ভারতীয় গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার সিদ্ধান্ত বদলালেন পলাতক শেখ হাসিনা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ভারতীয় গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার সিদ্ধান্ত বদলালেন পলাতক শেখ হাসিনা

ভারতীয় গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার সিদ্ধান্ত বদলালেন পলাতক শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পরে রাজনীতি থেকে অবসরের কথাই এক সময়ে ভেবেছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এখন সেই ভাবনা নাকচ।

 

দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে’ সেই চিন্তা সরিয়ে রেখে ‘নিজের দেশের মানুষের পাশে থাকা’-র সিদ্ধান্তই নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) নয়াদিল্লি থেকে ‘এই সময়’-কে দীর্ঘ একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

 

একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বললেন, ‘আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাকে মানুষের দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। ১৯৮১-তে আমি যখন সব হারিয়ে দেশে ফিরেছিলাম, তখন আওয়ামী লিগের কর্মীরাই ছিলেন আমার পরিবার। আজ সেই নেতা-কর্মীরা নির্যাতিত, আমার দেশের জনগণের জীবন আজ বিপর্যস্ত। আমি কী ভাবে তাদের ছেড়ে বিশ্রামে যাই?’

 

তিনি বলেন, ‘তরুণ নেতৃত্বের বিষয়ে আমি সর্বদাই উৎসাহী। আমাদের অনেক তরুণ নেতারা আজ নিজ নিজ অবস্থান থেকে, রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন মোকাবিলা করে দৃঢ়তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের পতাকা ধরে রেখেছেন। এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।’

 

একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, মাথা উঁচু করে খুব দ্রুত আপনি বাংলাদেশের মাটিতে ফিরবেন। বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে আপনার ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতাকর্মীদের প্রত্যাবর্তন ও রাজনীতি শুরু করাটা কতটা বাস্তবসম্মত?’

 

এ প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পাকিস্তানি শাসকরা পারেনি, সামরিক শাসকেরা পারেনি, খুনিরা পারেনি, ষড়যন্ত্রকারীরা পারেনি, আজকের বিএনপি সরকারও আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলতে পারবে না। আমার প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত বিষয় তো নয়। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের সঙ্গে যুক্ত।’ তার সংযোজন, ‘

 

জনগণ বুঝতে পেরেছেন আওয়ামী লীগই তাদের একমাত্র নিরাপদ আশ্রয় উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জনগণের শক্তিতে বলীয়ান হয়েই আমি ফিরব। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার গর্ব নিয়ে ফিরব, দেশ পুনর্গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ফিরবো।


এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’ বসেছে। তারা সেখানে দুর্নীতি ও অনিয়মসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

 

নাসীরুদ্দীন জামায়াতের প্রয়াত নেতা মাওলানা সাঈদীর কথা স্মরণ করে বলেন, এই চট্টগ্রামে আল্লামা সাঈদীর ঐতিহাসিক বক্তব্য রয়েছে।

 

ভারত সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, আমরা বাংলাদেশের সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করি না। যেদিন সীমান্তে হত্যা বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে অবৈধভাবে হত্যা করা হবে না, সেদিনই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রকৃত অর্থে ন্যায্য ও স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

 

এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, তাদের দল চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এটি কোনো বাজেট নয়, বরং দলীয় লোকজনের জন্য তৈরি একটি গেজেট। এর মাধ্যমে দেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এই বাজেটে শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম কিংবা মুগ্ধের আত্মত্যাগের প্রতিফলন নেই। তাই এই বাজেটের প্রতি ধিক্কার জানাই।

পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আলোচিত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদ প্রধানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

নাছির উদ্দীন লিখেছেন, আবারও প্রমাণিত হলো, জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে জামায়াতের আমির, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং শিবির-নিয়ন্ত্রিত বট ও ফেক আইডিগুলো থেকে। পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে

তিনি আরও লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ঘটনাটিকে অপহরণ ও ‘গুম’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য এবং অনলাইন সমর্থকদের প্রচারণায় এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয় যেন এটি রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্টতার কোনো গুরুতর ঘটনা। অথচ ‘গুম’ শব্দটি কোনো সাধারণ অভিযোগ নয়; এটি একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার প্রশ্ন জড়িত থাকে।

 

পোস্টে লিখেন, এখন পুলিশি তদন্তের প্রাথমিক তথ্য বলছে, ঘটনাটি অপহরণ বা গুম নয়। বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে। যদি তদন্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—কোনো রাজনৈতিক দল কি এত বড় অভিযোগ উত্থাপনের আগে ন্যূনতম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনও অনুভব করে না?

 

পোস্টে উল্লেখ করেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিতভাবে ‘গুম’ বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি অপ্রমাণিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবেগ উসকে দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ পরে যখন ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে তখন সেই প্রচারণার দায় কেউ নিচ্ছে না।

 

তিনি লিখেন, বারবার দেখা যাচ্ছে, তথ্যের চেয়ে বয়ানকে এবং সত্যের চেয়ে মিথ্যা প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বক্তব্য যদি যাচাইকৃত তথ্যের পরিবর্তে অনুমান, গুজব কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ওপর দাঁড়ায়, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না; বরং প্রকৃত গুম, অপহরণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর গুরুত্বও কমিয়ে দেয়।

 

সবশেষে লিখেন, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে জনগণ সত্যভিত্তিক অবস্থান প্রত্যাশা করে, প্রোপাগান্ডা নয়। জিসান ইস্যুতে অন্তত এটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে, অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যতটা তৎপরতা দেখানো হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার সামান্য অংশও দেখা যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রবণতা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জন আস্থার জন্য মোটেও শুভ নয়।।

 

 

মিথ্যা তথ্য প্রচার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে’

 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মুজিবুর রহমান নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

বাজেটের সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইফ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের বড় সমালোচনার জায়গাটা হচ্ছে এই বাজেটটাকে আমাদের মনে হয়েছে উচ্চ এবং বাস্তবতা বিবর্জিত। এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে সংসদ ভবনের জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেটের সামনে বাজেটের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তিনি এসব কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটটা উচ্চ ও বাস্তবতা বিবর্জিত। এই বাজেটের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা তারা ব্যয় করবে। এই আয়টা তারা বলতেছে, ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা তারা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যেটা আসলে বাস্তবতা বিবর্জিত। কারণ এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা সরকারের পক্ষে, এই প্রশাসন এবং কর কাঠামোর পক্ষে সম্ভব না। ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার যেই রাজস্ব সেটা যদি আদায় করতে না পারে স্বাভাবিকভাবে ঘাটতি কিন্তু অনেক বাড়বে। সরকারকে তখন কী করতে হবে? ব্যাংকগুলো থেকে এবং বিদেশ থেকে ঋণ নিতে হবে। এই রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা আয় অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বার্ষিক রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২৭.৩ শতাংশ। যদি আগামী অর্থবছরে সেই সর্বোচ্চ রেকর্ড করা সম্ভব হয় তাও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে। ফলে এই ঘাটতি সরকার কীভাবে মেটাবে?

 

তিনি বলেন, সরকার খুব সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে। বাজেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখাচ্ছে। একইভাবে কিন্তু এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে এটাকে। ফলে সরকার ব্যাংক থেকে আরও ঋণ বাড়াবে।

 

বিরোধী দলের চিপ হুইপ বলেন, ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা পৌঁছেছে। এটা বৈদেশিক ঋণ। আর হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রায় ১৬ গুণ বেড়েছে। ব্যাংক থেকে আরও যদি ঋণ নেয় তাহলে বেসরকারি খাতে যে চাপটা পড়বে, বেসরকারি খাতের থেকে তারা বিনিয়োগ পাবে না। তারা লোন পাবে না এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে।

 

তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের কথা বললেও ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেননি। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, লুটপাট ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়নি। বরং ব্যাংকিং খাত কীভাবে তারা সংস্কার করবে, আমরা যেই নজিরবিহীনভাবে ব্যাংকিং খাত দলীয়করণ, রাজনীতিকরণ দেখতেছি। ইসলামী ব্যাংক এটা আমাদের সামনে একটা বড় উদাহরণ।

 

তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকে এখন আবারো এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার একটা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের যেই নৈরাজ্যটা ছিল এবং আমানতকারীদের, গ্রাহকদের যে অনাস্থা, সে অনাস্থা কিন্তু নতুন করে আবার শুরু হয়েছে।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের প্রতি মানুষের যে আস্থা হওয়ার কথা ছিল, তা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে আমানতকারীদের অনাস্থা পুরো ব্যাংকিং খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে সরকারের করণীয় সম্পর্কেও কোনো স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। এসব কারণে বাজেট নিয়ে তারা খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, এই বাজেটে বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ ঋণ বাড়বে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাজেট বক্তব্য শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এটি দেশের অর্থনীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনবে না। অর্থনৈতিক সংস্কার রাজনৈতিক সংস্কার থেকে আলাদা নয়, কিন্তু বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক সংস্কারের অগ্রগতি প্রায় নেই বললেই চলে।

এ বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত: নাহিদ ইসলাম

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।

 

প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুর জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে মহারশি, সোমেশ্বরী ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

 

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা। মহারশি নদীর পানি তীর উপচে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ফসলি জমি, মাছের ঘের এবং অসংখ্য বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 

উপজেলার ধানশাইল, কান্দুলী, কুচনিপাড়া-সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে নদীর পানি প্রবেশ করে ঝিনাইগাতী বাজারেও। এতে বাজারের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থায়ী শহররক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সড়ক, দোকানপাট ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর বাঁতকুচি পয়েন্টে পানি বর্তমানে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন উজানে আরও ভারি বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

 

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক চিত্র সংগ্রহ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

স্থানীয়রা জানান, অস্থায়ী বাঁধের মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এর কোনো কার্যকর সমাধান হয় না। তাই দ্রুত নদী খনন ও টেকসই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমিন বলেন, নদীগুলো খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি এবং বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় নদীতীরে ব্লক স্থাপন করা গেলে বাজারসহ নদীপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা স্থায়ীভাবে সুরক্ষা পাবে। এটি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য বড় ধরনের আশীর্বাদ হবে।

শেরপুরে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’ বসেছে। তারা সেখানে দুর্নীতি ও অনিয়মসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

 

নাসীরুদ্দীন জামায়াতের প্রয়াত নেতা মাওলানা সাঈদীর কথা স্মরণ করে বলেন, এই চট্টগ্রামে আল্লামা সাঈদীর ঐতিহাসিক বক্তব্য রয়েছে।

 

ভারত সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, আমরা বাংলাদেশের সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করি না। যেদিন সীমান্তে হত্যা বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে অবৈধভাবে হত্যা করা হবে না, সেদিনই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রকৃত অর্থে ন্যায্য ও স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

 

এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, তাদের দল চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এটি কোনো বাজেট নয়, বরং দলীয় লোকজনের জন্য তৈরি একটি গেজেট। এর মাধ্যমে দেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এই বাজেটে শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম কিংবা মুগ্ধের আত্মত্যাগের প্রতিফলন নেই। তাই এই বাজেটের প্রতি ধিক্কার জানাই।

পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে প্রধানমন্ত্রী গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

 

পরে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমনাকে নিয়ে সংরক্ষিত বন ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।

 

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

 

প্রথম ধাপে দেশের ৪৯টি জেলার ১৪৯টি উপজেলায় দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান। এ সময় পাশের আসনে বসে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 

এছাড়া গাড়িতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ।

 

এরপর সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে ভক্তদের মধ্যে। সেই আবহে প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি নিজের সমর্থন প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পড়শী।

 

প্রথম ম্যাচের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।

 

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি নতুন ছবি প্রকাশ করেন পড়শী। ছবিতে ব্রাজিলের জার্সি পরে হাতে ফুটবল নিয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা যায় তাকে। বিশ্বকাপের আবহে তার এই উপস্থিতি ভক্তদের নজর কাড়ে।

 

ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভকামনা ব্রাজিল।’

 

পোস্টটিতে তিনি ব্রাজিলের পতাকার ইমোজির পাশাপাশি ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’ হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করেন। এরপরই মন্তব্যের ঘরে শুরু হয় ভক্তদের নানা প্রতিক্রিয়া।

 

একজন ভক্ত লেখেন, ‘ব্রাজিল মানেই আগুন। আমার ভালোবাসার মানুষটাও ব্রাজিল।’

 

আরেকজন মজার ছলে আক্ষেপ করে মন্তব্য করেন, ‘এটা কোনো কথা তুমিও ব্রাজিল।’

 

বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে নিজেদের অভিযান শুরু করতে রবিবার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মাঠে নামবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

 

প্রথম রাউন্ডে দলটির সামনে রয়েছে আরও দুটি ম্যাচ।

ব্রাজিলের জার্সিতে শুভকামনা জানালেন পড়শি

 

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান অপহৃত হননি। মূলত এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণের অভিযোগ ও আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি নিজেই নাটকীয়ভাবে আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

 

আজ শনিবার (১৩ জুন) কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন জিসানের নিখোঁজ হওয়ার দাবি করে তাঁর চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন। জিডি নথিভুক্ত হওয়ার পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জিসানকে উদ্ধারে অনুসন্ধানে নামে।

 

অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের ভাষ্যমতে, গত ২০ মে দাউদকান্দিতে জিসানের ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের জেরে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে ওষুধ খাইয়ে ভ্রূণ নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তবে আইনি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়াতে বিয়ের আগের দিন অর্থাৎ ১১ জুন রাতেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। নিজের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিকে ‘অপহরণ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি কৌশলে চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে থানায় জিডি করান বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।

 

এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম জংশন রোড এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন জিসানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। উদ্ধার হওয়ার পর জিসান দাবি করেছিলেন যে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করেছিল। তবে পুলিশি তদন্তে এই দাবির কোনো সত্যতা বা অপহরণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

জিসান উদ্ধার হওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় জিসানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা, ভ্রূণ হত্যা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

জানতে চাইলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, জিসানকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট হয়েছে যে, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অপহরণ নয়, ধর্ষণের মামলা এড়াতে ছাত্রশিবির নেতার ‘আত্মগোপন’: পুলিশ

 

অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং অলিগার্কদের ধ্বংস করাই সরকারের লক্ষ্য’ বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

আজ (শনিবার, ১৩ জুন) সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা জানান তিনি। যুবদলের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান তিনি।

 

এসময় আশা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ তরুণদের হাতে দায়িত্ব দেয়ার মাধ্যমেই সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে চায় বলেও জানান তিনি।

 

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দক্ষ জনগোষ্ঠী গঠনে বদ্ধ পরিকর বর্তমান সরকার’, বলেন বিএনপি মহাসচিব।

অলিগার্কদের ধ্বংস করা সরকারের লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

চোটের কারণে মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। দীর্ঘদিনের ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এখনো পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় তাঁকে ছাড়াই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।

 

রবিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা ব্রাজিলের জন্য উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের অনুপস্থিতি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

পায়ের মাংসপেশির চোটে ভুগছেন নেইমার। বর্তমানে তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন এবং শারীরিক অবস্থার কারণে সাম্প্রতিক কয়েকটি অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ।

 

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। তাঁর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলেও জানান ব্রাজিল কোচ।

 

আনচেলত্তি বলেন, “নেইমার দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। আমরা আশাবাদী, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সে পুরোপুরি ফিট হয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবে।”

 

ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে। এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি। ইনজুরি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পান এই তারকা ফুটবলার।

 

গ্রুপ পর্বে মরক্কোর পর ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ব্রাজিল শিবির আশা করছে, এই দুই ম্যাচের যেকোনো একটিতে মাঠে ফিরতে পারবেন নেইমার। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছেন কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থক।

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামছেন না নেইমার

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না খেললেও ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশের কোটি দর্শকের মতোই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা বরাবরই আলোচনায় থাকে।

 

বিশেষ করে বিশ্বকাপ এলেই প্রিয় দল ও খেলোয়াড়কে ঘিরে তার আবেগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

 

সম্প্রতি প্রিয় দল, প্রিয় ফুটবলার এবং বিশ্বকাপের স্মৃতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, ব্রাজিলের প্রতি তার সমর্থন অনেক দিনের। একই সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দুই ফুটবল তারকার প্রতিও আলাদা পছন্দের কথা তুলে ধরেন তিনি।

 

প্রিয় খেলোয়াড় সম্পর্কে অপু গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি নেইমারকে অনেক পছন্দ করি। তার খেলাধুলা সবকিছুই আমার পছন্দ। আর ব্যক্তিত্বের দিক থেকে মেসিকে আমার পছন্দ।’

 

নিজে ব্রাজিলের সমর্থক হলেও তার ছেলে আব্রাম খান জয় নীল-সাদা দলের ভক্ত। বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসের সুরে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক।

 

যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের খেলায় আলাদা একটা ছন্দ আছে। যারা আমার ভক্ত আছে তাদের বলি, “শুধু ব্রাজিল হলে তো চলবে না অন্য দলের সাপোর্টারও লাগবে।” তা না হলে খেলা দেখে মজা থাকবে না। আমার ছেলে জয় আর্জেন্টিনা করে। সে মেসির ভক্ত।’

 

বিশ্বকাপ ফুটবলকে তিনি শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, বরং উৎসব হিসেবেই দেখেন।

 

রাত জেগে খেলা দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা মানেই উত্তেজনায় ভরপুর এক পরিবেশ। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ঈদের মতো একটা আমেজ তৈরি হয়। এমনও হয় যে, রান্নাবান্না করে আবার টিভির সামনে বসে যাই। রাত দুইটা তিনটা বেজে গেলেও দেখা যায় আমরা খেলা দেখছি।’

যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে – অপু বিশ্বাস

ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

 

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সমাজ থেকে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। একইভাবে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে।

 

নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি।

 

শনিবার (১৩ জুন) বেলা পৌনে ১২টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষা: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এই সেমিনারের আয়োজন করে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়।

 

মিজানুর রহমান মিনু আরও বলেন, রাজশাহী আজ যে চিন্তা করে পুরো দেশ সেটা পরে চিন্তা কারে। এ কারণে রাজশাহী পাইওনিয়ার। আমরা গোটা জাতিকে এমন কিছু উপহার দিব যা থেকে সবাই উপকৃত হবে।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে রাজশাহী ভিন্ন, কারণ এই বিভাগের মানুষ সবচাইতে সহনশীল ও ধৈর্যশীল। এটা আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে।

 

রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা, বিভাগীয় কমিশনার আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এইচ এম মাহামুদুর রহমান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ফয়েজুল কবির।

 

সেমিনারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কর্মর্কর্তা, বিচারক ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

আলোচিত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদ প্রধানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

নাছির উদ্দীন লিখেছেন, আবারও প্রমাণিত হলো, জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে জামায়াতের আমির, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং শিবির-নিয়ন্ত্রিত বট ও ফেক আইডিগুলো থেকে। পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে

তিনি আরও লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ঘটনাটিকে অপহরণ ও ‘গুম’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য এবং অনলাইন সমর্থকদের প্রচারণায় এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয় যেন এটি রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্টতার কোনো গুরুতর ঘটনা। অথচ ‘গুম’ শব্দটি কোনো সাধারণ অভিযোগ নয়; এটি একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার প্রশ্ন জড়িত থাকে।

 

পোস্টে লিখেন, এখন পুলিশি তদন্তের প্রাথমিক তথ্য বলছে, ঘটনাটি অপহরণ বা গুম নয়। বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে। যদি তদন্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—কোনো রাজনৈতিক দল কি এত বড় অভিযোগ উত্থাপনের আগে ন্যূনতম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনও অনুভব করে না?

 

পোস্টে উল্লেখ করেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিতভাবে ‘গুম’ বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি অপ্রমাণিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবেগ উসকে দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ পরে যখন ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে তখন সেই প্রচারণার দায় কেউ নিচ্ছে না।

 

তিনি লিখেন, বারবার দেখা যাচ্ছে, তথ্যের চেয়ে বয়ানকে এবং সত্যের চেয়ে মিথ্যা প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বক্তব্য যদি যাচাইকৃত তথ্যের পরিবর্তে অনুমান, গুজব কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ওপর দাঁড়ায়, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না; বরং প্রকৃত গুম, অপহরণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর গুরুত্বও কমিয়ে দেয়।

 

সবশেষে লিখেন, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে জনগণ সত্যভিত্তিক অবস্থান প্রত্যাশা করে, প্রোপাগান্ডা নয়। জিসান ইস্যুতে অন্তত এটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে, অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যতটা তৎপরতা দেখানো হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার সামান্য অংশও দেখা যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রবণতা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জন আস্থার জন্য মোটেও শুভ নয়।।

 

 

মিথ্যা তথ্য প্রচার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে’

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d