শেওড়াপাড়ায় মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ২ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
শেওড়াপাড়ায় মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ২

শেওড়াপাড়ায় মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ২

 

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল আরোহী রাফির মাথায় ইট ছুড়ে মারার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার।

 

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন— মো. পারভেজ (৩০) ও আনোয়ার হোসেন বাবু (৩২)। মামলার অপর দুই আসামি মো. ফয়সাল ওরফে কালু এবং আমিন পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

ডিসি মোস্তাক সরকার জানান, গত মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে কাফরুল থানাধীন পূর্ব শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডের প্রায় ১০০ গজ পূর্বে ইব্রাহিমপুর পাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে রাফিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হয়। হামলাকারীরা তার মাথার ডান পাশে ইট ছুড়ে মারলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন।

 

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর হামলাকারীরা আহত রাফিকে একটি অটোরিকশায় তুলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়। পুরো ঘটনাটি কাছের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।

 

আহত রাফির চাচা নুর হোসেন বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চারজনকে শনাক্ত করা হয়।

 

তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে রাজধানীর ইব্রাহিমপুর এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন বাবুকে আটক করে পুলিশ। ঘটনাস্থলের কাছ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাফির মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এসএম মিজানুর রহমান (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।

 

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

 

গ্রেফতার মিজানুর রহমান সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ।

 

ছাপড়হাটী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোখলেছুর রহমান মুকুল বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দিয়ে মানহানি করার কারণে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতার ওই যুবককে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেফতার

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি, বরং প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে এমন দাবি করেছেন হসপিটালটির আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। স্ট্যাটাসে শিশির মনির লেখেন, হাসপাতালের লাইসেন্স [HSM 4310058] বাতিল করেনি কর্তৃপক্ষ। বরং বাতিল করা হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স [HSM 4310059]।

 

তিনি আরও লেখেন, আদ-দ্বীন হাসপাতালের জন্য একটি লাইসেন্স রয়েছে, যা ‘to set up and run a hospital/clinic’ হিসেবে ইস্যু করা হয়েছে। এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310058। অন্যদিকে আরেকটি লাইসেন্স রয়েছে, যা ‘to set up and run a pathology center’ পরিচালনার জন্য দেওয়া হয়েছে এবং যার নম্বর HSM 4310059।

 

শিশির মনিরের পোস্টটি হুবহু দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

 

১। আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স। এটা কি অবহেলা না কি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। যদি অবহেলা হয়ে থাকে তাহলে কেমন ধরনের অবহেলা? আপনারাই বিবেচনা করবেন।

 

২। চলুন একটু দেখে নেই। দুটো লাইসেন্স আছে। একটি আদ-দীন হাসপাতালের জন্য। লাইসেন্সে লেখা আছে ‘ to set up and run a hospital/clinic’ [কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হল]। এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310058. অপরপক্ষে আরেকটি লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ ইস্যু করেছেন। সেখানে লিখা আছে ‘to set up and run a pathology Center’. এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310059 [কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হল]।

 

৩। এখন আসেন কারণ দর্শানো নোটিশ কি বলে? কর্তৃপক্ষ ৪ জুন ২০২৬ তারিখ কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করে [কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হল]। উক্ত নোটিশে লাইসেন্স নম্বর HSM 4310059 উল্লেখ করেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলেন। জবার দাখিলের জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়া হয়। তারপর জবাব দায়ের করা হয়।

 

৪। অতঃপর গতকাল লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এবং ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার আইনি সুযোগ দেয়া হয় [সিদ্ধান্ত নিম্নে সংযুক্ত করা হল]।

 

৫। এখন আপনারাই বিচার করেন কি হল? কোনটা বাতিল হল? hospital/Clinic নাকি pathology Center? কর্তৃপক্ষই ভাল বলতে পারবেন।

 

৬। অবহেলা না কি ইচ্ছাকৃত? অবহেলা [Negligence] হলে কেমন ধরনের অবহেলা? বিচারের ভার আপনাদের উপর রইল।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল নয়, প্যাথলজির লাইসেন্স বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ: শিশির মনির

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।

 

প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

 

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনে ব্রিফিংয়ে হুইপ এই কথা জানান তিনি। চিফ হুইপ বলেন, আসছে বাজেট দরিদ্র মানুষের সুরক্ষায় কাজ করবে।

 

সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রমের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে সরকার।’ আগামী অর্থবছরের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড সমগ্র দেশের মানুষের কাছে পৌঁছাবে উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, ‘সেইসঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি খাল খনন, ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে বনায়ন করা হবে।’

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে না: চিফ হুইপ

এক ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক পুশইনকে কেন্দ্র করে জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই উত্তেজনা বিজিবি- বিএসএফ ছাড়াও ছড়িয়ে পড়েছে দুই দেশের জনগণের মধ্যেও।

 

বুধবার (১০ জুন) বিকালে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে বাংলাদেশীদের ধাওয়ায় পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

 

জানা যায়, আজ সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে এক ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে। এসময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলেও শুন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শুন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা প্রদান করেন। পরে আবার শুন্য রেখায় চলে যায় ৬০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি।

 

এনিয়ে বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোন পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিতে রাজী হননি। এরপর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিকালে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের জনগণের মধ্যে। এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

 

স্থানীয়রা জানান, ভারতের বিএসএফ প্রতিনিয়ত পুশইনের চেষ্টা করছে। আমরা বিজিবিকে সহযোগিতা করতে গেলেই তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিকালে ভারতের কয়েকজন যুবক বাংলাদেশীদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়লে আমরাও পাল্টা ঢিল ছুড়ি। আমাদের প্রতিরোধের মুখে তারা পালাতে বাধ্য হয়।

 

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, সীমান্তে শুন্য রেখা অতিক্রম না করতে প্রত্যেকটি নাগরিককে অনুরোধ করছি। এসময় তিনি বিজিবিকে সহযোগিতা করতে স্থানীয়দের প্রতি আহবান জানান।

সীমান্তে ভারতীয়-বাংলাদেশিদের ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অর্থে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তবে ভূমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচায় প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রকাশে উৎসাহ দিতে সীমিত একটি কর-সুবিধা রাখা হয়েছে , যা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

এর আগে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) দাবি করে যে, প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষভাবে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ ধরনের বিধানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, “ভালো বাজেটের কালো দিক হলো কালো টাকা। এই সুযোগ না রেখে বাজেটকে কালো টাকা-মুক্ত রাখা যেত কি না।”

 

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি ঘিরে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয়মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় অনেক বৈধ লেনদেনও কর-জটিলতায় পড়ে।

 

তিনি আরও জানান, গত অর্থবছর থেকে বিক্রেতাদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যেখানে প্রকৃত লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেল ও প্রয়োজনীয় দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করা গেলে নিয়মিত কর এবং ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়া যায়।

 

এবারের বাজেটে একই ধরনের একটি ব্যবস্থা ক্রেতাদের জন্যও বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা প্রকৃত মূল্যে সম্পদ কিনলেও নিবন্ধনে কম মূল্য দেখানো হয়, ফলে পরবর্তীতে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত তথ্য পেলে অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

 

এই জটিলতা কমাতে নতুন বিধানের মাধ্যমে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রকৃত লেনদেনমূল্য ঘোষণা করলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত কর দিয়ে তা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

তবে এ বিষয়ে আপত্তি উঠলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

 

এদিকে একই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনে ব্যবহৃত মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

 

তিনি জানান, মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জরিপের মাধ্যমে দেশের ভূমিমূল্য কাঠামো হালনাগাদ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

অর্থমন্ত্রীর মতে, মৌজা রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা গেলে লেনদেনমূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং বিতর্কিত কর-সুবিধার প্রয়োজনও অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

পাবনার সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে রুহান মোল্লা নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

রুহান মোল্লা (২৬) উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রুহান বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশে ডোবায় টেঁটা দিয়ে মাছ শিকার করতে যান। সেখান থেকে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

 

পরিবারের অভিযোগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম থাকার পরও চিকিৎসক রুহানের শরীরে তা প্রয়োগ না করে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই রুহান মারা যান। এ ঘটনায় অভিভাবকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

 

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক প্রয়োগ করেনি। অ্যান্টিভেনম সময়মতো প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

 

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল বাতেন বলেন, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোনো নমুনা পায়নি। হাসপাতালে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক রয়েছে।

 

সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।

ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল যুবকের

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এসএম মিজানুর রহমান (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (১২ জুন) বিকালে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।

 

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

 

গ্রেফতার মিজানুর রহমান সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ।

 

ছাপড়হাটী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোখলেছুর রহমান মুকুল বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দিয়ে মানহানি করার কারণে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতার ওই যুবককে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেফতার

উন্নয়ন কাজে দুর্নীতি করলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা দিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি বলেন, এবারের বাজেটে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা সরকার থেকে সঠিকভাবে জনগণ পর্যন্ত পৌঁছালে প্রতিটি ঘর আলোকিত হবে। সবার কর্মসংস্থান হবে কেউ বেকার থাকবে না।

 

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দু:স্থদের মাঝে নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন, চাল, হুইল চেয়ার বিতরণ এবং স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলাকার রাস্তা ঘাট, ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণসহ প্রচুর উন্নয়ন কাজ হবে এখানে কেউ কোন প্রকার দুর্নীতি করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার) করুন। আমার দলের লোক হলেও তাকে ছাড় দেবেন না। সরকারি অর্থ তছরুপ করার অধিকার কারো নেই। তিনি উন্নয়ন কাজের নজরদারিতে প্রশাসনিক টিমকে সহযোগিতার জন্য দলের নেতাদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং কমিটি গঠনের কথাও বলেন।

দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার করতে বললেন প্রতিমন্ত্রী

 

রাজধানীর কাফরুল এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল আরোহী রাফির মাথায় ইট ছুড়ে মারার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার।

 

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন— মো. পারভেজ (৩০) ও আনোয়ার হোসেন বাবু (৩২)। মামলার অপর দুই আসামি মো. ফয়সাল ওরফে কালু এবং আমিন পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

ডিসি মোস্তাক সরকার জানান, গত মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে কাফরুল থানাধীন পূর্ব শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডের প্রায় ১০০ গজ পূর্বে ইব্রাহিমপুর পাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে বাসায় ফেরার পথে রাফিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হয়। হামলাকারীরা তার মাথার ডান পাশে ইট ছুড়ে মারলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন।

 

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর হামলাকারীরা আহত রাফিকে একটি অটোরিকশায় তুলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়। পুরো ঘটনাটি কাছের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয় এবং পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয়।

 

আহত রাফির চাচা নুর হোসেন বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চারজনকে শনাক্ত করা হয়।

 

তদন্তের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে রাজধানীর ইব্রাহিমপুর এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেন বাবুকে আটক করে পুলিশ। ঘটনাস্থলের কাছ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাফির মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

শেওড়াপাড়ায় মোটরসাইকেল আরোহীর মাথায় ইট নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ২

বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকারের পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো অযাচিত হস্তক্ষেপ করেনি।

 

গভর্নর জানান, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পাঁচজন সদস্য ছিলেন। পরে একজন সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় গত ১৬ মার্চ তাকে পরিবর্তন করা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হস্তক্ষেপের অভিযোগ সঠিক নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ঋণ অনুমোদন, নিয়োগ বা পদোন্নতিতে নির্দেশনা দেয়নি।

 

ঈদের আগে চেয়ারম্যান পদত্যাগের পর ব্যাংকের কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান গভর্নর। তিনি বলেন, এটি একটি সিস্টেমিক ব্যাংক হওয়ায় ন্যূনতম পরিচালনা কাঠামো বজায় রাখা প্রয়োজন ছিল।

 

আমানতকারীদের উদ্বেগের কারণ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আমানত সুরক্ষিত এবং তারা যেকোনো সময় অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।

 

তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ব্যাংকটির অ্যাডভান্স-ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) ছিল প্রায় ৯৩ শতাংশ, যা চলতি বছরের মার্চে বেড়ে প্রায় ৯৮ শতাংশে পৌঁছায়। এডিআর স্বাভাবিক সীমার চেয়ে বেশি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি জানান।

 

 

ইসলামী ব্যাংকে কোনো ধরনের অবৈধ হস্তক্ষেপ হয়নি, আতঙ্কিত হবেন না: গভর্নর

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার

মৌচাকে শুক্রবার ১২ ই জুন বিকালে

“দেশীয় ফলের স্বাদে, উৎসবে মাতি সবার সাথে” এবং “দেশী ফল বেশী বল”—এই দুটি চমৎকার স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় মৌচাক প্রেস ক্লাব এই ব্যতিক্রমী ও সুস্বাদু উৎসবের আয়োজন করে।

মৌচাক প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আড়ম্বরপূর্ণ এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা ও সৌজন্যে ছিলেন মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন।

উৎসবে বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী নানা পদের দেশীয় মৌসুমী ফলের পসরা সাজানো হয়। প্রদর্শনী ও আপ্যায়নে থাকা ফলের তালিকায় ছিল—জাতীয় ফল কাঁঠাল, আম, লিচু, আনারস, কলা, জামরুল এবং করমচাসহ হরেক রকমের পুষ্টিকর দেশি ফল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি তুলে ধরা এবং কৃত্রিম বা রাসায়নিকযুক্ত ফলের ভিড়ে সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত ও তাজা ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন। প্রেস ক্লাবের সংবাদকর্মী ও স্থানীয় সুধীজনদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আমরা প্রতি বছরই এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই। দেশীয় ফল চাষে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা এবং এর পুষ্টিমান সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মৌচাক প্রেস ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উৎসব শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিভিন্ন সুস্বাদু মৌসুমী ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

নভেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু করা যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

 

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আগামী নভেম্বরে চালু করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সময় খুব বেশি হাতে নেই, তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জের নামে আগের সরকার বড় ধরনের আর্থিক বোঝা রেখে গেছে। তবে নতুন সরকার চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে না। বিষয়গুলো আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। আইন মন্ত্রণালয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। রাতারাতি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়। বিদ্যমান চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও সঞ্চালনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়নি। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতা ঠিক থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়ে গেছে। ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছিল এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু কার্যকর সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি।

নভেম্বরে চালু হতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট: বিদ্যুৎমন্ত্রী

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

 

তিনি বলেন, বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বা কমার কথা। কারণ, অভাব থাকলে দুর্নীতির প্রবণতা থাকে।

 

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এই দাবি করেন।

 

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে কি?- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অভাব থাকলে দুর্নীতির একটা প্রবণতা থাকে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি হলে দুর্নীতি কমার কথা। ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সুতরাং এটা সমন্বয় করা দরকার। বেতন বাড়লে, আয় বাড়বে তখন নিশ্চয় দুর্নীতি কমার কথা।

 

বাজেটে কর্মসংস্থানের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাজেটে পরিষ্কারভাবে বলা আছে চাকরির কথা। আমরা আশা করি বাজেটে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবো। বিনিয়োগের জন্য জোর দিচ্ছি কর্মসংস্থানের জন্য। স্কিল ডেভলপমেন্টের জন্য আমরা জোর দিচ্ছি। দক্ষ একজন শ্রমিকের চাকরি দেশে বিদেশে হওয়া খুবই সহজ। এই জন্য আমরা স্কিল ডেভলপমেন্ট সংক্রান্ত নানান প্রকল্প হাতে নিচ্ছি।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে: অর্থমন্ত্রী

ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মাসের এক শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ফুলগাজী বাজারসংলগ্ন মেম্বার কলোনির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শিশুর নাম মোহাম্মদ জুনায়েদ। তার বাবার নাম মোহাম্মদ সুলতান (৩০)। তিনি নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কিতাব আলীর ছেলে। কাজের সুবাদে তিনি স্ত্রী রুনা আক্তারকে নিয়ে ফুলগাজীতে বসবাস করে আসছেন। রুনা আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী মোহাম্মদ সুলতান শিশুটিকে আছাড় মেরে হত্যা করেছেন। তবে সুলতানের দাবি, কোলে নিয়ে খেলার সময় শিশুটি তাঁর হাত থেকে পড়ে যায়।

 

সুলতান দিনমজুরের কাজ করেন। তাঁদের সংসারে একমাত্র সন্তান জুনায়েদের জন্ম হয় দুই মাস আগে। সুলতানের স্ত্রী রুনা আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার কারণে সংসারের খরচ বহন করতেন না। প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। বৃহস্পতিবার রাতেও কাজ শেষে বাসায় ফিরে সুলতান তাঁকে একটি পানীয় কিনে আনার জন্য দোকানে পাঠান। তিনি দোকান থেকে ফিরে এসে ছেলেকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

 

জানতে চাইলে রুনা আক্তার বলেন, ‘ঘরে ফিরে দেখি আমার ছেলে কোনো সাড়া দিচ্ছে না। আমি তাকে হাসপাতালে নিতে চাইলে সুলতান বাধা দেন। পরে অনেক চেষ্টার পর রাতের দিকে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছে। এর আগেও কান্না করলে শিশুটির ওপর সুলতান ক্ষুব্ধ হতেন।’

 

এদিকে আটক হওয়ার পর পুলিশকে জবানবন্দি দিয়েছেন সুলতান। পুলিশ জানায়, সুলতানের দাবি তিনি শিশুটিকে কোলে নিয়ে খেলছিলেন। এ সময় শিশুটি তাঁর হাত থেকে নিচে পড়ে যায়। এরপর শিশুটির কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি।

 

ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানভীর মাহমুদ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মাথায় গুরুতর আঘাত দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

 

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। শিশুটির বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই মাসের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d