দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে হয়নি: সেনাপ্রধান - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে হয়নি: সেনাপ্রধান

দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে হয়নি: সেনাপ্রধান

 

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি। সামরিক ও অসামরিক বাহিনী একসঙ্গে কাজ করলে যে কোনো কঠিন কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব, এ নির্বাচন তার প্রমাণ।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আগে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাও বক্তব্য দেন।

 

সেনাপ্রধান বলেন, আমি আপনাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা জাতিকে একটি চমৎকার নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। আমরা পাশে ছিলাম, কিন্তু নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পুরোপুরি আপনাদের ওপরই ছিল। সেনাপ্রধান বলেন, একসময় দেশে আশা-নিরাশার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেকেই বলেছিলেন, নির্বাচন হবে না। কিন্তু আমরা সেটিকে ভুল প্রমাণ করে দেশ ও জাতিকে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনেছি। এটি ছোট কোনো অর্জন নয়।

 

ডিসিদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, যে কোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলে তা দ্রুত পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট সেনা ফরমেশনকে জানালে তারা তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করবে। দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা অন্য যে কোনো পরিস্থিতিতে আপনাদের সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।


কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমানে দেশে অপরাধের হার অনেক বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, অপরাধ প্রবণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে, যা জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি করছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা মিলনায়তনে চান্দিনা সড়ক উন্নয়ন শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের মানুষ এমন পরিস্থিতি দেখতে চায় না। সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ সব ধর্ম ও মতের মানুষের জন্য নিরাপদ আবাসভূমি—এটি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে।

 

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি মূলত প্রস্তুতির ঘাটতির কারণে সৃষ্টি হয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় ডিজেল সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। এই সুযোগে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

 

তিনি আরও বলেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্যই জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে।সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতার মাঝে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকা উচিত নয়।

 

এর আগে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চান্দিনা সড়ক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইদুল রহমানসহ স্থানীয়রা।

অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে এখন অপরাধ বেশি হচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কিছুদিন আগে জ্বালানি নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতায় এর উত্তরণ হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

গ্রামে লোডশেডিং হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং এখন কোথাও নেই। পল্লী বিদ্যুতের লাইনের ত্রুটির (ফল্ট) কারণে লোডশেডিং হতে পারে।

 

জ্বালানির কারণে লোডশেডিং হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে লোডশেডিংয়ের সাময়িক সমস্যা ছিল। দুটি উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই তখন লোডশেডিং হয়েছিল।

 

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সব সরকারি স্থাপনায় সোলার প্যানেল বসানোর জন্য ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুত যোগ হবে।

উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। নিহতদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

 

চীফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন ৭ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার আশা করছে। পুরো তদন্তের কাজ শেষ হলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

 

এদিকে, শাপলা চত্বরের মামলায় গ্রেফতার আছেন ৬ জন। ৩০ জনের মতো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ চলমান আছে। যার শীর্ষে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ওপর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। এতে ঘটা প্রাণহানির ঘটনা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে এটার কোনো পরিবর্তন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

 

মঙ্গলবার(৫ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের সাথে মতবিনিময় শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, কালচার, স্পোর্টস নিয়ে জেলা প্রশাসকদের সাথে আলোচনা হয়েছে। দালাল চক্রের হাতে অনেকে মৃত্যু বরন করছে এটা রোধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করতে হবে। অবৈধ অভিবাসন বন্ধ ও দেশে কর্মসংস্থান তৈরির জন্য দেশের কারিগরি কেন্দ্রগুলো কীভাবে কার্যকর করা যায় এটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, ডিসিরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যে কোনো সময় যে কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে চাইলে আলোচ

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে: শামা ওবায়েদ

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

 

পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ড. শামছুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের অবহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করতে চায়-এ লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনের করণীয় বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’-যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন-সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছি। জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত, সেটিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

 

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের সমন্বিত কাজের প্রশংসা করে এ সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে। পুরো আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং ডিসিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তারা সন্তুষ্ট। পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী ও জনগণমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরে শেষ হবে কি-না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘না। বলা হয়েছে যে নির্বাচনটা ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে শুরু হওয়ার পর। নির্বাচন শুরু হবে এ বছরের শেষের দিকে, কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, সেটাও ইনফ্যাক্ট ওই মন্ত্রণালয় থেকে আগে জানানো হয়েছে।’

 

উপজেলা পরিষদে এমপিদের বসার জায়গা হয়েছে, সরকার কি উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করতে চায়?

 

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা বাতিল করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এই সরকার নেয়নি। অফিস দেওয়াতে উপজেলাকে খর্ব করা হচ্ছে ব্যাপারটা আমার কাছে এরকম মনে হয় না। বরং আইনগতভাবেই আপনি যদি খেয়াল করেন, উপজেলা পরিষদ আইনের ধারা ২৫—এটা নিয়ে আমরা একসময় প্রচুর বলেছি, লিখেছি— সেখানে তো একজন সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবেই লিগ্যালি আছেন।

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চামড়া খাতের ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণের শর্তে বড় ধরনের শিথিলতা এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (৫ মে) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক বিশেষ সার্কুলারে জানানো হয়েছে, এখন থেকে চামড়া ব্যবসায়ীরা আগের ঋণের বকেয়া কিস্তি পরিশোধ না করেই নতুন করে ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। মূলত কোরবানির ঈদে চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।সার্কুলারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেসব ব্যবসায়ীর আগের ঋণ পুনঃতফসিল বা রিসেডিউল করা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন ঋণ গ্রহণের জন্য আগের বকেয়ার একটি অংশ পরিশোধের যে আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল, তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এই বিশেষ সুবিধা আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, চামড়া শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী খাত এবং এর প্রধান কাঁচামাল যেহেতু কোরবানির ঈদ ঘিরেই সংগৃহীত হয়, তাই এই সময়ে ব্যবসায়ীদের হাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থের প্রবাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে যাতে তারা চামড়া খাতের ব্যবসায়ীদের প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত চলতি মূলধন ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করে। এবারের নির্দেশনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূল পর্যায়ের ক্ষুদ্র সংগ্রাহকদের ওপর। ঋণ সুবিধা যেন কেবল বড় শিল্পপতি বা ট্যানারি মালিকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেজন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে হাট-বাজার ও গ্রাম পর্যায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই ঋণের সুবিধা ভোগ করতে পারেন।

 

এছাড়া ব্যাংকগুলোকে ২০২৬ সালের জন্য চামড়া খাতে ঋণ বিতরণের একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা কোনোভাবেই গত বছরের তুলনায় কম রাখা যাবে না। ঋণের লক্ষ্যমাত্রা এবং তার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দেওয়ার সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে কোরবানির পশুর চামড়া নষ্ট হওয়া রোধ হবে এবং মাঠ পর্যায়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়ার ন্যায্য দাম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বকেয়া পরিশোধ ছাড়াই নতুন ঋণ পাবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমানে দেশে অপরাধের হার অনেক বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, অপরাধ প্রবণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে, যা জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি করছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা মিলনায়তনে চান্দিনা সড়ক উন্নয়ন শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের মানুষ এমন পরিস্থিতি দেখতে চায় না। সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ সব ধর্ম ও মতের মানুষের জন্য নিরাপদ আবাসভূমি—এটি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে।

 

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি মূলত প্রস্তুতির ঘাটতির কারণে সৃষ্টি হয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় ডিজেল সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। এই সুযোগে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

 

তিনি আরও বলেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্যই জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে।সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতার মাঝে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকা উচিত নয়।

 

এর আগে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চান্দিনা সড়ক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইদুল রহমানসহ স্থানীয়রা।

অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে এখন অপরাধ বেশি হচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

 

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি। সামরিক ও অসামরিক বাহিনী একসঙ্গে কাজ করলে যে কোনো কঠিন কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব, এ নির্বাচন তার প্রমাণ।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আগে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাও বক্তব্য দেন।

 

সেনাপ্রধান বলেন, আমি আপনাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা জাতিকে একটি চমৎকার নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। আমরা পাশে ছিলাম, কিন্তু নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পুরোপুরি আপনাদের ওপরই ছিল। সেনাপ্রধান বলেন, একসময় দেশে আশা-নিরাশার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেকেই বলেছিলেন, নির্বাচন হবে না। কিন্তু আমরা সেটিকে ভুল প্রমাণ করে দেশ ও জাতিকে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনেছি। এটি ছোট কোনো অর্জন নয়।

 

ডিসিদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, যে কোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলে তা দ্রুত পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট সেনা ফরমেশনকে জানালে তারা তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করবে। দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা অন্য যে কোনো পরিস্থিতিতে আপনাদের সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।

দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে হয়নি: সেনাপ্রধান

মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

অর্থের অভাবে যখন অনেকেই আদালতের দোরগোড়ায় পৌছাতে পারেন না, তখন নীরবে তাদের পাশে দাড়াচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের লিগ্যাল এইড সেবা। যাদের কাছে বিচার একসময় ছিল স্বপ্নের মতো দূর, আজ তাদেরই চোখে এখন নতুন আশার আলো ন্যায়বিচারের স্বপ্ন।

 

জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থিত লিগ্যাল এইড অফিসে প্রতিদিনই ভিড় করছেন নানা সমস্যায় জর্জরিত মানুষ। পারিবারিক কলহ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, প্রতারণা কিংবা দেনা-পাওনার জটিলতা বিভিন্ন সমস্যার সমাধান খুজতে এখানে আসছেন তারা। অর্থাভাবে আদালতে মামলা পরিচালনার সামর্থ্য না থাকলেও লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পেয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। সরকারি এই সেবার আওতায় আইনজীবী নিয়োগ থেকে শুরু করে মামলা পরিচালনার যাবতীয় ব্যয় বহন করা হচ্ছে।ফলে দরিদ্র ও অসহায় মানুষও এখন নির্ভয়ে আইনের আশ্রয় নিতে পারছেন, যা বিচারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিয়েছে।

 

লিগ্যাল এইড অফিস থেকে মূলত তিন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়, বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ, আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি। এর মধ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই পদ্ধতিতে আদালতের বাইরে বসেই দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। যা সময় ও খরচ উভয়ই কমায় এবং সম্পর্ক বজায় রাখতেও সহায়ক।

 

কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড অফিসে মোট ৮১৪টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৭১৪টি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই সময়ে উপকারভোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৩৬ জনে। মামলা দায়ের করা হয়েছে ২২৫টি। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আপসের ফলে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। এছাড়া ৭০৩ জন ব্যক্তি বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ গ্রহণ করেছেন। একই সময়ে আদালতে বিচারাধীন ১৯১টি মামলা আপসের মাধ্যমে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ৮টি ক্ষেত্রে সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌছে দিতে জেলার ৫টি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আইনি সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভা ও মতবিনিময় সভা করেছেন লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিভিল জজ মজনু মিয়া।

 

উপকারভোগী আব্দুল করিম বলেন, আমি গরিব মানুষ। ভ্যান চালিয়ে যা আয় করি, তা দিয়েই কোনোমতে সংসার চলে। কোর্ট-কাচারি, মামলা-মোকদ্দমা এসব আমার মতো মানুষের কাছে সবসময়ই ভয় আর দুশ্চিন্তার বিষয় ছিল। আমি কখনো ভাবিনি একজন সাধারণ মানুষও আইনের কাছে দাড়িয়ে ন্যায়বিচার পেতে পারে। লিগ্যাল এইড আমাকে সাহস দিয়েছে, আমার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। আজ আমি শুধু জমিই ফিরে পাইনি, আইনের ওপরও আমার বিশ্বাস ফিরে পেয়েছি।

 

সদর উপজেলার এক নারী ভুক্তভোগী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। পরে লিগ্যাল এইড অফিসে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে আইনি সহায়তা দেয়। এখন আমি ন্যায়বিচারের আশায় আছি।

 

পীরগঞ্জ উপজেলার মালেক বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মামলা করার সামর্থ্য ছিল না। লিগ্যাল এইডে যাওয়ার পর তারা বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছে। এখন আমি স্বস্তিতে আছি।

 

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রাফিদ, শিমুল, শাজারিয়ার ও জান্নাতি বলেন, আগে আমরা ভাবতাম আইন আর আদালত শুধু বড়লোক বা প্রভাবশালী মানুষের জন্য। কিন্তু লিগ্যাল এইডের কার্যক্রম দেখে এখন বুঝতে পারছি, সাধারণ মানুষও আইনের কাছে গিয়ে ন্যায়বিচার পেতে পারে। স্কুলে ও বিভিন্ন সভায় এসব বিষয় জানার পর আমাদের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস তৈরি হচ্ছে।

 

লিগ্যাল এইড আইনজীবী ললিত কুমার রায় বলেন, লিগ্যাল এইড কার্যক্রমের মাধ্যমে এখন অনেক দরিদ্র ও অসহায় মানুষ বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাচ্ছেন, যা তাদের জন্য ন্যায়বিচারের পথকে সহজ করেছে। বিশেষ করে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার সমাধান সম্ভব হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন আদালতের ওপর চাপ কমছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ কম খরচে ও কম সময়ে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মজনু মিয়া বলেন, আমরা মূলত দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তার আওতায় আনতে কাজ করছি। কেউ মামলায় জড়িয়ে পড়লে এবং আর্থিকভাবে মামলা পরিচালনায় অক্ষম হলে সরকারিভাবে আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে মামলা পরিচালনা করা হয়। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক সমস্যা যেমন দেনমোহর ও ভরণপোষণ এবং আপসযোগ্য ফৌজদারি মামলাগুলো আমরা দুই পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসা করি। এতে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায় এবং মানুষও উপকৃত হন।

 

সাফল্যের পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আমাদের যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো যানবাহন নেই। পাশাপাশি জনবল সংকট রয়েছে। এরপরও আমরা সরেজমিনে গিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করছি। যদি জনবল ও পরিবহন সংকট দূর করা যায়, তাহলে আমরা আরও বেশি মানুষের কাছে সেবা পৌছে দিতে পারব।

ঠাকুরগাঁওয়ে লিগ্যাল এইডে ৭১৪ আবেদন নিষ্পত্তি, আপসে আদায় ৪৪ লাখ টাকা

উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কিছুদিন আগে জ্বালানি নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতায় এর উত্তরণ হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় দিনে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

গ্রামে লোডশেডিং হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, লোডশেডিং এখন কোথাও নেই। পল্লী বিদ্যুতের লাইনের ত্রুটির (ফল্ট) কারণে লোডশেডিং হতে পারে।

 

জ্বালানির কারণে লোডশেডিং হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে লোডশেডিংয়ের সাময়িক সমস্যা ছিল। দুটি উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই তখন লোডশেডিং হয়েছিল।

 

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সব সরকারি স্থাপনায় সোলার প্যানেল বসানোর জন্য ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এটা বাস্তবায়ন হলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুত যোগ হবে।

উৎপাদন কেন্দ্রের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লোডশেডিং হয়েছিল: বিদ্যুৎমন্ত্রী

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। নিহতদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

 

চীফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্তের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রসিকিউশন ৭ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার আশা করছে। পুরো তদন্তের কাজ শেষ হলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

 

এদিকে, শাপলা চত্বরের মামলায় গ্রেফতার আছেন ৬ জন। ৩০ জনের মতো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ চলমান আছে। যার শীর্ষে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ওপর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। এতে ঘটা প্রাণহানির ঘটনা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ জন নিহতের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে এটার কোনো পরিবর্তন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

 

মঙ্গলবার(৫ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের সাথে মতবিনিময় শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, কালচার, স্পোর্টস নিয়ে জেলা প্রশাসকদের সাথে আলোচনা হয়েছে। দালাল চক্রের হাতে অনেকে মৃত্যু বরন করছে এটা রোধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করতে হবে। অবৈধ অভিবাসন বন্ধ ও দেশে কর্মসংস্থান তৈরির জন্য দেশের কারিগরি কেন্দ্রগুলো কীভাবে কার্যকর করা যায় এটি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, ডিসিরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যে কোনো সময় যে কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে চাইলে আলোচ

ভারতের নির্বাচন অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের ফরেন পলিসি একই থাকবে: শামা ওবায়েদ

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে জানিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

 

পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ড. শামছুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের অবহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করতে চায়-এ লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনের করণীয় বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’-যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন-সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছি। জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত, সেটিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

 

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের সমন্বিত কাজের প্রশংসা করে এ সমন্বয় আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে। পুরো আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং ডিসিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তারা সন্তুষ্ট। পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী ও জনগণমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে’

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরে শেষ হবে কি-না, জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘না। বলা হয়েছে যে নির্বাচনটা ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে শুরু হওয়ার পর। নির্বাচন শুরু হবে এ বছরের শেষের দিকে, কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, সেটাও ইনফ্যাক্ট ওই মন্ত্রণালয় থেকে আগে জানানো হয়েছে।’

 

উপজেলা পরিষদে এমপিদের বসার জায়গা হয়েছে, সরকার কি উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করতে চায়?

 

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা বাতিল করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এই সরকার নেয়নি। অফিস দেওয়াতে উপজেলাকে খর্ব করা হচ্ছে ব্যাপারটা আমার কাছে এরকম মনে হয় না। বরং আইনগতভাবেই আপনি যদি খেয়াল করেন, উপজেলা পরিষদ আইনের ধারা ২৫—এটা নিয়ে আমরা একসময় প্রচুর বলেছি, লিখেছি— সেখানে তো একজন সংসদ সদস্য উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবেই লিগ্যালি আছেন।

চলতি বছরের শেষদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ ও আতঙ্ক উড়িয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে তিনি জানান, এই চুক্তি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এই চুক্তিটি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এবং এটি চাইলেই হুট করে বাতিল করার সুযোগ নেই। তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ চুক্তিতেই রাখা হয়েছে।

 

তাই অহেতুক বিভ্রান্ত না হতে তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।

 

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রভাব কমাতে ঢাকা-ওয়াশিংটন একটি পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি সই করে।

 

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চাইলেই বাতিল করা যায় না: বাণিজ্যমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d