপাড়া গ্রামের মরিয়ম খাতুন কয়েকজন শিশুকে সাথে নিয়ে মাঠে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তুলে দেওয়ার কথা বলে আসামী মরিয়মকে একটি ভুট্টাখেতের ভেতর নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ শেষে হত্যা করে।

 

এ ঘটনায় তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্ত আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

 

চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু আদালতের পিপি এমএম শাহজাহান মুকুল জানান, ‘৩১জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।’ আদালতের রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তষ্টি প্রকাশ করেন। এমন বিচার অব্যাহত থাকলে দেশে ধর্ষণ হত্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড

বিস্তারিত....

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

গানে থাকা দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানোর সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানো হলেও এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করতে গোপন প্রযুক্তিগত চিহ্ন বহাল থাকবে।

 

গুগল নতুন একটি সেটিং চালু করেছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা জেমিনির ‘ন্যানো ব্যানানা’ ইমেজ জেনারেশন মডেল দিয়ে তৈরি ছবির দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরাতে পারবেন। বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে জেমিনি ও ‘ফ্লো’ প্ল্যাটফর্মে এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। শিগগিরই গুগলের ‘সার্চ এআই মোডেও’ এটি চালু হতে পারে।

 

শুধু ছবিই নয়, এআই দিয়ে তৈরি অন্যান্য কনটেন্টের ক্ষেত্রেও ওয়াটারমার্ক সরানোর সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে গুগলের। জেমিনি ‘ওমনি’ দিয়ে তৈরি ভিডিও এবং ‘লিরিয়া’ দিয়ে তৈরি গান থেকেও দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরাতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

 

স্থানীয় আইনের ওপর নির্ভর করবে ওয়াটারমার্ক অপসারণ

 

গুগল জানিয়েছে, যেসব দেশ বা অঞ্চলে আইন অনুযায়ী এআই-নির্মিত কনটেন্টে ওয়াটারমার্ক প্রদর্শন বাধ্যতামূলক, সেখানে এ সুবিধা পাওয়া যাবে না।

 

তবে দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরানো গেলেও এআই-নির্মিত কনটেন্ট থেকে গোপন শনাক্তকারী সরাবে না গুগল। প্রতিষ্ঠানটি কনটেন্টের উৎস ও পরিচয় শনাক্ত করতে ‘সিন্থআইডি’ নামের অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক প্রযুক্তির পাশাপাশি ‘সিটুপিএ’ মেটাডেটা ব্যবহার করবে।

ওয়াটারমার্ক সরালেও শনাক্ত করা যাবে এআই কনটেন্ট

 

দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক সরিয়ে ফেললেই কোনো কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হয়েছে—এটি শনাক্ত করা অসম্ভব হয়ে যাবে না। গুগলের দাবি, ব্যবহারকারীরা চাইলে জেমিনিকে জিজ্ঞেস করেও জানতে পারবেন কোনো ছবি এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত হয়েছে কি না।

 

জেমিনি ছবির গোপন উৎস-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে এবং যেখানে প্রযোজ্য, সেখানে ‘সিন্থআইডি’ শনাক্তকারী খুঁজে বের করতে পারে। এর ফলে দৃশ্যমানভাবে কনটেন্টে কোনো চিহ্ন না থাকলেও পেছনের প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটি এআই-নির্মিত কি না, তা শনাক্ত করার সুযোগ থাকবে।

 

এআই কনটেন্ট নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

 

এআই দিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও, গানসহ বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ফলে কৃত্রিমভাবে তৈরি কনটেন্ট যেন সহজে শনাক্ত করা যায়, সে বিষয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপও বাড়ছে।

 

একই সঙ্গে ব্যবহারকারীরা যেন নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী এআই-নির্মিত কনটেন্টের দৃশ্যমান উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, সেই দাবিও রয়েছে। গুগলের নতুন সিদ্ধান্তকে দৃশ্যমান লেবেলিং ও গোপন শনাক্তকরণ—এই দুই ব্যবস্থার মধ্যে ভারসাম্য তৈরির একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেমিনির এআই কনটেন্ট থেকে ওয়াটারমার্ক সরানোর সুযোগ দিচ্ছে গুগল

বিনোদন

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজবৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিশা। শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

জামিন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা বললেন, ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসবো। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা এমন কিছুই করিনি।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সবকিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে তাকে চিনি না।

 

এদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷ এরপর তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গন ছাড়েন। এসময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভীড় জমান।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তানজিল তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশ। সেই প্রতিবেদনের আদালত আমলে গ্রহণ করে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান প্রয়াত আলহাজ্ব মাহমুদুল হাসান আলালকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারকে ভূষিত করেছে সাভার পৌর বিএনপি।

 

 

 

১৩তম (ত্রয়োদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর সাভার পৌরসভার ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মরহুমের স্মৃতি ও রাজনৈতিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাভার পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলালের পক্ষে ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর কাছ থেকে এই সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তার ছোট ভাই সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল ।

 

দলীয় সূত্র মতে, সাভারের রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা, তৃণমূল বিএনপিতে দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব এবং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বসাধারণের সেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মরণোত্তর সম্মাননা জানানো হয়।

 

সম্মাননা স্মারক গ্রহণকালে মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল সাভার পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি তার প্রয়াত ভাইয়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন।

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে শরীয়তপুরের জাজিরায় এসেছেন মো. মোজাম্মেল হোসাইন নামে এক যুবক। গত শনিবার (১১ জুলাই) পাকিস্তানের লাহোর থেকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তার প্রেমিকা তানজিলা আক্তারের বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় ইমামের মাধ্যমে শরিয়াহ অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।

 

ভিনদেশি যুবকের এমন প্রেমকাহিনি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। তবে ভালোবাসার এই গল্পের পাশাপাশি স্থানীয়দের একাংশের মনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগও। তানজিলাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার আগে পুরো বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তানজিলার সঙ্গে পরিচয় হয় পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা উর্দুভাষী মোজাম্মেল হোসাইনের। তানজিলা মজিবর শিকদারের একমাত্র মেয়ে। পরিচয়ের পর নিয়মিত চ্যাটিং ও ভিডিও কলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

দীর্ঘ চার বছরের সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে গত ১১ জুলাই শনিবার লাহোর থেকে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নের রহিম উদ্দিন মালাই মৃধাকান্দি গ্রামের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তানজিলার বাড়িতে এসে হাজির হন মোজাম্মেল। পরে জাজিরায় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

 

তানজিলার মা আসমা আক্তার এ বিয়ে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ছেলের পরিবারের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এত দূরে মেয়েকে বিয়ে দিতে কিছুটা খারাপ লাগলেও তাদের মনে কোনো ভয় বা শঙ্কা নেই।

 

তবে পরিবারের এই স্বস্তির বিপরীতে প্রতিবেশী ও স্বজনদের একাংশের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। তানজিলার ফুফু রাত্রি আক্তার ও চাচা তোফাজ্জল শিকদার বলেন, ইদানীং প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েদের বিদেশে পাচারের নানা খবর পাওয়া যাচ্ছে। ছেলের পরিবারের কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় এভাবে একটি মেয়েকে পাকিস্তানে পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

 

এ কারণে পুরো বিষয়টি যাচাই করে প্রশাসনের নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে যুবকের জাজিরায় ছুটে আসার ঘটনা এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চার বছরের প্রেম শেষ পর্যন্ত দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীকে এক ছাদের নিচে এনেছে। তবে নববধূকে নিয়ে পাকিস্তানে যাত্রার আগে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেমের টানে শরীয়তপুরে পাকিস্তানি যুবক

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

বিস্তারিত....

মতামত

নীলফামারীতে দলিল লেখকদের সাতদফা দাবী বাস্তবায়নে আইনমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলামঃ দলিল লেখক সমিতির সাত দফা দাবী বাস্তবায়নে আইনমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসক মাধ্যম এই স্মারকলিপি প্রেরণ করা হয়। এরআগে শহরের শহীদ মিনার এলাকাস্থ দলিল লেখক সমিতির জেলা কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হন দলিল লেখকরা। সংগঠনের সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সভায় প্রধান ছিলেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী। অন্যান্যদের মধ্যে সমিতির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ্, দলিল লেখক আজগর আলী সরকার ও ডিমলা উপজেলার মাসুদ রানা বক্তব্য দেন।”স্মারকলিপিতে দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের

পেশাচ্যুত না করা, সম্মানিক পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ, লাইসেন্স প্রাপ্ত দলিল লেখক ব্যতীত অন্য কারো দলিল লেখনির সুযোগ না দেয়া। অনভিজ্ঞদের লাইসেন্স প্রদান না করা, সরকারি খরচে দলিল লেখকের বসার ব্যবস্থা ও নামাজের স্থান নির্ধারণ, দলিল লেখক কাউন্সিল গঠন এবং দলিল লেখকদের পেশাগত কারণে আসামী না করার উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী জানান, সাত দফা দাবী বাস্তবায়নে চলতি বছরের আটই ফেব্রুয়ারী ঢাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতারা। দাবি বাস্তবায়নে সারাদেশে লিফলেট বিতরণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বলেন, আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের দাবিগুলো মেনে নিয়ে দলিল লেখকদের পাশে দাঁড়াবেন।”স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুজহাত তাসনীম আওন।

নীলফামারীতে দলিল লেখকদের সাতদফা দাবী বাস্তবায়নে আইনমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি 

এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্ত।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

এইচএসসি ও সমমানের দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক,ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল।

 

এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বলেন, “আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর। মেধা, অধ্যবসায় ও সততার মাধ্যমে তারা আগামী দিনে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

 

শিক্ষার্থীদের এই ধারাবাহিক সাফল্য বজায় রেখে সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এই কৃতিত্বপূর্ণ অর্জনের পেছনে অবদান রাখা সকল অভিভাবক ও শিক্ষকমণ্ডলীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

যেসব শিক্ষার্থী প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে নতুন উদ্যোমে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

এইচএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল অভিনন্দন বার্তা

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি , সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)। ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তার সততা, নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।

 

স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ জনগণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে ৯নং ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যাচ্ছেন। যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে সবার আগে এগিয়ে এসেছেন।

 

এলাকাবাসীর মতে, সাভার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর কোনো বিকল্প নেই। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তার এই পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও পরোপকারী মানসিকতার কারণে ওয়ার্ডের তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে প্রবীণদের মধ্যেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

নিজের প্রার্থিতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে লায়ন মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু) বলেন, “আমি পদের লোভে নয়, বরং ৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সেবা করতেই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছি। দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে যদি জনগণ আমাকে সুযোগ দেয়, তবে ৯নং ওয়ার্ডকে সাভার পৌরসভার মধ্যে একটি রোল মডেল ও আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো।”

 

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে, চায়ের দোকানে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লায়ন মনজুরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে সমর্থন ও জোয়ার ততই বাড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত ওয়ার্ড গঠনে সাধারণ মানুষ এবার ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক নেতাকেই বেছে নেবেন, অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণ।

আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ লায়ন মনজুরুল ইসলাম (মঞ্জু)

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তিনি পেশাগত জীবনে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে সফল এবং কালারফুল। ব্যক্তি এবং দল হিসেবে আমি এবং আমরা তার ক্লায়েন্ট ছিলাম।

 

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে স্মরণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিশেষ করে আমাদের কষ্টের দিনগুলোতে, সেই ওয়ান-ইলেভেন আমলে আইনের যাঁতাকলে যখন আমরা পিষ্ট, তখন প্রায়ই আমরা তার কাছে যেতাম, দ্বারস্থ হতাম। তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েই শুধু আমাদের কাজ সারেননি, বরং আমাদের মজলুম নেতৃবৃন্দের পক্ষে তিনি আদালতে বারবার দাঁড়িয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, এরকম তো আরও অনেকেই দাঁড়িয়েছেন, কিন্তু তিনি একদিক দিয়ে ভীষণ ব্যতিক্রম ছিলেন। প্রথমবার থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাকে কিছু ফি দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত আমরা এই কাজে সফল হইনি।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তার এই অবদান স্মরণ করে আমার চোখে পানি আসছে। আমরা তার ঋণ পরিশোধ করতে পারবো না। তিনি স্পিকার হিসেবে পার্লামেন্টকে প্রাণবন্ত করে রাখতেন, আর আইনের অঙ্গনে তিনি অনেকের গুরু। তার চলন-বলন, সবকিছুই ছিল শিক্ষণীয়।

ব্যক্তি-দল হিসেবে জমির উদ্দিন সরকারের ক্লায়েন্ট ছিলাম: বিরোধীদলীয় নেতা

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সাইফুদ্দিন সাইফুল।

 

আজ এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন।

 

শুভেচ্ছা বার্তায় সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন, “এইচএসসি পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। আমি আশা করি, আমাদের সাভারসহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ধৈর্য, মেধা ও মনোযোগের সাথে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ স্বাক্ষর রাখবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাদের এই পথচলায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবদান অনস্বীকার্য। আমি সকল পরীক্ষার্থীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পরীক্ষায় আশানুরূপ সাফল্য কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাদের মনের আশা পূরণ করেন এবং তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারে।”

 

একই সাথে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি পরীক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

বগুড়ার ধুনটে সুমন মিয়া (৩৫) নামে সৌদি আরব প্রবাসী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিয়ের কথা বলে প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে এনে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরপর ওই প্রেমিকা তিন দিন ধরে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামে সুমন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই নারী।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সুমন মিয়া ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে। ওই প্রেমিকা সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ছালাভরা গ্রামের বাসিন্দা।

 

ওই নারী অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় ফেসবুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে দুজনই সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তারা বিভিন্ন স্থানে একান্তে সময় কাটান।

 

তিনি দাবি করেন, সুমন কৌশলে তাকে দেশে রেখে আবার সৌদি আরবে চলে যান। সেখানে যাওয়ার পরও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। চলতি মাসে সুমন আবার ছুটিতে দেশে এলেও তাকে বিষয়টি জানাননি। পরে অন্যদের মাধ্যমে সুমনের দেশে ফেরার কথা জানতে পেরে তিনি তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন।

 

এদিকে, সুমন চাপের মুখে বিয়ের কথা বলে গত ১৬ আগস্ট তাকে বেড়েরবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়িতে আসতে বলেন। তার কথামতো বাড়িতে যাওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে সুমন কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সুমনের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

 

সুমনের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বাড়িতেও ফেরেননি। এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরাও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফেরদৌস আলম জানান, বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের পরামর্শে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেছেন। তবে সুমন ও তার পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি।

 

এ ব্যাপারে ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া ওই নারীকে থানায় এসে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। তিনি আসেননি। অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যব

স্থা নেওয়া হবে।

 

বিয়ের কথা বলে বাড়িতে ডেকে প্রেমিক পলাতক, ৩ দিন ধরে প্রেমিকার অনশন

ভূমি ও উত্তরাধিকার তথ্যকে সহজ করতে ডিজিটাল উদ্যোগ— http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ ও BhumiBD

 

বাংলাদেশে জমি, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য খুঁজে বের করা অনেকের জন্যই সময়সাপেক্ষ ও জটিল। খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্য কিংবা উত্তরাধিকারীদের অংশ নির্ধারণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় সঠিক তথ্য ও হিসাব। এসব বিষয়কে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.com

 

উত্তরাধিকার হিসাব এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে

 

http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ মূলত ইসলামি উত্তরাধিকার বা ফারায়েজ-সংক্রান্ত তথ্য ও হিসাবকে সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ। পরিবারের সদস্যদের তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরাধিকার বণ্টনের হিসাব বুঝতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য প্ল্যাটফর্মটিতে সহজ বাংলা ইন্টারফেস রাখা হয়েছে।

 

উত্তরাধিকার আইন ও ফারায়েজের হিসাব অনেকের কাছেই জটিল মনে হতে পারে। ডিজিটাল ক্যালকুলেটর ও তথ্যভিত্তিক নির্দেশনার মাধ্যমে সেই জটিলতাকে কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম।

 

মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে Uttoradhikar অ্যাপ, যার মাধ্যমে স্মার্টফোন থেকেই উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাব ও তথ্য ব্যবহার করা যায়।

 

BhumiBD-তে খতিয়ান অনুসন্ধান ও ভূমি তথ্য

 

অন্যদিকে http://Bhumibd.comভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে একটি সহজ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। এখানে খতিয়ান, দলিল, জমির পরিমাপ, ভূমি-সংক্রান্ত হিসাব এবং বিভিন্ন তথ্য ও গাইড ব্যবহারকারীদের জন্য সহজভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো খতিয়ান অনুসন্ধান। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় তথ্যের ভিত্তিতে খতিয়ান-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারেন। এতে জমি-সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য খোঁজার প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করার সুযোগ তৈরি হয়।

 

স্যাটেলাইট ম্যাপে জমি দেখার সুবিধা

 

ভূমি-সংক্রান্ত তথ্যকে আরও ভিজ্যুয়াল ও সহজবোধ্য করতে স্যাটেলাইট ম্যাপ সুবিধার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জমির অবস্থান ও আশপাশের এলাকার ভৌগোলিক চিত্র স্যাটেলাইট ম্যাপের মাধ্যমে দেখার সুযোগ থাকায় ব্যবহারকারীরা শুধু লিখিত তথ্যের ওপর নির্ভর না করে মানচিত্রের মাধ্যমেও জায়গাটি সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন।

 

জমি কেনাবেচা, জমির অবস্থান বোঝা কিংবা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের ম্যাপভিত্তিক সুবিধা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করতে পারে।

 

AI সহায়ক—জটিল তথ্য বুঝতে প্রযুক্তির ব্যবহার

 

BhumiBD-এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো AI সহায়ক। ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের প্রাথমিক উত্তর ও তথ্য খুঁজে পেতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা করার জন্য AI-ভিত্তিক সুবিধা যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

অনেক ব্যবহারকারী খতিয়ান, দলিল, জমির হিসাব, ভূমি আইন কিংবা বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোথা থেকে তথ্য শুরু করবেন তা বুঝতে পারেন না। AI সহায়ক এ ক্ষেত্রে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়ার পথে একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে।

 

তবে AI থেকে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি নথি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

 

একই ইকোসিস্টেমে ভূমি ও উত্তরাধিকার

 

জমি ও উত্তরাধিকার অনেক ক্ষেত্রেই একে অপরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। একটি পরিবারের সম্পত্তির মালিকানা, জমির খতিয়ান বা দলিলের তথ্যের পাশাপাশি সেই সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কীভাবে বণ্টিত হবে—এ বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ।

 

এই বাস্তবতায় http://Bhumibd.com যেখানে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক সুবিধার মাধ্যমে ভূমি-তথ্যকে সহজ করার চেষ্টা করছে, সেখানে http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার ও ফারায়েজ-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

 

সাধারণ মানুষের জন্য ডিজিটাল তথ্যসেবার সম্ভাবনা

 

বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যও ধীরে ধীরে ডিজিটাল মাধ্যমে সহজলভ্য হচ্ছে। এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে প্রাথমিক তথ্য নিজেরাই খুঁজে দেখা, হিসাব বোঝা এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

 

http://Uttoradhikar.org, Uttoradhikar অ্যাপ এবং http://Bhumibd.comএর মতো প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জটিল তথ্যকে প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও সহজ, বোধগম্য ও ব্যবহারবান্ধব করে তোলা।

 

ভবিষ্যতে আরও উন্নত AI প্রযুক্তি, খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপিং এবং ভূমি ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত তথ্য এক জায়গায় সমন্বিত হলে সাধারণ মানুষের জন্য জমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের অভিজ্ঞতা আরও সহজ হতে পারে।

 

http://Uttoradhikar.org ও Uttoradhikar অ্যাপ উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত হিসাবকে সহজ করার উদ্যোগ, আর http://Bhumibd.com ভূমি ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্যকে ডিজিটালভাবে সহজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম—যেখানে খতিয়ান অনুসন্ধান, স্যাটেলাইট ম্যাপ ও AI সহায়ক প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্যপ্রাপ্তির অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভূমি-তথ্যসেবাকে আরও সহজ করতে তোহিদুল ইসলামের নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইন্সের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসা ছাত্রদের উত্তেজনা, হামলা ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে জেলা পুলিশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।

 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে মাদ্রাসা ছাত্ররাও পালটা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ ও মাদ্রাসাছাত্রসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

 

পুলিশ, মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয় লোকজন জানান, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর আগমন উপলক্ষে রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। এ সময় উচ্চস্বরে গান বাজানোয় মাদ্রাসা ছাত্ররা শব্দের মাত্রা কমাতে বলেন। এ নিয়ে পুলিশ ও মাদ্রাসা ছাত্রদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়।

 

পরে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় মাদ্রাসা ছাত্ররাও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এতে পুলিশ ও মাদ্রাসা ছাত্রসহ ৩০ জন আহত হন।

 

আহতদের মধ্যে রয়েছেন- শেখ সানি (১১), সাখাওয়াত (২০), বিন ইয়ামিন (২০), আব্বাস (১৭), জাকারিয়া (২১), মেরাজ (১৮), আশরাফ (১৮), হাবিবুল্লাহ (১৮), সিয়াম (১৭), ফাইজুর রহমান (২১), আরাফাত (১৮), বাশার (১৯), মাহাদী (২০), তাওহীদ (১৮), হাবিবুল্লাহ (১৮), বাইজিদ (১৭), শেখ সাদী (১৬), ফাহিম (২০), আব্দুর রহিম (২০), মিরাজ (২৭), আশরাফ (১৭), সাদেক (১৯), মনি (২৭), রাফি (১৮), শামিম (১৭), তালহা (১৮), আতাউল্লাহ (১৯), নিয়ামত উল্লাহ (২২), ইমতিয়াজ (১৭), আশরাফ (১৭) ও তানভির (১৭)।

 

দারুল আরকাম মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বুধবার তাদের মাদ্রাসায় পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে তাদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। তাই প্রথমে তারা কয়েকজন পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দের মাত্রা কমানোর অনুরোধ করেন। কিছু সময়ের জন্য শব্দ কমানো হলেও পরে আবার উচ্চস্বরে গান বাজানো শুরু হয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসা ছাত্রদের বাদানুবাদ শুরু হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

তারা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে জানতে জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফকে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং কোনো বক্তব্য দেননি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০

বিস্তারিত....

Top