বরিশাল বিভাগ

মনপুরায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার, রিপোর্টার্স ক্লাবের তীব্র ক্ষোভ

ভোলা প্রতিনিধিঃ- মনপুরা উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য গফুর সিকদারের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে তথ্য প্রমানহীন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে সোহেব নামক এক ছাত্রলীগ নেতা। ভুক্তভোগী গফুর সিকদার বিস্তারিত

মনপুরা বন বিভাগের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

সম্প্রতি “দৈনিক নাগরিক সংবাদ” নামক একটি অনলাইন পত্রিকায় “মনপুরা উপজেলার সংরক্ষিত বনে নির্বিচারে গাছ নিধন চলছে” ও দৈনিক তৃতীয় মাত্রা নামক অনলাইন পোর্টালে মনপুরা সংরক্ষিত বনে গাছ নিধনের হাহাকার ; বিস্তারিত

মনপুরা প্রতিনিধিঃ-ভোলার মনপুরা উপজেলায় সরকারি পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় নিয়মিত বন্ধ থাকে এমন অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্থাপিত হয়। ঘটনাটি অনুসন্ধানে আজ সংবাদ কর্মীরা মাঠে নামে এবং সত্যতা পায়। অনুসন্ধানে দেখা যায়আজ ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ বেলা ১১ টায়  মনপুরা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়টি সম্পূর্ণ বন্ধ ও তালাবদ্ধ।  স্থানীয় বেশ কয়েকজন পথচারী জানান, নিয়মিত কর্মস্থলে কেউ থাকেন না, মাঝেমধ্যে দু একজন কর্মকর্তা আসেন এবং তখন তারা অফিসের মধ্যেই থাকেন।

বিষয়টি নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কবির সোহেলের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, মনপুরা পরিবার পরিকল্পনা  বিভাগ দেখার জন্য আলাদা কর্মকর্তা রয়েছে। আপনারা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন অফিসকে জানান।

তবে অফিস বন্ধ থাকায় অফিসের মধ্যে বসবাসের তথ্যটি অনুসন্ধান করা যায়নি।বিষয়টি নিয়ে উক্ত অফিসের অফিস সহকারী শাহাবুদ্দিনের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মনপুরা আমার মূল দায়িত্ব তবে আমি আজ লালমোহন উপজেলা এখানে আমার অতিরিক্ত দায়িত্ব। পরবর্তীতে লালমোহন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অফিস সহকারী শাহাবুদ্দিন লালমোহন অফিসেও উপস্থিত নেই। মূলত অফিস সহকারী শাহাবুদ্দিন অতিরিক্ত দায়িত্বের অজুহাতে তার নিজ বাড়ি লালমোহন উপজেলায় নিয়মিত অবস্থান করছেন এবং এভাবেই নিয়মিত কর্মস্থল ফাঁকে দেওয়া অভিযোগ রয়েছে উক্ত অফিসের বিরুদ্ধে । এছাড়া আরোও অভিযোগ রয়েছে অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরাও কেউ উক্ত অফিসে নিয়মিত আসেন না, শুধুমাত্র মাসে একবার এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে বেতন তুলে নিয়ে যান।এ বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন অফিসগুলোর নেই কোন যথাযথ মনিটরিং। এছাড়াও আজ উক্ত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মফিজুল ইসলাম, অফিস স্টাফ রুনা ও এনায়েত হোসেন কেউ বারবার মুঠোফোনের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।এমনকি আরো জানাযায়, উক্ত অফিসে দুইজন মাঠ সুপারভাইজার রয়েছে এবং ৫ জন পরিবার পরিকল্পনা মাঠকর্মী কেউ আসেন না উক্ত অফিসে। উক্ত বিষয়ে দুজন মাঠ সুপারভাইজারকে ( মোঃ রুবেল ও মোঃ মনির হোসেন) মুঠো ফোনে বারবার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।তবে বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান জানান, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না, অফিসে ঘুমানো বা বসবাসের কোন বিধান নেই,অফিস বন্ধ রাখা বিষয়ে আমি ব্যবস্থা নিবো।

তবে বিষয়টিকে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অবহেলা হিসেবে দেখছে সচেতন মহল।

চলছে আমাদের অনুসন্ধান, আসছে বিস্তারিত ২য় পর্বে।

ভোলার মনপুরা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় থাকে তালাবদ্ধ, নেই মনিটরিং

মনপুরা প্রতিনিধিঃ-ভোলার মনপুরা উপজেলায় সরকারি পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় নিয়মিত বন্ধ থাকে এমন অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্থাপিত হয়। ঘটনাটি অনুসন্ধানে আজ সংবাদ কর্মীরা মাঠে নামে এবং সত্যতা পায়। অনুসন্ধানে দেখা যায়আজ বিস্তারিত

বরিশালে প্রথমবারের মতো করোনা শনাক্ত

চলতি বছরে প্রথম বারের মতো বরিশালে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত শনিবার বরিশাল জেনারেল (সদর) হাসপাতালে কোভিড পরীক্ষায় তার করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। তবে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের দু’দিন বিস্তারিত

বরিশাল নদী বন্দরে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

বৈরী আবহাওয়ার কারণে বরিশাল নদী বন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপথের সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে এ সিদ্ধান্ত জানায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। বিআইডব্লিউটিএ জানায়, বিস্তারিত

ভোলায় উদাসীন প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ, প্রধান শিক্ষক স্কুলে না গিয়ে বেতন তুলেন বছরের পর বছর।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদকঃ-ভোলা জেলাধীন মনপুরা উপজেলার ৬ নং সোনারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুদ্দিনে বিরুদ্ধে স্কুলে না গিয়ে বছরের পর বছর বেতন তোলার অভিযোগ রয়েছে। তথ্যসূত্রে দেখা যায়, মনপুরায় বিস্তারিত

ভোলায় সংঘাত সহিংসতার মধ্য দিয়ে মনপুরা উপজেলা নির্বাচন শুরু, জনতার রায়ের অপেক্ষা।

ভোলা প্রতিনিধিঃ- সংঘাত সহিংসতার মধ্য দিয়ে ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। উক্ত নির্বাচনে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ২ প্রার্থী,শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক ও অন্যজন জাকির হোসেন মিয়া। ইতোমধ্যে বিস্তারিত

সাজ্জাদ হোসেন সাজু(বিশেষ প্রতিনিধি)

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের একরাম মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামে গলায় সৌর বিদ্যুতের তার পেচিয়ে মোঃ আফজাল শেখ(২৮) নামে এক যুবক আত্ম্যহত্যা করেছে। ১৯জুন শনিবার সকালে ঐ যুবক তার বাড়ির একটি দোচালা ঘরের আড়ার সাথে সৌর বিদ্যুতের তার গলায় পেচিয়ে আত্মহত্য করে।আফজাল ঐ গ্রামের বাসিন্দা শেখ ছালামের ছেলে।

ঘটনার বিবরনে তার প্রতিবেশী আসলাম মন্ডল জানায় আফজাল ঢাকায় এক ডগইয়ার্ডে কাজ করত। সে দুটি বিবাবহ করেছে প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ঢাকা থেকে একটি মেয়েকে বিবাহ করে বাড়ি নিয়ে আসে আফজাল।সম্প্রতি আফজালের ২য় স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বই সেঘটনার দিন সকালে আফজাল তার ভাবীর নিকট খাবার খেতে চায়। কিছুসময় পর তার ভাবী খাবার নিয়ে এসে দেখে আফজাল ঘরের ভেতর উপর হয়ে পরে আছে ও আড়ার সাথে সৌড় বিদ্যুতের তার ঝুলছে।

আত্ম্যহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃজাকারিয়া হোসেন বলেন “খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে সন্ধার দিকে থানায় নিয়ে আসা হয়।ছেলেটির পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের কোন অভিযোগ না থাকায় প্রাথমিকভাবে পরিক্ষা নিরিক্ষা শেষে লাশ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে” এছাড়া এই ঘটনায় চরভদ্রাসন থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলেও জানান থানার এই কর্মকর্তা

চরভদ্রাসনে গলায় তার পেচিয়ে যুবকের আত্ম্যহত্যা

সাজ্জাদ হোসেন সাজু(বিশেষ প্রতিনিধি) ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের একরাম মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামে গলায় সৌর বিদ্যুতের তার পেচিয়ে মোঃ আফজাল শেখ(২৮) নামে এক যুবক আত্ম্যহত্যা করেছে। ১৯জুন শনিবার সকালে ঐ বিস্তারিত

সাজ্জাদ হোসেন সাজু(বিশেষ প্রতিনিধি)

ফরিদপুরঃ জেলায় মঙ্গলবার পাওয়া প্রতিবেদনে ২৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯০ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ১৬ শতাংশ।

ফরিদপুর করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব সূত্র জানিয়েছে, গতকাল সোমবার করোনা শনাক্তের হার ছিল ৩৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত রোববার শনাক্তের হার ছিল ৫৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। শনিবার শনাক্তের হার ছিল ৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। শুক্রবার শনাক্তের হার ছিল ২৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ থেকে জেলায় করোনা পরিস্থিতির যে উন্নতি হয়নি, তা পরিষ্কার হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসককে লকডাউন দেওয়ার সুপারিশ করবেন বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন। তবে বাস্তবায়নের সুবিধা চিন্তা করে পুরো জেলাকে লকডাউন না করে অধিকতর খারাপ অবস্থা বিবেচনায় ফরিদপুর পৌরসভাকে পুরোপুরি কঠোর লকডাউনের আওতায় আনার কথা বলেছেন LPপুলিশ সুপার।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান বলেন, ফরিদপুর সদর, বোয়ালমারী, চরভদ্রাসন, ভাঙ্গা ও সালথায় করোনার পরিস্থিতি শঙ্কাজনক। তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে ফরিদপুর পৌরসভাসহ ফরিদপুর সদর।

এই পরিস্থিতিতে লকডাউন দেওয়ার ব্যাপারে ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক বেলাল হোসেনের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি জেলার করোনা নিয়ন্ত্রণ কমিটিই এ ব্যাপারে সর্বময় ক্ষমতা নেওয়ার অধিকারী।

সিভিল সার্জন বলেন, জেলা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক অতুল সরকারকে লকডাউন দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আজ বুধবার আবেদনপত্র দেওয়া হবে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, ফরিদপুরকে লকডাউনের আওতায় আনতে হবে। তবে পুরো জেলা লকডাউন দেওয়া হলে তা কার্যকর করা কষ্টসাধ্য। তবে খারাপ অবস্থা বিবেচনায় ফরিদপুর পৌরসভাকে কঠোর লকডাউনের আওতায় আনতে হবে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের জন্য এ লকডাউন বলবৎ করা যেতে পারে। ওই সময় হাসপাতালের কাছে কয়েকটি ওষুধের দোকান ছাড়া ব্যাংক-বিমাসহ সবকিছু বন্ধ রাখা জরুরি। লকডাউনে কাউকে ঘরের বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। প্রস্তুতির জন্য দুই-তিন দিন মাইকিং করে এ ঘোষণা দেওয়া যেতে পারে।

ফরিদপুরে লকডাউন চান সিভিল সার্জন

সাজ্জাদ হোসেন সাজু(বিশেষ প্রতিনিধি) ফরিদপুরঃ জেলায় মঙ্গলবার পাওয়া প্রতিবেদনে ২৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯০ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। ফরিদপুর করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব বিস্তারিত

সাজ্জাদ হোসেন সাজু (বিশেষ প্রতিনিধি)

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়
শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকা হতে ১ ঘটিকা পর্যন্ত
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প -এর আওতায় ফরিদপুর জেলার চর ভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং ৬০০ মিটার বেড়জাল জব্দ করা হয় এবং জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এ সময়ে কোনো জাটকা ইলিশ পাওয়া যায়নি।
অভিযান
উপস্থিত ছিলেন ঝাউকান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব ফরহাদ হোসেন মৃধা, উপজেলা মৎস্য অফিসার জনাব এস. এম. মাহমুদুল হাসান,সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন সাজু , পুলিশ উপ-পরিদর্শক মোঃ কামরুজ্জামান ও অন্যান্য পুলিশ সদস্য, মৎস্য দপ্তরের সহকারী মোঃ শামিম আরেফিন, মোঃ মাসুদ রানা এবং লিফ মোঃ আব্দুল বাতেন,

চরভদ্রাসন পদ্মা নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়

সাজ্জাদ হোসেন সাজু (বিশেষ প্রতিনিধি) ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকা হতে ১ ঘটিকা পর্যন্ত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প -এর আওতায় ফরিদপুর বিস্তারিত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩