হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

হামলা, নাশকতাসহ নানা অভিযোগে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছে।

 

যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানান, কুমিল্লার চান্দিনায় পৃথক অভিযানে জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. আব্দুল্লাহ ও মো. ইউনুছ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে কেশব বিশ্বাস, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. ফয়সাল আহাম্মেদকে আটক করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বাতাঘাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, থানা যুবলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মো. তমিজ উদ্দিন এবং কংগাই ইউনিয়ন কৃষকলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্রেফতাররা হলেন-থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন মাদবর ও ফতুল্লা ইউনিয়ন ৫নং ওয়াড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জসু কন্ট্রাক্টর।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি কামরান হোসেন রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক মামলায় রুবেল ও সুমনকে গ্রেফতার করা হয়।

 

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গ্রেফতাররা হলেন-পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. জামাল মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক রুহুল আমিন শাকিল, মসূয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আল-আমিন ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন পায়েল।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গ্রেফতাররা হলেন-খাড়েরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া, বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের মকবুল হোসেন এবং কাইমপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন।

 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির তালুকদার ও বাগধা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

খাগড়াছড়ি পৌর যুবলীগের সদস্য আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাভারে মহাসড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগের ৬ সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।

 

কুমিল্লার চান্দিনায় গ্রেফতাররা হলেন-কেরনখাল ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, চান্দিনা পৌর শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় সদস্য হারুন অর রশিদ, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. সুমন মিয়া, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. ইয়াছিন এবং চান্দিনা পৌর আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহাবুব।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছাত্রলীগকর্মী কামরুল হাসান প্রকাশ রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি রুবেল হোসেন ও সুমন হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

রাঙামাটিতে ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন-১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য মো. নুরুল হক, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. কবির, রাঙামাটি সদর কৃষকলীগের সহসভাপতি চম্পক দাশ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. নিজাম উদ্দীন, যুবলীগ সদস্য মো. ইলিয়াছ, লংগদু উপজেলা শ্রমিকলীগের সহসভাপতি মো. ইসমাইল বেগ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. জসিম, ৯নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সদস্য মো. নয়ন, নানিয়ারচর থানা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম মিজান ও কাপ্তাই ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রাসেল। এছাড়া শাহাদত হোসেন জীবন, রাম প্রসাদ শীল, জাহিদুল ইসলাম বাবু, মো. সাইফুল ইসলাম, দুর্জয় কান্তি দে রিন্টু ও হাফিজুর রহমান।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিল্লাল হোসেন ও সজিব নামে যুবলীগের দুই কর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। গাজীপুরে পৃথক অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে হামিদুর রহমান তায়েফ সরকার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে গ্রেফতাররা হলেন-রূপসী ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহ্বায়ক আঙ্গুর ফকির, বালিয়ার আওয়ামী লীগ কর্মী হুমায়ূন কবির, ছাত্রলীগ কর্মী রহিমগঞ্জের মো. রামিম ও গোদারিয়া গ্রামের রাতুল হাসান।

 

ঝালকাঠির নলছিটিতে গ্রেফতারা হলেন-মো. মামুন হাওলাদার (মামুন মেকার), মো. সোহাগ হাওলাদার, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান রাজু।

 

পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আরজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সারাদেশের মত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল।

 

সারা দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধসহ ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবিতে সাভারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল। মঙ্গলবার দুপুরে নবীনগর জয়রেস্তরা থেকে কয়েকশ বাইক নিয়ে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলিটি।

 

 

উক্ত কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন তানভির এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল। এ সময় সাভার থানা ছাত্রদল, আশুলিয়া থানা ছাত্রদল এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আয়োজিত প্রতিরোধ সমাবেশে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বলেন, ‘ছাত্রদল দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ত্যাগের ইতিহাস ছাত্রদলের রয়েছে।

 

সাভার-আশুলিয়ায় কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীকে রাজপথে নামতে দেওয়া হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী যাতে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে ছাত্রদল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে তা প্রতিহত করবে।’

 

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল বলেন, ‘সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

 

 

এমতাবস্থায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদীদের বিচারের দাবিতে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সোচ্চার রয়েছে। যে স্বৈরাচার বাংলাদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদেরকে বাংলার মাটিতে আর মিছিলের সুযোগ দেওয়া হবে না।’

সমাবেশ থেকে বক্তারা বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এ জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সক্রিয় রয়েছেন।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় জুলাই হত্যাযজ্ঞের আরও ৩ মামলায় জামিন আবেদন করেছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি।

 

হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে যেকোনো দিন হতে পারে শুনানি।

 

এর আগে, তাকে ২ মামলায় জামিন দেয় হাইকোর্ট। এছাড়া, আরও ১৩ মামলায় তাকে কেন জামিন দেয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

 

এখন পর্যন্ত দীপু মনিকে অন্তত ৩৯টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে৷ এর মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ও জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় তার বিচার প্রক্রিয়াধীন।

 

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে পুলিশ দীপু মনিকে গ্রেফতার করে।

 

এদিকে, জুলাইয়ের একাধিক হত্যা মামলায় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, শাকিল আহমেদ ও ফারজানার রুপার জামিন শুনানি নিয়ে হাইকোর্টে রুল শুনানি হবে আগামি সপ্তাহে।

জুলাই অভ্যুত্থানের আরও ৩ মামলায় জামিন আবেদন দীপু মনির

রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৬ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. কবিরও রয়েছেন।

 

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন-মো. নুরুল হক (৫২), চম্পক দাশ (৫৪), মো. নিজাম উদ্দীন (৪২), মো. ইলিয়াছ (৩৫), মো. ইসমাইল (৫৯), মো. জসিম (৩৮), মো. নয়ন (১৯), মো. তারিকুল ইসলাম (৪৫), মো. রাসেল (৩৮), শাহাদত হোসেন (৩২), রাম প্রসাদ শীল (৪৫), জাহিদুল ইসলাম (২৪), মো. সাইফুল ইসলাম (২৫), দুর্জয় কান্তি দে (২৬) ও হাফিজুর রহমান (২৯)।

 

পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৬ জন গ্রেপ্তার

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’ বসেছে। তারা সেখানে দুর্নীতি ও অনিয়মসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

 

নাসীরুদ্দীন জামায়াতের প্রয়াত নেতা মাওলানা সাঈদীর কথা স্মরণ করে বলেন, এই চট্টগ্রামে আল্লামা সাঈদীর ঐতিহাসিক বক্তব্য রয়েছে।

 

ভারত সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, আমরা বাংলাদেশের সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করি না। যেদিন সীমান্তে হত্যা বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে অবৈধভাবে হত্যা করা হবে না, সেদিনই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রকৃত অর্থে ন্যায্য ও স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

 

এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, তাদের দল চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এটি কোনো বাজেট নয়, বরং দলীয় লোকজনের জন্য তৈরি একটি গেজেট। এর মাধ্যমে দেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এই বাজেটে শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম কিংবা মুগ্ধের আত্মত্যাগের প্রতিফলন নেই। তাই এই বাজেটের প্রতি ধিক্কার জানাই।

পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আলোচিত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদ প্রধানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

নাছির উদ্দীন লিখেছেন, আবারও প্রমাণিত হলো, জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে জামায়াতের আমির, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং শিবির-নিয়ন্ত্রিত বট ও ফেক আইডিগুলো থেকে। পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে

তিনি আরও লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ঘটনাটিকে অপহরণ ও ‘গুম’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য এবং অনলাইন সমর্থকদের প্রচারণায় এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয় যেন এটি রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্টতার কোনো গুরুতর ঘটনা। অথচ ‘গুম’ শব্দটি কোনো সাধারণ অভিযোগ নয়; এটি একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার প্রশ্ন জড়িত থাকে।

 

পোস্টে লিখেন, এখন পুলিশি তদন্তের প্রাথমিক তথ্য বলছে, ঘটনাটি অপহরণ বা গুম নয়। বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে। যদি তদন্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—কোনো রাজনৈতিক দল কি এত বড় অভিযোগ উত্থাপনের আগে ন্যূনতম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনও অনুভব করে না?

 

পোস্টে উল্লেখ করেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিতভাবে ‘গুম’ বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি অপ্রমাণিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবেগ উসকে দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ পরে যখন ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে তখন সেই প্রচারণার দায় কেউ নিচ্ছে না।

 

তিনি লিখেন, বারবার দেখা যাচ্ছে, তথ্যের চেয়ে বয়ানকে এবং সত্যের চেয়ে মিথ্যা প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বক্তব্য যদি যাচাইকৃত তথ্যের পরিবর্তে অনুমান, গুজব কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ওপর দাঁড়ায়, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না; বরং প্রকৃত গুম, অপহরণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর গুরুত্বও কমিয়ে দেয়।

 

সবশেষে লিখেন, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে জনগণ সত্যভিত্তিক অবস্থান প্রত্যাশা করে, প্রোপাগান্ডা নয়। জিসান ইস্যুতে অন্তত এটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে, অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যতটা তৎপরতা দেখানো হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার সামান্য অংশও দেখা যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রবণতা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জন আস্থার জন্য মোটেও শুভ নয়।।

 

 

মিথ্যা তথ্য প্রচার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে’

বাজেটের সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইফ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের বড় সমালোচনার জায়গাটা হচ্ছে এই বাজেটটাকে আমাদের মনে হয়েছে উচ্চ এবং বাস্তবতা বিবর্জিত। এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে সংসদ ভবনের জেনারেল এম এ জি ওসমানী গেটের সামনে বাজেটের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তিনি এসব কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটটা উচ্চ ও বাস্তবতা বিবর্জিত। এই বাজেটের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা তারা ব্যয় করবে। এই আয়টা তারা বলতেছে, ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা তারা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যেটা আসলে বাস্তবতা বিবর্জিত। কারণ এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা সরকারের পক্ষে, এই প্রশাসন এবং কর কাঠামোর পক্ষে সম্ভব না। ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার যেই রাজস্ব সেটা যদি আদায় করতে না পারে স্বাভাবিকভাবে ঘাটতি কিন্তু অনেক বাড়বে। সরকারকে তখন কী করতে হবে? ব্যাংকগুলো থেকে এবং বিদেশ থেকে ঋণ নিতে হবে। এই রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা আয় অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধির হার অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বার্ষিক রাজস্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২৭.৩ শতাংশ। যদি আগামী অর্থবছরে সেই সর্বোচ্চ রেকর্ড করা সম্ভব হয় তাও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকবে। ফলে এই ঘাটতি সরকার কীভাবে মেটাবে?

 

তিনি বলেন, সরকার খুব সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে। বাজেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখাচ্ছে। একইভাবে কিন্তু এটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট হবে। ঋণগ্রস্ত বাজেট বলা যেতে পারে এটাকে। ফলে সরকার ব্যাংক থেকে আরও ঋণ বাড়াবে।

 

বিরোধী দলের চিপ হুইপ বলেন, ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা পৌঁছেছে। এটা বৈদেশিক ঋণ। আর হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রায় ১৬ গুণ বেড়েছে। ব্যাংক থেকে আরও যদি ঋণ নেয় তাহলে বেসরকারি খাতে যে চাপটা পড়বে, বেসরকারি খাতের থেকে তারা বিনিয়োগ পাবে না। তারা লোন পাবে না এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে।

 

তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের কথা বললেও ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেননি। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, লুটপাট ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়নি। বরং ব্যাংকিং খাত কীভাবে তারা সংস্কার করবে, আমরা যেই নজিরবিহীনভাবে ব্যাংকিং খাত দলীয়করণ, রাজনীতিকরণ দেখতেছি। ইসলামী ব্যাংক এটা আমাদের সামনে একটা বড় উদাহরণ।

 

তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকে এখন আবারো এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার একটা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের যেই নৈরাজ্যটা ছিল এবং আমানতকারীদের, গ্রাহকদের যে অনাস্থা, সে অনাস্থা কিন্তু নতুন করে আবার শুরু হয়েছে।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের প্রতি মানুষের যে আস্থা হওয়ার কথা ছিল, তা এখনো তৈরি হয়নি। ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে আমানতকারীদের অনাস্থা পুরো ব্যাংকিং খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে সরকারের করণীয় সম্পর্কেও কোনো স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। এসব কারণে বাজেট নিয়ে তারা খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছেন না।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, এই বাজেটে বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ ঋণ বাড়বে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাজেট বক্তব্য শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও এটি দেশের অর্থনীতিতে কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনবে না। অর্থনৈতিক সংস্কার রাজনৈতিক সংস্কার থেকে আলাদা নয়, কিন্তু বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক সংস্কারের অগ্রগতি প্রায় নেই বললেই চলে।

এ বাজেট বাস্তবতা বিবর্জিত: নাহিদ ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নীলফামারীতে ৩ লক্ষাধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে নীলফামারীতে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে বুধবার (২৪ জুন ) দুপুরে জেলা ইপিআই ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা.আব্দুর রাজ্জাক জালান, আগামী ২৮ জুন সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত জেলার ৬ উপজেলা ও ৪ পৌরসভায় দিনব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় জেলার ৩ লাখ ৭ হাজার ২৬২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তিনি জানান, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৩১ হাজার ৪০৯ জন শিশুসহ ১০৫ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলার ৬১টি ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভায় ১ হাজার ৫০৯ টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ১৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রথম সারির ১৯১ জন সুপারভাইজার ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মনিটরিং টিম কেন্দ্রগুলো তদারকি করবে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার আতিউর রহমান শেখ আতিকসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নীলফামারীতে ৩ লক্ষাধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল 

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৯তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

২৪ ই জুন সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশন হল রুমের

সভায় সভাপতিত্ব করেন, প্রশাসক জনাব মোঃ শওকত হোসেন সরকার।

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় মিজ্ তানজিলা খানম (যুগ্মসচিব), সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ সানিউল কাদের, প্রধান প্রকৌশলী জনাব মোঃ আব্দুল বারেক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জনাব সুদীপ বসাক, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা এবং কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধানগণ।

 

সভায় গত কর্পোরেশন সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, ডিপিপি, রাজস্ব, স্বাস্থ্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

এছাড়াও নগরবাসীর সেবার মানোন্নয়ন, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং গাজীপুর মহানগরীর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৯তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রীপুরে ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

 

মুজাহিদ শেখ,শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি:

 

মাগুরার শ্রীপুরে জনসাধারণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশজুড়ে ৭০০টিরও বেশি প্লাজায় একযোগে আয়োজিত বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার (২৪ জুন) শ্রীপুর শাখা কার্যালয়ে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

 

আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পে আগত সেবাগ্রহীতাদের অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি রোগীদের মাঝে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং রক্তচাপ নির্ণয়সহ বিভিন্ন সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।

 

এর আগে জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশব্যাপী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার মাহবুবুল আলম খালিদ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান। শ্রীপুরে স্থানীয়ভাবে এই ক্যাম্পের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন প্লাজার শাখা ম্যানেজার মো: ইব্রাহিম খলিল। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

শ্রীপুরে ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

ঠাকুরগাঁওয়ে ঋণের চাপে হতাশা হয়ে আত্মহত্যা

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।

 

ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত ভুল্লী উপজেলার ৩নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আইয়ুব আলী (৬০) নামে এক ব্যক্তি। বুধবার (২৪ জুন) সকালে ভূল্লী উপজেলার ৩ নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বারমারা ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত আইয়ুব আলী ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. ঝরু মিয়ার ছেলে। পরিবারের সদস্যদের অগোচরে তিনি বাড়ির পাশের একটি গাছে রশি দিয়ে ফাঁস নেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।

 

এলাকাবাসীর ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে ঋণের বোঝা নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন আইয়ুব আলী। ঋণ পরিশোধের জন্য তিনি নিজের অনেক সম্পদ বিক্রি করলেও পুরো ঋণ শোধ করতে পারেননি। এ কারণে তিনি হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

ঠাকুরগাঁওয়ে ঋণের চাপে হতাশা হয়ে আত্মহত্যা

এইচএসসি পরীক্ষায় কোনও শিক্ষার্থী নকল করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার (২৪ জুন) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলে জড়িত কাউকে কোনও ধরনের ছাড় দেয়া হবে।

 

তিনি বলেন, পরীক্ষকদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এলোমেলোভাবে উত্তরপত্র পুনরায় যাচাই করা হবে। কোনও পরীক্ষক সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করলে বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

 

এছাড়া, ২০২২ সাল থেকে যেসব শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর ভাতা পাননি, তাদের বকেয়া অবসর ভাতা আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হবে।

 

দেশে ৬০ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে, যা দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এইচএসসি পরীক্ষায় নকল করলে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ড মুখোমুখি হওয়ার আগে পরিসংখ্যানই ইঙ্গিত দিচ্ছে সেলেসাওদের এগিয়ে থাকার গল্প। বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। যেখানে ড্র করলেই দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার এই পরাশক্তির।

 

গ্রুপে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ইতোমধ্যে ভালো অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপ সেরা হওয়ার লক্ষ্যেই এবার স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে নামছে তারা। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলে স্বস্তির খবর হয়ে এসেছে নেইমারের প্রত্যাবর্তন। যা আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপে যুক্তরাজ্যের দলগুলোর বিপক্ষে ব্রাজিলের সাফল্যের হার ৮৬.৭ শতাংশ, আর ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে এই হার ৬৫.৪ শতাংশ। বিশ্বকাপে গ্রেট ব্রিটেনের দলগুলোর বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০ ম্যাচে অপরাজিত ব্রাজিল ৮ জয় ও ২ ড্র।

 

বিশেষ করে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলছে। দুই দল বিশ্বকাপে চারবার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ব্রাজিলের ৩ জয় ও ১ ড্র রয়েছে। ১৯৭৪ সালে গোলশূন্য ড্র দিয়ে শুরু হলেও এরপর ১৯৮২ সালে ৪-১, ১৯৯০ সালে ১-০ এবং ১৯৯৮ সালে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় সেলেসাওরা।

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একই ধরনের দাপট দেখিয়েছে ব্রাজিল ৩ জয় ও ১ ড্র। পাশাপাশি ওয়েলসকে ১৯৫৮ সালে ১-০ এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডকে ১৯৮৬ সালে ৩-০ গোলে হারিয়েছে তারা। সর্বশেষ যুক্তরাজ্যের কোনো দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচ ছিল ২০০২ সালে, যেখানে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা অভিযানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

 

তবে একটি অদ্ভুত কাকতালীয় তথ্যও রয়েছে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে কোনোবারই বিশ্বকাপ জিততে পারেনি ব্রাজিল। তাই পরিসংখ্যানের দাপট থাকলেও ইতিহাসের এই ব্যতিক্রমী ছায়া ম্যাচটিকে কিছুটা ভিন্ন মাত্রা দিচ্ছে।

স্কটল্যান্ডকে হারালে আরেক বিপদ ব্রাজিলের

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ফুটবল বিশ্বকাপের মহোৎসব চলছে, আর সেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় ফাইনালের মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন না—এমনটা তো ভাবাই যায় না। শেষ পর্যন্ত সেই ধারণাই সত্যি হতে যাচ্ছে। আগামী রোববার (১৯ জুলাই) নিউইয়র্ক-নিউজার্সি স্টেডিয়ামে ২০২৬ বিশ্বকাপের মেগা ফাইনাল শেষে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হাতে সোনালী ট্রফিটি তুলে দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

 

বুধবার (২৪ জুন) এক জমকালো সংবাদ সম্মেলনে এই হাইভোল্টেজ খবরটি অফিশিয়ালি নিশ্চিত করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

 

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালেও গ্যালারিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে ফুটবলারদের উৎসাহিত করেছিলেন তিনি। যদিও চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এখন পর্যন্ত ভিআইপি বক্সে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেখা যায়নি, তবে ফাইনালের মেগা মঞ্চটি তিনি কোনোভাবেই হাতছাড়া করছেন না।

 

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে ট্রাম্পের ট্রফি তুলে দেওয়ার এই বিষয়টি বৈশ্বিক গণমাধ্যমে বড় ‘খবর’ হওয়ার পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ডেডলক। কারণ, গত দুটি আসরে আয়োজক দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানদের ফাইনালের মঞ্চে ট্রফি হাতে দেখা যায়নি।

 

২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে পুতিন এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করলেও পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে যাননি। ফলে দীর্ঘ ৮ বছর পর কোনো বিশ্বমঞ্চের ফাইনালে ট্রফি দেওয়ার প্রথা ভাঙতে যাচ্ছেন ট্রাম্প।

বিশ্বকাপ ফাইনালে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন ট্রাম্প

হামলা, নাশকতাসহ নানা অভিযোগে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছে।

 

যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানান, কুমিল্লার চান্দিনায় পৃথক অভিযানে জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. আব্দুল্লাহ ও মো. ইউনুছ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে কেশব বিশ্বাস, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. ফয়সাল আহাম্মেদকে আটক করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বাতাঘাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, থানা যুবলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মো. তমিজ উদ্দিন এবং কংগাই ইউনিয়ন কৃষকলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্রেফতাররা হলেন-থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন মাদবর ও ফতুল্লা ইউনিয়ন ৫নং ওয়াড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জসু কন্ট্রাক্টর।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি কামরান হোসেন রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক মামলায় রুবেল ও সুমনকে গ্রেফতার করা হয়।

 

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গ্রেফতাররা হলেন-পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. জামাল মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক রুহুল আমিন শাকিল, মসূয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আল-আমিন ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন পায়েল।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গ্রেফতাররা হলেন-খাড়েরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া, বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের মকবুল হোসেন এবং কাইমপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন।

 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির তালুকদার ও বাগধা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

খাগড়াছড়ি পৌর যুবলীগের সদস্য আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাভারে মহাসড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগের ৬ সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।

 

কুমিল্লার চান্দিনায় গ্রেফতাররা হলেন-কেরনখাল ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, চান্দিনা পৌর শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় সদস্য হারুন অর রশিদ, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. সুমন মিয়া, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. ইয়াছিন এবং চান্দিনা পৌর আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহাবুব।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছাত্রলীগকর্মী কামরুল হাসান প্রকাশ রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি রুবেল হোসেন ও সুমন হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

রাঙামাটিতে ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন-১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য মো. নুরুল হক, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. কবির, রাঙামাটি সদর কৃষকলীগের সহসভাপতি চম্পক দাশ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. নিজাম উদ্দীন, যুবলীগ সদস্য মো. ইলিয়াছ, লংগদু উপজেলা শ্রমিকলীগের সহসভাপতি মো. ইসমাইল বেগ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. জসিম, ৯নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সদস্য মো. নয়ন, নানিয়ারচর থানা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম মিজান ও কাপ্তাই ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রাসেল। এছাড়া শাহাদত হোসেন জীবন, রাম প্রসাদ শীল, জাহিদুল ইসলাম বাবু, মো. সাইফুল ইসলাম, দুর্জয় কান্তি দে রিন্টু ও হাফিজুর রহমান।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিল্লাল হোসেন ও সজিব নামে যুবলীগের দুই কর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। গাজীপুরে পৃথক অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে হামিদুর রহমান তায়েফ সরকার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে গ্রেফতাররা হলেন-রূপসী ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহ্বায়ক আঙ্গুর ফকির, বালিয়ার আওয়ামী লীগ কর্মী হুমায়ূন কবির, ছাত্রলীগ কর্মী রহিমগঞ্জের মো. রামিম ও গোদারিয়া গ্রামের রাতুল হাসান।

 

ঝালকাঠির নলছিটিতে গ্রেফতারা হলেন-মো. মামুন হাওলাদার (মামুন মেকার), মো. সোহাগ হাওলাদার, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান রাজু।

 

পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আরজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

দীর্ঘদিন ধরে ফিফা বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ছিল ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর দখলে। পরে সেই রেকর্ড নিজের করে নেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা। আর এক যুগ পর ইতিহাসের নতুন শীর্ষে উঠে এসেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। রোনালদোর মতে, এই রেকর্ডের প্রকৃত দাবিদারও মেসিই।

 

বিশ্বকাপের নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। দলের জয়ের দুই গোলই করেন মেসি। এই জোড়া গোলের সুবাদে ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেছেন তিনি।

 

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে ২৮ ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮। এর আগে ২০০২ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপ খেলে ১৬ গোল নিয়ে শীর্ষে ছিলেন ক্লোসা। তিনি ২০০৬ সালে রোনালদোর ১৫ গোলের রেকর্ড ভেঙে নতুন মানদণ্ড গড়েছিলেন।

 

চলতি আসরের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে ১৬ গোলের মাইলফলকে পৌঁছে ক্লোসার পাশে নাম লেখান মেসি। এরপর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আরও দুটি গোল করে এককভাবে শীর্ষস্থান দখল করেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

 

এই কীর্তির পর মেসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্লোসা। জার্মান কিংবদন্তি তাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবেও অভিহিত করেছেন। একই সুরে কথা বলেছেন রোনালদো। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে’কিপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি বলেন, বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড মেসির কাছেই সবচেয়ে বেশি মানানসই।

 

রোনালদো বলেন, ‘ফুটবলের দেবতাদের কাছে এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে সে অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি যদি কারও প্রাপ্য হয়, তবে সেটি অবশ্যই মেসির।’

 

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের দিন মেসির বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৬৩ দিন। এরই মধ্যে ৩৯ বছরে পা দিয়েছেন তিনি। এই বয়সেও দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রাখায় মেসির প্রশংসা করতে গিয়ে মজার ছলেই নিজের প্রসঙ্গ টানেন রোনালদো।

 

হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘তার বয়স ৩৮, হে ঈশ্বর! ৩৮ বছর বয়সে আমি তো চার বছর আগেই অবসর নিয়েছিলাম। তখন আমার ওজন ছিল প্রায় ১২০ কেজি!’

 

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতারা

 

১. লিওনেল মেসি — ১৮ গোল (২০০৬-২০২৬)

 

২. কিলিয়ান এমবাপে — ১৬ গোল (২০১৮-২০২৬)

 

৩. মিরোস্লাভ ক্লোসা — ১৬ গোল (২০০২-২০১৪)

 

৪. রোনালদো — ১৫ গোল (১৯৯৪-২০০৬)

 

৫. গার্ড মুলার — ১৪ গোল (১৯৭০-১৯৭৪)

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি মেসিরই প্রাপ্য: রোনালদো

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ৮ বছরের শিশু রামিসার মৃত্যুশোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি তার মা। প্রিয় সন্তানের অকাল ও নির্মম বিদায়ের পর থেকেই তিনি গভীর মানসিক আঘাতে ভুগছেন। একইসাথে দীর্ঘদিন ধরে চলমান শারীরিক জটিলতা— বুকে ব্যথা, নিউরোলজিকাল (ভার্টিগো) ও পরিপাকতন্ত্রজনিত সমস্যায় তার জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে।

 

এই অসহায় অবস্থায় রামিসার বাবা বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলামের শরণাপন্ন হন। বিষয়টি জানার পর দ্রুত মানবিক উদ্যোগ নেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে তাকে রাজধানীর একটি বিশেষায়িত মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

জানা গেছে, রামিসার মায়ের চিকিৎসার জন্য গঠন করা হবে একটি সমন্বিত বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড। যেখানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ এবং পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞরা থাকবেন বলে জানান অধ্যাপক ডা. রফিক। তিনি আরও জানান, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই তার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

 

ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, সন্তানের মৃত্যু-পরবর্তী গভীর শোক ও মানসিক আঘাতের কারণে তার শারীরিক উপসর্গগুলো আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ও সাইকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে তার কাউন্সেলিং ও চিকিৎসা শুরু হয়েছে।

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও, বিস্তারিত পরীক্ষার পরই পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

 

পরিবার ও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থতার পথে ফিরতে পারবেন।

রামিসার মায়ের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিক

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d