অর্থনীতি পাঠের সময় এখন - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
অর্থনীতি পাঠের সময় এখন

অর্থনীতি পাঠের সময় এখন

Oplus_131072

আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, তখন অর্থনীতির বিভিন্ন প্রচলিত তত্ত্ব ও নিয়ম নিয়েই বেশি পড়তে হয়েছে। সাম্প্রতিক বাস্তবতায় এসব ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এখন বিহেভিয়রাল ইকোনমিকস নিয়ে পড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি নিয়ে যাঁরা পড়ছেন, তাঁদের জন‍্য সামনের দিনগুলোয় কাজ ও গবেষণার সুযোগ আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করি। আমার যেমন শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আগ্রহ। অর্থনীতিতে পড়েছি বলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা কেমন, তার ভিন্ন আঙ্গিক নিয়ে ভাবনার সুযোগ পাচ্ছি। এখন বিশ্বব্যাপী ব্যবসা ও অর্থনীতির বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নীতিমালার পরিবর্তন, প্রযুক্তির অগ্রগতি, সবই অর্থনীতির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ব্লকচেইন, বিগ ডেটা আর বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতিমালার বিভিন্ন পরিবর্তন নতুন ধরনের গবেষণা ও কাজের সুযোগ তৈরি করছে। বাংলাদেশেও এসব প্রযুক্তির প্রভাব পড়ছে। এসব বিষয়ে কাজের জন্য অনেক অর্থনীতিবিদ ও গবেষক প্রয়োজন। এখন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে শুরু করে প্রকৌশলেও অর্থনীতি নিয়ে পড়তে হয়। কারণ, অর্থনীতি আমাদের বিভিন্ন দিক থেকে যেকোনো বিষয় নিয়ে ‘ক্রিটিক্যালি’ ভাবতে শেখায় এবং সব ক্ষেত্রেই আসলে অর্থনীতির সংযোগ আছে। তবে আমি শিক্ষক হিসেবে বলব, শুধু তাত্ত্বিক অর্থনীতি পড়লেই হবে না। আমাদের অর্থনীতিবিদদের এই নতুন যুগে চলতে গেলে মানবমনকে বুঝতে হবে, প্রচলন বুঝতে হবে এবং এ জন্য সাহিত্য, ইতিহাস ও আমজনতার সঙ্গে সংযোগ থাকতে হবে। অঙ্কে পারদর্শী হওয়ার পাশাপাশি আশপাশকে দেখা, চেনা ও জানার উদ্যোগ ও মানসিকতা থাকতে হবে।

আসছে বাজেট
বাংলাদেশে মে, জুন ও জুলাইয়ে বাজেট নিয়ে প্রতিবছর অনেক হইচই হয়। অর্থনীতির শিক্ষার্থীদের জন‍্য বাজেট নিয়ে জানা ও গবেষণা একটা বড় সুযোগ হতে পারে। বাজেটবিষয়ক গবেষণার মাধ্যমে সরকারের নীতিমালা, রাজস্ব ও ব্যয়ের ভাগ, সামাজিক নিরাপত্তা খাত, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষি খাত, নানা দিক বিশ্লেষণ করা যায়। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে গবেষণাপত্র লিখতে পারেন, পত্রিকায় লেখা পাঠাতে পারেন। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করা ও বাজেটের বাস্তবিক প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা তরুণ অর্থনীতিবিদদের জন্য একটি বড় সুযোগ। মোটকথা, অর্থনীতি পড়ে দেশের জন্য ভালো কিছু করার সঙ্গে বাজেটের একটা অন্তরঙ্গ যোগসূত্র আছে। এ জন্য বাজেট প্রণয়নের পদ্ধতি বুঝতে পারা জরুরি। প্রশ্ন করা জরুরি, চিন্তা করা জরুরি ও নতুন প্রজন্মের অর্থনীতিবিদদের গবেষণা বা চিন্তা নীতিনির্ধারণ পর্যায়ে পৌঁছানোর সুযোগ করে দেওয়া জরুরি। এতে ওদেরও আগ্রহ বাড়বে।
গবেষণার নানা সুযোগ
বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো দারিদ্র্য ও অসচ্ছলতা। এটি মোকাবিলা করতে সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি অলাভজনক সংস্থা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এসব বিষয়ে বিশ্লেষণমূলক গবেষণা করতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এসব বিষয়ে গবেষণার লোক খোঁজা হচ্ছে। বাংলাদেশের রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানোর জন‍্য কী করা যায়, তা নিয়েও গবেষণা হতে পারে। দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি এখনো শক্তিশালীভাবে ভূমিকা রাখছে। কৃষি খাতের প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতে ব্যাপক; তাই কৃষি নীতি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষকদের জীবনমান নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ আছে। এ ছাড়া দেশের এসএমই খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে অর্থনীতিপড়ুয়াদের গবেষণার সুযোগ দিন দিন বাড়ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত তো আছেই—উভয় খাতেই অর্থনীতিবিদেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। বিদেশে হেলথ ইকোনমিস্ট (স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ) ও এডুকেশন ইকোনমিস্টদের (শিক্ষা অর্থনীতিবিদ) এখন অনেক চাহিদা। কারণ, তাঁরা এই খাতগুলো বোঝেন। অর্থনীতির প্রশিক্ষণ তাঁদের একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সমস্যা অনুধাবন ও মীমাংসা করতে শেখায়, যা অনেক সময় এসব খাতের অন্য বিশেষজ্ঞরা একইভাবে পারেন না।

পড়ার আছে কত–কী
অর্থনীতি পড়লে সামাজিক অনেক সম্পর্কের বৈজ্ঞানিক, মনোজাগতিক ও আর্থিক দিক সম্পর্কে জানা যায়। বাজার কীভাবে চলে, টাকা কীভাবে তৈরি হবে, বাণিজ্য কীভাবে হবে, নানা কিছু এর সঙ্গে জড়িত। মানুষের আচরণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, কীভাবে পরিবেশদূষণ কমানো যায়—এসবও এখন অর্থনীতি পাঠের অংশ। অর্থনীতি একদিকে যেমন অনেক তত্ত্বকে বিশ্লেষণ করে, তেমনি বাস্তবসম্মত উদাহরণসহ বাস্তব দুনিয়ার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের সুযোগ করে দেয়। অর্থনীতি পড়লে শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা, উপাত্ত বিশ্লেষণ ও অর্থনৈতিক মডেলিংয়ের মাধ্যমে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা অর্জন সহজ হয়। নতুন এই বিশ্বে আগামী দিনগুলোয় আমাদের অর্থনীতিবিদদের প্রধান সমস্যা হবে মানবমন বা হিউম্যান বিহেভিয়র বোঝা। কীভাবে মানুষকে সৎ থাকতে অনুপ্রেরণা দিলে সে দুর্নীতি করবে না? কীভাবে পলিসি ডিজাইন করলে মানুষ রাস্তায় ময়লা না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলবে? সামনে আমাদের অনেক কাজ, কারণ আমরা সবাই–ই দেশের মানুষের ভালো চাই, বাংলাদেশের অগ্রগতি দেখতে চাই। সেটা সবদিক থেকে—জিডিপিতে ও মনমানসিকতায়। এই সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বড় সুযোগ অর্থনীতিবিদদের আছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সমাবেশে সংগঠনটির লক্ষ্মীপুর শহর শাখার সভাপতি আব্দুল আওয়াল হামদু বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিএনপির দল পরিচালনা করা হয় মাদকের টাকা দিয়ে। এটি জাতির কাছে এখন স্পষ্ট। তারা সভা-সমাবেশে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেও মূলত মাদক নিয়ন্ত্রণ করে তারাই।

 

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে শহরের উত্তর তেমুহনী থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দক্ষিণ তেমুহনীতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

 

সমাবেশে বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের লক্ষ্মীপুর শহর শাখার সভাপতি আব্দুল আওয়াল হামদু, জেলা সভাপতি আরমান হোসাইন, শহর সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন ফয়সাল এবং অর্থ সম্পাদক জুনায়েদ হোসেন খান।

 

বক্তব্যে আব্দুল আওয়াল হামদু আরও বলেন, ছাত্রশিবির একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। তবে নির্দেশনা এলে আমরা তার চেয়েও কঠোর হতে পারি। শিবিরের দিকে আঙুল তুলবেন না, আঙুল থাকবে না; চোখ রাঙাবেন না, চোখ থাকবে না। তাই আপনারা শান্তিতে থাকুন এবং দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন।

 

সমাবেশে বক্তারা গাইবান্ধায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বিএনপি মাদকের টাকায় পরিচালিত হয়—শিবির নেতা হামদু

বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জহুরুল ইসলাম সাগরের ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে ইয়াবা সেবন করছেন। সাথে থাকা কোনো ব্যক্তি তার অজান্তে ভিডিওটি করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন বন্ধ ও বাড়িতে না থাকায় এ ব্যাপারে যুবদল নেতার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম সাগর বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভুতবাড়ি গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। তিনি ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক। তার বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ ছিল। তবে কেউ ভয়ে মুখ খোলার সাহস করছিলেন না।

 

সম্প্রতি ফেসবুকে তার ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের ভিডিও প্রকাশ হওয়ায় গ্রামজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে ইয়াবা সেবন করছে। এ সময় তার সঙ্গে একজন থাকলেও তাকে চেনা যাচ্ছেনা। সঙ্গে থাকা কোন ব্যক্তি প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওটি ধারন করেন।

 

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উপজেলায় দলের নামে সাগর বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হন। ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও নেতাকর্মীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন।

 

এ প্রসঙ্গে ধুনট উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, যুবদলে কোনো মাদকসেবী বা সন্ত্রাসীর জায়গা হবে না। ভিডিওটি তার নজরে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে জহুরুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধুনটে যুবদল নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ম সমাবর্তন ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

 

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জান্নাতুল ফেরদৌস সিনেট হলে অনুষ্ঠিত সিনেটের ৪৩তম বার্ষিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। উপাচার্যের সভাপতিত্বে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

 

উপাচার্য জানান, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এবার ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ৭ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে তিনি আগ্রহী। এ বিষয়ে সিনেট সদস্যদের পরামর্শ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সময়মতো সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান উপাচার্য।

 

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) মনোনীত শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সিনেটে অন্তর্ভুক্তির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তবে এবারের সিনেট অধিবেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েও সদ্য নির্বাচিত জাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম অংশ নিতে পারেননি।

 

বার্ষিক সিনেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতি, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া গত বছরের ২৮ জুন অনুষ্ঠিত সিনেটের ৪২তম বার্ষিক সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন ও নিশ্চিতকরণের বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সিনেট সদস্য, মনোনীত প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

 

২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হতে যাচ্ছে জাবির ৭ম সমাবর্তন

সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। হবিগঞ্জের মাধবপুর সীমান্ত দিয়ে কয়েকজন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

 

বিজিবি জানায়, শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৮ থেকে ১০ জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।

 

বিজিবি জানায়, রাতের অন্ধকারে সীমান্তের নিরাপত্তা বাতি বন্ধ করে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় টহলরত বিজিবি সদস্য ও স্থানীয়দের তৎপরতায় পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়। পরে বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

 

এদিকে, সীমান্তে যে-কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি কঠোর নজরদারি ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির কঠোর অবস্থান

ফেসবুক লাইভে এসে অদ্ভুত সব আচরণ, বিতর্কিত মন্তব্য ও হাস্যরসের জন্য পরিচিতি পাওয়া সিফাত উল্লাহ ওরফে সেফুদা’র জীবন সংকটাপন্ন। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি হসপিটালে চিকিৎসাধীন একটি ছবি শেয়ার করে বিষয়টি জানান নিজেই।

 

তবে এবার সিফাত উল্লাহ যা লিখেছেন তাতে অবশ্য মন পুড়বে ভক্তদের। কারণ এতে সবার চোখে ভেসে উঠবে একজন রষিক মানুষের একাকিত্বের গল্পটা।

 

সিফাত উল্লাহর পোস্টটি ছিলো এমন— ‘আমার অবস্থা সংকটাপন্ন। আপনারা অনেকেই জানেন, আমার পৈতৃক সম্পত্তি দেশে যা আছে আমি একটি কলেজের নামে দিয়ে দিয়েছি। ইচ্ছে ছিল মায়ের নামে একটি হাসপাতাল করার। যদি আমি মারা যাই, আপনাদের কাছে শুধু দোয়া চাই। হয়ত আমার লাশ আমার প্রিয় বাংলাদেশে যাবে না। নেওয়ার মতো কেউ নেই, আমাকে সবাই ক্ষমা করুন।’

 

সিফাত উল্লাহ, যিনি অনলাইনে ‘সেফুদা’ নামে পরিচিত। অস্ট্রিয়ান প্রবাসী এই বাংলাদেশি দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচিত নানান হাস্যরসাত্বক কর্মকাণ্ডের কারণে। ফেসবুকে তার ফলোয়ারের সংখ্যাও প্রায় ৫ লাখ।

 

জানা যায়, সেফুদা খুলনার সোনাডাঙ্গায় ৫ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর। ১৯৮৫ (মতান্তরে ১৯৮৮) সালে প্রথম সৌদি আরব যান এবং সেখান থেকে ১৯৮৮ সালে (মতান্তরে ১৯৯১) সালে অস্ট্রিয়ায় যান।

 

তথ্য অনুযায়ী, সেফাত উল্লাহ ১৯৭৯/১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এরপর ভিয়েনায় এক স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন তিনি। পাশাপাশি একটি অনলাইন শপে পার্টটাইম কাজ করতেন। ২০১০ সালে স্ট্রোক করেন সিফাত উল্লাহ। তার কিছুদিন পর মাথার চুল পড়ে যায়।

 

সেফুদার স্ত্রী এবং এক সন্তান রয়েছে। যদিও বর্তমানে তার স্ত্রী-সন্তান কিংবা পরিবারের সঙ্গে তার কোন সম্পর্ক নেই। পারিবারিক সম্পর্কবিহীন সিফাত উল্লাহ দেশের ওপর রাগ করে একাকী প্রবাস যাপন করছেন দীর্ঘদিন।

 

সেফুদার বড় ভাই শামছুল আলম মজুমদারের ভাষ্যমতে, ‘সেফাত উল্লাহ ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী ছিলেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন। এরপর জাতিসংঘের শ্রম সংস্থায়ও (আইএলও) চাকরি করেছিলেন একসময়।

আমার অবস্থা সংকটাপন্ন: সেফুদা

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (২৭ জুন) সকালে ইউনিয়নের নুর আহাম্মদ মাস্টারবাড়ির সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দোকান নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রলীগ কর্মী মামুনুর রশিদ মামুন ও শাহাদাত হোসেন তাকে হত্যা করেছেন।

 

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গণ-অভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় পারভেজ ও মামুন দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। সে সময় আদালতের বিভিন্ন ব্যয় পারভেজ বহন করলেও মামুন কোনো অর্থ দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি। জামিনে মুক্তির পর স্থানীয় একটি দোকানকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়।

 

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে দু’জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারভেজ হাতে থাকা একটি লাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। পরে দুই পক্ষের স্বজনেরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।নিহতের বাবা আবু তাহের বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি সর্বশেষ ছেলেকে দেখেন। শনিবার সকালে বাড়ির সামনে ছেলের গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

 

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দোকান নিয়ে বিরোধের জেরেই শাহাদাত হোসেন ও মামুনুর রশিদ মামুন পারভেজকে হত্যা করেছেন।

 

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের বলেন, নিহত পারভেজ এবং অভিযুক্ত মামুন ও শাহাদাতের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা একই কারাগারে ছিলেন। জামিনে মুক্তির পর তাদের মধ্যে বিরোধ বাড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ফেনীতে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে যুবলীগ কর্মী খুন

ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চলের কর্মজীবীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে দীর্ঘ ২৩ বছর পর বাগেরহাটের মোংলা নদীতে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে।

 

শনিবার (২৭ জুন) সকালে মোংলা ফেরিঘাটে ফুলটাইম ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইপিজেডের শ্রমিকদের যাতায়াত সহজ করতে সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত নদীর উভয় প্রান্ত থেকে ফেরি চলাচল করবে। এছাড়া অফিস ছুটির সময়েও দুই পাশ থেকেই ফেরি চলাচল করবে।

 

শেখ ফরিদুল ইসলাম আরও জানান, ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেল নিয়মিত খনন করা হবে।

 

২০০৩ সালে মোংলা নদীতে ফেরি চলাচল শুরু হলেও এতদিন শুধুমাত্র জোয়ারের সময় ফেরি চলত। বাকি সময় বন্ধ থাকত ফেরি সেবা।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর মোংলা নদীতে চালু হলো ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে তার প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরেই বাবা ও মায়ের কবর জিয়ারত করেছেন।

 

শনিবার (২৭ জুন) বেলা সোয়া ১২টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানের মাজার কমপ্লেক্সে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

 

এ সময় তারেক রহমান তার বাবা ও মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে পবিত্র ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত করেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

 

শনিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনের প্রথমেই ওই সফরের বিষয়ে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন। পরে স্পিকার ধন্যবাদ প্রস্তাব কণ্ঠভোটে দিলে তাতে সবাই সমর্থন জানান। এ সময় সংসদে সবাই টেবিল চাপড়ে তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

 

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা তারেক রহমান সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব হয়ে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। সফরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে এবং অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনি এই সফরে অনেকগুলো চুক্তি সম্পাদন করেছেন।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মালয়েশিয়ার এবং একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে দুই দেশের পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হয়েছে। দীর্ঘ একটি ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের নেতৃত্ব দেওয়ার পরে আমাদের নেতা ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন, যেখানে বাংলাদেশের মানুষ তার সম্পর্কে ধারণা সৃষ্টি করেছে।

 

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর: সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব পাশ

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয় ছুটির পর প্রধান শিক্ষিকা স্কুল ত্যাগ করার সময় কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা তার কাছে থাকা ব্যাগটি দেখতে চান। প্রথমে তিনি ব্যাগ দেখাতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে স্থানীয়দের চাপে ব্যাগ খুলে দেখাতে বাধ্য হন। এ সময় ব্যাগের ভেতর থেকে সরকারি বরাদ্দের ২৪টি ডিম ও ২২ পিস রুটি পাওয়া যায় বলে দাবি করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।

 

শুক্রবার (২৬ জুন) এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ভিডিওতে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগ থেকে ডিম ও রুটি বের করে আনতে দেখা যায়। এরপর থেকেই পুরো এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে সরকার যে খাবার বরাদ্দ দিয়েছে, তা আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। তাদের মতে, শিশুদের অধিকারভুক্ত খাদ্যসামগ্রী নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।

 

তবে এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে ঘটনাটির বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, রানিরহাট ১০নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়টি আমি জেনেছি। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের ডিম-রুটি মিলল প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d