শীর্ষখবর - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেছেন, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো-ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

 

 

সোমবার (৪ মে) রাতে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিযোগ করেন। তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

 

 

‘প্রিয় কুষ্টিয়াবাসী, আসসালামু আলাইকুম। সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে। যার রহমত এবং আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি আজকে সংসদ বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আসলে এই মুহূর্তে তাদের হাতে কোনো কল্যাণকর রাজনীতি নেই। তারা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে ক্যাপাবল নয়, সেজন্য আমার পথ আটকানোর চেষ্টা এখন তাদের একমাত্র রাজনীতি হয়ে উঠেছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমার কুষ্টিয়াবাসী।

 

 

চাঁদাবাজির বিষয়ে আমির হামজা লেখেন, আমি এমপি হওয়ায় অনেকে তাদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, মাদকের সাম্রাজ্য আগের মতো নির্বিঘ্নে চালাতে পারছে না। বরং এসব অপকর্মের সাম্রাজ্য ধ্বংসের আশঙ্কা করছেন তারা এখন। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ ধারণ করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।

 

 

তিনি সতর্ক করে লেখেন, আমি তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কুষ্টিয়াবাসী শান্তিতে বসবাসের জন্য যে আমানত আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে। সেই আমানত রক্ষার্থে আমি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত, তবুও পিছপা হবো না, ইনশাপ্রিয় কুষ্টিয়া ৩ আসনের মা, বাবা, ভাই, বোনেরা আমার বিশ্বাস আগেও আপনারা আমার পাশে ছিলেন, এখনও আমার পাশে আছেন, ভবিষ্যতেও আমার পাশে থাকবেন, ইনশাল্লাহ। আপনাদের নিয়ে সম্মিলিত লড়াইয়ে আমরা বারবার অপকর্মকারীদের পরাজিত করবো ইনশাল্লাহ।

যে আমানত কাঁধে তুলে দিয়েছেন, সেটা রক্ষার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেছেন, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো-ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন বিস্তারিত

স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

 

ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

 

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

এর আগে, সবশেষ গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

 

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকেই।

 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬১ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়ে ছিল ২৯ বার।

 

দেশে স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমলো কত?

স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।   ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বিস্তারিত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয়। এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না। এ কারণে বর্তমান সরকার পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পোশাকের উপরের অংশ আগে যেটা ছিল ‘নেভি ব্লু’ শার্ট, সেটা বহাল রাখা হয়েছে। আর প্যান্ট দেওয়া হয়েছে খাকি রঙের। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী ড্রেস যাতে দেওয়া যায়, সেটা বিবেচনা করেছি। আগের শার্ট, উপরের অংশ আগে যেটা ছিল, মেট্রোর জন্য এবং সারা দেশের জন্য, সেটা আমরা বহাল রেখেছি। প্যান্ট সেটা খাকি ড্রেস দিয়েছি। তবে নতুন পোশাক পরতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে। একটি প্রস্তুতির বিষয় আছে, কাপড় তৈরির বিষয় আছে।’

 

পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসর প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং মন্ত্রণালয়ের একটি নিয়মিত রুটিন কার্যক্রম। নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা এবং অবসর গ্রহণ- সবই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। এসব প্রশাসনিক কাজে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ পুলিশ কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসরের বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে এবং বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অবিচার না ঘটে।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়া অপরাধীদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদালত থেকে জামিন পাওয়া আইনি বিষয়। তবে এসব চিহ্নিত অপরাধী যাতে সমাজে আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’ ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ খন্দকার নাইম আহমেদ টিটন হত্যার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এগুলোর বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী হোক আর যাই হোক, হত্যাকাণ্ড মানেই হত্যাকাণ্ড। সেটা আইনের আওতায় আসবে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা ব্যতিক্রম হিসাবে দেখার কোনো কারণ নেই।’

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন যাবত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিল, যেহেতু তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না, সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকাণ্ড তারা সেভাবে হয়তো যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেনি। হয়তো নিয়ন্ত্রণ সেভাবে ছিল না। আইনশৃঙ্খলার এমন পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। এখন গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের স্বস্তির জন্য আইনশৃঙ্খলাকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করছি। মন্ত্রী আরও বলেন, ১ মে থেকে সারা দেশে মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাব এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে অভিযানে কাজ করছে। মাদক ব্যবসার হোতা এবং সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানে জড়িত বড় সিন্ডিকেটগুলোকে ধরা এ অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। মাদকের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি পেতে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহিষ্ণুতা) নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সারা দেশের মতো পরিস্থিতি টেকনাফ, কক্সবাজার, উখিয়াতে নয়। সেখানে কিছু ব্যতিক্রমধর্মী বিষয় আছে। প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী সেখানে আছে। তাদের ক্ষেত্রে বিস্তারিত ম্যানেজমেন্ট, ক্যাম্পের ভিতর শৃঙ্খলা রাখা, মাদকদ্রব্য, চোরা কারবারির বিষয়গুলো আছে। সে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি যাতে সুন্দরভাবে কাজ করতে পারি। সেখানে যৌথ অভিযান কীভাবে হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্যাম্প ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবারের সংসদ অধিবেশন ছিল ইতিহাসের অন্যতম সফল। এটি কোনো বিতর্ক ছাড়াই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তা গঠনমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এক সাংবাদিককে বিদেশে যেতে না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখি।

 

নেভি ব্লু শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্টের রঙ কী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয়। এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না। এ কারণে বর্তমান সরকার পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পোশাকের উপরের অংশ আগে যেটা ছিল ‘নেভি বিস্তারিত

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিক্ষকের ধর্ষণে ১২ বছরের এক মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি গ্রামের হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

 

গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মদন থানায় মেয়েটির মা আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে।

 

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসায় তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগী শিশুটি একই এলাকার বাসিন্দা এক বিধবা নারীর একমাত্র মেয়ে। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান। এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটি নেন। এরপর থেকে তিনি আর মাদরাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন ওই মাদরাসার আরেক শিক্ষক। এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটিও শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় যায়নি।

 

পরবর্তীতে সময়ে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন ঘটলে তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিষয়টি জানতে পারে। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে তার পরিবার মদন ‍উপজেলার হাসপাতাল রোডে অবস্থিত স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারের চেম্বারে যান।

 

ঢাকা পোস্টের পক্ষ থেকে ডা. সায়মা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাচ্চাটি তার মায়ের সঙ্গে আমার ক্লিনিকে আসে এবং জানায়, যে তার পেটে সবসময় ভারী অনুভব করে এবং তার পেটের ভেতর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বলে মনে হয়। পরে প্রাথমিকভাবে তাকে পরীক্ষা করে দেখতে পাই, বাচ্চাটি রক্তশূন্যতায় ভুগছে। তার শরীরে রক্ত নেই বললেই চলে।

 

তিনি আরও জানান, অন্তঃসত্ত্বা শিশুটির গর্ভে থাকা শিশুর বয়স প্রায় ২৭ সপ্তাহের বেশি (প্রায় ৭ থেকে সাড়ে ৭ মাস)। শিশুটির বয়স ১১ বছর, উচ্চতা সাড়ে চার ফুটের কম এবং ওজন মাত্র ২৯ কেজি। গর্ভস্থ শিশুটির বাইপ্যারাইটাল ডায়ামিটার (মাথার দুপাশের হাড়ের দূরত্ব) প্রায় ৭৪ মিলিমিটার। যা শিশুটির পেলভিকের তুলনায় অনেক বড়। অর্থাৎ শিশুটির সরু কোমরের তুলনায় গর্ভস্থ বাচ্চার মাথার মাপ অনেক বেশি। এটি বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এছাড়া বাচ্চাটির রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা মাত্র ৮.২, যা মারাত্মক রক্তস্বল্পতার লক্ষণ। সে অপুষ্টি এবং কৃমির সমস্যায়ও ভুগছে। সরু পেলভিসের ভেতর দিয়ে বড় মাথার বাচ্চা প্রসব করা স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়, যা মা ও বাচ্চা উভয়ের জন্যই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

 

চিকিৎসকের মতে, এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক ডেলিভারি প্রায় অসম্ভব। শুধুমাত্র ‘ক্র্যানিওটমি’ (বাচ্চার মাথা কেটে বের করা) পদ্ধতির মাধ্যমে স্বাভাবিক ডেলিভারি করা যেতে পারে, যা একটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। ১১ বছরের এই ছোট বাচ্চার শরীরে সিজারিয়ান সেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যানেস্থেসিয়া বা ওষুধের ডোজ নির্ধারণ করা চিকিৎসকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

 

ডা. সায়মা আক্তার বলেন, শিশুটি বর্তমানে প্রচণ্ড ভয়ের মধ্যে রয়েছে। যখন সে প্রথম চেম্বারে আসে, তখন কথা বলার সাহস পাচ্ছিল না। অনেকক্ষণ নিজের সমস্যার কথা বুঝিয়ে বলতে পারেনি। শিশুটি এবং তার পুরো পরিবার এই ঘটনায় ট্রমাটাইজড হয়ে পড়েছে। শিশুটি এখনও পুরোপুরি বুঝতে পারছে না যে তার সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছে বা ভবিষ্যতে তার জন্য কী অপেক্ষা করছে।

 

এই গাইনি চিকিৎসক আক্ষেপ করে বলেন, ১১ বছর বয়সী এই শিশুটির আসলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাকে গাইনোকোলজিস্টের কাছে আসতে হয়েছে এমন একটি সমস্যা নিয়ে। মেয়েরা জন্মের সময় থেকেই ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়। সাধারণত ১১-১২ বছর বয়সে এই ডিম্বাণুগুলো পূর্ণতা পায় এবং প্রথম মাসিকের মাধ্যমে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শিশুটি তার জীবনের প্রথম মাসিক হওয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়ার আগেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে শিশুটি এবং তার পরিবার বর্তমানে ভয়াবহ বিপদে পড়েছে।

 

ওই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্যোক্তা ও শিক্ষক মো. ছোটন ঢাকা পোস্টকে বলেন, এই বিষয়ে বলতে গেলে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবার কিছু জানায়নি। আর পাঁচ মাস আগে ওই মেয়ে চলে গেছে, তখনো আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। তারা দুই পরিবার প্রতিবেশী। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর তো ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে না। তিনি স্ত্রী সন্তানসহ পলাতক রয়েছেন। এমনকি গ্রামের কোনো মানুষের সঙ্গে বা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করছে না।

 

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমি একটি মামলা সংক্রান্ত কাজে একবারে প্রত্যন্ত এলাকায় রয়েছি, পরে বিস্তারিত জানাতে পারব। আমি এখানে নতুন যোগদান করায় এখনো বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। তবে আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়া মেনে এগিয়ে যাবে।

 

 

আপনার কন্যা সন্তানকে সবসময় চোখে চোখে রাখুন – গণ টেলিভিশন

 

১২ বছরের মাদরাসাছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, জীবন নিয়ে শঙ্কা

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিক্ষকের ধর্ষণে ১২ বছরের এক মাদরাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। বিস্তারিত

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) আইনজীবী মোহাম্মদ মঈদুল ইসলাম পলক রিটটি করেন এবং অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস তা আদালতে উপস্থাপন করেন।

 

রিটে চুক্তিটিকে অযৌক্তিক, কাঠামোগতভাবে অসম ও বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থপরিপন্থী বলা হয়েছে।

 

এতে অভিযোগ করা হয়, চুক্তিটি দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণ সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে এবং সংবিধানের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

 

রিটে পররাষ্ট্র, অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবদের বিবাদী করা হয়েছে।

 

চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর অসম শুল্ককাঠামো, নীতিনির্ধারণী স্বাধীনতা খর্ব এবং দেশীয় শিল্প, কৃষি ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (৪ মে) আইনজীবী মোহাম্মদ মঈদুল ইসলাম পলক রিটটি করেন এবং অ্যাডভোকেট সুবীর বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের খণ্ডিত মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি।

 

এর আগে, শনিবার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ৯টায় জামিলের মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি ঢাকার উদ্দেশে অরল্যান্ডো বিমানবন্দর ছাড়ে। দুবাই হয়ে সকালে ঢাকায় পৌঁছায় বিমানটি। পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে লিমনের মরদেহ।

 

সকাল থেকেই বিমানবন্দরে অপেক্ষায় ছিলেন লিমনের বাবা-মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে লিমনের হত্যার ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছে স্বজনরা।

 

গত ১৬ এপ্রিল সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। এর আটদিন পর ২৪ এপ্রিল জামিলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহ ঢাকায়

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের খণ্ডিত মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে মরদেহ বহনকারী বিস্তারিত

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের (কর্মকাণ্ডের) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আইন প্রণয়ন, সংস্কার কমিশন ও দেশি-বিদেশি চুক্তির বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে।

 

রিটে এসব বিষয়ে কমিশন গঠন করে ইনকয়ারি (অনুসন্ধান) করার আর্জি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখার আর্জি জানানো হয়েছে।

 

জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ রোববার (৩ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিটটি দায়ের করেন। রিটে কেবিনেট সচিব ও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

 

রিটের বিষয়টি সোমবার (৪ মে) নিশ্চিত করেন সিনিয়র আইনজীবী মুহাম্মদ মুহসিন রশিদ নিজে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আজ দুপুর একটায় ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

 

এর আগে শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। ওই রিট আবেদন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিলেন। এর পর তিনি ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেছিলেন।

 

২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ ও এই সরকারের গঠন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

 

একই সঙ্গে হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীর লিভ টু আপিলটি পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর পর আবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করা হয়।

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন। একই সঙ্গে ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার গঠন ও উপদেষ্টাদের শপথের আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের কাছে মতামত চেয়ে রেফারেন্স পাঠান।

 

রাষ্ট্রপতির বিশেষ রেফারেন্স অনুযায়ী তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ ওই বছরের ৮ আগস্ট মতামত দেন। সর্বোচ্চ আদালতের মতামতে বলা হয়, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে পারবেন এবং তাদের শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা সার্বিক কাজের (কর্মকাণ্ডের) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই সরকারের সময় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে বিস্তারিত

 

চট্টগ্রামের হালিশহরে নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠক থেকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ১৪ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। রোববার রাত ৮টার দিকে ‘তায়েফ রেস্টুরেন্ট’ থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদের প্রধান সংগঠক। পুলিশ জানিয়েছে, এই বৈঠকটি কোনো সাধারণ সামাজিক আয়োজন ছিল না বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত গোপন সমাবেশ, যেখানে দেশের বাইরে অবস্থানরত দলীয় নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার নীলনকশা তৈরি হচ্ছিল।

 

সিএমপির গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। বিদেশে পলাতক নেতাদের নির্দেশনায় তারা স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠনের চেষ্টা করছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

 

সিএমপি ডিবির উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদের প্রধান সংগঠকসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে।

 

উপ-পুলিশ কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। রেস্টুরেন্টের ভেতরে বৈঠকরত অবস্থায় ১৪ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকার পালানোর পর বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে সারা দেশে বিভিন্ন সময়ে সংগঠনটির সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গোপন বৈঠক থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৪ সদস্য গ্রেপ্তার

  চট্টগ্রামের হালিশহরে নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে গোপন বৈঠক থেকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ১৪ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। রোববার রাত ৮টার দিকে ‘তায়েফ বিস্তারিত

স্টাফ রিপোর্টার

অন্তর্বর্তী সরকার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘গত বছর ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাইনি। গত বছর যে সরকার ছিল, তারা রাষ্ট্রপতিকে বঞ্চিত করেছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকার সেই প্রথা আবার চালু করায় ধন্যবাদ জানাই।রোববার (৩ মে) রাতে বঙ্গভবনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আগত ডিসিদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।

 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জেলা প্রশাসকদের জনগণের সেবায় আরও নিবেদিত হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরকারের প্রতিনিধি হলেও সর্বোপরি তারা জনগণের সেবক-এ বিষয়টি সবসময় মনে রাখতে হবে।

 

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলন সরকারের নীতি-নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। মাঠ পর্যায়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময়ের মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাই স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। তিনি সরকারি কর্মসূচি ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

তিনি জেলা প্রশাসকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনে দ্রুত সমাধান দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে সহজ ও মানসম্মত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

রাষ্ট্রপতি বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, বাজার মনিটরিং জোরদার এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও অপচয় রোধের ওপর জোর দেন।

 

তিনি বলেন, গুজব, অপতথ্য ও অনলাইন অপরাধ দমনে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করতে হবে।

 

রাষ্ট্রপতি ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, নারী ও শিশু সুরক্ষা, যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, প্রশাসনের সব স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসকরা তাদের মেধা ও নিষ্ঠা দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

 

অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি

স্টাফ রিপোর্টার অন্তর্বর্তী সরকার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘গত বছর ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পাইনি। গত বছর যে বিস্তারিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছাত্রদল কর্মী আশিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় করা হত্যাচেষ্টা মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

 

তবে অভিযোগে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় ১২৭ জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান।

 

শেখ হাসিনা ছাড়াও চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন— আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গুলিতে আহত হওয়ার ঘটনায় ছাত্রদল কর্মী শেখ মোহাম্মদ আশিক বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় এ মামলা করেন। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১২৯ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও দেড়শ’ জনকে আসামি করা হয়েছিল।

 

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ অন্যদের ষড়যন্ত্র ও পূর্ব-নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযোগপত্রভুক্ত অপর আসামিরা পরস্পর অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করে সারাদেশে ছাত্র-জনতার যৌক্তিক আন্দোলনকে সহিংসভাবে থামানোর লক্ষ্যে সচেষ্ট ছিল।

শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, ১২৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছাত্রদল কর্মী আশিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় করা হত্যাচেষ্টা মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।   তবে অভিযোগে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় বিস্তারিত

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এই মধ্যে প্রাথমিক দলও ঘোষণা করেছে দলটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে আলোচিত নাম এখন নেইমার। দীর্ঘ চোটের পর মাঠে ফিরলেও তার ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দল নির্বাচন নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নাম বা জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নয়—ফিটনেস ও ফর্মের ভিত্তিতেই গড়া হবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড।

 

আগামী ১৮ মে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল। এর আগে ফিফার কাছে ৫৫ জনের প্রাথমিক তালিকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে নেইমারের নামও রয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত দলে জায়গা পেতে হলে তাকে শতভাগ ফিট ও ম্যাচ ফিটনেসে থাকতে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ।

 

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি বলেন, নেইমার নিঃসন্দেহে অসাধারণ প্রতিভা এবং ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তবে চোট ও শারীরিক অবস্থার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নেইমার উন্নতি করেছে এবং নিয়মিত খেলছে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।

 

ব্রাজিল কোচ আরও জানান, নেইমার শুধু সমর্থকদের কাছেই নয়, ড্রেসিংরুমেও অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন খেলোয়াড়। তবে দল গঠনের ক্ষেত্রে আবেগ নয়, প্রয়োজন হবে বাস্তব মূল্যায়ন। খেলোয়াড়দের মতামত স্বাভাবিক বিষয় হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোচ হিসেবেই তিনি নেবেন।

 

তিনি বলেন, দলের ভেতরের পরিবেশ ইতিবাচক এবং কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। খেলোয়াড় হিসেবে কার পারফরম্যান্স কেমন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

নেইমারের সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়েও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন আনচেলত্তি। তার মতে, শেষ কয়েকটি ম্যাচে নেইমারের ফিটনেস ও গতি আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। তবে প্রতিটি ম্যাচ ও পরিস্থিতি আলাদা, তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি।

 

সবশেষে ব্রাজিল কোচ জানান, নেইমারকে দলে রাখা বা না রাখার সিদ্ধান্তে কোনো চাপ নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে পেশাদার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। তিনি বলেন, নিখুঁত দল গঠন করা সম্ভব নয়, তবে লক্ষ্য থাকবে এমন একটি স্কোয়াড তৈরি করা যেখানে ভুলের পরিমাণ সর্বনিম্ন থাকে।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে কঠোর অবস্থানে আনচেলত্তি, চাপে নেইমার!

হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন এলাকায় মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করছি, যারা ভ্যাকসিন পায়নি বা টার্গেটেড এরিয়ার বাইরে যেসব শিশুরা আছে তাদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। যাতে একটা বাচ্চাও হাম টিকা থেকে বাদ না পড়ে।

 

তিনি জানান, যাদের টিকা দেওয়া হয়েছে তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ধীরে ধীরে সংক্রমন কমবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিগত দুই সরকার টিকা সংগ্রহ, টিকাদান ও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে। সরকার এখন হাম নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তদন্তের পর যাদের গাফিলতির প্রমাণ মিলবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা পোলিও ভ্যাকসিনও দেওয়া শুরু করবো। এটাতেও কোনো অসুবিধা হবেনা। আগামী জুন মাসের মধ্যে আমরা ভিটামিন ‘এ’ সম্পূর্ণ পেয়ে যাবো এবং বছরে দুইবার করে ভিটামিন ‘এ’ দেওয়ার কার্যক্রমও আমরা চালিয়ে যাবো।

হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনা হবে

এবারের ঈদুল আজাহায় কম খরচে ঈদ বিনোদন: ঘুরে আসুন ধামরাইয়ের ‘আলাদিন’স পার্ক’ থেকে

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

ঈদের ছুটিতে ঢাকার খুব কাছেই পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দময় সময় কাটাতে চান? তবে হাতে সময় কম এবং বাজেটও সীমিত? আপনার জন্য সেরা গন্তব্য হতে পারে ধামরাইয়ে অবস্থিত নান্দনিক থিম পার্ক ‘আলাদিন’স পার্ক’।

যান্ত্রিক শহরের কোলাহল ছেড়ে সবুজে ঘেরা পরিবেশে দিনভর মেতে উঠতে এখানে রয়েছে আধুনিক সব রাইড ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

পার্কটি সাজানো হয়েছে ছোট-বড় সবার পছন্দের কথা মাথায় রেখে। এখানকার প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

রোমাঞ্চকর রাইড: ক্যাটারপিলার, ড্রাগন কোস্টার, বুল ফাইট এবং ডাবল ডেকোর ক্যারোসেল।

ওয়াটার পার্ক: গরমের স্বস্তি পেতে আছে বিশাল ওয়াটার কিংডম। মিউজিকের তালে কৃত্রিম ঢেউ আর ওয়াটার স্লাইডে মেতে ওঠার সুযোগ।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: ছবি তোলার জন্য রয়েছে চমৎকার সব স্পট, কৃত্রিম ঝরনা এবং সুনিবিড় সবুজ বাগান।

বাজেট নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আলাদিন’স পার্কের প্যাকেজগুলো বেশ সাশ্রয়ী:

টিপস: ঈদের সময় ভিড় এড়াতে সকাল সকাল পৌঁছে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে প্রতিটি রাইড আয়েশ করে উপভোগ করা যাবে।

যেভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে ধামরাইয়ের দূরত্ব খুব বেশি নয়।

বাসে: গাবতলী বা সাভার থেকে মানিকগঞ্জ বা ধামরাইগামী যেকোনো বাসে উঠে ‘নজরুল ইসলাম ফিলিং স্টেশন’ বা ‘কালামপুর’ বাস স্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে অটো বা রিকশায় সরাসরি পার্কে যাওয়া যায়।

নিজস্ব পরিবহন: ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে সাভার পার হয়ে ধামরাইয়ের কালামপুর মোড় থেকে কিছুটা ভেতরেই পার্কটির অবস্থান।

এই ঈদে যান্ত্রিকতা ভুলে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে সস্তায় দারুণ কিছু স্মৃতি তৈরি করতে ধামরাইয়ের এই পার্কটি হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। আজই পরিকল্পনা সেরে ফেলুন!

এবারের ঈদুল আজাহায় কম খরচে ঈদ বিনোদন: ঘুরে আসুন ধামরাইয়ের ‘আলাদিন’স পার্ক’ থেকে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ৮৩ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে তিনি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন।

 

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে মোট ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন।

 

রাজনৈতিক জীবনে তিনি সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন

তিলোত্তমা ঢাকা। দুই কোটির বেশি মানুষের আবাস। এই মহানগরে যারা বসবাস করেন, একেক এলাকায় তাদের উপলব্ধি একেক রকম। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা, ঋতু পরিবর্তন হলেও সড়কের করুণ চেহারা বদলায় না। শুকনো মৌসুমে ধুলোর রাজ্য আর বাকিসময় কাদাপানিতে চলাচল দায়।

 

অথচ এই পথের দু’পাশেই কয়েকটি স্কুল-কলেজ, মসজিদ আর গণ কবরস্থান। কিছুদূর এগুলেই দক্ষিণখান থানা। খানাখন্দের সড়ক ধরে কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে প্রতিদিন।

 

সড়ক নিয়ে প্রশ্ন করলে একজন বাসিন্দা বলেন, এই এলাকার রাস্তার অবস্থা অনেক করুণ। একটু বৃষ্টি হলেই পানি উঠে যায়।

 

একই চিত্র এয়ারপোর্ট রোডের পশ্চিমের এলাকা বাউনিয়ায়। ২০১৬ সালে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলো এই এলাকা। কিন্তু বছরজুড়ে সড়ক খোড়াখুড়ি আর সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় নাকাল স্থানীয়রা।

 

দক্ষিণখান ও উত্তরখানসহ ডিএনসিসিতে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে ২০২২ সালে একটি প্রকল্প নেয়া হয়। কিন্তু আজও তা শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

 

এত এত সমস্যা যখন, সমাধানের দায়িত্ব কার? কী বলবেন নগর অভিভাবক?

 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ধীর গতি মাঝেমাঝে হয় না, সেটি আমি অস্বীকার করবো না। এখনে বিশাল একটা ফান্ডের প্রয়োজন রয়েছে। ফান্ড সমস্যা নিয়ে মোকাবিলা করছি। আশা করছি, অচিরেই সমস্যা কেটে যাবে।

 

তবে, ডিএনসিসির নতুন এলাকাগুলোতে উন্নয়ন তরান্বিত করতে নগরবাসিকে হোল্ডিং ট্যাক্স ও রাজস্ব পরিশোধের আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।

Qডিএনসিসির ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প শেষ হয়নি আজও

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে সাদিক কায়েমের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।

 

ওই পোস্টে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

 

এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। স্পিকার জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভকামনা ও দোয়া জানিয়েছেন। পাশাপাশি ডাকসুর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আগামীর বাংলাদেশের রোল মডেলে উন্নীত হোক ডাকসু এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

স্পিকারকে বিয়ের দাওয়াত দিলেন সাদিক কায়েম

ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি অপরাধমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও বায়েজিদ এলাকাকে যেকোনো মূল্যে অপরাধমুক্ত করা হবে।

 

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা—অপরাধীর কোনও দল নেই। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনও কাজে কেউ জড়িত হলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী পৌরসভা প্রাঙ্গণে অতিদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভিজিএফ (চাল) বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী তার নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, হাটহাজারীর ইতিহাসে আপনারা আমাকে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত করেছেন। আমার দায়বদ্ধতা এই এলাকার প্রতিটি মানুষের প্রতি। আমরা গত ১৭ বছর শুধু ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে নয়, বরং সমাজের অন্যায়, দুর্নীতি ও দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনাই ছিল আমাদের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য।

 

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের দোহাই দিয়ে কেউ যদি কোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ান, তবে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে আইন যেভাবে প্রয়োগ হয়, আপনাদের ক্ষেত্রে তা ১০ গুণ বেশি শক্তিশালীভাবে প্রয়োগ করতে আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানাব। জনগণের ভোগান্তির কারণ যেন দল বা অঙ্গসংগঠনের কেউ না হন।

 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা কোনও তদবির শুনবেন না। অপরাধী যে-ই হোক, আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। যদি আমার কোনও লোক অপরাধীর পক্ষে সুপারিশ করে, তবে সরাসরি আমাকে জানাবেন; আমি তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

 

অনুষ্ঠানে হাটহাজারী উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।

দলের কেউ অপরাধে জড়ালে আইন হবে ১০ গুণ বেশি কঠোর

মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র উদ্ধারে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে আইজিপি ব্যাচ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জনান।

 

আইজিপি বলেছেন, মাদক আমাদের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সেবন বা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমরা ধীরে ধীরে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হচ্ছি এবং পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।

মাদক বিক্রি ও সেবনে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়ে, আজ ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতিকে অবহিত করেন যে, ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সময় বর্ধিত করা হয়েছে।

 

তবে কোনো আলোকসজ্জা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় দোকান মালিক সমিতি।

শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির

সীমান্তে কাঁটাতার-মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই: ভারতকে নাহিদ

ভারতের উদ্দেশে এনসিপির আহবায়ক ও বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সীমান্তে কাঁটাতার দিয়ে, মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিবেশী দেশে মুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে মাদরাসার ছাত্ররাই মন্দির পাহারা দিয়েছিল।

 

শাপলা চত্ত্বরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যারা দায়ী, তাদের যদি বিচারের আওতায় আনা হতো, তাহলে জুলাই আসতো না। সেই সাহসে ফ্যাসিবাদী সরকার চব্বিশে আরেকটি গণহত্যার সুযোগ পায়।

 

এই আলোচনা সভায় এনসিপি নেতা ইসহাক সরকার বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সেদিন নেতাকর্মীদের মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে বিএনপির বামপন্থী নেতাদের কারণে সেদিন হেফাজতের আন্দোলন সফল হয়নি।

সীমান্তে কাঁটাতার-মানুষ হত্যা করে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে লাভ নেই: ভারতকে নাহিদ

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩