ছাত্রদলের মিথ্যা মামলায় তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার: নাহিদ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ছাত্রদলের মিথ্যা মামলায় তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার: নাহিদ

ছাত্রদলের মিথ্যা মামলায় তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার: নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছাত্রদলের করা মিথ্যা মামলায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

রোববার (২৪ মে) রাতে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ছাত্রদলের দায়ের করা একটি মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় ১৭ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গায়েবানা জানাজার ইমাম তারেক রেজাকে কিছুক্ষণ আগে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।


প্রধানমন্ত্রী ও তার কন্যাকে নিয়ে কটুক্তি ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহ জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট এবং দুদকের পিপি একে এম আজিজুল হক খান এই নোটিশ প্রদান করেন। শনিবার (২৩ মে) দৈনিক ইত্তেফাককে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এছাড়াও একে এম আজিজুল হক খান তার ফেসবুক প্রোফাইলে লিগ্যাল নোটিশটি স্ট্যাটাস আকারে প্রকাশ করেন ।

লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়- প্রাপক, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এনসিপি নেতা। আপনাকে এই মর্মে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে আপনি সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার কন্যা জায়মা রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করে মানহানি কর বক্তব্য দিয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষে মনে আঘাত করেছেন, তাতে আমিও আঘাত প্রাপ্ত হয়েছি।

 

এতে আরও বলা হয়, কেন আপনার বিরুদ্ধে কেন মানহানির মামলা করা হবে না, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তার ব্যাখ্যা সহজবাব লিখিত ভাবে নিম্ন স্বাক্ষরকারির নিকট দিতে অনুরোধ করছি। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে আদালতে আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

 

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে এরমধ্যে একটি হলো এই নির্বাচনে পোস্টার থাকবে না। আমরা নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টার না রাখার পক্ষে।’

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংশোধিত বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

 

তিনি জানান, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বর্তমান বিধান বাতিল করা হবে। একইভাবে ইভিএম ব্যবহারের নিয়মও থাকছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।

 

বর্তমানে নির্দলীয় প্রার্থীদের জন্য সমর্থন হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেটিও বাতিল করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে কী পরিমাণ বাড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

 

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা পোস্টাল ভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। একই সঙ্গে ফেরারি আসামিরাও প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ, সুন্দর ও সুষ্ঠু করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কাজ চলছে।

 

ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জুন মাসের মধ্যেই পুরো বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে। ঈদের আগে আরেকটি বৈঠক করা গেলে খসড়া বিধিমালা কমিশনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন আগামী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে পারবে বলে আশা করছে।

 

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।

 

প্রথমত, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন, সরকার কী চায় এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী-সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে।

 

দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কী চায়? তারা কি মারামারি-হানাহানির পথে যাবে, নাকি দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবে? তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সংঘর্ষ নয়।

 

তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব। তিনি বলেন, ইসি নিরপেক্ষ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও ইসির নিজস্ব কোনো শক্তি নেই; তবুও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে ‘হুংকার’ দিতে হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকে।

 

চতুর্থত-নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের আচরণ। লাখ লাখ মানুষ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন। প্রিসাইডিং অফিসার যদি আন্তরিকভাবে বলেন- জাল ভোট আমি করতে দেব না, বা দুই নম্বর কাজ হবে না-তাহলে তা তার সততা, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের গুণাবলির ওপর নির্ভর করে।

 

তিনি বলেন, নিজের সততার শতভাগ দরকার, সঙ্গে থাকতে হবে নেতৃত্বের সক্ষমতাও।

 

সহিংসতাহীন ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে বলেন, এজন্য সরকারের শতভাগ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন প্রয়োজন। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারের স্বার্থেই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

 

তিনি বলেন, সহিংসতা মূলত আইন-শৃঙ্খলার বিষয়। কেউ সংঘর্ষ সৃষ্টি করলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তি হবে। তবে শুধু আইনের কঠোর প্রয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোরও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।

 

তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে প্রার্থীরা রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। কোনো দলের সমর্থিত প্রার্থী মাঠে নামলে অন্য পক্ষ থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়ায়। এ অবস্থায় দলগুলোর মধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না থাকলে এবং তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

 

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে দলগতভাবে অনুরোধ জানানো হবে যাতে তারা-নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত না করে, মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি বা লাঠালাঠি থেকে বিরত থাকে। দলবাজি বা উত্তেজনা তৈরির প্রচেষ্টা না চালায়।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতা না করলে আমরা কী করব? খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’

 

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দুটি রাজনৈতিক জোট আচরণবিধি মেনে চলেছে। ভোটের দিন বড় কোনো ঝামেলা, কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা খুব কম হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত।

 

তিনি আরও বলেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

 

তিনি জানান, প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা; আইন ও বিধিমালায় রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে।’

বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেছেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে’ মধ্যযুগীয় আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করেছেন। দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থার প্রতি চরম অবমাননার শামিল।

 

শুক্রবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারি দলের নীতিনির্ধারকগণ প্রায়ই ‘মদিনার সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা’ এবং ‘শরীয়াবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন না করার’ মৌখিক অঙ্গীকার ব্যক্ত করে থাকেন। অথচ বাস্তব ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়া আইনকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলে হেয় প্রতিপন্ন করার মাধ্যমে তাদের আদর্শিক দেউলিয়াত্ব, সস্তা রাজনৈতিক অবস্থান এবং চরম দ্বিচারিতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটলো।

 

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই অবমাননাকর মন্তব্য দেশের আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে এবং সামগ্রিকভাবে তাদের ক্ষুব্ধ ও উসকে দিয়েছে। দেশের ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজ মনে করেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী শরীয়া আইনের প্রতি চরম অবমাননা প্রদর্শন করেছেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আহ্বানও জানিয়েছে জামায়াত।

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে নজিরবিহীন লুটপাট ও দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলেও দেখা যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারে কারা নতুন ‘এস আলম’ বা ‘সালমান এফ রহমান’ হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে যেন এক ধরনের অঘোষিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে এনসিপির ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটির আয়োজনে ‘বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের বাজেট’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমানে দেশের যে অর্থনৈতিক সংকট, সরকার তা সহজেই মোকাবিলা করতে পারত যদি রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রাখা যেত এবং জনগণের আস্থা অর্জন করা যেত। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জুলাই সনদে থাকা রাজনৈতিক সংস্কারের অঙ্গীকারগুলো সরকার রক্ষা করেনি। ফলে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রক্রিয়া দুই ধাপ পিছিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, “আমরা রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বলছি, কিন্তু অর্থনৈতিক সংস্কারের পর্যায়েই পৌঁছাতে পারছি না।”

 

বিদেশি বিনিয়োগের আগে দেশীয় সৎ ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যবসায়ীকে স্থান দিয়ে ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন করতে পারবে না। অনেক ব্যবসায়ী ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারের সাথে যুক্ত, তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রাখা হচ্ছে।”

 

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “বড় বড় করপোরেট গ্রুপ রাজনৈতিক লবিংয়ের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ করে না। অথচ একজন কৃষক পাঁচ হাজার টাকা ঋণ শোধ করতে না পারলে তাকে কোমর বেঁধে জেলখানায় পাঠানো হয়। এভাবে অর্থনীতির চাকা ঘুরবে না।”

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নরের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই নিয়োগের পর দেশি-বিদেশি কোনো বিনিয়োগকারীই সরকারের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। তিনি সরকারকে সব বিষয়ে উন্মুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংকট নিরসনে দায় অন্যের ওপর না চাপিয়ে প্রকৃত অবস্থা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এককভাবে কোনো সরকারের পক্ষেই এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়; এর জন্য রাজনৈতিক ও জনগণের ঐক্য প্রয়োজন।

 

এনসিপির এই আলোচনা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অর্থনৈতিক সংস্কার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসে। বক্তারা বলেন, গত ১৬ বছরের দুর্নীতি ও লুটপাটের অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি।

সরকারের মধ্য থেকে এস আলম, সালমান এফ রহমান হওয়ার প্রতিযোগিতা হচ্ছে’

ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে অভিনেত্রী ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন বলে জানান।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি নিজেদের জায়গা থেকে শোবিজ অঙ্গণের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করেন উর্বী।

 

ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।

 

কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

 

শৈশবের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’

 

ধর্ষকের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’

 

সবট্যাটাসের শেষাংশে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’

ছোটবেলায় আমিও আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলাম: উর্বী

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন মালয়েশিয়া।। দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজখবর নিতে

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়ার শাখার প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিতে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টার দিকে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

 

এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এবং মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান।এবং কিছুক্ষণ সময় তার সাথে আলোচনা করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেম এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার যুগ্ন মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন ,নুরুল আমিন। যুগ্ম সংগঠক মো:নুরুল ইসলাম সুজন এবং যুগ্ন সচিব আরিফুল ইসলাম ও নির্বাহি সদস্য :মাসুম বিল্লাহ।

 

আফরোজা আব্বাস জানান, চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে এখনো তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক দল তার শারীরিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালের নিচে কিছু সময়ের জন্য চলাফেরাও করছেন মির্জা আব্বাস।

 

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মির্জা আব্বাসের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করা হয়, যেন তিনি পুনরায় দেশ ও মানুষের সেবায় সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন।

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে সোমবার (২৫ মে)। এদিন ভোর থেকে মিনায় অবস্থানের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। হাজীরা তাদের গমন সহজ ও নিরাপদ করার জন্য সৌদি সরকারের নির্দেশনা মেনে রোববার রাতেই মিনার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন।

 

শরিয়তের বিধান অনুসারে, হাজীরা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে ফজর হতে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা। সেখানে এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি।

 

খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবেন হাজীরা। শরিয়তের বিধানানুসারে আরাফাতে অবস্থান করাই হজ।

 

৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওয়ানা দিবেন হাজীরা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজীরা এবং শুধু বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কোরবানি দেবেন ও মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোটো করবেন।

 

১১ ও ১২ জিলহজ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা ত্যাগ করবেন হাজীরা।

 

চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৬ লাখ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর বাংলাদেশ থেকে এ বছর সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষ হজ পালন করতে সৌদি আরব গেছেন।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে সোমবার

হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা) দেশে আরও ১৬ শিশু মারা গেছে। এ সময়ে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ জন। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু ৫২৮ শিশুর।

 

হামের উপসর্গে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে এক, সিলেটে এক, বরিশালে এক, ময়মনসিংহে দুই ও রংপুরে একজন মারা গেছে।

 

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৪৪২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৮৬ শিশু।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৩ হাজার ৮১৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫০ হাজার ৫৫৮ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৬ হাজার ২১৪ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

হামের উপসর্গে মারা গেল আরও ১৬ শিশু, মোট মৃত্যু ৫২৮

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাসিবুর রহমান খান

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাভার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ঢাকা জেলা যুবদল, সাবেক সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাভার পৌর বিএনপি, ও সাবেক সাভার পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, আসন্ন সাভার পৌর নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ হাসিবুর রহমান খান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগ, উৎসর্গ ও সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা নিয়ে হাজির হয়। এই উৎসবের মূল বাণী ধারণ করে আমাদের সবাইকে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বৈষম্য দূর করে একতাবদ্ধ হতে হবে।”

 

তিনি ৬ নং ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “ওয়ার্ডবাসীর প্রতিটি সুখ-দুঃখে আমি অতীতেও পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। ঈদুল আজহার এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি ওয়ার্ডের প্রতিটি ঘরে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করছি।”

 

শুভেচ্ছা বার্তার শেষে মোঃ হাসিবুর রহমান খান সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সুশৃঙ্খলভাবে কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার এবং চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে পৌরসভাকে একটি আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাসিবুর রহমান খান

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবিরের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঝিনাইদহ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনের সামনে থেকে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেপ্তার করে।

 

জানা গেছে, এনসিপি নেতা তারেক রেজা রোববার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মিলনায়তনের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

গ্রেপ্তারের সময় ঘটনাস্থলে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামানসহ পুলিশ, সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ টিম ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, হামলা, ভাঙচুর, হত্যার হুমকির অভিযোগে গতকাল (শনিবার) এনসিপি নেতা তারেক রেজাসহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা মামলার আসামি তারেক রেজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারেও অভিযান চলমান আছে।

 

প্রসঙ্গত, গত ২২ মে শুক্রবার ঝিনাইদহ সফরে আসেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই দিন জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা বাদি হয়ে ছাত্রদলের স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলার জেরে পরদিন দুপুরে তারেক রেজাসহ ২২ জনকে আসামি করে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবির মামলা করেন।

ঝিনাইদহে ছাত্রদলের পাল্টা মামলায় এনসিপি নেতা তারেক রেজা গ্রেপ্তার

সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক সাভার পৌর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আসন্ন সাভার পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য শিক্ষা নিয়ে হাজির হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গ করার মাধ্যমেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ নিহিত।”

 

তিনি ৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আরও বলেন, “বিগত দিনগুলোতে আমি যেভাবে আপনাদের পাশে ছিলাম, আগামীতেও সুখ-দুঃখে একইভাবে পাশে থাকতে চাই। ৯ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। আসুন, আমরা সবাই মিলে পবিত্র ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।”

 

পরিশেষে, তিনি সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান এবং সকলের কোরবানি যেন কবুল হয় সেই দোয়া করেন।

সাভার পৌর ৯ নং ওয়ার্ডবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৯ বছর বয়সী মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিশেষ প্রতিনিধি -হেলাল উদ্দিন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার তেলিকান্দি গ্রামে ৯ বছরের এক মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের সহিদ মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী শিশুটি সরাইল উপজেলার তেলিকান্দি উত্তর পাড়া গ্রামের এক প্রবাসীর কণ্যা।

 

গত শনিবার (২৩ মে) দুপুরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

রাতে ভুক্তভোগী ওই শিশুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহিদ মিয়া(৩৫) পলাতক রয়েছেন বলে জনাযায়।

 

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, শিশুটি শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী সহিদ মিয়া তাকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে দূরবর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। মেয়েটি ধর্ষণে রক্তাক্ত হলে পরে সহিদ মিয়া নিজেই ওই শিশুকে নদীতে গোসল করিয়ে রক্তের চিহ্ন মুছে বাড়ির সামনে রেখে যায়। এক পর্যায়ে শিশুটি অসুস্থতা বোধ করলে সে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূইয়া বলেন, ৯৯৯-এর মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় কিন্তু সে পলাতক রয়েছে ॥ তিনি আরও জানায়,ধর্ষণের ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি কেউ তবে যেহেতু বিষয়টি স্পর্শকাতর তাই পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৯ বছর বয়সী মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ 

ভারত থেকে হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে যে বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে, সেটার আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

রোববার (২৪ মে) সচিবালয় সাংবাদিকদের সংগঠন- বিএসআরএফ সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

 

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রামিসার মামলার ব্যাপারে আজকেই চার্জশিট দেওয়া হবে। ছুটির মধ্যে স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করা হবে। আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এই মামলায়।

 

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের খবর আসলেও এই সরকার মানুষের কাছে খুব স্বচ্ছ থাকতে চায়। সাংবাদিকদের আয়নায় এই সরকার নিজেদের দেখাতে চায়।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই সরকার অবশ্যই মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে লাগামহীনভাবে যদি সেই স্বাধীনতাকে ব্যবহার করা হয়, তাহলে সামাজিক শান্তি নষ্ট হয়। সামাজিক কিছু বয়ানের মধ্য দিয়ে মানুষের, সমাজের সম্মান নষ্ট হলে সেই স্বাধীনতা হতে দেওয়া যাবে না।

 

এ সময় সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে যারা অসামাজিক কাজ করছে তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু অপসংস্কৃতির আঁছড় পড়েছে আমাদের সমাজে। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব এটা। সরকারের এ ব্যাপারে সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সামাজিক এসব অবক্ষয়ের বিষয়ে সরকার একচুলও ছাড় দেবে না।

বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারকাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (২৪ মে) সচিবালয় সাংবাদিকদের সংগঠন- বিএসআরএফ সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রামিসার মামলার ব্যাপারে আজকেই চার্জশিট দেওয়া হবে। ছুটির মধ্যে স্পেশাল কোর্ট বসিয়ে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করা হবে। আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে এই মামলায়।

 

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের খবর আসলেও এই সরকার মানুষের কাছে খুব স্বচ্ছ থাকতে চায়। সাংবাদিকদের আয়নায় এই সরকার নিজেদের দেখাতে চায়।

 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই সরকার অবশ্যই মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে লাগামহীনভাবে যদি সেই স্বাধীনতাকে ব্যবহার করা হয়, তাহলে সামাজিক শান্তি নষ্ট হয়। সামাজিক কিছু বয়ানের মধ্য দিয়ে মানুষের, সমাজের সম্মান নষ্ট হলে সেই স্বাধীনতা হতে দেওয়া যাবে না।

 

এ সময় সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে যারা অসামাজিক কাজ করছে তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু অপসংস্কৃতির আঁছড় পড়েছে আমাদের সমাজে। আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব এটা। সরকারের এ ব্যাপারে সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সামাজিক এসব অবক্ষয়ের বিষয়ে সরকার একচুলও ছাড় দেবে না।

 

তিনি বলেন, ভারতের সাথে যে বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে, সেটার আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

৫-৭ দিনের মধ্যে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার সম্পন্ন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আজ রোববার (২৪ মে) ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন তিনি।

 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “হযরত ইব্রাহিম (আ.), তাঁর স্ত্রী হযরত হাজেরা এবং প্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের সামনে সমাগত। ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগ ও কোরবানির মহান আদর্শে উজ্জীবিত করে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সবকিছু উৎসর্গ করার চেতনা জাগ্রত করে। সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, শোষণমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কুরবানির শিক্ষা আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। ত্যাগ ও কোরবানির মানসিকতা নিয়ে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “দেশ থেকে ফ্যাসিবাদী শক্তি পালিয়ে গেলেও দেশ এখনো পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। তারা বিদেশে অবস্থান করে এবং দেশের ভেতরে আত্মগোপনে থেকে নানাভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশ যাতে শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে যেতে না পারে সেজন্য তারা নানা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে যাচ্ছে। দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের সকল চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।”

 

তিনি বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আমরা হযরত ইব্রাহিম (আ.), হযরত হাজেরা এবং হযরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের ইতিহাস গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাঁদের সেই ত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যদি আমরা আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জানমাল ও প্রিয় বস্তু কোরবানি করতে পারি, তবেই আমাদের ত্যাগ ও কুরবানি আল্লাহর নিকট কবুল ও সার্থক হবে, ইনশাআল্লাহ।

 

তিনি দেশবাসীর সুখ-শান্তি, সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ জীবনের জন্য মহান আল্লাহর নিকট দোয়া কামনা করেন এবং নিজের ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিরোধীদলীয় নেতার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d