ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আমিনবাজার ও দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি প্রকল্প নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

আজ রোববার (১২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এ কথা জানান।

 

তিনি জানান, বৈঠকে বলা হয় চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি প্রতিদিন ঢাকা শহরের প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

 

এছাড়া ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে প্রকল্পটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২৫ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

 

শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বি অ্যান্ড এফ কোম্পানি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

 

এ প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে বর্জ্য থেকে প্রায় ১৫ হাজার টন মিথেন গ্যাস উৎপাদিত হবে, যা থেকে বছরে প্রায় ৮১ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এটি দৈনিক প্রায় ২২১ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমতুল্য।

 

তিনি বলেন, এছাড়া এ প্রকল্প থেকে সৌরবিদ্যুৎ, সার, পশুখাদ্য এবং পরিবেশবান্ধব ইকো-ব্রিকস উৎপাদন করা হবে। এ প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।

 

এটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

 

প্রকল্প দুটি দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন।

 

শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


ঢাকা মেডিকেলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাঁশখালীর গুনাগরি এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঢুকতেই হঠাৎ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এই ডাক। কেউ ঘরের বারান্দা থেকে, কেউ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র থেকে, আবার কেউ কোমরসমান পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে অন্যদের খবর দিচ্ছিলেন। কয়েকজন শিশু দৌড়ে সামনে চলে যায়। বয়স্করাও ভিড় করে রাস্তার পাশে।

 

‘দাদু’—এই একটি শব্দেই সবাই চিনে ফেলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে। নির্বাচনের আগ থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই সম্বোধন এখন অনেকের মুখে মুখে। শুক্রবার বাঁশখালীর বন্যাকবলিত এলাকায় তার সফরের সময় সেই ডাক যেন বাস্তব দৃশ্যে রূপ নেয়।

ডা. শফিকুর রহমান গাড়ি থেকে নেমে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। এরপর লাবুর দোকানের পাশে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে যান। সেখানে তিন দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আশ্রয় নেওয়া শতাধিক পরিবারের হাতে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।

 

ত্রাণ বিতরণ শেষ করেই তিনি থেমে থাকেননি। যে বাড়িগুলোতে পানি ঢুকে মানুষ বের হতে পারছেন না, সেগুলো দেখতে নিজেই এগিয়ে যান। পাঞ্জাবির নিচের অংশ গুটিয়ে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে একের পর এক বাড়িতে পৌঁছান। কোথাও দরজার সামনে দাঁড়িয়ে খোঁজ নেন, কোথাও ঘরের ভেতরে থাকা শিশু ও বৃদ্ধদের সঙ্গে কথা বলেন। কারও হাতে তুলে দেন সহায়তা, কারও কাঁধে হাত রেখে সাহস জোগান।

 

গুনাগরির বাসিন্দা আহমেদ হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে আমরা পানির মধ্যে আছি। অনেকেই এসেছে, ছবি তুলে চলে গেছে। কিন্তু উনি আমাদের ঘরের সামনে পর্যন্ত এসে খোঁজ নিয়েছেন।

 

লাবুর দোকানের দ্বিতীয় তলায় আশ্রয় নেওয়া ফারাছা বেগম বলেন, আমাদের ঘরের চাল পর্যন্ত পানি। আমরা শুধু প্রাণ নিয়ে বের হয়েছি। উনি এসে আমাদের কথা শুনেছেন। সাহায্য দিয়েছেন। এতে মনে হচ্ছে কেউ অন্তত আমাদের কথা ভাবছে।

 

স্থানীয় তরুণ রুবেল হোসেন বলেন, মানুষ তাকে ‘দাদু’ বলে ডাকে। আজ দেখলাম, ডাক শুনে তিনি মানুষের কাছেই চলে গেলেন। নিরাপদ জায়গায় দাঁড়িয়ে ত্রাণ দিয়ে ফিরে যাননি।

 

একই আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা কিরণ বালা জলদাস বলেন, আমার সঙ্গে ছোট নাতি আছে, আবার ২০ দিনের একটা শিশুও আছে। উনি এসে বাচ্চাদের খোঁজ নিলেন। এই সময় কেউ পাশে দাঁড়ালে সাহস পাওয়া যায়।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, গুনাগরির অন্তত ৩০০টি বাড়ি পানির নিচে। অনেক পরিবার তিন দিন ধরে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। কেউ স্কুলে, কেউ দোকানের দোতলায়, কেউ আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ।

 

ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।

 

তিনি বলেন, আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি। বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি। চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কথা শুনতেই এসেছি।

 

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিরোধী দল বিষয়টি উত্থাপন করেছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানুষের দুর্ভোগ কাগজে-কলমে বোঝা যায় না। মাঠে এসে না দেখলে এই কষ্ট অনুভব করা সম্ভব নয়। সরকারের উচিত দ্রুত উদ্ধার, পুনর্বাসন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা।

 

সাম্প্রতিক বন্যা, পাহাড়ধস ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। মহান আল্লাহ তাদের মাগফিরাত দান করুন।

 

বক্তব্য শেষ করে তিনি আবারও পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের দিকে এগিয়ে যান। কেউ তার সঙ্গে হাত মেলাতে চান, কেউ ছবি তুলতে চান, আবার কেউ শুধু নিজের ক্ষতির কথা বলতে চান।

 

পেছন থেকে তখনও ভেসে আসছিল একই ডাক ‘দাদু আসছে… দাদু আসছে…’

বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি : জামায়াত আমির

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাসমূহের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয় এ তথ্য।

 

এতে বলা হয়, দুর্যোগের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ফলে সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় প্রকৌশল সরঞ্জাম ও ভারী যন্ত্রপাতির সহায়তায় মাটি ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে কাজ করছেন। একই সঙ্গে ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকা থেকে প্রায় ২২১ টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

 

এছাড়া দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে উদ্ধারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ পর্যন্ত বান্দরবান থেকে ১৪০ জন এবং সাজেকে আটকে পড়া প্রায় ৬০০ জন পর্যটকের মধ্যে প্রথম ধাপে ১৫০ জনকে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট পর্যটকদের পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলুসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, যোগাযোগ পুনঃস্থাপন ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জাতীয় সংকটে জনগণের জীবন, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা-পাহাড়ধসে সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে পঞ্চদশ সংশোধনীর রায়ের বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন তত্তাবধায়ক সরকার অধীনে অনুষ্ঠিত হবে৷ তবে কোন ফরমেটে হবে, সেটি বিভিন্ন অংশীজনের সাথে কথা বলে ঠিক করা হবে।

 

এসময় তিনি আরও বলেন, পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে, জুলাই চার্টাডকে যেনো মুখ্য বিবেচনায় রাখা হয় সে কথা মাথায় রেখে পঞ্চদশ সংশোধনীর রায়ের আলোকে সংবিধানের সংশোধনী বিল আনা হবে। সেক্ষেত্রে মুখ্য বিবেচনা থাকবে জুলাই চার্টাড।

আগামী সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ৩১ আগস্ট প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে সকল উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নিবন্ধন কর্মকর্তাদের এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

 

ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের লক্ষ্যে ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর ধারা ৩ (জ) অনুযায়ী যোগ্যতা অর্জনের তারিখ হিসেবে ৩১ জুলাই ২০০৮ কমিশন নির্ধারণ করেছে। সে প্রেক্ষিতে ভোটার তালিকা ডেটাবেইজে ৩১ জুলাই ২০০৮ তারিখ বা তার পূর্বে যাদের জন্ম এমন ব্যক্তিদের মধ্যে ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত যারা ডেটাবেইজে নিবন্ধিত হয়েছেন বা হবেন তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদন দাখিল এবং দাখিলকৃত আবেদন নিষ্পত্তি করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ সংক্রান্তে বিস্তারিত সময়সূচি কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।

 

এতে আরও বলা হয়েছে, হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত ও মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারের নিকট লিংক প্রেরণের শেষ তারিখ আগামি ৪ আগস্ট, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ৯ আগস্ট, দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদন দাখিলের শেষ তারিখ ২৪ আগস্ট, সংশোধনকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত আবেদনসমূহ নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ২৭ আগস্ট, দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত আবেদনের ওপর গৃহীত সিদ্ধান্ত সন্নিবেশের শেষ তারিখ ২৮ আগস্ট, হালনাগাদকৃত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট।

 

এতে আরও বলা হয়, এ কার্যক্রম চলাকালীন মুদ্রিত খসড়া ভোটার তালিকা জনসাধারণের পরিদর্শন ও ভুলত্রুটি সংশোধনের আবেদন দাখিলের আহবান জানিয়ে মসজিদ/মন্দিরসহ ধর্মীয় উপসনালয়ে ইমাম/পুরোহিতগণের মাধ্যমে নামাজ/প্রার্থনার আগে বা পরে ঘোষণা প্রদান, স্থানীয় সাংবাদিক ও ক্যাবল অপারেটরের মাধ্যমে জনস্বার্থে তা প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

আগামী ৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. জাহিদুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, বৈদেশিক শ্রমবাজার সুসংহতকরণ, সম্প্রসারণ ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা এবং তাদের ভাষাগত সমস্যা দূর করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।

 

তিনি আরও বলেন, এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমান ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিসহ মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান-উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ট্রেড কোর্সে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

৫ বছরে বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা সরকারের: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। তিনি পেশাগত জীবনে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে সফল এবং কালারফুল। ব্যক্তি এবং দল হিসেবে আমি এবং আমরা তার ক্লায়েন্ট ছিলাম।

 

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে স্মরণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিশেষ করে আমাদের কষ্টের দিনগুলোতে, সেই ওয়ান-ইলেভেন আমলে আইনের যাঁতাকলে যখন আমরা পিষ্ট, তখন প্রায়ই আমরা তার কাছে যেতাম, দ্বারস্থ হতাম। তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েই শুধু আমাদের কাজ সারেননি, বরং আমাদের মজলুম নেতৃবৃন্দের পক্ষে তিনি আদালতে বারবার দাঁড়িয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, এরকম তো আরও অনেকেই দাঁড়িয়েছেন, কিন্তু তিনি একদিক দিয়ে ভীষণ ব্যতিক্রম ছিলেন। প্রথমবার থেকেই আমরা চেষ্টা করেছি, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাকে কিছু ফি দেওয়ার। শেষ পর্যন্ত আমরা এই কাজে সফল হইনি।

 

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তার এই অবদান স্মরণ করে আমার চোখে পানি আসছে। আমরা তার ঋণ পরিশোধ করতে পারবো না। তিনি স্পিকার হিসেবে পার্লামেন্টকে প্রাণবন্ত করে রাখতেন, আর আইনের অঙ্গনে তিনি অনেকের গুরু। তার চলন-বলন, সবকিছুই ছিল শিক্ষণীয়।

ব্যক্তি-দল হিসেবে জমির উদ্দিন সরকারের ক্লায়েন্ট ছিলাম: বিরোধীদলীয় নেতা

নীলফামারীতে ট্রাক চাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

 

মাইদুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার

জেলা নীলফামারী; নীলফামারী ডোমার উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারী চালিত যাত্রীবাহী মিথিলার ভ্যানচালক সহ একই পরিবারের

তিনজনসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। রবিবার (১২জুলাই)

বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে জলঢাকা-ডোমার আঞ্চলিক সড়কের একবট নামক স্থানে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ সময় একজন আহত হয়। নিহতরা হলেন ডোমার উপজেলার

পাঙ্গামটকপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নদীয়াপাড়ার ওলি বর্মনের ছেলে মিথিলা ভ্যানচালক পরিমল বর্ম্মন (৪০), নিহত পরিমলের ছোট ভাই প্রদীপ বম্মনের স্ত্রী প্রতিমা বম্মন (৩০), তার দুই সন্তান বিপাশা বর্ম্মণ(৪) ও অপরযাত্রী শহিদুল ইসলামকে (৪০) উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদশীরা জানান, পরিবারটি ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের মোড়ালের ডাঙ্গা এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। এ সময় জলঢাকা থেকে তোমাদের দিকে আসছিল একটি ট্রাক (বগুড়া ট ১৯-২৪৭২) দ্রুতগতিতে এসে ওই সড়কের এক বট নামক স্থানে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী মিথিলাকে ধাক্কা দেয়। এরপর ট্রাকটি সড়কের ধারে পড়ে যায়। এতে মিথিলার চালক সহ একই পরিবারের ৪ যাত্রীরা ঘটনাস্থলে নিহত হয় ও নিহত প্রতিমার জনসন্তান নম্রত বর্ম্মন ও অপর যাত্রী শহিদুল ইসলাম আহত হয়। খবর পেয়ে ডোমার ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও এলাকাবাসী নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে ডোমার হাসপাতালে

নেয়। এখান থেকে আহত দুইজনকে রংপুর মেডিকেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ডোমার থানার (ওসি) হাবিবুল্লাহ হাবিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

নীলফামারীতে ট্রাক চাপায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

গাইবান্ধায় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. উজ্জল মিয়া (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

 

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধা সদর থানাধীন ২নং মালিবাড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কিসামত মালিবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামস্থ জনৈক লাল মিয়ার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মাদক কেনাবেচার সময় মো. উজ্জল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তার পরিহিত প্যান্টের সামনের বাম পকেট থেকে বিশেষ কায়দায় রাখা সাদা পলিথিনে মোড়ানো ৭০ পিস কমলা রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মো. উজ্জল মিয়া গাইবান্ধা সদর থানার কাউন্সিলর বাজার এলাকার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।

গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। বর্তমানে ওই এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের এমন কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

গাইবান্ধায় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ 

গাইবান্ধায় ঘুমন্ত চাচাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ভাতিজার বিরুদ্ধে

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে চাচাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আপন ভাতিজার বিরুদ্ধে। জেলার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের কেতকিরহাট মাঝিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ভাতিজা পলাতক রয়েছে।

 

নিহত শাহ জালালের স্ত্রী পারুল বেগম জানান, রবিবার গভীর রাতে কৌশলে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে আপন ভাতিজা গোলাম হোসেন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আপন চাচা শাহ জালালের গলা কেটে ফেলে। গোঙানীর শব্দ শুনে শাহ জালালের স্ত্রী পারুল বেগম পাশের ঘর থেকে উঠে আসলে গোলাম হোসেন পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলেই মারা যান শাহ জালাল।

নিহত শাহ জালালের ছেলে পাঞ্চু মিয়া জানায়,

যাতে কেউ তাকে ধরতে না পারে, সেজন্য তার বাবাকে হত্যার আগে বাহির থেকে প্রতিবেশীদের ঘরের দরজা আটকে দেয় গোলাম হোসেন।

 

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত গোলাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। পারিবারিক কলহের জের ধরে গোলাম হোসেন তার আপন চাচাকে হত্যা করে বলে দাবী নিহতের পরিবারের। এর আগে প্রায়ই গোলাম তার স্ত্রীকে মারধর করতো, চাচা শাহ জালালসহ প্রতিবেশীরা প্রতিবাদ করলে তখন থেকেই গোলাম ক্ষুব্ধ ছিলেন। পরে গোলামের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় চলে যায়। পরে গোলামও ঢাকায় যায়। শনিবার হঠাৎ ঢাকা থেকে এসে পরদিনই চাচাকে হত্যা করে গোলাম।

 

খবর পেয়ে রবিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুরুল হুদা ও সিআইডির কর্মকর্তারা। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো ছুরি জব্দ করেছে পুলিশ। এঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুরুল হুদা। তিনি জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ভাতিজা গোলাম হোসেনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গাইবান্ধায় ঘুমন্ত চাচাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ভাতিজার বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জনাব মিজ্ কাউসার আজিজ, জেলা প্রশাসক, সাতক্ষীরার সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

১২ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে রবিবার। উক্ত জেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় সম্মানিত সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম মহোদয়।

সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় অত্র জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং অপরাধ দমনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাস ও নাশকতামূলক কার্যক্রম পর্যালোচনা, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান নিরোধ, অনলাইন জুয়া, অনিষ্পন্ন চোরাচালান মামলার নিষ্পত্তি ত্বরান্বিতকরণ, সড়ক দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ, মানব পাচার প্রতিরোধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা, সড়কের শৃঙ্খলা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্তকরন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুধীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

 

ফেনী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্

 

প্রতিবেদক, ফেনী:রহিম আলী জাবেদ

 

ফেনী ও চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক চোরাচালানবিরোধী অভিযানে প্রায় ১ কোটি ১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৫ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রিপিস, কসমেটিকস, চকলেট ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ জব্দ করেছে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)।

রোববার (১২ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী জেলার পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

 

বিজিবি জানায়, জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৫ টাকা। প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জব্দকৃত মালামাল স্থানীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুশইন প্রতিরোধ, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় রাখা, মাদক ও চোরাচালান দমন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ফেনী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

মানিকগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ পালিত হয়েছে।

 

 

আতিকুর রহমান আশিক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

 

 

 

দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে একটি আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

১২জুলাই ২০২৬, রবিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন আরা সুলতানা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম (বিপিএম) এবং সিভিল সার্জন ডা. আইফী ফেরদৌস। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক জাকিয়া আক্তার।

আলোচনা সভায় বক্তারা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব এবং তরুণ প্রজন্মের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মানিকগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ পালিত হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সাঙ্গু নদীর ভাঙনে এই কবরস্থান ঝুঁকির মুখে পড়ে। অতীতেও একাধিকবার কবর ভেঙে মরদেহ ভেসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু স্থায়ীভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

 

স্থানীয়দের দাবি, আজিজ কেরানির বাড়ি থেকে মো. ইলিয়াছের বাড়ি পর্যন্ত নদীতীরে একটি টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হলে কবরস্থান, বসতবাড়ি ও আশপাশের কৃষিজমি নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা এলেই সাঙ্গু নদীর ভয়াল ভাঙনে কবরস্থান, বসতঘর ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়ে। নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে মূল্যবান সম্পদ। এমনকি মৃত্যুর পরও স্বজনদের কবর নিরাপদ থাকছে না। তাই দ্রুত স্থায়ী নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

পানির স্রোতে কবরস্থান থেকে ভেসে যাচ্ছে মরদেহ!

জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গোপনে নারী শিক্ষার্থীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগে ছয় বহিরাগত কিশোরকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের সামনে পুকুরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন- ত্রিশাল উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল, মোস্তাকিম, আরিফিন, ফয়সাল, জাহিদ হাসান জনি ও লিওন। তারা সবাই দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী আসন্ন নাট্যোৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় এক বহিরাগত কিশোর নারী শিক্ষার্থীদের জুম করে ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের নজরে এলে তারা অভিযুক্তদের আটক করেন।

 

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ফয়সাল বলেন, আমরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাদের আটক করি। পরে তারা ভিডিওটি মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও মোবাইলের রিসেন্টলি ডিলেটেড ফোল্ডারে ফুটেজ পাওয়া যায়।

 

তবে অভিযুক্তদের একজন দাবি করেন, তারা ঘুরতে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। তিনি জানান, তাদের অজান্তেই একজন সঙ্গী তার মোবাইল ফোন নিয়ে ভিডিও ধারণ করেন। অপর একজনের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে ভিডিও করা হয়নি; ভুলবশত মোবাইলের বাটনে চাপ লেগে ভিডিও রেকর্ড হয়ে যায়।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান জনি বলেন, অভিযুক্তদের মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট ভিডিওসহ নারী শিক্ষার্থীদের আপত্তিকর ফুটেজ পাওয়া গেছে। পরে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আটক শিক্ষার্থীদের স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে। অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আটক শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটির পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

এর আগে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে নারী শিক্ষার্থীদের টিজিং এবং ভিডিও ধারণ করায় চার বহিরাগতকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে আটক চারজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার সদস্যদের সহায়তায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মধ্যরাতে অভিভাবকদের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে আটককৃতদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

আবারও গোপনে নারী শিক্ষার্থীদের ভিডিও ধারণ, আটক ৬

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আমিনবাজার ও দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি প্রকল্প নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

আজ রোববার (১২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এ কথা জানান।

 

তিনি জানান, বৈঠকে বলা হয় চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি প্রতিদিন ঢাকা শহরের প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

 

এছাড়া ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে প্রকল্পটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২৫ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

 

শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানান, অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বি অ্যান্ড এফ কোম্পানি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

 

এ প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে বর্জ্য থেকে প্রায় ১৫ হাজার টন মিথেন গ্যাস উৎপাদিত হবে, যা থেকে বছরে প্রায় ৮১ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এটি দৈনিক প্রায় ২২১ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমতুল্য।

 

তিনি বলেন, এছাড়া এ প্রকল্প থেকে সৌরবিদ্যুৎ, সার, পশুখাদ্য এবং পরিবেশবান্ধব ইকো-ব্রিকস উৎপাদন করা হবে। এ প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।

 

এটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

 

প্রকল্প দুটি দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন।

 

শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d