কালিগঞ্জ কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির নাঙ্গল প্রতীকের মনোনয়ন পেলেন সাফিয়া পারভীন - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
কালিগঞ্জ কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির নাঙ্গল প্রতীকের মনোনয়ন পেলেন সাফিয়া পারভীন

কালিগঞ্জ কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির নাঙ্গল প্রতীকের মনোনয়ন পেলেন সাফিয়া পারভীন

জি এম মামুন নিজস্ব প্রতিনিধি : তৃতীয় ধাপের ইউপি  নির্বাচনের তফসীল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৮ শে নভেম্বর সারা বাংলাদেশের একহাজার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।   তারই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন পেলেন সাফিয়া পারভীন।

শনিবার দুপুর ২ টায় ঢাকার বনানী জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু স্বাক্ষরিত জাতীয় পার্টির দলীয় ফোরামে কেন্দ্রীয় সদস্য সাফিয়া পারভীনকে লাঙ্গল প্রতীকের মনোনয়ন নিশ্চিত করেন।

পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সাফিয়া পারভীন কে লাঙ্গল প্রতীক মনোনয়ন দিয়ে জাতীয় পার্টির কো – চেয়ারম্যান জি এম কাদের এবং জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু,  জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সারা বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে কনিষ্ঠা কন্যা এবং বলিষ্ঠ কন্ঠ ও দিকনির্দেশনা অধিকারী সফিয়া পারভীনকে ফুলেল তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন।

সাফিয়া পারভীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ কে এম মোশাররফ হোসেন এর কন্যা। কে এম শহীদ মোশাররফ হোসেন ৮/০৯/২০১৮ তারিখে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের দায়িত্বরত চেয়ারম্যান এবং জাতীয় পার্টির সাতক্ষীরা জেলার সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন দুর্বৃত্তদের গুলিতে শহীদ হন।

পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এবং জাতীয় পার্টির কো-  চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের সুপারিশে কেএম শহীদ মোশাররফ হোসেনের কন্যা সাফিয়া পারভীনকে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিতে পারবেন। এমনটা আশা রেখে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করেন।


জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেওয়া এক ফেসবুক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

 

ফেসবুক বার্তায় তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বর্তমানে সমগ্র মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপদাহ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম হলেও ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চ জনঘনত্ব এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল অর্থনীতির কারণে দেশটি জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

 

তিনি লেখেন, Climate Risk Index 2026 অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকির সম্মুখীন। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

তারেক রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP), জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC), উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

তিনি জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

 

কৃষিখাতকে জলবায়ু-সহিষ্ণু ও আধুনিক ভিত্তিতে পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

 

বার্তায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

 

সবশেষে তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

সব শেষে তিনি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বন্ধ ও লোকসানি সরকারি কারখানাগুলোতে নতুন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী রোড শো আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে সরকার। দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে নেওয়া এ উদ্যোগের প্রস্তুতি চলতি মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা’–সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সরকারি কারখানার বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণ এবং সেগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে টেকসই ও লাভজনক করা যায়, সে বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।

 

সভাসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রস্তাবিত রোড শো কর্মসূচির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে বন্ধ ও অলাভজনক কারখানাগুলোর সম্ভাবনা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক সুযোগ তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু বলেন, বৈঠকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কারখানাগুলোর বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, আর্থিক অবস্থা এবং সম্ভাব্য পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পুনরায় সচল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়।

 

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুজ্জীবিত করা এবং লোকসানি সংস্থাগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

 

সভায় আরও জানানো হয়, কারখানাগুলোর পুনর্গঠন ও পুনরায় চালুর বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার কাজ চলছে। সুপারিশগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর সেগুলোর ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

 

বৈঠকে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বন্ধ কারখানা চালু করতে রোড শো আয়োজনের সিদ্ধান্ত সরকারের

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদি পশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ। আর গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর সংখ্যা বেড়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। দেশব্যাপী কোরবানি হওয়া গবাদিপশুর প্রাথমিক হিসাব এবং সরকারের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

 

তিনি বলেন, দেশে কোরবানির পশু উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর উদ্বৃত্ত পশু ও মাংস বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

 

প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন ৮টি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট জাবাইকৃত বা কোরবানিকৃত পশুর সংখ্যা ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮। এর মধ্যে গরু ও মহিষের সংখ্যা ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮, ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩ এবং অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি।

 

বিভাগভিত্তিক কোরবানির চিত্র পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে এবার সর্বাধিক ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি পশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫টি গরু ও মহিষ, ৯ লাখ ৮২ হাজার ১০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং ৫৫৪টি অন্যান্য পশু। গরু ও মহিষ কোরবানির ক্ষেত্রে ঢাকা বিভাগ দেশের শীর্ষে রয়েছে।

 

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কোরবানি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে, যার সংখ্যা ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১২১টি, ছাগল ও ভেড়া ১৫ লাখ ৪৬ হাজার ৭০৬টি এবং অন্যান্য পশু ৪২টি। ছাগল ও ভেড়া কোরবানির ক্ষেত্রে রাজশাহী বিভাগ দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে।

 

তৃতীয় অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম বিভাগে কোরবানি হয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি পশু, যার মধ্যে গরু ও মহিষ ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬৭২টি, ছাগল ও ভেড়া ৫ লাখ ১৪ হাজার ১৯২টি এবং অন্যান্য পশু ১৬১টি।

 

অন্যান্য বিভাগের মধ্যে খুলনায় ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, রংপুরে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, বরিশালে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি পশু কোরবানি হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির যোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে দেশে কোরবানির যোগ্য পশুর প্রাপ্যতা বা জোগান ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। ফলে কোরবানি শেষে দেশে এবার ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

 

গত বছর (২০২৫ সাল) কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০টি এবং প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। গত বছর দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজারটি পশু কোরবানি হয়েছিল এবং উদ্বৃত্ত ছিল ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৭টি পশু। সেই তুলনায় গত বছরের চেয়ে এবার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি বেশি পশু কোরবানি হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এ বছরও কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, খামারিদের কঠোর পরিশ্রম ও উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের কারণে প্রাণিসম্পদ খাত আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারি বান্ধব নীতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

দেশে রেকর্ড সংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে-প্রতিমন্ত্রী টুকু

দেশের সব শেষ করে চলে গেছেন, আওয়ামীলীগ দেশটাকে আবার নতুন করে গড়তেছি ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল।

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।

 

নির্বাচনের সময় বিএনপি নাই, তারেক রহমান নাই। মানুষের মাঝে একটি দল আতংক সৃষ্টি করেছিলো। আল্লাহ তায়ালার কী অশেষ রহমত। মানুষ আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব এখন অনেক বেশি। জনগণ আপনাদের উপর আস্থা রেখেছে, সে আস্থার মূল্য দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৩ জুন) বিকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নবগঠিত ভূল্লী উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন শেষে ভূল্লী কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনাদের কর্মকান্ডে প্রতিফলন করতে হবে। জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে হবে। ধমক দিয়ে, পিটিয়ে, নির্যাতন করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না।

তিনি আরও বলেন, হাসিনা তার কর্মকান্ডের জন্য টিকতে পারেনি। এমন পড়ন পড়ছে আর উঠতে পারে না। তার সাংঙ্গো পাংঙ্গোও নিয়ে পালিয়ে গেছে। আমরা এই অবস্থা চাই না। আমরা বাংলাদেশে সুন্দর, সুষ্ঠ, সহনশীল রাজনীতি চাই। আমরা গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা সংসদকে কার্যকারী করতে চাই।

এর আগে ভূল্লী উপজেলা বাস্তবায়ন করায় বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলামকে নাগরিক সমাজ, বিএনপি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এর পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

দেশের সব শেষ করে চলে গেছেন, আওয়ামীলীগ দেশটাকে আবার নতুন করে গড়তেছি ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

আগামী ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এ সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

 

সূত্র জানা যায়, সফরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে শ্রমবাজার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, হালাল খাদ্যশিল্প, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।

 

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করে জানা গেছে, মালয়েশিয়া সরকার সোমবার (১ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে চিঠি দিয়েছে। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে—অর্থাৎ ২২ জুন দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি আয়োজনের বিষয়ে কথা চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বিজয় বাংলাদেশের কূটনীতি এবং গণতন্ত্রের জন্য বড় বিষয় বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি মনে করব, এটা বিএনপির ধারাবাহিক পররাষ্ট্রনীতির একটা সাফল্য।’

 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি দায়িত্ব পালনের সময়ে খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকবেন কি না—এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, এটি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর (তারেক রহমান) সিদ্ধান্ত।

 

আজ বুধবার ঢাকায় এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। গতকাল মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিসকে হারিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

 

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে যদি ডেডিক্যাটলি এই কাজটি করতে হলে তাকে ওখানে সময়টা দিতেই হবে।

 

তার মানে এই না যে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। আমি মনে করি, এটি প্রধানমন্ত্রী এবং তার (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) সিদ্ধান্ত।’

প্রধানন্ত্রীর বিদেশ সফর কোন দেশে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো তথ্য দেওয়া না হচ্ছে ততক্ষণ সেটি সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই।

 

অনেক দেশ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরে আমন্ত্রণপত্র এসেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

 

কোন দেশ থেকে তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন তা প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়ে দেবে বলে জানান শামা ওবায়েদ।

গতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত তা জানেন বলে দাবি করে বক্তব্য দেন। এবিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘একটি রাজ্যের পরাজিত ব্যক্তি কী বলল তা আমলে নিচ্ছে না সরকার। এ হত্যাকাণ্ডে (হাদি হত্যাকাণ্ড) জড়িত সন্দেহে ভারতে গ্রেপ্তার আসামিদের ফিরিয়ে আনতে দেশটির সঙ্গে কাজ করছে সরকার।’

খলিলুর রহমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের গুলিতে অনিক নামে ২০ বছর বয়সী এক তরুণ নিহত হয়েছেন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

 

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোররাতে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় স্থানীয় নাজিম উদ্দিন এবং আলাল মুন্সি গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে এই ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

নিহত অনিক দড়িগাঁ এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ওসমান মিয়ার ছেলে এবং তিনি স্থানীয় নাজিম উদ্দিন গ্রুপের সক্রিয় সমর্থক ছিলেন বলে জানা গেছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, নিলক্ষা ইউনিয়নে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখা নিয়ে নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চরম বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে দুই পক্ষের লোকজন আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন বেশ কয়েকজন যুবক ও কিশোরকে পেশাদার অপরাধীদের মতো বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে পজিশন নিতে দেখা যায়, যা পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

 

এই দুপক্ষের তুমুল গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় অনিক, রাজু, সুমন, কাশেম ও মোবারকসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে অনিক, রাজু ও মোবারককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনিকের মৃত্যু হয়।

 

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরেই এই সংঘর্ষ ঘটেছে। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ, র‌্যাব ও উপজেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশাল একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনার মূল কারণ উদ্ঘাটনসহ জড়িতদের গ্রেফতারে তদন্ত চলছে। এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা উত্তেজনা তৈরি না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।

রায়পুরায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নিজের অসুস্থ দাদির জন্য ওষুধ আনতে গিয়ে এক অবুঝ ও নিষ্পাপ শিশু (৮) বর্বরোচিত ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পৈশাচিক ও ন্যাক্কারজনক ঘটনার জানাজানি হতেই স্থানীয় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত আফতাব ওরফে তরিকুল নামের এক গ্রাম্য চিকিৎসককে গণপিটুনি দিয়ে ঘরের মধ্যে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশে সোপর্দ করে তারা। 

শনিবার (৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার এক প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে এই হীন অপরাধের ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এই ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের তথ্যমতে, শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিকেলে তার দাদির আকস্মিক অসুস্থতার কারণে সে বাড়ির পাশের বাজারে তরিকুল ডাক্তারের ফার্মেসিতে ওষুধ আনতে গিয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দোকানে আর কোনো ক্রেতা বা অন্য কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তরিকুল ওই অবুঝ মেয়েটিকে কৌশলে দোকানের ভেতরের একটি গোপন রুমে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শিশুটি রক্তাক্ত ও কান্নাকাটি অবস্থায় বাড়িতে ফিরে তার মা-বাবাকে এই পৈশাচিক ঘটনা জানালে পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সমাজসেবক ও প্রতিবেশীদের বিষয়টি অবহিত করেন। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শত শত বিক্ষুব্ধ মানুষ ওই চিকিৎসকের দোকান ঘেরাও করে তাকে গণধোলাই দেয়।

 

নৃশংস এই ঘটনার পর কান্নায় ভেঙে পড়ে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিকেলে আমার ছোট মেয়েটি ওষুধ আনতে গেলে তরিকুল ডাক্তার এই জঘন্য ও পৈশাচিক কাণ্ড ঘটায়। আমি একজন অসহায় বাবা হিসেবে প্রশাসনের কাছে এই নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসি এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুততম বিচার চাই।’

 

এদিকে ঘটনার পরপরই রাতেই শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আরিফুল ইসলাম প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গণমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে মনে হচ্ছে শিশুটিকে পৈশাচিক উপায়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে ধর্ষণের বিষয়টি আরও শতভাগ নিশ্চিত হওয়া এবং উচ্চতর ফরেনসিক আলামত সংগ্রহের জন্য ভিকটিমকে উন্নত পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘ফার্মেসিতে এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক গ্রাম্য চিকিৎসককে জনতা আটকে রেখেছে—এমন সংবাদ পাওয়া মাত্রই পুলিশের একটি ফোর্স পাঠিয়ে অভিযুক্তকে দ্রুত আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এরই মধ্যে নির্যাতিত শিশুটিকে উন্নত ডাক্তারি ও মেডিকেল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত এজাহারের আলোকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

 

৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রাম্য চিকিৎসককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল জনতা

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় রায়ের জন্য আজ (রোববার) ধার্য রয়েছে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।

 

গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের এ দিন ধার্য করেন। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছাল। মামলা দায়েরের পর ৪ দিনের মাথায় চার্জশিট দাখিল, অভিযোগ গঠন ও সাক্ষ্যগ্রহণ সব ক্ষেত্রেই ছিল দ্রুতগতি। আদালত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় এত দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে যাওয়ার নজির দেশে খুব কমই দেখা গেছে। সাধারণত তদন্ত প্রতিবেদন, বিচার শুরু ও সাক্ষ্যগ্রহণের বিভিন্ন ধাপ পার হতে বছরের পর বছর লেগে যায়।

 

যেভাবে এগিয়েছে মামলা : ১৯ মে সকালে পল্লবীতে ঘটনাটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২ টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। ওইদিনও মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হলে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন। অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন ধার্য করেন। ঈদের ছুটি শেষে ১ জুন আসামি সোহেল রানা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২ জুন চার্জশিটভূক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার পর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। পরদিন বুধবার (৩ জুন) আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। সেদিন শুনানিতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। দুই আসামির বক্তব্য রেকর্ড শেষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার ধার্য করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি আজিজুর রহমান দুলু যুক্তি উপস্থাপন করেন। এসময় সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যায়ক্রমে পড়ে শোনান তিনি এবং আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানিতে তিনি আসামি সোহেল রানার সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রার্থনা। অপর আসামি স্বপ্নার শুধুমাত্র লাশ গুম চেষ্টায় সহযোগিতার আপরাধের শাস্তি চান। পরে আদালত রায় ঘোষণার জন্য রোববার ধার্য করেন।

 

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী ঢাকা পোস্টকে বলেন, এই শিশুটির সাথে যা হয়েছে এর বর্ণনা শুনে পুরো দেশের মানুষ স্তব্ধ। এ নৃশংস ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক এটা সবার চাওয়া। যারা সাক্ষী দিয়েছে তারা ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার আপ্লূত হয়েছেন। আদালতে ও এজলাসের বাইরে উপস্থিত সকলেই এই নৃশংসতার বর্ণনা শুনে অঝোরে কেঁদেছেন।

 

প্রসিকিউটর ফারুকী বলেন, এটা একটা চাঞ্চল্যকর মামলা। আমি মনে করি সরকার এখানে যথেষ্ট আন্তরিক। ঘটনার পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তার, আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা ও পরবর্তীতে বিচার শুরু প্রক্রিয়া যৌক্তিকভাবে দ্রুততম সময়ে হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর প্রথম দিনেই সমাপ্ত করা গেছে। এখানে আদালতের আন্তরিকতা, সাক্ষীদের স্ব-প্রণোদিত অংশগ্রহণ ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। আশা করছি আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে। দেশের মানুষ ন্যায়বিচার চায়, বিচার ব্যবস্থায় আস্থা রাখতে চায়। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হলে সমাজে এমন ঘৃণ্য অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।

 

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।

 

এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: রায় ঘোষণা আজ

এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল এবং ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধিসহ ৬ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের ক্লাস, ওয়ার্ড ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

 

আজ শনিবার (৬ জুন) কলেজের ৫৪, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পক্ষে এক যৌথ বিবৃতিতে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ৬ দফা দাবির মধ্যে প্রধান দাবিটি হলো— স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ কর্তৃক গত ১৯ মে গৃহীত এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত ‘বৈষম্যমূলক’ সিদ্ধান্ত আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করা।

 

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৪ বছর করা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় ‘স্বাস্থ্যকর্মী নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করা, ইন্টার্ন ডাক্তারদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের বেতন ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করাসহ বেসরকারি চিকিৎসকদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো তৈরি করা।

 

এছাড়া, বিএমডিসি-২০২৩ অধ্যাদেশের খসড়া আইনে রূপান্তর করে ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিসিপিএস ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সকল ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ১০০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

 

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও সর্বস্তরের চিকিৎসক সমাজ আজ চরম বৈষম্য, অবহেলা আর নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার কারণে পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। দাবি অবিলম্বে মেনে না নেওয়া পর্যন্ত চলমান এই ছাত্র ধর্মঘট ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

৬ দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন শের-ই-বাংলা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের টানা ছুটি শেষে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ ১৬ দিনের বিরতির পর আজ রোববার (৭ জুন) থেকে দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে শুরু হবে নিয়মিত পাঠদান। এতে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর শ্রেণিকক্ষে ফিরছে শিক্ষার্থীরা।

 

‎‎ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি চলে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পর্যন্ত। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পাঠদান শুরু হচ্ছে আজ রবিবার (৭ জুন) থেকে। ‎

 

‎অন্যদিকে, দেশের সব মাদ্রাসার আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলবে আরও দেরিতে। মাদ্রাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে ছুটি শুরু হয়ে চলবে ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। পরবর্তী ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ১৪ জুন (রবিবার) থেকে পুনরায় শ্রেণিকক্ষ খুলবে।

 

গত ২৪ মে ছুটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীরা মূলত ২১ মে ক্লাসের পরেই ছুটিতে যাওয়ার সুযোগ পান। ২২ ও ২৩ মে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ছিল।

 

এদিকে, ঈদুল আজহার ছুটির সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এক মাসের লম্বা ছুটি পেয়েছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ আগামীকাল সোমবার (৮ জুন) থেকে শুরু হবে।

 

তবে রাজশাহীসহ বেশির ভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামীকাল রবিবার থেকে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা পুনরায় ফিরছেন। তাদের ছুটি শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পাঠদান শুরু হচ্ছে আজ রবিবার থেকে। ‎

দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-কলেজ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির র‌্যাম ভেঙে যাত্রীবাহী বাস নদীতে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মামলা করেছে নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে গ্রেফতারকৃত তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

এর আগে, শুক্রবার (৫ জুন) রাতে দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবুজার গিফারী বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের পাশাপাশি পরিবহন পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাসচালক ঝন্টু আলী (৪৮), হেলপার শাকিব হোসেন (২২) এবং সুপারভাইজার আজমল হোসেন (৩৮)।

 

শুক্রবার সকালে মেহেরপুরের গাংনী থেকে প্রায় ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার গাবতলীর উদ্দেশে ছেড়ে আসে এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে পৌঁছে। প্রশাসনের কঠোর তদারকিতে নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীদের নামিয়ে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগতিতে ফেরিতে উঠে অপর প্রান্তের র‌্যাম ভেঙে নদীতে পড়ে যায়।

 

দুর্ঘটনার সময় বাসের হেলপার দ্রুত নেমে যেতে সক্ষম হলেও চালক বাসের ভেতরেই আটকা পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।

 

ঘটনার পর জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর দুপুর ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ও ডুবুরি দলের সহায়তায় বাসটি নদীর তলদেশ থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

যাত্রীদের মালামাল যাচাই-বাছাই শেষে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি রেকারের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফেরিটি ঘাট থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক হয়।

 

এদিকে, শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

ঘটনার পরদিনই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বাস ডুবির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দৌলতদিয়ায় বাস ডুবির ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৩

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পুশইনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আজও শনিবার (৬ জুন) দেশের কয়েকটি সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা চালায় তারা। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থানের মুখে কয়েকটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করা ১০০ জনকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে তারা।

 

একইসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে যোগ দিয়ে রুখে দিচ্ছে এমন অপতৎপরতা। শেষ পর্যন্ত নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, হিলি, মেহেরপুর ও লালমনিরহাটে পুশইনকৃত মানুষদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ।

 

ভোরে মেহেরপুরের তেঁতুলবাড়ির হাটপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে এপারে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। পরে বিজিবির বাধায় পণ্ড হয় পুশইনের চেষ্টা।

 

আর ঠাকুরগাঁওয়ের মশালগাঁও সীমান্ত দিয়েও ১১ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চালায় বিএসএফ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিহত করে বিজিবির সদস্যরা। পরে পতাকা বৈঠকে বিষয়টি অস্বীকার ও সীমান্তে শূন্য রেখায় অবস্থান করা ১১ জনকে ফেরত নিতে অস্বীকার করে বিএসএফ।

 

এ বিষয়ে দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

 

এদিকে, দিনাজপুর হিলির ঘাসুড়িয়া সীমান্ত দিয়েও চলে বিএসএফের চেষ্টা। ৫ জনকে ভোরে এপারে ঠেলে দিতে গেলে, তা রুখে দেয় বিজিবি। অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

 

একইভাবে লালমনিরহাটের ৪টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। বিজিবির কঠোর অবস্থান ও সার্বক্ষণিক নজরদারির মুখে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বিএসএফ।

 

এ বিষয়ে ১৫ বিজিবির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, সীমান্তে পুশইনের জন্য আনা সব ব্যক্তিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়েছে।

 

গতকাল শুক্রবার সকালে নওগাঁর সাপাহার সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে টানা ১৯ ঘণ্টার চেষ্টার পর রাতেই ওই ব্যক্তিদের আবারও ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

 

অন্যদিকে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি প্রধান পাড়া সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তের শূন্য রেখায় দীর্ঘ ৩৫ ঘণ্টা ধরে অবস্থান করছেন পুশইন হওয়া ১০ জন। তাদের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিজিবি-বিএসএফ।

 

এ বিষয়ে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কিছুক্ষণ আগে অধিনায়ক পর্যায়ে বিজিবি-বিএসএফ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি।

 

এছাড়াও গতরাতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে খুমি সম্প্রদায়ের ৪৭ জন। খবর পেয়ে বান্দরবানের রেমাক্রি হৈকু খুমি পাড়া থেকে তাদেরকে হেফাজতে নেয় বিজিবি। এরপর তাদেরকে পুশব্যাক করানো হয়।

সীমান্তে থামছে না বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিচ্ছে বিজিবি

সরকারি বনের জমিতে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা ।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর বাড়ইপাড়া এলাকায় দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে সরকারি বনের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগীরা জানান এই এলাকায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস কইরা আসতেছি আমাদের বাড়িঘর নেই সরকারি বনের জায়গার ওপর ঘরবাড়ি করে থাকতে হইলে বোন কর্মকর্তাকে মোটা অংকের টাকা দিতে হবে। যদি না দেই বিট কর্মকর্তার লোকজন এসে আমাদের বাড়িঘর ভেঙ্গে দেয় আমরা গরীব দুঃখী অসহায় মানুষ যাব কোথায়। অন্যদিকে আর এক জন ভুক্তভোগি টাকা নেওয়ার ব্যাপারে যদি কেউ জানে তাহলে এই ঘর  আবারো ভেঙ্গে দেওয়া হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের জমি দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

 

‎‎অভিযোগকারীরা জানান, প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি সরকারি বনের জমি দখল করে

ডাঃ সোহান নামের এক ব্যাক্তি

পাঁচতলা ফাউন্ডেশন করে বাড়ি নির্মান করছেন। সরেজমিনে ডাঃ সোহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,

কালিয়াকৈর রেঞ্জের আওতাধীন বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা, এবং সার্ভেয়ার আওলাদ হোসেন, সফিপুর ভূমি অফিসের নায়েব কাজ করতে বলেছে বলে জানান।

 

বিট কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা রয়েছে বলে ডাঃ সোহান জানান । বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ তহিদুল ইসলাম কে গণমাধ্যম কর্মী ফোন করলে তিনি বলেন আপনার সঙ্গে পরে কথা বলবো। স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি বনের জমিতে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি নির্মান, নিরব ভূমিকায় বাড়ইপাড়া বিট কর্মকর্তা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা বাসটিকে উপরে তুলতে সক্ষম হয়।

 

এর আগে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এসবি সুপার ডিলাক্স বাসটি সকাল ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে, ফেরি কবরী কনভেনশন পকেট দিয়ে প্রবেশ করে ফেরির বিপরীত পার্শ্বের র‍্যাম ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে থাকা সহকারী সাকিব হোসেন (২৭) দুর্ঘটনার বিষয়টি বুঝতে পেরে লাফিয়ে ফেরির পন্টুনের ওপর পড়ে যান। এতে তিনি কিছুটা আহত হন। কিন্তু চালক ঝন্টু আলী (৪৭) বাসটিসহ নদীতে পড়ে যান। তবে তিনি বাসের জানালা দিয়ে বের হয়ে সাঁতরে ওপরে উঠতে সক্ষম হন। তাদের দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী শুভ সেন জানান, তিনি ফেরিঘাট দিয়ে লুজ যাত্রীদের পারাপারে নিয়োজিত মারুফ বিল্ডার্সের ম্যানেজার। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ৭নং ঘাটের পন্টুনে দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় দেখতে পান এসবি পরিবহণের বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য অ্যাপ্রোচ সড়কের দিকে আসছে। তবে সেখানে নিয়োজিত নৌ-পুলিশ ও অন্যরা বাসটি থেকে যাত্রীদের নেমে যেতে বলেন।

 

যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর চালক বাসটি নিয়ে সোজা ফেরিতে উঠে যান। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি সোজা গিয়ে ফেরির ডালায় গিয়ে আঘাত করে। এতে ডালার তার ছিড়ে গিয়ে বাসটি নদীতে পড়ে যায়।

 

বাসটির সুপার ভাইজার আজমল হোসেন বলেন, বাসটিতে মোট ৪০ জন টিকিট কাটলেও যাত্রী ছিল ৩৭ জন। তাদের নিয়েই ঢাকা যাচ্ছিলাম। তবে আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে সব যাত্রী নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের বিপদ থেকে আমরা বেঁচে যাই।

 

চিকিৎসাধীন চালক ঝন্টু মিয়া বলেন, কুষ্টিয়ার মজমপুর গেট থেকে সকাল সোয়া ৭টার দিকে বাসটি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেই। এর আগে বাসের ইঞ্জিন ও ব্রেক ঠিক আছে কিনা তা দেখে নেই। তারপরও ফেরিতে ওঠার আগে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যাই। এ সময় হেলপার আমাকে সতর্ক করে লাফিয়ে ফেরির পন্টুনে নেমে যান। এছাড়া বাসের ভেতর আমি ছাড়া আর কোনো লোক ছিল না। বাসটি পানিতে তলিয়ে গেলেও সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমি জানালা দিয়ে বের হয়ে উপরে ভেসে উঠতে সক্ষম হই। পরে স্থানীয়রা আমাকে নৌকাযোগে টেনে তীরে তুলে। এরপর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ আমাদের দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এ সময় গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস, এসিল্যান্ড মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি শফিকুল ইসলাম, দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ওসি ত্রিনাথ সাহা, বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিনসহ অন্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

 

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন সাংবাদিকদের জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে যাত্রীদের আগেই নামিয়ে দেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমরা পরিবহণ সংশ্লিষ্টসহ সব যাত্রীদের কাছে অনুরোধ করব, এভাবেই ফেরিতে উঠা-নামার আগে বাস থেকে সবাই নেমে যাবেন।

পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার

রাজধানীর সড়কে এআই দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সফলতা এসেছে দাবি করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

 

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক সমাবেশে যোগ দিয়ে এই কথা জানান তিনি।

 

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি, যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন তারাও এগিয়ে আসবেন। আমরা বলছি না একদিনেই পারব, আমরা তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন কর‍তে চাই। আমরা সবাই মিলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করব।

 

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণরূপে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। কোনো লঙ্ঘন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩