"শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল" - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক আমাদের দেশ।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্বাবধায়নে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন থেকে কল্যাণপুর অভিমুখী খালের উপর নির্মাণাধীন কালভার্টের কাজ শেষ হওয়ার আগেই হাতল ভেঙে পড়েছে। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ কালভার্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজ চলমান অবস্থায় গতকাল রোববার সকালে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে পড়েছে। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিয়ষটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ বলেন, হাতলের পাশে মাটি দেওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ছবিঃ শ্যামনগরে নির্মানাধীন কালভার্টের হাতলে ধ্বসের স্থির চিত্র।


কিশোরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টাও সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আজিজুল ইসলাম রাজু। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মাগুরা মিয়াপাড়ায় নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে আজিজুল ইসলাম রাজু বলেন, উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের সয়রাগন্ডা বাবু পাড়ায় অবস্থিত জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। ১৯৫৩ সাল থেকে তারা ওই জমি ভোগ দখল করে আসছেন এবং জমির দলিল ও রেকর্ড তাদের নামে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন,

গত ১৩ জুলাই তার চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলাম, শিমুল ইসলাম, ও আঞ্জু বেগম কোন

পূর্বঘোষণা ছাড়াই দখলের চেষ্টা করেন। তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে এবং তার ছেলে-মেয়েকে মারধর করা হয়, এতে তারা আহত হন। রাজুর দাবি, জমি দখলের চেষ্টা করে অভিযুক্তরা উল্টো হাসপাতালে ভর্তি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে কিছু সাংবাদিক অর্থের বিনিময়ে তাকে ‘ভূমিদস্যু’ আখ্যা দিয়ে তার বক্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দার আলহাজ্ব মোঃ হামিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী। তারা বলেন, শফিকুল ইসলামের দ্বারা শুধু রাজু নন, তারাও জমি দখলের চেষ্টার শিকার হয়েছেন। তাদের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক জমি সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

কিশোরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টাও সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

গাজীপুরে একটি বিয়ে বাড়িতে উৎসবের নামে অ্যালকোহলের (মদ) নামে মিথানল পান করায় দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার সময় সজিব (২২) এবং বিকেল সাড়ে চারটার সময় রনি (২০) মিয়া নামে ওই দুই যুবকের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়।

 

নিহত সজিব ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার জুনিয়ার বাজার এলাকার আব্দুল রেজাক এর ছেলে। তিনি কোনাবাড়ী থানাধীন বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকায় মফিজ উদ্দিন এর বাসায় ভাড়া থেকে কাঁচা মালের ব্যবসা করতেন এবং রনি মিয়া একই জেলার মোস্তফা ইসলামের ছেলে এবং বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকায় তোবারক মোল্লার বাসায় ভাড়া থেকে আশুলিয়া পলিট্যাকনিক্যালে পড়াশোনা করতেন।

 

স্থানীয়রা জানান,গত ১০ জুলাই রাতে বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকার ভাড়াটিয়া রমজানের বিয়ের অনুষ্ঠানে তার বিয়াই সাগর অ্যালকোহলের (মদ ) নামে মিথানল পান করায়। পরের দিন সকাল থেকে তারা অসুস্থ অনুভব করলে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ খায়। কিন্তু তাদের কোন উন্নতি না হলে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

 

সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার সময় প্রথমে সজিব এবং সাড়ে চারটার সময় রনি মিয়া মারা যায়।

 

রনি মিয়ার নানী রেজিয়া খাতুন বলেন, সে আমার সাথে বসবাস করে পড়াশোনা করতো। আমি ভিক্ষাবৃত্তি করে তাকে পড়াশোনা করাচ্ছি। সে এতটাই ভদ্র ছিলো যে কোন নেশা পানি করতনা। তাকে যড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। এর সাথে জড়িতদের শাস্তি চাই।

 

ডাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন (Methanol Poisonig) পান করার কারণে তাদের মৃত্যু হয়।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইফতেখার হোসেন জানান, শাহবাগ থানা থেকে একটি বার্তা পেয়েছি সজিব নামে এক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছে। পরে আন অফিশিয়ালি বিকেলে রনি মিয়া নামে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাই।

 

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কাঁচা মালের ব্যবসায়ী সাগর পলাতক রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

বিয়ের অনুষ্ঠানে মদ মনে করে মিথানল পান, দুইজনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং: ১৯/০৭/২৬ রবিবার।

 

হেডলাইন: নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য।

 

 

নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লোহাগড়া (নড়াইল):

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার (১৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নিহত আলিনুর ফকির ওই এলাকার আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত ওত পেতে থেকে আলিনুর ফকিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় আলিনুরের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ে,ন করা হয়েছে

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের ভুল অপারেশনের কারণেই ১৭ বছর বয়সী আয়েশা আফরিনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানিয়েছে।

 

নিহত আয়েশা আফরিন (১৭) সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে। তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

 

স্বজনদের অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে তাকে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে তাকে ভর্তি করা হয় এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।

 

পরিবারের দাবি, অপারেশনের পরপরই আয়েশার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে রাত ৩টার দিকে তাকে শহরের টেপাখোলা এলাকার রেজোয়ান মোল্লা হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

 

নিহতের মা আলেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করাতে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের ভুলের কারণে আজ আমার মেয়েকে হারাতে হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

 

স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনটি করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আতিকুল আহসান। ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যায়নি।

 

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এ সময় হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

 

অভিযোগের বিষয়ে ডা. আতিকুল আহসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

 

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নিহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফরিদপুরে ‘ভুল অপারেশনে’ কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ, চিকিৎসক পলাতক

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী : ১৮/জুলাই/২০২৬ নীলফামারী সদরের কচুকাটা ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া দোলার পাড় নামক স্থান থেকে কমর চন্দ্র রায় (৫০) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে ওই এলাকার একটি আদা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ। নিহত কমল চন্দ্র কচুকাটা বন্দর পাড়া গ্রামের বীরেণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কবিরাজ। নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, নিহত কমল চন্দ্র শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। সকালে স্থানীয় লোকজন আদা ক্ষেতের নালায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর তাদের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করেন। নীলফামারী সদর থানার (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মরদেহটি মাটিতে উপুড় হয়ে

সোয়া ছিল। নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

নীলফামারীতে আদা ক্ষেত থেকে কবিরাজের মরদেহ উদ্ধার

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার: নীলফামারির ডিমলা উপজেলায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকের চিকিৎসা গাফিলতিতে মেয়ে রাবিবনা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার বাবার রবিউল ইসলাম। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে, শনিবার

(১৮ জুলাই) নীলফামারী শহরের একটি সাংবাদিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, গত বছরের ৮ আগস্ট

প্রসবজনিত কারণে তার মেয়ে রাবিবনা আক্তার কে ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান সিজারিয়ান অপারেশন করেন। অপারেশনের পর প্রসূতি ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিশেষ করে রাবিবনা তীব্র পেট ব্যথা শুরু হলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের পরামর্শ ১১ আগস্ট তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি বলেন,রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা পূর্ণরায় আরো অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন কিন্তু ওই সময় ডিমলা স্কোয়ার ক্লিনিক এর মালিক ও ব্যবস্থাপক বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করেন। যে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের জন্য নেওয়া হয়েছে, সেখানে অপারেশন না করার জন্য তারা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন অভিযোগ করেন তিনি। এতে

অস্ত্রোপাচার করতে বিলম্ব হয়। রবিউল ইসলাম আরও বলেন, পরে গোপনে রংপুরের তালুকদার হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের করা হলে চিকিৎসকরা জানান, তার মেয়ের পেটের ‘নার’ এর একটি বড় অংশ পচে গিয়েছে। রাব্বিনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

তার দাবি, ডিমলা স্কয়ার ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসার কারণে সিজারের সময় ‘নার’ পেঁচিয়ে যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল রাব্বিনার আক্তারের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও ওই ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি আদৌ বরং

ইউএনও ব্যবস্থা নিতে উদাসীনতা দেখাচ্ছেন অভিযোগ করেন তিনি। রবিউল ইসলাম বলেন, যথাযথ চিকিৎসার অভাবে আমার মেয়ের ‘নার’ নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কোন প্রস্তুতি চিকিৎসার গাফিলতির শিকার না হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্লিনিক মালিক সফিয়ার রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এক বছর আগের ঘটনা আমার বিষয়টি সঠিক জানা নেই। আমার ক্লিনিক ও রংপুরের ক্লিনিকের রিপোর্ট কি আছে সেটা দেখতে হবে।

অপারেশনতো আমি করি নাই চিকিৎসক বলতে পারবে। জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান বলেন, আমি কি করতে পারি। এটা স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ তারপরও বিষয়টি আমি দেখবো।

ডিমলায় স্কয়ার ক্লিনিকের গাফিলতিতে প্রসূতির মৃত্যু, অভিযোগ দিয়েও মেলেনি প্রতিকার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান, ২২লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার ৩

 

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের বিশেষ নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২২ লিটার চোলাই মদসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ।

 

আজ রবিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের সাতঘরা গ্রামের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার তল্লা সর্বজান গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে রিপন পারভেজ (২৫), একই গ্রামের মোঃ সোহরাব প্রামানিকের ছেলে মোঃ সেলিম রেজা (২৫) এবং সাতঘরা গ্রামের মৃত শিবার ছেলে শ্রী সুতেষ (৬০)।

 

পুলিশ জানায়, জেলাকে মাদক মুক্ত করার ধারাবাহিক প্রত্যয়ে পুলিশ সুপারের দিক-নির্দেশনায় নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতঘরা গ্রামের একটি বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অভিনব কায়দায় মজুদ রাখা ২২ লিটার অবৈধ চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এ সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় ওই তিনজনকে।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চোলাই মদ তৈরি, মজুদ ও এলাকায় কেনাবেচা করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

 

নিয়ামতপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের এমন কঠোর অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

 

মোঃ সাইদুল ইসলাম হেলাল

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

মোবাইল নং- ০১৭২৪২৫৫৭০৬

১৯-৭-২০২৬

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান, ২২লিটার চোলাই মদসহ গ্রেফতার ৩ 

কিশোরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টাও সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আজিজুল ইসলাম রাজু। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মাগুরা মিয়াপাড়ায় নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে আজিজুল ইসলাম রাজু বলেন, উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের সয়রাগন্ডা বাবু পাড়ায় অবস্থিত জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। ১৯৫৩ সাল থেকে তারা ওই জমি ভোগ দখল করে আসছেন এবং জমির দলিল ও রেকর্ড তাদের নামে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন,

গত ১৩ জুলাই তার চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলাম, শিমুল ইসলাম, ও আঞ্জু বেগম কোন

পূর্বঘোষণা ছাড়াই দখলের চেষ্টা করেন। তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে এবং তার ছেলে-মেয়েকে মারধর করা হয়, এতে তারা আহত হন। রাজুর দাবি, জমি দখলের চেষ্টা করে অভিযুক্তরা উল্টো হাসপাতালে ভর্তি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে কিছু সাংবাদিক অর্থের বিনিময়ে তাকে ‘ভূমিদস্যু’ আখ্যা দিয়ে তার বক্তব্য না নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দার আলহাজ্ব মোঃ হামিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী। তারা বলেন, শফিকুল ইসলামের দ্বারা শুধু রাজু নন, তারাও জমি দখলের চেষ্টার শিকার হয়েছেন। তাদের দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক জমি সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

কিশোরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টাও সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

 

রোববার (১৯ জুলাই) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। পরে দলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমানকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে কেবল ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ’-এর কথা উল্লেখ করা হলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

 

এর আগে শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে শাহপরাণ হলের ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে হলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় হাসিবুর রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে আসে।

 

ঘটনার পর ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলে।

 

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের জেরে ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার

রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আশরাফুল আলম আশরাফকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (১৯ জুলাই) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মারুফ পারভেজ প্রিন্স ও সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

 

নোটিশে বলা হয়, রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে নেতাকর্মীদের সঙ্গে না নিয়ে জেলা ছাত্রদলকে অসহযোগিতা করার অভিযোগে ডোমার উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে কেন কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

 

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা ছাত্রদল নেতৃত্ব বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলেও নোটিশে জানানো হয়।

সমাবেশে নেতাকর্মী না নেওয়ায় ছাত্রদল নেতাকে শোকজ

গাজীপুরে একটি বিয়ে বাড়িতে উৎসবের নামে অ্যালকোহলের (মদ) নামে মিথানল পান করায় দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার সময় সজিব (২২) এবং বিকেল সাড়ে চারটার সময় রনি (২০) মিয়া নামে ওই দুই যুবকের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়।

 

নিহত সজিব ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার জুনিয়ার বাজার এলাকার আব্দুল রেজাক এর ছেলে। তিনি কোনাবাড়ী থানাধীন বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকায় মফিজ উদ্দিন এর বাসায় ভাড়া থেকে কাঁচা মালের ব্যবসা করতেন এবং রনি মিয়া একই জেলার মোস্তফা ইসলামের ছেলে এবং বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকায় তোবারক মোল্লার বাসায় ভাড়া থেকে আশুলিয়া পলিট্যাকনিক্যালে পড়াশোনা করতেন।

 

স্থানীয়রা জানান,গত ১০ জুলাই রাতে বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকার ভাড়াটিয়া রমজানের বিয়ের অনুষ্ঠানে তার বিয়াই সাগর অ্যালকোহলের (মদ ) নামে মিথানল পান করায়। পরের দিন সকাল থেকে তারা অসুস্থ অনুভব করলে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ খায়। কিন্তু তাদের কোন উন্নতি না হলে কোনাবাড়ী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

 

সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার সময় প্রথমে সজিব এবং সাড়ে চারটার সময় রনি মিয়া মারা যায়।

 

রনি মিয়ার নানী রেজিয়া খাতুন বলেন, সে আমার সাথে বসবাস করে পড়াশোনা করতো। আমি ভিক্ষাবৃত্তি করে তাকে পড়াশোনা করাচ্ছি। সে এতটাই ভদ্র ছিলো যে কোন নেশা পানি করতনা। তাকে যড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। এর সাথে জড়িতদের শাস্তি চাই।

 

ডাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন (Methanol Poisonig) পান করার কারণে তাদের মৃত্যু হয়।

 

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইফতেখার হোসেন জানান, শাহবাগ থানা থেকে একটি বার্তা পেয়েছি সজিব নামে এক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেছে। পরে আন অফিশিয়ালি বিকেলে রনি মিয়া নামে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাই।

 

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কাঁচা মালের ব্যবসায়ী সাগর পলাতক রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।

বিয়ের অনুষ্ঠানে মদ মনে করে মিথানল পান, দুইজনের মৃত্যু

মধ্যে রাতে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফাইনাল। তবে এর মহারণ শুরুর আগেই মাঠের বাইরের পারদ চড়তে শুরু করেছে। স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হাইভোল্টেজ ফাইনালের আগে আলবিসেলেস্তেদের এক হাত নিলেন স্প্যানিশ সাংবাদিক রবার্তো গোমেজ। রেডিও মার্কার জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘লা ত্রিবু’-তে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনাকে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ‘প্রতারক দল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন তোলপাড় চলছে।

 

স্প্যানিশ এই প্রবীণ সাংবাদিকের দাবি, লিওনেল স্কালোনির দল শুধু ফুটবল খেলে না, বরং মাঠে প্রতিপক্ষকে অনবরত উস্কানি দেয়। আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণকে ‘সহিংস’ উল্লেখ করে তিনি দলটিকে একটি হিংস্র দল হিসেবেও মন্তব্য করেন। গোমেজের মতে, ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হিসেবে আর্জেন্টিনা সবচেয়ে বাজে এবং কঠিন একটি দল। তবে এই ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন তাদের ইতিহাসের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরবে বলেও তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।

 

চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথচলা মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি রেফারিং বিতর্কেও জড়িয়েছে বারবার। প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই প্রতিপক্ষের ফুটবলার এবং কোচেরা হারের পর রেফারিং নিয়ে সরাসরি আঙুল তুলেছেন, যা স্কালোনি বাহিনীর জয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে।

 

স্প্যানিশ সাংবাদিক গোমেজ সেই বিতর্ককেই উস্কে দিয়ে বলেন, শুধু এই বিশ্বকাপেই নয়, এর আগে আর্জেন্টিনা যে তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছে, তার সবগুলোর পেছনেই জড়িয়ে আছে নানা বিতর্কিত ইতিহাস। মাঠের মহাযুদ্ধের আগে স্প্যানিশ ক্যাম্প থেকে আসা এমন কড়া মনস্তাত্ত্বিক আক্রমণ ফাইনালের উত্তেজনাকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল।

 

আর্জেন্টিনার ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেও দেশটির ফুটবল প্রতিভাকে অস্বীকার করতে পারেননি এই স্প্যানিশ সাংবাদিক। আলফ্রেডো ডি স্টেফানো, ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসির নাম উল্লেখ করে তিনি স্বীকার করেন যে, ইতিহাসসেরা ফুটবলাররা এই দেশ থেকেই এসেছেন এবং লিওনেল স্কালোনিও একজন অসাধারণ কোচ।

আর্জেন্টিনা ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতারক দল: স্প্যানিশ সাংবাদিক

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

দৈনিক আমাদের দেশ।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্বাবধায়নে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন থেকে কল্যাণপুর অভিমুখী খালের উপর নির্মাণাধীন কালভার্টের কাজ শেষ হওয়ার আগেই হাতল ভেঙে পড়েছে। এঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ কালভার্টের নির্মাণকাজ শুরু হয়। কাজ চলমান অবস্থায় গতকাল রোববার সকালে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে পড়েছে। বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিয়ষটি কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

 

এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ বলেন, হাতলের পাশে মাটি দেওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কালভার্টের একটি হাতল ধ্বসে গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঠিকাদারকে পুনরায় কাজ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ছবিঃ শ্যামনগরে নির্মানাধীন কালভার্টের হাতলে ধ্বসের স্থির চিত্র।

“শ্যামনগরে ৪০ লাখ টাকার কালভার্টেই ধ্বস! নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল হাতল”

স্টাফ রিপোর্টার

তানিন পিয়াস চৌধুরী

তাং: ১৯/০৭/২৬ রবিবার।

 

হেডলাইন: নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য।

 

 

নড়াইলের,পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোহাগড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, লোহাগড়া (নড়াইল):

 

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে আলিনুর ফকির (৩০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার (১৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের কুমড়ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।নিহত আলিনুর ফকির ওই এলাকার আব্দুল হাই ফকিরের ছেলে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত ওত পেতে থেকে আলিনুর ফকিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ সময় আলিনুরের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ে,ন করা হয়েছে

 

নড়াইল থেকে

তানিন পিয়াস চৌধুরী

গন টেলিভিশন সংবাদ।

নড়াইলে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০১১ সালে সংঘটিত এক শিশু ধর্ষণ মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর দেওয়া এ রায়ে তিনজনকে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালত আদেশে বলেছেন, আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।

 

 

রোববার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর বহুল প্রতীক্ষিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী তার এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রোলপাম্পসংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক তাঁর গতিরোধ করে।

 

 

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রথমে দুই যুবক কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তাঁকে জোর করে পেট্রোলপাম্পের পেছনের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে মোবাইল ফোনে আরও কয়েকজনকে ডেকে আনা হয়। সেখানে তিনজন পালাক্রমে কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং অপর তিনজন এ অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করে।

 

 

একপর্যায়ে কিশোরীর চিৎকার শুনে পাশ দিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে ওই ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে কাপড়ের ব্যবস্থা করে তাঁর পরিচিতদের কাছে পৌঁছে দেন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

 

ঘটনার তিন দিন পর, ২০১১ সালের ২৫ অক্টোবর ভুক্তভোগীর বাবা ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ, আলামত উপস্থাপন এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ রায় দেন।

 

 

রায়ে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(৩) ধারায় আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলালকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রাকৃতিক মৃত্যু পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

 

এছাড়া অপর তিন আসামি মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালুকে একই আইনের ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

 

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন না। অর্থাৎ বিচারাধীন অবস্থায় হাজতে কাটানো সময় তাঁদের দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে না। পাশাপাশি তাঁরা জেল কোড অনুযায়ী কোনো ধরনের সাজা মওকুফ বা রেমিশনের সুবিধাও পাবেন না।

 

 

অন্যদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি আইন অনুযায়ী বিচারাধীন অবস্থায় কারাভোগের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার সুবিধা পাবেন।

আদালত আরও নির্দেশ দেন, দণ্ডিতদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। যদি দণ্ডিতরা অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় কার্যকরের অংশ হিসেবে আদালত পাঁচ দণ্ডিত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আনিছ ওরফে রানা পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেন, তিনি গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের পর থেকে তাঁর সাজা কার্যকর হবে।

 

 

২০১১ সালে সংঘটিত এ ঘটনাটি সে সময় ঠাকুরগাঁও জেলায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ঘোষিত এ রায়ে মামলার ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পন্ন হলো।

 

 

রায় ঘোষণার পর সরকার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বদরুল চৌধুরী বলেন, “আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এ রায় দিয়েছেন। দীর্ঘদিন পর হলেও ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এ রায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে।”

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছর পর শিশু ধর্ষণ মামলার রায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d