প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল টিমের সাথে বাগবিতণ্ডা, পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল টিমের সাথে বাগবিতণ্ডা, পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল টিমের সাথে বাগবিতণ্ডা, পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর বেরিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূইয়াকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছে ছাত্রদল।

 

শনিবার (৩০ মে) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূইয়াকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। একইসাথে উক্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলো। সাংগঠনিক গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার স্বার্থে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির শনিবার এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

 

উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শনিবার (৩০ মে) সকালে বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বের হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল টিমের সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভুঁইয়াসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি ‘স্ট্যান্ডবাজি’ ছাড়া আর কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দেশে ফিরে এসে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্যও হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

 

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি তার স্বভাবসুলভ বাগাড়ম্বর এবং রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি। সৎসাহস থাকলে অপরাধ স্বীকার করে শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হওয়া উচিত।

 

সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে এবার মানুষ স্বস্তিতে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে আগে যে নিরাপত্তাহীনতা ছিল, এবার তা নেই। সড়কের অরাজকতা মোকাবিলায় সরকার তৎপর থাকায় এবার ঈদযাত্রায় তেমন যানজটও নেই।

 

তিনি আরও বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও আগের তুলনায় অনেক ভালো আছে। বর্তমান সরকার প্রথম ১০০ দিনে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের যে তৎপরতা দেখিয়েছে, আগামীতেও জনগণকে দেওয়া প্রত্যেকটি প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাস্তবায়ন করবেন।

 

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসিনাকে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান রিজভীর

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন যমুনা টেলিভিশনের মুখোমুখি হয়ে এই সরকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ থাকার বিষয়টি সামনে আনেন। যা নিয়ে আগে থেকেই কানাঘুষা ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে।তৌহিদ হোসেনের এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কারা ছিলেন ‘কিচেন কেবিনেটের’ সদস্য? অনেকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলছেন ছাত্র নেতা থেকে উপদেষ্টা বনে যাওয়া আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দিকেও।

 

তবে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেন, তিনি কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলেন না।

 

তৌহিদ হোসেনের বক্তব্যের আরও বিষয় নিয়েও কথা বলেন তিনি। আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

তার দাবি, চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সাথেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপিয়েছে। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।

 

রাজনীতি, কূটনীতি পেরিয়ে ক্রিকেট পাড়াকেও টেনে আনলেন সাবেক এই ক্রীড়া উপদেষ্টা। অভিযোগ করেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে বাবার পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল।

কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না: আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রী ও তার কন্যাকে নিয়ে কটুক্তি ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ময়মনসিংহ জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট এবং দুদকের পিপি একে এম আজিজুল হক খান এই নোটিশ প্রদান করেন। শনিবার (২৩ মে) দৈনিক ইত্তেফাককে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এছাড়াও একে এম আজিজুল হক খান তার ফেসবুক প্রোফাইলে লিগ্যাল নোটিশটি স্ট্যাটাস আকারে প্রকাশ করেন ।

লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়- প্রাপক, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এনসিপি নেতা। আপনাকে এই মর্মে লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে জানানো যাচ্ছে যে আপনি সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং তার কন্যা জায়মা রহমানকে নিয়ে কটুক্তি করে মানহানি কর বক্তব্য দিয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষে মনে আঘাত করেছেন, তাতে আমিও আঘাত প্রাপ্ত হয়েছি।

 

এতে আরও বলা হয়, কেন আপনার বিরুদ্ধে কেন মানহানির মামলা করা হবে না, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তার ব্যাখ্যা সহজবাব লিখিত ভাবে নিম্ন স্বাক্ষরকারির নিকট দিতে অনুরোধ করছি। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে আদালতে আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

 

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে এরমধ্যে একটি হলো এই নির্বাচনে পোস্টার থাকবে না। আমরা নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টার না রাখার পক্ষে।’

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংশোধিত বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

 

তিনি জানান, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বর্তমান বিধান বাতিল করা হবে। একইভাবে ইভিএম ব্যবহারের নিয়মও থাকছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।

 

বর্তমানে নির্দলীয় প্রার্থীদের জন্য সমর্থন হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেটিও বাতিল করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে কী পরিমাণ বাড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

 

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা পোস্টাল ভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। একই সঙ্গে ফেরারি আসামিরাও প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ, সুন্দর ও সুষ্ঠু করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কাজ চলছে।

 

ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জুন মাসের মধ্যেই পুরো বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে। ঈদের আগে আরেকটি বৈঠক করা গেলে খসড়া বিধিমালা কমিশনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন আগামী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে পারবে বলে আশা করছে।

 

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।

 

প্রথমত, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন, সরকার কী চায় এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী-সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে।

 

দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কী চায়? তারা কি মারামারি-হানাহানির পথে যাবে, নাকি দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবে? তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সংঘর্ষ নয়।

 

তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব। তিনি বলেন, ইসি নিরপেক্ষ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও ইসির নিজস্ব কোনো শক্তি নেই; তবুও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে ‘হুংকার’ দিতে হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকে।

 

চতুর্থত-নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের আচরণ। লাখ লাখ মানুষ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন। প্রিসাইডিং অফিসার যদি আন্তরিকভাবে বলেন- জাল ভোট আমি করতে দেব না, বা দুই নম্বর কাজ হবে না-তাহলে তা তার সততা, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের গুণাবলির ওপর নির্ভর করে।

 

তিনি বলেন, নিজের সততার শতভাগ দরকার, সঙ্গে থাকতে হবে নেতৃত্বের সক্ষমতাও।

 

সহিংসতাহীন ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে বলেন, এজন্য সরকারের শতভাগ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন প্রয়োজন। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারের স্বার্থেই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

 

তিনি বলেন, সহিংসতা মূলত আইন-শৃঙ্খলার বিষয়। কেউ সংঘর্ষ সৃষ্টি করলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তি হবে। তবে শুধু আইনের কঠোর প্রয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোরও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।

 

তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে প্রার্থীরা রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। কোনো দলের সমর্থিত প্রার্থী মাঠে নামলে অন্য পক্ষ থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়ায়। এ অবস্থায় দলগুলোর মধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না থাকলে এবং তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

 

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে দলগতভাবে অনুরোধ জানানো হবে যাতে তারা-নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত না করে, মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি বা লাঠালাঠি থেকে বিরত থাকে। দলবাজি বা উত্তেজনা তৈরির প্রচেষ্টা না চালায়।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতা না করলে আমরা কী করব? খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’

 

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দুটি রাজনৈতিক জোট আচরণবিধি মেনে চলেছে। ভোটের দিন বড় কোনো ঝামেলা, কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা খুব কম হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত।

 

তিনি আরও বলেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

 

তিনি জানান, প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা; আইন ও বিধিমালায় রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে।’

বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেছেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে’ মধ্যযুগীয় আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করেছেন। দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থার প্রতি চরম অবমাননার শামিল।

 

শুক্রবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারি দলের নীতিনির্ধারকগণ প্রায়ই ‘মদিনার সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা’ এবং ‘শরীয়াবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন না করার’ মৌখিক অঙ্গীকার ব্যক্ত করে থাকেন। অথচ বাস্তব ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়া আইনকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলে হেয় প্রতিপন্ন করার মাধ্যমে তাদের আদর্শিক দেউলিয়াত্ব, সস্তা রাজনৈতিক অবস্থান এবং চরম দ্বিচারিতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটলো।

 

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই অবমাননাকর মন্তব্য দেশের আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে এবং সামগ্রিকভাবে তাদের ক্ষুব্ধ ও উসকে দিয়েছে। দেশের ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজ মনে করেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী শরীয়া আইনের প্রতি চরম অবমাননা প্রদর্শন করেছেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আহ্বানও জানিয়েছে জামায়াত।

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের কোরবানির পশুর সংখ্যা ও অর্থের উৎস নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন বিএনপি ও সাবেক গণঅধিকার পরিষদের নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।

তিনি বলেন, ‘জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! তাই এই হালাল টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে জাহান্নামে যেতে হবে, এই ভয়ে বিপ্লবীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে!’

 

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

 

তার পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জামায়াত এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ৬৫টি গরু কুরবানি করেছে। নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বেলায়েত হেসেন ১০০টি গরু কোরবানি দিয়েছে। কিন্তু বিএনপি সরকারের মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ৬টি গরু কোরবানি দিয়েছে। এনিয়ে তো রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্থের উৎস জানতে চাওয়া হয়েছে!’

 

এ বিষয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘সর্বত্র বিএনপি ও জামায়াত-এনসিপি জোটের খরচের তারতম্য প্রায় এরকমই। নির্বাচনেও খরচের পার্থক্যও প্রায় এমন ছিল। জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! তাই এই হালাল টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে জাহান্নামে যেতে হবে, এই ভয়ে বিপ্লবীরা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে!’

 

জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা! -রাশেদ খাঁন

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। কুমিল্লা–৪ (দেবীদ্বার) আসনের এই সংসদ সদস্য একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে টাকার কথা বলেছেন, সেটি উপজেলার জন্য বরাদ্দ বাজেট। ওই অর্থ কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি।

 

এর আগে শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। একইভাবে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

 

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ওই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মোস্তাক মিয়া কুমিল্লা বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।রাজনৈতিক জীবনী বই

 

অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা মূলত উপজেলার জন্য বরাদ্দ বাজেটকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, “এই টাকা আমাকে দেওয়া হয়নি। এটি কোনো ব্যক্তিকে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”

 

তিনি আরও জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় কোন খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে রয়েছে। একইভাবে উপজেলা প্রশাসনের কাছেও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং তা প্রকাশের আহ্বান জানান।

 

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, স্থানীয় উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন হলে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। “আমি আমার উপজেলার মানুষের জন্য কোথাও যদি ভিক্ষা চাইতেও হয়, সেটি করতে আমার আপত্তি নেই। কারণ, আমি নিজের জন্য নয়, মানুষের জন্য কাজ করি,” বলেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ, যা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে। দেবীদ্বার উপজেলাকে এ খাতে প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন অর্থ ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়েছে। অথচ এটি সম্পূর্ণভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ এবং রাজস্ব খাতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

উপজেলার বাজেটের টাকা তো আমাকে দেওয়া হয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে নানি ও দুই না‌তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পু‌লিশ। শ‌নিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মহানগরীর সোনডাঙ্গা থানার দারুস আমান মস‌জিদ এলাকার বিলপাড় রোডের বা‌সিন্দা শরীফুল ইসলামের বা‌ড়ি থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় নিহত শিশু দুইটির মা ফাতেমা বেগম মেরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পু‌লিশ। পু‌লিশের পাশাপা‌শি র‌্যাব ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থল প‌রিদর্শন করেছে।

 

নিহতরা হলেন, বেবী বেগম এবং তার দুই না‌তি মোস্তাকীম ও শামীম।

 

নিহত দুই শিশুর মা ফাতেমা বেগম মেরী জানান, তার দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী রফিকুল তার আগের ঘরের সন্তানদের ভালো চোখে দেখতো না। গত শুক্রবার রাতে তিনি বাড়িতে আসেন এবং তার সাথেই থাকেন। সকালে বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে যান। এরপর তার মা ও দুই সন্তানকে না দেখে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। বিকেলে পাশের রুম থেকে গন্ধ আসলে সবাইকে জানান।পু‌লিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মেরীর খালা তার বোন বেবী বেগমকে খুঁজতে ঘটনাস্থলে আসেন। ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকলে জাতীয় জরু‌রি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। এর আগে স্থ‌ানীয়রা ঘরের দরজা ভেঙে চৌ‌কির (খাট) নীচ‌ থেকে নানি বেবী বেগম ও ট্রাংকের ওপর থেকে নাতি শামীমের মরদেহ দেখতে পান। পরে পু‌লিশ ছোট ছেলে মুস্তা‌কিমের মরদেহ খুঁজতে থাকেন। পরে সিআইডির টিম এসে ওয়ারড্রব থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

এদিকে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ, ডিবি এবং সিআিইডির বিশেষ টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্রাইম সিন থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। মরদেহ তিনজনের সুরতাহাল শেষ করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

 

জানা গেছে, চার বছর পূর্বে ফাতেমা বেগমের প্রথম স্বামী মাসুম বেপারীর (৪৫) সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর তাদের সন্তান শামীম এবং মুস্তাকিম তার মা ফাতেমা বেগমের সাথে বসবাস করতে থাকেন। এর ভিতরে আন্তঃজেলা ট্রাক ড্রাইভার রফিকুলের সাথে বিয়ে হলে সেও প্রায় ফাতেমা বেগম এর মায়ের বাসায় এসে থাকতেন।খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার দারুল আমান মহল্লায় শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির ভাড়া বাসায় তিনটি মরদেহ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুটি শিশু মুস্তাকিম ও শামিম এবং তাদের নানী বেবী বেগমের মরদেহ রয়েছে। এ ঘটনায় নিহত শিশু সন্তান দুটির মা ফাতেমা বেগম মেরীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

 

তার দেওয়া তথ্যমতে, তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল এই ঘটনার সাথে জড়িত। এ ঘটনায় পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। রফিকুল খুলনা নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

খুলনায় একই ঘরের ট্রাংক-খাট-ওয়ারড্রব থেকে নানি ও দুই না‌তির মরদেহ উদ্ধার

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকার সময়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে নিয়েছেন ১৫ কোটি টাকা। অপরদিকে এনসিপি নেতা বর্তমান এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। এই দাবি করেছেন পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া। এরইমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

 

আজ শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এই দাবি করেন তিনি।

 

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে। মোস্তাক মিয়া বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিকের পদে রয়েছেন। আজকের আলোচনা সভায় তিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তব্যে মোস্তাক মিয়া বলেন, ‘আমার জেলা পরিষদ থেকে মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ ১৫ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। তিনি আমাদের নিজস্ব রাজস্বের টাকা ১৫ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। আরেকজন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি নিয়ে গেছেন ১০ কোটি টাকা। এটা হলো সমন্বয়ের অবস্থা। তারা চেয়েছিলেন যে বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী একটা সমন্বয়ের রাজনীতি, কিন্তু তাদের মধ্যে সেটা ছিল না।’

 

জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ সরকার আপনাদের ভোটে নির্বাচিত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী, তিনি এই সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ধ্বংস হওয়া অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের জন্য আজ আমাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করছেন। তাঁর কাঁধে দায়িত্বে পড়েছে—যেই অর্থনীতি ধ্বংস করেছিল, এটাকে পুনরুদ্ধারের জন্য। সেটা নিয়ে উনি কাজ করছেন।’

 

কুমিল্লার আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা (টিপু)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম। এতে বিএনপি, এর অঙ্গসংগঠনের নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

রাজস্ব তহবিল থেকে আসিফ ১৫ ও হাসনাত ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন: কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক

গাজীপুরের কাশিমপুরে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নদীতে পরে নিখোঁজ ১ জন।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুর নগরীর কাশিমপুর তুরাগ নদীতে নৌভ্রমণে গিয়ে একদল যুবকের আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। নৌকায় ডিজে গান বাজানোর সময় ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন রাসেল (২২) নামের এক যুবক।

শনিবার ৩০ মে সন্ধ্যার পূর্ব মুহুর্তে মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন ৬নং ওয়ার্ডের জেলেপাড়া এলাকার তুরাগ নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ রাসেল কাশিমপুরের ৩ নং ওয়ার্ডের গোবিন্দবাড়ী এলাকার ফজল আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাসেলসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে নৌকায় করে তুরাগ নদীতে ঘুরতে বের হন। নৌভ্রমণের সময় ডিজে গান বাজিয়ে আনন্দ-উল্লাস চলছিল। একপর্যায়ে রাসেল ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে যান। সঙ্গে থাকা যুবকেরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও নদীর পানিতে তলিয়ে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন।

 

ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, খবর দেওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কোনো উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে স্থানীয় বাসিন্দা, স্বজন, জেলে ও নৌকার মাঝিরা নিজ উদ্যোগে নদীতে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাসেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে তুরাগ নদীর তীরে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। স্বজনদের আহাজারি ও উৎকণ্ঠায় এলাকাজুড়ে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে নিখোঁজ রাসেলকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গাজীপুরের কাশিমপুরে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে নদীতে পরে নিখোঁজ ১ জন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর বেরিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূইয়াকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছে ছাত্রদল।

 

শনিবার (৩০ মে) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূইয়াকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। একইসাথে উক্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলো। সাংগঠনিক গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার স্বার্থে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির শনিবার এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

 

উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শনিবার (৩০ মে) সকালে বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বের হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল টিমের সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভুঁইয়াসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল টিমের সাথে বাগবিতণ্ডা, পদ হারালেন ছাত্রদল নেতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাদক কেনাবেচায় বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রায়হান (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছেন।শুক্রবার (৩০ মে) গভীর রাতে উপজেলার সৈয়দটুলা উত্তরপাড়া গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত রায়হান উত্তরপাড়া এলাকার ছুটুন মিয়ার ছেলে। এ সময় আহত হয়েছেন দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন।

 

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উত্তরপাড়া এলাকার সজীব মিয়া স্থানীয় এক যুবককে ইয়াবা কিনে আনার জন্য ৩০০ টাকা দেয়। কিন্তু ওই যুবক তা না করে টাকা দিয়ে বিস্কুট কিনে খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে সজীব মিয়া ক্ষুব্ধ হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। বিষয়টি টের পেয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করা স্থানীয় যুবক কামাল, জসিম, দেওয়ান উদ্দিনসহ কয়েকজন মাদক কেনাবেচার বিষয়টি জানতে চান। এ সময় সজীব মিয়ার পক্ষ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয় এলাকার শাহীন ও রতন মিয়া নামে আরও দুই যুবক।

সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভুঁইয়া বলেন, মাদকসংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সংঘর্ষে রায়হান নামে একজন নিহত হয়েছেন। তার মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

এ নিয়ে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। রাতের আঁধারে টর্চ লাইটের আলো জ্বালিয়ে ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রায়হান গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত আরও ১৫ জন আহত হন।

 

ইয়াবা কেনার টাকা দিয়ে বিস্কুট কিনে খাওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, কিশোর নিহত

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফেসবুক আইডি ব্লক করাকে কেন্দ্র করে বিবাদের মধ্যে গিয়ে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন হয়েছেন। শনিবার (৩০ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাগান বাজার ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বালুটিলায় ঘটনাটি ঘটে।

 

এ ঘটনায় নিহত মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের (৩২) বড় ভাই মুহাম্মদ জাফরকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ফেসবুক আইডি ব্লক করাকে কেন্দ্র করে শাহাজাহানের সঙ্গে গ্রামের জাফরের বিরোধ হয়। এ নিয়ে বাড়ির পাশের চায়ের দোকানে তাদের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং পরে মারামারি শুরু হয়। এ সময় দুপক্ষকে থামাতে এগিয়ে যান জাফরের ছোট ভাই জয়নাল। একপর্যায়ে জাফর ছুরি দিয়ে জয়নালকে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

 

বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য ছিল বলে জানান স্থানীয়রা।

 

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জয়নালের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

 

ভূজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ফেসবুক আইডি ব্লক করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তির বড় ভাই জাফরকে আটক করা হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেসবুক আইডি ব্লক করাকে কেন্দ্র করে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

বগুড়ায় নারী প্রশিক্ষণার্থীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে এক নারী প্রশিক্ষণার্থীর হাতে জুতাপেটার শিকার হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র এক নেতা। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দলীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

অভিযুক্ত আলী আজম সাব্বিরকে দলের সব দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে এনসিপি। একই সঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তাকে তিন দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে এনসিপি বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরানের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

 

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আলী আজম সাব্বির এনসিপির শিবগঞ্জ উপজেলা সমন্বয় টিমের সমন্বয়কারী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

 

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী সাব্বিরকে জুতা দিয়ে আঘাত করছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

 

জানা যায়, আলী আজম সাব্বির বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সের একজন প্রশিক্ষণার্থী। তার বিরুদ্ধে কয়েকজন নারী প্রশিক্ষণার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণ, মোবাইল ফোনে আপত্তিকর বার্তা পাঠানো এবং অশ্লীল ভাষায় কথা বলার অভিযোগ ওঠে।

 

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ মে কয়েকজন নারী প্রশিক্ষণার্থী তাকে টিটিসির একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে এক নারী প্রশিক্ষণার্থী তাকে জুতা দিয়ে মারেন। এ সময় তিনি নিজের আচরণের জন্য ক্ষমা চান বলে জানা গেছে।

 

বগুড়া টিটিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষক রাশেদুল হাসান শাহীন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর। অভিযুক্তের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে এবং তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। আগামী ১ জুন প্রতিষ্ঠান খোলার পর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

 

এদিকে এনসিপি বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত ইমরান বলেন, অভিযোগটি সংগঠনের নজরে আসার পরপরই আলী আজম সাব্বিরকে দলের সব দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে তাকে তিন দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

উত্ত্যক্ত করায় এনসিপি নেতাকে জুতাপেটা, দল থেকে অব্যাহতি

সবাই মিলে দেশ গড়ার দায়িত্ব নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশ কারও একার না। দেশ যেমন কোনো সরকারের একার না, যেমন কোনো রাজনৈতিক দলের একার না, কোনো পরিবার বা কোনো ব্যক্তির একার না। দেশটি হচ্ছে লাখো-কোটি মানুষের, প্রত্যেকের। তাই এই দেশকে গড়ে তুলতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে।

 

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে রাজধানীর জুরাইনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

 

এলাকার মানুষকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যদি এই এলাকার মানুষ হয়ে থাকেন, আপনি চেষ্টা করবেন আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলার জন্য। আবর্জনা সঠিকভাবে ফেলার জন্য। কারণ আজকে যদি মনে করেন, আপনি যে আবর্জনাটা এখানে ফেলেন, এইটুকু আবর্জনা, এক কেজি, আধা কেজি আবর্জনা বা দুই কেজি আবর্জনা– কী হবে? কিন্তু আপনি চিন্তা করেন, এখানে যতগুলো মানুষ, এখানে কয়েক হাজার মানুষ আমরা জড়ো হয়েছি। প্রত্যেকে যদি ১ কেজি করে ময়লা একটা জায়গায় ফেলে, তাহলে কত কেজি ময়লা হবে? না হলে ১০ হাজার কেজি ময়লা হয়ে যাবে। মানে ১০ টন ময়লা।

 

তিনি বলেন, তাহলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী তারাও তো মানুষ। তারা হয়ত গরিব মানুষ। তাদেরও পরিষ্কার করতে কষ্ট হয়। কিন্তু আমরা সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি, তাহলে আপনি নিজের শহরকে যেমন পরিষ্কার রাখতে পারবেন, সেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীও অল্পতেই জায়গাটাকে পরিষ্কার করে ফেলতে পারবে। ঠিক একইভাবে তারও কষ্ট কম হবে। আপনার সন্তানরা, আপনি নিজে, আপনার বাবা-মা, পরিবারের সদস্যরাও একটি পরিষ্কার ও সুন্দর পরিবেশের মধ্যে থাকতে পারবেন।

 

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, কমবেশি সবাই তো এই ঢাকা শহরেই বাস করেন। এই এলাকায় বাস করেন, তাই না? এখন চিন্তা করেন, এলাকা যদি পরিষ্কার থাকে, তাহলে তো আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে। ভালো লাগবে না? টিভির পর্দায় যখন অন্যান্য দেশের ছবি দেখেন, সুন্দর রাস্তাঘাট দেখেন, পরিষ্কার রাস্তাঘাট দেখেন, তখন একটু হিংসা হয় না মনের মধ্যে? যে, আমাদের রাস্তাঘাট কেন এত ময়লা হয়? আমার তো হয় ভাই। আমার কিন্তু হিংসা হয় যে, ওই দেশের রাস্তাঘাট এত পরিষ্কার। আমার দেশের রাস্তাঘাট কেন পরিষ্কার না? এখন ওই দেশের যে রাস্তাঘাট পরিষ্কার, এটা তো বাইরে থেকে কেউ এসে করে দিয়ে যায় না। যে দেশের রাস্তাঘাট পরিষ্কার, সে দেশের সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা যেমন পরিষ্কার করে, একইভাবে সে দেশের জনগণও কিন্তু যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে না। এখন আপনি সরকারের কেউ না। এই কাজটি করার জন্য কিন্তু সরকারের কেউ হওয়ার দরকার নেই। এমপি হওয়ার দরকার নেই। মন্ত্রী হওয়ার দরকার নেই। মেয়র হওয়ার দরকার নেই। ওয়ার্ড কমিশনার হওয়ার দরকার নেই। একজন নাগরিক হিসেবে আপনি এই কাজটি করতে পারেন। ময়লাটা আপনার পকেটে নিয়ে নেন। যদি টিস্যু পেপার থাকে, কিছু থাকে, ময়লা নেন। বাদাম খাবেন, তখন বাদামের খোসাটা এমনভাবে এক জায়গায় ফেলেন, যাতে জায়গাটা ময়লা না হয়।

দেশ কারও একার না, তাই গড়ার দায়িত্বও সবার: প্রধানমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d