এ বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত: নাহিদ ইসলাম - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
এ বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত: নাহিদ ইসলাম

এ বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত: নাহিদ ইসলাম

বাজেটের সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইফ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের বড় সমালোচনার জায়গাটা হচ্ছে এই বাজেটটাকে আমাদের মনে হয়েছে উচ্চ এবং বাস্তবতা বিবর্জিত। এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে সংসদ ভবনের জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেটের সামনে বাজেটের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তিনি এসব কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটটা উচ্চ ও বাস্তবতা বিবর্জিত। এই বাজেটের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা তারা ব্যয় করবে। এই আয়টা তারা বলতেছে, ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা তারা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যেটা আসলে বাস্তবতা বিবর্জিত। কারণ এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা সরকারের পক্ষে, এই প্রশাসন এবং কর কাঠামোর পক্ষে সম্ভব না। ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার যেই রাজস্ব সেটা যদি আদায় করতে না পারে স্বাভাবিকভাবে ঘাটতি কিন্তু অনেক বাড়বে। সরকারকে তখন কী করতে হবে? ব্যাংকগুলো থেকে এবং বিদেশ থেকে ঋণ নিতে হবে। এই রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা আয় অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বার্ষিক রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২৭.৩ শতাংশ। যদি আগামী অর্থবছরে সেই সর্বোচ্চ রেকর্ড করা সম্ভব হয় তাও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে। ফলে এই ঘাটতি সরকার কীভাবে মেটাবে?

 

তিনি বলেন, সরকার খুব সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে। বাজেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখাচ্ছে। একইভাবে কিন্তু এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে এটাকে। ফলে সরকার ব্যাংক থেকে আরও ঋণ বাড়াবে।

 

বিরোধী দলের চিপ হুইপ বলেন, ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা পৌঁছেছে। এটা বৈদেশিক ঋণ। আর হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রায় ১৬ গুণ বেড়েছে। ব্যাংক থেকে আরও যদি ঋণ নেয় তাহলে বেসরকারি খাতে যে চাপটা পড়বে, বেসরকারি খাতের থেকে তারা বিনিয়োগ পাবে না। তারা লোন পাবে না এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে।

 

তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের কথা বললেও ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেননি। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, লুটপাট ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়নি। বরং ব্যাংকিং খাত কীভাবে তারা সংস্কার করবে, আমরা যেই নজিরবিহীনভাবে ব্যাংকিং খাত দলীয়করণ, রাজনীতিকরণ দেখতেছি। ইসলামী ব্যাংক এটা আমাদের সামনে একটা বড় উদাহরণ।

 

তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকে এখন আবারো এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার একটা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের যেই নৈরাজ্যটা ছিল এবং আমানতকারীদের, গ্রাহকদের যে অনাস্থা, সে অনাস্থা কিন্তু নতুন করে আবার শুরু হয়েছে।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের প্রতি মানুষের যে আস্থা হওয়ার কথা ছিল, তা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে আমানতকারীদের অনাস্থা পুরো ব্যাংকিং খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে সরকারের করণীয় সম্পর্কেও কোনো স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। এসব কারণে বাজেট নিয়ে তারা খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, এই বাজেটে বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ ঋণ বাড়বে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাজেট বক্তব্য শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এটি দেশের অর্থনীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনবে না। অর্থনৈতিক সংস্কার রাজনৈতিক সংস্কার থেকে আলাদা নয়, কিন্তু বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক সংস্কারের অগ্রগতি প্রায় নেই বললেই চলে।


বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার তা পরিবর্তন করা হলো। এখন থেকে সন্ধ্যা ৭ টার পরিবর্তে সকাল ১১ টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

 

সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিছুক্ষণ আগে আমাদের জানিয়েছেন, আজ থেকে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে।

 

এ সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং জ্বালানি মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন।

 

এর আগে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে ঈদের পর আবারও সন্ধ্যা ৭টায় দোকান-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শপিংমল যথারীতি বন্ধ রাখা হয়।

সন্ধ্যা সাতটা নয়, রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট

২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত মোটরযান থেকে আদায়যোগ্য অগ্রিম করের হার বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়াও কয়েকটি নতুন শ্রেণির যানবাহন আসছে করের আওতায়।

 

আসনভেদে বাস, ট্রাক-লরি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মিনিবাস/কোস্টার, কাভার্ড ভ্যান, প্রাইম মুভার, পিক আপ ভ্যাট, হিউম্যান হলার, অটোরিকশা ও ট্যাক্সি ক্যাবের অগ্রিম আয়কর দেড় থেকে দ্বিগুণ বাড়ানো হয়েছে।

 

৫২ আসনের বাসের কর ১৬ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা; মিনিবাসের ১১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা; কোস্টারের ১৬ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা; ৫ থেকে ২০ টন ট্রাকের কর ১৬ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা; ২০ টনের বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ট্রাকের কর ১৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

 

আগামী অর্থবছরে মোটরযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের সময় নির্ধারিত হারে অগ্রিম কর পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। কর পরিশোধের চালান দাখিল না করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়ন করতে পারবে না।

 

আগামী অর্থবছরে আইন সংশোধন করে কয়েকটি যানবাহনকে পৃথকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রেন, ট্রাক্টর, ডাম্পট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, কার্গো ভ্যান, এক্সকাভেটর, ড্রেজার, রোলার, কংক্রিট মিক্সারসহ বিভিন্ন হেভি ও স্পেশাল পারপাস ভেহিকেল। এসব যানবাহনের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম কর নির্ধারণ করা হচ্ছে।

বাস-ট্রাকে অগ্রিম আয়কর বাড়ছে

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে একাধিক নতুন উদ্যোগ ও সংস্কারের আভাস মিলেছে। নারী শিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়াতে মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ এবং প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার বিস্তৃতিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে এবারের বাজেটের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। পাঠ্যক্রম সংস্কার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দক্ষতাভিত্তিক জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি নতুন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

 

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সারা দেশে পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে নারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও হাইজিন ব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

 

ডিজিটাল শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের ধারণা, এসব পদক্ষেপ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করবে।

 

সহশিক্ষা কার্যক্রমেও গুরুত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, সাহিত্যচর্চা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে শিক্ষার অংশ হিসেবে আরও উৎসাহিত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশ পায়।

 

এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিক্ষাক্রমে নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশের বিষয়গুলোকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনাও রয়েছে।

 

ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি ও জার্মান ভাষা শেখার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ দেওয়ার প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা।

 

তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য শুধু নীতিগত ঘোষণা যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থায়ন, দক্ষ শিক্ষক, আধুনিক অবকাঠামো এবং কার্যকর বাস্তবায়ন ব্যবস্থা। তা না হলে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলোর সুফল প্রত্যাশিত মাত্রায় পাওয়া কঠিন হতে

পারে

 

 

 

মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ!

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

 

এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা অংশ নেন।

 

অনুমোদিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিকেলে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

 

আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

 

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট। এছাড়া বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আমির খসরুর প্রথম বাজেট উপস্থাপন।

 

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে এবং পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানিয়ে সই করবেন। ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে নতুন এই অর্থবছর।

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

পাসপোর্ট নবায়ন-এনআইডি সংশোধন জটিলতাসহ প্রবাসীদের নানা সমস্যা নিরসনে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

 

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে আনা একটি প্রস্তাবের (সাধারণ) ওপর আলোচনায় এ প্রস্তাব উঠে আসে।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল ‘দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধান, তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করা এবং জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার স্বার্থের বিষয়ে আলোচনা।’

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা সংসদীয় টাস্ক ফোর্স গঠন করা যায়। যে সব দেশে সমস্যাগুলা বেশি এই টাস্ক ফোর্স মাঝে মাঝে ফিজিক্যালি সেগুলা ভিজিট করবে। পরে তাদের কথা নিজ কানে শুনবে । সেখানে দূতাবাসের আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও থাকবে। এ সবকিছু মিলে আমরা যদি একটা টোটাল প্যাকেজের দিকে যাই তাহলে আরও রেমিট্যান্স বাড়বে। আমি বিশ্বাস করি এই রেমিট্যান্সে দেশ এবং জাতি বেনিফিটেড হবে।

 

প্রবাসীদের যোদ্ধা হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদের যোদ্ধা বলছি। আমরা যেন মেহেরবানি করে তাদেরকে বীরের সম্মান দিয়ে থাকি। বীর যোদ্ধারা দেশে এসে যেন বীরের সম্মান পান।

 

প্রবাসীদের শ্রমিক বলার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা তাদেরকে শ্রমিক বলি তবে আমি শ্রমিক বলতে নারাজ। তারা সবাই শ্রমিক নয়, এর মাঝে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তা হিসেবে অনেকে আছেন। আমি এই শব্দটা পরিবর্তন তাদের জন্য বলছি এবং সম্মানজনক কোন শব্দ খুঁজে বের করতে হবে। আমরা খুবই আনন্দিত আমাদের এই হাউসে বাংলা উর্দু-ফার্সি কবি রয়েছেন তারা যদি এরকম কোনো ভালো শব্দ নিয়ে আসে যেটা অন্তত তাদেরকে মানসিকভাবে কিছু সান্ত্বনা দেবে। আমি অনুরোধ করবো শ্রমিক রপ্তানি যেন না বলি। কারণ শ্রমিক রপ্তানি করা যায় না পণ্য রপ্তানি করতে হয়।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একটা বিশেষ বিষয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি হচ্ছে পাসপোর্ট সংশোধন করতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে। এমআরপি পাসপোর্ট করতে গেলে এনআইডির সঙ্গে মিল থাকতে হবে। এই একটা অফিসের কারণে এনআইডির আকার একার নামের একটু এদিক-সেদিক হয়ে থাকে। এনআইডিতে বয়সের একটু সামান্য কমবেশি হয়ে থাকে। এসব কারণে অনেকে পাসপোর্ট করতে পারে না। অনেকেই এই সমস্যার কারণে ইলিগ্যাল হয়ে যায়। এই সংখ্যা শত নয় হাজার হাজার। এ প্রবলেমটা কীভাবে সলভ করা যায় এটা দেখতে হবে। দুর্বলতা কিছু আমাদের অফিসিয়াল কিন্তু মানুষগুলো তো আমাদের এরা তো আমাদের অ্যাসেট। কীভাবে আমরা এই ব্যাপারে হেল্প করতে পারি এটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে অনেকের ঠিকানা জেলে হয়েছে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো বিদেশের মাটিতে থেকেই এনআইডি এবং পাসপোর্টের এই জটিলতা অতি সহজে কীভাবে নিরসন করা যায় দেখতে হবে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মাসের এক শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ফুলগাজী বাজারসংলগ্ন মেম্বার কলোনির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শিশুর নাম মোহাম্মদ জুনায়েদ। তার বাবার নাম মোহাম্মদ সুলতান (৩০)। তিনি নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কিতাব আলীর ছেলে। কাজের সুবাদে তিনি স্ত্রী রুনা আক্তারকে নিয়ে ফুলগাজীতে বসবাস করে আসছেন। রুনা আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী মোহাম্মদ সুলতান শিশুটিকে আছাড় মেরে হত্যা করেছেন। তবে সুলতানের দাবি, কোলে নিয়ে খেলার সময় শিশুটি তাঁর হাত থেকে পড়ে যায়।

 

সুলতান দিনমজুরের কাজ করেন। তাঁদের সংসারে একমাত্র সন্তান জুনায়েদের জন্ম হয় দুই মাস আগে। সুলতানের স্ত্রী রুনা আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার কারণে সংসারের খরচ বহন করতেন না। প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। বৃহস্পতিবার রাতেও কাজ শেষে বাসায় ফিরে সুলতান তাঁকে একটি পানীয় কিনে আনার জন্য দোকানে পাঠান। তিনি দোকান থেকে ফিরে এসে ছেলেকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

 

জানতে চাইলে রুনা আক্তার বলেন, ‘ঘরে ফিরে দেখি আমার ছেলে কোনো সাড়া দিচ্ছে না। আমি তাকে হাসপাতালে নিতে চাইলে সুলতান বাধা দেন। পরে অনেক চেষ্টার পর রাতের দিকে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছে। এর আগেও কান্না করলে শিশুটির ওপর সুলতান ক্ষুব্ধ হতেন।’

 

এদিকে আটক হওয়ার পর পুলিশকে জবানবন্দি দিয়েছেন সুলতান। পুলিশ জানায়, সুলতানের দাবি তিনি শিশুটিকে কোলে নিয়ে খেলছিলেন। এ সময় শিশুটি তাঁর হাত থেকে নিচে পড়ে যায়। এরপর শিশুটির কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি।

 

ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানভীর মাহমুদ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মাথায় গুরুতর আঘাত দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

 

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। শিশুটির বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই মাসের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ ইন) চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় সীমান্তবাসী।

 

শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস সীমান্ত পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায়।

 

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জন অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করে। পুশ ইনের চেষ্টাকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু রয়েছে। বর্তমানে তারা ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরের অংশে অবস্থান করছে।

 

প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান মুকুল বলেন, ভোরের দিকে ভারত থেকে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় জনগণ ও বিজিবি যৌথভাবে তাদের প্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করেছে।

 

প্রাগপুর বিওপির দায়িত্বপ্রাপ্ত সুবেদার আসাদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে বলেন, ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়েছিল, তবে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যাতে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় সীমান্তবাসীও সহযোগিতা করছে।

কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

নিজেদের প্রথম ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের দারুণ সূচনা পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১২ জুন) মেক্সিকোর গুয়াদালাহারার এস্তাদিও চিভাসে শুরু হওয়া ম্যাচটি হয়। যেখানে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে হিউং সনরা।

 

প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোল ও ধারাবাহিক আক্রমণে জমে ওঠে পুরো ম্যাচ। প্রথমার্ধে অধিনায়ক সন হিউং-মিন একাধিকবার সুযোগ তৈরি করলেও চেক রক্ষণভাগ দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। অন্যদিকে চেক রিপাবলিকও কিছু দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক করলেও গোলের দেখা পায়নি।

 

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ৫৯ মিনিটে লাডিসলাভ ক্রেইচি হেডে গোল করে চেক রিপাবলিককে এগিয়ে দেন। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৭ মিনিটে হুয়াং ইন-বিওম দারুণ এক শটে ম্যাচে সমতা ফেরান।

 

সমতা ফেরানোর পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে দক্ষিণ কোরিয়ার হাতে চলে যায়। ৮০ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় ও হিয়ন-গিউ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

 

শেষ দিকে চেক রিপাবলিক একাধিক আক্রমণ করলেও কোরিয়ার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক কিম সেউং-গিউ দৃঢ়ভাবে তা প্রতিহত করেন। এতে শেষ পর্যন্ত ২–১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ কোরিয়া।

চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার শুভ সূচনা

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি, বরং প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে এমন দাবি করেছেন হসপিটালটির আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। স্ট্যাটাসে শিশির মনির লেখেন, হাসপাতালের লাইসেন্স [HSM 4310058] বাতিল করেনি কর্তৃপক্ষ। বরং বাতিল করা হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স [HSM 4310059]।

 

তিনি আরও লেখেন, আদ-দ্বীন হাসপাতালের জন্য একটি লাইসেন্স রয়েছে, যা ‘to set up and run a hospital/clinic’ হিসেবে ইস্যু করা হয়েছে। এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310058। অন্যদিকে আরেকটি লাইসেন্স রয়েছে, যা ‘to set up and run a pathology center’ পরিচালনার জন্য দেওয়া হয়েছে এবং যার নম্বর HSM 4310059।

 

শিশির মনিরের পোস্টটি হুবহু দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো—

 

১। আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স। এটা কি অবহেলা না কি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। যদি অবহেলা হয়ে থাকে তাহলে কেমন ধরনের অবহেলা? আপনারাই বিবেচনা করবেন।

 

২। চলুন একটু দেখে নেই। দুটো লাইসেন্স আছে। একটি আদ-দীন হাসপাতালের জন্য। লাইসেন্সে লেখা আছে ‘ to set up and run a hospital/clinic’ [কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হল]। এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310058. অপরপক্ষে আরেকটি লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ ইস্যু করেছেন। সেখানে লিখা আছে ‘to set up and run a pathology Center’. এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310059 [কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হল]।

 

৩। এখন আসেন কারণ দর্শানো নোটিশ কি বলে? কর্তৃপক্ষ ৪ জুন ২০২৬ তারিখ কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করে [কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হল]। উক্ত নোটিশে লাইসেন্স নম্বর HSM 4310059 উল্লেখ করেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলেন। জবার দাখিলের জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়া হয়। তারপর জবাব দায়ের করা হয়।

 

৪। অতঃপর গতকাল লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এবং ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার আইনি সুযোগ দেয়া হয় [সিদ্ধান্ত নিম্নে সংযুক্ত করা হল]।

 

৫। এখন আপনারাই বিচার করেন কি হল? কোনটা বাতিল হল? hospital/Clinic নাকি pathology Center? কর্তৃপক্ষই ভাল বলতে পারবেন।

 

৬। অবহেলা না কি ইচ্ছাকৃত? অবহেলা [Negligence] হলে কেমন ধরনের অবহেলা? বিচারের ভার আপনাদের উপর রইল।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল নয়, প্যাথলজির লাইসেন্স বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ: শিশির মনির

বাগেরহাটের মোংলায় উপকূল রক্ষী বাহিনী কোস্ট গার্ডের একটি স্টেশনে অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে কোস্ট গার্ডের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন চিলা ইউনিয়নের জয়মনির ঘোল এলাকার কোস্ট গার্ড স্টেশনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

 

কোস্ট গার্ড বাহিনী জানান, সুন্দরবন উপকূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, বনদস্যু দমন ও চোরাচালান রোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জয়মনির ঘোল এলাকায় একটি স্থায়ী স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।

 

বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, নতুন এই স্টেশনটি স্থাপনের পর থেকে সুন্দরবনের বনদস্যু ও চোরাকারবারিদের লজিস্টিক সহায়তা, অস্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ কার্যক্রম পুরোপুরি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ওই অঞ্চলে অপরাধী চক্রের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই স্বার্থান্বেষী ও অপরাধী চক্র কোস্ট গার্ডকে ওই এলাকা থেকে সরাতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোস্ট গার্ড দ্রুত প্রয়োজনীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

মোংলায় কোস্ট গার্ড স্টেশনে দুর্বৃত্তদের হামলা ও ভাঙচুর, আহত বেশ কয়েকজন সদস্য

বাজেটের সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইফ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের বড় সমালোচনার জায়গাটা হচ্ছে এই বাজেটটাকে আমাদের মনে হয়েছে উচ্চ এবং বাস্তবতা বিবর্জিত। এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে সংসদ ভবনের জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেটের সামনে বাজেটের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তিনি এসব কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটটা উচ্চ ও বাস্তবতা বিবর্জিত। এই বাজেটের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা তারা ব্যয় করবে। এই আয়টা তারা বলতেছে, ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা তারা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যেটা আসলে বাস্তবতা বিবর্জিত। কারণ এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা সরকারের পক্ষে, এই প্রশাসন এবং কর কাঠামোর পক্ষে সম্ভব না। ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার যেই রাজস্ব সেটা যদি আদায় করতে না পারে স্বাভাবিকভাবে ঘাটতি কিন্তু অনেক বাড়বে। সরকারকে তখন কী করতে হবে? ব্যাংকগুলো থেকে এবং বিদেশ থেকে ঋণ নিতে হবে। এই রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা আয় অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বার্ষিক রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২৭.৩ শতাংশ। যদি আগামী অর্থবছরে সেই সর্বোচ্চ রেকর্ড করা সম্ভব হয় তাও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে। ফলে এই ঘাটতি সরকার কীভাবে মেটাবে?

 

তিনি বলেন, সরকার খুব সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে। বাজেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখাচ্ছে। একইভাবে কিন্তু এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে এটাকে। ফলে সরকার ব্যাংক থেকে আরও ঋণ বাড়াবে।

 

বিরোধী দলের চিপ হুইপ বলেন, ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা পৌঁছেছে। এটা বৈদেশিক ঋণ। আর হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রায় ১৬ গুণ বেড়েছে। ব্যাংক থেকে আরও যদি ঋণ নেয় তাহলে বেসরকারি খাতে যে চাপটা পড়বে, বেসরকারি খাতের থেকে তারা বিনিয়োগ পাবে না। তারা লোন পাবে না এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে।

 

তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের কথা বললেও ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেননি। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, লুটপাট ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়নি। বরং ব্যাংকিং খাত কীভাবে তারা সংস্কার করবে, আমরা যেই নজিরবিহীনভাবে ব্যাংকিং খাত দলীয়করণ, রাজনীতিকরণ দেখতেছি। ইসলামী ব্যাংক এটা আমাদের সামনে একটা বড় উদাহরণ।

 

তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকে এখন আবারো এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার একটা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের যেই নৈরাজ্যটা ছিল এবং আমানতকারীদের, গ্রাহকদের যে অনাস্থা, সে অনাস্থা কিন্তু নতুন করে আবার শুরু হয়েছে।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের প্রতি মানুষের যে আস্থা হওয়ার কথা ছিল, তা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে আমানতকারীদের অনাস্থা পুরো ব্যাংকিং খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে সরকারের করণীয় সম্পর্কেও কোনো স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। এসব কারণে বাজেট নিয়ে তারা খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, এই বাজেটে বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ ঋণ বাড়বে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাজেট বক্তব্য শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এটি দেশের অর্থনীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনবে না। অর্থনৈতিক সংস্কার রাজনৈতিক সংস্কার থেকে আলাদা নয়, কিন্তু বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক সংস্কারের অগ্রগতি প্রায় নেই বললেই চলে।

এ বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত: নাহিদ ইসলাম

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে গলায় উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

 

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পশ্চিম সোনারং গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন পলাতক রয়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তার মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মাজেদুল ইসলামকে উপজেলার পশ্চিম সোনারং এলাকায় জনৈক বারেক মিয়ার বাড়ির পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে জোর পূর্বক বলাৎকারের চেষ্টা করে। এ সময় শিক্ষার্থী আপত্তি জানালে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীর গলায় ও হাতে উপুর্যুপরি আঘাত করে। এতে শিক্ষার্থীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

 

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামিম জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে পুলিশ।

 

অভিযুক্ত হাফেজ মোঃ লোকমান হোসেন ভোলা জেলার চর-ফ্যাশন এলাকার ইসলাম আলীর ছেলে। সে টঙ্গীবাড়ী সোনারং পুরাতন জামে মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি টঙ্গীবাড়ী খিলপাড়া সুন্নাতুল মদিনা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর গলায় শিক্ষকের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত

পাটের মোড়ক ব্যবহার না করায় নীলফামারীতে অটো রাইস মিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা

মাইদুল ইসলাম:

(স্টাব রিপোর্টার নীলফামারী)

১১/জুন/২০২৬ইং পাটের বস্তা ব্যবহার করায় নীলফামারীর দুটি অটো রাইস মিল থেকে ২২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার বিকেলে জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নে অবস্থিত আজিজুল হক অটো রাইস মিল ও শামসুল হক অটো রাইস মিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে জরিমানা আদায় করা হয়। আজিজুল হক অটো রাইস মিলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রসেন জিৎ দাস ও শামসুল হক অটো রাইস মিলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান ভ্রাম্যমান আদাল ত পরিচালনা করা হয়। এতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা এটিএম তৈবুর রহমান। সূত্র জানায়, অভিযানকালে দুই অটো রাইস মিলে চালে পাটের মোরগ ব্যবহার না করে প্লাস্টিকের মোড়ক ব্যবহার করার সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয় দুই অটো রাইস মিল। নীলফামারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা এটিএম তৈবুর রহমান জানান, আজিজুল হক অটো রাইস মিল ১০ হাজার ও শামসুল হক অটো রাইস মিল ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে

মিল কর্তৃপক্ষ।

পাটের মোড়ক ব্যবহার না করায় নীলফামারীতে অটো রাইস মিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা

আজ থেকে পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর, যা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৬টি বিশ্বমানের স্টেডিয়ামে বসবে এবারের সবচেয়ে বড় আসরের ১০৪টি ম্যাচের মহাযজ্ঞ। দর্শকরা পাচ্ছেন আধুনিক স্থাপত্য, প্রযুক্তি ও বিশাল ধারণক্ষমতার এক অনন্য ভেন্যু অভিজ্ঞতা।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে টুর্নামেন্টের ২৩তম আসর, যেখানে প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে। ১৬টি শহরের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি, মেক্সিকোতে ৩টি এবং কানাডায় ২টি ভেন্যু রয়েছে।

 

এই আয়োজন চলবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। সবচেয়ে দূরের দুই ভেন্যু ভ্যানকুভারের বিসি প্লেসএবং মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও অ্যাজটেকা যার মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৪,৪০০ কিলোমিটার।

 

১৬টি ভেন্যু স্টেডিয়াম (দেশভিত্তিক তালিকা) এর মধ্যে মেক্সিকোতে ৩টি স্টেডিয়াম এস্তাদিও অ্যাজটেকা ,এস্তাদিও আকরন, এস্তাদিও বিবিভিএ। কানাডাতে ২টি স্টেডিয়াম বিএমও ফিল্ড, বিসি প্লেস। যুক্তরাষ্ট্রে ১১টি স্টেডিয়াম মেটলাইফ স্টেডিয়াম ,এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়াম, সোফাই স্টেডিয়াম, অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, লেভিস স্টেডিয়াম, এনআরজি স্টেডিয়াম, মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম, লিংকন ফাইন্যান্সিয়াল ফিল্ড, লুমেন ফিল্ড, হার্ড রক স্টেডিয়াম, গিলেট স্টেডিয়াম।

ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলোর বিস্তারিত জেনে নিন

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d