গণতন্ত্র ও বাংলাদেশে বিরোধী রাজনীতি
গণতন্ত্র ও বাংলাদেশে বিরোধী রাজনীতি

গণতন্ত্র ও বাংলাদেশে বিরোধী রাজনীতি

মতামত ডেস্ক: গণতন্ত্র রক্ষা ও একে সুসংহত করতে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও আমরা প্রায়ই মৌলিক প্রশ্নটি এড়িয়ে যাই যে আমরা ঠিক কোন ধরনের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। কেবল অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা ঘটলেও এর রূপ বিভিন্ন হতে পারে। একদিকে ক্ষমতা একক দল বা ব্যক্তির হাতে পুঞ্জীভূত হয়ে তৈরি হতে পারে সংখ্যাগুরুর স্বৈরতন্ত্র, অন্যদিকে অভিজাতদের স্বৈরতন্ত্রের জন্ম নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রান্তিক হয়ে পড়তে পারে। গণতন্ত্রের মূল সংগ্রামটিই হলো এই দুই চরমপন্থার মাঝখানে সঠিক ভারসাম্য খুঁজে বের করা, যাতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নীতিনির্ধারণের সময় জনগণের আসল কণ্ঠস্বর ও উদ্বেগের সঠিক প্রতিফলন ঘটে।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের ধারণাটিকে কেবল প্রতি পাঁচ বছর পরপর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার রদবদল ঘটানোর মধ্যে সংকুচিত রাখা হয়েছে। এই ন্যূনতম সংজ্ঞাকে পুরোপুরি ভুল বলা না গেলেও, আমাদের মনোযোগ কেবল নির্বাচনের দিনটিতে নিবদ্ধ থাকলে দুই নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে বিরোধী দলের কাছ থেকে গঠনমূলক কিছু আশা করা অর্থহীন হয়ে পড়ে। এমন ব্যবস্থায় প্রতি পাঁচ বছর পরপর ভোট হলেও মধ্যবর্তী সময়ে সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকে ক্ষমতাসীনদের হাতে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলে। এই কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বিরোধী দল নির্বাহী বিভাগকে জবাবদিহির আওতায় আনার কোনো সুযোগ পায় না, অথচ পাঁচ বছর পর বিশাল ক্ষমতা নিয়ে সরকার গঠনের দৌ্রে নেমে পড়ে।

গণতন্ত্রকে যদি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় যেখানে রাজনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকারি নীতি নির্ধারিত হবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কঠোর নজরদারি থাকবে, তবেই বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকার সুযোগ তৈরি হয়। মূলত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা রাজনীতিকে বিজয়ী সব নিয়ে নেয় নীতি থেকে সরিয়ে কিছু জেতো কিছু হারো নীতির ওপর দাঁড় করাতে পারে। তবে কোনো ক্ষমতাসীন দলই স্বেচ্ছায় নিজেদের ক্ষমতা সীমিত করতে চায় না বলে এই রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার যৌক্তিকতা তুলে ধরা, নাগরিক সমাজের সঙ্গে মিত্রতা গড়া এবং কাঠামোগত সংস্কারের জন্য সরকারের ওপর চাপ তৈরি করাই বিরোধী দলের মূল কাজ হওয়া উচিত।

তবে বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলগুলোর রাজনীতি এখনো অনেকাংশে সংঘাতকেন্দ্রিক ও জনবিচ্ছিন্ন রয়ে গেছে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে কেউ কেউ মুখোমুখি সংঘাত ও আবেগসর্বস্ব রাজনীতিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে এবং গঠনমূলক বিকল্প নীতি উপস্থাপন না করে পুরোনো কৌশলেই হাঁটছে। আবার কিছু তরুণ রাজনৈতিক দল প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চাহিদার সঙ্গে সংস্কার এজেন্ডাকে যুক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে এবং প্রায়ই নীতিগত অবস্থানে অনড় থাকতে ব্যর্থ হচ্ছে। একটি দেশে বিরোধী দলের প্রকৃত শক্তি কেবল সরকার ফেলার ক্ষমতা বা নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনার ওপর নির্ভর করে না, বরং তা পরিমাপ করা হয় প্রতিষ্ঠান গড়ার অঙ্গীকার, নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং অন্যের অধিকার রক্ষার সৎসাহসের মাধ্যমে।


৭ নং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচ্ছন্ন শ্রমিক নেতা আবু কালামকে দেখতে চায় সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

সাভারের ঐতিহ্যবাহী ৭ নং বিরুলিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ স্থানীয় পরিচ্ছন্ন শ্রমিক নেতা বাংলা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আবু কালামকে আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। এলাকার অবহেলিত শ্রমিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাঁর প্রতি এই জোরালো জনসমর্থন তৈরি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবু কালাম দীর্ঘ দিন ধরে বিরুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও শ্রমজীবী মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তাদের ন্যায্য অধিকার রক্ষা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং জীবনমান উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। একজন সৎ, পরিশ্রমী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে এলাকায় তাঁর বিশেষ সুনাম রয়েছে।

 

এলাকার একাধিক শ্রমজীবী মানুষ জানান, বিরুলিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে এমন একজন নেতার প্রয়োজন যিনি সাধারণ মানুষের ভাষা বোঝেন এবং মাঠপর্যায় থেকে উঠে এসেছেন। অতীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেকের দ্বারাই সাধারণ শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ অবহেলিত হয়েছে। তাই এবার তারা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আবু কালামের মতো পরিশ্রুত ও পরীক্ষিত নেতাকে ইউনিয়নের নেতৃত্বে দেখতে চান।

 

এ বিষয়ে আবু কালাম বলেন, “শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা ও আস্থার কথা জানিয়েছেন, তা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। আমি আজীবন সাধারণ মানুষের অধিকার ও কল্যাণের জন্য কাজ করে গেছি। জনগণের চাওয়া সামাজিক বিবেচনায় বিরুলিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে নিজেকে আরও নিবেদিতভাবে নিয়োজিত করতে চাই।”

 

স্থানীয় সচেতনমহল ও সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতার প্রতি সাধারণ মানুষের এই আবেগ ও সমর্থন ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে এক নতুন সমীকরণের জন্ম দিতে পারে।

৭ নং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচ্ছন্ন শ্রমিক নেতা আবু কালামকে দেখতে চায় সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ

সাভারের কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই কাজী আব্দুর রহিম পেলেন ঢাকা জেলার বিশেষ পুরস্কার

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

আগস্ট মাসের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা জেলার মাননীয় পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে বিশেষ পুরস্কার লাভ করেছেন সাভার মডেল থানাধীন কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কাজী আব্দুর রহিম।

 

পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় তাঁর হাতে এই সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়।

 

যোগদানের পর থেকেই কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় মাদক উদ্ধার, পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছেন এসআই কাজী আব্দুর রহিম। তাঁর এই অর্জনে কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়িসহ সাভার মডেল থানা পরিবারে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।

 

এই প্রাপ্তি সম্পর্কে এসআই কাজী আব্দুর রহিম জানান, “এই স্বীকৃতি আমার কাজের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। আমি যেন সততা ও নিষ্ঠার সাথে সাধারণ মানুষের সেবা করে যেতে পারি, সেজন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”

সাভারের কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই কাজী আব্দুর রহিম পেলেন ঢাকা জেলার বিশেষ পুরস্কার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩