Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ আসন্ন সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের ভোট প্রার্থনা গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা যশোরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত স্মরণসভায় তথ্যমন্ত্রী একাত্তরের গণহত্যা থেকে শাপলা হত্যাকাণ্ড, সব ঘটনার বিচার করবে সরকার হাওরে বন্যা পরিস্থিতি বদলাচ্ছে, এখনো ৭ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে

ব্যারাকপুরে নির্বাচনী ফলাফলে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরই রাজনীতির ময়দান ছাড়ার ঘোষণা দিলেন পরিচালক ও সাবেক বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। ভোটের ফল প্রকাশের মাত্র দুই দিনের মাথায় তিনি জানিয়ে দেন, এবার তিনি আর রাজনীতিতে থাকছেন না।

 

৪ এপ্রিলের ভোটের ফলে রাজ্যে পরিবর্তনের ঢেউ আসে। ব্যারাকপুর কেন্দ্রে লড়াই করেও এবার জয় পাননি রাজ। এরপরই তিনি নিজের রাজনৈতিক অধ্যায়ের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন।

 

২০২১ সালে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। পাঁচ বছর ধরে বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্পের প্রচারেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। এমনকি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রও পরিচালনা করেছিলেন রাজ।

 

হারার পর সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় তিনি লেখেন, জীবনে তিনি যেমন সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, তেমনি বিধায়ক হিসেবেও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। তবে এবার সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল বলে জানান তিনি।

 

নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজ্য উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে এবং মানুষের সমস্যার সমাধান হবে।

 

ভোটের দিন ব্যারাকপুরে তার রোড শো ঘিরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস থাকলেও ফল ঘোষণার দিন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গণনা কেন্দ্রের বাইরে উত্তেজনা ছড়ায় এবং স্লোগান ও অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে।

 

পরাজয়ের পর রাজের স্ত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টও আলোচনায় আসে। যেখানে তিনি স্বামীকে জীবনের নায়ক বলে উল্লেখ করেন এবং মনোবল ভেঙে না পড়ার বার্তা দেন।

নির্বাচনে হেরে রাজনীতি ছাড়লেন শুভশ্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী

ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী থানা পুলিশের অভিযানে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (০৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভূল্লী থানার একটি দল ১৫নং দেবীপুর ইউনিয়নের খোশবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ১নং আসামি মোঃ গোলাম মোস্তফা গোলা (২৬), পিতা-মৃত ফজলুল করিম (মিস্টার), ২নং আসামি মোঃ জাকির হোসেন (৩৫), পিতা-মৃত নূর মোহাম্মদ এবং ৩নং আসামি মোঃ আব্দুল মজিদ (২০), পিতা-মোঃ শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের সকলের বাড়ি খোশবাজার এলাকায়।

 

অভিযানকালে পুলিশ ১নং আসামির নিজ বসতবাড়িতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সময় তাদের আটক করে। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে গোলাম মোস্তফা গোলার হেফাজত থেকে ০৫ পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট এবং জাকির হোসেনের কাছ থেকে ২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ৩নং আসামি আব্দুল মজিদ মাদক ক্রয়ের উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছিল বলে পুলিশ জানায়।

 

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃতদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে ভূল্লী থানা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। যুব সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর বাড়ির ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (৯ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন। একইদিন সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (৮ মে) রাতে তাদের হত্যা করা হয়।

 

পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ঘাতক পলাতক ফোরকান মিয়ার গাড়ির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আটকদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

 

নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার চালক পলাতক স্বামী ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের বড় মেয়ে মীম (১৫), মেয়ে মারিয়া (৮), মেয়ে ফারিহা (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (২২)।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিন সন্তানের গলা কাটা লাশ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। শারমিনের ভাই রসুলের লাশ ছিল বিছানার ওপর। অন্যদিকে, শারমিনের হাত-মুখ বাঁধা নিথর দেহ জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে সপরিবারে ভাড়া থাকতেন ফোরকান মিয়া। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সবাইকে স্বাভাবিকভাবে দেখা গেছে। তবে শনিবার সকালে হঠাৎ পাঁচজনের গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

 

প্রতিবেশীরা বলছেন, ফোরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। ওই বিরোধের জেরেই তিনি স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যা করে পালিয়ে যেতে পারেন।

 

কাপাসিয়া থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে এ বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান মিয়া নিজেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন।

 

গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্ত ফোরকান মিয়াকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম ইতোমধ্যে অভিযানে নেমেছে।

গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহণের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

 

শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

লোহাগাড়া থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামমুখী একটি মারসা পরিবহণের বাসের সঙ্গে কক্সবাজারমুখী একই কোম্পানির অন্য একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কক্সবাজারগামী বাসটি সড়কের পূর্ব পাশে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। সংঘর্ষে বাস দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

 

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

এদিকে দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

 

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি সালাহ উদ্দীন চৌধুরী জানান, হতাহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

আসন্ন সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের ভোট প্রার্থনা।

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু, সাভার:

 

সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দলিল লেখকদের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতি’র আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন তরুণ ও কর্মঠ স্বনামধন্য দলিল লেখক আবুল বাশার চৌধুরী তুহিন।

 

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এবং সমিতির উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন। সাধারণ সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং সমিতির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।

প্রচারণায় তুহিন বলেন: আমি এই সমিতির সকল সদস্যদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে সকল দলিল লেখকের মর্যাদা রক্ষা এবং একটি আধুনিক ও সদস্য-বান্ধব কল্যাণ সমিতি গঠন করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, সদস্যরা আগামী নির্বাচনে আমাকে মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এবং তাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।”

সাধারণ সদস্যদের মাঝেও আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের প্রার্থীতা নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। অনেক ভোটার মনে করছেন, তুহিন একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ এবং নেতৃত্বের আসনে তিনি আসলে সমিতির সাধারণ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পূরণ হবে।

উল্লেখ্য, আসন্ন এই নির্বাচনে বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে তুহিনের জোরালো প্রচারণায় ভোটের সমীকরণ নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে।

আসন্ন সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের ভোট প্রার্থনা

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয়রা জানান, রাউতকোনা এলাকার মনির হোসেন প্রবাসে থাকেন। বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানরা থাকে। শুক্রবার রাতেও সবাইকে স্বাভাবিকই দেখা গেছে। তবে শনিবার ভোরে ওই বাড়িতে দেখা যায় পাঁচজনের গলা কাটা লাশ পড়ে রয়েছে। কারা কেন তাদের হত্যা করেছে, বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

 

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী মনির হোসেনের স্ত্রী, তার তিন মেয়েসন্তান এবং শ্যালক। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লুটপাটের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা-পয়সাও নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। হত্যার পর ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

 

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার, (এসপি) মোঃশরিফ উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে ।

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

যশোরের নওয়াপাড়ায় আনিছুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ওই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সিসি ক্যামেরার ওই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে নিহত আনিছুর রহমানের স্ত্রী নাহিদা ইসলাম বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দু-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

 

 

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের শাহ মো. জুনায়েদের ছেলে শাহ মো. মাহমুদ (৩৮) এবং একই গ্রামের মৃত নিছার আলীর ছেলে নাসির (৩২)।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গুয়াখোলা গ্রামে পীরবাড়ী মসজিদের সামনে আনিছুর রহমান তার নির্মাণাধীন ছয়তলা ভবনের (আনিছ ট্রেড ভ্যালি) ম্যানেজার রেজাউল ইসলামের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় শাহ মো. মাহমুদ তার সহযোগী নাসিরসহ অজ্ঞাতপরিচয় দু-তিনজন অস্ত্রধারী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে শাহ মাহমুদ গালিগালাজ করে তার কাছে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আনিছুর রহমানের মুখের বাম পাশে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

 

পরে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে আনিছুর রহমানের মৃত্যু হয়।

 

এদিকে আনিছুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করার ৪৬ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে শাহ মো. মাহমুদ নামে ওই যুবক তার কোমরে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আনিছুরকে কোপাতে শুরু করে।মামলার বাদী নাহিদা ইসলাম জানান, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

 

ব্যবসায়ী নেতা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার নওয়াপাড়ার সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়। আসামিদের গ্রেফতারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বন্দরনগরী নওয়াপাড়ার ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। নওয়াপাড়া সার, সিমেন্ট ও খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল হোসেন বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করতে না পারলে ব্যবসায়ীরা কঠোর কর্মসূচি দেবে।’

 

এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ‘নিহত আনিছুর রহমানের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।’

 

নিহত আনিছুর রহমান সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের তুলসীডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি ব্যবসায়িক কারণে অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। তিনি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জয়েন্ট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের পরিচালক ও নওয়াপাড়া সার, সিমেন্ট, খাদ্যশস্য ও কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা ছিলেন।

যশোরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সারা দেশে উদ্বেকজনক হারে হাম রুবেলা আক্রান্ত হলেও সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা এখনও শুন্যের কোটায় রয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত হাম-রুবেলা উপসর্গে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি ।

জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে জেলায় নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির পাশাপাশি এই বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। গত ২০ এপ্রিল শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনা। সেই হিসেবে টিকাদান কার্যাক্রম শেষ হতে চলছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহমান জানান, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। নিয়মিত শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে এবং টিকাকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে অভিভাবকদের মাঝে সন্তুষ্টি দেখা গেছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, “সারা দেশের মতো সাতক্ষীরায় তেমন কোনো হাম আক্রান্ত রোগী নেই। তবে জেলায় এ পর্যন্ত পজেটিভ পাওয়া গেছে তিনজনের। তারা সকলে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখনও পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে মারা যায়নি কেউ।” তিনি আরো বলেন, “আমাদের এখন অনেক সন্দেহজনক রোগী পাওয়া যাচ্ছে আমরা তাদের স্যাম্পল সংগ্রহ করে ঢাকাতে পাঠিয়েছি। জেলায় এ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ লাখ ৭৪হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকা দিয়েছি এখন প্রায় তিন হাজারের মত বাকি আছে। এম আর ভাকসিনের ক্ষেত্রে জেলার প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট সহযোগিতা করেছে। কোথাও কোনো নেগেটিভ খবর পাওয়া যায়নি বরং জনগনের আস্থা বেড়েছে।”

সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

গ্রীষ্ম এলেই প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে আর শহরের অলিগলিতে তখন ছড়িয়ে পড়ে পাকা আমের মিষ্টি ঘ্রাণ। আর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনপদ সাতক্ষীরা এখন সেই ঘ্রাণে মুখরিত। জেলার বিস্তীর্ণ আমবাগানে শুরু হয়েছে মৌসুমের প্রথম দিকের আম পাড়া। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত আম পাড়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গত ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগসহ আগাম জাতের আম পাড়া শুরু হয়েছে। আর আগামী ১৫ মে থেকে শুরু হবে বহুল জনপ্রিয় ও সুস্বাদু হিমসাগর আম সংগ্রহ। মৌসুমের শুরুতেই সাতক্ষীরার বাজার, সড়ক ও কুরিয়ার সার্ভিসগুলোতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য। আমকে ঘিরে যেন পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বাজার এখন আমের বাজারে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন ভোর হতেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ভ্যান, ট্রলি, মিনি ট্রাক ও ছোট যানবাহনে করে আমবাগানের মালিক ও ব্যবসায়ীরা আম নিয়ে বাজারে আসছেন। পাইকাররা সেই আম কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনদের জন্য সুন্দর কুরিয়ার, এস এ পরিবহনসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আম পাঠাচ্ছেন। আম মৌসুম ঘিরে কুরিয়ার সার্ভিস ও পরিবহন খাতেও সৃষ্টি হয়েছে বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ। বর্তমানে প্রতি মন আম প্রায় ১৬০০ টাকা দরে কিনলেও কুরিয়ারে পাঠাতে প্রতি কেজিতে গড়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। তবুও সাতক্ষীরার আমের স্বাদ ও সুনামের কারণে মানুষ আগ্রহ নিয়ে এই আম সংগ্রহ করছেন।

একসময় দেশের বাজারে রাজশাহীর আমের কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাতক্ষীরার আমও দেশের মানুষের কাছে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার হিমসাগর আম এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এ আমের স্বাদ, মিষ্টতা ও ঘ্রাণ এমন যে, একবার খেলে মানুষ বারবার খেতে চান। অনেকে মজা করে বলেন, সাতক্ষীরার হিমসাগর আম সামনে থাকলে বয়স, ডায়েট কিংবা সংযম-সবকিছু ভুলে মানুষ বেশি খেয়ে ফেলেন। এই আমের আঁশ কম, শাঁস বেশি এবং স্বাদে অনন্য হওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ-সব বয়সী মানুষের কাছে এটি সমান প্রিয়।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হয় এবং প্রতিবছর হাজার হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলার সদর, তালা, কলারোয়া, দেবহাটা , আশাশুনি, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অসংখ্য আমবাগান। সাতক্ষীরার মাটি, আবহাওয়া ও লবণাক্ততাসহ পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এখানকার আমে একটি স্বতন্ত্র স্বাদ তৈরি হয়। শুধু দেশেই নয়, সাতক্ষীরার আম এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে সাতক্ষীরার আমের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে আম শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে আম মৌসুমে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে মাঝেমধ্যে এই সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যবসায়ী অপরিপক্ক আম আগেভাগে গাছ থেকে নামিয়ে কৃত্রিম উপায়ে মেডিসিন প্রয়োগ করে দ্রুত পাকিয়ে বাজারজাত করেন। এতে আমের স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। বিভিন্ন সময়ে অপরিপক্ক ও কেমিক্যালযুক্ত আম জব্দ করে ধ্বংসও করা হয়েছে। মূলত এই অনিয়ম ঠেকাতে এবং বাজারে নিরাপদ ও পরিপক্ক আম নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন আম পাড়া ক্যালেন্ডার চালু করেছে। নির্ধারিত সময়ের আগে আম পাড়া নিষিদ্ধ করায় ক্রেতারা এখন তুলনামূলক নিরাপদ ও সুস্বাদু আম পাচ্ছেন।

আম শুধু সুস্বাদু ফলই নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। আমে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পাকা আম চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরমের সময় শরীরে শক্তি জোগাতেও আম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিকিৎসকদের মতে, পরিমিত পরিমাণে আম খেলে হজম শক্তি বাড়ে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি পায়।

সাতক্ষীরার আম শিল্পকে ঘিরে অর্থনীতির যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা আরও বহুগুণ বাড়তে পারতো যদি এই অঞ্চলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রেললাইন বাস্তবায়ন হতো। সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে যশোরের নাভারন থেকে সাতক্ষীরা হয়ে সুন্দরবন পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। স্থানীয়দের মতে, এই রেললাইন চালু হলে আম, চিংড়ি মাছ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনে বিপ্লব ঘটবে। বর্তমানে যেখানে কুরিয়ার বা সড়কপথে প্রতি কেজি আম ঢাকায় পাঠাতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়, সেখানে রেলপথ চালু হলে খুব অল্প খরচে দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য পরিবহন সম্ভব হতো। এতে একদিকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হতেন, অন্যদিকে দেশের সাধারণ ভোক্তারাও কম দামে মানসম্মত আম কিনতে পারতেন।

এছাড়া রেললাইন চালু হলে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারতো। সাতক্ষীরার বিখ্যাত চিংড়ি মাছ, আম, পাট ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা যেতো। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ভ্রমণেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতো। সড়কপথের তুলনায় রেলপথে আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা সহজেই সাতক্ষীরার সুন্দরবন দেখতে আসতে পারতেন। এতে পর্যটন খাত যেমন সমৃদ্ধ হতো, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিও নতুন গতি পেতো।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় রেললাইন স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত প্রকল্পটির বাস্তব কাজ কিংবা জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি। ফলে সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এখনো অধরাই রয়ে গেছে। অথচ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে সাতক্ষীরা শুধু আম কিংবা চিংড়ির জেলা হিসেবেই নয়, দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক ও পর্যটন সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত হতে পারতো।

আজ যখন সাতক্ষীরার বাজার আমের ঘ্রাণে মুখরিত, যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাতক্ষীরার আমের কদর বাড়ছে, তখন এই সম্ভাবনাময় শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা, কৃষিভিত্তিক পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। কারণ সাতক্ষীরার আম শুধু একটি ফল নয়, এটি এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার প্রতীক।

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশে সংঘটিত কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা কিংবা ন্যায়বিচারবিরোধী কর্মকাণ্ডকে সরকার কখনো তামাদি হতে দেবে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যা থেকে শুরু করে শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত সব ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে শাপলা শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। সেসময় সরকারের সমর্থিত গণমাধ্যম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয় এবং বিএনপির বহু নেতাকে মামলায় জড়ানো হয়।

 

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের এমন কোনো গণতন্ত্রমনা অংশ নেই যারা নির্যাতনের শিকার হয়নি।

 

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, জাতীয় সংসদ ইতোমধ্যে শাপলা চত্বরের শহীদদের প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা জানিয়েছে এবং জুলাই অভ্যুত্থানসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের ঘটনাপ্রবাহ থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, বিরোধী দলের সমাবেশে হামলা, শাপলা চত্বরের অভিযান এবং ফ্যাসিবাদী আচরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ একসময় জাতীয় ঐক্যে পরিণত হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটে।

 

মহুরম বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য গড়ে উঠেছিল তার গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের কারণেই।

 

একইসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, জাতীয় সংসদে শাপলা শহীদদের স্মরণ করার মধ্য দিয়ে সরকার জাতির সামনে দায়বদ্ধতার বার্তা দিয়েছে।

স্মরণসভায় তথ্যমন্ত্রী একাত্তরের গণহত্যা থেকে শাপলা হত্যাকাণ্ড, সব ঘটনার বিচার করবে সরকার

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওরবেষ্টিত তিন জেলার সাতটি নদীর পানি এখনো কয়েকটি পয়েন্টে প্রাক-মৌসুমী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী তিন দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

 

শুক্রবার প্রকাশিত কেন্দ্রের নিয়মিত বুলেটিন অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন নদীর পানি কিছু এলাকায় বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের নলজুর নদীর পানি জগন্নাথপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

নেত্রকোণায় ধনু-বাউলাই, ভুগাই-কংস, সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর কয়েকটি পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। একইভাবে হবিগঞ্জের কালনি-কুশিয়ারা ও সুতাং নদীতেও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

 

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজান ও হাওর এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বেশ কয়েকটি নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী তিন দিন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে, এরপর পরিস্থিতির আরও উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রহমান বলেন, বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং ধীরে ধীরে পানি কমছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

বুলেটিনে আরও বলা হয়, সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি কমতে পারে। পাশাপাশি নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন নদীর পানিও আগামী দিনগুলোতে স্থিতিশীল বা হ্রাসের দিকে যেতে পারে, যা হাওর এলাকার নিম্নাঞ্চলে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।

হাওরে বন্যা পরিস্থিতি বদলাচ্ছে, এখনো ৭ নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও আতঙ্ক উড়িয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি জানান, এই চুক্তি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এই চুক্তিটি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এটি চাইলেই হুট করে বাতিল করার সুযোগ নেই। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ চুক্তিতেই রাখা হয়েছে।

 

তাই অহেতুক বিভ্রান্ত না হতে তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

 

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা-ওয়াশিংটন একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই করে।

 

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চাইলেই বাতিল করা যায় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

 

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে হেরে গেলো বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ১-১ এ সিরিজ ড্র করলো নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের দেয়া ১০৩ রানের লক্ষ্য ২০ বল আগেই টপকে যায় ব্ল্যাকক্যাপরা।

 

মিরপুরে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ২১ রান। এই জুটি ভাঙ্গে ১১ বলে ১৬ করা সাইফ হাসানকে লিনক্স সাজঘরে ফেরালে। ইনিংস লম্বা হয়নি আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমের। শূন্য রানে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর বৃষ্টি বাধায় বন্ধ হয় দুদলের লড়াই, প্রায় দুই ঘণ্টা পর আবারও মাঠে গড়ায় খেলা।

 

বৃষ্টির পরপরই আউট হন অধিনায়ক লিটন দাস। বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি শামীম পাটোয়ারীও। ২৪ বলে ৩৩ করা তাওহিদ হৃদয় আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। শেষ ২৫ বলে ২৬ রানে বাংলাদেশ হারায় ৬ উইকেট।

 

জবাবে ১২ রানে কিউইদের ২ উইকেট ফেলে দারুণ সূচনা করে বাংলাদেশ। মাত্র এক রান করেই সাজঘরে ফেরেন ক্লেভার ও কেলি। ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে সফরকারীরা।

 

অবশ্য এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি নিউজিল্যান্ডের। বেভন জ্যাকবসের ৩১ বলে ৬২ রানের ক্যামিওতে ৬ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্ল্যাকক্যাপরা।

 

বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ইসলাম তুলে নেন ৩টি উইকেট।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যায়। আজ তৃতীয় ম্যাচে জয় লাভ করে সিরিজ ড্র করলো নিউজিল্যান্ড।

পারল না বাংলাদেশ, সহজ জয় নিউজিল্যান্ডের

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে আজ সফরকারী নিউজিল্যান্ডের মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ। সিরিজের ১-০ তে এগিয়ে রয়েছে টাইগাররা।

 

শনিবার (২ মে) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর ২টায়। শেষ ম্যাচের জন্য আগের স্কোয়াড অপরিবর্তিত রেখেই দল ঘোষণা করেছে বিসিবি।

 

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে বল মাঠে না গড়াতেই বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ফলে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য সিরিজ নিশ্চিতের মিশন। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্যে নামবে।

 

তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য বাংলাদেশ দল: লিটন দাস (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), শামীম পাটোয়ারী, তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহান, মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মন্ডল, সাইফুদ্দিন এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে দুপুরে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রায় দুই বছর ধরে দেশের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসান অবশেষে বাংলাদেশে ফেরার সম্ভাব্য সময় নিয়ে কথা বলেছেন। সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশে ফিরতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর আর দেশে ফেরা হয়নি সাকিবের। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক আইনি জটিলতা তৈরি হয়। এরপর থেকেই তিনি পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইয়ে ‘ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম ২০২৬’-এর জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘স্পোর্টস্টার’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাকিব।

তিনি বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে বছরের শেষ দিকে সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে। আপাতত ভালো কিছুর প্রত্যাশা করছি। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত- আমাকে বাংলাদেশে ফিরতেই হবে। প্রশ্ন শুধু এটাই যে কত দ্রুত তা ঘটতে পারে।’

সাকিব আরও বলেন, ‘আমি আশাবাদী যে বছরের শেষ দিকে ফিরতে পারব। কিভাবে ঘটবে জানি না। তবে আমি সত্যিই আশাবাদী।’

চলতি বছরের শুরুতে সাকিবকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তখন আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড তার আইনজীবীদের কাছ থেকে মামলার কাগজপত্র সংগ্রহ করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল।

সে সময় বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই জাতীয় দলে ফিরতে পারেন সাকিব। তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি।

সাকিবের দাবি, আগের বোর্ড ফেরানোর আগ্রহ দেখালেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

তিনি বলেন, ‘আগের বোর্ড সত্যিই আমাকে ফেরানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল। কিন্তু মুখে বলা আর সেটাকে বাস্তবায়িত করা- দুটির মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। এখনও আমি শুনি যে সবাই আমাকে ফেরাতে চায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো- সত্যিকার অর্থে কেউ তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।’

এদিকে বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালও সাকিবের দেশে ফেরার বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সাকিবকে নিয়ে যেমন আলোচনা হচ্ছে, আমাদের আরও দুই সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি ও দুর্জয় ভাইও একই অবস্থায় আছেন। তাদের নিয়েও ভাবা উচিত।’

তামিম আরও বলেন, ‘ওর যে বিষয়টা আছে, ক্রিকেটিং যেকোনো সুযোগ-সুবিধার জন্য আমাদের দুয়ার সবসময় খোলা। আইনগত বিষয়গুলো আমাদের মন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) মহোদয় দেখছেন, তারা নমনীয় হওয়ার কথা বলেছেন। আইনি সমস্যা সমাধান করে তারা ফিরলে আমরা তাদের দুই হাত বাড়িয়ে স্বাগত জানাব।’

বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্ট খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর আর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামেননি তিনি। তবে এর আগে একাধিকবার দেশের মাটিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার।

কবে দেশে ফিরবেন, জানালেন সাকিব

নারী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিতঃ

 

বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি ক্লাবের আয়োজনে আজ ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ০৭.০০ ঘটিকায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে “নারী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, খুলনা জনাব চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল-রাজী এবং সভাপতিত্ব করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মান্যবর পুলিশ কমিশনার এবং বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা।

 

নির্ধারিত ৩০ মিনিটের টানটান ও উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি নারী দল, খুলনা জেলা নারী কাবাডি দলকে ১৭–১৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয় লাভ করে! প্রতিযোগিতামূলক এই ম্যাচটি উপস্থিত দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে!

 

প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ খেলার শুরুতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার আপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

পরিশেষে, মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয় তাঁর সমাপনী বক্তব্যে মাননীয় প্রধান অতিথিকে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কাবাডি খেলা উপভোগ করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন । তিনি উভয় টিমের নারী সদস্যদের দেশের মূল্যবান সম্পদ হিসাবে আক্খায়িত করে তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা এবং দেশের জন্য আরও সুনাম বয়ে আনার আহবান জানান!

 

এ সময় কেএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য এবং ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নারী কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিতঃ

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারালো বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। কিউইদের দেয়া ১৮৩ রানের টার্গেট ১২ বল হাতে রেখেই টপকে যায় টাইগাররা।

 

এই জয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ব্ল্যাকক্যাপদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার কীর্তি গড়েছে বাংলাদেশ।

 

সাগরিকায় শুরুতেই হোচট নিউজিল্যান্ড শিবিরে। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন টিম রবিনসন। এরপর ৮৮ রানের জুটি গড়েন ওপেনার ক্লার্ক ও ক্লেভার। ৩৭ বলে ৫১ রান করেন ক্লার্ক। ৩৯ রান করা অধিনায়ক নিক ক্যালিকে ফেরান শরিফুল। শেষ দিকে জশ ক্লার্কসনের ২৭ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জিং পুজিঁ পায় কিউইরা।

 

বাংলাদেশের পক্ষে ২টি উইকেট শিকার করেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব ও শেখ মেহেদী হাসান ১টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন।

 

জবাবে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান। ১৭ রান করে আউট হন সাইফ। লিটন ২১ ও তামিম ২০ রানে ফিরলে ৭৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর পারভেজ ইমনের সাথে ৫৪ রানের জুটিতে ম্যাচে রোমাঞ্চ এনে দেন তাওহিদ হৃদয়। ১৪ বলে ২ ছক্কায় ২৮ রানে ফেরেন ইমন।

 

শেষ পর্যন্ত হৃদয়ের ২৭ বলে অপরাজিত ৫১ আর শামীম হোসেন পাটোয়ারীর ১৩ বলে ৩১ রানের ক্যামিওতে ২ ওভার বাকি থাকতে ৬ উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা হন হৃদয়।

রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারালো বাংলাদেশ

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টুর মতো নেতা আর আসবে না: হাজী মোঃ রাকিব হাসান গফুর

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার আশুলিয়া ও ঢাকা জেলার রাজনীতিতে খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টুর অবদান ও আদর্শের কথা স্মরণ করে বিশেষ মন্তব্য করেছেন সাভার থানা জিয়া মঞ্চের সভাপতি ও আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোঃ রাকিব হাসান গফুর। তিনি বলেন, সময়ের আবর্তে এই অঞ্চলে অনেক নেতারই আসা-যাওয়া হবে, কিন্তু ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি, মরহুম খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টুর মতো জনদরদী ও ত্যাগী নেতা আর দ্বিতীয় কেউ আসবে না।

 

সাভার-আশুলিয়ার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে গণ টেলিভিশনের সাথে আলাপকালে, হাজী মোঃ রাকিব হাসান গফুর বলেন, “নেতৃত্বের পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। অনেক নেতা অতীতে এসেছেন এবং ভবিষ্যতেও আসবেন। কিন্তু বিল্টু ভাইয়ের যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সাধারণ মানুষের প্রতি যে ভালোবাসা ছিল, তা সত্যিই বিরল। জনগণের হৃদয়ে তিনি যে স্থান করে নিয়েছেন, তা অন্য কারও পক্ষে অর্জন করা প্রায় অসম্ভব।”

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টু যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। বিল্টুর অভাব সাভার ও আশুলিয়ার আপামর জনসাধারণ সবসময় অনুভব করবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

খন্দকার শাহ্ মাইনুল হোসেন বিল্টুর মতো নেতা আর আসবে না: হাজী মোঃ রাকিব হাসান গফুর

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী থানা পুলিশের অভিযানে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (০৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভূল্লী থানার একটি দল ১৫নং দেবীপুর ইউনিয়নের খোশবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ১নং আসামি মোঃ গোলাম মোস্তফা গোলা (২৬), পিতা-মৃত ফজলুল করিম (মিস্টার), ২নং আসামি মোঃ জাকির হোসেন (৩৫), পিতা-মৃত নূর মোহাম্মদ এবং ৩নং আসামি মোঃ আব্দুল মজিদ (২০), পিতা-মোঃ শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের সকলের বাড়ি খোশবাজার এলাকায়।

 

অভিযানকালে পুলিশ ১নং আসামির নিজ বসতবাড়িতে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সময় তাদের আটক করে। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে গোলাম মোস্তফা গোলার হেফাজত থেকে ০৫ পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট এবং জাকির হোসেনের কাছ থেকে ২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ৩নং আসামি আব্দুল মজিদ মাদক ক্রয়ের উদ্দেশ্যে সেখানে এসেছিল বলে পুলিশ জানায়।

 

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতারকৃতদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে ভূল্লী থানা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। যুব সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে আমাদের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ভূল্লীতে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেট ও গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যশোরের নওয়াপাড়ায় আনিছুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে ওই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সিসি ক্যামেরার ওই ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে নিহত আনিছুর রহমানের স্ত্রী নাহিদা ইসলাম বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দু-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

 

 

মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের শাহ মো. জুনায়েদের ছেলে শাহ মো. মাহমুদ (৩৮) এবং একই গ্রামের মৃত নিছার আলীর ছেলে নাসির (৩২)।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গুয়াখোলা গ্রামে পীরবাড়ী মসজিদের সামনে আনিছুর রহমান তার নির্মাণাধীন ছয়তলা ভবনের (আনিছ ট্রেড ভ্যালি) ম্যানেজার রেজাউল ইসলামের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় শাহ মো. মাহমুদ তার সহযোগী নাসিরসহ অজ্ঞাতপরিচয় দু-তিনজন অস্ত্রধারী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে। একপর্যায়ে শাহ মাহমুদ গালিগালাজ করে তার কাছে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আনিছুর রহমানের মুখের বাম পাশে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

 

পরে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে আনিছুর রহমানের মৃত্যু হয়।

 

এদিকে আনিছুর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করার ৪৬ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে শাহ মো. মাহমুদ নামে ওই যুবক তার কোমরে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আনিছুরকে কোপাতে শুরু করে।মামলার বাদী নাহিদা ইসলাম জানান, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

 

ব্যবসায়ী নেতা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার নওয়াপাড়ার সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়। আসামিদের গ্রেফতারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে বন্দরনগরী নওয়াপাড়ার ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। নওয়াপাড়া সার, সিমেন্ট ও খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল হোসেন বলেন, ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করতে না পারলে ব্যবসায়ীরা কঠোর কর্মসূচি দেবে।’

 

এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ‘নিহত আনিছুর রহমানের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।’

 

নিহত আনিছুর রহমান সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের তুলসীডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি ব্যবসায়িক কারণে অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। তিনি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জয়েন্ট ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের পরিচালক ও নওয়াপাড়া সার, সিমেন্ট, খাদ্যশস্য ও কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা ছিলেন।

যশোরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সারা দেশে উদ্বেকজনক হারে হাম রুবেলা আক্রান্ত হলেও সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা এখনও শুন্যের কোটায় রয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত হাম-রুবেলা উপসর্গে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি ।

জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে জেলায় নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির পাশাপাশি এই বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। গত ২০ এপ্রিল শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনা। সেই হিসেবে টিকাদান কার্যাক্রম শেষ হতে চলছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহমান জানান, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। নিয়মিত শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে এবং টিকাকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে অভিভাবকদের মাঝে সন্তুষ্টি দেখা গেছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, “সারা দেশের মতো সাতক্ষীরায় তেমন কোনো হাম আক্রান্ত রোগী নেই। তবে জেলায় এ পর্যন্ত পজেটিভ পাওয়া গেছে তিনজনের। তারা সকলে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখনও পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে মারা যায়নি কেউ।” তিনি আরো বলেন, “আমাদের এখন অনেক সন্দেহজনক রোগী পাওয়া যাচ্ছে আমরা তাদের স্যাম্পল সংগ্রহ করে ঢাকাতে পাঠিয়েছি। জেলায় এ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ লাখ ৭৪হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকা দিয়েছি এখন প্রায় তিন হাজারের মত বাকি আছে। এম আর ভাকসিনের ক্ষেত্রে জেলার প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট সহযোগিতা করেছে। কোথাও কোনো নেগেটিভ খবর পাওয়া যায়নি বরং জনগনের আস্থা বেড়েছে।”

সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা

বিস্তারিত....

Top