শীর্ষখবর - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।

চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

 

এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম জুয়েল জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

 

জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হাজতি আসামি বাংলাদেশ চলচিত্র জগতের একজন জনপ্রিয় ও নামকরা খলনায়ক। এই মামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। আসামিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। আসামি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার। আসামি ডনের বিরুদ্ধে এজাহার এবং গ্রেপ্তারি ফরোয়ার্ডিংয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কথিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিল না। এজন্য তার জামিন পাওয়া একান্ত আবশ্যক।

 

গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আরিফুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানা গেছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার কারণে ডনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। ইমিগ্রেশন থেকে জানানোর পরে সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়েছে। গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

 

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান। শুরুতে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরে এ নিয়ে হত্যা মামলা হয়। মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম এসেছে।

 

২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। অন্য আসামিরা হলেন—সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিস্তারিত

সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে আবদুস সাত্তার, তার স্ত্রী ও এক গৃহকর্মীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপস্থিত দু-একজন অবশ্য বলেছেন খুন হওয়া মেয়েটি গৃহকর্মী নয় আবদুস সাত্তারের নিজের মেয়ে। খবর পাওয়ার পরপরই থানা পুলিশ, সিআইডি এবং পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ১১১ নম্বর বাসায় রক্তাক্ত লাশগুলো দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন।

 

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মঞ্জুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

এ ঘটনায় পুরো রায়নগর ও মিতালী আবাসিক এলাকায় তীব্র আতঙ্ক এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বিপুলসংখ্যক উৎসুক জনতা বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, বাসার একটি বাথরুম ভেতর থেকে লক করা ছিল। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে লক খুলেছেন। তবে বাথরুমের ভেতর কিছু পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ঘাতকরা ঠান্ডা মাথায় খুন করে এই বাথরুমে হাত মুখ ধুয়ে বেরিয়ে যায়।

 

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বুধবার (১২ আগস্ট) সকালের দিকে কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা প্রাচীরঘেরা বাড়িটিতে প্রবেশ করে এবং অত্যন্ত নৃশংসভাবে তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহতদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

মিতালি আবাসিক এলাকার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক নাজু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘সকালে বাসার ভেতরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে আমরা স্তম্ভিত হয়ে যাই। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়।’

 

পুলিশ জানিয়েছে, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক কোন্দল নাকি ডাকাতির উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে।

নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের গলা কাটা লাশ, সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে আবদুস সাত্তার, তার স্ত্রী ও এক গৃহকর্মীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপস্থিত দু-একজন অবশ্য বলেছেন খুন হওয়া মেয়েটি গৃহকর্মী বিস্তারিত

চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে. এম. চঞ্চলের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের অন্তত আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিউমার্কেট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স খন্দকার, মো. সুমন সিকদার, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহমান, সায়মন ইসলাম ও সাগর খানসহ অন্তত আটজন।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদা তোলার সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এতে বাধা দেন। খবর পেয়ে কে. এম. চঞ্চল ৪০-৫০ জনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তারা প্রথমে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের গালাগালি করেন। পরে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

 

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও হামলার শিকার সুমন সিকদার বলেন, ‘বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে নিউমার্কেট এলাকায় কয়েকজনকে দোকানদার ও ভ্যানচালকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে দেখা যায়। এতে বাধা দিলে তারা প্রথমে আমাদের সঙ্গে গালাগালি ও বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এর ১০–১৫ মিনিট পর নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে এম চঞ্চলের নেতৃত্বে ৫০–৬০ জন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আমরা ১০–১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছি। আহতদের মধ্যে ৮–১০ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং দুজন পপুলার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আত্মরক্ষার সময় আমার ডান হাতে কোপ লাগে।’

 

হামলার পর ঢাকা কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে তারা কলেজের সামনের মিরপুর সড়কে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

 

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, নিউমার্কেট এলাকার প্রায় ৩৫০টির বেশি দোকান থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকা চাঁদা তোলা হয়। এ জন্য কে. এম. চঞ্চলের একটি বাহিনী রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, কেউ চাঁদা দিতে বাধা দিলে তার ওপর হামলা করা হয়।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিউমার্কেট থানার ওসি মোহসিন উদ্দিন আতিক বলেন, ‘ওদের মধ্যে মারামারি হয়েছে সে বিষয়ে অবগত আছি কিন্তু কতজন আহত হয়েছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারিনি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলায় আহত ৮

চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে. এম. চঞ্চলের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের অন্তত আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বিস্তারিত

সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নাছির চৌধুরী অসুস্থতার সুযোগে গলায় রামদা ঠেকিয়ে সম্পত্তি লিখে নেয়ার অভিযোগে আদালত মামলা দায়ের। এমপি নাছির চৌধুরীর সহধর্মিণী পারভীন আক্তার বাদী হয়ে দিরাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সৎভাই মইন উদ্দিন চৌধুরী মাসুকসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) সুনামগঞ্জের দিরাই জোন আদালতে মামলাটি করা হয়।

 

মামলার প্রধান আসামি সৎভাই ও বিএনপি নেতা মইন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক, অন্য দুই সৎ ভাই মিজানুর রহমান চৌধুরী, মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী, দিরাই উপজেলার মাতারগাঁও গ্রামের আমিরুল ইসলাম, কর্ণগাঁও গ্রামের ছয়ফুল চৌধুরী, দলিল লেখক মুজিবুর রহমান, কলিয়ারকাপনের তাজুল, দিরাইয়ের মোহরার মমতাজ বেগম।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, এমপি নাছির চৌধুরী দীর্ঘদিন শাররিক ও মানসিক রোগে ভোগছেন। তাকে ও তার স্ত্রী সন্তানদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন আসামিরা। এর অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি দিরাই সাবরেজিস্টার অফিসের দুজন কর্মচারীকে কর্মকর্তা সাজিয়ে দলিলে স্বাক্ষর করতে বলেন। তিনি স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে গলায় রামদা ঠেকিয়ে প্রাণে মারা হুমকি দেয়।

 

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালে বাদী পারভীন আক্তার এমপি নাছির চৌধুরীর দিরাইয়ের বাড়িতে গেলে মারপিট ও শ্লীলতাহানির শিকার হন।

 

দিরাই আদালতের বিচারক মো.জসিম মামলাটি আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন।বাদী পক্ষের আইনজীবী কাওছার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

অভিযোগপত্রে উল্লেখিত ২০২২ সালের ঘটনা কেন এতো দিন পরে আদালতে গড়ালো এমন প্রশ্নের জবাবে এমপি পত্নী ও মামলার বাদী পারভীন আক্তার জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে বলেছে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বসে এটির সমাধন করবে। লিখে নেয়া সম্পত্তি ফেরত দিবে। কিন্তু আর কত অপেক্ষা? অনেকটা নিরুপায় হয়েই আদালতের দারস্থ হয়েছি।

 

এবিষয়ে মামলার প্রধান আসামি মইন উদ্দিন চৌধুরী মাসুকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো উত্তর না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এমপির গলায় রামদা ঠেকিয়ে দলিলে সই নেন সৎভাইয়েরা, স্ত্রীর অভিযোগে মামলা

সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নাছির চৌধুরী অসুস্থতার সুযোগে গলায় রামদা ঠেকিয়ে সম্পত্তি লিখে নেয়ার অভিযোগে আদালত মামলা দায়ের। এমপি নাছির চৌধুরীর সহধর্মিণী পারভীন আক্তার বাদী হয়ে দিরাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম বিস্তারিত

নীলফামারীর এক স্কুলে এসএসসিতে সবাই অকৃতকার্য

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১০ শিক্ষার্থী। তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে বিদ্যালয়টির পাশের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ চিত্র সামনে আসে। সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, রয়েছে ভবন, শ্রেণিকক্ষ,

শিক্ষক-কর্মচারী এবং সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দে নির্মিত একাধিক অবকাঠামো। তবে শিক্ষার্থীদের কাঙ্খিত উপস্থিতি নেই। নিয়মিত পাঠদানেও নেই

সন্তুষজনোক পরিবেশ। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়ের খাতায়-কলমে শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫৫ জন। অথচ প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ জন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে এক একরেরও বেশি জমির উপর আমবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০০ সালে বিদ্যালয়টির নিম্ন মাধ্যমিক শাখা এমপিওভুক্ত হয়। পরে ২০০৪ সালে মাধ্যমিক শাখায় পাঠদানের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষক না থাকায় নিম্ন মাধ্যমিক শাখার শিক্ষকদের দিয়েই মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ দান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বর্তমানে বিদ্যালয়ে

ছয়জন শিক্ষক ও ছয়জন কর্মচারী রয়েছেন। আমবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি শিক্ষক জিকরুল হক বলেন,’শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয় না আসা এবং অভিভাবকদের অসচেতনতা বড় সমস্যা। এর সঙ্গে বাল্যবিবাহ ও শিক্ষক সংকট রয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা ব্যাহত হচ্ছে। এজন্য এবার এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করা সম্ভব হয়নি।’ তবে স্থানীয়দের অভিযোগ বিদ্যালয় এর শিক্ষকদের গাফিলতি এবং সরকারি পর্যায়ে যথাযথ নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে ডোমার উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ শফিউল ইসলাম বলেন, আমবাড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর ফলাফলের প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নীলফামারীর এক স্কুলে এসএসসিতে সবাই অকৃতকার্য 

নীলফামারীর এক স্কুলে এসএসসিতে সবাই অকৃতকার্য   স্টাফ রিপোর্টার মাইদুল ইসলাম নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১০ শিক্ষার্থী। তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে বিস্তারিত

প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি নৈশ বিদ্যালয়। এর মধ্যে দেবহাটার একটি বিদ্যালয়ে ২০০১ সাল থেকে শিক্ষকরা বেতন-ভাতা না পাওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রমের বেহাল চিত্রও উঠে এসেছে।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

শতভাগ অকৃতকার্য চারটি প্রতিষ্ঠান হলো আশাশুনি উপজেলার আশাশুনি গোদাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা সদরের সাতক্ষীরা নৈশ বিদ্যালয় (নাইট স্কুল), দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয় এবং শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি ইউনিয়নের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়।

 

আশাশুনি গোদাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জেবুন্নেছা জানান, চলতি বছর বিদ্যালয়টির মানবিক বিভাগ থেকে চারজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু প্রকাশিত ফলাফলে তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

 

দেবহাটার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয়ের চিত্র আরও নাজুক। প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহকারী নূর হোসেন জানান, ২০০১ সাল থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোনো বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। ফলে শিক্ষকদের অনেকেই নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। কাগজে-কলমে আটজন শিক্ষক থাকলেও বাস্তবে তাদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। একজন শিক্ষিকা ও একজন ধর্মীয় শিক্ষক থাকলেও তারাও নিয়মিত সময় দেন না।

 

নূর হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, ‘বলতে গেলে আমি অফিস সহকারী হিসেবে একাই স্কুলটি দেখে-শুনে টিকিয়ে রেখেছি। গত বছর বিদ্যালয়টির পাঁচজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে চারজন পাস করেছিল। তবে এবার কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।’

 

সাতক্ষীরা নৈশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান বলেন, ফলাফলের সঠিক তথ্য এই মুহূর্তে তার জানা নেই। বোর্ড ও অনলাইনভিত্তিক নথি যাচাই করে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারবেন।

 

অন্যদিকে শ্যামনগরের কৈখালি ইউনিয়নের সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়টি শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার কারণ জানতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য পাঠানো হচ্ছে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে। অনুসন্ধানে কারণ চিহ্নিত হওয়ার পর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরায় ৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সাতক্ষীরার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি নৈশ বিদ্যালয়। এর মধ্যে বিস্তারিত

জিপিএ-৫-এর সাফল্যে দাখিলে এগিয়ে দারুন্নাজাত

 

জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান

 

দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাদরাসা শিক্ষার ফলাফলে দেশের শীর্ষ সারিতে থাকা দারুন্নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা এবারও সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ১ হাজার ২৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬১৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। প্রাথমিক ফলাফল বিশ্লেষণে জিপিএ-৫ অর্জনের সংখ্যায় এটিই সারাদেশের মাদরাসাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

 

এবার দারুন্নাজাত থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ হাজার ২৯৯ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ২৬৮ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৬১ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থীর হিসাবে জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৪৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৪৮ জন সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেছে।

দারুন্নাজাতের এবারের ফলাফলের বিশেষত্ব শুধু জিপিএ-৫-এর সংখ্যা নয়, বরং বড় পরীক্ষার্থীসংখ্যার মধ্যেও এই সাফল্য এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির চারটি শাখার মধ্যে তিনটিতে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। দারুন্নাজাত তাখসিসি শাখায় ১২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। দারুন্নাজাত মাদ্রাসা কিতাব বিভাগে ৭১ জনের সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ৬১ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। দারুননাজাত আইডিয়াল শাখায় ৮৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে; জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫১ জন।

 

জিপিএ-৫ অর্জনের সংখ্যায় দারুন্নাজাতের অবস্থান বোঝাতে অন্য কয়েকটি বড় মাদরাসার ফলও তাৎপর্যপূর্ণ। তা’মিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার টঙ্গী, যাত্রাবাড়ী ও মহিলা শাখা মিলিয়ে ১ হাজার ৫৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। জামিয়া আহমাদিয়া সুন্নীয়া কামিল মাদরাসায় ৩২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১০ জন। ঝালকাঠি এন.এস. কামিল মাদরাসায় ২৭৯ জনের মধ্যে ৫০ জন এবং কাদেরীয়া তয়্যেবিয়া কামিল মাদরাসায় ১০০ জনের মধ্যে ২৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

 

এই হিসাবে জিপিএ-৫ অর্জনের সংখ্যায় দারুন্নাজাতের পর রয়েছে তা’মিরুল মিল্লাতের তিন শাখা ৪৭৯ জন। দুই প্রতিষ্ঠানের ব্যবধান ১৩৮ জন। তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও শাখাভিত্তিক কাঠামোর পার্থক্যও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

শুধু সংখ্যার বিচারে নয়, জিপিএ-৫ অর্জনের হারেও দারুন্নাজাত এগিয়ে। মোট পরীক্ষার্থীর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির জিপিএ-৫ অর্জনের হার ৪৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। এই হার জামিয়া আহমাদিয়া সুন্নীয়া কামিল মাদরাসায় ৩৪ দশমিক ২৭ শতাংশ, তা’মিরুল মিল্লাতে ৩১ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং কাদেরীয়া তয়্যেবিয়ায় ২৯ শতাংশ।

 

দারুন্নাজাতের সাফল্যের আরেকটি দিক দেখা যায় বিভাগভিত্তিক ফলাফলে। ৬১৭ জন জিপিএ-৫ অর্জনকারীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ২৯৭ জন এবং সাধারণ বিভাগের ৩২০ জন। অর্থাৎ বিজ্ঞান বিভাগের তুলনায় সাধারণ বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ২৩ জন বেশি। মোট জিপিএ-৫ অর্জনকারীর ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ সাধারণ বিভাগের এবং ৪৮ দশমিক ১৪ শতাংশ বিজ্ঞান বিভাগের।

 

প্রতিষ্ঠানটির এই ফলাফলকে দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রায় এক যুগ ধরে দারুন্নাজাত মাদরাসা শিক্ষার ফলাফলে দেশের প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থানের মধ্যে রয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়ে আসছে। এবারের ফলেও জিপিএ-৫ অর্জনের সংখ্যা সেই অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করেছে।

তবে সারাদেশের সব মাদরাসার ফলাফল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের পরই জাতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত অবস্থান নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। প্রাথমিকভাবে প্রকাশিত ফলাফলের তুলনামূলক বিশ্লেষণে অবশ্য দারুন্নাজাতের ৬১৭ জিপিএ-৫-ই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সংখ্যা হিসেবে সামনে এসেছে।

বড় পরীক্ষার্থীসংখ্যা, প্রায় ৯৮ শতাংশ পাসের হার এবং ৬১৭ জনের জিপিএ-৫—২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় দারুন্নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসার ফলাফলের মূল চিত্র এ তিনটি সংখ্যাতেই স্পষ্ট। দীর্ঘদিন ধরে ধরে রাখা সাফল্যের ধারায় এবারের ফল সেই অবস্থানকে আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

 

লেখক কলামিস্ট ও শিক্ষার্থী, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর

জিপিএ-৫-এর সাফল্যে দাখিলে এগিয়ে দারুন্নাজাত

জিপিএ-৫-এর সাফল্যে দাখিলে এগিয়ে দারুন্নাজাত   জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান   দীর্ঘ এক যুগ ধরে মাদরাসা শিক্ষার ফলাফলে দেশের শীর্ষ সারিতে থাকা দারুন্নাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদরাসা এবারও সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা বিস্তারিত

বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতেই দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

 

গত ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিফ রুদাবাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সভাকে অবহিত করেন, ২০০৫ সনের ১ নং আইন ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬’ অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের জন্য প্রার্থীদের যোগ্যতা নিরূপন ও এতদ্বিষয়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতি পঞ্জিকা বর্ষে অন্তত একবার পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা রয়েছে।

 

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) হতে সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সে প্রেক্ষিতে ১৯তম এনটিআরসিএ শিক্ষক (প্রবেশ পর্যায়) নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা প্রয়োজন।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন জানান, ‘২০০৫ সাল হতে ২০১৫ সালের পূর্বে এনটিআরসিএ কেবলমাত্র নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতো। ২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএর সক্ষমতার বাইরে গিয়ে নিয়োগ সুপারিশ করার পর থেকে বিভিন্ন জটিলতা, মামলা এবং অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়।’

 

তিনি আরও জানান, ‘বর্তমানে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার সুষ্ঠুভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা এবং একটি সুস্থ ও কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার নিমিত্তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে পূর্বের ন্যায় এনটিআরসিএ কর্তৃক কেবলমাত্র নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রত্যায়নপত্র শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের স্ব স্ব ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কর্তৃক বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বর্তমান সমস্যার সমাধান করা যেতে।’ শিক্ষামন্ত্রীর অভিমতের সঙ্গে সভায় উপস্থিত সকলে এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

 

কার্যবিবরণীতে সভার সিদ্ধান্তে লেখা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫’ অনুযায়ী এখন থেকে এনটিআরসিএ কেবলমাত্র নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ করবে। ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী আর নিয়োগ সুপারিশ করবে না। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।’ শুধু তাই নয়, সভার সিদ্ধান্ত মতে, ‘১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯৮৪২ জন তাদের পছন্দ অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বউদ্যোগে ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পরিপত্র/প্রজ্ঞাপন সংশোধন/জারি করতে হবে।’

 

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সভার কার্যবিবরণীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হবে। এনটিআরসিএ আর নিয়োগ সুপারিশ করবে না। এজন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হবে।’

 

জানা গেছে, ২০০৫ সালে এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম এক দশক সংস্থাটি কেবল শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে সনদ দিত। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সংস্থাটি নিবন্ধনধারী শিক্ষকদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে। ফলে ঘুষ ছাড়া শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত হয়ে যায়। সুফল ভোগ করেন অসংখ্য মানুষ। এ পর্যন্ত সংস্থাটি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭১ জন শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে।

ম্যানেজিং কমিটির হাতেই শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা, এনটিআরসিএ শুধু সনদ দেবে

বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতেই দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসন বাংলাদেশকে একটি ঋণ নির্ভর ও আমদানি নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সকল ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এবার পুনর্গঠনের পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রা পথে এসডিজি’র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য।

 

তিনি আরও বলেন, এরই অংশ হিসেবে জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই অবকাঠামো দেশের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি’র সঙ্গে সমন্বিত করেছে।

 

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিএনপির জননীতি’র দিকে লক্ষ্য করলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে সব সময় বিএনপির সকল পরিকল্পনা এবং কর্মসূচি জনবান্ধব।

 

তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে- স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা। ঐতিহাসিকভাবে প্রতিটিই মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) কিংবা বর্তমানের সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলের (এসডিজি) ভিশন ও মিশনের সঙ্গে খুব বেশি অমিল নেই।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে এমডিজি বাস্তবায়নে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিল, এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলছে। আপনারা লক্ষ্য করবেন, এসডিজি’র প্রতিপাদ্য ‘নো ওয়ান লিভ বিহাইন্ড’ কিংবা ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ মূলনীতির সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে।

 

তিনি বলেন, সকল শ্রেণি পেশা তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের গৃহীত ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভ’র মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসন এসডিজি’র এই মূল অগ্রাধিকারগুলোই প্রতিফলিত হয়েছে।

 

তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে থেকে উত্তরণ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতি সুসংহত করতে বর্তমান সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন বা রিকোভারি-রিহ্যাবিলিটেশন-রিকন্সট্রাকশন এই থ্রি-আর কৌশল গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত রূপান্তর- সবকিছুই একটি সুসংহত নকশায় বাস্তবায়িত হবে।

 

তারেক রহমান বলেন, জনগণের রায়ে বর্তমান সরকার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কৃষক কার্ড, জনস্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা সেবা সহজ করতে ই-হেলথ কার্ডের মতো একাধিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বাস্তবায়ন করে চলছে।

 

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণজনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি ভর্তুকি, কৃষি উপকরণ, আর্থিক সহায়তা এবং স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্পোর্টস কার্ড, সারাদেশে ইমাম মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয়গুরুদেরকেও সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।

 

অর্থাৎ কোনো না কোনো উপায়ে দেশের প্রতিটি শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে সরকারের সহায়তা নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

তিনি বলেন, এভাবে চলতি মেয়াদের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে সম্ভাব্য প্রতিটি নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষা বলয় এবং আর্থিক সহায়তা কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সুচিন্তিত পথনকশা সরকারের রয়েছে।

 

‘এসডিজি ভিলেজ’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এবার রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর এই তিনটি গ্রামকে এসডিজি স্থানীয়করণের একটি পাইলট মডেল হিসেবে প্রাথমিকভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসন বাংলাদেশকে একটি ঋণ নির্ভর ও আমদানি নির্ভর বিস্তারিত

ন্যায়,ইনসাফ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন, গাইবান্ধায় ডা.শফিকুর রহমান

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গনভোটের রায় না মানলে, আপনারাও নাই হয়ে যাবেন, সরকারের উদ্দেশ্য এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।সোমবার (১০ আগষ্ট) দুপুরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত ছাত্র শিবির কর্মী শহীদ সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের খুনিদের বিচারের দাবী ও সারাদেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতির প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন ।

 

জনসমাবেশে তিনি আরো বলেন, দুর্নীতিবাজদের হাত বন্ধ করতে চাই, সকলের জন্য ন্যায় ইনসাফ, মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই এর জন্যই ছিল গণভোট। সরকার যারা ছিল তারাও হ্যা এর পক্ষে রায় দিতে বলেছিল, হ্যা সবাই বল্লাম। এখন আমরা হ্যা হয়েছি সরকার না হয়েছে। আমরা পরিস্কার করে বলতে চাই গণভোট না মানলে আপনারাও নাই হয়ে যাবেন। পাশাপাশি নিহত দুই শহীদের হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন।

 

ফুলছড়ি- সাঘাটা ৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম সরকার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারী জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।

 

এছাড়া জামায়াত দলীয় সুন্দরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান, সাদুল্লাপুর- পলাশবাড়ী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (লেবু)সহ জেলা জামায়াত ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন । সমাবেশ শেষে নিহত দুই ছাত্র শিবির কর্মী শহীদ সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনে রুহের মাগফেরাত কামনা করে কবর জিয়ারত করেন।

ন্যায়,ইনসাফ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন, গাইবান্ধায় ডা.শফিকুর রহমান

ন্যায়,ইনসাফ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন, গাইবান্ধায় ডা.শফিকুর রহমান   শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি গনভোটের রায় না মানলে, আপনারাও নাই হয়ে যাবেন, সরকারের উদ্দেশ্য এমন মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় বিস্তারিত

চিত্রনায়ক মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

 

এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. তরিকুল ইসলাম জুয়েল জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

 

জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, হাজতি আসামি বাংলাদেশ চলচিত্র জগতের একজন জনপ্রিয় ও নামকরা খলনায়ক। এই মামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। আসামিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। আসামি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রের শিকার। আসামি ডনের বিরুদ্ধে এজাহার এবং গ্রেপ্তারি ফরোয়ার্ডিংয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। তিনি কথিত ঘটনার সাথে জড়িত ছিল না। এজন্য তার জামিন পাওয়া একান্ত আবশ্যক।

 

গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আরিফুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জানা গেছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার কারণে ডনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। ইমিগ্রেশন থেকে জানানোর পরে সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়েছে। গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

 

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় মারা যান। শুরুতে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরে এ নিয়ে হত্যা মামলা হয়। মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন সময়ে একাধিক ব্যক্তির নাম এসেছে।

 

২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। অন্য আসামিরা হলেন—সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুর

সিলেট নগরীর রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে আবদুস সাত্তার, তার স্ত্রী ও এক গৃহকর্মীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপস্থিত দু-একজন অবশ্য বলেছেন খুন হওয়া মেয়েটি গৃহকর্মী নয় আবদুস সাত্তারের নিজের মেয়ে। খবর পাওয়ার পরপরই থানা পুলিশ, সিআইডি এবং পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ১১১ নম্বর বাসায় রক্তাক্ত লাশগুলো দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন।

 

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মঞ্জুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

এ ঘটনায় পুরো রায়নগর ও মিতালী আবাসিক এলাকায় তীব্র আতঙ্ক এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বিপুলসংখ্যক উৎসুক জনতা বাড়ির সামনে ভিড় জমিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, বাসার একটি বাথরুম ভেতর থেকে লক করা ছিল। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে লক খুলেছেন। তবে বাথরুমের ভেতর কিছু পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ঘাতকরা ঠান্ডা মাথায় খুন করে এই বাথরুমে হাত মুখ ধুয়ে বেরিয়ে যায়।

 

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বুধবার (১২ আগস্ট) সকালের দিকে কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা প্রাচীরঘেরা বাড়িটিতে প্রবেশ করে এবং অত্যন্ত নৃশংসভাবে তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহতদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

মিতালি আবাসিক এলাকার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক নাজু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘সকালে বাসার ভেতরে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে আমরা স্তম্ভিত হয়ে যাই। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়।’

 

পুলিশ জানিয়েছে, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক কোন্দল নাকি ডাকাতির উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে।

নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের গলা কাটা লাশ, সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে জনগণ আর সুযোগ দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

 

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলেন শেখ হাসিনা। সে কারণেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের পরিবার নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করেন।

 

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরিদের পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল ফ্যাসিবাদী সরকার। হাসিনা কোনোভাবেই জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম বরদাশত করেননি। এখন সে জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে জনগণ আর সুযোগ দেবে না: রিজভী

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই এখন সবচেয়ে জোরালোভাবে আলোচনায়। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।

 

রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন চূড়ান্ত হলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর পদ থেকে মির্জা ফখরুলকেও পদত্যাগ করতে হবে। একই সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব পদেও আসতে পারে পরিবর্তন।

 

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়। জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপি হওয়ায় দলটির মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত। গত কয়েক সপ্তাহের আলোচনা, দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বৈঠক এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম।

তবে রাষ্ট্রপতি পদে তার মনোনয়ন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি বিএনপি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। ফলে শেষ সিদ্ধান্তের জন্য এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের নাম জোরালো হওয়ার মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে দেখা গেছে ভিন্ন এক চিত্র। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড় ছিল। অনেকে তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং অভিনন্দন জানানোর চেষ্টা করেন।

 

তবে বিষয়টি নিয়ে মির্জা ফখরুলকে খুব বেশি উৎসাহী হতে দেখা যায়নি। শুভেচ্ছা জানাতে আসা ব্যক্তিদের তিনি বলতে শোনা যায়, ‘আগে হোক, তারপর।’

 

এরপরও সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলেন তিনি। সন্ধ্যা পর্যন্ত সচিবালয়ে অফিস করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। পরে তিনি বেইলি রোডের সরকারি বাসভবনে যান। সেখানেও সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভিড় ছিল।

 

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে।

 

দলীয় সূত্রের খবর, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুলের স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হিসেবে শেষ কর্মদিবস আজ অথবা আগামীকাল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

 

তবে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কিছু দায়িত্ব পালন করার সুযোগ তার থাকতে পারে। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে গত কয়েক দিন ধরে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মির্জা ফখরুলের পাশাপাশি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নামও বেশ জোরেশোরে আলোচনায় আসে।

 

এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. আবদুল মঈন খানের নাম নিয়েও দলের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত মির্জা ফখরুলের নামই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

গত ১ আগস্ট বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করা হয়। বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল নিজেই সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছিলেন।

 

দলের ভেতরে মির্জা ফখরুলের নাম গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকেই সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিএনপির মহাসচিব হিসেবে এক দশকের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। জাতীয় রাজনীতিতে তার পরিচিতি দীর্ঘদিনের। পাশাপাশি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

 

দলের নেতাকর্মীদের মতে, বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকটের সময় মির্জা ফখরুল সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলের নানা প্রতিকূলতার সময় তিনি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। পরে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বেও বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

 

সজ্জন ও তুলনামূলকভাবে সংযত রাজনৈতিক নেতা হিসেবেও মির্জা ফখরুলের আলাদা পরিচিতি রয়েছে। ২০১১ সালে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান। ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলের পর থেকে তিনি দলের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

রাষ্ট্রপতি পদে নিজের সম্ভাব্য মনোনয়ন নিয়ে মির্জা ফখরুল অবশ্য এখনো সরাসরি কিছু বলেননি। গতকাল বিকেলে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে এই মুহূর্তে কিছুই বলার নেই। ১৩ আগস্টের পর দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি সমাধান হয়ে যাবে।

 

তিনি বলেন, বিষয়টি একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। লুকোচুরির বিষয় নেই। আমরা দলের সর্বোচ্চ ফোরামের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছি—রাষ্ট্রপতি প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন পার্টির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর বা সম্মতি দিয়েছেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, মনোনয়ন ফরম তুলতে হলে স্বাক্ষর বা সম্মতির কিছু নেই। স্বাক্ষরের বিষয় আছে মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে। এখানে গণমাধ্যম অতিউৎসাহী হয়ে অনেক কিছুই লিখেছে। এটা কোনো স্ট্যান্ডার্ড লেভেলের মধ্যে পড়ে না।

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, আমরা চেয়ারম্যানের ওপর এ দায়িত্ব দিয়েছি। তিনিই সিদ্ধান্ত নেবেন। দলের তিনজনের নাম বেশ আলোচনায় আসছিল। তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম বেশি আলোচনায় আছে। এখন দেখা যাক, চেয়ারম্যান কী সিদ্ধান্ত নেন।

 

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভ্যন্তরে এবং স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা চলছে। প্রার্থী চূড়ান্ত করার আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আরও কয়েক দফা আলোচনা ও বৈঠক হবে।

 

তবে দলীয় সূত্রের তথ্য, রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচনা এবং মির্জা ফখরুলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড—সব মিলিয়ে তার নামই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত।

 

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরাই ভোটার। গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার হিসেবে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের তালিকা প্রকাশ করেছে।

 

তপশিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা, ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোট হবে ২০ আগস্ট। ওই দিন জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

 

সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর এই ব্যবস্থা চালু হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটের বিধান থাকায় কে কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তা গোপন থাকে না।

 

এ ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদও গুরুত্বপূর্ণ। দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত কোনো সংসদ সদস্য সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দেওয়ার রাজনৈতিক সুযোগ কার্যত খুবই সীমিত।

 

সূত্র : এশিয়া পোস্ট

মন্ত্রী পদ ছাড়ছেন মির্জা ফখরুল!

নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নতুন পথচলায় তাদের উৎসাহিত করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের উদ্যোগে ‘মিছিলে নতুন মুখ’ শীর্ষক নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

 

নবীনবরণ উপলক্ষে ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজন। এতে নবীন শিক্ষার্থীরা গান ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এছাড়া সঙ্গীত দল ‘কোরাস’ গান পরিবেশন করে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দিন, অংকুর কর্মকার ও জয়িতা চাকমাও সংগীত পরিবেশন করেন।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খিজির আল সিফাত, সুমাইয়া আবেদীন ঋতিকা ও এনা। শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ছাত্রনেতা রিদি জাফরাত। তিনি নবীনদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নতুন অভিজ্ঞতা, জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

 

আয়োজকরা বলেন, নবীনদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি এ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ও পুরোনো শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংযোগ, সাংস্কৃতিক চর্চা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। ‘মিছিলে নতুন মুখ’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, মুক্তচিন্তা ও মনুষ্যত্ব রক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

 

বক্তারা শিক্ষার্থীদের অধিকার, মুক্তচিন্তা ও জ্ঞানচর্চার বিকাশ এবং বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার্থীদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা নিত্রা। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থী হিসেবে বুদ্ধিবৃত্তিক ও জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি দেশ, জাতি, রাষ্ট্র কিংবা পৃথিবীর সমস্ত বড় বড় সংকটের দিকে নজর রাখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আক্ষরিক অর্থ অর্থাৎ বৈশ্বিক জ্ঞান অর্জনকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

 

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বি সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দীন আহমেদও বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রফিকুজ্জামান ফরিদ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইভান তাহসিব।

 

ইভান তাহসিব বলেন, “আপনারা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর পাশাপাশি দেশের একজন নাগরিক। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট সমস্ত শিক্ষা ব্যবস্থার সংকটের বহিঃপ্রকাশ। তাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট নিয়েও কথা বলা জরুরি।”

 

অনুষ্ঠানের শেষভাগে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

 

জবিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের উদ্যোগে ‘মিছিলে নতুন মুখ’ শীর্ষক নবীনবরণ

বোমারু মামুনকে ধরতে সাভারে ভবন ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী, গ্রেপ্তার আরিফ

 

রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ও সাভারের আশুলিয়ায় বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত দুজনকে শনাক্ত করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। তাদের একজন মোহাম্মদ আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরজন নাজমুল হাসান ওরফে ‘বোমারু মামুন’কে গ্রেপ্তারে সাভারে অভিযান চলছে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে সাভারের হেমায়েতপুরের শ্যামপুর এলাকায় আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন একটি তিনতলা ভবন ঘিরে অভিযান শুরু করে সিটিটিসি। রাত ১২টা পর্যন্ত অভিযান চলছিল। ভবনটির ভেতর বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

সিটিটিসি ইউনিটের যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মতিঝিল ও আশুলিয়ায় বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত করে দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের একজন আরিফ। অপরজন মূলহোতা বোমারু মামুন।

 

সিটিটিসি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় আব্দুল জলিলের বাড়িটি ঘিরে অভিযান শুরু হয়। এ সময় মোহাম্মদ আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল ও বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও ভবনটির কাছাকাছি যেতে দেওয়া হয়নি। আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলও সীমিত করে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

সাভার মডেল থানার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্থানীয় পুলিশকে অভিযানের কারণ আগে থেকে জানানো হয়নি। পরে অভিযানে সহায়তা করতে তাদের সেখানে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে সিটিটিসি বিস্তারিত জানাবে।

 

সিটিটিসির এক কর্মকর্তা জানান, ভবনটির ভেতরে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। বাড়িটিতে তালা দেওয়া ছিল। সিটিটিসি সদস্যরা ভেতরে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অভিযানে সিটিটিসি ও স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

 

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, হেমায়েতপুর এলাকা থেকে একজনকে পাঁচটি ককটেল ও বিস্ফোরকসহ আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

ওসি বলেন, বাড়িটি চলতি মাসের ১ তারিখে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিস্ফোরক রাখা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর কাজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযানে বাড়ি থেকে জেএমবির কিছু লিফলেট, কয়েকটি ককটেলসদৃশ বস্তু এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বোমা তৈরির উপকরণ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

 

পরে রাত ১২টার দিকে ওসি জানান, আটক ব্যক্তির ব্যাগ থেকে বিশেষ কায়দায় তৈরি পাঁচটি শক্তিশালী পাইপ বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়িটির নিচতলার একটি কক্ষ থেকে একই ধরনের আরও নয়টি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামও পাওয়া গেছে।

 

রাত ১২টার দিকে একটি পাইপ বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়। অভিযানে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভবন থেকে উদ্ধার করা পাইপ বোমার মূল উপাদান হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড।

 

এসব ঘটনায় বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোহাম্মদ শামসুল হক।

বোমারু মামুনকে ধরতে সাভারে ভবন ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী, গ্রেপ্তার আরিফ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলে সমকামিতার অভিযোগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের দুই আবাসিক শিক্ষার্থীকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আহমেদ আল সাবাহ। এক বিবৃতিতে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

বিবৃতিতে হল সংসদের জিএস জানান, শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২০২৫–২৬ সেশনের দুইজন আবাসিক ছাত্রের বিরুদ্ধে গুরুতর সামাজিক শৃঙ্খলাভঙ্গের (সমকামিতা) প্রমাণিত অপরাধের ভিত্তিতে কঠোরতম প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় উভয়কে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং স্থানীয় অভিভাবকের উপস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, এখানেই বিষয়টি শেষ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যাতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব বাতিলের বিষয়টিও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে নিশ্চিত করা যায়।

 

এই ব্যাপারে প্রথম অভিযোগ আসলে অভিযোগকারী ছাত্রের পক্ষে আদিষ্ট হয়ে প্রশাসন বরাবর শাস্তির আবেদন করেন হল সংসদের জিএস আহমেদ আল সাবাহ। এরপর তদন্ত কমিটি গঠন হয় এবং ঘটনার অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যাওয়ার ফলে তাদেরকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হয়।

 

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—আফিফ হাসান নীরব ও আরিফুল হক শুভ। আফিফ হাসান নীরব ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ। আরিফুল হক শুভ মার্কেটিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি নেত্রকোনা।

ঢাবিতে ফের সমকামিতার অভিযোগ, দুই ছাত্রকে হল থেকে বহিষ্কার

চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে. এম. চঞ্চলের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের অন্তত আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিউমার্কেট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স খন্দকার, মো. সুমন সিকদার, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহমান, সায়মন ইসলাম ও সাগর খানসহ অন্তত আটজন।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদা তোলার সময় ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এতে বাধা দেন। খবর পেয়ে কে. এম. চঞ্চল ৪০-৫০ জনকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তারা প্রথমে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের গালাগালি করেন। পরে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

 

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও হামলার শিকার সুমন সিকদার বলেন, ‘বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে নিউমার্কেট এলাকায় কয়েকজনকে দোকানদার ও ভ্যানচালকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে দেখা যায়। এতে বাধা দিলে তারা প্রথমে আমাদের সঙ্গে গালাগালি ও বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এর ১০–১৫ মিনিট পর নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্য সচিব কে এম চঞ্চলের নেতৃত্বে ৫০–৬০ জন লাঠিসোঁটা, রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আমরা ১০–১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছি। আহতদের মধ্যে ৮–১০ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং দুজন পপুলার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আত্মরক্ষার সময় আমার ডান হাতে কোপ লাগে।’

 

হামলার পর ঢাকা কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে তারা কলেজের সামনের মিরপুর সড়কে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

 

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর অভিযোগ, নিউমার্কেট এলাকার প্রায় ৩৫০টির বেশি দোকান থেকে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকা চাঁদা তোলা হয়। এ জন্য কে. এম. চঞ্চলের একটি বাহিনী রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, কেউ চাঁদা দিতে বাধা দিলে তার ওপর হামলা করা হয়।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিউমার্কেট থানার ওসি মোহসিন উদ্দিন আতিক বলেন, ‘ওদের মধ্যে মারামারি হয়েছে সে বিষয়ে অবগত আছি কিন্তু কতজন আহত হয়েছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারিনি। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলায় আহত ৮

নীলফামারী বড় মাঠে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

নীলফামারী বড় মাঠ দখল করে নির্মাণ করা অবৈধ দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার

(১৯ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মোঃ তানজীর ইসলাম এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বড় মাঠের অবৈধ দোকানদারদের দোকান সরিয়ে নিতে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন তিনি। নির্দেশের পর কিছু দোকানদার দোকান সরিয়ে চলে যান। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম শাহ্ আরেফিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু মোহাম্মদ সোয়েমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, নীলফামারী বড় মাঠের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে দখল করে অবৈধভাবে দোকান স্থাপন করা হয়েছে। এতে খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জন্য মাঠের পরিসর কমে গেছে। খেলোয়াড়দের খেলার সুযোগ সুবিধা বাড়াতেই এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তানজীর ইসলাম বলেন, ‘আজকে আমরা প্রাথমিকভাবে এসে তাদের দোকান সরিয়ে নিতে বলছি। কিছু দোকান তাৎক্ষণিকভাবে উঠেও গেছে। কিছু স্থায়ী দোকান ছিল, সেগুলো নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিতে ৪৮ ঘন্টা সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা স্বেচ্ছায় উঠে না গেলে আমাদের নিয়ম অনুযায়ী এগুলো উচ্ছেদ করবো।’

নীলফামারী বড় মাঠে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান 

আওয়ামী লীগের প্রশ্নে যে বা যারা নিরব ভূমিকা পালন করবে হোক সরকারি দল বা বিরোধী দল পরিনীতি কিন্তু লীগের মত ই হবে। শ্রী অর্ণব কুমার হিরা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আওয়ামী লীগের প্রশ্নে যে বা যারা নিরব ভূমিকা পালন করবে হোক সরকারি দল বা বিরোধী দল পরিনীতি কিন্তু লীগের মত ই হবে বলে মন্তব্য করেছেন, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি শ্রী অর্ণব কুমার হিরা, তিনি আরো বলেন,

বিএনপি বরাবরই উদারতার উদাহরণ দেখাতে গিয়ে খাল কেটে কুমির এনেছে ১৯৭৯ জামায়াতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ এর মধ্যে দিয়ে এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয় জিয়াউর রহমান এবং ১৯৮৫ সালের ১৭ এপ্রিল শেখের বেটি হাসিনা কে এনে আওয়ামী লীগের রাজনীতির প্রত্যাবর্তন ঘটায় জিয়ার রহমান তার ফল ঠিক ১৭ দিন পর পান বিএনপি ৩০ এপ্রিল জিয়াউর রহমান এর হত্যার মধ্য দিয়ে,

,কাজেই বিএনপি কে বলছি এতো উদার হবেন না খাল কেটে কুমির আনবেন না দ্বিতীয় বার,

আওয়ামী লীগের প্রশ্নে যে বা যারা নিরব ভূমিকা পালন করবে হোক সরকারি দল বা বিরোধী দল পরিনীতি কিন্তু লীগের মত ই হবে। শ্রী অর্ণব কুমার হিরা

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩