শীর্ষখবর - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।

প্রতিবেদনঃ মোঃ ওমর ফারুক

আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

মা শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা অনেক বড়। সন্তানের জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না—সবকিছুতেই একজন মা নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকেন। তাই মায়ের অবদান কখনোই পরিমাপ করা সম্ভব নয়।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মায়ের সঙ্গে ছবি ও স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা উচিত। কারণ একজন মাই পরিবারের সবচেয়ে বড় আশ্রয় ও শক্তির জায়গা।

বিশ্ব মা দিবসে সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

মা মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

প্রতিবেদনঃ মোঃ ওমর ফারুক আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা বিস্তারিত

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক বলেছেন, যারা একই দিনে সারা বিশ্বে ঈদ পালনের কথা বলেন, তাদের মতবাদ ধর্ম ও বিজ্ঞানবিরোধী।

 

শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘রোজা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসন ও শরিয়াহ বিশ্লেষণ শীর্ষক’ জাতীয় সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

 

একই তারিখে সারা বিশ্বে রোজা ও ঈদ পালনের দাবি দলীলভিত্তিক নয় এবং কার্যক্ষেত্রে এর বাস্তবায়নও অসম্ভব উল্লেখ করে আবদুল মালেক বলেন, ইসলামি শরিয়তে চন্দ্রমাস শুরুর মানদণ্ড হলো হেলাল দেখা কিংবা হেলালের সাক্ষ্য। অন্যথায় মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করা। এ মানদণ্ড বাদ দিয়ে অমাবস্যা থেকে মাস শুরু করা শরিয়ত পরিবর্তন এবং নিজ খেয়াল-খুশি মোতাবেক নতুন শরিয়ত প্রবর্তন করার শামিল। এমনিভাবে হেলাল দেখার পরিবর্তে জ্যোতির্বিজ্ঞান-ভিত্তিক আগাম প্রস্তুতকৃত হিজরি ক্যালেন্ডারের নামে বিভিন্ন লুনার ক্যালেন্ডারকে মানদণ্ড বানানোও স্পষ্ট নাজায়েজ এবং শরিয়তে হস্তক্ষেপের শামিল।

 

তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈদ অন্য জাতিগোষ্ঠীর উৎসবের মতো নিছক আনন্দ-উৎসব নয়; বরং এটি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই একে অন্যদের উৎসবের আদলে উদযাপনের চিন্তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও অযৌক্তিক।

 

বায়তুল মোকাররমের খতিব আরও বলেন, হেলাল দেখাকে একমাত্র ভিত্তি গণ্য করে পুরো বিশ্বের জন্য একই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া দলীলভিত্তিক নয় এবং উম্মতের ইজমা পরিপন্থি। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো শহরের চাঁদ দেখাকে ভিত্তি করে অন্য অঞ্চলের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণও শরিয়তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

 

মাওলানা আবদুল মালেক বলেন, শরয়ি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বক্তব্য অপরিহার্য নয়। অতীতে মুসলিম জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও বিশ্বব্যাপী একই দিনে রোজা-ঈদ পালনের পক্ষে ছিলেন না। কারণ এটি মূলত শরিয়তের বিষয় এবং শরিয়ত যা বলে তাই মেনে নেওয়াই মুসলমানদের কর্তব্য।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে যে পদ্ধতিতে রোজা ও ঈদ পালিত হয়ে আসছে, দেশের অধিকাংশ আলেম-মাশায়েখ সে ব্যাপারে একমত। তাই অনুমিত ধারা পরিবর্তনের কোনো শরয়ি কারণ নেই। বরং এর পরিবর্তনের ফলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে।

 

আবদুল মালেক আরও বলেন, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। তাই শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো আপত্তি না থাকলে এ কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে চলা মুসলিম নাগরিকদের দায়িত্ব।

 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মাহমুদুল হাসান। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

একই দিনে বিশ্বে ঈদ পালনের প্রশ্নে যা বললেন মুফতি আবদুল মালেক

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক বলেছেন, যারা একই দিনে সারা বিশ্বে ঈদ পালনের কথা বলেন, তাদের মতবাদ ধর্ম ও বিজ্ঞানবিরোধী।   শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স বিস্তারিত

দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের পাঁচ খুনের ঘটনা। ওই গ্রামের বহুতল একটি বাড়ি থেকে এক নারী, তাঁর তিন সন্তান ও নারীর ভাইসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ফোরকান মিয়া (৪০) পলাতক। শনিবার (৯ মে) সকালে ফোরকান নিজে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে স্বজনদের কল করে জানিয়েছেন।

 

রাউৎকোনা গ্রামের মো. মনির হোসেনের বাড়ির নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে। সেখানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনসহ (পিবিআই) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে।

 

অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের মো. আতিয়ার রহমানের ছেলে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন আক্তার (৩০), মেয়ে মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (২) ও শ্যালক গোপালগঞ্জ সদরের পাইককান্দি গ্রামের রসুল মিয়া (২২)।

 

ফোরকানের পরিবার প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতো। ফোরকান প্রাইভেট কার চালাতেন। আর তাঁর শ্যালক রসুল গাজীপুর সদরের একটি কারখানায় চাকরি করতেন।

 

নিহত শারমিন আক্তারের ফুফু জেসমিন আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি স্বজনদের কাছ থেকে ঘটনার কথা জানতে পারেন। তাঁর ভাষ্য, ভাতিজির স্বামী কল করে নিজেই হত্যার কথা জানিয়েছেন। খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে দেখেন, ঘরের বিভিন্ন স্থানে মরদেহগুলো ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে।

 

জেসমিন আক্তার বলেন, রসুল মিয়া অন্য জায়গায় চাকরি করতেন। গতকাল শুক্রবার ফোরকান মিয়া তাঁকে নতুন চাকরি দেওয়ার কথা বলে ডেকে আনেন। এরপর স্ত্রী–সন্তানের সঙ্গে রসুল মিয়াকেও হত্যা করে পালিয়ে যান ফোরকান।

 

শারমিনের আরেক ফুফু ইভা আক্তার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ফোরকান তাঁর ভাই মিশকাতকে ফোন দিয়ে বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেছে। সবাইকে মেরে ফেলেছি। আমাকে আর তোরা পাবি না।’ খবর পেয়ে তাঁরা পাঁচ থেকে ছয়জন সকালে ঘটনাস্থলে যান। গিয়ে দেখেন, ভবনের কলাপসিবল গেট খোলা। নিচতলার কক্ষগুলোর দরজাও খোলা। ভেতরে গিয়ে তাঁরা মেঝে ও বিছানায় নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। একই সঙ্গে তাঁরা কাপাসিয়া থানায় রওনা হন।

 

ইভা আক্তারের দাব করেন, ফোরকান মিয়া আরেকটি বিয়ে করার কথা স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। এ নিয়ে শারমিন খুব মনঃক্ষুণ্ন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। ছয় থেকে সাত মাস আগে ফোরকান শারমিনকে মারধর করেছিলেন। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে যায়। পরে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। সুস্থ হওয়ার পর তিনি বাবার বাড়িতে থাকছিলেন। কয়েক দিন পর ফোরকান আবার স্ত্রীকে সেখান থেকে নিয়ে আসেন। এরপরও দ্বিতীয় বিয়ের প্রসঙ্গ নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া–বিবাদ চলছিল। শারমিন স্বামীকে জানিয়েছিলেন, তাঁর সন্তানদের নিয়ে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, তাই স্বামীর সঙ্গেই থাকতে চান। এর মধ্যেই আজ পাঁচজনের মরদেহ পাওয়া গেল।

স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ খুন: ‘সবাইকে মেরে ফেলেছি, আমাকে আর পাবি না’

দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের পাঁচ খুনের ঘটনা। ওই গ্রামের বহুতল একটি বাড়ি থেকে এক নারী, তাঁর তিন সন্তান ও নারীর ভাইসহ পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা বিস্তারিত

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর বাড়ির ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (৯ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন। একইদিন সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (৮ মে) রাতে তাদের হত্যা করা হয়।

 

পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ঘাতক পলাতক ফোরকান মিয়ার গাড়ির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আটকদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

 

নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার চালক পলাতক স্বামী ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের বড় মেয়ে মীম (১৫), মেয়ে মারিয়া (৮), মেয়ে ফারিহা (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (২২)।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিন সন্তানের গলা কাটা লাশ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। শারমিনের ভাই রসুলের লাশ ছিল বিছানার ওপর। অন্যদিকে, শারমিনের হাত-মুখ বাঁধা নিথর দেহ জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে সপরিবারে ভাড়া থাকতেন ফোরকান মিয়া। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সবাইকে স্বাভাবিকভাবে দেখা গেছে। তবে শনিবার সকালে হঠাৎ পাঁচজনের গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা।

 

প্রতিবেশীরা বলছেন, ফোরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। ওই বিরোধের জেরেই তিনি স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যা করে পালিয়ে যেতে পারেন।

 

কাপাসিয়া থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে এ বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ফোরকান মিয়া নিজেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন।

 

গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্ত ফোরকান মিয়াকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম ইতোমধ্যে অভিযানে নেমেছে।

গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক ২

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর বাড়ির ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।   শনিবার (৯ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের বিস্তারিত

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহণের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

 

শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

লোহাগাড়া থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামমুখী একটি মারসা পরিবহণের বাসের সঙ্গে কক্সবাজারমুখী একই কোম্পানির অন্য একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে কক্সবাজারগামী বাসটি সড়কের পূর্ব পাশে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। সংঘর্ষে বাস দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

 

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

এদিকে দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

 

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি সালাহ উদ্দীন চৌধুরী জানান, হতাহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহণের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।   শনিবার (৯ মে) বিস্তারিত

আসন্ন সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের ভোট প্রার্থনা।

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু, সাভার:

 

সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দলিল লেখকদের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতি’র আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এই নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন তরুণ ও কর্মঠ স্বনামধন্য দলিল লেখক আবুল বাশার চৌধুরী তুহিন।

 

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এবং সমিতির উন্নয়নে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন। সাধারণ সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং সমিতির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।

প্রচারণায় তুহিন বলেন: আমি এই সমিতির সকল সদস্যদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। দল-মত নির্বিশেষে সকল দলিল লেখকের মর্যাদা রক্ষা এবং একটি আধুনিক ও সদস্য-বান্ধব কল্যাণ সমিতি গঠন করাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি, সদস্যরা আগামী নির্বাচনে আমাকে মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন এবং তাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।”

সাধারণ সদস্যদের মাঝেও আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের প্রার্থীতা নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। অনেক ভোটার মনে করছেন, তুহিন একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ এবং নেতৃত্বের আসনে তিনি আসলে সমিতির সাধারণ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পূরণ হবে।

উল্লেখ্য, আসন্ন এই নির্বাচনে বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে তুহিনের জোরালো প্রচারণায় ভোটের সমীকরণ নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে।

আসন্ন সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের ভোট প্রার্থনা

আসন্ন সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে আবুল বাশার চৌধুরী তুহিনের ভোট প্রার্থনা।     রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু, সাভার:   সাভার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দলিল লেখকদের অন্যতম প্রাচীন বিস্তারিত

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয়রা জানান, রাউতকোনা এলাকার মনির হোসেন প্রবাসে থাকেন। বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানরা থাকে। শুক্রবার রাতেও সবাইকে স্বাভাবিকই দেখা গেছে। তবে শনিবার ভোরে ওই বাড়িতে দেখা যায় পাঁচজনের গলা কাটা লাশ পড়ে রয়েছে। কারা কেন তাদের হত্যা করেছে, বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

 

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী মনির হোসেনের স্ত্রী, তার তিন মেয়েসন্তান এবং শ্যালক। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লুটপাটের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা-পয়সাও নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। হত্যার পর ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

 

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার, (এসপি) মোঃশরিফ উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে ।

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা।   মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।   গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে বিস্তারিত

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

গ্রীষ্ম এলেই প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে আর শহরের অলিগলিতে তখন ছড়িয়ে পড়ে পাকা আমের মিষ্টি ঘ্রাণ। আর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনপদ সাতক্ষীরা এখন সেই ঘ্রাণে মুখরিত। জেলার বিস্তীর্ণ আমবাগানে শুরু হয়েছে মৌসুমের প্রথম দিকের আম পাড়া। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত আম পাড়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গত ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগসহ আগাম জাতের আম পাড়া শুরু হয়েছে। আর আগামী ১৫ মে থেকে শুরু হবে বহুল জনপ্রিয় ও সুস্বাদু হিমসাগর আম সংগ্রহ। মৌসুমের শুরুতেই সাতক্ষীরার বাজার, সড়ক ও কুরিয়ার সার্ভিসগুলোতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য। আমকে ঘিরে যেন পুরো জেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বাজার এখন আমের বাজারে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন ভোর হতেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ভ্যান, ট্রলি, মিনি ট্রাক ও ছোট যানবাহনে করে আমবাগানের মালিক ও ব্যবসায়ীরা আম নিয়ে বাজারে আসছেন। পাইকাররা সেই আম কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনদের জন্য সুন্দর কুরিয়ার, এস এ পরিবহনসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আম পাঠাচ্ছেন। আম মৌসুম ঘিরে কুরিয়ার সার্ভিস ও পরিবহন খাতেও সৃষ্টি হয়েছে বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ। বর্তমানে প্রতি মন আম প্রায় ১৬০০ টাকা দরে কিনলেও কুরিয়ারে পাঠাতে প্রতি কেজিতে গড়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে। তবুও সাতক্ষীরার আমের স্বাদ ও সুনামের কারণে মানুষ আগ্রহ নিয়ে এই আম সংগ্রহ করছেন।

একসময় দেশের বাজারে রাজশাহীর আমের কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাতক্ষীরার আমও দেশের মানুষের কাছে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার হিমসাগর আম এখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এ আমের স্বাদ, মিষ্টতা ও ঘ্রাণ এমন যে, একবার খেলে মানুষ বারবার খেতে চান। অনেকে মজা করে বলেন, সাতক্ষীরার হিমসাগর আম সামনে থাকলে বয়স, ডায়েট কিংবা সংযম-সবকিছু ভুলে মানুষ বেশি খেয়ে ফেলেন। এই আমের আঁশ কম, শাঁস বেশি এবং স্বাদে অনন্য হওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ-সব বয়সী মানুষের কাছে এটি সমান প্রিয়।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হয় এবং প্রতিবছর হাজার হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদিত হচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলার সদর, তালা, কলারোয়া, দেবহাটা , আশাশুনি, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অসংখ্য আমবাগান। সাতক্ষীরার মাটি, আবহাওয়া ও লবণাক্ততাসহ পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় এখানকার আমে একটি স্বতন্ত্র স্বাদ তৈরি হয়। শুধু দেশেই নয়, সাতক্ষীরার আম এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে সাতক্ষীরার আমের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে আম শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে আম মৌসুমে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে মাঝেমধ্যে এই সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যবসায়ী অপরিপক্ক আম আগেভাগে গাছ থেকে নামিয়ে কৃত্রিম উপায়ে মেডিসিন প্রয়োগ করে দ্রুত পাকিয়ে বাজারজাত করেন। এতে আমের স্বাদ ও গুণগত মান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। বিভিন্ন সময়ে অপরিপক্ক ও কেমিক্যালযুক্ত আম জব্দ করে ধ্বংসও করা হয়েছে। মূলত এই অনিয়ম ঠেকাতে এবং বাজারে নিরাপদ ও পরিপক্ক আম নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন আম পাড়া ক্যালেন্ডার চালু করেছে। নির্ধারিত সময়ের আগে আম পাড়া নিষিদ্ধ করায় ক্রেতারা এখন তুলনামূলক নিরাপদ ও সুস্বাদু আম পাচ্ছেন।

আম শুধু সুস্বাদু ফলই নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। আমে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পাকা আম চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। গরমের সময় শরীরে শক্তি জোগাতেও আম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিকিৎসকদের মতে, পরিমিত পরিমাণে আম খেলে হজম শক্তি বাড়ে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি পায়।

সাতক্ষীরার আম শিল্পকে ঘিরে অর্থনীতির যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা আরও বহুগুণ বাড়তে পারতো যদি এই অঞ্চলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত রেললাইন বাস্তবায়ন হতো। সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে যশোরের নাভারন থেকে সাতক্ষীরা হয়ে সুন্দরবন পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে। স্থানীয়দের মতে, এই রেললাইন চালু হলে আম, চিংড়ি মাছ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনে বিপ্লব ঘটবে। বর্তমানে যেখানে কুরিয়ার বা সড়কপথে প্রতি কেজি আম ঢাকায় পাঠাতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়, সেখানে রেলপথ চালু হলে খুব অল্প খরচে দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য পরিবহন সম্ভব হতো। এতে একদিকে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হতেন, অন্যদিকে দেশের সাধারণ ভোক্তারাও কম দামে মানসম্মত আম কিনতে পারতেন।

এছাড়া রেললাইন চালু হলে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারতো। সাতক্ষীরার বিখ্যাত চিংড়ি মাছ, আম, পাট ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা যেতো। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন ভ্রমণেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতো। সড়কপথের তুলনায় রেলপথে আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা সহজেই সাতক্ষীরার সুন্দরবন দেখতে আসতে পারতেন। এতে পর্যটন খাত যেমন সমৃদ্ধ হতো, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিও নতুন গতি পেতো।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় রেললাইন স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত প্রকল্পটির বাস্তব কাজ কিংবা জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি। ফলে সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এখনো অধরাই রয়ে গেছে। অথচ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে সাতক্ষীরা শুধু আম কিংবা চিংড়ির জেলা হিসেবেই নয়, দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক ও পর্যটন সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত হতে পারতো।

আজ যখন সাতক্ষীরার বাজার আমের ঘ্রাণে মুখরিত, যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাতক্ষীরার আমের কদর বাড়ছে, তখন এই সম্ভাবনাময় শিল্পকে আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা, কৃষিভিত্তিক পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। কারণ সাতক্ষীরার আম শুধু একটি ফল নয়, এটি এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার প্রতীক।

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

সাতক্ষীরার আম: রেললাইন হলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দিগন্ত   মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:   গ্রীষ্ম এলেই প্রকৃতি যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। মাঠে-ঘাটে, গ্রামে-গঞ্জে আর শহরের অলিগলিতে তখন বিস্তারিত

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে অভিযুক্ত ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এই তথাকথিত ‘মীমাংসা’ প্রত্যাখ্যান করে ভুক্তভোগী শিশুটি অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

 

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে শীতের এক সন্ধ্যায় নানিকে পান কিনে দিতে দোকানে যাওয়ার পথে একই এলাকার বাসিন্দা নূর ইসলাম (৬৫) ওই শিশুটিকে জোরপূর্বক একটি ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি করলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পরবর্তীতে আরও কয়েক দফায় শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসকের পরীক্ষায় জানা যায়, সে বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

 

অভিযোগ উঠেছে, গত এক সপ্তাহ আগে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ঘটনাটি আইনি প্রক্রিয়ায় না নিয়ে সালিসের মাধ্যমে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। দেড় লাখ টাকা দেনমোহর ও দুই শতক জমি লিখে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে ওই বৃদ্ধের সঙ্গে ১২ বছরের শিশুটির বিয়ে পড়ানো হয়। জানা গেছে, একটি সাধারণ খাতায় স্বাক্ষর নিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

 

ভুক্তভোগী শিশুটি জানায়, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তাকে বিয়ে দেয়া হয়েছে। সে বলে, আমি তাকে স্বামী হিসেবে মানি না। আমার মুখ চেপে ধরে সে খারাপ কাজ করেছে। পেটের ভেতর সন্তান নড়াচড়া করে, কিছু খেতে পারি না। আমি ওই লোকের ফাঁসি চাই। শিশুটি জানায়, সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে সে অভিযুক্তকে ফেরত দিয়ে তালাক নিতে চায়।

 

শিশুটির বাবা অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, আমি অসুস্থ, ঠিকমতো চলতে পারি না। মেয়ের ভবিষ্যৎ এবং জীবন ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেই ওই লোকের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছি। আমার আর কিছু করার ছিল না। তবে মা জানান, প্রতিশ্রুত টাকা বা জমি এখনো তারা পাননি।

 

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত নূর ইসলাম সপরিবার বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপন করেছে।

 

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নব কুমার বিশ্বাস জানান, শিশুটি বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। লোকলজ্জার ভয় ও প্রলোভন দেখিয়ে বেআইনিভাবে এই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল।

 

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। পাশাপাশি যারা বেআইনিভাবে এই আপস-মীমাংসা ও বাল্যবিবাহের সঙ্গে জড়িত ছিল, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এর আগে, সম্প্রতি নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী মাদরাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর মধ্যেই দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এই ঘটনা ঘটেছে।

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের শিশু, ধামাচাপা দিতে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের সঙ্গে বিয়ে

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে অভিযুক্ত ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে বিস্তারিত

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গণমাধ্যমে তথ্য দেওয়ার পর এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে মদন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ডা. সায়মা আক্তার।

 

ডা. সায়মা গাইনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপজেলার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন।

 

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ৩০ এপ্রিল এক কিশোরী শারীরিক জটিলতা নিয়ে তার কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি জানতে পারেন, মেয়েটি ২৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। পরে কিশোরী ও তার মায়ের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, মাদ্রাসার এক শিক্ষক জোরপূর্বক তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন।

 

জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম তার কাছে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি চিকিৎসক হিসেবে প্রয়োজনীয় তথ্য দেন। সেই বক্তব্য বিভিন্ন টিভি, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের পর থেকেই তাকে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে গালিগালাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি হত্যা ও গণধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

 

এসব ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কা করছেন বলে উল্লেখ করে ডা. সায়মা। পরিবারের সদস্যরা জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি।

 

মদন থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, একজন নারী চিকিৎসক থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তার নিরাপত্তার বিষয়েও আমরা কাজ করছি। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

 

এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোসসিনা ইসলাম এ আদেশ দেন। এর আগে পুলিশ তার বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে। আগামী ১০ মে রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ধর্ষণের তথ্য দেওয়ায় নারী চিকিৎসককে হত্যার হুমকি

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গণমাধ্যমে তথ্য দেওয়ার পর এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।   বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে নিরাপত্তাহীনতার বিস্তারিত

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এই মধ্যে প্রাথমিক দলও ঘোষণা করেছে দলটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে আলোচিত নাম এখন নেইমার। দীর্ঘ চোটের পর মাঠে ফিরলেও তার ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দল নির্বাচন নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বা জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নয়—ফিটনেস ও ফর্মের ভিত্তিতেই গড়া হবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড।

 

আগামী ১৮ মে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এর আগে ফিফার কাছে ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে নেইমারের নামও রয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত দলে জায়গা পেতে হলে তাকে শতভাগ ফিট ও ম্যাচ ফিটনেসে থাকতে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ।

 

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, নেইমার নিঃসন্দেহে অসাধারণ প্রতিভা এবং ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তবে চোট ও শারীরিক অবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নেইমার উন্নতি করেছে এবং নিয়মিত খেলছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।

 

ব্রাজিল কোচ আরও জানান, নেইমার শুধু সমর্থকদের কাছেই নয়, ড্রেসিংরুমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়। তবে দল গঠনের ক্ষেত্রে আবেগ নয়, প্রয়োজন হবে বাস্তব মূল্যায়ন। খেলোয়াড়দের মতামত স্বাভাবিক বিষয় হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোচ হিসেবেই তিনি নেবেন।

 

তিনি বলেন, দলের ভেতরের পরিবেশ ইতিবাচক এবং কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। খেলোয়াড় হিসেবে কার পারফরম্যান্স কেমন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

নেইমারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন আনচেলত্তি। তার মতে, শেষ কয়েকটি ম্যাচে নেইমারের ফিটনেস ও গতি আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। তবে প্রতিটি ম্যাচ ও পরিস্থিতি আলাদা, তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।

 

সবশেষে ব্রাজিল কোচ জানান, নেইমারকে দলে রাখা বা না রাখার সিদ্ধান্তে কোনো চাপ নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে পেশাদার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। তিনি বলেন, নিখুঁত দল গঠন করা সম্ভব নয়, তবে লক্ষ্য থাকবে এমন একটি স্কোয়াড তৈরি করা যেখানে ভুলের পরিমাণ সর্বনিম্ন থাকে।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে কঠোর অবস্থানে আনচেলত্তি, চাপে নেইমার!

হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন এলাকায় মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করছি, যারা ভ্যাকসিন পায়নি বা টার্গেটেড এরিয়ার বাইরে যেসব শিশুরা আছে তাদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। যাতে একটা বাচ্চাও হাম টিকা থেকে বাদ না পড়ে।

 

তিনি জানান, যাদের টিকা দেওয়া হয়েছে তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ধীরে ধীরে সংক্রমন কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত দুই সরকার টিকা সংগ্রহ, টিকাদান ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে। সরকার এখন হাম নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তদন্তের পর যাদের গাফিলতির প্রমাণ মিলবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা পোলিও ভ্যাকসিনও দেওয়া শুরু করবো। এটাতেও কোনো অসুবিধা হবেনা। আগামী জুন মাসের মধ্যে আমরা ভিটামিন ‘এ’ সম্পূর্ণ পেয়ে যাবো এবং বছরে দুইবার করে ভিটামিন ‘এ’ দেওয়ার কার্যক্রমও আমরা চালিয়ে যাবো।

হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হবে

এবারের ঈদুল আজাহায় কম খরচে ঈদ বিনোদন: ঘুরে আসুন ধামরাইয়ের ‘আলাদিন’স পার্ক’ থেকে

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

ঈদের ছুটিতে ঢাকার খুব কাছেই পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দময় সময় কাটাতে চান? তবে হাতে সময় কম এবং বাজেটও সীমিত? আপনার জন্য সেরা গন্তব্য হতে পারে ধামরাইয়ে অবস্থিত নান্দনিক থিম পার্ক ‘আলাদিন’স পার্ক’।

যান্ত্রিক শহরের কোলাহল ছেড়ে সবুজে ঘেরা পরিবেশে দিনভর মেতে উঠতে এখানে রয়েছে আধুনিক সব রাইড ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

পার্কটি সাজানো হয়েছে ছোট-বড় সবার পছন্দের কথা মাথায় রেখে। এখানকার প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

রোমাঞ্চকর রাইড: ক্যাটারপিলার, ড্রাগন কোস্টার, বুল ফাইট এবং ডাবল ডেকোর ক্যারোসেল।

ওয়াটার পার্ক: গরমের স্বস্তি পেতে আছে বিশাল ওয়াটার কিংডম। মিউজিকের তালে কৃত্রিম ঢেউ আর ওয়াটার স্লাইডে মেতে ওঠার সুযোগ।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: ছবি তোলার জন্য রয়েছে চমৎকার সব স্পট, কৃত্রিম ঝরনা এবং সুনিবিড় সবুজ বাগান।

বাজেট নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আলাদিন’স পার্কের প্যাকেজগুলো বেশ সাশ্রয়ী:

টিপস: ঈদের সময় ভিড় এড়াতে সকাল সকাল পৌঁছে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে প্রতিটি রাইড আয়েশ করে উপভোগ করা যাবে।

যেভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে ধামরাইয়ের দূরত্ব খুব বেশি নয়।

বাসে: গাবতলী বা সাভার থেকে মানিকগঞ্জ বা ধামরাইগামী যেকোনো বাসে উঠে ‘নজরুল ইসলাম ফিলিং স্টেশন’ বা ‘কালামপুর’ বাস স্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে অটো বা রিকশায় সরাসরি পার্কে যাওয়া যায়।

নিজস্ব পরিবহন: ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে সাভার পার হয়ে ধামরাইয়ের কালামপুর মোড় থেকে কিছুটা ভেতরেই পার্কটির অবস্থান।

এই ঈদে যান্ত্রিকতা ভুলে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সস্তায় দারুণ কিছু স্মৃতি তৈরি করতে ধামরাইয়ের এই পার্কটি হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। আজই পরিকল্পনা সেরে ফেলুন!

এবারের ঈদুল আজাহায় কম খরচে ঈদ বিনোদন: ঘুরে আসুন ধামরাইয়ের ‘আলাদিন’স পার্ক’ থেকে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ৮৩ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে তিনি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।

 

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে মোট ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন।

 

রাজনৈতিক জীবনে তিনি সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন

তিলোত্তমা ঢাকা। দুই কোটির বেশি মানুষের আবাস। এই মহানগরে যারা বসবাস করেন, একেক এলাকায় তাদের উপলব্ধি একেক রকম। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, ঋতু পরিবর্তন হলেও সড়কের করুণ চেহারা বদলায় না। শুকনো মৌসুমে ধুলোর রাজ্য আর বাকিসময় কাদাপানিতে চলাচল দায়।

 

অথচ এই পথের দু’পাশেই কয়েকটি স্কুল-কলেজ, মসজিদ আর গণ কবরস্থান। কিছুদূর এগুলেই দক্ষিণখান থানা। খানাখন্দের সড়ক ধরে কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে প্রতিদিন।

 

সড়ক নিয়ে প্রশ্ন করলে একজন বাসিন্দা বলেন, এই এলাকার রাস্তার অবস্থা অনেক করুণ। একটু বৃষ্টি হলেই পানি উঠে যায়।

 

একই চিত্র এয়ারপোর্ট রোডের পশ্চিমের এলাকা বাউনিয়ায়। ২০১৬ সালে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলো এই এলাকা। কিন্তু বছরজুড়ে সড়ক খোড়াখুড়ি আর সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় নাকাল স্থানীয়রা।

 

দক্ষিণখান ও উত্তরখানসহ ডিএনসিসিতে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে ২০২২ সালে একটি প্রকল্প নেয়া হয়। কিন্তু আজও তা শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

 

এত এত সমস্যা যখন, সমাধানের দায়িত্ব কার? কী বলবেন নগর অভিভাবক?

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ধীর গতি মাঝেমাঝে হয় না, সেটি আমি অস্বীকার করবো না। এখনে বিশাল একটা ফান্ডের প্রয়োজন রয়েছে। ফান্ড সমস্যা নিয়ে মোকাবিলা করছি। আশা করছি, অচিরেই সমস্যা কেটে যাবে।

 

তবে, ডিএনসিসির নতুন এলাকাগুলোতে উন্নয়ন তরান্বিত করতে নগরবাসিকে হোল্ডিং ট্যাক্স ও রাজস্ব পরিশোধের আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।

Qডিএনসিসির ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প শেষ হয়নি আজও

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে সাদিক কায়েমের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।

 

ওই পোস্টে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

 

এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। স্পিকার জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভকামনা ও দোয়া জানিয়েছেন। পাশাপাশি ডাকসুর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আগামীর বাংলাদেশের রোল মডেলে উন্নীত হোক ডাকসু এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

স্পিকারকে বিয়ের দাওয়াত দিলেন সাদিক কায়েম

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি অপরাধমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও বায়েজিদ এলাকাকে যেকোনো মূল্যে অপরাধমুক্ত করা হবে।

 

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা—অপরাধীর কোনও দল নেই। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও কাজে কেউ জড়িত হলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী পৌরসভা প্রাঙ্গণে অতিদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী তার নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, হাটহাজারীর ইতিহাসে আপনারা আমাকে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত করেছেন। আমার দায়বদ্ধতা এই এলাকার প্রতিটি মানুষের প্রতি। আমরা গত ১৭ বছর শুধু ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে নয়, বরং সমাজের অন্যায়, দুর্নীতি ও দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনাই ছিল আমাদের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য।

 

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের দোহাই দিয়ে কেউ যদি কোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ান, তবে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে আইন যেভাবে প্রয়োগ হয়, আপনাদের ক্ষেত্রে তা ১০ গুণ বেশি শক্তিশালীভাবে প্রয়োগ করতে আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানাব। জনগণের ভোগান্তির কারণ যেন দল বা অঙ্গসংগঠনের কেউ না হন।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা কোনও তদবির শুনবেন না। অপরাধী যে-ই হোক, আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। যদি আমার কোনও লোক অপরাধীর পক্ষে সুপারিশ করে, তবে সরাসরি আমাকে জানাবেন; আমি তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

 

অনুষ্ঠানে হাটহাজারী উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

দলের কেউ অপরাধে জড়ালে আইন হবে ১০ গুণ বেশি কঠোর

মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র উদ্ধারে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে আইজিপি ব্যাচ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জনান।

 

আইজিপি বলেছেন, মাদক আমাদের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সেবন বা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমরা ধীরে ধীরে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হচ্ছি এবং পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।

মাদক বিক্রি ও সেবনে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়ে, আজ ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতিকে অবহিত করেন যে, ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সময় বর্ধিত করা হয়েছে।

 

তবে কোনো আলোকসজ্জা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় দোকান মালিক সমিতি।

শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির

সীমান্তে কাঁটাতার-মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই: ভারতকে নাহিদ

ভারতের উদ্দেশে এনসিপির আহবায়ক ও বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সীমান্তে কাঁটাতার দিয়ে, মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশে মুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে মাদরাসার ছাত্ররাই মন্দির পাহারা দিয়েছিল।

 

শাপলা চত্ত্বরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যারা দায়ী, তাদের যদি বিচারের আওতায় আনা হতো, তাহলে জুলাই আসতো না। সেই সাহসে ফ্যাসিবাদী সরকার চব্বিশে আরেকটি গণহত্যার সুযোগ পায়।

 

এই আলোচনা সভায় এনসিপি নেতা ইসহাক সরকার বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সেদিন নেতাকর্মীদের মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে বিএনপির বামপন্থী নেতাদের কারণে সেদিন হেফাজতের আন্দোলন সফল হয়নি।

সীমান্তে কাঁটাতার-মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই: ভারতকে নাহিদ

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩