বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ, দেখবেন যেভাবে - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ, দেখবেন যেভাবে

বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ, দেখবেন যেভাবে

জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হতে যাচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অফ দ্য আর্থ’ খ্যাত ফুটবল বিশ্বকাপ। আজ বৃহস্পতিবার (১১জুন) উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে এবারের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮টি দল নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। তিন দেশের ১৬টি শহরে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।

 

তিন দেশে একসঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

 

তিনটি দেশেই আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে, তবে সব অনুষ্ঠান একটি অভিন্ন থিমে যুক্ত থাকবে। এই থিমের মূল উদ্দেশ্য হলো ফুটবলের মাধ্যমে তিন দেশের ঐক্য এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি তুলে ধরা।

 

প্রতিটি আয়োজক দেশের অনুষ্ঠান শুরু হবে তাদের প্রথম ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে। অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করছেন বিখ্যাত ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মার্কো বালিচ, যিনি একাধিক অলিম্পিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তৈরি করেছেন।

 

কানাডা তাদের অনুষ্ঠানে তুলে ধরবে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। মেক্সিকো দেখাবে ঐতিহ্যবাহী পাপেল পিকাদো। যুক্তরাষ্ট্রে থাকবে আধুনিক ও ঝলমলে ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা।

 

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ এমন একটি মুহূর্ত, যা পুরো বিশ্ব একসঙ্গে ভাগ করে নেয়। এই উদযাপন শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই।’

 

মেক্সিকো সিটির অনুষ্ঠান প্রায় ১৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড চলবে। টরন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলেসের অনুষ্ঠান প্রায় ১৩ মিনিট করে চলবে।

 

অনুষ্ঠান শেষে খেলোয়াড়রা মাঠে ওয়ার্মআপ করবেন। এরপর ম্যাচ শুরুর ২৫ মিনিট আগে প্রি-ম্যাচ অনুষ্ঠান ও খেলোয়াড় পরিচিতি শুরু হবে, যা প্রায় ১৩ মিনিট চলবে।

 

উদ্বোধনী ম্যাচে কারা মুখোমুখি

 

উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটির অ্যাজট্রেকা স্টেডিয়ামে।

 

কানাডা টরন্টোতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে খেলবে। এটি কানাডার জন্য ঐতিহাসিক ম্যাচ, কারণ প্রথমবারের মতো তারা নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলবে।

 

যুক্তরাষ্ট্র লস অ্যাঞ্জেলেসে তাদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে।

 

কোথায় ও কখন হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

 

মেক্সিকো সিটি (১১ জুন)

 

মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে স্থানীয় সময় দুপুর ১১টা ০০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর ৯০ মিনিট আগে।

 

এখানে মেক্সিকোর সংস্কৃতি, আদিবাসী পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী পাপেল পিকাদো তুলে ধরা হবে।

 

এতে অংশ নেবেন আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্দা, ড্যানি ওশান, জে বালভিন, লিলা ডাউনস, লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলেস এবং মানা। দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা টাইলা-ও পারফর্ম করবেন।

 

শাকিরা ‘দাই দাই’ পরিবেশন করবেন এবং বার্না বয়ও পারফর্ম করবেন। শাকিরা ১৯ জুলাই ফাইনালের হাফটাইম শোতেও অংশ নেবেন, যেখানে থাকবেন ম্যাডোনা এবং কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস।

 

মেক্সিকো সিটিতে ১১ জুন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুল বন্ধ রয়েছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠানকে রিমোট কাজের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

টরন্টো (১২ জুন)

 

টরন্টোতে অনুষ্ঠান শুরু হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে, কানাডা বনাম বসনিয়া ম্যাচের আগে।

 

এখানে কানাডার সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য তুলে ধরা হবে। পারফর্ম করবেন আলানিস মোরিসেট, আলেসিয়া কারা, এলিয়ানা, জেসি রেয়েজ, মাইকেল বুবলে, নোরা ফাতেহি, সানজয়, ভেজেড্রিম এবং উইলিয়াম প্রিন্স।

 

কানাডার জন্য এটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ তারা প্রথমবার নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ খেলবে।


আজ থেকে পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর, যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৬টি বিশ্বমানের স্টেডিয়ামে বসবে এবারের সবচেয়ে বড় আসরের ১০৪টি ম্যাচের মহাযজ্ঞ। দর্শকরা পাচ্ছেন আধুনিক স্থাপত্য, প্রযুক্তি ও বিশাল ধারণক্ষমতার এক অনন্য ভেন্যু অভিজ্ঞতা।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে টুর্নামেন্টের ২৩তম আসর, যেখানে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে। ১৬টি শহরের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি, মেক্সিকোতে ৩টি এবং কানাডায় ২টি ভেন্যু রয়েছে।

 

এই আয়োজন চলবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। সবচেয়ে দূরের দুই ভেন্যু ভ্যানকুভারের বিসি প্লেসএবং মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও অ্যাজটেকা যার মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৪,৪০০ কিলোমিটার।

 

১৬টি ভেন্যু স্টেডিয়াম (দেশভিত্তিক তালিকা) এর মধ্যে মেক্সিকোতে ৩টি স্টেডিয়াম এস্তাদিও অ্যাজটেকা ,এস্তাদিও আকরন, এস্তাদিও বিবিভিএ। কানাডাতে ২টি স্টেডিয়াম বিএমও ফিল্ড, বিসি প্লেস। যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি স্টেডিয়াম মেটলাইফ স্টেডিয়াম ,এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়াম, সোফাই স্টেডিয়াম, অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, লেভিস স্টেডিয়াম, এনআরজি স্টেডিয়াম, মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম, লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ড, লুমেন ফিল্ড, হার্ড রক স্টেডিয়াম, গিলেট স্টেডিয়াম।

ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলোর বিস্তারিত জেনে নিন

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

থাকেন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে। পেশায় ভ্যানচালক। স্ত্রীসহ এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে তার। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হলেই বদলে যান তিনি। স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার ঋণ নিয়ে আর্জেনটিনা এ ভক্ত সেজেছেন নিজে। সাজিয়েছেন ভ্যান রিকশা সেই সাথে কিনেছেন ১৬টি আর্জেন্টিনার পতাকা।

 

বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় আর্জেন্টিনার এ ভক্তের নাম সুমন গৌড়। থাকেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর সদরের দত্তপাড়া সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে। এলাকায় তিনি মেসি সুমন নামে সমধিক পরিচিত। তার রয়েছে স্ত্রী এক মেয়ে এক ছেলে।

বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই যেন বদলে যায় তার জীবন।

 

আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন আর নানা সাজসজ্জায় নিজের বসতিপাড়া সাজিয়ে তুলছেন তিনি। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন ছোট্ট একটি আর্জেন্টিনা গ্রাম।

 

তবে এই আয়োজনের পেছনের গল্প আরও বিস্ময়কর। আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানাতে স্ত্রী আরতি রাণী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পূর্ণিমার নামে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন সুমন। সেই অর্থ ব্যয় করছেন পতাকা, ব্যানার, রং ও বিভিন্ন সাজসজ্জার কাজে।

 

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য বিরিয়ানি রান্না করে আপ্যায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

 

নিজস্ব কোনো জমিজমা নেই সুমনের। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন। জীবিকা নির্বাহ করেন ভ্যান রিকশা চালিয়ে। সংসারে অভাব-অনটন থাকলেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আর আর্জেন্টিনার প্রতি আবেগ তাকে থামাতে পারেনি।

 

সুমন বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। এখন সবাই আমাকে সুমন না, ‘মেসি সুমন’ নামেই চেনে। বিশ্বকাপ এলেই আমি চেষ্টা করি আর্জেন্টিনার জন্য কিছু করতে। এটা আমার ভালোবাসা।

 

সুমনের স্ত্রী আরতি রাণী বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই স্বামীর আর্জেন্টিনাপ্রেম দেখে আসছি। সংসারে অভাব আছে, তবুও বিশ্বকাপ এলে তিনি সবকিছু ভুলে যান। এত টাকা খরচ করে এসব করা পাগলামি মনে হলেও স্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছি।’

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুমন খুবই দরিদ্র মানুষ। ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালান। কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই ঋণ নিয়ে এলাকায় সাজসজ্জা করেন, খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেন। এ কারণেই সবাই তাকে ‘মেসি সুমন’ নামে চেনে।

স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক

 

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ মামলার রায় দেবেন।

 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা তাম্মির সঙ্গে রাকিব হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাদীর দাবি, ওই বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার আগেই ২০২১ সালে ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন তামিমা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন রাকিব হোসেন।

 

তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। তাদের দাবি, আগের বৈবাহিক সম্পর্ক আইন অনুযায়ী শেষ হওয়ার পরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান ইসরাত হাসান বলেন, আমরা চাই, আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মামলার বিচার চলেছে। বিভিন্ন বিষয় চ্যালেঞ্জ করে তারা উচ্চ আদালতে রিভিশন করেছে। ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

 

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে আশা করছি। নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দুই ধারায় ও তামিমার বিরুদ্ধে তিন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর ও তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

 

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আমাদের আশা পজিটিভ। আসামিরা খালাস পাবেন আশা করছি। তারা কেন খালাস পাবেন যুক্তিতর্কে তুলে ধরেছি।

 

রায় শুনতে নাসির-তামিমা আদালতে আসবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, আশা করি, আসবেন।

 

মামলার বাদী রাকিব বলেন, ইনশাআল্লাহ, ন্যায় বিচার হোক। এ ধরনের কাজ যেন আর না হয়। রায়ের মাধ্যমে একটা ম্যানেজ যাক সমাজে। আমার সাথে যেমনটা ঘটেছে, যেন আর কারও সঙ্গে এমনটা না হয়।

 

এ বিষয়ে নাসির হোসেনের বক্তব্য শুনতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণে হতে পারে কোন সাজা?

মানিকগঞ্জে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফয়সাল (১৮) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সদর উপজেলার ভাটবাউর এলাকার তাসনুভা ফিলিং স্টেশনের আম গাছে পতাকা টানাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ফয়সাল ভাটবাউর এলাকার মুন্নু মিয়ার ছেলে। তিনি ফয়সাল ফিলিং স্টেশনে চাকরি করতেন।

 

পুলিশ ও স্থানিয়দের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফয়সাল ফুটবল বিশ্বকাপ খেলাকে কেন্দ্র করে তার প্রিয় দল ব্রাজিলকে সমর্থন করে পতাকা টানানোর জন্য আমগাছে উঠেন। গাছের পাশ দিয়েই বিদ্যুৎতের তার ছিল।

 

ফয়সাল পতাকা টানানোর সময় তার গায়ে বিদ্যুৎতের তারের সঙ্গে শরীর লেগে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে গাছ থেকে পড়ে যায়। পরে আশে পাশের লোকজন ফয়সালকে উদ্ধার করে জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

সদর থানার ওসি মো. মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফয়সাল ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। আমরা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে রেখেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন।

ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট কিশোরের মৃত্যু

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে ঢাকার ক্লাব থেকে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর এবার পরিচালকদের ভোটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল।

 

এর আগে, নির্বাচনে পরিচালকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পান তামিম।

 

বিকেল ৪টায় ভোট শেষ হওয়ার পরে ফল গণণা শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়। প্রাপ্ত ভোটে ঢাকার ক্লাব থেকে জিতেছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম ও সাকেফ আহমেদ সালাম।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির সভাপতি হলেন তামিম

ব্রাজিলের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং সমর্থকদের উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন রাজবাড়ী জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা। তিনি ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্বকাপ চলাকালীন ব্রাজিল সমর্থকদের অর্ধেক ফি’তে আইনি সহায়তা প্রদান করবেন।

 

অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের শোলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার এমন ‘এক্সক্লুসিভ অফারে’ স্থানীয় ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা।

 

রাজবাড়ীর রাকিবুল ইসলাম রনি ও মোহাম্মদ সজিবসহ একাধিক ব্রাজিল সমর্থক বলেন, ব্রাজিল দলকে যারা ভালোবাসে, তারা ছাড় দিতে জানে। আইনজীবী গোলাম মোস্তফার এই উদ্যোগ তারই প্রমাণ। তবে মাঠের খেলায় আমাদের দলের খেলোয়াড়রা কোনো ছাড় দেয় না। এবারও ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করবে।

 

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বলেন, ফুটবল আমার প্রিয় খেলা। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ। জ্ঞান হওয়ার পর পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহোসহ ব্রাজিলের কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের খেলা দেখে মুগ্ধ হই। ১৯৯৮ সাল থেকে আমি ব্রাজিল দলের সমর্থক।

 

তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে যে নান্দনিকতা ও দক্ষতা রয়েছে তা অন্য দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব কমই দেখা যায়। আমি বিশ্বাস করি এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলই চ্যাম্পিয়ন হবে। আর আমি যেহেতু একজন আইনজীবী তাই বিশ্বকাপ চলাকালীন আমার কাছে কোনো ব্রাজিল সমর্থক মক্কেল এলে তাকে অর্ধেক ফি-তে আইনি সহায়তা দেব।

 

মক্কেল ব্রাজিলের সমর্থক কিনা তা কীভাবে নির্ধারণ করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা বলেন, আমি ব্রাজিল দলকে মন থেকে ভালোবাসি। সমর্থকদের বাড়তি উৎসাহ দিতেই এই ঘোষণা। আর কে কোন দলের সমর্থক কথা বললেই অনেকটা বোঝা যায়। যাচাই-বাছাই করেই এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন এই ব্রাজিল সমর্থক আইনজীবী।

ব্রাজিল সমর্থকদের অর্ধেক ফি’তে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা রাজবাড়ীর আইনজীবীর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পাটের মোড়ক ব্যবহার না করায় নীলফামারীতে অটো রাইস মিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা

মাইদুল ইসলাম:

(স্টাব রিপোর্টার নীলফামারী)

১১/জুন/২০২৬ইং পাটের বস্তা ব্যবহার করায় নীলফামারীর দুটি অটো রাইস মিল থেকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার বিকেলে জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নে অবস্থিত আজিজুল হক অটো রাইস মিল ও শামসুল হক অটো রাইস মিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করা হয়। আজিজুল হক অটো রাইস মিলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রসেন জিৎ দাস ও শামসুল হক অটো রাইস মিলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান ভ্রাম্যমান আদাল ত পরিচালনা করা হয়। এতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা এটিএম তৈবুর রহমান। সূত্র জানায়, অভিযানকালে দুই অটো রাইস মিলে চালে পাটের মোরগ ব্যবহার না করে প্লাস্টিকের মোড়ক ব্যবহার করার সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয় দুই অটো রাইস মিল। নীলফামারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা এটিএম তৈবুর রহমান জানান, আজিজুল হক অটো রাইস মিল ১০ হাজার ও শামসুল হক অটো রাইস মিল ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে

মিল কর্তৃপক্ষ।

পাটের মোড়ক ব্যবহার না করায় নীলফামারীতে অটো রাইস মিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা

আজ থেকে পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর, যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৬টি বিশ্বমানের স্টেডিয়ামে বসবে এবারের সবচেয়ে বড় আসরের ১০৪টি ম্যাচের মহাযজ্ঞ। দর্শকরা পাচ্ছেন আধুনিক স্থাপত্য, প্রযুক্তি ও বিশাল ধারণক্ষমতার এক অনন্য ভেন্যু অভিজ্ঞতা।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে টুর্নামেন্টের ২৩তম আসর, যেখানে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে। ১৬টি শহরের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি, মেক্সিকোতে ৩টি এবং কানাডায় ২টি ভেন্যু রয়েছে।

 

এই আয়োজন চলবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। সবচেয়ে দূরের দুই ভেন্যু ভ্যানকুভারের বিসি প্লেসএবং মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও অ্যাজটেকা যার মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৪,৪০০ কিলোমিটার।

 

১৬টি ভেন্যু স্টেডিয়াম (দেশভিত্তিক তালিকা) এর মধ্যে মেক্সিকোতে ৩টি স্টেডিয়াম এস্তাদিও অ্যাজটেকা ,এস্তাদিও আকরন, এস্তাদিও বিবিভিএ। কানাডাতে ২টি স্টেডিয়াম বিএমও ফিল্ড, বিসি প্লেস। যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি স্টেডিয়াম মেটলাইফ স্টেডিয়াম ,এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়াম, সোফাই স্টেডিয়াম, অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, লেভিস স্টেডিয়াম, এনআরজি স্টেডিয়াম, মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম, লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ড, লুমেন ফিল্ড, হার্ড রক স্টেডিয়াম, গিলেট স্টেডিয়াম।

ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলোর বিস্তারিত জেনে নিন

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে ‘সংযুক্ত কলেজ’ উল্লেখকে বিতর্কিত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে তা বাতিলের জন্য তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে নতুন ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা কলেজের শহীদ মিনারের সামনে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সাধারণ শিক্ষার্থীদের’ পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী সাবের হোসেন।

 

লিখিত বক্তব্যে সাবের হোসেন বলেন, ‘রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে সমন্বিত করে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি, ২০২৫ ২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তির কিছু বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ-২০২৬-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এর ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।’

 

এ সময় ৩ দফা দাবি জানিয়ে আন্দোলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই কর্মসূচি কোনো সংঘাত বা অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য নয়; বরং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার এবং একটি স্বচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য।’

 

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি

>> আগামী ৩ দিনের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির বিতর্কিত ও সাংঘর্ষিক বিষয়সমূহ যেমন সংযুক্ত কলেজের সার্কুলার বাদ দিতে হবে এবং আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নামে ২০২৫-২৬ সেশনের পূর্ণাঙ্গ ভর্তি সার্কুলার প্রকাশ করতে হবে।

 

>> আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিয়োগ দিয়ে রানিং সব সেশনকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অন্যথায় ৭ কলেজে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করতে আমরা বাধ্য হব।

 

>> আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ২০২৪-২৫ সেশনের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অভিন্ন আইডি কার্ড প্রদান করতে হবে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি বাতিলে ৩ দিনের আল্টিমেটাম

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার তা পরিবর্তন করা হলো। এখন থেকে সন্ধ্যা ৭ টার পরিবর্তে সকাল ১১ টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

 

সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিছুক্ষণ আগে আমাদের জানিয়েছেন, আজ থেকে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে।

 

এ সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং জ্বালানি মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।

 

এর আগে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে ঈদের পর আবারও সন্ধ্যা ৭টায় দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শপিংমল যথারীতি বন্ধ রাখা হয়।

সন্ধ্যা সাতটা নয়, রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট

২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত মোটরযান থেকে আদায়যোগ্য অগ্রিম করের হার বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়াও কয়েকটি নতুন শ্রেণির যানবাহন আসছে করের আওতায়।

 

আসনভেদে বাস, ট্রাক-লরি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মিনিবাস/কোস্টার, কাভার্ড ভ্যান, প্রাইম মুভার, পিক আপ ভ্যাট, হিউম্যান হলার, অটোরিকশা ও ট্যাক্সি ক্যাবের অগ্রিম আয়কর দেড় থেকে দ্বিগুণ বাড়ানো হয়েছে।

 

৫২ আসনের বাসের কর ১৬ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা; মিনিবাসের ১১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা; কোস্টারের ১৬ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা; ৫ থেকে ২০ টন ট্রাকের কর ১৬ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা; ২০ টনের বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ট্রাকের কর ১৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

 

আগামী অর্থবছরে মোটরযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের সময় নির্ধারিত হারে অগ্রিম কর পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। কর পরিশোধের চালান দাখিল না করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়ন করতে পারবে না।

 

আগামী অর্থবছরে আইন সংশোধন করে কয়েকটি যানবাহনকে পৃথকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রেন, ট্রাক্টর, ডাম্পট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, কার্গো ভ্যান, এক্সকাভেটর, ড্রেজার, রোলার, কংক্রিট মিক্সারসহ বিভিন্ন হেভি ও স্পেশাল পারপাস ভেহিকেল। এসব যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম কর নির্ধারণ করা হচ্ছে।

বাস-ট্রাকে অগ্রিম আয়কর বাড়ছে

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে একাধিক নতুন উদ্যোগ ও সংস্কারের আভাস মিলেছে। নারী শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়াতে মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ এবং প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার বিস্তৃতিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে এবারের বাজেটের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। পাঠ্যক্রম সংস্কার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দক্ষতাভিত্তিক জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি নতুন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

 

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সারা দেশে পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও হাইজিন ব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

 

ডিজিটাল শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের ধারণা, এসব পদক্ষেপ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করবে।

 

সহশিক্ষা কার্যক্রমেও গুরুত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, সাহিত্যচর্চা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে শিক্ষার অংশ হিসেবে আরও উৎসাহিত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশ পায়।

 

এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিক্ষাক্রমে নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশের বিষয়গুলোকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনাও রয়েছে।

 

ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি ও জার্মান ভাষা শেখার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ দেওয়ার প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা।

 

তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য শুধু নীতিগত ঘোষণা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থায়ন, দক্ষ শিক্ষক, আধুনিক অবকাঠামো এবং কার্যকর বাস্তবায়ন ব্যবস্থা। তা না হলে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলোর সুফল প্রত্যাশিত মাত্রায় পাওয়া কঠিন হতে

পারে

 

 

 

মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ!

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর সীমান্তে বিএসএফের কথিত পুশইনের ঘটনায় আলোচিত বৃদ্ধ ষষ্টি চন্দ্র বর্মনকে শূন্যরেখা থেকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি।

 

প্রায় ২৪ ঘণ্টা নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সীমান্তের ১০৮২ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলারের সামনে শূন্যরেখা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে তাকে বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়।

 

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া বৃদ্ধের নাম ষষ্টি চন্দ্র বর্মন।

 

তিনি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চাঁন্দলাই গ্রামের বাসিন্দা এবং বাংলাদেশের নাগরিক। গত প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে তিনি সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে পরিচয় যাচাই-বাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

এর আগে কামালপুর সীমান্তে ওই বৃদ্ধকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দা, বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় সীমান্তজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম নেয়।

 

বকশীগঞ্জ থানার ওসি মো. মকবুল হোসেন বলেন, ‘বৃদ্ধকে থানায় আনা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত বা বক্তব্য দেওয়া হয়নি। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে থাকা সেই বৃদ্ধের পরিচয় মিলল

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা অংশ নেন।

 

অনুমোদিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিকেলে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

 

আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট। এছাড়া বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আমির খসরুর প্রথম বাজেট উপস্থাপন।

 

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে এবং পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানিয়ে সই করবেন। ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে নতুন এই অর্থবছর।

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।

 

প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d