জিএম মামুন নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদকাসক্ত ছোট ভাইয়ের এলোপাতাড়ি ধারালো দায়ের কোপে বড় ভাই গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের মহেষকুড় গ্রামে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ স্থানীয় অনেকে জানান, কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের মহেষকুড় গ্রামের শুকুর আলীর ছোট ছেলে শেখ তাজিমের (২৪) বাড়িতে ব্যবহৃত ধারালো দায়ের কোপে তার আপন বড় ভাইয়ের হত্যার উদ্দেশ্যে শেখ আজিমের (৩৫) কে সজোরে এলোপাতাড়ি বুকে কোপ মারে এবং বুকের ৪ টি পাঁজর কেটে ফুসফুস ক্ষত হয়েছে।
এছাড়া মাথায় ২২ টি সেলাই দিতে হয়েছে। এলোপাতাড়ি কোপানোর সময় হাত দিয়ে আজিম দায়ের কোপ ঠেকানোর চেষ্টা করলে হাতের চারটি আঙ্গুলের হাড় থেকে কেটে চামড়ায় ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। তাছাড়া পায়ের রগ কাটার উদ্দেশ্যে পায়ে দা দিয়ে সজোরে কোপ মারলে পায়ের পাতার উপরের অংশে লাগে অল্পের জন্য পায়ের রগ কাটতে পারেনি ছোট ভাই ঘাতক তাজিম।
বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেখ আজিম খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
আহত আজিমের স্ত্রী ফতেমা খাতুন জানান, ১০/১২ দিন আগে আমার দুলাভাই ইজিবাইক চালক আব্দুল করিম আমাদের বাড়িতে সন্ধ্যাবেলায় বেড়াতে আসে। এবং আমার ছোট দেবর তাজিমের ঘরের সামনে ইজিবাইক রেখে ভাত খাচ্ছিল। আধা ঘণ্টার ব্যবধানে ইজিবাইক থেকে ব্যাটারি চুরি হয়ে যায়। আমার স্বামী আজিম তার ছোট ভাই তাজিমের এর কাছে ব্যাটারি চুরির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে।
আমার বোনের মেয়ের বিয়ের দাওয়াতে গেলে গত শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সোলারের প্লেট চুরি হয়ে যায়। চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের কথা-কাটাকাটির মধ্যে দিয়ে হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে তাজিম তার স্বামী আজিমকে ধারালো দা নিয়ে ধাওয়া করে। এসময় তার স্বামী পালানোর চেষ্টা করলে তাজিম মহেষকুড় বাইতুল নুর জামে মসজিদের মাগরিবের নামাজ চলাকালীন সময়ে তার স্বামীকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।
তাজিমের দায়ের কোপে আমার স্বামীর বুকের পাঁজরের হাড় কেটে গেছে। মাথায় দুইটি কোপে গুরুতর জখম হয়েছে। এছাড়া ডান হাতের চারটি আঙ্গুল কেটে গেছে। আমার স্বামীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে।
পরবর্তীতে মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে
কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রেফার করে।
সাতক্ষীরার সদর হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তার আমার স্বামীকে সাথে সাথে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। বর্তমানে আমার স্বামী জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
উল্লেখ্য তাজিম ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর স্থানীয় গরীব কৃষক শেরআলী কে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে এলোপাতাড়িভাবে বাঁশের লাঠি দিয়ে মেরে হাত ভেঙ্গে দেয়। এ বিষয়ে শেরআলী বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছিল। এফ আই আর মামলা নাম্বার – ৬ শেরালির হাত ভাঙ্গা মামলায় তাজিমকে দুই নাম্বার আসামী করা হয়। অসহায় কৃষক শেরআলী হাতে রড পড়ানোর পরেও অস্বাভাবিক অবস্থায় হাত বেঁকে আছে।
שוק המוצרים לשיפור האון הגברי תפס תאוצה בשנים האחרונות, דירות דיסקרטיות בנתניה