খুলনা বিভাগ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।

সাতক্ষীরা জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।

সভায় সুন্দরবনে জলদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ, চাঁদাবাজি বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মাদকসহ সকল ধরনের অবক্ষয় থেকে রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, বাস টার্মিনাল শহরের বাইরে সরিয়ে নেওয়া, যানজট সমস্যা সমাধান, চিংড়িতে জেলি পুশ রোধ, ট্রাক স্টান্ড স্থাপন, মাদকদ্রব্য প্রতিরোধ, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও কুরবানীর হাট স্থাপনসহ আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাসার, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালাম, সাতক্ষীরা পৌরসভার সিইও মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল হাসেম, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, সেনাবাহিনী সাতক্ষীরা ক্যাম্পের সিনিয়র ওরেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জেল হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেন, বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক মো. ওমর ফারুক প্রমুখ।

এছাড়াও সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ

সাতক্ষীরা জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা বিস্তারিত

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদী রক্ষায় প্রয়োজন কঠোর ও টেকসই পদক্ষেপ

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে খোলপেটুয়া নদী কেবল একটি জলাধার নয়, এটি এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা ও অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করা এই জনপদের জন্য নদীভাঙন এক চিরস্থায়ী অভিশাপ। আর এই ক্ষতকে আরও গভীর করে তুলছে এক শ্রেণির অসাধু চক্রের অবৈধ বালু উত্তোলন। সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে রাতের আঁধারে পরিচালিত অভিযান এই দস্যুতা রোধে একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।

শ্যামনগরে বর্তমানে কোনো বৈধ বালুমহাল নেই। তবুও জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোলপেটুয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়েছেন। বিশেষ করে রাতের আঁধারে বালু দস্যুদের ধরতে এই তৎপরতা প্রমাণ করে যে, প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সচেতন। তবে প্রশ্ন থেকে যায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইজারা বিহীন নদী থেকে বালু তোলার সাহস এই চক্রটি পায় কোথায়?

খোলপেটুয়া নদীটি অত্যন্ত ভাঙনপ্রবণ। এই নদীর পাড় রক্ষা করতে প্রতি বছর সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়। অথচ একদল স্বার্থান্বেষী মানুষ সামান্য ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য নদীর তলদেশ থেকে বালু তুলে পাড়ের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। এতে কেবল বাঁধের ঝুঁকি বাড়ছে না, বরং উপকূলীয় বাস্তুসংস্থান এবং মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিও হুমকির মুখে পড়ছে। বালু উত্তোলনকারীরা মূলত সাধারণ মানুষের জীবনের বিনিময়ে নিজেদের পকেট ভারী করছে।

প্রশাসনের এই অভিযানকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তবে কেবল মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা বা কয়েকজনকে জরিমানা করাই যথেষ্ট নয়। বালু দস্যুতার এই শিকড় অনেক গভীরে। এদের পেছনে থাকা রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাবশালী শক্তির উৎসগুলো চিহ্নিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নদী এলাকায় নিয়মিত টহল ব্যবস্থা জোরদার এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

নদী বাঁচলে উপকূল বাঁচবে। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান যেন লোক দেখানো বা সাময়িক কোনো তৎপরতা না হয়। বরং খোলপেটুয়া নদীকে দস্যুমুক্ত করতে এই অভিযান নিয়মিত ও স্থায়ী হোক এটাই উপকূলবাসীর প্রত্যাশা। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কোনো আপস নয়, বরং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদী রক্ষায় প্রয়োজন কঠোর ও টেকসই পদক্ষেপ

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদী রক্ষায় প্রয়োজন কঠোর ও টেকসই পদক্ষেপ   মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:   সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে খোলপেটুয়া নদী কেবল একটি জলাধার নয়, এটি এ অঞ্চলের বিস্তারিত

সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সারা দেশে উদ্বেকজনক হারে হাম রুবেলা আক্রান্ত হলেও সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা এখনও শুন্যের কোটায় রয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত হাম-রুবেলা উপসর্গে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি ।

জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে জেলায় নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির পাশাপাশি এই বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। গত ২০ এপ্রিল শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনা। সেই হিসেবে টিকাদান কার্যাক্রম শেষ হতে চলছে।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহমান জানান, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। নিয়মিত শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে এবং টিকাকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে অভিভাবকদের মাঝে সন্তুষ্টি দেখা গেছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, “সারা দেশের মতো সাতক্ষীরায় তেমন কোনো হাম আক্রান্ত রোগী নেই। তবে জেলায় এ পর্যন্ত পজেটিভ পাওয়া গেছে তিনজনের। তারা সকলে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখনও পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে মারা যায়নি কেউ।” তিনি আরো বলেন, “আমাদের এখন অনেক সন্দেহজনক রোগী পাওয়া যাচ্ছে আমরা তাদের স্যাম্পল সংগ্রহ করে ঢাকাতে পাঠিয়েছি। জেলায় এ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ লাখ ৭৪হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকা দিয়েছি এখন প্রায় তিন হাজারের মত বাকি আছে। এম আর ভাকসিনের ক্ষেত্রে জেলার প্রতিটা ডিপার্টমেন্ট সহযোগিতা করেছে। কোথাও কোনো নেগেটিভ খবর পাওয়া যায়নি বরং জনগনের আস্থা বেড়েছে।”

সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা

সাতক্ষীরায় শূন্যের কোটায় হাম-রুবেলা   মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:   সারা দেশে উদ্বেকজনক হারে হাম রুবেলা আক্রান্ত হলেও সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা এখনও শুন্যের কোটায় রয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত বিস্তারিত

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

গ্রীষ্ম এলেই প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে আর শহরের অলিগলিতে তখন ছড়িয়ে পড়ে পাকা আমের মিষ্টি ঘ্রাণ। আর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনপদ সাতক্ষীরা এখন সেই ঘ্রাণে মুখরিত। জেলার বিস্তীর্ণ আমবাগানে শুরু হয়েছে মৌসুমের প্রথম দিকের আম পাড়া। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত আম পাড়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গত ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগসহ আগাম জাতের আম পাড়া শুরু হয়েছে। আর আগামী ১৫ মে থেকে শুরু হবে বহুল জনপ্রিয় ও সুস্বাদু হিমসাগর আম সংগ্রহ। মৌসুমের শুরুতেই সাতক্ষীরার বাজার, সড়ক ও কুরিয়ার সার্ভিসগুলোতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য। আমকে ঘিরে যেন পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বাজার এখন আমের বাজারে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন ভোর হতেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ভ্যান, ট্রলি, মিনি ট্রাক ও ছোট যানবাহনে করে আমবাগানের মালিক ও ব্যবসায়ীরা আম নিয়ে বাজারে আসছেন। পাইকাররা সেই আম কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনদের জন্য সুন্দর কুরিয়ার, এস এ পরিবহনসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আম পাঠাচ্ছেন। আম মৌসুম ঘিরে কুরিয়ার সার্ভিস ও পরিবহন খাতেও সৃষ্টি হয়েছে বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ। বর্তমানে প্রতি মন আম প্রায় ১৬০০ টাকা দরে কিনলেও কুরিয়ারে পাঠাতে প্রতি কেজিতে গড়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। তবুও সাতক্ষীরার আমের স্বাদ ও সুনামের কারণে মানুষ আগ্রহ নিয়ে এই আম সংগ্রহ করছেন।

একসময় দেশের বাজারে রাজশাহীর আমের কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাতক্ষীরার আমও দেশের মানুষের কাছে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার হিমসাগর আম এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এ আমের স্বাদ, মিষ্টতা ও ঘ্রাণ এমন যে, একবার খেলে মানুষ বারবার খেতে চান। অনেকে মজা করে বলেন, সাতক্ষীরার হিমসাগর আম সামনে থাকলে বয়স, ডায়েট কিংবা সংযম-সবকিছু ভুলে মানুষ বেশি খেয়ে ফেলেন। এই আমের আঁশ কম, শাঁস বেশি এবং স্বাদে অনন্য হওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ-সব বয়সী মানুষের কাছে এটি সমান প্রিয়।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হয় এবং প্রতিবছর হাজার হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলার সদর, তালা, কলারোয়া, দেবহাটা , আশাশুনি, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অসংখ্য আমবাগান। সাতক্ষীরার মাটি, আবহাওয়া ও লবণাক্ততাসহ পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এখানকার আমে একটি স্বতন্ত্র স্বাদ তৈরি হয়। শুধু দেশেই নয়, সাতক্ষীরার আম এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে সাতক্ষীরার আমের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে আম শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে আম মৌসুমে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে মাঝেমধ্যে এই সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যবসায়ী অপরিপক্ক আম আগেভাগে গাছ থেকে নামিয়ে কৃত্রিম উপায়ে মেডিসিন প্রয়োগ করে দ্রুত পাকিয়ে বাজারজাত করেন। এতে আমের স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। বিভিন্ন সময়ে অপরিপক্ক ও কেমিক্যালযুক্ত আম জব্দ করে ধ্বংসও করা হয়েছে। মূলত এই অনিয়ম ঠেকাতে এবং বাজারে নিরাপদ ও পরিপক্ক আম নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন আম পাড়া ক্যালেন্ডার চালু করেছে। নির্ধারিত সময়ের আগে আম পাড়া নিষিদ্ধ করায় ক্রেতারা এখন তুলনামূলক নিরাপদ ও সুস্বাদু আম পাচ্ছেন।

আম শুধু সুস্বাদু ফলই নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। আমে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পাকা আম চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরমের সময় শরীরে শক্তি জোগাতেও আম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিকিৎসকদের মতে, পরিমিত পরিমাণে আম খেলে হজম শক্তি বাড়ে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি পায়।

সাতক্ষীরার আম শিল্পকে ঘিরে অর্থনীতির যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা আরও বহুগুণ বাড়তে পারতো যদি এই অঞ্চলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রেললাইন বাস্তবায়ন হতো। সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে যশোরের নাভারন থেকে সাতক্ষীরা হয়ে সুন্দরবন পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। স্থানীয়দের মতে, এই রেললাইন চালু হলে আম, চিংড়ি মাছ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনে বিপ্লব ঘটবে। বর্তমানে যেখানে কুরিয়ার বা সড়কপথে প্রতি কেজি আম ঢাকায় পাঠাতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়, সেখানে রেলপথ চালু হলে খুব অল্প খরচে দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য পরিবহন সম্ভব হতো। এতে একদিকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হতেন, অন্যদিকে দেশের সাধারণ ভোক্তারাও কম দামে মানসম্মত আম কিনতে পারতেন।

এছাড়া রেললাইন চালু হলে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারতো। সাতক্ষীরার বিখ্যাত চিংড়ি মাছ, আম, পাট ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা যেতো। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ভ্রমণেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতো। সড়কপথের তুলনায় রেলপথে আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা সহজেই সাতক্ষীরার সুন্দরবন দেখতে আসতে পারতেন। এতে পর্যটন খাত যেমন সমৃদ্ধ হতো, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিও নতুন গতি পেতো।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় রেললাইন স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত প্রকল্পটির বাস্তব কাজ কিংবা জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি। ফলে সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এখনো অধরাই রয়ে গেছে। অথচ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে সাতক্ষীরা শুধু আম কিংবা চিংড়ির জেলা হিসেবেই নয়, দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক ও পর্যটন সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত হতে পারতো।

আজ যখন সাতক্ষীরার বাজার আমের ঘ্রাণে মুখরিত, যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাতক্ষীরার আমের কদর বাড়ছে, তখন এই সম্ভাবনাময় শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা, কৃষিভিত্তিক পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। কারণ সাতক্ষীরার আম শুধু একটি ফল নয়, এটি এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার প্রতীক।

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত   মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:   গ্রীষ্ম এলেই প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে আর শহরের অলিগলিতে তখন বিস্তারিত

মো: জাহাঙ্গীর আলম

শ্যামনগর প্রতিনিধি :

“ডাঃ অনিমেষ কাদের হাতে বন্দী? পরিবারে উৎকণ্ঠা, মুক্তিপণ দাবি ২০ লাখ টাকা

 

শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের বৈশখালী গ্রামের বাসিন্দা, মৃত নিতাই পরামন্যর পুত্র পশু চিকিৎসক ডাঃ অনিমেষ পরামান্য নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ০২ মে সকালে প্রতিদিনের মতো চিকিৎসা কাজে বাড়ি থেকে বের হন ডাঃ অনিমেষ। কিন্তু রাত পর্যন্ত তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে রাতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তি ফোন করে তার স্ত্রীর কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

 

এ ঘটনায় পরিবারটি এখন দিশেহারা ও আতঙ্কিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। স্বজনরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং ডাঃ অনিমেষকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।

 

এলাকাবাসীর মধ্যেও এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসন ও উদ্ধোমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের পশু চিকিৎসক নিখোঁজ মুক্তিপণ দাবি ২০ লাখ টাকা।

মো: জাহাঙ্গীর আলম শ্যামনগর প্রতিনিধি : “ডাঃ অনিমেষ কাদের হাতে বন্দী? পরিবারে উৎকণ্ঠা, মুক্তিপণ দাবি ২০ লাখ টাকা   শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের বৈশখালী গ্রামের বাসিন্দা, মৃত নিতাই পরামন্যর পুত্র বিস্তারিত

মুজাহিদ শেখ,স্টাফ রিপোর্টার :

আধুনিক পদ্ধতিতে পেঁপে চাষ ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কৃষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার যশোরে প্রশিক্ষণের আয়োজন করে মাগুরা ব্র্যাক নার্সারি।

 

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে মাগুরার শ্রীপুর, ফরিদপুরের মধুখালী ও রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৫০ জন কৃষক অংশ নেন। প্রশিক্ষক ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মাগুরার উপপরিচালক কৃষিবিদ তাজুল ইসলাম।

 

কর্মশালায় হাইব্রিড ও দেশি পেঁপের বৈশিষ্ট্য, উন্নত জাত নির্বাচন, মাটি ও সার ব্যবস্থাপনা, জমি প্রস্তুতি, আগাছা দমন, সেচ ও পানি নিষ্কাশন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া চারা রোপণের উপযুক্ত সময়, পরিচর্যা, সুষম সার প্রয়োগ এবং ফুল ও ফল ঝরা রোধে করণীয় বিষয়গুলো হাতে-কলমে শেখানো হয়।

এসময় পেঁপের রোগবালাই প্রতিরোধ, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ কৌশল নিয়েও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

শ্রীপুর উপজেলার দেবিনগর গ্রামের কৃষক স্বপ্না বিশ্বাস বলেন, ব্র্যাক নার্সারি উদ্যোগে আজকের এই প্রশিক্ষণে আমরা পোকামাকড় দমনসহ নানা বিষয়ে নতুন নতুন অনেক তথ্য জানতে পেরেছেন। যা আমাদের কৃষি কাজে ভালো ফলনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

 

গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক দিপেন্দ্রনাথ বলেন, কাঙ্ক্ষিত ফলন না আসায় আমরা হতাশ হয়ে কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেই। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসে গাছের বিষয়ে কিছু নতুন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনেছি, যা আমাদের ভবিষ্যতে কৃষিকাজে উপকারে আসবে।

 

দুর্গাপুর গ্রামের চাষি মো. সাজ্জাদ মোল্লা বলেন, ব্র্যাক নার্সারির এই উদ্যোগ কৃষকদের জন্য একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা কৃষকরা সঠিক প্রদ্ধতিতে আরো অধিক চাষাবাদে আগ্রহী হবো।

 

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার অপারেশনের সিনিয়র ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড অপারেশন) জহিরুল ইসলাম, মাগুরা ব্র্যাক নার্সারি ম্যানেজার মো. মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

আয়োজকেরা জানান, চাষাবাদে রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে সঠিক রাসায়নিক প্রয়োগ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলাই ব্র্যাক নার্সারির মূল উদ্দেশ্য।

প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

মাগুরার ব্র্যাক নার্সারির উদ্যোগে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

মুজাহিদ শেখ,স্টাফ রিপোর্টার : আধুনিক পদ্ধতিতে পেঁপে চাষ ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কৃষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার যশোরে প্রশিক্ষণের আয়োজন করে মাগুরা বিস্তারিত

যশোরে মধ্যরাতে যুবলীগের মিছিল, আটক ৫

যশোর শহরে মধ্যরাতে যুবলীগের ব্যানারে মিছিল ও সমাবেশ করার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মধ্যরাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।আটকরা হলেন: শহরের কাজীপাড়া এলাকার আনসার আলীর ছেলে সৈয়দ তৌফিক জাহান, একই এলাকার নুরল আলমের ছেলে শফিকুল ইসলাম সুজন, মৃত লোকমানের ছেলে বাবলু শেখ, শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহান হোসেন এবং ষষ্টিতলা এলাকার সৈয়দ আহমদের ছেলে আনোয়ার হোসেন বাবু।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, মঙ্গলবার সকালে ও রাতে আওয়ামী লীগের একটি ফেসবুক পেজে যশোরে যুবলীগের দুটি কর্মসূচি পালনের দাবি করে ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে শহরের গরীবশাহ রোডে মিছিল ও বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। একই পেজে আরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে যুবলীগের কর্মসূচি দাবি করা বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে আসে। এরপর বুধবার মধ্যরাতে পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে। এরপর পুলিশ সুপারের নির্দেশে একাধিক দল মাঠে নেমে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

 

ওসি আরও জানান, আটকরা গোপনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মে জড়িত ছিলেন। যুবলীগের মিছিলের সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং জড়িত অন্যদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যশোরে মধ্যরাতে যুবলীগের মিছিল, আটক ৫

যশোরে মধ্যরাতে যুবলীগের মিছিল, আটক ৫ যশোর শহরে মধ্যরাতে যুবলীগের ব্যানারে মিছিল ও সমাবেশ করার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মধ্যরাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিস্তারিত

*গোয়েন্দা বিভাগ, কেএমপি খুলনা কর্তৃক ০২ বছরের বাচ্চা সহ মাকে উদ্ধারপূর্বক অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর*

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)-এর গোয়েন্দা বিভাগের “সাইবার টিম” তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে ০২ বছরের বাচ্চা সহ মাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। গত ১৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে মোঃ আব্দুল হালিম মোল্লা (৪৩), পিতা: মোঃ আফজাল হোসেন মোল্লা,, গ্রাম-দেয়ানা উত্তরপাড়া, ওয়ার্ড- ৪, খানা-দৌলতপুর, জেলা-খুলনা এর ০২ বছরের নাতনী সহ তার মেয়ে মোসাঃ রিপা (২৬) নিখোঁজ হয়। এ সংক্রান্তে মোঃ আব্দুল হালিম মোল্লা (৪৩) গত ২০/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ দৌলতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ঘটনার পরপরই কেএমপি গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার টিম তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে এবং অদ্য ২৮/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে ০২ বছরের নাতনী সহ তার মেয়ে মোসাঃ রিপা (২৬)দ্বয়’কে তার অভিভাবকের নিকট সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধারকৃত নাতনী ও কন্যাকে ফিরে পেয়ে তার অভিভাবকরা খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কেএমপি খুলনা কর্তৃক ০২ বছরের বাচ্চা সহ মাকে উদ্ধারপূর্বক অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর

*গোয়েন্দা বিভাগ, কেএমপি খুলনা কর্তৃক ০২ বছরের বাচ্চা সহ মাকে উদ্ধারপূর্বক অভিভাবকের নিকট হস্তান্তর* প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)-এর গোয়েন্দা বিভাগের “সাইবার টিম” তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযান বিস্তারিত

 

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ

 

অদ্য ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল ০৭.৩০ ঘটিকায় খুলনা আদালত চত্বরে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, খুলনার আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম আল রাজী চেয়ারম্যান, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, খুলনা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম সেবা মহোদয়।

 

আলোচনা সভায় পুলিশ কমিশনার মহোদয় বলেন, উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম মাধ্যম হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। সামাজিক যোগযোগ তথা ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদিতে কেহ হয়রানি বা ব্ল্যাকমেইল করলে বা করার চেষ্টা করলে উক্ত বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এলআইসি শাখা ও সাইবার সেল সহায়তার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি পুলিশকে জানানো অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান ছাড়াও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, লিগ্যাল এইডে আইনের সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সকলকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স ও অতিঃ দায়িত্বে ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান বিপিএম-সেবা, পিপিএম (বার), খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশনস্) জনাব শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম-সেবা-সহ অন্যান্য সুধীবৃন্দ।

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ

  জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভাঃ   অদ্য ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল ০৭.৩০ ঘটিকায় খুলনা আদালত চত্বরে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি, খুলনার আয়োজনে জাতীয় বিস্তারিত

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক

তারিখ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

গত রাত থেকে ভোর পর্যন্ত খুলনা শহরসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে। মোট তিন দফায় এই বৃষ্টিপাতের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে দুই দফায় শিলা বর্ষণও লক্ষ্য করা গেছে।

রাত গভীর হওয়ার পর শুরু হওয়া বৃষ্টি ভোর পর্যন্ত স্থায়ী হয়, মাঝে মাঝে বজ্রপাতের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ। হঠাৎ শিলা বর্ষণের কারণে কিছু এলাকায় গাছপালা ও ফসলের সামান্য ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

তবে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুব শিগগিরই বৃষ্টিপাত কমে আসবে এবং দুপুর পর্যন্ত নতুন করে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

এই বৃষ্টিপাতের ফলে তীব্র গরমে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে খুলনার জনজীবনে। তবে হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

খুলনায় দফায় দফায় চলেছে বজ্রসহ শিলা বৃষ্টি

প্রতিবেদন: ওমর ফারুক তারিখ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ গত রাত থেকে ভোর পর্যন্ত খুলনা শহরসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে। মোট তিন দফায় এই বৃষ্টিপাতের ঘটনা ঘটে, বিস্তারিত

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এই মধ্যে প্রাথমিক দলও ঘোষণা করেছে দলটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে আলোচিত নাম এখন নেইমার। দীর্ঘ চোটের পর মাঠে ফিরলেও তার ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দল নির্বাচন নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বা জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নয়—ফিটনেস ও ফর্মের ভিত্তিতেই গড়া হবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড।

 

আগামী ১৮ মে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এর আগে ফিফার কাছে ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে নেইমারের নামও রয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত দলে জায়গা পেতে হলে তাকে শতভাগ ফিট ও ম্যাচ ফিটনেসে থাকতে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ।

 

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, নেইমার নিঃসন্দেহে অসাধারণ প্রতিভা এবং ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তবে চোট ও শারীরিক অবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নেইমার উন্নতি করেছে এবং নিয়মিত খেলছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।

 

ব্রাজিল কোচ আরও জানান, নেইমার শুধু সমর্থকদের কাছেই নয়, ড্রেসিংরুমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়। তবে দল গঠনের ক্ষেত্রে আবেগ নয়, প্রয়োজন হবে বাস্তব মূল্যায়ন। খেলোয়াড়দের মতামত স্বাভাবিক বিষয় হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোচ হিসেবেই তিনি নেবেন।

 

তিনি বলেন, দলের ভেতরের পরিবেশ ইতিবাচক এবং কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। খেলোয়াড় হিসেবে কার পারফরম্যান্স কেমন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

নেইমারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন আনচেলত্তি। তার মতে, শেষ কয়েকটি ম্যাচে নেইমারের ফিটনেস ও গতি আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। তবে প্রতিটি ম্যাচ ও পরিস্থিতি আলাদা, তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।

 

সবশেষে ব্রাজিল কোচ জানান, নেইমারকে দলে রাখা বা না রাখার সিদ্ধান্তে কোনো চাপ নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে পেশাদার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। তিনি বলেন, নিখুঁত দল গঠন করা সম্ভব নয়, তবে লক্ষ্য থাকবে এমন একটি স্কোয়াড তৈরি করা যেখানে ভুলের পরিমাণ সর্বনিম্ন থাকে।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে কঠোর অবস্থানে আনচেলত্তি, চাপে নেইমার!

হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন এলাকায় মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করছি, যারা ভ্যাকসিন পায়নি বা টার্গেটেড এরিয়ার বাইরে যেসব শিশুরা আছে তাদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। যাতে একটা বাচ্চাও হাম টিকা থেকে বাদ না পড়ে।

 

তিনি জানান, যাদের টিকা দেওয়া হয়েছে তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ধীরে ধীরে সংক্রমন কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত দুই সরকার টিকা সংগ্রহ, টিকাদান ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে। সরকার এখন হাম নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তদন্তের পর যাদের গাফিলতির প্রমাণ মিলবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা পোলিও ভ্যাকসিনও দেওয়া শুরু করবো। এটাতেও কোনো অসুবিধা হবেনা। আগামী জুন মাসের মধ্যে আমরা ভিটামিন ‘এ’ সম্পূর্ণ পেয়ে যাবো এবং বছরে দুইবার করে ভিটামিন ‘এ’ দেওয়ার কার্যক্রমও আমরা চালিয়ে যাবো।

হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হবে

এবারের ঈদুল আজাহায় কম খরচে ঈদ বিনোদন: ঘুরে আসুন ধামরাইয়ের ‘আলাদিন’স পার্ক’ থেকে

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

ঈদের ছুটিতে ঢাকার খুব কাছেই পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দময় সময় কাটাতে চান? তবে হাতে সময় কম এবং বাজেটও সীমিত? আপনার জন্য সেরা গন্তব্য হতে পারে ধামরাইয়ে অবস্থিত নান্দনিক থিম পার্ক ‘আলাদিন’স পার্ক’।

যান্ত্রিক শহরের কোলাহল ছেড়ে সবুজে ঘেরা পরিবেশে দিনভর মেতে উঠতে এখানে রয়েছে আধুনিক সব রাইড ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

পার্কটি সাজানো হয়েছে ছোট-বড় সবার পছন্দের কথা মাথায় রেখে। এখানকার প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

রোমাঞ্চকর রাইড: ক্যাটারপিলার, ড্রাগন কোস্টার, বুল ফাইট এবং ডাবল ডেকোর ক্যারোসেল।

ওয়াটার পার্ক: গরমের স্বস্তি পেতে আছে বিশাল ওয়াটার কিংডম। মিউজিকের তালে কৃত্রিম ঢেউ আর ওয়াটার স্লাইডে মেতে ওঠার সুযোগ।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: ছবি তোলার জন্য রয়েছে চমৎকার সব স্পট, কৃত্রিম ঝরনা এবং সুনিবিড় সবুজ বাগান।

বাজেট নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আলাদিন’স পার্কের প্যাকেজগুলো বেশ সাশ্রয়ী:

টিপস: ঈদের সময় ভিড় এড়াতে সকাল সকাল পৌঁছে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে প্রতিটি রাইড আয়েশ করে উপভোগ করা যাবে।

যেভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে ধামরাইয়ের দূরত্ব খুব বেশি নয়।

বাসে: গাবতলী বা সাভার থেকে মানিকগঞ্জ বা ধামরাইগামী যেকোনো বাসে উঠে ‘নজরুল ইসলাম ফিলিং স্টেশন’ বা ‘কালামপুর’ বাস স্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে অটো বা রিকশায় সরাসরি পার্কে যাওয়া যায়।

নিজস্ব পরিবহন: ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে সাভার পার হয়ে ধামরাইয়ের কালামপুর মোড় থেকে কিছুটা ভেতরেই পার্কটির অবস্থান।

এই ঈদে যান্ত্রিকতা ভুলে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সস্তায় দারুণ কিছু স্মৃতি তৈরি করতে ধামরাইয়ের এই পার্কটি হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। আজই পরিকল্পনা সেরে ফেলুন!

এবারের ঈদুল আজাহায় কম খরচে ঈদ বিনোদন: ঘুরে আসুন ধামরাইয়ের ‘আলাদিন’স পার্ক’ থেকে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ৮৩ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে তিনি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।

 

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে মোট ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন।

 

রাজনৈতিক জীবনে তিনি সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন

তিলোত্তমা ঢাকা। দুই কোটির বেশি মানুষের আবাস। এই মহানগরে যারা বসবাস করেন, একেক এলাকায় তাদের উপলব্ধি একেক রকম। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, ঋতু পরিবর্তন হলেও সড়কের করুণ চেহারা বদলায় না। শুকনো মৌসুমে ধুলোর রাজ্য আর বাকিসময় কাদাপানিতে চলাচল দায়।

 

অথচ এই পথের দু’পাশেই কয়েকটি স্কুল-কলেজ, মসজিদ আর গণ কবরস্থান। কিছুদূর এগুলেই দক্ষিণখান থানা। খানাখন্দের সড়ক ধরে কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে প্রতিদিন।

 

সড়ক নিয়ে প্রশ্ন করলে একজন বাসিন্দা বলেন, এই এলাকার রাস্তার অবস্থা অনেক করুণ। একটু বৃষ্টি হলেই পানি উঠে যায়।

 

একই চিত্র এয়ারপোর্ট রোডের পশ্চিমের এলাকা বাউনিয়ায়। ২০১৬ সালে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলো এই এলাকা। কিন্তু বছরজুড়ে সড়ক খোড়াখুড়ি আর সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় নাকাল স্থানীয়রা।

 

দক্ষিণখান ও উত্তরখানসহ ডিএনসিসিতে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে ২০২২ সালে একটি প্রকল্প নেয়া হয়। কিন্তু আজও তা শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

 

এত এত সমস্যা যখন, সমাধানের দায়িত্ব কার? কী বলবেন নগর অভিভাবক?

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ধীর গতি মাঝেমাঝে হয় না, সেটি আমি অস্বীকার করবো না। এখনে বিশাল একটা ফান্ডের প্রয়োজন রয়েছে। ফান্ড সমস্যা নিয়ে মোকাবিলা করছি। আশা করছি, অচিরেই সমস্যা কেটে যাবে।

 

তবে, ডিএনসিসির নতুন এলাকাগুলোতে উন্নয়ন তরান্বিত করতে নগরবাসিকে হোল্ডিং ট্যাক্স ও রাজস্ব পরিশোধের আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।

Qডিএনসিসির ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প শেষ হয়নি আজও

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে সাদিক কায়েমের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।

 

ওই পোস্টে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

 

এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। স্পিকার জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভকামনা ও দোয়া জানিয়েছেন। পাশাপাশি ডাকসুর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আগামীর বাংলাদেশের রোল মডেলে উন্নীত হোক ডাকসু এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

স্পিকারকে বিয়ের দাওয়াত দিলেন সাদিক কায়েম

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি অপরাধমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও বায়েজিদ এলাকাকে যেকোনো মূল্যে অপরাধমুক্ত করা হবে।

 

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা—অপরাধীর কোনও দল নেই। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও কাজে কেউ জড়িত হলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী পৌরসভা প্রাঙ্গণে অতিদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী তার নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, হাটহাজারীর ইতিহাসে আপনারা আমাকে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত করেছেন। আমার দায়বদ্ধতা এই এলাকার প্রতিটি মানুষের প্রতি। আমরা গত ১৭ বছর শুধু ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে নয়, বরং সমাজের অন্যায়, দুর্নীতি ও দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনাই ছিল আমাদের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য।

 

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের দোহাই দিয়ে কেউ যদি কোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ান, তবে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে আইন যেভাবে প্রয়োগ হয়, আপনাদের ক্ষেত্রে তা ১০ গুণ বেশি শক্তিশালীভাবে প্রয়োগ করতে আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানাব। জনগণের ভোগান্তির কারণ যেন দল বা অঙ্গসংগঠনের কেউ না হন।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা কোনও তদবির শুনবেন না। অপরাধী যে-ই হোক, আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। যদি আমার কোনও লোক অপরাধীর পক্ষে সুপারিশ করে, তবে সরাসরি আমাকে জানাবেন; আমি তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

 

অনুষ্ঠানে হাটহাজারী উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

দলের কেউ অপরাধে জড়ালে আইন হবে ১০ গুণ বেশি কঠোর

মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র উদ্ধারে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে আইজিপি ব্যাচ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জনান।

 

আইজিপি বলেছেন, মাদক আমাদের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সেবন বা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমরা ধীরে ধীরে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হচ্ছি এবং পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।

মাদক বিক্রি ও সেবনে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়ে, আজ ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতিকে অবহিত করেন যে, ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সময় বর্ধিত করা হয়েছে।

 

তবে কোনো আলোকসজ্জা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় দোকান মালিক সমিতি।

শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির

সীমান্তে কাঁটাতার-মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই: ভারতকে নাহিদ

ভারতের উদ্দেশে এনসিপির আহবায়ক ও বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সীমান্তে কাঁটাতার দিয়ে, মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশে মুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে মাদরাসার ছাত্ররাই মন্দির পাহারা দিয়েছিল।

 

শাপলা চত্ত্বরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যারা দায়ী, তাদের যদি বিচারের আওতায় আনা হতো, তাহলে জুলাই আসতো না। সেই সাহসে ফ্যাসিবাদী সরকার চব্বিশে আরেকটি গণহত্যার সুযোগ পায়।

 

এই আলোচনা সভায় এনসিপি নেতা ইসহাক সরকার বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সেদিন নেতাকর্মীদের মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে বিএনপির বামপন্থী নেতাদের কারণে সেদিন হেফাজতের আন্দোলন সফল হয়নি।

সীমান্তে কাঁটাতার-মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই: ভারতকে নাহিদ

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩