দেশের ৫ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
দেশের ৫ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

দেশের ৫ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

দেশের ৫ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোতে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।

 

এতে বলা হয়, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় ৬০-৮০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

 

পাশাপাশি এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ০২ নম্বর (পুনঃ) ০২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

একই সময়ে ঢাকা, মাদারীপুর, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে একই দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

 

তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চল ও এর কাছাকাছি এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হতে পারে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি (২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারি (২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে।

 

ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের কারণে এসব এলাকার কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমতাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙ্গামাটিতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অপরদিকে, সর্বনিম্ন ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় দিনাজপুর ও শ্রীমঙ্গলে। একইসময়ে সর্বোচ্চ ১৪৬ মি.মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় রংপুরে।


জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেওয়া এক ফেসবুক বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান।

 

ফেসবুক বার্তায় তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বর্তমানে সমগ্র মানবজাতির জন্য অন্যতম বড় বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তাপদাহ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, খরা এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয় বিশ্বব্যাপী পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম হলেও ভৌগোলিক অবস্থান, উচ্চ জনঘনত্ব এবং জলবায়ু-সংবেদনশীল অর্থনীতির কারণে দেশটি জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

 

তিনি লেখেন, Climate Risk Index 2026 অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকির সম্মুখীন। লবণাক্ততা বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস, জলবায়ুজনিত বাস্তুচ্যুতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান তীব্রতা আমাদের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

তারেক রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP), জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC), উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 

তিনি জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

 

কৃষিখাতকে জলবায়ু-সহিষ্ণু ও আধুনিক ভিত্তিতে পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

 

বার্তায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

 

সবশেষে তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

 

সব শেষে তিনি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় তিন নারীসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে বৃষ্টির সময় জেলার সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আতাহার গ্রামের রাব্বিলের ছেলে আব্দুল্লাহ, শিবগঞ্জ উপজেলার চকনরেন্দ্র গ্রামের আব্দুর রবের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ি বাজারপাড়ার আবুল কাশেমের মেয়ে সাদিয়া খাতুন, মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মেসবাউল, নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি গ্রামের সুমিয়ারা বেগম এবং একই উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের গোসাইপুর গ্রামের শাফিউলের ছেলে হাসান আলি লালু।

 

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার নিহত তিনজন বাড়ির পাশের আমবাগানে আম কুড়ানোর সময় আকস্মিক বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

 

এদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, নিহত তিন পরিবারের প্রত্যেককে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, আতাহার এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয় আব্দুল্লাহ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

 

নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি এলাকায় মাঠে ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে সুমিয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। এদিকে আমকুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে নাচোল উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের হাসান আলি লালুর মৃত্যু হয়।

 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও নাচোল উপজেলার নিহত পরিবারগুলোকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

দেশের চার জেলার ওপর দিয়ে দুপুর ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসাথে হতে পারে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোর ৫টা থেকে দুপুরে ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

আবহাওয়া অফিস জানায়– বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

 

এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুপুরের মধ্যে ৪ জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আভাস

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের। ঢাকাসহ অন্তত ৪০টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ। প্রখর রোদ আর তপ্ত বাতাসে জনজীবন প্রায় ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে হিটস্ট্রোকসহ গরমজনিত নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি।

 

তবে কিছুটা স্বস্তির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে, যার ফলে কমতে পারে গরমের তীব্রতা।

 

বুধবার সকাল থেকেই রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘমুক্ত, আর রোদের তাপ ছিল বেশ প্রখর। দুপুরের পর ব্যস্ত সড়ক থেকে শুরু করে ফুটপাত—সবখানেই গরমের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে তা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো অনুভূত হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এল নিনোর প্রভাবে দেশের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি রয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে। এতে বিশেষ করে উপকূলীয় জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ৩৪ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

 

তিনি আরও জানান, দেশজুড়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত শুরু হলে গরমের তীব্রতা কমে আসবে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে।

বৃষ্টি নিয়ে সুখবর দিলো আবহাওয়া অফিস

দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজের ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের ছুটি শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন)। তবে ৫ ও ৬ জুন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় আগামী রোববার (৭ জুন) স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু হবে।

 

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত বাৎসরিক ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু হয়েছে গত ২৩ মে থেকে। ওইদিন অফিস আদেশের মাধ্যমে ছুটি ঘোষণা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ফলে ২৩ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ছুটি পাচ্ছে বিদ্যালয়গুলো। ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক বন্ধের পর আগামী রোববার থেকে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হবে।

 

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কলেজে ছুটি শুরু হয়েছিল ২৪ মে। এ ছুটি শেষ হচ্ছে ৪ জুন। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ৭ জুন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু হবে।

 

তবে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আরও বেশি ছুটি পাচ্ছে। ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদরাসাগুলোয় ২২ মে ছুটি শুরু হয়েছিল, যা চলবে ১১ জুন পর্যন্ত।

 

এরপর ১২ ও ১৩ জুন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে আগামী ১৪ জুন মাদরাসায় ক্লাস শুরু হবে। মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ঈদ ও গরমে ২৩

ঈদ-গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু রোববার

দুপুরের মধ্যে দেশের পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

দুপুরের মধ্যে ৫ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুর জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে মহারশি, সোমেশ্বরী ও চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

 

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা। মহারশি নদীর পানি তীর উপচে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ফসলি জমি, মাছের ঘের এবং অসংখ্য বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 

উপজেলার ধানশাইল, কান্দুলী, কুচনিপাড়া-সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে নদীর পানি প্রবেশ করে ঝিনাইগাতী বাজারেও। এতে বাজারের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, স্থায়ী শহররক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সড়ক, দোকানপাট ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর বাঁতকুচি পয়েন্টে পানি বর্তমানে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন উজানে আরও ভারি বৃষ্টিপাত হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

 

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক চিত্র সংগ্রহ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

স্থানীয়রা জানান, অস্থায়ী বাঁধের মাধ্যমে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এর কোনো কার্যকর সমাধান হয় না। তাই দ্রুত নদী খনন ও টেকসই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমিন বলেন, নদীগুলো খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি এবং বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় নদীতীরে ব্লক স্থাপন করা গেলে বাজারসহ নদীপাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা স্থায়ীভাবে সুরক্ষা পাবে। এটি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য বড় ধরনের আশীর্বাদ হবে।

শেরপুরে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’ বসেছে। তারা সেখানে দুর্নীতি ও অনিয়মসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

 

নাসীরুদ্দীন জামায়াতের প্রয়াত নেতা মাওলানা সাঈদীর কথা স্মরণ করে বলেন, এই চট্টগ্রামে আল্লামা সাঈদীর ঐতিহাসিক বক্তব্য রয়েছে।

 

ভারত সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, আমরা বাংলাদেশের সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করি না। যেদিন সীমান্তে হত্যা বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে অবৈধভাবে হত্যা করা হবে না, সেদিনই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রকৃত অর্থে ন্যায্য ও স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

 

এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, তাদের দল চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এটি কোনো বাজেট নয়, বরং দলীয় লোকজনের জন্য তৈরি একটি গেজেট। এর মাধ্যমে দেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এই বাজেটে শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম কিংবা মুগ্ধের আত্মত্যাগের প্রতিফলন নেই। তাই এই বাজেটের প্রতি ধিক্কার জানাই।

পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের পিএমখালীর ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে প্রধানমন্ত্রী গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

 

পরে তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমনাকে নিয়ে সংরক্ষিত বন ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ১১ প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।

 

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আগামী পাঁচ বছরে এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

 

প্রথম ধাপে দেশের ৪৯টি জেলার ১৪৯টি উপজেলায় দেড় কোটি চারা রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান। এ সময় পাশের আসনে বসে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

 

এছাড়া গাড়িতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ।

 

এরপর সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে ভক্তদের মধ্যে। সেই আবহে প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি নিজের সমর্থন প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পড়শী।

 

প্রথম ম্যাচের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।

 

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি নতুন ছবি প্রকাশ করেন পড়শী। ছবিতে ব্রাজিলের জার্সি পরে হাতে ফুটবল নিয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা যায় তাকে। বিশ্বকাপের আবহে তার এই উপস্থিতি ভক্তদের নজর কাড়ে।

 

ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভকামনা ব্রাজিল।’

 

পোস্টটিতে তিনি ব্রাজিলের পতাকার ইমোজির পাশাপাশি ‘ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ’ হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করেন। এরপরই মন্তব্যের ঘরে শুরু হয় ভক্তদের নানা প্রতিক্রিয়া।

 

একজন ভক্ত লেখেন, ‘ব্রাজিল মানেই আগুন। আমার ভালোবাসার মানুষটাও ব্রাজিল।’

 

আরেকজন মজার ছলে আক্ষেপ করে মন্তব্য করেন, ‘এটা কোনো কথা তুমিও ব্রাজিল।’

 

বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে নিজেদের অভিযান শুরু করতে রবিবার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মাঠে নামবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

 

প্রথম রাউন্ডে দলটির সামনে রয়েছে আরও দুটি ম্যাচ।

ব্রাজিলের জার্সিতে শুভকামনা জানালেন পড়শি

 

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান অপহৃত হননি। মূলত এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণের অভিযোগ ও আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি নিজেই নাটকীয়ভাবে আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

 

আজ শনিবার (১৩ জুন) কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন জিসানের নিখোঁজ হওয়ার দাবি করে তাঁর চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন। জিডি নথিভুক্ত হওয়ার পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জিসানকে উদ্ধারে অনুসন্ধানে নামে।

 

অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের ভাষ্যমতে, গত ২০ মে দাউদকান্দিতে জিসানের ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের জেরে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে ওষুধ খাইয়ে ভ্রূণ নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তবে আইনি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়াতে বিয়ের আগের দিন অর্থাৎ ১১ জুন রাতেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। নিজের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিকে ‘অপহরণ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি কৌশলে চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে থানায় জিডি করান বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।

 

এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম জংশন রোড এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন জিসানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। উদ্ধার হওয়ার পর জিসান দাবি করেছিলেন যে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করেছিল। তবে পুলিশি তদন্তে এই দাবির কোনো সত্যতা বা অপহরণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

জিসান উদ্ধার হওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় জিসানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা, ভ্রূণ হত্যা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

জানতে চাইলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, জিসানকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট হয়েছে যে, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অপহরণ নয়, ধর্ষণের মামলা এড়াতে ছাত্রশিবির নেতার ‘আত্মগোপন’: পুলিশ

 

অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং অলিগার্কদের ধ্বংস করাই সরকারের লক্ষ্য’ বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

আজ (শনিবার, ১৩ জুন) সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা জানান তিনি। যুবদলের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান তিনি।

 

এসময় আশা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ তরুণদের হাতে দায়িত্ব দেয়ার মাধ্যমেই সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে চায় বলেও জানান তিনি।

 

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দক্ষ জনগোষ্ঠী গঠনে বদ্ধ পরিকর বর্তমান সরকার’, বলেন বিএনপি মহাসচিব।

অলিগার্কদের ধ্বংস করা সরকারের লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

চোটের কারণে মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। দীর্ঘদিনের ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এখনো পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় তাঁকে ছাড়াই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।

 

রবিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা ব্রাজিলের জন্য উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের অনুপস্থিতি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

পায়ের মাংসপেশির চোটে ভুগছেন নেইমার। বর্তমানে তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন এবং শারীরিক অবস্থার কারণে সাম্প্রতিক কয়েকটি অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ।

 

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। তাঁর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলেও জানান ব্রাজিল কোচ।

 

আনচেলত্তি বলেন, “নেইমার দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। আমরা আশাবাদী, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সে পুরোপুরি ফিট হয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবে।”

 

ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে। এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি। ইনজুরি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পান এই তারকা ফুটবলার।

 

গ্রুপ পর্বে মরক্কোর পর ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ব্রাজিল শিবির আশা করছে, এই দুই ম্যাচের যেকোনো একটিতে মাঠে ফিরতে পারবেন নেইমার। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছেন কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থক।

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামছেন না নেইমার

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না খেললেও ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশের কোটি দর্শকের মতোই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা বরাবরই আলোচনায় থাকে।

 

বিশেষ করে বিশ্বকাপ এলেই প্রিয় দল ও খেলোয়াড়কে ঘিরে তার আবেগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

 

সম্প্রতি প্রিয় দল, প্রিয় ফুটবলার এবং বিশ্বকাপের স্মৃতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, ব্রাজিলের প্রতি তার সমর্থন অনেক দিনের। একই সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দুই ফুটবল তারকার প্রতিও আলাদা পছন্দের কথা তুলে ধরেন তিনি।

 

প্রিয় খেলোয়াড় সম্পর্কে অপু গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি নেইমারকে অনেক পছন্দ করি। তার খেলাধুলা সবকিছুই আমার পছন্দ। আর ব্যক্তিত্বের দিক থেকে মেসিকে আমার পছন্দ।’

 

নিজে ব্রাজিলের সমর্থক হলেও তার ছেলে আব্রাম খান জয় নীল-সাদা দলের ভক্ত। বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসের সুরে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক।

 

যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের খেলায় আলাদা একটা ছন্দ আছে। যারা আমার ভক্ত আছে তাদের বলি, “শুধু ব্রাজিল হলে তো চলবে না অন্য দলের সাপোর্টারও লাগবে।” তা না হলে খেলা দেখে মজা থাকবে না। আমার ছেলে জয় আর্জেন্টিনা করে। সে মেসির ভক্ত।’

 

বিশ্বকাপ ফুটবলকে তিনি শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, বরং উৎসব হিসেবেই দেখেন।

 

রাত জেগে খেলা দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা মানেই উত্তেজনায় ভরপুর এক পরিবেশ। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ঈদের মতো একটা আমেজ তৈরি হয়। এমনও হয় যে, রান্নাবান্না করে আবার টিভির সামনে বসে যাই। রাত দুইটা তিনটা বেজে গেলেও দেখা যায় আমরা খেলা দেখছি।’

যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে – অপু বিশ্বাস

ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

 

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সমাজ থেকে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। একইভাবে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে।

 

নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি।

 

শনিবার (১৩ জুন) বেলা পৌনে ১২টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষা: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এই সেমিনারের আয়োজন করে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়।

 

মিজানুর রহমান মিনু আরও বলেন, রাজশাহী আজ যে চিন্তা করে পুরো দেশ সেটা পরে চিন্তা কারে। এ কারণে রাজশাহী পাইওনিয়ার। আমরা গোটা জাতিকে এমন কিছু উপহার দিব যা থেকে সবাই উপকৃত হবে।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে রাজশাহী ভিন্ন, কারণ এই বিভাগের মানুষ সবচাইতে সহনশীল ও ধৈর্যশীল। এটা আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে।

 

রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা, বিভাগীয় কমিশনার আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এইচ এম মাহামুদুর রহমান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ফয়েজুল কবির।

 

সেমিনারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কর্মর্কর্তা, বিচারক ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

আলোচিত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদ প্রধানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

নাছির উদ্দীন লিখেছেন, আবারও প্রমাণিত হলো, জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে জামায়াতের আমির, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং শিবির-নিয়ন্ত্রিত বট ও ফেক আইডিগুলো থেকে। পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে

তিনি আরও লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ঘটনাটিকে অপহরণ ও ‘গুম’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য এবং অনলাইন সমর্থকদের প্রচারণায় এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয় যেন এটি রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্টতার কোনো গুরুতর ঘটনা। অথচ ‘গুম’ শব্দটি কোনো সাধারণ অভিযোগ নয়; এটি একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার প্রশ্ন জড়িত থাকে।

 

পোস্টে লিখেন, এখন পুলিশি তদন্তের প্রাথমিক তথ্য বলছে, ঘটনাটি অপহরণ বা গুম নয়। বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে। যদি তদন্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—কোনো রাজনৈতিক দল কি এত বড় অভিযোগ উত্থাপনের আগে ন্যূনতম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনও অনুভব করে না?

 

পোস্টে উল্লেখ করেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিতভাবে ‘গুম’ বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি অপ্রমাণিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবেগ উসকে দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ পরে যখন ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে তখন সেই প্রচারণার দায় কেউ নিচ্ছে না।

 

তিনি লিখেন, বারবার দেখা যাচ্ছে, তথ্যের চেয়ে বয়ানকে এবং সত্যের চেয়ে মিথ্যা প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বক্তব্য যদি যাচাইকৃত তথ্যের পরিবর্তে অনুমান, গুজব কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ওপর দাঁড়ায়, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না; বরং প্রকৃত গুম, অপহরণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর গুরুত্বও কমিয়ে দেয়।

 

সবশেষে লিখেন, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে জনগণ সত্যভিত্তিক অবস্থান প্রত্যাশা করে, প্রোপাগান্ডা নয়। জিসান ইস্যুতে অন্তত এটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে, অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যতটা তৎপরতা দেখানো হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার সামান্য অংশও দেখা যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রবণতা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জন আস্থার জন্য মোটেও শুভ নয়।।

 

 

মিথ্যা তথ্য প্রচার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে’

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d