Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল। - Gono television is the Bangladesh Government Approved 24/7 News Based TV Channel and Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in Bangladesh, It also the Most Popular News Media for Bangaldesh and Bengali Audience worlwide since 2016.

সংবাদ শিরোনামঃ
বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার নিখোঁজ শিবির নেতা জিসান নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল যুবকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেফতার দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার করতে বললেন প্রতিমন্ত্রী শেওড়াপাড়ায় মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ২ ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি, আতঙ্কিত হবেন না: গভর্নর গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মুজিবুর রহমান নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মুজিবুর রহমান নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।

 

তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে এবং আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

শুক্রবার চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে স্টার্ট-আপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, আমরা আগে যে ধরনের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করেছি, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সেটির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মূলত ইনোভেশন, স্টার্ট-আপ এবং প্রজেক্ট বেইজড। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল। প্রদর্শনীতে ৬ কলেজসহ উপজেলার মোট ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

 

শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তার মোট ২৯ প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

 

প্রজেক্ট প্রদর্শন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় হয়েছে রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় হয়েছে গুলবাহার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাওকাত হোসেন সুমন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ, শিক্ষক, সুধী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান আহম্মেদ প্রধানকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর কুমিল্লার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (১২ জুন) বিষয়টি রাত ১০ টা ২০ মিনিটে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী কামরুন্নাহার লাকী।

 

তিনি লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও কুমিল্লা টাওয়ার হসপিটালে উন্নত চিকিৎসার জন্য আনা হচ্ছে।

 

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত সাড়ে ৮টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধান পাননি।

 

এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বড় ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহমেদ রাফি।

 

শুক্রবার রাতে খবর পাওয়া যায়, জিসান আহম্মেদ প্রধানকে লাকসাম জংশন এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার চিকিৎসা শুরু হয়।

 

তবে কীভাবে তিনি সেখানে পৌঁছেছেন, নিখোঁজ থাকার সময়ে তার সঙ্গে কী ঘটেছে কিংবা কোনো অপরাধমূলক ঘটনার শিকার হয়েছেন কি না—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী কামরুন্নাহার লাকী জানিয়েছেন, জিসানের নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তীতে উদ্ধারের ঘটনাটি পরে অবগত করব। আপাতত হসপিটালে চিকিৎসা চলছে।

অচেতন অবস্থায় উদ্ধার নিখোঁজ শিবির নেতা জিসান

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অর্থে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তবে ভূমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচায় প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রকাশে উৎসাহ দিতে সীমিত একটি কর-সুবিধা রাখা হয়েছে , যা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

এর আগে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) দাবি করে যে, প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষভাবে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ ধরনের বিধানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, “ভালো বাজেটের কালো দিক হলো কালো টাকা। এই সুযোগ না রেখে বাজেটকে কালো টাকা-মুক্ত রাখা যেত কি না।”

 

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি ঘিরে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয়মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় অনেক বৈধ লেনদেনও কর-জটিলতায় পড়ে।

 

তিনি আরও জানান, গত অর্থবছর থেকে বিক্রেতাদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যেখানে প্রকৃত লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেল ও প্রয়োজনীয় দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করা গেলে নিয়মিত কর এবং ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়া যায়।

 

এবারের বাজেটে একই ধরনের একটি ব্যবস্থা ক্রেতাদের জন্যও বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা প্রকৃত মূল্যে সম্পদ কিনলেও নিবন্ধনে কম মূল্য দেখানো হয়, ফলে পরবর্তীতে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত তথ্য পেলে অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

 

এই জটিলতা কমাতে নতুন বিধানের মাধ্যমে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রকৃত লেনদেনমূল্য ঘোষণা করলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত কর দিয়ে তা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

তবে এ বিষয়ে আপত্তি উঠলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

 

এদিকে একই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনে ব্যবহৃত মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

 

তিনি জানান, মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জরিপের মাধ্যমে দেশের ভূমিমূল্য কাঠামো হালনাগাদ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

অর্থমন্ত্রীর মতে, মৌজা রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা গেলে লেনদেনমূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং বিতর্কিত কর-সুবিধার প্রয়োজনও অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

পাবনার সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে রুহান মোল্লা নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

রুহান মোল্লা (২৬) উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রুহান বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশে ডোবায় টেঁটা দিয়ে মাছ শিকার করতে যান। সেখান থেকে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

 

পরিবারের অভিযোগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম থাকার পরও চিকিৎসক রুহানের শরীরে তা প্রয়োগ না করে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই রুহান মারা যান। এ ঘটনায় অভিভাবকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

 

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক প্রয়োগ করেনি। অ্যান্টিভেনম সময়মতো প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

 

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল বাতেন বলেন, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোনো নমুনা পায়নি। হাসপাতালে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক রয়েছে।

 

সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।

ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল যুবকের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এসএম মিজানুর রহমান (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।

 

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

 

গ্রেফতার মিজানুর রহমান সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ।

 

ছাপড়হাটী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোখলেছুর রহমান মুকুল বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দিয়ে মানহানি করার কারণে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতার ওই যুবককে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেফতার

উন্নয়ন কাজে দুর্নীতি করলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি বলেন, এবারের বাজেটে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা সরকার থেকে সঠিকভাবে জনগণ পর্যন্ত পৌঁছালে প্রতিটি ঘর আলোকিত হবে। সবার কর্মসংস্থান হবে কেউ বেকার থাকবে না।

 

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দু:স্থদের মাঝে নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন, চাল, হুইল চেয়ার বিতরণ এবং স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলাকার রাস্তা ঘাট, ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণসহ প্রচুর উন্নয়ন কাজ হবে এখানে কেউ কোন প্রকার দুর্নীতি করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার) করুন। আমার দলের লোক হলেও তাকে ছাড় দেবেন না। সরকারি অর্থ তছরুপ করার অধিকার কারো নেই। তিনি উন্নয়ন কাজের নজরদারিতে প্রশাসনিক টিমকে সহযোগিতার জন্য দলের নেতাদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং কমিটি গঠনের কথাও বলেন।

দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার করতে বললেন প্রতিমন্ত্রী

 

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল আরোহী রাফির মাথায় ইট ছুড়ে মারার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার।

 

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন— মো. পারভেজ (৩০) ও আনোয়ার হোসেন বাবু (৩২)। মামলার অপর দুই আসামি মো. ফয়সাল ওরফে কালু এবং আমিন পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

ডিসি মোস্তাক সরকার জানান, গত মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে কাফরুল থানাধীন পূর্ব শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডের প্রায় ১০০ গজ পূর্বে ইব্রাহিমপুর পাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে রাফিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হয়। হামলাকারীরা তার মাথার ডান পাশে ইট ছুড়ে মারলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন।

 

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর হামলাকারীরা আহত রাফিকে একটি অটোরিকশায় তুলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়। পুরো ঘটনাটি কাছের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।

 

আহত রাফির চাচা নুর হোসেন বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চারজনকে শনাক্ত করা হয়।

 

তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে রাজধানীর ইব্রাহিমপুর এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন বাবুকে আটক করে পুলিশ। ঘটনাস্থলের কাছ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাফির মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

শেওড়াপাড়ায় মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ২

বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকারের পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো অযাচিত হস্তক্ষেপ করেনি।

 

গভর্নর জানান, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পাঁচজন সদস্য ছিলেন। পরে একজন সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় গত ১৬ মার্চ তাকে পরিবর্তন করা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হস্তক্ষেপের অভিযোগ সঠিক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ঋণ অনুমোদন, নিয়োগ বা পদোন্নতিতে নির্দেশনা দেয়নি।

 

ঈদের আগে চেয়ারম্যান পদত্যাগের পর ব্যাংকের কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান গভর্নর। তিনি বলেন, এটি একটি সিস্টেমিক ব্যাংক হওয়ায় ন্যূনতম পরিচালনা কাঠামো বজায় রাখা প্রয়োজন ছিল।

 

আমানতকারীদের উদ্বেগের কারণ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আমানত সুরক্ষিত এবং তারা যেকোনো সময় অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।

 

তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ব্যাংকটির অ্যাডভান্স-ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) ছিল প্রায় ৯৩ শতাংশ, যা চলতি বছরের মার্চে বেড়ে প্রায় ৯৮ শতাংশে পৌঁছায়। এডিআর স্বাভাবিক সীমার চেয়ে বেশি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি জানান।

 

 

ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি, আতঙ্কিত হবেন না: গভর্নর

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার

মৌচাকে শুক্রবার ১২ ই জুন বিকালে

“দেশীয় ফলের স্বাদে, উৎসবে মাতি সবার সাথে” এবং “দেশী ফল বেশী বল”—এই দুটি চমৎকার স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় মৌচাক প্রেস ক্লাব এই ব্যতিক্রমী ও সুস্বাদু উৎসবের আয়োজন করে।

মৌচাক প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আড়ম্বরপূর্ণ এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা ও সৌজন্যে ছিলেন মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন।

উৎসবে বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী নানা পদের দেশীয় মৌসুমী ফলের পসরা সাজানো হয়। প্রদর্শনী ও আপ্যায়নে থাকা ফলের তালিকায় ছিল—জাতীয় ফল কাঁঠাল, আম, লিচু, আনারস, কলা, জামরুল এবং করমচাসহ হরেক রকমের পুষ্টিকর দেশি ফল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি তুলে ধরা এবং কৃত্রিম বা রাসায়নিকযুক্ত ফলের ভিড়ে সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত ও তাজা ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন। প্রেস ক্লাবের সংবাদকর্মী ও স্থানীয় সুধীজনদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আমরা প্রতি বছরই এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই। দেশীয় ফল চাষে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা এবং এর পুষ্টিমান সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মৌচাক প্রেস ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উৎসব শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিভিন্ন সুস্বাদু মৌসুমী ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

খেলাধুলা

আজ থেকে পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর, যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৬টি বিশ্বমানের স্টেডিয়ামে বসবে এবারের সবচেয়ে বড় আসরের ১০৪টি ম্যাচের মহাযজ্ঞ। দর্শকরা পাচ্ছেন আধুনিক স্থাপত্য, প্রযুক্তি ও বিশাল ধারণক্ষমতার এক অনন্য ভেন্যু অভিজ্ঞতা।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে টুর্নামেন্টের ২৩তম আসর, যেখানে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে। ১৬টি শহরের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি, মেক্সিকোতে ৩টি এবং কানাডায় ২টি ভেন্যু রয়েছে।

 

এই আয়োজন চলবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। সবচেয়ে দূরের দুই ভেন্যু ভ্যানকুভারের বিসি প্লেসএবং মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও অ্যাজটেকা যার মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৪,৪০০ কিলোমিটার।

 

১৬টি ভেন্যু স্টেডিয়াম (দেশভিত্তিক তালিকা) এর মধ্যে মেক্সিকোতে ৩টি স্টেডিয়াম এস্তাদিও অ্যাজটেকা ,এস্তাদিও আকরন, এস্তাদিও বিবিভিএ। কানাডাতে ২টি স্টেডিয়াম বিএমও ফিল্ড, বিসি প্লেস। যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি স্টেডিয়াম মেটলাইফ স্টেডিয়াম ,এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়াম, সোফাই স্টেডিয়াম, অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, লেভিস স্টেডিয়াম, এনআরজি স্টেডিয়াম, মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম, লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ড, লুমেন ফিল্ড, হার্ড রক স্টেডিয়াম, গিলেট স্টেডিয়াম।

ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলোর বিস্তারিত জেনে নিন

জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অফ দ্য আর্থ’ খ্যাত ফুটবল বিশ্বকাপ। আজ বৃহস্পতিবার (১১জুন) উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে এবারের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮টি দল নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। তিন দেশের ১৬টি শহরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।

 

তিন দেশে একসঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

 

তিনটি দেশেই আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে, তবে সব অনুষ্ঠান একটি অভিন্ন থিমে যুক্ত থাকবে। এই থিমের মূল উদ্দেশ্য হলো ফুটবলের মাধ্যমে তিন দেশের ঐক্য এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি তুলে ধরা।

 

প্রতিটি আয়োজক দেশের অনুষ্ঠান শুরু হবে তাদের প্রথম ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে। অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করছেন বিখ্যাত ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মার্কো বালিচ, যিনি একাধিক অলিম্পিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তৈরি করেছেন।

 

কানাডা তাদের অনুষ্ঠানে তুলে ধরবে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। মেক্সিকো দেখাবে ঐতিহ্যবাহী পাপেল পিকাদো। যুক্তরাষ্ট্রে থাকবে আধুনিক ও ঝলমলে ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা।

 

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ এমন একটি মুহূর্ত, যা পুরো বিশ্ব একসঙ্গে ভাগ করে নেয়। এই উদযাপন শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই।’

 

মেক্সিকো সিটির অনুষ্ঠান প্রায় ১৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড চলবে। টরন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষ্ঠান প্রায় ১৩ মিনিট করে চলবে।

 

অনুষ্ঠান শেষে খেলোয়াড়রা মাঠে ওয়ার্মআপ করবেন। এরপর ম্যাচ শুরুর ২৫ মিনিট আগে প্রি-ম্যাচ অনুষ্ঠান ও খেলোয়াড় পরিচিতি শুরু হবে, যা প্রায় ১৩ মিনিট চলবে।

 

উদ্বোধনী ম্যাচে কারা মুখোমুখি

 

উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটির অ্যাজট্রেকা স্টেডিয়ামে।

 

কানাডা টরন্টোতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে খেলবে। এটি কানাডার জন্য ঐতিহাসিক ম্যাচ, কারণ প্রথমবারের মতো তারা নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলবে।

 

যুক্তরাষ্ট্র লস অ্যাঞ্জেলেসে তাদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে।

 

কোথায় ও কখন হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

 

মেক্সিকো সিটি (১১ জুন)

 

মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় দুপুর ১১টা ০০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর ৯০ মিনিট আগে।

 

এখানে মেক্সিকোর সংস্কৃতি, আদিবাসী পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী পাপেল পিকাদো তুলে ধরা হবে।

 

এতে অংশ নেবেন আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্দা, ড্যানি ওশান, জে বালভিন, লিলা ডাউনস, লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলেস এবং মানা। দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা টাইলা-ও পারফর্ম করবেন।

 

শাকিরা ‘দাই দাই’ পরিবেশন করবেন এবং বার্না বয়ও পারফর্ম করবেন। শাকিরা ১৯ জুলাই ফাইনালের হাফটাইম শোতেও অংশ নেবেন, যেখানে থাকবেন ম্যাডোনা এবং কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস।

 

মেক্সিকো সিটিতে ১১ জুন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুল বন্ধ রয়েছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠানকে রিমোট কাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

টরন্টো (১২ জুন)

 

টরন্টোতে অনুষ্ঠান শুরু হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে, কানাডা বনাম বসনিয়া ম্যাচের আগে।

 

এখানে কানাডার সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য তুলে ধরা হবে। পারফর্ম করবেন আলানিস মোরিসেট, আলেসিয়া কারা, এলিয়ানা, জেসি রেয়েজ, মাইকেল বুবলে, নোরা ফাতেহি, সানজয়, ভেজেড্রিম এবং উইলিয়াম প্রিন্স।

 

কানাডার জন্য এটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ তারা প্রথমবার নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ খেলবে।

বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ, দেখবেন যেভাবে

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

থাকেন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে। পেশায় ভ্যানচালক। স্ত্রীসহ এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে তার। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হলেই বদলে যান তিনি। স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার ঋণ নিয়ে আর্জেনটিনা এ ভক্ত সেজেছেন নিজে। সাজিয়েছেন ভ্যান রিকশা সেই সাথে কিনেছেন ১৬টি আর্জেন্টিনার পতাকা।

 

বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় আর্জেন্টিনার এ ভক্তের নাম সুমন গৌড়। থাকেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর সদরের দত্তপাড়া সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে। এলাকায় তিনি মেসি সুমন নামে সমধিক পরিচিত। তার রয়েছে স্ত্রী এক মেয়ে এক ছেলে।

বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই যেন বদলে যায় তার জীবন।

 

আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন আর নানা সাজসজ্জায় নিজের বসতিপাড়া সাজিয়ে তুলছেন তিনি। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন ছোট্ট একটি আর্জেন্টিনা গ্রাম।

 

তবে এই আয়োজনের পেছনের গল্প আরও বিস্ময়কর। আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানাতে স্ত্রী আরতি রাণী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পূর্ণিমার নামে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন সুমন। সেই অর্থ ব্যয় করছেন পতাকা, ব্যানার, রং ও বিভিন্ন সাজসজ্জার কাজে।

 

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য বিরিয়ানি রান্না করে আপ্যায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

 

নিজস্ব কোনো জমিজমা নেই সুমনের। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন। জীবিকা নির্বাহ করেন ভ্যান রিকশা চালিয়ে। সংসারে অভাব-অনটন থাকলেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আর আর্জেন্টিনার প্রতি আবেগ তাকে থামাতে পারেনি।

 

সুমন বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। এখন সবাই আমাকে সুমন না, ‘মেসি সুমন’ নামেই চেনে। বিশ্বকাপ এলেই আমি চেষ্টা করি আর্জেন্টিনার জন্য কিছু করতে। এটা আমার ভালোবাসা।

 

সুমনের স্ত্রী আরতি রাণী বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই স্বামীর আর্জেন্টিনাপ্রেম দেখে আসছি। সংসারে অভাব আছে, তবুও বিশ্বকাপ এলে তিনি সবকিছু ভুলে যান। এত টাকা খরচ করে এসব করা পাগলামি মনে হলেও স্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছি।’

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুমন খুবই দরিদ্র মানুষ। ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালান। কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই ঋণ নিয়ে এলাকায় সাজসজ্জা করেন, খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেন। এ কারণেই সবাই তাকে ‘মেসি সুমন’ নামে চেনে।

স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক

 

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ মামলার রায় দেবেন।

 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা তাম্মির সঙ্গে রাকিব হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাদীর দাবি, ওই বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার আগেই ২০২১ সালে ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন তামিমা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন রাকিব হোসেন।

 

তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। তাদের দাবি, আগের বৈবাহিক সম্পর্ক আইন অনুযায়ী শেষ হওয়ার পরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান ইসরাত হাসান বলেন, আমরা চাই, আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মামলার বিচার চলেছে। বিভিন্ন বিষয় চ্যালেঞ্জ করে তারা উচ্চ আদালতে রিভিশন করেছে। ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

 

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে আশা করছি। নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দুই ধারায় ও তামিমার বিরুদ্ধে তিন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর ও তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

 

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আমাদের আশা পজিটিভ। আসামিরা খালাস পাবেন আশা করছি। তারা কেন খালাস পাবেন যুক্তিতর্কে তুলে ধরেছি।

 

রায় শুনতে নাসির-তামিমা আদালতে আসবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, আশা করি, আসবেন।

 

মামলার বাদী রাকিব বলেন, ইনশাআল্লাহ, ন্যায় বিচার হোক। এ ধরনের কাজ যেন আর না হয়। রায়ের মাধ্যমে একটা ম্যানেজ যাক সমাজে। আমার সাথে যেমনটা ঘটেছে, যেন আর কারও সঙ্গে এমনটা না হয়।

 

এ বিষয়ে নাসির হোসেনের বক্তব্য শুনতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণে হতে পারে কোন সাজা?

মানিকগঞ্জে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফয়সাল (১৮) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সদর উপজেলার ভাটবাউর এলাকার তাসনুভা ফিলিং স্টেশনের আম গাছে পতাকা টানাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ফয়সাল ভাটবাউর এলাকার মুন্নু মিয়ার ছেলে। তিনি ফয়সাল ফিলিং স্টেশনে চাকরি করতেন।

 

পুলিশ ও স্থানিয়দের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফয়সাল ফুটবল বিশ্বকাপ খেলাকে কেন্দ্র করে তার প্রিয় দল ব্রাজিলকে সমর্থন করে পতাকা টানানোর জন্য আমগাছে উঠেন। গাছের পাশ দিয়েই বিদ্যুৎতের তার ছিল।

 

ফয়সাল পতাকা টানানোর সময় তার গায়ে বিদ্যুৎতের তারের সঙ্গে শরীর লেগে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে গাছ থেকে পড়ে যায়। পরে আশে পাশের লোকজন ফয়সালকে উদ্ধার করে জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

সদর থানার ওসি মো. মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফয়সাল ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। আমরা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে রেখেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন।

ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট কিশোরের মৃত্যু

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির সভাপতি হলেন তামিম

বিস্তারিত....

বিনোদন

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

আজ ৩ মে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়বদ্ধতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়।

১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মে-কে বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে গৃহীত উইন্ডহুক ঘোষণা-এর মাধ্যমে স্বাধীন ও বহুমুখী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়, যা পরবর্তীতে এই দিবস ঘোষণার ভিত্তি তৈরি করে।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সত্য ও নিরপেক্ষ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছেন।

বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণ টেলিভিশন-এর পক্ষ থেকে দেশের সকল সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শকদের জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

যারা বিবাহিত, তাদের তুলনায় অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন এক গবেষণায় এমন চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কখনো বিয়ে করেননি, তাদের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।

 

 

২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখের বেশি মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফল পাওয়া গেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বেশি দেখা গেছে।

 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি, প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, অবিবাহিত পুরুষদের মধ্যে মলদ্বারের ক্যানসারের হার বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি।

গবেষকদের মতে, বিয়ে অনেক সময় মানুষের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে। খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং নিয়মিত চিকিৎসা পরীক্ষার মতো বিষয়গুলো এতে যুক্ত থাকে। ফলে এটি পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এর মানে এই নয় যে বিয়ে করলেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। বরং এটি একটি সামাজিক ও আচরণগত ইঙ্গিত মাত্র।

 

গবেষকরা আরও বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের উচিত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা। নিয়মিত পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখে।

 

অবিবাহিতদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি, বলছে গবেষণা

বিস্তারিত....

মতামত

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

 

মঙ্গলবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ উপস্থাপন করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েই সংসদে গিয়েছিলাম। দুটি ভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু তারা একটি শপথ নিলেন, আরেকটি নিলেন না। গণভোটকে তারা অস্বীকার করলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা যদি এভাবেই জনগণকে ধোঁকা দেয় তাহলে রাজনৈতিক দলের ওপর মানুষের আস্থা থাকবে কীভাবে?

 

জামায়াতের আমির বলেন, দুই-তৃতীয়াংশের জোরে সরকার আমাদের দাবি অগ্রাহ্য করে জনগণকে অপমান করেছে। গণভোটের রায় ব্যর্থ হওয়ার দলিল কোথাও নেই। এবারই প্রথম বিপত্তি ঘটলো। আমরা যে আশঙ্কা করেছিলাম, এখন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সমাজে। আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক, সাংবাদিক সমস্ত জায়গায় আজকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট। সমাজের অপরাধী লোকদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমরা বাজেট কোনো দলের জন্য দিচ্ছি না, এই বাজেট ১৮ বা ২০ কোটি মানুষের। আমরা যে প্রস্তাবনা জনগণের সামনে পেশ করবো এটার শর্ত আছে। সততা, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা থাকলে এটা অর্জন করা সম্ভব। কিন্তু সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা আর একাউন্টটিবিলিটি না থাকলে যে বাজেট সরকার দেবে সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।

 

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার জুলাই টু জুন। জুন মাস সাধারণত দেশ বর্ষা-খরা-সাইক্লোনে আক্রান্ত হয়। আমরা লক্ষ্য করি এডিপির একটা বিশাল অংশ শেষের দুই মাসে তাড়াহুড়ো করা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়। এটি বাস্তবায়ন নয়, এটি হচ্ছে গণ লুটপাট। এর সুফল জনগণ পায় না। আমরা সংসদে প্রস্তাব দেব, আমাদের ফ্রিস্কাল ইয়ার ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করা হোক। তাহলে বর্ষার পানিতে আমাদের টাকাগুলা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে না।

৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ‍দিয়েছে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

 

আজ বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সরকারের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন দলটির নেতারা।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দুই বছর দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও মাত্র তিন মাসের মাথায় মূল্যবৃদ্ধি করে সরকার জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।’

 

তিনি অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং তা না হলে সরকারকে জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে বলেও হুশিয়ারি দেন।

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘ গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ সেক্টরে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা ভরাট করার চেষ্টা চলছে।’

 

তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, সরকার সেদিকে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বোঝার ওপর শাকের আঁটি চাপিয়ে দিচ্ছে।’

 

সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পল্টন ও কাকরাইল মোড় ঘুরে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হয়।

 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সংবাদ সম্মেলন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম জুন থেকে কার্যকর।

জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

 

বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে হান্নান মাসউদের একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং এসব বৈঠকের অনেকগুলো রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হতো।

 

রাশেদ খানের দাবি, এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের একজন সাবেক সংসদ সদস্যকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে ৪ কোটি টাকার একটি সমঝোতার আলোচনা হয়।

 

বৈঠক শেষে হান্নান মাসউদ আব্দুল গাফফার জিসানকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ১ কোটি টাকা দিতে চান, তবে ৩ কোটি টাকায় চুক্তি করার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ওই নেতাদের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে এবং অর্থের প্রয়োজন আছে বলেও হান্নান মাসউদ মন্তব্য করেছিলেন।

 

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, হান্নান মাসউদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হাতিয়ার বাসিন্দা আব্দুল গাফফার জিসান।

 

তিনি জানান, ২৭ জুলাইয়ের পর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আব্দুল গাফফার জিসানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। জিসান বিভিন্ন সময় সমন্বয়কদের ছবি ও ভিডিও ধারণের কাজও করতেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান হান্নান মাসউদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তবে হান্নান মাসউদের অর্থের প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ ও আচরণগত পরিবর্তনের কারণে পরবর্তীতে তিনি দূরে সরে যান।

 

ফেসবুক পোস্টে নোয়াখালীর হাতিয়া আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

 

তার দাবি, হান্নান মাসউদ মনে করতেন মোহাম্মদ আলী তার রাজনৈতিক পথে প্রধান বাধা। এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতারে ভূমিকা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ব্যক্তিগত আলোচনায় হান্নান মাসউদ নাকি বলেছেন যে নোয়াখালীর আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের সঙ্গে তার কোনো দ্বন্দ্ব নেই, কেবল মোহাম্মদ আলীর সঙ্গেই বিরোধ রয়েছে।

 

একই সঙ্গে নোয়াখালীর রাজনীতিতে প্রভাবশালী হতে হলে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি বিভিন্ন আলোচনায় তুলে ধরতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

বিস্তারিত....

সারাবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।

 

তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে এবং আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

শুক্রবার চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে স্টার্ট-আপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, আমরা আগে যে ধরনের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করেছি, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সেটির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মূলত ইনোভেশন, স্টার্ট-আপ এবং প্রজেক্ট বেইজড। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল। প্রদর্শনীতে ৬ কলেজসহ উপজেলার মোট ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

 

শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তার মোট ২৯ প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

 

প্রজেক্ট প্রদর্শন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় হয়েছে রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় হয়েছে গুলবাহার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাওকাত হোসেন সুমন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ, শিক্ষক, সুধী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

পাবনার সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে রুহান মোল্লা নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

রুহান মোল্লা (২৬) উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রুহান বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশে ডোবায় টেঁটা দিয়ে মাছ শিকার করতে যান। সেখান থেকে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

 

পরিবারের অভিযোগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম থাকার পরও চিকিৎসক রুহানের শরীরে তা প্রয়োগ না করে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই রুহান মারা যান। এ ঘটনায় অভিভাবকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

 

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক প্রয়োগ করেনি। অ্যান্টিভেনম সময়মতো প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

 

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল বাতেন বলেন, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোনো নমুনা পায়নি। হাসপাতালে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক রয়েছে।

 

সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।

ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল যুবকের

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার

মৌচাকে শুক্রবার ১২ ই জুন বিকালে

“দেশীয় ফলের স্বাদে, উৎসবে মাতি সবার সাথে” এবং “দেশী ফল বেশী বল”—এই দুটি চমৎকার স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় মৌচাক প্রেস ক্লাব এই ব্যতিক্রমী ও সুস্বাদু উৎসবের আয়োজন করে।

মৌচাক প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আড়ম্বরপূর্ণ এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা ও সৌজন্যে ছিলেন মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন।

উৎসবে বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী নানা পদের দেশীয় মৌসুমী ফলের পসরা সাজানো হয়। প্রদর্শনী ও আপ্যায়নে থাকা ফলের তালিকায় ছিল—জাতীয় ফল কাঁঠাল, আম, লিচু, আনারস, কলা, জামরুল এবং করমচাসহ হরেক রকমের পুষ্টিকর দেশি ফল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি তুলে ধরা এবং কৃত্রিম বা রাসায়নিকযুক্ত ফলের ভিড়ে সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত ও তাজা ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন। প্রেস ক্লাবের সংবাদকর্মী ও স্থানীয় সুধীজনদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আমরা প্রতি বছরই এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই। দেশীয় ফল চাষে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা এবং এর পুষ্টিমান সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মৌচাক প্রেস ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উৎসব শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিভিন্ন সুস্বাদু মৌসুমী ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

বিস্তারিত....

Top