ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ: এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি
ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ: এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি

ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ: এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি

নেত্রকোণায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী সাদিয়া আক্তারকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে দলটি।

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। চিঠিটি নেত্রকোণা জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া আক্তারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

 

দলীয় চিঠিতে বলা হয়েছে, সাদিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে তাকে নেত্রকোণা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

 

একইসঙ্গে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী সাংগঠনিক ব্যবস্থা কেন নেয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত আত্মপক্ষ সমর্থন, প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর তিন কার্যদিবসের মধ্যে এসব তথ্য ও ব্যাখ্যা কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

এর আগে, ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়া এবং সুলভ মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেয়ার আশ্বাস দিয়ে কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর নেত্রকোণা শহরের কুড়পাড় এলাকা থেকে সাদিয়া আক্তারকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে দেন। পরে তার বিরুদ্ধে নেত্রকোণা মডেল থানায় প্রতারণার মামলা করা হয়।

 

মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৯ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার বয়স ২২/২৩ বছর উল্লেখ করা হয়েছে এবং তিনি নেত্রকোণা জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

এদিকে, সাদিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন নেত্রকোণা জেলা এনসিপির সদস্যসচিব ফাহিম রহমান খান পাঠান। বৃহস্পতিবার কারণ দর্শানোর নোটিশটির বিষয়ে নিশ্চিত করে তিনি বলেন, স্থানীয় বিএনপির একটি মহল ষড়যন্ত্র করে সাদিয়াকে ফাঁসিয়েছে বলে তারা মনে করেন। তবে তার বিরুদ্ধে যেহেতু অভিযোগ এসেছে, তাই সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং নোটিশের জবাব দেয়ার সুযোগও তাকে দেয়া হয়েছে।

 

ফাহিম রহমান খান বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাদিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। আশা করি, তিনি উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগের জবাব দিয়ে রেহাই পাবেন। আমরা মনে করি, সাদিয়া স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।’

 

অন্যদিকে, এর আগে সাদিয়া তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে দাবি করেছিলেন, স্থানীয় এক ব্যক্তি কমলের কথায় তিনি ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টাকা নিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যারা টাকা দিয়েছেন তারা নিজেরাই ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলেন। তবে এসব বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।


ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে সমতল পাল সম্প্রদায়ের কারুশিল্পীদের নিয়ে কর্মশাল।

 

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প সংরক্ষণ, আধুনিক নকশার সঙ্গে স্থানীয় কারুশিল্পীদের পরিচিত করা, পণ্যের মানোন্নয়ন এবং দেশ-বিদেশের বাজারব্যবস্থার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে দিনব্যাপী মৃৎশিল্প বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

 

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

 

 

ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এবং ন্যাশনাল ক্রাফটস কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (এনসিসিবি), ঢাকা-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকঁচা গ্রামের সমতল পাল সম্প্রদায়ের নির্বাচিত ৩০ জন মৃৎশিল্পী অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে ২৩ জন নারী ও ৭ জন পুরুষ মৃৎশিল্পী ছিলেন।

 

 

 

কর্মশালায় ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের সংরক্ষণ, আধুনিক নকশা ও নান্দনিকতা, পণ্যের মানোন্নয়ন, নতুন পণ্য তৈরি এবং আধুনিক বাজারব্যবস্থার সঙ্গে স্থানীয় কারুশিল্পীদের সম্পৃক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ ও আলোচনা করা হয়।

 

 

আয়োজকরা জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের সমতল পাল সম্প্রদায়ের মৃৎশিল্পীদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক সময়ের উপযোগী পণ্য তৈরি এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টি করাই এ কর্মশালার অন্যতম উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে স্থানীয় কারুশিল্পীদের দক্ষতা ও আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে নতুনভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

 

এ সময় উপস্থিত থেকে কর্মশালার বাস্তবায়ন করেন,

 

কর্মশালার বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ-উজ-জামান । এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দনা ঘোষ ও সুজন খান, ইএসডিও।

 

 

কর্মশালার প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন  আশিকুর রহমান (রিজভী) ও খোকন দাস, ইএসডিও। সহকারী সমন্বয়ক হিসেবে ছিলেন রফিকুল ইসলাম, এনসিসিবি।

 

রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন, ইএসডিও হেড অব ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স আইনুল হক, এনসিসিবি, চন্দ্রশেখর সাহা। সহকারী রিসোর্স পারসন ছিলেন আশরাফুল আলম (শাওন)  কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 

দিনব্যাপী কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী মৃৎশিল্পীদের হাতে তাঁদের অংশগ্রহণ ও কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

 

 

এ সময় আয়োজকরা জানান, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সকল কারুশিল্পীকে পরবর্তীতে ন্যাশনাল ক্রাফটস কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (এনসিসিবি)-এর সদস্য করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

 

একই সঙ্গে ঢাকায় আয়োজিত বিভিন্ন কারুশিল্প প্রদর্শনীতে তাঁদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

 

 

কারুশিল্প সংরক্ষণে এনসিসিবি

 

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ (এনসিসিবি) দীর্ঘ চার দশক ধরে দেশের কারুশিল্প ও কারুশিল্পীদের সংরক্ষণ, পুনর্জীবন ও বিকাশে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি দেশীয় কারুশিল্পের প্রসার, দক্ষ কারুশিল্পীদের স্বীকৃতি প্রদান এবং নবীন কারুশিল্পীদের উৎসাহিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

 

 

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিতি লাভ করবে।

ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে দিতে সমতল পাল সম্প্রদায়ের কারুশিল্পীদের নিয়ে কর্মশালা

ঠাকুরগাঁওয়ে ৯০ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপসহ দুইজন গ্রেপ্তার

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানাধীন কালীতলা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩)। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

এসআরবি-১৩ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে এসআরবি-১৩-এর দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কালীতলা বাজারের মসজিদ সংলগ্ন পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও পাকা সড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহভাজন দুটি মোটরসাইকেল তল্লাশি করে ৯০ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার শিরাইল গ্রামের মশিরউদ্দিনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪২) এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার লোহাগাঁও গ্রামের নিজামউদ্দিনের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৪০)।

 

এসআরবি-১৩ জানায়, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ৯০ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপসহ দুইজন গ্রেপ্তার

রতের পশ্চিমবঙ্গের তিস্তা নদীতে স্রোতের টানে প্রায় চার কিলোমিটার ভেসে যাওয়া চার দিনের একটি হাতিশাবককে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। পরে বন বিভাগের উদ্যোগে শাবকটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবা ব্যারাজের কাছে তিস্তা নদী পার হওয়ার চেষ্টা করছিল একটি হাতির পাল। এ সময় পাল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাত্র চারদিনের হাতিশাবকটি নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে যায়।

 

প্রায় চার কিলোমিটার ভেসে যাওয়ার পর নদীতে মাছ ধরতে থাকা স্থানীয় জেলেদের নজরে আসে শাবকটি। পরে ছোট নৌকা নিয়ে নদীতে গিয়ে তারা শাবকটিকে উদ্ধার করেন।

 

 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বন বিভাগের কর্মকর্তারা। উদ্ধার করা হাতিশাবকটিকে পশু চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলে পরীক্ষায় তার শরীরে গুরুতর কোনো আঘাত পাওয়া যায়নি।

 

বন কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ সময় মানুষের সংস্পর্শে থাকলে মা হাতি শাবকটিকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এ কারণে দ্রুত শাবকটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়।

 

পরে শাবকটিকে হাতির পালের কাছে নিয়ে গেলে মা হাতি তাকে গ্রহণ করে এবং দুধ পান করায়। এরপর শাবকটি আবার মায়ের সঙ্গে হাতির পালে ফিরে যায়।

তিস্তায় ভেসে যাওয়া হাতিশাবক উদ্ধার, মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিল বন বিভাগ

গাইবান্ধায় প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 

শাহ্ পারভেজ সংগ্রাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় আবাসিক ও অনাবাসিক প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার বেলা ১১ টার দিকে জেলা শহরের গানাসাস মার্কেটের সামনে গাইবান্ধা জেলা ডিজিটাল প্রি-পেইড মিটার প্রতিরোধ কমিটি ও বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির আয়োজন এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বিদ্যুৎ গ্রাহক অধিকার রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা শাখার আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী মুসার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিহির ঘোষ, গাইবান্ধা পরিবেশ আন্দোলনের আহ্বায়ক ওয়াজিউর রহমান রাফেল, গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাগরিক নেতা অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, জেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মুরাদজামান রব্বানী, কমিউনিস্ট নেতা রেবতী মোহন বর্মন।

 

আরো বক্তব্য দেন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক রজতকান্তি বর্মন, নাট্যকর্মী শাহ আলম বাবলু, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক শিরিন আকতার, মানবাধিকার কর্মী অ্যাড. মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, এ.কে.এম মনির হোসেন সুইট, কাজী আব্দুল খালেক, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাড. কুশলাশীষ চক্রবর্তী, রবিদাস ফোরামের খিলন রবিদাসসহ অন্যরা।

 

বক্তারা বলেন, উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার।

 

মানববন্ধনে বক্তারা ছয় দফা দাবি জানান। দাবিগুলোর হলো, গ্রাহক শোষন ও হয়রানীর গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল, সাশ্রয়ী মুল্যে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবারহ, বিদ্যুৎ খাতকে বেসরকারি করনের তৎপরতা বন্ধ, বিদ্যুৎ সংকটের জনবান্ধন সমাধান, বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, বিদ্যুৎ গ্রাহকদের নামে হয়রানি মুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।

গাইবান্ধায় প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের প্রতিবাদে মানববন্ধন 

নীলফামারীতে পাই-১০০১ ধানবীজের বার্ষিক বিজনেস সম্মেলন, সম্মাননা পেলেন ১০ এজেন্ট

 

স্টাফ রিপোর্টার

মাইদুল ইসলাম

 

নীলফামারীতে পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ‘পাই-১০০১’ ধানবীজের বার্ষিক বিজনেস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের স্কাই ভিউ কমিউনিটি সেন্টার ও রেস্টুরেন্টের সভাকক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে রংপুর বিভাগের রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার শতাধিক পাই ধানবীজের এজেন্ট অংশ নেন। বিপণনে অবদান রাখায় অনুষ্ঠানে ১০ জন এজেন্টকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান, পরিচালক (অর্থ) হাসিবুল ইসলাম ও বিপণন বিভাগের প্রধান শহীদুল ইসলাম। এ সময় নীলফামারী সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের এজেন্ট আলমগীর হোসেন, গোড়গ্রাম ইউনিয়নের এনামুল হক ও পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের আব্দুর রহিমসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৯ সালে মাত্র ১৩ কেজি বীজ দিয়ে ‘পাই-১০০১’ ধানবীজের যাত্রা শুরু হয়। কৃষক ও এজেন্টদের সহযোগিতায় ২০২৬ সালে এ বীজের বাজারজাত পরিমাণ ৭০ টনে পৌঁছেছে।

পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ‘পাই-১০০১’ ধানবীজে ভালো ফলন পাওয়া যায় এবং রোগবালাইয়ের প্রবণতা তুলনামূলক কম। এ জাতের ধানের ভাত সুস্বাদু বলেও দাবি করা হয়। প্রতি বিঘায় সর্বোচ্চ ৩৫ মণ পর্যন্ত ফলনের দাবি করা হয়েছে।

পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ‘মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা কৃষকদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি। প্রতিবছরই এই ধানবীজের চাহিদা বাড়ছে। আসছে বোরো মৌসুমে নীলফামারী জেলার কৃষকদের মাঝে ৭০ টন ধানবীজ বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ধানবীজ রোগ প্রতিরোধী জাত। অল্প সময়ে ভালো ফলন পাওয়া যায় এবং রান্নার পর ভাত অন্তত ১৬ ঘণ্টা সংরক্ষিত থাকে। বিএসটিআই মান নিয়ন্ত্রিত এই ধানবীজকে রংপুর বিভাগে একটি ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

নীলফামারীতে পাই-১০০১ ধানবীজের বার্ষিক বিজনেস সম্মেলন, সম্মাননা পেলেন ১০ এজেন্ট

‎গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

‎

‎মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

‎গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় বাগবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

‎অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বাগবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের আশপাশে গাছ রোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করে এক আলোচনা সভায় বৃক্ষরোপনের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি,বিশেষ অতিথি,শিক্ষক,সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় প্রায় ২ শতাধিক স্থানীয় কৃষক,অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

‎

‎কর্মসূচিতে  গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম শামীম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ও সাবেক মেম্বার ও সাবেক কাউন্সিলর মাহবুব আলম মহি।এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন (পারু),গাজীপুর জেলা কৃষক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ খান,গাজীপুর জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন ১০ নং ওয়ার্ড  শাখার সভাপতি রেজাউল করিম কন্ট্রাক্টর, বাগবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি  আজহারুল ইসলাম ঠান্ডু,প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক সদস্য আসাদ মন্ডল,সহকারী শিক্ষক রোজিনা আক্তার,তহুরা বেগম,গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক সদস্য  আরিফুল ইসলাম,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক  সদস্য আব্দুল মতিন মন্ডল, কাশিমপুর থানা যুবদলের  আহ্বায়ক সদস্য সোহেল রানা, কাশিমপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সদস্য আরিফ, কাশিমপুর থানা যুবদলের সদস্য আমীন সরকার,কাশিমপুর থানা ছাত্রদলের সদস্য আব্দুল আউয়াল,গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ  নাছিমা আক্তার রেনু, নাগরিক টিভির রিপোর্টার, সাহাজুদ্দিন সরকার ,যায় যায় দিন পত্রিকার প্রতিনিধি লাবনী আক্তার সহ কাশিমপুরের স্থানীয় অন্যান্য গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও  স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,অভিভাবক  ও যুবসমাজ স্বতস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ করেন।

‎

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুব আলম মহি বলেন গাছ আমাদের অক্সিজেন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে,  ফুল দেয়,ফল দেয়,ঘরের সরঞ্জামের জন্য গাছের কাঠ ব্যবহার করি; যা আমাদের প্রতিদিনের জীবন-যাপনের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করে।তিনি বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাঁচ বছরের ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের ঘোষণা দিয়েছেন। অতএব আমরা সবাই যদি একটি করে গাছ লাগাই

‎তাহলে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণা বাস্তবায়ন হবে,ইনশাল্লাহ। তিনি আরও বলেন পরিবেশের ভারসাম্য ও সৌন্দর্য রক্ষার  জন্য

‎আমরা যদি একটি গাছ কাটি তাহলে সবাই ৫ টি করে গাছ রোপণ করবো।এসময় যুব সমাজ যেন

‎মাদকে জড়িয়ে না পরে সেই জন্য এই সমাজের  সন্তানদের প্রতি  অভিভাবকদের সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ জানান   তিনি।

‎

‎সভাপতির বক্তব্যে গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম শামীম বলেন, গাছ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। গাছ যেমন জীবনকে সুন্দর করে তেমনই পরিবেশের সৌন্দর্য বর্ধনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন জীবন ও পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি মানুষের গাছ রোপণের বিকল্প নাই।এসময় তিনি বলেন গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ কাশিমপুরের বাগবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে যারা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সফল করেছেন; তিনি সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির গঠনমূলক সকল কর্মকান্ডে সবাইকে পাশে থাকার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

‎অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়।

‎

‎

‎

‎

গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩