Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির। পানিতে ডুবে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য নিহত হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫ রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিকে অগ্রিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান 

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন।।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব এবং ইনস্টিটিউট ফর পলিসি, গভার্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের মাঝে অসন্তোষ বাড়ছে এবং তারা বিভিন্ন গণআন্দোলন ও সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে নিজেদের দাবি ও প্রত্যাশা প্রকাশ করছে।

 

নেপালের কাঠমান্ডু ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের পলিসি ল্যাবের উদ্যোগে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান : অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও গভর্নেন্সের প্রেক্ষিত’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় বুধবার এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পলিসি ল্যাবের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো সহকারী অধ্যাপক ড. লাল বাহাদূর পুন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ড. রাম নারায়ণ শ্রেষ্ঠ।

 

প্রধান আলোচক আলাউদ্দীন মোহাম্মদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও সেই প্রবৃদ্ধির সুফল সমভাবে বণ্টিত হচ্ছে না। সুশাসনের ঘাটতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও জবাবদিহিতার অভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

 

আলাউদ্দীন মোহাম্মদ আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব না দিলে দক্ষিণ এশিয়ার সামাজিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রগঠনসংক্রান্ত সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব হবে না।

 

আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বক্তারা সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা, অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচলিত ধারা পুনর্বিবেচনা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

নেপালের গণঅভ্যুত্থানের পর- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের উপপ্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

 

 

 

ওয়ার্ড মাস্টারের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসহায় ব্যক্তিকে রেলস্টেশনে ফেলে আসার অভিযোগ; ঘটনায় ক্ষোভ ও বিচার দাবি

 

ফেনী প্রতিনিধি:

 

মানবিকতার চরম বিপর্যয়ের এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল-এ। যেখানে মানুষের জীবন বাঁচানোর কথা, সেখান থেকেই এক চিকিৎসাধীন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড মাস্টারের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, গত ৪ মে কিছু মানবিক ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয়ের এক অসুস্থ মানুষকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রায় ১৭ দিন ধরে তিনি হাসপাতালের একটি বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও ওয়ার্ড মাস্টার নজরুল ইসলাম চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তিকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, নজরুল ইসলামের নির্দেশে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবু বক্কর ও জাকের অসহায় ওই ব্যক্তিকে ফেনী রেলস্টেশন এলাকায় ফেলে রেখে আসেন। পরদিন বিকেলে স্টেশন এলাকায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আবারও ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। সচেতন মহল বলছে, একজন চিকিৎসাধীন মানুষকে এভাবে রাস্তায় ফেলে দেওয়া শুধু অমানবিকই নয়, এটি গুরুতর অপরাধ।

স্থানীয়দের প্রশ্ন— একজন অসহায়, পরিচয়হীন মানুষ বলে কি তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই? হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা কেউ কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

২২/মে ২০২৬: নীলফামারী পৌরসভার ১নং

ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া গ্রামে আল নাহিয়ান রিসান (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১মে) দুপুর নিজ বাড়ির সয়নকক্ষ থেকে তার

মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আল নাহিয়ান রিসান নীলফামারী সরকারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ও মুন্সিপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো তার বাবা মা কর্মস্থলে যান। ছোট ভাই আইয়ান বিদ্যালয়ে গেলে বাড়িতে একাই ছিলেন রিসান। পরে স্কুল ছুটি শেষে ছোট ভাই বাড়িতে ফিরে শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বড় ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। খবর পেয়ে নীলফামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে

ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে প্রেম ঘটিত কারণে অভিমান থেকে তিনি করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। নীলফামারী থানার ওসি জিল্লুর রহমান কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক,ও পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আগামী পৌর নির্বাচনে উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আসে। কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা বুকে ধারণ করে সমাজের হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সামিরুল হক সামির তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন:

“পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের পাশাপাশি সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং আমাদের চারপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই।”

 

পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ওয়ার্ড গড়ার আহ্বান

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির পবিত্র ঈদের নামাজ শেষে নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানি করার এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে কুরবানির বর্জ্য অপসারণ করে ৬ নং ওয়ার্ডের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে সর্বস্তরের নাগরিককে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

 

তিনি ওয়ার্ডবাসীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও অনাবিল সুখ-শান্তি কামনা করে আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা—”ঈদ মোবারক” জানান।

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব দেওভোগ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে পুকুরে ডুবে দুই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে তারা পুকুরে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে গভীর পানিতে তলিয়ে গেলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

মৃতরা রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পানিতে ডুবে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অত্র ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান , বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব হাজী মোঃ মনিরুল হক।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও উৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে এক অনন্য শিক্ষার বার্তা নিয়ে আসে। আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ও ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে এই উৎসবের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে।

হাজী মোঃ মনিরুল হক আরও বলেন:

“ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এই আনন্দের দিনে আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বিরুলিয়া ইউনিয়ন গড়ে তুলি।”

তিনি ইউনিয়নবাসীকে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান। একই সাথে কোরবানির পর নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য অপসারণ করে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করেন এবং সবাইকে আবারও জানান—”ঈদ মোবারক”।

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক

সিলেট নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন ক্বিনব্রিজ এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ইমন আচার্য নামে এক র‌্যাব সদস্য নিহত হয়েছেন।

 

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই ছিনতাইকারীকে ছুরিসহ আটক করেছে পুলিশ।

 

পুলিশ জানায়, ক্বিনব্রিজ এলাকায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ওই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে। এ সময় ওই ছিনতাইকারীকে দৌঁড়ে পালাতে দেখে র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই ছিনতাইকারী ছুরি দিয়ে ইমনের বুকের বাম পাশে আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান।

 

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) সাইফুল ইসলাম জানান, দায়িত্ব পালন করার সময় ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে পুলিশ। এ সময় র‌্যাব সদস্য ইমন দেখতে পেয়ে ওই ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ছিনতাইকারী তাকে বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে।

 

তিনি জানান, পরে অভিযান চালিয়ে ওই ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সিলেট র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ছিনতাইকারীকে ধরার পর পরই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ছুরি দিয়ে বুকের বাম পাশে আঘাত করায় অতিরিক্ত রক্তকরণে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য নিহত

শিশু রামিসা হত্যাকারীর কঠোর ও প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে মিরপুর- ১০ নম্বর গোলচত্ত্বরে চলছে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’। এতে যোগ দিয়েছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।

 

শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিবাদ-মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ ও ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগান দেন। তাদের কণ্ঠে ছিল, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’, ‘ফাঁসি চাই’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’।

 

বিক্ষোভকারীদের দাবি— দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিও তোলেন অনেকে। সাজা নিশ্চিত করা না গেলে, সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়তেই থাকবে বলে শঙ্কা জানান তারা।

 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের একটি ভবন থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ততক্ষণে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। ঘটনাস্থল থেকেই সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। সেই রাতেই গ্রেফতার হলে, ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল।

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’

 

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

 

ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা শুরু করে। প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।

 

এ সময় হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

 

ঘটনার পর আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি আবার থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিকে অগ্রিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় আব্দুর রহিম পালোয়ান বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের মহিমা শেখায়। ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ভুলে ঈদের আনন্দকে সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়াই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। আমি সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।”

 

তিনি আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দ যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে বয়ে আনে অনাবিল প্রশান্তি। ত্যাগের এই মহান উৎসবে আমরা যেন সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে একটি সুন্দর ও আদর্শ ওয়ার্ড গঠনে এগিয়ে আসি।”

 

আসন্ন নির্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মাদকমুক্ত মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি ওয়ার্ডবাসীর সার্বিক সহযোগিতা, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন। একই সাথে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানান এই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিকে অগ্রিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান 

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

নতুন এক মহাকাব্য লিখল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে সফরকারী পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে দুই টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

 

এই জয়ের মধ্য দিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই সিরিজে ব্যাক-টু-ব্যাক হোয়াইটওয়াশের অনন্য এক বিশ্বরেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে স্বাগতিকদের ধবলধোলাই করেছিল টাইগাররা। ফলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চার টেস্ট জয়ের সাফল্যে ভাসছে টাইগাররা।

 

সিলেটে পঞ্চম ও শেষ দিনে ৪৩৮ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নামে পাকিস্তান। তাদের হাতে ছিল তিন উইকেট। পাকিস্তানের লোয়ার-অর্ডারদের নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

 

এমন সমীকরণ নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই নাহিদ রানা, তাসকিনদের ওপর চড়াও হন পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খান। কিন্তু ২৮ রানে এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরান তাইজুল ইসলাম। সঙ্গীকে হারিয়ে ৯৪ রান করে মোহাম্মদ রিজওয়ান কাটা পড়েন শরিফুল ইসলামের পেসে। ৩৫৮ রানে নবম উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর ৯৮তম ওভারে বল করতে এসে স্বাগতিকদের কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। খুররাম শাহজাদকে নিজের ষষ্ঠ শিকারে পরিণত করলে ৩৫৮ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান।

 

এই জয়ের ফলে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে ভারতকে টপকে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ৫ নম্বরে উঠে এলো টাইগাররা।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। এবারের দলে সবচেয়ে বেশি চারজন ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে। তিন দশক পর বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলে এমন দৃশ্য দেখা গেল।

 

সর্বশেষ ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সাও পাওলো থেকে চারজন ফুটবলার সুযোগ পেয়েছিলেন। সেই দলে ছিলেন গোলরক্ষক জেত্তি, ডিফেন্ডার কাফু ও লিওনার্দো এবং ফরোয়ার্ড মুলার। পরে বিদেশি ক্লাব হিসেবেও চারজন প্রতিনিধির নজির গড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটি।

 

এবার কার্লো আনচেলত্তি-র ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে জায়গা পেয়েছেন ডিফেন্ডার অ্যালেক্স সান্দ্রো, দানিলো ও লিও পেরেইরা এবং মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। যদিও প্রাথমিক দলে থাকা লিও অর্টিজ, সামুয়েল লিনো ও পেদ্রো শেষ পর্যন্ত জায়গা পাননি।

 

এ ছাড়া দুজন করে ফুটবলার সুযোগ পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আর্সেনাল থেকে।

 

১৯৫৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলে চারজন ফুটবলার পাঠাল ফ্ল্যামেঙ্গো। সেই বিশ্বকাপে ক্লাবটি থেকে ডাক পেয়েছিলেন জাগালো, দিদা, জোয়েল ও মোয়াসির। কিংবদন্তি জাগালো ফাইনালের শুরুর একাদশেও ছিলেন। ওই আসরে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল।

 

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, এবারের বিশ্বকাপে ফ্ল্যামেঙ্গোর প্রতিনিধির সংখ্যা নয়জন পর্যন্ত হতে পারে। উরুগুয়ের হয়ে ডাক পেতে পারেন আরাসকাইতা, ভারেলা ও দে লা ক্রুজ। কলম্বিয়ার হয়ে থাকতে পারেন কারাসকাল এবং ইকুয়েডরের জার্সিতে দেখা যেতে পারে প্লাতাকে।

 

রিও ডি জেনেইরোর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘মিউজিয়াম অব টুমরো’-তে বড় আয়োজনের মধ্য দিয়ে দল ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে সাবেক ফুটবলার, কর্মকর্তা ও ফুটবল বিশ্বের অনেক পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। ১৩টি দেশের সাংবাদিকসহ ৬০০-এর বেশি সংবাদকর্মী অনুষ্ঠানটি কভার করেন।

 

আগামী ২৭ মে থেকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করবে ব্রাজিল দল। তবে পিএসজি ও আর্সেনাল-এর যেসব ফুটবলার দলে আছেন, তারা ৩০ মে ইউরোপসেরা ক্লাব প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে।

নেইমারকে নিয়েই ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জানিয়েছেন, গুরুতর চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পথে তাকে অসংখ্য ‘অর্থহীন’ সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে। তবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে পুরোপুরি ফিট প্রমাণ করতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট এবং বিশ্বাস করেন, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার জন্য নিজের সর্বোচ্চটা তিনি দিয়েছেন।

 

সান্তোস ফরোয়ার্ড নেইমার ২০২৩ সালের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারেননি। ইনজুরি ও হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কারণে প্রায় এক বছর মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে তাকে। ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি আগেই জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেতে হলে নেইমারকে পুরোপুরি ফিট ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাতে হবে।

 

রোববার করিতিবার বিপক্ষে সান্তোসের ৩-০ গোলের পরাজয়ের পর সাংবাদিকদের নেইমার বলেন, ‘শারীরিকভাবে আমি দারুণ অনুভব করছি। প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে আমি উন্নতি করছি।’

 

তিনি বলেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়েছি। এটা সহজ ছিল না, সত্যিই সহজ ছিল না।’

 

দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এবং ব্যক্তিগত সংগ্রামের কথা তুলে ধরে আবেগি নেইমার বলেন, ‘বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেছি। একই সঙ্গে আমার শারীরিক অবস্থা নিয়ে অসংখ্য বাজে কথা শুনতে হয়েছে। মানুষ যেভাবে কথা বলেছে, তা সত্যিই কষ্টদায়ক।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ঘরে বসে নীরবে কঠোর পরিশ্রম করেছি। মানুষের কথায় কষ্ট পেয়েছি, কিন্তু থামিনি। শেষ পর্যন্ত আমি আমার কাঙ্ক্ষিত জায়গায় ফিরতে পেরেছি। আমি নিজের পারফরম্যান্স ও এখন পর্যন্ত যা করেছি, তাতে সন্তুষ্ট।’

 

বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়া নিয়ে নেইমার বলেন, ‘যাই হোক না কেন, আনচেলত্তি অবশ্যই এই লড়াইয়ের জন্য সেরা ২৬ জন খেলোয়াড়কেই বেছে নেবেন।’

 

করিতিবার বিপক্ষে ম্যাচে ভুলবশত বদলি সিদ্ধান্ত নিয়ে নেইমার তীব্র প্রতিবাদ জানান, যা ম্যাচের অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে ওঠে। বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার ঠিক আগে এই ঘটনা তার জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

 

আজ সোমবার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি।

 

রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নামবে ব্রাজিল। উত্তর আমেরিকায় ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টের গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

আমি নিজের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট, কোচ অবশ্যই সেরা ২৬ জনকে বেছে নেবেন: নেইমার

আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল সাপোর্টারদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখর আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ

 

প্রতিবেদনে: ওমর ফারুক

 

খেলাধুলা মানুষের মাঝে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলে। সেই ধারাবাহিকতায় আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগ ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক জমজমাট ও প্রাণবন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টে অংশ নেয় আর্জেন্টিনা সাপোর্টার দল ও ব্রাজিল সাপোর্টার দল।

 

কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রিয় দুই ফুটবল পরাশক্তির সমর্থকদের অংশগ্রহণে পুরো মাঠজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। খেলাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, উল্লাস ও আনন্দ যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

 

উক্ত টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক তারক চাঁদ ঢালি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুমন কুমার বিশ্বাস এবং বর্তমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ শাখার সভাপতি শেখ শামসাদ হোসেন আবিদ।

 

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ও পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এমন আয়োজন তরুণদের মাঝে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে এবং মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

খেলার শুরু থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়রা দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। মাঠজুড়ে ছিল দর্শকদের করতালি, উল্লাস ও প্রিয় দলের প্রতি সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচটি হয়ে ওঠে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য।

 

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

সবশেষে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল সাপোর্টারদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখর আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এই মধ্যে প্রাথমিক দলও ঘোষণা করেছে দলটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে আলোচিত নাম এখন নেইমার। দীর্ঘ চোটের পর মাঠে ফিরলেও তার ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দল নির্বাচন নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বা জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নয়—ফিটনেস ও ফর্মের ভিত্তিতেই গড়া হবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড।

 

আগামী ১৮ মে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এর আগে ফিফার কাছে ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে নেইমারের নামও রয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত দলে জায়গা পেতে হলে তাকে শতভাগ ফিট ও ম্যাচ ফিটনেসে থাকতে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ।

 

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, নেইমার নিঃসন্দেহে অসাধারণ প্রতিভা এবং ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তবে চোট ও শারীরিক অবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নেইমার উন্নতি করেছে এবং নিয়মিত খেলছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।

 

ব্রাজিল কোচ আরও জানান, নেইমার শুধু সমর্থকদের কাছেই নয়, ড্রেসিংরুমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়। তবে দল গঠনের ক্ষেত্রে আবেগ নয়, প্রয়োজন হবে বাস্তব মূল্যায়ন। খেলোয়াড়দের মতামত স্বাভাবিক বিষয় হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোচ হিসেবেই তিনি নেবেন।

 

তিনি বলেন, দলের ভেতরের পরিবেশ ইতিবাচক এবং কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। খেলোয়াড় হিসেবে কার পারফরম্যান্স কেমন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

নেইমারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন আনচেলত্তি। তার মতে, শেষ কয়েকটি ম্যাচে নেইমারের ফিটনেস ও গতি আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। তবে প্রতিটি ম্যাচ ও পরিস্থিতি আলাদা, তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।

 

সবশেষে ব্রাজিল কোচ জানান, নেইমারকে দলে রাখা বা না রাখার সিদ্ধান্তে কোনো চাপ নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে পেশাদার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। তিনি বলেন, নিখুঁত দল গঠন করা সম্ভব নয়, তবে লক্ষ্য থাকবে এমন একটি স্কোয়াড তৈরি করা যেখানে ভুলের পরিমাণ সর্বনিম্ন থাকে।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে কঠোর অবস্থানে আনচেলত্তি, চাপে নেইমার!

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও আতঙ্ক উড়িয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি জানান, এই চুক্তি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এই চুক্তিটি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এটি চাইলেই হুট করে বাতিল করার সুযোগ নেই। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ চুক্তিতেই রাখা হয়েছে।

 

তাই অহেতুক বিভ্রান্ত না হতে তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

 

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা-ওয়াশিংটন একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই করে।

 

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চাইলেই বাতিল করা যায় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

 

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে এরমধ্যে একটি হলো এই নির্বাচনে পোস্টার থাকবে না। আমরা নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টার না রাখার পক্ষে।’

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংশোধিত বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

 

তিনি জানান, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বর্তমান বিধান বাতিল করা হবে। একইভাবে ইভিএম ব্যবহারের নিয়মও থাকছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।

 

বর্তমানে নির্দলীয় প্রার্থীদের জন্য সমর্থন হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেটিও বাতিল করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে কী পরিমাণ বাড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

 

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা পোস্টাল ভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। একই সঙ্গে ফেরারি আসামিরাও প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ, সুন্দর ও সুষ্ঠু করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কাজ চলছে।

 

ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জুন মাসের মধ্যেই পুরো বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে। ঈদের আগে আরেকটি বৈঠক করা গেলে খসড়া বিধিমালা কমিশনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন আগামী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে পারবে বলে আশা করছে।

 

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।

 

প্রথমত, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন, সরকার কী চায় এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী-সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে।

 

দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কী চায়? তারা কি মারামারি-হানাহানির পথে যাবে, নাকি দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবে? তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সংঘর্ষ নয়।

 

তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব। তিনি বলেন, ইসি নিরপেক্ষ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও ইসির নিজস্ব কোনো শক্তি নেই; তবুও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে ‘হুংকার’ দিতে হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকে।

 

চতুর্থত-নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের আচরণ। লাখ লাখ মানুষ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন। প্রিসাইডিং অফিসার যদি আন্তরিকভাবে বলেন- জাল ভোট আমি করতে দেব না, বা দুই নম্বর কাজ হবে না-তাহলে তা তার সততা, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের গুণাবলির ওপর নির্ভর করে।

 

তিনি বলেন, নিজের সততার শতভাগ দরকার, সঙ্গে থাকতে হবে নেতৃত্বের সক্ষমতাও।

 

সহিংসতাহীন ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে বলেন, এজন্য সরকারের শতভাগ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন প্রয়োজন। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারের স্বার্থেই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

 

তিনি বলেন, সহিংসতা মূলত আইন-শৃঙ্খলার বিষয়। কেউ সংঘর্ষ সৃষ্টি করলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তি হবে। তবে শুধু আইনের কঠোর প্রয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোরও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।

 

তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে প্রার্থীরা রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। কোনো দলের সমর্থিত প্রার্থী মাঠে নামলে অন্য পক্ষ থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়ায়। এ অবস্থায় দলগুলোর মধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না থাকলে এবং তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

 

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে দলগতভাবে অনুরোধ জানানো হবে যাতে তারা-নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত না করে, মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি বা লাঠালাঠি থেকে বিরত থাকে। দলবাজি বা উত্তেজনা তৈরির প্রচেষ্টা না চালায়।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতা না করলে আমরা কী করব? খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’

 

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দুটি রাজনৈতিক জোট আচরণবিধি মেনে চলেছে। ভোটের দিন বড় কোনো ঝামেলা, কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা খুব কম হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত।

 

তিনি আরও বলেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

 

তিনি জানান, প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা; আইন ও বিধিমালায় রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে।’

বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেছেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে’ মধ্যযুগীয় আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করেছেন। দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থার প্রতি চরম অবমাননার শামিল।

 

শুক্রবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারি দলের নীতিনির্ধারকগণ প্রায়ই ‘মদিনার সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা’ এবং ‘শরীয়াবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন না করার’ মৌখিক অঙ্গীকার ব্যক্ত করে থাকেন। অথচ বাস্তব ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়া আইনকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলে হেয় প্রতিপন্ন করার মাধ্যমে তাদের আদর্শিক দেউলিয়াত্ব, সস্তা রাজনৈতিক অবস্থান এবং চরম দ্বিচারিতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটলো।

 

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই অবমাননাকর মন্তব্য দেশের আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে এবং সামগ্রিকভাবে তাদের ক্ষুব্ধ ও উসকে দিয়েছে। দেশের ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজ মনে করেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী শরীয়া আইনের প্রতি চরম অবমাননা প্রদর্শন করেছেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আহ্বানও জানিয়েছে জামায়াত।

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের

ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে অভিনেত্রী ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন বলে জানান।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি নিজেদের জায়গা থেকে শোবিজ অঙ্গণের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করেন উর্বী।

 

ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।

 

কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

 

শৈশবের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’

 

ধর্ষকের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’

 

সবট্যাটাসের শেষাংশে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’

ছোটবেলায় আমিও আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলাম: উর্বী

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন মালয়েশিয়া।। দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজখবর নিতে

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়ার শাখার প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিতে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টার দিকে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

 

এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এবং মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান।এবং কিছুক্ষণ সময় তার সাথে আলোচনা করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেম এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার যুগ্ন মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন ,নুরুল আমিন। যুগ্ম সংগঠক মো:নুরুল ইসলাম সুজন এবং যুগ্ন সচিব আরিফুল ইসলাম ও নির্বাহি সদস্য :মাসুম বিল্লাহ।

 

আফরোজা আব্বাস জানান, চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে এখনো তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক দল তার শারীরিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালের নিচে কিছু সময়ের জন্য চলাফেরাও করছেন মির্জা আব্বাস।

 

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মির্জা আব্বাসের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করা হয়, যেন তিনি পুনরায় দেশ ও মানুষের সেবায় সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন।

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ নানা ধরনের কার্ড দেওয়া হচ্ছে; কিন্তু জনগণ ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। আমরা সরকারের কাছে ‘জাস্টিস কার্ড’ চাই।’’

 

আজ বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘‘হাসপাতালে আইসিইউ’র অভাব, ঘুষ ছাড়া চাকরি না পাওয়া, থানায় দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য-এসব সমস্যা এখনো বহাল রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য সেবা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে।’’

 

জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে তিনি অভিযোগ করেন, দেশে এখনো বিচারহীনতা, দুর্নীতি ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি বিদ্যমান। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। গুম ও হত্যার ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, বরং বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় ভুক্তভোগীরা অনেক সময় আইনি আশ্রয় নেওয়া থেকেও বিরত থাকছে।

 

সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘‘যত দিন পর্যন্ত সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হবে, তত দিন সরকারের সব উন্নয়নমূলক উদ্যোগই প্রশ্নবিদ্ধ থাকবে। জনগণ একদিন ব্যালটের মাধ্যমে বা গণপ্রতিরোধের মুখে এর উপযুক্ত জবাব দেবে।’’

 

অবিলম্বে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন এবং বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের কাছে ‘জাস্টিস কার্ড’ চাই: হাসনাত আব্দুল্লাহ

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

 

 

 

ওয়ার্ড মাস্টারের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসহায় ব্যক্তিকে রেলস্টেশনে ফেলে আসার অভিযোগ; ঘটনায় ক্ষোভ ও বিচার দাবি

 

ফেনী প্রতিনিধি:

 

মানবিকতার চরম বিপর্যয়ের এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল-এ। যেখানে মানুষের জীবন বাঁচানোর কথা, সেখান থেকেই এক চিকিৎসাধীন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড মাস্টারের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, গত ৪ মে কিছু মানবিক ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয়ের এক অসুস্থ মানুষকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রায় ১৭ দিন ধরে তিনি হাসপাতালের একটি বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও ওয়ার্ড মাস্টার নজরুল ইসলাম চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তিকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, নজরুল ইসলামের নির্দেশে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবু বক্কর ও জাকের অসহায় ওই ব্যক্তিকে ফেনী রেলস্টেশন এলাকায় ফেলে রেখে আসেন। পরদিন বিকেলে স্টেশন এলাকায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আবারও ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। সচেতন মহল বলছে, একজন চিকিৎসাধীন মানুষকে এভাবে রাস্তায় ফেলে দেওয়া শুধু অমানবিকই নয়, এটি গুরুতর অপরাধ।

স্থানীয়দের প্রশ্ন— একজন অসহায়, পরিচয়হীন মানুষ বলে কি তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই? হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা কেউ কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক,ও পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আগামী পৌর নির্বাচনে উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আসে। কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা বুকে ধারণ করে সমাজের হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সামিরুল হক সামির তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন:

“পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের পাশাপাশি সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং আমাদের চারপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই।”

 

পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ওয়ার্ড গড়ার আহ্বান

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির পবিত্র ঈদের নামাজ শেষে নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানি করার এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে কুরবানির বর্জ্য অপসারণ করে ৬ নং ওয়ার্ডের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে সর্বস্তরের নাগরিককে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

 

তিনি ওয়ার্ডবাসীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও অনাবিল সুখ-শান্তি কামনা করে আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা—”ঈদ মোবারক” জানান।

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অত্র ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান , বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব হাজী মোঃ মনিরুল হক।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও উৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে এক অনন্য শিক্ষার বার্তা নিয়ে আসে। আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ও ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে এই উৎসবের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে।

হাজী মোঃ মনিরুল হক আরও বলেন:

“ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এই আনন্দের দিনে আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বিরুলিয়া ইউনিয়ন গড়ে তুলি।”

তিনি ইউনিয়নবাসীকে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান। একই সাথে কোরবানির পর নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য অপসারণ করে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করেন এবং সবাইকে আবারও জানান—”ঈদ মোবারক”।

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক

বিস্তারিত....

Top