খুলনা বিভাগ

সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনাব মিজ্ কাউসার আজিজ, জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরার সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

১২ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে রবিবার। উক্ত জেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় সম্মানিত সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম মহোদয়।

সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় অত্র জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও নাশকতামূলক কার্যক্রম পর্যালোচনা, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান নিরোধ, অনলাইন জুয়া, অনিষ্পন্ন চোরাচালান মামলার নিষ্পত্তি ত্বরান্বিতকরণ, সড়ক দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ, মানব পাচার প্রতিরোধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা, সড়কের শৃঙ্খলা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্তকরন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুধীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত   মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :   সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনাব মিজ্ কাউসার আজিজ, জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরার সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিস্তারিত

খুলনা সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আরফান হোসেন নির্জনা (১৬) হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মা সীমা আক্তার।

 

শুক্রবার (১০ জুলাই) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহীম খলিল মুহিম তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

এর আগে গত বুধবার রাতে পুলিশ নগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে নির্জনার রক্তাক্ত বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে।

 

আদালত সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে নির্জনার মা সীমা আক্তার জানিয়েছেন যে ঘটনার দিন বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয় এবং এক পর্যায়ে তিনি মেয়েকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘরের ভেতর শোরগোল শুনে নির্জনার বাবা আলীম হোসেন আকাশ এসে তাদের উভয়কে চুপ করতে বলেন।

 

কিন্তু মেয়ে চুপ না থাকায় তিনি একটি কাঠের চলা (লাকড়ি) দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন, যার ফলে ঘটনাস্থলেই মেয়ের মৃত্যু হয়। এরপর নির্জনার বাবা ঘরের ভেতরে থাকা ছেঁড়া লুঙ্গি ও একটি প্লাস্টিকের বস্তায় লাশটি ভরে মোটরসাইকেলে বেঁধে নিরালার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় ফেলে রেখে আসেন।

 

হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে সূত্র আরও জানায়, পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তেরখাদা আজগড়া এলাকার একটি ছেলের সঙ্গে বিয়ে করায় নির্জনার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল তার পরিবার। গত ২১ এপ্রিল আরফান হোসেন নির্জনা স্বেচ্ছায় তেরখাদা উপজেলার আজগড়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানকে বিয়ে করেছিলেন। এর ১৭ দিন পর তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। ঘটনার দিন সকালেও মেয়েটি শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে তাকে আবারও বুঝিয়ে বাড়িতে আনা হয়েছিল, কিন্তু বিকেলে এই ঘটনা ঘটে যায়।

 

এদিকে সদর থানা সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে নির্জনার বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশ পলাতক রয়েছেন এবং তার অবস্থান জানতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

 

শুক্রবার সকালে নির্জনার মা স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে চাইলে দুপুরের পর তাকে আদালতে নেওয়া হয়। এর আগে সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

 

খুলনা সদর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম এ ব্যাপারে বলেন, হত্যাকাণ্ড নিয়ে আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার তুলে ধরবেন।

নির্জনা হত্যা: আদালতে মায়ের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

খুলনা সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আরফান হোসেন নির্জনা (১৬) হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মা সীমা আক্তার।   শুক্রবার (১০ জুলাই) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিস্তারিত

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

শনিবার (৪ জুলাই) তিনি প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

 

পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পের প্রধান সড়ক, চারটি সুইচগেট, প্রকল্প এলাকার ম্যাপ এবং রূপসা সেতুর প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন ব্রিজ পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় প্রকল্প এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের মতামতও শোনেন।

পরে খুলনা সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত ‘শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন সভায় যোগ দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সভার আগে তিনি সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

 

সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক মো. আরমান হোসেনসহ বিভাগীয়, জেলা প্রশাসন ও কেডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। শনিবার (৪ জুলাই) তিনি প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং বিস্তারিত

সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় ৩৩ বিজিবি সদর দফতরে এ মাদক ধ্বংস করা হয়।

 

বিজিবি জানায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ছাব্বিশের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই ১৬ মাস সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদক জব্দ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে লিকুইড সীসা, এলএসডি, ক্রিস্টাল মেথ আইস, আফিম তৈরীর কেমিক্যাল, ফেন্সিডিল, বিভিন্ন ধরণের বিদেশী মদ ও গাজা।

 

তারা আরও জানায়, দুষ্ট চক্র বাংলাদেশকে মাদকের ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। আমরা স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই, দেশের সীমান্ত ব্যবহার করে মাদকের চোরাচালানের যে কোন অপচেষ্টা দমন করা হবে।

 

বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্তে পুশ-ইনের সম্ভাবনা প্রতিরোধ করে যাচ্ছে বিজিবি। পাশাপাশি মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে অভিযানও অব্যাহত আছে। আজকের এই কার্যক্রম শুধু আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ নয় বরং একটি মাদকমুক্ত দেশ গঠনে জাতীয় অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।

সাতক্ষীরায় প্রায় ৭৪ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় ৩৩ বিজিবি সদর দফতরে এ মাদক ধ্বংস করা হয়। বিস্তারিত

খুলনায় একটি মসজিদে ঢুকে গুলি ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে আহত হয়েছেন ২ জন। রোববার (১৪ জুন) ফজরের নামাজ শেষে দৌলতপুরে ওজোপাডিকো জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসী জানায়, নামাজ শেষে কোরআন শরিফ পাঠ করছিলেন মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম এবং স্থানীয় আলম শেখ। এ সময় কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি মসজিদে ঢোকে। তাদের ছোড়া গুলিতে আহত হন লোকমান ও আলম।

 

পরে গুলিবিদ্ধ দুইজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য লোকমানকে ঢাকায় পাঠানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের ধরতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

খুলনায় মসজিদে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি, আহত একজনকে ঢাকায় স্থানান্তর

খুলনায় একটি মসজিদে ঢুকে গুলি ছুড়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে আহত হয়েছেন ২ জন। রোববার (১৪ জুন) ফজরের নামাজ শেষে দৌলতপুরে ওজোপাডিকো জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে।   এলাকাবাসী জানায়, নামাজ শেষে বিস্তারিত

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মঙ্গলবার (৯ জুন) তিনি দুটি থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার বিভিন্ন শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম, নথিপত্র ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় তিনি থানায় কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সুপারের এ ধরনের পরিদর্শন মাঠপর্যায়ের সদস্যদের কাজে আরও উৎসাহিত করবে এবং থানার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা   মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:   সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার আবু বিস্তারিত

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। রোববার (৭জুন) দুপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন।

 

এ সময় বক্তরা বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে এফসিপিএস প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের বেতন বৈষম্য দুর করতে হবে, বিসিএসে উত্তীর্ণদের বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়ন নীতিমালার প্রস্তাবনা বাতিল করতে হবে।

 

তারা আরও বলেন, বিএমইউ ও বিসিপিএসের পরীক্ষার ফি হ্রাস করা, বিসিএস এ চিকিৎসকদের বয়সসীমা পুনরায় ৩৪ বছর নির্ধারণ করতে হবে। একই সাথে বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকদের জন্য সুস্পষ্ট বেতন কাঠামো প্রণয়ন করার দাবিও জানান তারা।

 

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরত-ই-খোদা বলেন, কর্মবিরতির কোনো প্রভাব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পড়েনি। হাসপাতালের চিকিৎসকরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জেনেছি শুধু এখানে নয় তাদের কিছু দাবির বিষয়ে সারাদেশেই ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে।

 

ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা.সাজিদ সাজাহানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ডা. তাছনিম বিনতে আসাদ, ডা.সৌরভ সরকার, ডা.রানা, ডা.শিফাত, ডা মোরশেদসহ আরও অনেকে। এদিকে, সমাবেশ থেকে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনিদৃষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

সাতক্ষীরা মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। রোববার (৭জুন) দুপুরে মেডিকেল শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন।   এ সময় বক্তরা বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ বিস্তারিত

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :

 

 

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের অংশ হিসেবে হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। পাশাপাশি বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগকে ঘিরে কয়েক মাস ধরে সাতক্ষীরার রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাবিবুল ইসলাম হাবিবের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেন।

তবে তখনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। হাবিবুল ইসলাম হাবিবের মেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, তার জানা মতে তখনো জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

পরে বৃহস্পতিবার সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর বিষয়টি নিশ্চিত হলে পরিবার ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে অসংখ্য পোস্ট দিতে দেখা যায় দলীয় নেতাকর্মীদের।

হাবিবুল ইসলাম হাবিব দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরার রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সাতক্ষীরা-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিজয়ী হতে পারেননি। তবে নির্বাচনের পরও দলীয় কর্মকাণ্ড ও নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে তার যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।

রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। ২০০২ সালে কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় তিনি অভিযুক্ত হন। পরে ওই মামলায় আদালতের রায়ে তাকে বিভিন্ন ধারায় সাজা দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় কারাভোগের পর ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনি অধ্যায়ের পর এবার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে দায়িত্ব পেলেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তার নিয়োগে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব   মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :     সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় বিস্তারিত

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে নানি ও দুই না‌তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পু‌লিশ। শ‌নিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহানগরীর সোনডাঙ্গা থানার দারুস আমান মস‌জিদ এলাকার বিলপাড় রোডের বা‌সিন্দা শরীফুল ইসলামের বা‌ড়ি থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় নিহত শিশু দুইটির মা ফাতেমা বেগম মেরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পু‌লিশ। পু‌লিশের পাশাপা‌শি র‌্যাব ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল প‌রিদর্শন করেছে।

 

নিহতরা হলেন, বেবী বেগম এবং তার দুই না‌তি মোস্তাকীম ও শামীম।

 

নিহত দুই শিশুর মা ফাতেমা বেগম মেরী জানান, তার দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী রফিকুল তার আগের ঘরের সন্তানদের ভালো চোখে দেখতো না। গত শুক্রবার রাতে তিনি বাড়িতে আসেন এবং তার সাথেই থাকেন। সকালে বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে যান। এরপর তার মা ও দুই সন্তানকে না দেখে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। বিকেলে পাশের রুম থেকে গন্ধ আসলে সবাইকে জানান।পু‌লিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মেরীর খালা তার বোন বেবী বেগমকে খুঁজতে ঘটনাস্থলে আসেন। ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে জাতীয় জরু‌রি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। এর আগে স্থ‌ানীয়রা ঘরের দরজা ভেঙে চৌ‌কির (খাট) নীচ‌ থেকে নানি বেবী বেগম ও ট্রাংকের ওপর থেকে নাতি শামীমের মরদেহ দেখতে পান। পরে পু‌লিশ ছোট ছেলে মুস্তা‌কিমের মরদেহ খুঁজতে থাকেন। পরে সিআইডির টিম এসে ওয়ারড্রব থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

এদিকে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ, ডিবি এবং সিআিইডির বিশেষ টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্রাইম সিন থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। মরদেহ তিনজনের সুরতাহাল শেষ করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

 

জানা গেছে, চার বছর পূর্বে ফাতেমা বেগমের প্রথম স্বামী মাসুম বেপারীর (৪৫) সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর তাদের সন্তান শামীম এবং মুস্তাকিম তার মা ফাতেমা বেগমের সাথে বসবাস করতে থাকেন। এর ভিতরে আন্তঃজেলা ট্রাক ড্রাইভার রফিকুলের সাথে বিয়ে হলে সেও প্রায় ফাতেমা বেগম এর মায়ের বাসায় এসে থাকতেন।খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার দারুল আমান মহল্লায় শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির ভাড়া বাসায় তিনটি মরদেহ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুটি শিশু মুস্তাকিম ও শামিম এবং তাদের নানী বেবী বেগমের মরদেহ রয়েছে। এ ঘটনায় নিহত শিশু সন্তান দুটির মা ফাতেমা বেগম মেরীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

 

তার দেওয়া তথ্যমতে, তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল এই ঘটনার সাথে জড়িত। এ ঘটনায় পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। রফিকুল খুলনা নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

খুলনায় একই ঘরের ট্রাংক-খাট-ওয়ারড্রব থেকে নানি ও দুই না‌তির মরদেহ উদ্ধার

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে নানি ও দুই না‌তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পু‌লিশ। শ‌নিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহানগরীর সোনডাঙ্গা থানার দারুস আমান মস‌জিদ এলাকার বিলপাড় রোডের বা‌সিন্দা শরীফুল ইসলামের বা‌ড়ি থেকে বিস্তারিত

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট

গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

 

প্রতিবেদনেঃ মোঃ ওমর ফারুক

Kaliganj Upazila উপজেলার তারালী, তেঁতুলিয়া, রাজাপুর, ঘুশুড়ি সহ বেশিরভাগ এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দিনের পর দিন ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ। দিন হোক কিংবা গভীর রাত— কোনো সময়ই ঠিকমতো বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন। গরমে রাতভর ঘুমাতে পারছেন না অনেকেই। বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ, মোবাইল চার্জ, ফ্যান চালানো এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও নেমে এসেছে স্থবিরতা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন— কেন এই চরম বিদ্যুৎ সংকট? কেন বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে মিলছে না নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা?

এলাকাবাসীর ক্ষোভ, শুধু উন্নয়নের গল্প আর আশ্বাসের বক্তব্য দিলেই হবে না, বাস্তবেও তার প্রতিফলন দেখতে চায় জনগণ। জনপ্রতিনিধিদের জনগণের দুর্ভোগ বুঝে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

কালীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত এই বিদ্যুৎ সংকটের স্থায়ী সমাধান করে জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট

সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে চরম বিদ্যুৎ সংকট গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ   প্রতিবেদনেঃ মোঃ ওমর ফারুক Kaliganj Upazila উপজেলার তারালী, তেঁতুলিয়া, রাজাপুর, ঘুশুড়ি সহ বেশিরভাগ এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিস্তারিত

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩