ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে: শামা ওবায়েদ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে: শামা ওবায়েদ

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে: শামা ওবায়েদ

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে এটার কোনো পরিবর্তন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

 

মঙ্গলবার(৫ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের সাথে মতবিনিময় শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, কালচার, স্পোর্টস নিয়ে জেলা প্রশাসকদের সাথে আলোচনা হয়েছে। দালাল চক্রের হাতে অনেকে মৃত্যু বরন করছে এটা রোধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করতে হবে। অবৈধ অভিবাসন বন্ধ ও দেশে কর্মসংস্থান তৈরির জন্য দেশের কারিগরি কেন্দ্রগুলো কীভাবে কার্যকর করা যায় এটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, ডিসিরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যে কোনো সময় যে কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে চাইলে আলোচ


উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কিছুদিন আগে জ্বালানি নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতায় এর উত্তরণ হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

গ্রামে লোডশেডিং হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং এখন কোথাও নেই। পল্লী বিদ্যুতের লাইনের ত্রুটির (ফল্ট) কারণে লোডশেডিং হতে পারে।

 

জ্বালানির কারণে লোডশেডিং হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে লোডশেডিংয়ের সাময়িক সমস্যা ছিল। দুটি উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই তখন লোডশেডিং হয়েছিল।

 

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সব সরকারি স্থাপনায় সোলার প্যানেল বসানোর জন্য ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুত যোগ হবে।

উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। নিহতদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

 

চীফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন ৭ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার আশা করছে। পুরো তদন্তের কাজ শেষ হলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

 

এদিকে, শাপলা চত্বরের মামলায় গ্রেফতার আছেন ৬ জন। ৩০ জনের মতো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ চলমান আছে। যার শীর্ষে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ওপর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। এতে ঘটা প্রাণহানির ঘটনা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

 

পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ড. শামছুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের অবহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করতে চায়-এ লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনের করণীয় বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’-যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন-সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছি। জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত, সেটিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

 

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের সমন্বিত কাজের প্রশংসা করে এ সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে। পুরো আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং ডিসিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তারা সন্তুষ্ট। পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী ও জনগণমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরে শেষ হবে কি-না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘না। বলা হয়েছে যে নির্বাচনটা ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে শুরু হওয়ার পর। নির্বাচন শুরু হবে এ বছরের শেষের দিকে, কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, সেটাও ইনফ্যাক্ট ওই মন্ত্রণালয় থেকে আগে জানানো হয়েছে।’

 

উপজেলা পরিষদে এমপিদের বসার জায়গা হয়েছে, সরকার কি উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করতে চায়?

 

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা বাতিল করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এই সরকার নেয়নি। অফিস দেওয়াতে উপজেলাকে খর্ব করা হচ্ছে ব্যাপারটা আমার কাছে এরকম মনে হয় না। বরং আইনগতভাবেই আপনি যদি খেয়াল করেন, উপজেলা পরিষদ আইনের ধারা ২৫—এটা নিয়ে আমরা একসময় প্রচুর বলেছি, লিখেছি— সেখানে তো একজন সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবেই লিগ্যালি আছেন।

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয়। এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না। এ কারণে বর্তমান সরকার পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পোশাকের উপরের অংশ আগে যেটা ছিল ‘নেভি ব্লু’ শার্ট, সেটা বহাল রাখা হয়েছে। আর প্যান্ট দেওয়া হয়েছে খাকি রঙের। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী ড্রেস যাতে দেওয়া যায়, সেটা বিবেচনা করেছি। আগের শার্ট, উপরের অংশ আগে যেটা ছিল, মেট্রোর জন্য এবং সারা দেশের জন্য, সেটা আমরা বহাল রেখেছি। প্যান্ট সেটা খাকি ড্রেস দিয়েছি। তবে নতুন পোশাক পরতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে। একটি প্রস্তুতির বিষয় আছে, কাপড় তৈরির বিষয় আছে।’

 

পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসর প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং মন্ত্রণালয়ের একটি নিয়মিত রুটিন কার্যক্রম। নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা এবং অবসর গ্রহণ- সবই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। এসব প্রশাসনিক কাজে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ পুলিশ কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসরের বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে এবং বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অবিচার না ঘটে।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়া অপরাধীদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদালত থেকে জামিন পাওয়া আইনি বিষয়। তবে এসব চিহ্নিত অপরাধী যাতে সমাজে আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’ ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ খন্দকার নাইম আহমেদ টিটন হত্যার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এগুলোর বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী হোক আর যাই হোক, হত্যাকাণ্ড মানেই হত্যাকাণ্ড। সেটা আইনের আওতায় আসবে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা ব্যতিক্রম হিসাবে দেখার কোনো কারণ নেই।’

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন যাবত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিল, যেহেতু তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না, সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকাণ্ড তারা সেভাবে হয়তো যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেনি। হয়তো নিয়ন্ত্রণ সেভাবে ছিল না। আইনশৃঙ্খলার এমন পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। এখন গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের স্বস্তির জন্য আইনশৃঙ্খলাকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করছি। মন্ত্রী আরও বলেন, ১ মে থেকে সারা দেশে মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাব এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে অভিযানে কাজ করছে। মাদক ব্যবসার হোতা এবং সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানে জড়িত বড় সিন্ডিকেটগুলোকে ধরা এ অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। মাদকের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি পেতে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহিষ্ণুতা) নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সারা দেশের মতো পরিস্থিতি টেকনাফ, কক্সবাজার, উখিয়াতে নয়। সেখানে কিছু ব্যতিক্রমধর্মী বিষয় আছে। প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী সেখানে আছে। তাদের ক্ষেত্রে বিস্তারিত ম্যানেজমেন্ট, ক্যাম্পের ভিতর শৃঙ্খলা রাখা, মাদকদ্রব্য, চোরা কারবারির বিষয়গুলো আছে। সে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি যাতে সুন্দরভাবে কাজ করতে পারি। সেখানে যৌথ অভিযান কীভাবে হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্যাম্প ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবারের সংসদ অধিবেশন ছিল ইতিহাসের অন্যতম সফল। এটি কোনো বিতর্ক ছাড়াই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তা গঠনমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এক সাংবাদিককে বিদেশে যেতে না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখি।

 

নেভি ব্লু শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্টের রঙ কী

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য ১২ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্কাশনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ঈদুল আযহার সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই নির্দেশনার কথা জানান।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায়, এর ওপরে কোনোভাবেই পশুর হাট বসানো যাবে না। একই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে রেললাইনের পাশের এলাকাগুলোর জন্য।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, কোরবানি পরবর্তী পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং এর সঠিক সংরক্ষণে সব ধরনের সরকারি সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ, ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঈদের ৭ দিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করে ১২ ঘণ্টার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্য সরিয়ে শহর ও জনপদ পরিষ্কার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

অর্থের অভাবে যখন অনেকেই আদালতের দোরগোড়ায় পৌছাতে পারেন না, তখন নীরবে তাদের পাশে দাড়াচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের লিগ্যাল এইড সেবা। যাদের কাছে বিচার একসময় ছিল স্বপ্নের মতো দূর, আজ তাদেরই চোখে এখন নতুন আশার আলো ন্যায়বিচারের স্বপ্ন।

 

জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থিত লিগ্যাল এইড অফিসে প্রতিদিনই ভিড় করছেন নানা সমস্যায় জর্জরিত মানুষ। পারিবারিক কলহ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, প্রতারণা কিংবা দেনা-পাওনার জটিলতা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুজতে এখানে আসছেন তারা। অর্থাভাবে আদালতে মামলা পরিচালনার সামর্থ্য না থাকলেও লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পেয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। সরকারি এই সেবার আওতায় আইনজীবী নিয়োগ থেকে শুরু করে মামলা পরিচালনার যাবতীয় ব্যয় বহন করা হচ্ছে।ফলে দরিদ্র ও অসহায় মানুষও এখন নির্ভয়ে আইনের আশ্রয় নিতে পারছেন, যা বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিয়েছে।

 

লিগ্যাল এইড অফিস থেকে মূলত তিন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়, বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ, আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি। এর মধ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই পদ্ধতিতে আদালতের বাইরে বসেই দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। যা সময় ও খরচ উভয়ই কমায় এবং সম্পর্ক বজায় রাখতেও সহায়ক।

 

কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড অফিসে মোট ৮১৪টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৭১৪টি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই সময়ে উপকারভোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৩৬ জনে। মামলা দায়ের করা হয়েছে ২২৫টি। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আপসের ফলে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। এছাড়া ৭০৩ জন ব্যক্তি বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ গ্রহণ করেছেন। একই সময়ে আদালতে বিচারাধীন ১৯১টি মামলা আপসের মাধ্যমে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ৮টি ক্ষেত্রে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌছে দিতে জেলার ৫টি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আইনি সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভা ও মতবিনিময় সভা করেছেন লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিভিল জজ মজনু মিয়া।

 

উপকারভোগী আব্দুল করিম বলেন, আমি গরিব মানুষ। ভ্যান চালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়েই কোনোমতে সংসার চলে। কোর্ট-কাচারি, মামলা-মোকদ্দমা এসব আমার মতো মানুষের কাছে সবসময়ই ভয় আর দুশ্চিন্তার বিষয় ছিল। আমি কখনো ভাবিনি একজন সাধারণ মানুষও আইনের কাছে দাড়িয়ে ন্যায়বিচার পেতে পারে। লিগ্যাল এইড আমাকে সাহস দিয়েছে, আমার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। আজ আমি শুধু জমিই ফিরে পাইনি, আইনের ওপরও আমার বিশ্বাস ফিরে পেয়েছি।

 

সদর উপজেলার এক নারী ভুক্তভোগী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। পরে লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে আইনি সহায়তা দেয়। এখন আমি ন্যায়বিচারের আশায় আছি।

 

পীরগঞ্জ উপজেলার মালেক বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মামলা করার সামর্থ্য ছিল না। লিগ্যাল এইডে যাওয়ার পর তারা বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছে। এখন আমি স্বস্তিতে আছি।

 

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রাফিদ, শিমুল, শাজারিয়ার ও জান্নাতি বলেন, আগে আমরা ভাবতাম আইন আর আদালত শুধু বড়লোক বা প্রভাবশালী মানুষের জন্য। কিন্তু লিগ্যাল এইডের কার্যক্রম দেখে এখন বুঝতে পারছি, সাধারণ মানুষও আইনের কাছে গিয়ে ন্যায়বিচার পেতে পারে। স্কুলে ও বিভিন্ন সভায় এসব বিষয় জানার পর আমাদের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস তৈরি হচ্ছে।

 

লিগ্যাল এইড আইনজীবী ললিত কুমার রায় বলেন, লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের মাধ্যমে এখন অনেক দরিদ্র ও অসহায় মানুষ বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাচ্ছেন, যা তাদের জন্য ন্যায়বিচারের পথকে সহজ করেছে। বিশেষ করে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার সমাধান সম্ভব হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন আদালতের ওপর চাপ কমছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ কম খরচে ও কম সময়ে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মজনু মিয়া বলেন, আমরা মূলত দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তার আওতায় আনতে কাজ করছি। কেউ মামলায় জড়িয়ে পড়লে এবং আর্থিকভাবে মামলা পরিচালনায় অক্ষম হলে সরকারিভাবে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে মামলা পরিচালনা করা হয়। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক সমস্যা যেমন দেনমোহর ও ভরণপোষণ এবং আপসযোগ্য ফৌজদারি মামলাগুলো আমরা দুই পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসা করি। এতে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায় এবং মানুষও উপকৃত হন।

 

সাফল্যের পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আমাদের যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো যানবাহন নেই। পাশাপাশি জনবল সংকট রয়েছে। এরপরও আমরা সরেজমিনে গিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করছি। যদি জনবল ও পরিবহন সংকট দূর করা যায়, তাহলে আমরা আরও বেশি মানুষের কাছে সেবা পৌছে দিতে পারব।

ঠাকুরগাঁওয়ে লিগ্যাল এইডে ৭১৪ আবেদন নিষ্পত্তি, আপসে আদায় ৪৪ লাখ টাকা

উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কিছুদিন আগে জ্বালানি নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতায় এর উত্তরণ হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

গ্রামে লোডশেডিং হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং এখন কোথাও নেই। পল্লী বিদ্যুতের লাইনের ত্রুটির (ফল্ট) কারণে লোডশেডিং হতে পারে।

 

জ্বালানির কারণে লোডশেডিং হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে লোডশেডিংয়ের সাময়িক সমস্যা ছিল। দুটি উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই তখন লোডশেডিং হয়েছিল।

 

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সব সরকারি স্থাপনায় সোলার প্যানেল বসানোর জন্য ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুত যোগ হবে।

উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। নিহতদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

 

চীফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন ৭ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার আশা করছে। পুরো তদন্তের কাজ শেষ হলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

 

এদিকে, শাপলা চত্বরের মামলায় গ্রেফতার আছেন ৬ জন। ৩০ জনের মতো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ চলমান আছে। যার শীর্ষে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ওপর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। এতে ঘটা প্রাণহানির ঘটনা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে এটার কোনো পরিবর্তন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

 

মঙ্গলবার(৫ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের সাথে মতবিনিময় শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, কালচার, স্পোর্টস নিয়ে জেলা প্রশাসকদের সাথে আলোচনা হয়েছে। দালাল চক্রের হাতে অনেকে মৃত্যু বরন করছে এটা রোধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করতে হবে। অবৈধ অভিবাসন বন্ধ ও দেশে কর্মসংস্থান তৈরির জন্য দেশের কারিগরি কেন্দ্রগুলো কীভাবে কার্যকর করা যায় এটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, ডিসিরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যে কোনো সময় যে কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে চাইলে আলোচ

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে: শামা ওবায়েদ

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

 

পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ড. শামছুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের অবহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করতে চায়-এ লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনের করণীয় বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’-যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন-সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছি। জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত, সেটিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

 

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের সমন্বিত কাজের প্রশংসা করে এ সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে। পুরো আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং ডিসিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তারা সন্তুষ্ট। পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী ও জনগণমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরে শেষ হবে কি-না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘না। বলা হয়েছে যে নির্বাচনটা ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে শুরু হওয়ার পর। নির্বাচন শুরু হবে এ বছরের শেষের দিকে, কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, সেটাও ইনফ্যাক্ট ওই মন্ত্রণালয় থেকে আগে জানানো হয়েছে।’

 

উপজেলা পরিষদে এমপিদের বসার জায়গা হয়েছে, সরকার কি উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করতে চায়?

 

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা বাতিল করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এই সরকার নেয়নি। অফিস দেওয়াতে উপজেলাকে খর্ব করা হচ্ছে ব্যাপারটা আমার কাছে এরকম মনে হয় না। বরং আইনগতভাবেই আপনি যদি খেয়াল করেন, উপজেলা পরিষদ আইনের ধারা ২৫—এটা নিয়ে আমরা একসময় প্রচুর বলেছি, লিখেছি— সেখানে তো একজন সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবেই লিগ্যালি আছেন।

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও আতঙ্ক উড়িয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি জানান, এই চুক্তি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এই চুক্তিটি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এটি চাইলেই হুট করে বাতিল করার সুযোগ নেই। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ চুক্তিতেই রাখা হয়েছে।

 

তাই অহেতুক বিভ্রান্ত না হতে তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

 

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা-ওয়াশিংটন একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই করে।

 

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চাইলেই বাতিল করা যায় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালানকে পূর্ণ মেয়াদে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় অত্র ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালান এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তার বিনয়ী আচরণ এবং সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর গুণটি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে এসেছে।

 

ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রিয়াজউদ্দিন ফালান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনেও তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছেন।

 

এলাকার সাধারণ জনগণের দাবি, এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন গড়তে হাজী মোঃ রিয়াজউদ্দিন ফালানের কোনো বিকল্প নেই। যোগ্য ও কর্মঠ নেতা হিসেবে তাকেই পুনরায় ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চান তারা।

 

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে সাধারণ মানুষের এই দাবি এখন সর্বত্র আলোচনায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন আসন্ন নির্বাচনে রিয়াজউদ্দিন ফালানের জন্য বড় শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়াবে।

আসন্ন আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে রিয়াজউদ্দিন ফালানকে চায় অত্র ইউনিয়নের জনগণ।

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেছেন, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো-ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

 

 

সোমবার (৪ মে) রাতে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিযোগ করেন। তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

 

 

‘প্রিয় কুষ্টিয়াবাসী, আসসালামু আলাইকুম। সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে। যার রহমত এবং আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি আজকে সংসদ বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আসলে এই মুহূর্তে তাদের হাতে কোনো কল্যাণকর রাজনীতি নেই। তারা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে ক্যাপাবল নয়, সেজন্য আমার পথ আটকানোর চেষ্টা এখন তাদের একমাত্র রাজনীতি হয়ে উঠেছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমার কুষ্টিয়াবাসী।

 

 

চাঁদাবাজির বিষয়ে আমির হামজা লেখেন, আমি এমপি হওয়ায় অনেকে তাদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, মাদকের সাম্রাজ্য আগের মতো নির্বিঘ্নে চালাতে পারছে না। বরং এসব অপকর্মের সাম্রাজ্য ধ্বংসের আশঙ্কা করছেন তারা এখন। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ ধারণ করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।

 

 

তিনি সতর্ক করে লেখেন, আমি তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কুষ্টিয়াবাসী শান্তিতে বসবাসের জন্য যে আমানত আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে। সেই আমানত রক্ষার্থে আমি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত, তবুও পিছপা হবো না, ইনশাপ্রিয় কুষ্টিয়া ৩ আসনের মা, বাবা, ভাই, বোনেরা আমার বিশ্বাস আগেও আপনারা আমার পাশে ছিলেন, এখনও আমার পাশে আছেন, ভবিষ্যতেও আমার পাশে থাকবেন, ইনশাল্লাহ। আপনাদের নিয়ে সম্মিলিত লড়াইয়ে আমরা বারবার অপকর্মকারীদের পরাজিত করবো ইনশাল্লাহ।

যে আমানত কাঁধে তুলে দিয়েছেন, সেটা রক্ষার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত

স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

 

ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

 

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

এর আগে, সবশেষ গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

 

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকেই।

 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬১ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২৮ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়ে ছিল ২৯ বার।

 

দেশে স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমলো কত?

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d