প্রতিনিধি- মিলন হোসেন
শ্যামনগর ৩ নং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান তিনি. সেখান থেকেই শুরু হয় তাহার উন্নয়ন জবাব দিহিতা মূলক কার্যক্রম. নিজেকে সকল সময় সেবক হিসেবে নিয়োজিত রেখেছেন. প্রতিটি গ্রামে রেখেছেন উন্নয়নের ছোঁয়া. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রেখেছেন রেকর্ড পরিমাণ অবদান. নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নিজ আর্থিক সহযোগিতায় চালু রেখেছেন সাধারণ মানুষের আপ্যায়ন ব্যবস্থা.পরিষদে. বর্ষা মৌসুমে কৃষক জলোচ্ছ্বাসে পানিবন্দি না পড়ে সেদিকে সকল সময় শুভ দৃষ্টি রাখেন তিনি. প্রতিটি গ্রামে রেখেছেন সুপ্রিয় পানির ব্যবস্থা. এলাকার যুবসমাজ যাতে নষ্ট না হয় খেলাধুলার সরঞ্জাম এবং নিজেও খেলাধুলার ব্যবস্থা করে থাকেন সব সময়.চেয়ারম্যান এস এম জহুরুল হায়দারের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে. কতটুকু সারা পেলেন পাঁচ বছরে এলাকার মানুষের. তিনি সাংবাদিকদের জানান এলাকার সম্মানিত বৃদ্ধ. যুবক. সুধীজন. এবং সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে আমার সু সম্পর্ক তাদের ভালোবাসায় আমি সিক্ত. আমি রাজপথে দাঁড়িয়ে বলতে পারি আমার চেয়ারম্যানের আমলে কোন মানুষের কাছ থেকে একটি টাকা অবৈধ ভাবে গ্রহণ করেছি.কেউ বলতে পারলে আমি জনপ্রতিনিধির পদ থেকে অব্যাহতি নেব. আমি একজন মহামান্য আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পি পি শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি. আমি আমার পেশাকে সম্মান জানাই আর চেষ্টা করি সেটাতে যেন কোন ধরনের দাগ না লাগে. তিনি আরো জানান আমাকে একদিন এই পৃথিবী থেকে চলে যেতে হবে. আমি অবৈধ ভাবে কিছু করলে ঠিক একদিন সৃষ্টিকর্তার বিচারে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে. আমি হাসিমুখে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে গিয়েছি শুধু মানুষের উন্নয়নের কথা ভেবে.যাতে আমার এলাকাটা পৌরসভা রূপান্তিত হয়. আমি যতদিন বেঁচে আছি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থায়! আমার জীবনে চাওয়া পাওয়া বলতে মানুষের ভালোবাসা আর মানুষের দোয়া!
Leave a Reply