অনুসন্ধানী প্রতিবেদকঃ-ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস প্রায় কর্ম দিবসে থাকে তালাবদ্ধ এবং রাষ্ট্রীয় শোক অমান্য শিরোনামে স্থানীয় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে ধারাবাহিক সংবাদ প্রচারিত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে প্রতিমাসে এক সপ্তাহ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার দায় স্বীকার করেন উক্ত অফিসের অভিযুক্ত কর্মচারী আহমদুর রহমান ডালিম। পরবর্তীতে ওই কল রেকর্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অনুসন্ধানে জানা যায় অভিযুক্ত কর্মচারী আহমদুর রহমানকে ৩ বছর পূর্বে মনপুরা উপজেলা শাস্তিমূলক বদলি করা হয়। উক্ত উপজেলায় যোগদানের পর থেকে স্থানীয় হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্তৃপক্ষকে নানা ভাবে ম্যানেজ করে এভাবেই নিয়মিত কর্মস্থল ফাঁকি দেন আহমদুর রহমান ডালিম। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকে অমান্য করে উক্ত তিন দিনেই উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস বন্ধ রেখে কর্মস্থলের বাহিরে ছিলেন অভিযুক্ত কর্মচারী। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রচার হওয়ায় ঘটনাটি ধাপাচাপা দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত কর্মচারী উক্ত তিন দিনই ছুটিতে ছিলেন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করেন হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ। তবে জনমনে প্রশ্ন? ৩ দিনের রাষ্ট্রের শোকের মতো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবসে উক্ত ৩দিনের আহামেদুর রহমান অনুপস্থিত বা কর্তৃপক্ষের বাহানামূলক ছুটি দেওয়ার বিষয়টি কতটা আইনসঙ্গত। যা নিয়ে নানা কৌতুহল তৈরি হয়েছে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে। মনপুরা উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনরত উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম নিয়ে আগামী রবিবার ঊর্ধ্বতন ও কর্তৃপক্ষ তদন্ত করবেন। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয়টি নিয়ে মহা হিসাব নিয়ন্ত্রকে বারবার মুঠোফোনের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত কর্মচারী আহামদুর রহমান ডালিম তদন্ত কার্যক্রম কতটা সচ্ছ হয় তা নিয়ে রয়েছে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন। স্বচ্ছ জবাব চাহিতামূলক তদন্তের অতিদ্রুত বদলিপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ চায় স্থানীয় জনসাধারণ। তবে ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো ব্যবস্থা নেয়নি হিসাবরক্ষণ অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।
অভিযুক্ত কর্মচারী আহমেদুর রহমানের দুর্নীতি ও নানা অনিয়ম নিয়ে আসছে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। আসছে দ্বিতীয় পর্ব
Leave a Reply