ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।


সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে বলিউডে পা রাখা অভিনেত্রী দিয়া মির্জা অভিনয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ। নানা ধরনের চরিত্রে এখনো নিয়মিত দেখা যায় তাকে।

 

তবে ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ‘মুঝে তুমসে মোহাব্বত হ্যায়’ গানটি দিয়াকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছিল।

 

ইমরান হাশমির সঙ্গে তার সেই গ্ল্যামারাস নাচ দর্শকের নজর কাড়লেও ক্যামেরার পেছনের অভিজ্ঞতা ছিল অভিনেত্রীর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন দিয়া মির্জা। তিনি জানান, সেটে উপস্থিত শত শত পুরুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে নাচের দৃশ্যের শুটিং করতে হয়েছিল। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তিনি বেশ দ্বিধায় ও অস্বস্তিতে ছিলেন।দিয়ার ভাষ্য, তখন নিজের শরীর নিয়ে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না তিনি। রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে এমন পোশাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো তার জন্য সহজ ছিল না।

 

তবে শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাই তার জীবনে আত্মবিশ্বাস ও মুক্তির অনুভূতি এনে দেয়।

 

দিয়া বলেন, এই শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আমাকে এমনভাবে মুক্ত করেছিল, যা আমি কখনো আশা করিনি। নৃত্যপরিচালক বৈভবী মার্চেন্টের জন্যই আমি এই গানের শুটিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে পেরেছিলাম। সেটে যারা কাজ করছিলেন, প্রত্যেকেই আমাকে খুব নিরাপদ অনুভব করিয়েছিলেন।

 

পোশাক ও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন নারী হিসেবে এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন কাজ। কারণ শত শত মানুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে ক্যামেরার সামনে নাচতে হয়েছিল।

 

তবে কেন শেষ পর্যন্ত তিনি সেই দৃশ্যে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অভিনেত্রী। তার মতে, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের প্রয়োজন এবং চরিত্রের ভেতরের সত্যকে বোঝা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

দিয়া বলেন, বিষয়টি অস্বস্তিকর হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। কারণ আমি বুঝতে পেরেছিলাম, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের সত্যিটা খুঁজে বের করা জরুরি এবং সেই চরিত্রের মাধ্যমে কী প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘরে ৫০০ জন মানুষ থাকুক বা ১ হাজার জন, সেটা আর আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

 

হায়দরাবাদে রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠা দিয়া জানান, একসময় নিজের শরীর নিয়ে তার যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। কিন্তু ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ওই গানের শুটিংই তাকে নিজের প্রতি আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

 

দর্শকের কাছে এটি হয়তো ছিল একটি গ্ল্যামারাস গানের দৃশ্য। তবে দিয়া মির্জার কাছে সেই অভিজ্ঞতা ছিল নিজের সীমাবদ্ধতা ভেঙে বেরিয়ে আসা, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া এবং এক ধরনের মুক্তির অনুভূতির স্মরণীয় অধ্যায়।

অভিনেত্রী দিয়া মির্জার গোপন ভিডিও ফাঁস, তোলপাড় নেটদুনিয়া!

মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ভূল্লীতে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ভূল্লী উপজেলার ১ নং বড়গাঁও ইউনিয়নের কাচারি বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে কাচারি বাজার যুব সংঘের উদ্দ্যোগে দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

টুর্নামেন্টকে ঘিরে সকাল থেকেই খেলোয়াড় ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিভিন্ন এলাকার ফুটবল দল এতে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের দারুণ নৈপুণ্যে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়।

 

খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী দর্শক। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে পুরো মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

আয়োজকরা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। নিয়মিত এমন আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিভাবান ফুটবলার তৈরি হবে এবং যুবসমাজ খেলাধুলার প্রতি আরও আগ্রহী হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে তরুণদের মাঠমুখী করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে।

 

টুর্নামেন্ট শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ নুর আলম বাবু, বড়গাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক ও স্বপ্ন গ্রুপ এর পরিচালক মামুনুর রশিদ মামুন, ছাত্রদল নেতা সুবাহান।

 

এ সময় আয়োজক কমিটির সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, খেলোয়াড় ও বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।

 

টুর্নামেন্টে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন হয় আসিফ একাদশ (ভূল্লী) ও রানার্সআপ হয় কাচারি বাজার একাদশ।

মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে ভূল্লীতে দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।

গাইবান্ধায় ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা জেলা স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে শুরু হয়েছে ‘গাইবান্ধা ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ (জিপিপিএল) ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬’। শুক্রবার (২১শে আগস্ট) বিকেলে জেলা স্টেডিয়াম চত্বরে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)-এর নির্বাহী প্রধান এম. আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদ। উদ্বোধনী ক্রীড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আশরাফ হোসেন, শাহাদত হোসেন সাগর, খন্দকার রবিউল ইসলাম, মাসুদ রানা ও সেলিম মিয়া।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, “সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন গঠনে এবং যুবসমাজকে মাদক ও যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। ফার্মাসিউটিক্যালস পেশাজীবীদের দিনভর কর্মব্যস্ততার মাঝে এই টুর্নামেন্ট কেবল মানসিক প্রশান্তিই দেবে না, বরং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করতে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখবে।”

উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নেওয়া দলগুলোকে উৎসাহ দিতে মাঠে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে বিরাজ করছিল টানটান উত্তেজনা ও উৎসবের আমেজ।

গাইবান্ধায় ফার্মাসিউটিক্যালস প্রিমিয়ার লীগ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের উদ্যোগে মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সিপিসি-৩ গাইবান্ধা র‌্যাব-১৩ ক্যাম্পের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে এই সচেতনতা মুলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিপিসি-৩ ও র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ রেজাউল হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মাজহারুল মান্নান । এছাড়াও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী, রেড ক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। দেড় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ভেতর থেকে পঙ্গু করে দেয়।

 

মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি সহ সকল পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগে বিপদগামী মাদকাসক্ত তরুণদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

অপরদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনায় মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনাসহ মাদক ও সামাজিক অপরাধ নির্মুলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

 

সভা শেষে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহনকরা শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরন করা হয়।

গাইবান্ধায় অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার, সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজবৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিশা। শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

জামিন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা বললেন, ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসবো। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা এমন কিছুই করিনি।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সবকিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে তাকে চিনি না।

 

এদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷ এরপর তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গন ছাড়েন। এসময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভীড় জমান।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তানজিল তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশ। সেই প্রতিবেদনের আদালত আমলে গ্রহণ করে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুতে শোকাহত লিওনেল মেসি যখন পরিবারের পাশে থাকতে আর্জেন্টিনায়, তখন মাঠে নেমে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালেন রদ্রিগো দে পল। নিজের জার্সির নিচে মেসির ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলতে নেমেছিলেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন তারকা। গোল করেই সেই জার্সি প্রকাশ করেন এবং আবেগঘনভাবে মেসির প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধা জানান।

 

শনিবারের দিনটি মেসি পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত কঠিন। আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা গেছেন মেসির বাবা হোর্হে মেসি। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ইন্টার মায়ামির কাছ থেকে ছুটি নিয়ে পরিবারের পাশে থাকতে রোজারিওতে ফিরে যান মেসি।

 

এ কারণে লিগস কাপের গ্রুপ পর্বে মনতেরের বিপক্ষে ম্যাচে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির অনুপস্থিতিতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হয় অন্যদের। সেই দায়িত্বের অন্যতম একজন ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু দে পল।

 

ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইন্টার মায়ামি। একপর্যায়ে বক্সের বাইরে থেকে বজ্রগতির এক শটে দারুণ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দে পল।

 

গোল করার পরই নিজের জার্সি খুলে ফেলেন তিনি। তখন প্রকাশ পায় আসল চমক। নিজের জার্সির নিচে তিনি পরে ছিলেন মেসির বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি। গোল করার পর সেই জার্সি দেখিয়ে মেসি ও তাঁর পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও সমবেদনা জানান দে পল।

 

মেসির কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার এটি ছিল দে পলের আবেগঘন এক বার্তা। মাঠের বাইরেও দুজনের বন্ধুত্ব বেশ গভীর। আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে শুরু করে ইন্টার মায়ামি—দুই জায়গাতেই মেসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে দে পলের।

 

মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও জার্মান বেরতেরামে না থাকায় মনতেরের বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির জন্য ম্যাচটি আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে ৩২ বছর বয়সী দে পল সামনে থেকে দায়িত্ব নেন। গোল করে দলকে যেমন এগিয়ে দেন, তেমনি বন্ধুর পরিবারের কঠিন সময়েও পাশে থাকার বার্তা দেন।

 

মেসির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর ফুটবল বিশ্বের অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। দে পলের এই শ্রদ্ধা যেন সেই শোকের মধ্যেই বন্ধুত্বের আরেকটি গভীর উদাহরণ হয়ে থাকল।

 

মেসি যখন রোজারিওতে বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে পরিবারের সঙ্গে, তখন তাঁর হয়ে মাঠে লড়লেন দে পল। আর গোলের পর মেসির ১০ নম্বর জার্সি দেখিয়ে জানিয়ে দিলেন—কঠিন সময়ে বন্ধুকে তিনি একা হতে দেবেন না।

মেসির জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন দে পল, গোল করে উৎসর্গ করলেন মেসির প্রয়াত বাবাকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নীলফামারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

০২/০৯/২০২৬ ইং

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নীলফামারীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। সভা সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুল আলম চৌধুরী শুভ।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল পারভেজ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দলের ভূমিকা এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দলকে আরও সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতারা।

সভায় বক্তব্য দেন প্রবীণ গুহ রিন্টু, পলাশবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জগদীশ চন্দ্র রায়, সংগলশী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রব্বু সরকার, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মগনী মাসুদুল আলম দুলাল, জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক শাহজাদা মুক্তি এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোকলেছুর রহমান কাজল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নীলফামারীর আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান রিনো, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক আসলাম হায়াত মিল্টন, সদস্য সচিব আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব ওয়ালিউর রহমান হেলাল, যুবনেতা মুকুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মারুফ পারভেজ প্রিন্সসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

নীলফামারীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

আতিকুর রহমান আশিক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

এ দাবিতে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু এ মহাসড়কে চলাচলকারী সেলফী পরিবহনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ রয়েছে। এতে যাত্রী ও অন্যান্য সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্মারকলিপিদাতারা সেলফী পরিবহনের গত কয়েক বছরের দুর্ঘটনার রেকর্ড, সংশ্লিষ্ট মামলা, গাড়ির ফিটনেস, রুট পারমিট, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখার দাবি জানান।

সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক খন্দকার তুহিন হোসেন বলেন, তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম, বেপরোয়া গাড়ি চালানো কিংবা ফিটনেস ও রুট পারমিট সংক্রান্ত অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, সেলফী পরিবহনের চালকরা নিয়মিতভাবে ট্রাফিক আইন ও সড়ক নিরাপত্তা বিধিমালা মেনে চলছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে ট্রাফিক পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযান জোরদারের দাবি জানানো হয়।

 

কোনো পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা চালকের অবহেলার কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানানো হয়। জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সেলফী পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল রাখার দাবি জানান স্মারকলিপিদাতারা।

পাশাপাশি ভবিষ্যতে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী সব গণপরিবহনের ফিটনেস, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, রুট পারমিট ও গতিসীমা নিয়মিতভাবে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়।

 

এ ছাড়া সেলফী পরিবহনের প্রকৃত কতটি গাড়ির রুট পারমিট রয়েছে এবং অনুমোদনের বাইরে কতটি গাড়ি বাস্তবে মহাসড়কে চলাচল করছে, তা তদন্ত করে নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপিদাতারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। প্রতিটি দুর্ঘটনার সঙ্গে মানুষের জীবন, একটি পরিবারের স্বপ্ন এবং রাষ্ট্রের সম্পদ জড়িয়ে থাকে। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলাচলকারী সব পরিবহনের বিরুদ্ধে কার্যকর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ জরুরি।

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক সচেতন সমাজের আহ্বায়ক খন্দকার তুহিন হোসেন, সদস্য পীযূষ ফাইটার, মো. চঞ্চল, রুবেল হোসেন, সাকিব আল হাসানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-আরিচাসেলফী পরিবহনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালানো এবং যাত্রী নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানটির রুট পারমিট বাতিলের দাবি

*বুড়িগোয়ালিনীতে মুরগির খোঁয়াড়ে অজগরের হানা, ৬টি হাঁস-মুরগি খেলো, ফরেস্ট স্টাফরা উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্তির প্রস্তুতি*।

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

“দৈনিক আমাদের দেশ”।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে একটি মুরগির খোঁয়াড়ে সুন্দরবন থেকে আসা বিশাল আকৃতির অজগর সাপ ঢুকে ৬টি হাঁস-মুরগি খেয়ে ফেলেছে। পরে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ও সিপিজির সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করেন।

 

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের *আতিয়ার রহমানের ছেলে মুক্তার গাজীর* মুরগির কোটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানান, রাতে হঠাৎ মুরগির খোঁয়াড় থেকে মুরগির ডাকাডাকি শুনে মুক্তার গাজী ও তার পরিবারের লোকজন গিয়ে দেখেন একটি বড় অজগর সাপ খোঁয়াড়ের ভেতরে ঢুকে হাঁস-মুরগি খাচ্ছে। এ সময় তারা চিৎকার করলে সাপটি খোঁয়াড়ের মধ্যেই কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে থাকে।

 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে *বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন* এবং *সিপিজি সদস্যরা* ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগর সাপটিকে উদ্ধার করেন।

 

স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে খাবারের সন্ধানে সুন্দরবন থেকে সাপটি লোকালয়ে চলে এসেছে। সাপটি প্রায় ৮-৯ ফুট লম্বা। উদ্ধারের পর সাপটিকে নিরাপদে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে অবমুক্ত করা হবে।

 

এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও ফরেস্ট স্টাফদের দ্রুত পদক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে রাতে ঘরবাড়ি ও খোঁয়াড় নিরাপদে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বুড়িগোয়ালিনীতে মুরগির খোঁয়াড়ে অজগরের হানা, ৬টি হাঁস-মুরগি খেলো, ফরেস্ট স্টাফরা উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্তির প্রস্তুতি

শ্যামনগরে ১৩ ইটভাটার মধ্যে ১০টির নেই পরিবেশগত ছাড়পত্।

‎ইয়াছিন মোড়ল- (শ্যামনগর সাতক্ষীরা)

‎সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের আওতাধীন মোট ১৩টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩টি ইটভাটার পরিবেশগত ছাড়পত্র/নবায়ন ২০২৫ পর্যন্ত রয়েছে, আর বাকি ১০টি ইটভাটা অবৈধ, নেই পরিবেশগত ছাড়পত্র/নবায়ন। পরিবেশ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‎পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন এসব অধিকাংশ অবৈধ ইটভাটার কোনো সরকারি অনুমোদন বা লাইসেন্সও নেই। সম্প্রতি উচ্চ আদালত এক আদেশে দেশের সব অবৈধ ইটভাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরও অবৈধ ইটভাটা বন্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে এসব অবৈধ ইটভাটা পুরোদমে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশেই গড়ে তোলা এ সকল অবৈধ ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ক্লাস করে থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

‎উপজেলার রামজীবনপুর দাখিল মাদ্রাসার

‎শিক্ষার্থীরা জানান, চলতি মৌসুমে ক্লাসের সময় ইটভাটার কালো ধোঁয়া সরাসরি তাদের নাক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। চোখে বালু ও ধোঁয়া ঢুকে যায়। ফলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। চোখেও সমস্যা হয়। ইটভাটার ট্রাক ও ভেকুসহ বিভিন্ন মেশিনের শব্দে ক্লাসের সময় তারা শিক্ষকদের কথা শুনতে পারে না।

‎এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নজরদারি না থাকায় অবৈধ এসব ভাটায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে কাঠ, সোয়াবিনের গাঁথ, তুষকাঠ ও টায়ার বিষাক্ত কালি  জ্বালানিতে  ব্যবহার করা হয়। অভিযোগ ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দাদের।

‎উপজেলার মৎস্য আড়ৎ এবং বাজারের নিকটবর্তী বসবাসকারী কয়েকজন ব্যক্তি বলেন, আমাদের ৩০ বছরের বসতভিটা এখানে। আগে একটি ভাটা ছিল। এখন চারপাশে চারটি ইটভাটা। ধুলাবালি আর ধোয়ায় ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঘরের ভেতর ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বাস করছি। ইটভাটার ধোঁয়া ও বালুকণার কারণে বাড়িতে কোন গাছ-গাছালি বা খেতে ফসল ফলানো যাচ্ছে না।

‎পরিবেশ অধিদপ্তরের নথিতেই যখন শ্যামনগরের ১০টি ইটভাটার হালনাগাদ পরিবেশগত ছাড়পত্র/নবায়ন নেই, অবৈধ ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে,  তখন এসব ইটভাটার মধ্যে যেগুলো এখনও চালু রয়েছে—সেগুলোর কার্যক্রম কীভাবে চলছে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

‎উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিচালিত ইট ভাটা থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়ায় ব্রংকাইটিস, শ্বাসকষ্টসহ শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের প্রকোপ স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে যায়। এতে বৃদ্ধ এবং শিশুদের মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে। ফলে এ বিষয়ে আমাদের সচেতন হতে হবে।

‎বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে থাকা  ইটের ভাটা গুলো সরিয়ে নিলে  শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমে যাবে।

‎এ ব্যাপারে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি, ফোন রিসিভ করেননি তিনি ।

শ্যামনগরে ১৩ ইটভাটার মধ্যে ১০টির নেই পরিবেশগত ছাড়পত্র

ভূল্লী নদীতে গোসল করতে গিয়ে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশু

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লীতে ভূল্লী নদীর পানিতে ডুবে হোসাইন আহমেদ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ভূল্লী উপজেলার শুখান পুখুরী ইউনিয়নের বাংরোড (মন্ডলপাড়া) এলাকায় ভূল্লী নদীর বাংরোড সুইচ গেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত হোসাইন আহমেদ ওই এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

 

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দুপুরে হোসাইন আহমেদ কয়েকজন সমবয়সী শিশুর সঙ্গে বাড়ির পাশের ভূল্লী নদীর বাংরোড সুইচ গেটে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত পানির গভীরে চলে গিয়ে ডুবে যায় সে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে। তবে উদ্ধারের পর তার মৃত্যু হয়।

 

শিশুটির মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

খবর পেয়ে ভূল্লী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, নদীর পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ভূল্লী নদীতে গোসল করতে গিয়ে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

 

 

গত ১/০৯/২০২৬ ইং তারিখে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: সেলিম রেজার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ শিরোনামে “দৈনিক ঘোষণা ” অনলাইন পএিকা” বিভিন্ন নামে বেনামে পেজ ও আইডি থেকে শীর্ষক সংবাদ ও ভিডিও মাল্টিমিডিয়া ফেসবুক পেইজের উক্ত সংবাদ ও ভিডিও প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এমন কোন ঘটনা পরিষদে ঘটেনি। তবে যে ভিডিওতে টাকা লেনদেনের চিত্র দেখানো হয়েছে, সেটি নিছক পরিষদের ফ্রিজ কেনার সরকারি টাকা। সচিব মহোদয় ব্যস্ত থাকার কারণে প্রশাসককে বলেন ওয়ালটন শো-রুম এর ম্যানেজার আসছে স্যার আপনি টাকা টা ম্যানেজার কে বুঝিয়ে দেন। তখন প্রশাসক টাকাটা গুনে ম্যানেজারকে বুঝিয়ে দেন। এটা সরকারি টাকা। ব্যক্তিগত কোন লেনদেন বা দূর্নীতির টাকা নয়। তাই উক্ত সংবিধানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে গঠন মূলক, সত্য, সংবাদ প্রকাশ করবে বলে আশা ব্যক্ত করছি। প্রতিবাদে : সকল কমকর্তা / কর্মচারীগণ ইয়ারপুর , ইউনিয়ন পরিষদ, সাভার, ঢাকা।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে যান তিনি। এসময় তিনি চিকিৎসকদের কাছে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

 

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

 

জানা গেছে, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গত কয়েকদিন ধরেই জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অসুস্থ জ্বালানিমন্ত্রী টুকুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি

বাড়ইপাড়া শাখার শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন, সভাপতি হুমায়ুন কবির, সম্পাদক রফিকুল।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের বাড়ইপাড়া শাখার ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিন বছরের জন্য গঠিত এই কমিটিতে সভাপতি হুমায়ূন কবির ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামকে নির্বাচিত করা হয়।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কালিয়াকৈর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এ নতুন কমিটি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক, হুমায়ুন কবীর খান। এই কমিটির অন্যরা হলেন- কার্যকরী সভাপতি নুরুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি-১ লেহাজ উদ্দিন, সহ-সভাপতি-২ রমজান আলী, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হালিম, দপ্তর সম্পাদক আজহার উল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তাহের হোসেন, সড়ক সম্পাদক আব্দুল আজিজ শরীফ, সহ-সড়ক সম্পাদক শ্রী সুব্রত চন্দ্র বর্মণসহ ১৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিনার উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, গাজীপুর জেলা অটো টেম্পু মালিক সমিতির সভাপতি শাহজাহান সিরাজ, সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর ইসলাম, গাজীপুর জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম দেওয়ানসহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ।

বাড়ইপাড়া শাখার শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন, সভাপতি হুমায়ুন কবির, সম্পাদক রফিকুল

গাজীুপরের কাশিমপুরে দুই ব্যাটারি কারখানায় অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা ।

 

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে অনুমোদনহীন দুটি চায়না মালিকানাধীন ব্যাটারি কারখানায় অভিযান চালিয়ে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

জেলা এনএসআই গাজীপুর কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কাশিমপুর থানাধীন এলাকায় পৃথক এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

প্রথমে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কাশিমপুর থানার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পানিশাইল এলাকায় ‘টংগুইদা’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাজীপুরের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সালেহুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই ব্যাটারি উৎপাদন ও বাজারজাত করার সত্যতা পাওয়া যায়।

 

এ সময় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ১৫(২৭) ধারা অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা এবং ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ৪০, ২৪ ও ৫৫ ধারায় আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

 

পরে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট থেকে ৫টা ১০ মিনিট পর্যন্ত একই থানার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাধবপুর এলাকায় ‘টাইগার ব্যাটারী’ নামের আরেকটি চাইনিজ মালিকানাধীন কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার সত্যতা পাওয়া যায়।

 

এ ঘটনায় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩১ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক দুটি অভিযানে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

 

অভিযানের মাধ্যমে অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া ব্যাটারি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন ।

গাজীুপরের কাশিমপুরে দুই ব্যাটারি কারখানায় অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d