প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১২ সরকারি কর্মকর্তা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১২ সরকারি কর্মকর্তা

প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১২ সরকারি কর্মকর্তা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন সরকারের ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আগামী ৪ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত সিভিল সার্ভিসেস একাডেমিতে এই এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।প্রশিক্ষণে মনোনীত কর্মকর্তারা হলেন-

 

 

১. স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সালমা সিদ্দিকা মাহতাব,

২. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মোস্তফা জামাল হায়দার,

৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আবু রায়হান মিয়া,

৪. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. ফিরোজ আহমেদ,

৫. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. তৌফিক ইমাম,

৬. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. তৌফিক ইমাম,

৭. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. রায়হান আখতার,

৮. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ.এফ.এম. এহতেশামুল হক,

৯. স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. শামসুল হক,

১০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম,

১১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. জিল্লুর রহমান,

১২. বিসিএস প্রশাসন একাডেমির এমডিএস (যুগ্ম সচিব) জিসরকারি আদেশে কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, এই প্রশিক্ষণের যাবতীয় ব্যয় পাকিস্তান সরকার বহন করবে। বাংলাদেশ সরকারকে এই সফরের জন্য কোনও আর্থিক ব্যয়ভার গ্রহণ করতে হবে না। কর্মকর্তারা স্থানীয় মুদ্রায় তাদের বেতন ও ভাতাদি গ্রহণ করবেন এবং যাতায়াতের সময়কাল কর্মকালীন হিসেবে গণ্য হবে।

 

 

* কর্মকর্তারা ৪ মে ২০২৬ তারিখের কাছাকাছি সুবিধাজনক সময়ে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবেন।

 

 

* এই প্রশিক্ষণের সময়কাল এবং যাতায়াতে ব্যয় হওয়া সময় কর্মকালীন (অন ডিউটি) হিসেবে গণ্য হবে।


দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেওয়া সেই অবিনাশী আবু সাঈদ এবং স্বৈরাচার পতনের মহাকাব্যিক অধ্যায়ের আজ দুই বছর। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাইয়ে রাজপথে রক্ত ঝরানো সেইসব বীরদের স্মরণে আজ পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’। ছাত্র-জনতার জাগরণের সেই রক্তঝরা দিনটিকেই আজ বিনম্র শ্রদ্ধায় ও শোকের আবহে স্মরণ করছে বাংলাদেশ।

 

শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আজ রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে দিবসটি পালনের বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং স্মরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের তাৎপর্য তুলে ধরা হচ্ছে।

 

২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ১৬ জুলাই দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই কর্মসূচি চলাকালেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

সেদিন রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে। একপর্যায়ে পুলিশের শটগানের গুলির সামনে দুই হাত প্রসারিত করে বীরদর্পে দাঁড়িয়ে যান ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদের এই সাহসিকতার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যেই বৈশ্বিক আলোড়ন সৃষ্টি করে। আবু সাঈদের এই শাহাদাত বরণের দৃশ্যই মূলত ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অবিনাশী প্রতীক হয়ে ওঠে।

 

একই দিনে চট্টগ্রামে সংঘর্ষে নির্মমভাবে শহীদ হন কলেজ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম, ওমরগণি এমইএস কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমেদ এবং ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী মো. ফারুক। এছাড়া রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় সংঘর্ষে শহীদ হন হকার মো. শাহজাহান ও যুবদল নেতা সবুজ আলী। নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সূত্রে ১৬ জুলাই সারা দেশে অন্তত ৬ জন শহীদ হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।

 

১৬ জুলাই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তৎকালীন সরকার ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়াসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে বিজিবি মোাতেয়েন করে। একই রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় এবং ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

 

১৬ জুলাই ছিল ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক বদলের দিন। আবু সাঈদের বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ আন্দোলনের গতিপথকে কোটা সংস্কারের বৃত্ত থেকে বের করে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের বৃহত্তর লড়াইয়ে রূপান্তর করে। এই আত্মত্যাগকে স্মরণ করে এবং নতুন বাংলাদেশের ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করতে ১৬ জুলাই জাতীয়ভাবে ‘ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের কেউ বাংলাদেশের নাগরিক নন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।

 

তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার নিজের ছেলে একজন মার্কিন নাগরিক। তার মেয়ে কানাডার নাগরিকত্বধারী। তার বোন ও তাদের পরিবারের একজনও বাংলাদেশের নাগরিক নন। যার জন্য আপনারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন, সেই পরিবারের কেউ এ দেশের নাগরিক নন।’

 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিমতলা মহাসড়কে আয়োজিত ‘দেশ গড়ায় জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

সরকারের কর্মসংস্থান নিয়ে সমালোচনা করে হাসনাত বলেন, বর্তমান সরকার এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু গত ছয় মাসে ৬০০ জনেরও কর্মসংস্থান করতে পারেনি।

 

তিনি আরও বলেন, সিরাজদিখানের বিভিন্ন এলাকায় ৫ আগস্টের পর বড় বড় সাইনবোর্ড হাতবদল হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

সংবিধান সংস্কারের প্রসঙ্গ টেনে এ তরুণ সংসদ সদস্য বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো ধারা না থাকায় সংবিধান সংস্কার করা সম্ভব নয়। এ বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য হলে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতারই সৃষ্টি হতো না।

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে এনসিপির এ নেতা বলেন, অনেকেই মনে করেন শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন। কিন্তু শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই। তবে আমরাও চাই তিনি দেশে ফিরে আসুন। তার বিচার হোক। আগামীকালই দেশে ফিরুন, আমরা সেটাই চাই।

যাদের জন্য জয় বাংলা স্লোগান দেন, সেই পরিবারের কেউ বাংলাদেশের নাগরিক নন

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছোটপর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। আগামী ১৩ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী সলিমুল্লাহ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে, গত ৫ নভেম্বর ‘অ্যাপোনিয়ার ফ্যাশন’-এর এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলাটি করেন।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, তানজিন তিশা ‘অ্যাপোনিয়া’ নামের একটি অনলাইন পেজ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি পছন্দ করেন। পরে গত ১৮ জানুয়ারি শাড়িটি তার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, শর্ত ছিল শাড়িটি পরে তিনি পেজটির প্রচারণা করবেন। এ বিষয়ে তিনি ভয়েস ও টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে আশ্বাসও দিয়েছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি শাড়িটি পরে কোনো প্রচারণা করেননি এবং গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে পেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগও রাখেননি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বাদীর অভিযোগ, তানজিন তিশা প্রতারণার মাধ্যমে বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

 

আইনজীবী সলিমুল্লাহ সরকার জানান, ডিবির তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আদালত তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

 

তিনি আরও জানান, আইনি নোটিশ পাঠানোর পরও কোনো সাড়া না পাওয়ায় ২০২৫ সালের নভেম্বর মামলাটি করা হয়।

তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় বোমা হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির উদ্যোগে রাজধানীতে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে রাত ১২টার দিকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়।

 

শাহবাগে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভের পাদদেশে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।

 

মশাল মিছিলে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবদিন শিশির, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিনসহ ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

 

সমাবেশ শেষে নেতারা সাভারের হামলার ঘটনার বিচার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

 

এর আগে ঢাকার সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।

সাভারে বোমা হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে এনসিপির মশাল মিছিল

ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিনকে উপদেষ্টা করে ঢাকা-১৯-আসনের জুলাই-আগস্ট উদযাপন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সংরক্ষণ, গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখা এবং উদযাপনমূলক কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) নির্বাচনী এলাকা-১৯২, ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া)-এ ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান উদযাপন উপদেষ্টা পরিষদ-২০২৬ গঠন করা হয়েছে।

 

 

নবগঠিত পরিষদে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিন তানভির-কে উপদেষ্টা করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা করা হয়েছে। উপদেষ্টা পরিষদে আরও রয়েছেন জহির মোহাম্মদ বাবর, ওয়াসিম আহমেদ অনিক, মাহফুজ ইকবাল, নবীনুল ইসলাম নবীন, সেলিম রেজা, জনি দেওয়ান, রাকিব খন্দকার, মঞ্জুরুল হক সৌরভ, সুজন সিকদার, এহসানুল হক ফেরদৌস, ইয়ালিদ নাঈম, লিংকন মিয়া, মোঃ নির্জন এবং তোফায়েল হোসেন।

 

এছাড়া সম্মানিত সদস্য হিসেবে রয়েছেন রকিব দেওয়ান রকি, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ সুরুজ্জামান ,

 

সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন আরমান হোসেন বাবু, ইমু ইমরান, মোঃ সানোয়ার হোসাইন, আহমেদ ফয়সাল, মোশারফ হিমেল খান, মোঃ ইসমাইল হাবিব, কমল চন্দ্র, রহিচ আহমেদ রাফি, রায়হান মাহাবুব, আলহাজ্ব মাদবর, রাসেল তালুকদার স্বাধীন, তাজ খান নাঈম, মোঃ জাহিদুল ইসলাম শাওন, রয়মান মোস্তফা, রফিকুল ইসলাম নোমান, মাহমুদুল হাসান শোভন, শাফি ইমাম সহ আরো অনেকেই।

 

সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ জানান, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক চেতনা এবং শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পরিষদটি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে। পাশাপাশি সাভার-আশুলিয়ায় ব্যাপক জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে উদযাপন কার্যক্রম সফল করার লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।

ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তমিজ উদ্দিনকে উপদেষ্টা করে ঢাকা-১৯-আসনের জুলাই-আগস্ট উদযাপন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন

নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেওরাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধান অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

জামায়াত আমির বলেন, পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো অনেক সমস্যার পেছনে নাগরিকদের অসচেতনতাও দায়ী। নিজের গার্বেজটা ড্রেনে নিয়ে আমরা ফেলে দিই। সরকার তো প্রতিদিন ড্রেন পরিষ্কার করবে না। সরকার পরিষ্কার করে দেবে, নাগরিকদের সেটা রক্ষা করতে হবে।

 

এসময় বর্জ্য ড্রেনে ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার, বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশকে সহযোগিতা এবং পরিবার থেকেই সন্তানদের চলাফেরা ও সঙ্গী সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ইতোপূর্বে উনার (ডা. শফিকুর রহমান) মতো দূরদর্শী নেতা সংসদে ছিল কি না, আমার জানা নেই। নিজ এলাকার দায়িত্বও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না: জামায়াত আমির

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পারিবারিক কলহের জেরে বাবার হাতে ৭ মাসের শিশু হ/ত্যা গ্রেপ্তার ১

 

রাজধানীর তুরাগ এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে বাবার হাতে ৭ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে তুরাগ থানা পুলিশ।

 

নিহত শিশু রাফা মনির পরিবারের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সোনাইডাঙ্গা গ্রামে। বর্তমানে পরিবারটি তুরাগ এলাকার একটি বস্তিতে বসবাস করছিল।

 

শিশুটির মা লিমা আক্তার জানান, বুধবার সন্ধ্যায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী কবির হোসেনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে কবির হোসেন তার কোল থেকে শিশু রাফাকে ছিনিয়ে নিয়ে মাটিতে আছড়ে ফেলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে শিশুটিকে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার মধ্যরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

 

লিমা আক্তারের অভিযোগ, তার স্বামী নিয়মিত কাজ করতেন না এবং প্রায়ই মাদক সেবন করতেন। এসব বিষয় নিয়েই তাদের সংসারে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত।

 

তুরাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান ফয়সাল জানান, ঘটনার পর বুধবার রাতেই অভিযুক্ত কবির হোসেনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহের জেরে শিশুটিকে আছড়ে হত্যার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মায়ের কোল থেকে ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে আছাড় মেরে হত্যা করলেন বাবা

নীলফামারী তে জুলাই শহীদ দিবস পালন

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার

জেলা নীলফামারী

১৬/জুলাই/২০২৬ : নীলফামারীতে জুলাই শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে “জুলাই স্মৃতি সব্ম্ভে”শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। পরে দোয়া শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় জেলা শহরের বিডি হল সংলগ্ন জুলাই স্মৃতি সব্ম্ভে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ নায়িরুজামান পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে পুলিশ সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন খাঁন, জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম পুষ্পামাল্য অর্পণ শেষে সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, জুলাই যোদ্ধাগণ শ্রদ্ধা নিবেদন করে। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজামান।

নীলফামারী তে জুলাই শহীদ দিবস পালন

ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং মানবিক চিকিৎসক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। এ সময় তারা শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে তারা কবর জিয়ারত করেন।

 

কবর জিয়ারত শেষে শহীদ আবু সাঈদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বর্তমান অবস্থা ও প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেন সফরসঙ্গীরা।

 

শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, আবু সাঈদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

 

এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে শহীদ আবু সাঈদের মায়ের হাতে উপহার তুলে দেন ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। পাশাপাশি শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নগদ আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।

 

ডা. এস এম খালিদুজ্জামান বলেন, শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এক অনন্য প্রেরণা। শহীদ পরিবারের পাশে থাকা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি জাতিরও নৈতিক দায়। তিনি শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

 

সফর শেষে নেতৃবৃন্দ পুনরায় শহীদ পরিবারের প্রতি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং শহীদদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন শিবির সভাপতি

সাতক্ষীরা সিটি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি ভূগোল প্রথম পত্র পরীক্ষায় ভুলবশত দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র বিতরণের ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষা শুরুর প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর বিষয়টি ধরা পড়লে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভুল প্রশ্নপত্র ফিরিয়ে নিয়ে সঠিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। পরে অতিরিক্ত সময় দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া ভূগোল প্রথম পত্রের পরীক্ষায় কেন্দ্রটিতে শুরুতেই প্রথম পত্রের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) প্রশ্নের পরিবর্তে দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। অথচ ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা আগামী ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

পরীক্ষার্থীরা জানান, পরীক্ষা শুরুর পর প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট তারা ওই প্রশ্নেই উত্তর লেখা শুরু করেন। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভুলটি শনাক্ত করে প্রশ্নপত্রগুলো ফিরিয়ে নেন। প্রথম পত্রের সঠিক এমসিকিউ প্রশ্নপত্র সরবরাহের পর পরীক্ষা পুনরায় শুরু হয়। এ সময় সৃজনশীল অংশের প্রশ্নপত্র দিতে গিয়েও আরেক দফা বিভ্রাট ঘটে। ভুলক্রমে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করে চলতি বছরের সঠিক প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ২০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।

 

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষা) রিপন বিশ্বাস বলেন, প্রশ্নপত্র বাছাই (সোর্টিং) করার সময় কলেজ কর্তৃপক্ষের অসাবধানতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে। পরে সঠিক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আগামী ১৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে শিক্ষা বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

 

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ বলেন, ঘটনার বিস্তারিত শিক্ষা বোর্ডকে জানানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুখে আযম মো. আব্দুস ছালাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বোর্ড থেকেও তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে আগামী ১৮ জুলাই নির্ধারিত দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

 

জানা গেছে, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ কেন্দ্রটিতে সাতক্ষীরা সিটি কলেজ, সাতক্ষীরা ডে-নাইট কলেজ, ঝাউডাঙ্গা কলেজ ও শহীদ স্মৃতি কলেজের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। প্রশ্নপত্র বিতরণে এমন বিভ্রাটে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সাময়িক উদ্বেগ ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হলেও পরে সংশোধিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

সাতক্ষীরায় ভূগোল প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন বিতরণ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবি হরফ লেখা পতাকা প্রদর্শনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা হতে পারে বলে, তবে বাংলাদেশে সংগঠিত জঙ্গিবাদী তৎপরতা বা বড় ধরনের কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

 

আরবি হরফ লেখা পতাকা প্রদর্শনের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছু মানুষ ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করতে পারে। কিছু সংগঠনকে চরমপন্থি বলা যেতে পারে। তবে দেশে সংগঠিত জঙ্গিবাদী তৎপরতা বা বড় ধরনের কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের অস্তিত্ব আছে বলে সরকার মনে করে না।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদী বা মৌলবাদী কোনো শক্তির উত্থান ঘটতে দেওয়া হবে না।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিদেশে পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে আরব আমিরাতে (ইউএই) একজন এবং ভারতে তিনজনসহ মোট চারজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ ওসমান শরীফ হাদি হত্যা মামলার আসামিরাও রয়েছেন। তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মাত্র তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র ও ওয়ারেন্টের কপি পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভারতের সাথে বিদ্যমান এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী সে দেশে আটক আসামিদেরও দ্রুত ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে। স্থানীয় আদালতে বেআইনি অনুপ্রবেশের মামলার কারণে ভারত কিছুটা সময় নিলেও চুক্তি অনুযায়ী মামলা চলমান থাকা অবস্থাতেও আসামিদের প্রত্যর্পণ সম্ভব।

 

জুলাই-আগস্ট ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের তালিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী সরকার পতনের প্রাক্কালে হাসপাতাল থেকে বহু নথিপত্র গায়েব, চিকিৎসায় বাধা এবং লাশ গুম করার কারণে প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা প্রায় ১৪০০ বলা হলেও সরকারের ধারণা এই সংখ্যা ২০০০-এর অধিক। বর্তমানে ডিএনএ টেস্ট ও গণকবর অনুসন্ধানের মাধ্যমে নিখোঁজদের পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে, যার ফলে নথিবদ্ধ শহীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে ১৫ হাজারেরও বেশি শহীদ ও আহতদের সুনির্দিষ্ট গেজেট ও তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং আহতদের ক, খ ও গ—এই তিন শ্রেণীতে বিন্যস্ত করে চিকিৎসাসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

 

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্ষাকালীন আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে যৌথ বৈঠকের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকার সম্পূর্ণ সচেতন রয়েছে বলে জানান।

কালেমার পতাকা নিয়ে উগ্রবাদী তৎপরতার প্রমাণ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে প্রাথমিকে বৃত্তি পেলেন আব্দুল্লাহ উমার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

সারাদেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে গত রোববার। এ বছর মোট ৭৯,২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে, যার মধ্যে মেধাভিত্তিক ট্যালেন্টপুলে ৩২,৯৬৫ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৬,২৮১ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। এর‌ই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এ আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে পাঠসহায়তা প্রাপ্ত ৬১১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

 

গত রোববার ফলাফল প্রকাশিত হলে আশা শিক্ষা কর্মসূচি আওতায় আশা ভেলাজান ব্রাঞ্চ শিক্ষা কেন্দ্র থেকে সাধারণ বৃত্তি পায় আব্দুল্লাহ আল উমার। সে সদর উপজেলার মোলানী ছেপড়িকুড়া এলাকার বাসিন্দা ও ছেপড়িকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

 

আব্দুল্লাহ উমার মা লাভলী আক্তার জানান, আশা শিক্ষা কেন্দ্রর পাঠদান অনেক ভালো। এখানকার শিক্ষক শিক্ষিকারা খুব দক্ষতার সহিত যত্নসহকারে বাচ্চাদের পাঠদান দিয়ে থাকে। দূর্বল শিক্ষার্থীদের বিশেষ যত্ন করে পাঠদান করার। আমার ছেলে উমার এ অর্জনের জন্য আমরা আনন্দিত।

শিক্ষা সেবিকা ময়না আক্তার জানান, আমার বেলি শাখায় ৬২ জন শিক্ষার্থীকে নিয়মিত পাঠদান করাচ্ছি। তাদের সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে হাতে কলমে শেখাচ্ছি। আব্দুল্লাহ উমার সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে একজন শিক্ষা সেবিকা হিসেবে আমি অনেক খুশি।

 

আশা ভেলাজান ব্রাঞ্চের শিক্ষা সুপারভাইজার মোঃ সাফিরুল ইসলাম শাওন জানান, ভেলাজান ব্রাঞ্চে আটটি শিক্ষা কেন্দ্রে শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ৪৮৮ জন শিক্ষার্থী পাঠদান করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে নিয়মিত তদারকি করছি। তাদের সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে উদ্ধতনা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। আমাদের বেলি শাখা থেকে একজন শিক্ষার্থী সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে আমরা সকলেই চেষ্টা করছি। সামনে যেন আরো কয়েকজন শিক্ষার্থী সাধারণ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পায় সেটা নিয়েও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

 

আশা ভেলাজান ব্রাঞ্চের বি এম মোঃ মাছুম হায়দার জানান, নিয়মিত আমিও প্রতিটি শিক্ষা কেন্দ্রে ভিজিট করি এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলি তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করি এছাড়াও আমাদের শিক্ষা সুপারভাইজার নিয়মিত প্রতিটি শিক্ষা কেন্দ্রে ভিজিট করে। আমরা আশা রাখছি সামনে এই বৃত্তির সংখ্যা আরো বাড়বে।

 

আশা ঠাকুরগাঁও সদর জেলা সিনিয়র শিক্ষা অফিসার মোঃ আজাদুল হক জানান, এটা শিক্ষার্থীদের অর্জন তাদের কঠিন অধ্যবসায়, অভিভাবকদের সহযোগিতা, সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রচেষ্টা এবং আশা শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত নিবেদিত প্রাণ শিক্ষা সেবিকাদের পরিশ্রমের সম্মিলিত ফল।শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি পূরণ, নিয়মিত অনুশীলন এবং মানসম্মত শিক্ষায় সহায়ক পরিবেশ তৈরির অংশীদার হতে পেরে আমরা গর্বিত। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের সাফল্য কামনা করি।

আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে প্রাথমিকে বৃত্তি পেলেন আব্দুল্লাহ উমার 

*শ্যামনগরে শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী পালন, জামায়াতের র‍্যালি ও সমাবেশ*

 

*শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি*

*জি.এম. জিয়াউর রহমান*

*দৈনিক আমাদের দেশ*

 

কোটা সংস্কার আন্দোলনে শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র *শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী* এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের স্মরণে শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

আজ *১৬ জুলাই* বুধবার বিকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, শ্যামনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

 

*শ্যামনগর কেন্দ্রীয় ঈদগা ময়দানের সামনে থেকে* র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে *জেসি কমপ্লেক্সের সামনে* গিয়ে শেষ হয়।

 

র‍্যালি শেষে জেসি কমপ্লেক্সের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমীর *মাওলানা আব্দুর রহমান*।

 

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাওলানা আব্দুর রহমান বলেন, “২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ বুক পেতে দিয়ে যে আদর্শের বীজ বপন করে গেছেন তা আজ বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে বেঈমানী করা যাবে না। খুনিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

 

সমাবেশ থেকে ” *খুনি কেন বাহিরে, আবু সাঈদ কবরে* ” সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এসময় জামায়াতের নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনতা উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তারা আরও বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ও জুলাইয়ের সকল শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত নতুন বাংলাদেশকে রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

 

 

ছবি:

শ্যামনগরে শহীদ আবু সাঈদের শাহাদাত বার্ষিকী পালন, জামায়াতের র‍্যালি ও সমাবেশ*

বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির শহীদ মিনার চত্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল আদালত চত্বর ও আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সংগঠনের জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আকবর আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আলহাজ মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার।বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান পিন্টু।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন এবং আইনজীবীদের পেশাগত অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। গত ১৭ বছরে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট অন্যতম সক্রিয় ইউনিট হিসেবে কাজ করেছে বলেও তারা দাবি করেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এ সময় তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে দ্রুত বিএনপির নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, এ স্বীকৃতি পেলে আইনজীবীরা দলীয় কার্যক্রম ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আরও সুসংগঠিতভাবে ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই। কারও বিরুদ্ধে অর্থ আদায় বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।

বক্তারা সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, মতপার্থক্য থাকলে তা সংগঠনের অভ্যন্তরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। ব্যক্তিগত বা প্রকাশ্যে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য পরিহার করে সংগঠনের ঐক্য অটুট রেখে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবু সাইদ রাজা, অ্যাডভোকেট এবিএম সেলিম, অ্যাডভোকেট ই. জে. সাহরিয়ার হাসিব, অ্যাডভোকেট জি. এম. ফিরোজ আহমেদ, অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সরদার সাইফ, অ্যাডভোকেট আলতাফ হোসেন, অ্যাডভোকেট ইমরান হোসেন শাওন, অ্যাডভোকেট মাকফুর রহমান , অ্যাডভোকেট রেজওয়ান আলী, অ্যাডভোকেট আকরাম আলী, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান বাপ্পি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম সোহেল, অ্যাডভোকেট শাহানা ইমরুজ, অ্যাডভোকেট আয়ুব আলী, অ্যাডভোকেট ইয়াছিন হাবিব, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দীন, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ডালিম, অ্যাডভোকেট শাহাজান জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট এবাদুল হক, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাবু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বাবলু, অ্যাডভোকেট আলামিন আলম, অ্যাডভোকেট শেখ হেলালুজ্জামান হেলাল, অ্যাডভোকেট বখতিয়ার, অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ, অ্যাডভোকেট তারিক ইকবাল অপুসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং শতাধিক আইনজীবী।

বিএনপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে আইনজীবী ফোরামকে স্বীকৃতির দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল-সমাবেশ

সাভার আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে টানা প্রায় ৩১ বছর যাবত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

 

 

দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বলে দাবি করেছেন বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

 

সম্প্রতি সময়ে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে অভিযোগ ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও বলে দাবি করেছেন স্থানী সেবা গ্রহণকারীরা।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় আবুল কালাম আজাদ সর্বদা নিয়মনীতি অনুসরণ করে কাজ করেছেন এবং জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যা সমাধানে তিনি আন্তরিক ছিলেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

 

এ বিষয়ে মোঃ আবুল কালাম আজাদ সংবাদ মোহনা কে বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল সুপরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী, যারা এখনো এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন, তারা অর্থের বিনিময়ে কিছু সাংবাদিককে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি।

 

প্রতিবেদনের স্বার্থে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের অনেকের মতে আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে চলমান প্রচারণার উদ্দেশ্য তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করাই তাদের লক্ষ্য।

সাভার আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে টানা প্রায় ৩১ বছর যাবত প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে শরীয়তপুরের জাজিরায় এসেছেন মো. মোজাম্মেল হোসাইন নামে এক যুবক। গত শনিবার (১১ জুলাই) পাকিস্তানের লাহোর থেকে জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তার প্রেমিকা তানজিলা আক্তারের বাড়িতে আসেন। পরে স্থানীয় ইমামের মাধ্যমে শরিয়াহ অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।

 

ভিনদেশি যুবকের এমন প্রেমকাহিনি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। তবে ভালোবাসার এই গল্পের পাশাপাশি স্থানীয়দের একাংশের মনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগও। তানজিলাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার আগে পুরো বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তানজিলার সঙ্গে পরিচয় হয় পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা উর্দুভাষী মোজাম্মেল হোসাইনের। তানজিলা মজিবর শিকদারের একমাত্র মেয়ে। পরিচয়ের পর নিয়মিত চ্যাটিং ও ভিডিও কলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

দীর্ঘ চার বছরের সেই সম্পর্ককে পরিণতি দিতে গত ১১ জুলাই শনিবার লাহোর থেকে জাজিরার বিলাসপুর ইউনিয়নের রহিম উদ্দিন মালাই মৃধাকান্দি গ্রামের স্টাপল্টন শিকদার কান্দি এলাকায় তানজিলার বাড়িতে এসে হাজির হন মোজাম্মেল। পরে জাজিরায় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

 

তানজিলার মা আসমা আক্তার এ বিয়ে নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ছেলের পরিবারের সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এত দূরে মেয়েকে বিয়ে দিতে কিছুটা খারাপ লাগলেও তাদের মনে কোনো ভয় বা শঙ্কা নেই।

 

তবে পরিবারের এই স্বস্তির বিপরীতে প্রতিবেশী ও স্বজনদের একাংশের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। তানজিলার ফুফু রাত্রি আক্তার ও চাচা তোফাজ্জল শিকদার বলেন, ইদানীং প্রেমের ফাঁদে ফেলে মেয়েদের বিদেশে পাচারের নানা খবর পাওয়া যাচ্ছে। ছেলের পরিবারের কোনো অভিভাবক উপস্থিত না থাকায় এভাবে একটি মেয়েকে পাকিস্তানে পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

 

এ কারণে পুরো বিষয়টি যাচাই করে প্রশাসনের নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

স্থানীয় কয়েকজন বলেন, প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে যুবকের জাজিরায় ছুটে আসার ঘটনা এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চার বছরের প্রেম শেষ পর্যন্ত দুই দেশের দুই তরুণ-তরুণীকে এক ছাদের নিচে এনেছে। তবে নববধূকে নিয়ে পাকিস্তানে যাত্রার আগে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে তাদের পাসপোর্ট, ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্তে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রেমের টানে শরীয়তপুরে পাকিস্তানি যুবক

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d