থানায় সেবা গ্রহণে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
থানায় সেবা গ্রহণে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

থানায় সেবা গ্রহণে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

থানায় গিয়ে কোনো নাগরিক হয়রানির শিকার হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেছেন, আইন প্রয়োগের নামে কাউকে প্রহার বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা যাবে না। পুলিশকে আইনের মধ্যে থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইসঙ্গে থানাগুলোকে জনবান্ধব ও সেবাবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

 

বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

 

তিনি বলেন, থানায় কোনো দালালের অস্তিত্ব থাকবে না। যদি কোনো থানায় দালালের উপস্থিতির খবর পাওয়া যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অফিসারের কারণে জনবান্ধব পুলিশিং বাধাগ্রস্ত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কে কতদিন দায়িত্বে আছেন, সেটা বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের দুর্ব্যবহার না করা হয়। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিন্তু কারও গায়ে হাত তোলা বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “বিগত সময়ে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। আমরা এটা কঠোরভাবে দেখবো। আমার সময়ে কেউ এমন করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

কিশোর গ্যাং দমনে ডিএমপির অবস্থান কঠোর জানিয়ে মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কিশোর গ্যাং সদস্য ও গ্যাং লিডারদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে তিনি বলেন, “শুধু পুলিশের পক্ষে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সাংবাদিক, জনগণ ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করলে এ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।”

 

শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের কথাও তুলে ধরেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৬ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ, ৮৪৭ জন মাদক কারবারি এবং ৬৭০ জন ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী রয়েছে।

 

তিনি বলেন, “সন্ত্রাসীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। যে দলেরই হোক, অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

সাম্প্রতিক সময়ে জেনেভা ক্যাম্পের মাদক কারবারি পিচ্চি রাজা, কক্সবাজার থেকে বাবর চিনমন এবং পল্লবীর শিশু হত্যা মামলার আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়ও উল্লেখ করেন কমিশনার।


গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জন নিহতের ঘটনায় কার গাফিলতি, তা খতিয়ে দেখে জেলা সিভিল সার্জনকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

বুধবার (২০ মে) বিচারপতি মোহাম্মদ ইকবাল কবির ও এস এম সাইফুল ইসলামের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

 

আদালতে বিষয়টি নিয়ে রিট করেন আইনজীবী শাফিনুর ইসলাম। পরে সাংবাদিকদের রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী বলেন, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে ১৭ জন আহত হয়। পরে সরকারি হাসপাতালে টিকা না পেয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে টিকা নেন তারা। তারপরও এ ঘটনায় ৫ জন মারা যায়। তাই গাইবান্ধার সিভিল সার্জনকে ঘটনা খতিয়ে দেখে ঈদের ছুটির পর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

এর আগে, ২২ এপ্রিল গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের দুটি ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় কুকুরের কামড়ে আহত হন তারা। দুই সপ্তাহ পর ৫ জন মারা গেলে এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ৫ জনের মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

দায়িত্ব গ্রহণের পরই কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, পুলিশের কাছে কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

বুধবার (২০ মে) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে প্রথম ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে ইতোমধ্যে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

তিনি জানান, পশুর হাটগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে এবং ছিনতাই-চাঁদাবাজি ঠেকাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, মবের মতো ঘটনা আর হতে দেওয়া যাবে না। মব কালচারের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশের কাছে কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত

কক্সবাজারের চকরিয়ার দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ছারোয়ার নির্জন হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

 

বুধবার (২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ রায় ঘোষণা করেন।

 

এছাড়া এ মামলায় ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, চারজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় ১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 

২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন সেনা কর্মকর্তা তানজিম ছারোয়ার।

তানজিম ছারোয়ার হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আনসার ভিডিপি বর্তমানে একটি নির্ভরযোগ্য স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার (২০ মে) গাজীপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সাহসিকতা, দায়বদ্ধতা ও মানবিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আপনারা। একইসঙ্গে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং, সোলার প্যানেল ও বায়োগ্যাস প্লান্ট ব্যবস্থাপনার মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করার মাধ্যমে এই বাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যগণ টেকসই উন্নয়নের পথে দৃঢ়ভাবে অগ্রসর হয়েছেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের যেকোনো প্রয়োজনে এই বাহিনীর সদস্যদের সময়োপযোগী ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য তিনি এই বাহিনীর সর্বস্তরের প্রতিটি সদস্যকে আবারও অভিনন্দন জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের পর বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কাজ করে যাচ্ছে। একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রাপথে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম।

 

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গর্বিত উচ্চারণ ‘আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার, অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার’ এবং গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের ধারণায় গড়ে ওঠা এই বাহিনীর রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন। গ্রাম ও শহরে সুরক্ষিত সমাজ কাঠামো গঠন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বহুবিধ সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আনসার-ভিডিপি সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে শিল্পকারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।’

 

আনসার-ভিডিপির নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী সদস্যদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণের মতো কার্যক্রমে সারাদেশে বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সক্ষমতাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। বিজ্ঞান ভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা এবং কৃষি অর্থনীতির বিকাশে খাল খনন, দুর্যোগপ্রবণ প্রত্যন্ত এলাকায় বন্যা থেকে সুরক্ষা, পানিসম্পদ পরিকল্পনা, দুর্যোগকালীন সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের মতো অনন্য কার্যক্রম বাস্তবায়নেও আনসার ও ভিডিপি অপরিসীম ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আনসার ভিডিপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী

ওমানের দক্ষিণ আল বাতিনাহ প্রদেশের মুলাদ্দা এলাকায় এক গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া চার বাংলাদেশি সহোদরের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত সোয়া ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে।

 

বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে নিহতদের পরিবারের স্বজনদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করেন সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মরদেহ পরিবহন এবং দাফনকাজের তাৎক্ষণিক সহায়তা হিসেবে প্রতিটির জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।

 

স্বজনরা জানান, বিমানবন্দর থেকে রাতেই চার ভাইয়ের মরদেহ তাঁদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ বুধবার (২০ মে) সকালে স্থানীয় মাঠে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করার কথা রয়েছে। চার প্রবাসী ভাইয়ের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো রাঙ্গুনিয়ায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

 

উল্লেখ্য, ওমানে গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) এগজস্ট থেকে নির্গত বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস দীর্ঘ সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করায় তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। ওমানের পুলিশ (রয়্যাল ওমান পুলিশ) এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে দেশটির প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন আবদ্ধ বা অবরুদ্ধ গাড়ির ভেতরে দীর্ঘ সময় না ঘুমানোর জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

দেশে পৌঁছেছে ওমানে নিহত ৪ ভাইয়ের মরদেহ

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে সব বিচারককে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় এক প্রজ্ঞাপনে সব বিচারককে সরিয়ে নেয় আইন মন্ত্রণালয়। অন্তবর্তী সরকার সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ করলেও তা আর আইনে পরিণত করেনি বিএনপি সরকার।

 

১৯৭২ সালের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’ সংক্রান্ত ২২ অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে’।

 

এরপর ২০ বছর অতিক্রান্ত হলেও এ নিয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

 

এর মধ্যে ১৯৯৪ সালে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বেতন গ্রেড নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সেই ক্ষোভ থেকে তৎকালীন বিচারক মাসদার হোসেনসহ ৪৪১ বিচারকের পক্ষে হাইকোর্টে রিট করা হয়।

 

এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ১৯৯৭ সালে জুডিসিয়াল সার্ভিসকে স্বতন্ত্র সার্ভিস করার আদেশ দেন। রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করে। সেই আপিলের শুনানি শেষে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ রায় দেন।

 

রায়ে কয়েক দফা নির্দেশনা দেয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের থাকবে; বিচার বিভাগ জাতীয় সংসদ বা নির্বাহী বিভাগের অধীনে থাকবে না এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ সব বিচারক স্বাধীনভাবে কাজ করবেন; জুডিসিয়ারির (নিম্ন আদালত) বার্ষিক বাজেট প্রণয়নের ওপর নির্বাহী বিভাগের কোনো হাত থাকবে না। এই বাজেট সুপ্রিম কোর্ট প্রণয়ন এবং বরাদ্দ করবে।

 

আপিল বিভাগের ওই রায় ঘোষণার প্রায় ৮ বছর পর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সেই ঘোষণা কাগজে কলমে রয়ে যায়।

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ১০ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে এক অভিভাষণে বলেন, বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের স্বার্থে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন একান্ত আবশ্যক। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ক অনুচ্ছেদে অধস্তন আদালতের বিচারকরা বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন মর্মে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু বিচারকদের প্রকৃত স্বাধীনতা ততদিন পর্যন্ত নিশ্চিত হবে না; যতদিন না বিচার বিভাগে দীর্ঘ দিন ধরে বিরাজমান দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা, অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের যৌথ এখতিয়ার সম্পূর্ণরূপে বিলোপ করে জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। এরপর একই বছরের ২৭ অক্টোবর পৃথক সচিবালয়ের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠান।

 

পাশাপাশি বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় স্থাপন এবং বিচার বিভাগের প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সুপারিশ করে। সংস্কার কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে ঘোষিত নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের মূলনীতিকে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে অর্থবহ ও কার্যকররূপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বোপরি নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে পৃথকীকরণের জন্য পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় স্থাপন করাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দেন।

 

এরপর সব কিছু পেছনে পেলে কাঙ্ক্ষিত ৩০ নভেম্বর বিচার বিভাগ পৃথককরণের উদ্দেশ্যে স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ নানা ধরনের কার্ড দেওয়া হচ্ছে; কিন্তু জনগণ ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। আমরা সরকারের কাছে ‘জাস্টিস কার্ড’ চাই।’’

 

আজ বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘‘হাসপাতালে আইসিইউ’র অভাব, ঘুষ ছাড়া চাকরি না পাওয়া, থানায় দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য-এসব সমস্যা এখনো বহাল রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য সেবা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে।’’

 

জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে তিনি অভিযোগ করেন, দেশে এখনো বিচারহীনতা, দুর্নীতি ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি বিদ্যমান। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। গুম ও হত্যার ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, বরং বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় ভুক্তভোগীরা অনেক সময় আইনি আশ্রয় নেওয়া থেকেও বিরত থাকছে।

 

সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘‘যত দিন পর্যন্ত সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হবে, তত দিন সরকারের সব উন্নয়নমূলক উদ্যোগই প্রশ্নবিদ্ধ থাকবে। জনগণ একদিন ব্যালটের মাধ্যমে বা গণপ্রতিরোধের মুখে এর উপযুক্ত জবাব দেবে।’’

 

অবিলম্বে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন এবং বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের কাছে ‘জাস্টিস কার্ড’ চাই: হাসনাত আব্দুল্লাহ

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবচেয়ে বড় ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি ফের চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এই ইউনিট থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ মে) থেকে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

 

দীর্ঘ ছয় মাস ২০ দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার (২০ মে) বিকেলে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটটি চালু করা হয়। বর্তমানে এই ইউনিট থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে।

 

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষ বলছেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ২৫০-২৬০ মেগাওয়াট বিদুৎ উৎপন্ন করা সম্ভব হবে।

 

এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে সবচেয়ে বড় ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায়। ১২৫ মেগাওয়াট দ্বিতীয় ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে। শুধু ১২৫ মেগাওয়াট প্রথম ইউনিটটি চালু ছিল।

 

২০০৬ সালে বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার ওপর নির্ভর করে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি যাত্রা শুরু করে।

 

প্রাথমিকভাবে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি ইউনিট নিয়ে শুরু হলেও, ২০১৭ সালে আরেকটি ২৭৫ মেগাওয়াট ইউনিট যুক্ত হয়ে মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়। তবে নানা জটিলতায় কেন্দ্রটি কখনো একসঙ্গে তিনটি ইউনিট চালু করে সর্বোচ্চ ক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারেনি।

 

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক জানান, বুধবার বিকেল ৫ টা ৪৬ মিনিট থেকে তৃতীয় ইউনিটটি চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এই ইউনিটটি থেকে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে। এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হচ্ছে।

 

আশা করছি, বৃহস্পতিবার (২১ মে) থেকে এই ইউনিট থেকে ২৫০-২৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া প্রথম ইউনিট থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে। সব মিলিয়ে গড়ে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এতে করে লোডশেডিং কমে আসবে। প্রতিদিন দুটি ইউনিট চালু রাখতে ৩ হাজার ২০০ টন কয়লা প্রয়োজন হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

 

আশা প্রকাশ করে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ১২৫ মেগাওয়াট দ্বিতীয় ইউনিটটি মেরামতের জন্য চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা হচ্ছে। সেটিও কিছু দিনের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে।

ফের চালু হলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট

আওয়ামী লীগ ফিরে আসেনি, তারা ছিলই। ব্যাক করেছে তাদের দম্ভ। এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

 

বুধবার (২০ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

পোস্টে আসিফ নজরুল লেখেন, আওয়ামী লীগ ব্যাক করেনি। তারা ছিলই। ব্যাক করেছে তাদের দম্ভ, মিথ্যাচার আর মানুষকে বিভ্রান্ত করার দুঃসাহস।

 

এর আগে, মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যেসব কারণে আবারও রাজনীতিতে ফিরে এসেছে মন্তব্য করে, এর একটি তালিকা দিয়েছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আরেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি লিখেছিলেন, ‘লীগ সেদিনই ব্যাক করেছে, যেদিন ‘২৪ কে ‘৭১ এর বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছিল, স্বাধীনতার বিরুদ্ধের শক্তি। লীগ সেদিনই ব্যাক করেছে, যেদিন থেকে ডানপন্থীদের উত্থানের জন্য অন্তরীণ সরকারের লোকজন কাজ করা শুরু করেছে।’

 

এছাড়া সরকার প্রযোজিত ডানপন্থার উত্থানে সেক্যুলার মানুষদের ভয় পাওয়া, উগ্রবাদীদের সেইফ স্পেস দিয়ে মব স্টারদের হিরো বানানো এবং ছাত্ররাজনীতির বিপ্লবী ধারা থেকে মব সংস্কৃতিতে রূপান্তর হওয়াকেও লীগ ফিরে আসার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন মাহফুজ আলম।

 

২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নিয়ে দেওয়া ফেসবুক পোস্ট বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে নেটিজেনদের মাঝে।

আ.লীগ ছিলই, ব্যাক করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল

আমিরাবাদ ভবানী চরণ লাহা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম

 

ফেনী প্রতিনিধি:

 

 

ফেনীর নবাবপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আমিরাবাদ ভবানী চরণ লাহা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত ও জননন্দিত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম। তার এ

 

মনোনয়নের খবরে ইউনিয়নজুড়ে আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, একজন শিক্ষাবান্ধব, সৎ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তির নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাবে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নবাবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, অবকাঠামো ও জনকল্যাণমূলক কাজে তার সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের মাঝে ইতোমধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে তার মনোনয়ন এলাকাবাসীর প্রত্যাশাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, বর্তমান সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে একজন দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চেয়ারম্যান জহিরুল আলম সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে সক্ষম হবেন বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

শিক্ষার্থীদের অভিমত, প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, আধুনিক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে তার নেতৃত্বে। বিশেষ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়,

 

আমিরাবাদ ভবানী চরণ লাহা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলমের মনোনয়ন নবাবপুরবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। তার দক্ষ নেতৃত্ব, সততা ও শিক্ষাবান্ধব মনোভাবের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আরও সমৃদ্ধ ও এগিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

 

এদিকে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,

 

এই দায়িত্ব আমার জন্য সম্মানের। আমি চেষ্টা করবো প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান উন্নয়ন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও

 

এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আধুনিক ও আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

উল্লেখ্য, আমিরাবাদ ভবানী চরণ লাহা স্কুল অ্যান্ড কলেজ দীর্ঘদিন ধরে নবাবপুর ইউনিয়নে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। অসংখ্য শিক্ষার্থী এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবদান রেখে চলেছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাক্ষেত্রে আরও সাফল্য অর্জন করবে।

আমিরাবাদ ভবানী চরণ লাহা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন অত্র ওয়ার্ডের জনপ্রিয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো: তাইজুল ইসলাম।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এই আনন্দঘন উৎসব উপলক্ষে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে অগ্রিম শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ২ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো: তাইজুল ইসলাম।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় মেম্বার মো: তাইজুল ইসলাম বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগ ও উৎসর্গের মহান আদর্শ নিয়ে হাজির হয়। এই উৎসবের মূল চেতনাই হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের ভেতরের অহংকার ও স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া।”

 

তিনি আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দ ও ত্যাগের মহিমা যেন আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হয়। ২ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি ঘরে ঘরে বয়ে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই যেন ঈদের আনন্দ সমানভাবে ভাগ করে নিতে পারি, এটাই আমার প্রত্যাশা।”

 

শুভেচ্ছা বার্তার মোঃ তাইজুল ইসলাম শান্তিপূর্ণভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান এবং বিরুলিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডসহ দেশবাসীকে আবারও ‘ঈদ মোবারক’ জানান।

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন অত্র ওয়ার্ডের জনপ্রিয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো: তাইজুল ইসলাম।

কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীতে গোসল করতে নেমে দুই এসএসসি শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২০ মে) বিকেলে হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুই জনই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।

 

নিহতরা হলেন—হরিপুর এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে অপূর্ব ইফতি তাইফ (১৮) এবং নুরুল ইসলামের ছেলে সাকিবুল ইসলাম (১৯)।

 

তাইফ দি ওল্ড কুষ্টিয়া হাইস্কুল এবং সাকিবুল কুষ্টিয়া জিলা স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, আজ বুধবার ব্যবহারিক বাদে তাদের শেষ পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষে, সাঁতার না জানা দুই বন্ধু মিলে গড়াই নদে গোসল করতে নামে। নদে ডুব দেওয়ার পর সাকিব তলিয়ে যেতে থাকলে তাইফ মাথা উঁচু করে ওঠার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তাইফও গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদে নেমে দুই জনকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান জানান, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাদের মৃত্যু হয়।

 

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াদুদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গড়াই নদীতে গোসল করতে নেমে দুই এসএসসি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা ৭ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা।

 

বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

 

পুলিশ জানিয়েছে, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় আদালতে তা রেকর্ডের আবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখারও আবেদন করা হয়।

 

এর আগে সোহেল রানাকে ১০ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়। তবে এর মধ্যেই তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হন।

 

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সোহেল রানাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

 

আদালতে দেওয়া আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে- হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

 

একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মথাবিহীন মরদেহ পড়ে ছিল। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

 

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়।

 

অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ, আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি

সাভার পৌর ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শিল্পী আক্তার (শিলা)

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু :

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে অগ্রিম আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবিকা এবং আগামী পৌরসভা নির্বাচনে ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শিল্পী আক্তার শিলা।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় শিল্পী আক্তার শিলা বলেন, “ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগের মহিমা ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। এই উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি প্রাণে। ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ভুলে সবাই যেন ঈদের আনন্দ সমভাগে ভাগ করে নিতে পারি, এটাই হোক আমাদের কাম্য।”

 

তিনি আরও বলেন, “সাভার পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিক বান্ধব মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। এই এলাকার মানুষের পাশে থেকে সুখ-দুঃখে কাজ করে যেতে চাই। পবিত্র ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি সকলের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”

 

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি সবাইকে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপনের আহ্বান জানান এবং কোরবানির বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন।

সাভার পৌর ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শিল্পী আক্তার

সাভার সদর ইউনিয়নবাসীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনের ঈদুল আজহার আগাম শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাভার সদর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক প্রীতি ও অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাভার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফ হোসেন।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহিমা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা নিয়ে আসে। কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, বরং নিজের ভেতরের অহংকার ও হিংসা-বিদ্বেষকে বিসর্জন দেওয়ার এক অনন্য শিক্ষা।”

 

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ আরিফ হোসেন সাভার সদর ইউনিয়নের সকল স্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আরও বলেন, “ঈদের আনন্দ যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে এবং আমাদের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়, এটাই আমার প্রত্যাশা। সাভার সদর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে জানাই অগ্রিম ঈদ মোবারক।”

 

তিনি ইউনিয়নবাসীকে সুশৃঙ্খলভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান এবং কোরবানির বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে ইউনিয়নকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সাভার সদর ইউনিয়নবাসীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরিফ হোসেনের ঈদুল আজহার আগাম শুভেচ্ছা

থানায় গিয়ে কোনো নাগরিক হয়রানির শিকার হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ।তিনি বলেছেন, আইন প্রয়োগের নামে কাউকে প্রহার বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা যাবে না। পুলিশকে আইনের মধ্যে থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইসঙ্গে থানাগুলোকে জনবান্ধব ও সেবাবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

 

বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।

 

তিনি বলেন, থানায় কোনো দালালের অস্তিত্ব থাকবে না। যদি কোনো থানায় দালালের উপস্থিতির খবর পাওয়া যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অফিসারের কারণে জনবান্ধব পুলিশিং বাধাগ্রস্ত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কে কতদিন দায়িত্বে আছেন, সেটা বিবেচনায় নেওয়া হবে না।

 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের দুর্ব্যবহার না করা হয়। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কিন্তু কারও গায়ে হাত তোলা বা অতিরিক্ত বল প্রয়োগের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “বিগত সময়ে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। আমরা এটা কঠোরভাবে দেখবো। আমার সময়ে কেউ এমন করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

কিশোর গ্যাং দমনে ডিএমপির অবস্থান কঠোর জানিয়ে মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কিশোর গ্যাং সদস্য ও গ্যাং লিডারদের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে তিনি বলেন, “শুধু পুলিশের পক্ষে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সাংবাদিক, জনগণ ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করলে এ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।”

 

শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের কথাও তুলে ধরেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০৬ জন তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ, ৮৪৭ জন মাদক কারবারি এবং ৬৭০ জন ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী রয়েছে।

 

তিনি বলেন, “সন্ত্রাসীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। যে দলেরই হোক, অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

সাম্প্রতিক সময়ে জেনেভা ক্যাম্পের মাদক কারবারি পিচ্চি রাজা, কক্সবাজার থেকে বাবর চিনমন এবং পল্লবীর শিশু হত্যা মামলার আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়ও উল্লেখ করেন কমিশনার।

থানায় সেবা গ্রহণে হয়রানি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডিএমপি কমিশনার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d