এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ঢাকা, তলানিতে বরিশাল—কোন বোর্ডে কত
এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ঢাকা, তলানিতে বরিশাল—কোন বোর্ডে কত

এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ঢাকা, তলানিতে বরিশাল—কোন বোর্ডে কত

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী । জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম জিপিএ-৫ পেয়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

 

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

 

কোন বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কত

 

বোর্ডভিত্তিক ফল অনুযায়ী, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন, যা সব বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ।

 

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮১৪ জন।

 

যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন।

 

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন, যা সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন।

 

সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন।

 

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন।

 

এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।

 


চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ২০ নম্বর ইমামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫১ জন শিক্ষার্থীর নামে ‘মিড-ডে মিল’ প্রকল্পের খাবার বরাদ্দ দেওয়া হলেও সরেজমিনে উপস্থিত পাওয়া গেছে ৭৫ জনকে। অর্থাৎ বরাদ্দ পাওয়া শিক্ষার্থীর তুলনায় ৭৬ জন কম শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল।

 

এই ৭৬ জনের জন্য বরাদ্দকৃত খাবারের হিসাব জানতে চাওয়া হলেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনো মন্তব্য না করে লিখিত আবেদন করতে বলেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহানা ইসলাম।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়টিতে ১৫১ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে মিড-ডে মিলের খাবার সরবরাহ করা হয়। তবে শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি যাচাই করে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণিতে ১৪ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১৫ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ১৫ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ২৩ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৮ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। সব মিলিয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৫ জনে।

 

এ হিসাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীর তুলনায় ৭৬ জনের খাবার অতিরিক্ত বরাদ্দ হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত খাবার বা এর ব্যবহারের হিসাব সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা থাকলেও ওই খাবার কোথায় যাচ্ছে বা কীভাবে এর হিসাব সমন্বয় করা হচ্ছে, তা নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

 

বাকি খাবারের হিসাব এবং এ বিষয়ে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহানা ইসলাম সংবাদকর্মীদের সরাসরি কোনো উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানান। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আপনাদের কোনো উত্তর দেব না। আপনারা আমার কাছে লিখিতভাবে আবেদন করলে আমি তার লিখিত জবাব দেব।’

 

প্রধান শিক্ষকের এমন আচরণে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, সরকারি বরাদ্দের খাবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এমন অস্পষ্টতা চলে আসছে। খাদ্য বিতরণে অনিয়ম না থাকলে হিসাব দিতে কেন প্রধান শিক্ষক গড়িমসি করছেন তা নিয়ে জোর গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।

 

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। যদি কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে বিধি মোতাবেক অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, সরকারি খাদ্য বা অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না। মিড-ডে মিলের খাবারে শিক্ষার্থী সংখ্যার সাথে উপস্থিতির যে তফাৎ দেখা গেছে এবং প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার যে বিষয়টি উঠেছে তা আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি।

 

তিনি আরও জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তদন্তে যদি কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষার্থী ৭৫, মিড-ডে মিলের খাবার বরাদ্দ ১৫১ জনের, হিসাব দিতে নারাজ প্রধান শিক্ষক

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে নেমে নিখোঁজ হওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে সীতা ঘাটের পাথরঘাটা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

নিহত শিক্ষার্থীর নাম সাজিদ শাহারিয়ার সানম (২৪)। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী এবং নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নাছির উদ্দীনের ছেলে।

 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, রোববার সকালে নরসিংদী ও ঢাকা থেকে নয়জনের একটি পর্যটক দল কাপ্তাইয়ে আসে। পরে স্থানীয় গাইডের সঙ্গে তারা সীতা পাহাড়ে ট্র্যাকিংয়ে যান। পাহাড়ে ঘোরাঘুরি শেষে দুপুরের দিকে সীতা ঘাটের পাথরঘাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধুতে নামেন তারা। এ সময় স্রোতের টানে সানম গভীর পানিতে তলিয়ে যান। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও সফল হননি।

 

খবর পেয়ে কাপ্তাই থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে নৌবাহিনীর ডুবুরি দলও উদ্ধারকাজে যুক্ত হয়।

 

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধারে কাজ করছিল। পরে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এর আগে সানমের বন্ধু সাইফুল ইসলাম জানান, তারা নয়জন সকালে সীতার পাহাড়ে ওঠেন। পাহাড় ভ্রমণ শেষে নদীতে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য ঘাটে নামার পর মুহূর্তের মধ্যে সানম পানিতে তলিয়ে যান।

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর ম-রদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়, মারধর, নারী হেনস্থা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। পরে তাদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের আটক করা হয়। আটক দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি অভিযোগপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে জমা দেন ভুক্তভোগীরা। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে তাদের হাটহাজারী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

 

আটক দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. শিমুল ফকির এবং একই শিক্ষাবর্ষের ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম আহমেদ অপি।

 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত এই দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে আসা বিভিন্ন দর্শনার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা নেয়া, মারধর, ছিনতাই, নারী হেনস্থা এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ধরে এসব অপরাধমূলক কাজ করে বেড়ালেও এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন তারা।

 

জানা যায়, গতকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝর্ণা এলাকায় ঘুরতে আসেন হাটহাজারী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের আসহাব উদ্দিন ও তার এক বন্ধু। এসময় অভিযুক্ত শিমুল ও তার দুই সহযোগী তাদের পরিচয় জিজ্ঞাবাদ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করে। আসহাব উদ্দিন বলেন, “তারা আমাদের ভয়ভীতি দেখান। পরে আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক নগদ ১৫০ টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে আরও ১ হাজার ২০ টাকা নিয়েছে।”

 

পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর একটি ভিডিও বার্তা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করেন। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।

 

এসময় প্রক্টর অফিসে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আরও ৫টি অভিযোগপত্র দেন ভুক্তভোগী ও শিক্ষার্থীরা।

 

এক অভিযোগপত্রে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি কলেজের শিক্ষার্থী মোশারফ হোসেন অভিযোগ করেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের পূর্ব পাশের ব্রিজ এলাকায় শিমুল ফকির ও ফাহিম আহমেদ অপি তাকে ডেকে মারধর করেন। এসময় তার চোখে আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয় এবং ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইলের হুমকি দেয়া হয়। একপর্যায়ে তার পকেট থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

এদিকে শিমুল ও অপির বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও নানা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার অভিযোগ করেছেন তাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিমুল বলেন, আমি বিভিন্ন সময় ১৫ আগস্ট, মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী ইস্যুতে ফেসবুকে পোস্ট করি। এটি চবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবরার শাহরিয়ারের নজরে এলে সে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং বলে আমি ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত কিনা। আমি বলেছি, ভালো লাগা থেকে এসব পোস্ট করেছি। তার সঙ্গে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আমার সম্পর্ক হয়েছে।”

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (চাকসু) আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক রাব্বি তাওহিদ বলেন, “তাদের অপরাধগুলোর বেশিরভাগই ফৌজদারি অপরাধ। কিছুদিন আগে তারা চবি কলেজের এক শিক্ষার্থীকে ব্যাপক মারধর করে। তাদের ফোন চেক করে তাদের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও মেলে।”

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর খায়রুল ইসলাম (সুজন) বলেন, শনিবার বিকালে এক পর্যটক বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝর্ণা এলাকায় ঘুরতে গেলে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে তার কাছ থেকে নগদ ১৫০ টাকা এবং বিকাশের মাধ্যমে ১ হাজার ২০ টাকা নেয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ পাওয়া যায়।

 

তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগপত্র দাখিল করলে দুই শিক্ষার্থীকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।’

 

হাটহাজারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, চবির দুই শিক্ষার্থীকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তারা এখন থানায় আছে। তবে কোনো মামলা বা অভিযোগপত্র আমরা পাইনি। পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ছিনতাই-নারী হেনস্থা ও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চবির দুই শিক্ষার্থীকে পুলিশে সোপর্দ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জবি শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফীন ও ১৭ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

 

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

আহতরা হলেন- অর্থনীতি বিভাগের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী মাদুদ ও লোক প্রশাসন বিভাগের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমন।

 

সংঘর্ষের সূত্রপাত ও কারণ সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি।

 

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, ভিক্টোরিয়া পার্কে চায়ের দোকানের পাশে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে ক্যাম্পাসের কাঁঠালতলা এলাকায় রড ও পাইপ নিয়ে হামলা করতে দেখা যায়।

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড আজম খান বলেন, ‘দুই গ্রুপের নাম জানি না তবে সংঘর্ষ হয়েছিল। আমরা পুলিশ ডেকে নিয়ে আসছি এখন মোটামুটি শান্ত।’

জবি ছাত্রদলের ২ গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষ

সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ২৭ মার্চ পর্যন্ত ধাপে ধাপে বিভিন্ন ইউনিটের এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

তবে নতুন করে আরো দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে যুক্ত হতে পারে।

 

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ১৯ মার্চ, ‘সি’ (বাণিজ্য) ও ‘ডি’ (আর্কিটেকচার) ইউনিটের পরীক্ষা ২০ মার্চ এবং ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৭ মার্চ।

 

ভর্তি আবেদনের সময়সূচি ও আবেদনসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যায়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫ শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার, গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫ জন শিক্ষার্থীকে কলেজে ভর্তি ফি বাবদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

 

বাংলাদেশ টেপ বল ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সারোয়ার হোসেন আকুল প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন।

 

মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

 

এ সময় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

 

পাশাপাশি পূর্ব চন্দ্র স্পোর্টিং ক্লাব ও গণপাঠাগারের সদস্য হওয়ার জন্য সকল শিক্ষার্থীকে আহ্বান জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও জ্ঞানচর্চায় সম্পৃক্ত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫ শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩