বলিউডে আবার বিতর্ক, অক্ষয়-পরেশের ঝগড়ার নেপথ্যে কী
বলিউডে আবার বিতর্ক, অক্ষয়-পরেশের ঝগড়ার নেপথ্যে কী

বলিউডে আবার বিতর্ক, অক্ষয়-পরেশের ঝগড়ার নেপথ্যে কী

Oplus_131072

একজন রাজু, আরেকজন বাবুরাও। পর্দায় তাঁদের কাণ্ডকীর্তি দেখে হাসেননি এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আপনি যদি জনপ্রিয় ধারার হিন্দি সিনেমার দর্শক হয়ে থাকেন, তাহলে ‘হেরা ফেরি’ ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে যে কথা হচ্ছে, সেটা এতক্ষণে বুঝে যাওয়ার কথা। তাহলে এটাও জানার কথা ২০০০ সালে ‘হেরা ফিরি’, ২০০৬ সালে ‘ফির হেরা ফিরি’র পর ‘হেরা ফিরি ৩’ নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ ছবিটি থেকে বেরিয়ে গেছেন বাবুরাও চরিত্রের অভিনেতা পরেশ রাওয়াল, যা নিয়ে শুরু হয়েছে তুলকালাম।
‘হেরা ফেরি’ সিনেমার কথা মনে এলেই যে তিনজনের মুখ সবার আগে মনে পড়ে, তাঁরা হলেন অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠি ও পরেশ রাওয়াল। এই তিনজনের জুটি আরও একবার মানুষ বড় পর্দায় দেখতে পাবেন, এ ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গেই আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিলেন দর্শকেরা। সবকিছুই মোটামুটি ঠিক হয়ে গিয়েছিল। চুক্তি স্বাক্ষর করে ফেলেছিলেন অভিনেতারাও। কিন্তু সব ঠিক থাকা সত্ত্বেও আচমকাই ছবি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন পরেশ। পুরো ব্যাপারটিতে রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যান সবাই। যদিও পরেশ জানান, তিনি এ ছবির অংশ হতে চাইছেন না, তাই ছবি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। পরিচালক বা অন্য অভিনেতাদের সঙ্গে কোনো মতবিরোধ তৈরি হয়নি তাঁর।

মামলা করবেন অক্ষয়
‘হেরা ফেরি’র অপরিহার্য চরিত্র ‘বাবুরাও’। তাঁর এমন ঘোষণায় চমকে গেছেন রাজু চরিত্রে অভিনয় করা অক্ষয় কুমার। পরেশের বিরুদ্ধে প্রায় ২৫ কোটি রুপির (প্রায় ৩৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা) মানহানির মামলা করতে চলেছেন তিনি। অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থা ‘কেপ অব গুড ফিল্মস’-এর পক্ষ থেকে পরেশকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
অক্ষয় কুমার। এএনআই
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, অক্ষয় কুমার পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে প্রধানত দুটি অভিযোগ এনেছেন—‘অপেশাদার আচরণ’ ও চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পরও ‘হেরা ফেরি ৩’ থেকে বেরিয়ে যাওয়া। উল্লেখ্য, অক্ষয় কুমার ‘হেরা ফেরি ৩’ প্রযোজকও। তিনি প্রযোজক ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালার কাছ থেকে এ স্বত্ব কেনেন। নির্মাতা প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় অক্ষয় কুমারের প্রযোজনা সংস্থা ‘কেপ অব গুড ফিল্মস’–এর ব্যানারে ‘হেরা ফেরি ৩’–এর নির্মানকাজ চলছিল। অক্ষয় তাঁর প্রযোজনা সংস্থা কেপ অব গুড ফিল্মসের মাধ্যমে এ আইনি লড়াইয়ে নামতে যাচ্ছেন।
চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হয় ‘হেরা ফেরি ৩’–এর শুটিং। শুটিং চলাকালে হঠাৎই পরেশের সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ানো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বিরাট ধাক্কা। শুধু প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো ‘হেরা ফিরি’ টিম এখনো এ সিদ্ধান্ত মানতে পারেনি।
এই প্রথম নয়
৩৫ বছরের বলিউড–জীবনে এই প্রথম কোনো সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছেন অক্ষয় কুমার। তবে পরেশের জীবনে এমন হঠাৎ সরে আসার ঘটনা নতুন নয়। এর আগে তিনি ‘ওহ মাই গড ২’ ছবি থেকেও সরে এসেছিলেন ২০২৩ সালে। সেবার দাবি করেছিলেন, তাঁর চিত্রনাট্য পছন্দ হচ্ছে না। ২০০৯ সালেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল কথা দিয়ে কথা না রাখার। সেবার তিনি সরে এসেছিলেন শাহরুখ খানের ‘বিল্লু বারবার’ থেকে। ঘটনাচক্রে সে ছবির পরিচালকও ছিলেন প্রিয়দর্শন।
কী বলছেন নির্মাতা
পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রিয়দর্শনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘পরেশ আমাকে কিছুই জানাননি। তবে এখানে আমার হারানোর কিছুই নেই। অক্ষয়ের রেগে যাওয়ার কারণ অক্ষয় এ সিনেমায় টাকা বিনিয়োগ করেছেন। কিন্তু আমি এটা ভেবেই অবাক হয়ে যাচ্ছি, এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরেশ একবার আমার সঙ্গে কথা বলতে পারতেন।’
স্তম্ভিত সুনীল
পরেশের এ সিদ্ধান্ত আরেক সহ-অভিনেতা সুনীল শেঠিকেও অবাক করেছে। তিনি ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম কারও সঙ্গে ভুল–বোঝাবুঝি হয়েছে। ভাবলাম, মেসেজ করি। তারপর দেখা করে আলোচনা করব। কিন্তু পরে জানতে পারলাম, কারও সঙ্গে এ ব্যাপারে কোনো কথা হয়নি। অক্ষয়ও জানে না কী কারণে তিনি এটা করেছেন।’

‘হেরা ফেরি’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি
সাক্ষাৎকারে সুনীল আরও বলেন, ‘আমরা ছবিটা প্রায় অর্ধেক শুট করেছি। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। আমরা এমনকি একটি প্রমোও শুট করে ফেলেছি। পরেশের মাঝপথে চলে যাওয়ার আমি কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছি না। পরেশের “বাবুরাও” চরিত্রটি “হেরা ফেরি” সিনেমার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। আমি পরেশকে ছাড়া এ সিনেমা ভাবতেই পারছি না।’কী বলছেন পরেশ
পরেশ রাওয়াল ভারতীয় গণমাধ্যম ‘মিড ডে’কে জানিয়েছেন, ‘আমি জানি এটা সবার জন্য একটি ধাক্কা। প্রিয়দর্শন পরিচালিত এ সিনেমায় আমরা তিনজন একসঙ্গে ছিলাম। কিন্তু আমি নিজেকে আর এ সিনেমার অংশ ভাবতে পারছি না। তাই আমি সরে দাঁড়িয়েছি।’ নির্মাতা প্রিয়দর্শনের সঙ্গে তাঁর এ ব্যাপারে কোনো ধরনের সৃজনশীল মতবিরোধ হয়নি বলে আবারও জানান তিনি।
ভাইরাল পুরোনো মন্তব্য
অক্ষয় কুমারের সঙ্গে বহু ছবিতে কাজ করেছেন, তবু আক্কি নাকি তাঁর বন্ধু নন। সম্প্রতি পরেশ রাওয়ালের এমন মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছিল চর্চা। ‘হেরা ফিরি ৩’ বিতর্কের মধ্যে নতুন করে আবার চর্চায় সেই সাক্ষাৎকার। পরেশ বলেছিলেন, অক্ষয় তাঁর বন্ধু নন, বরং একজন সহকর্মী। তাঁর এমন মন্তব্যে অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁরা দুজনে একসঙ্গে বহু সিনেমায় কাজ করলেও পর্দার বাইরে তাঁদের সম্পর্ক হয়তো ভালো নয়। পরে মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেন পরেশ রাওয়াল।

সিনেমার দৃশ্যে পরেশ ও অক্ষয়। আইএমডিবি
বলিউড হাঙ্গামাকে অভিনেতা বলেন, ‘মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আমি শুধুই বলেছিলাম যে উনি একজন সহকর্মী। আসলে যখন আপনি কাউকে বন্ধু বলেন, তার মানে আপনি তাঁর সঙ্গে মাসে ৫-৬ বার দেখা করেন এবং তাঁদের সঙ্গে আপনি সপ্তাহে অনেকবার কথা বলেন। এ ছাড়া আমি সামাজিক নই, অক্ষয়ও নন, তাই একে অপরের সঙ্গে পার্টি করাও সম্ভব নয়। এ কারণেই আমি তাঁকে সহকর্মী বলেছি। কিন্তু প্রশ্ন করতে লাগল, কী হয়েছে? কিন্তু কিছুই হয়নি।’‘হেরা ফেরি’ জাদু
‘হেরা ফেরি’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমা ‘হেরা ফিরি’ ২০০০ সালে মুক্তি পায়। এতে অভিনয় করেন অক্ষয় কুমার, পরেশ রাওয়াল ও সুনীল শেঠি। আরও ছিলেন টাবু। সিনেমাটি মুক্তির পর এই ত্রয়ী দর্শকদের মন জয় করে নেয়। অনেকের মতে, সেরা হিন্দি কমেডি সিনেমার একটি এটি। ছবিটি ছিল সেই বছরের সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমার একটি। সাড়ে সাত কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটি প্রায় ২২ কোটি রুপি আয় করে।
‘হেরা ফেরি’ সিনেমার সাফল্যের পর ২০০৬ সালে মুক্তি পায় সিরিজটির দ্বিতীয় ছবি ‘ফির হেরা ফেরি’। তবে প্রিয়দর্শন নন, এটি পরিচালনা করেন নীরজ ভোরা। ১৮ কোটি রুপি বাজেটের ছবিটি প্রায় ৭০ কোটি রুপি আয় করে। দুই দশক পর এ সিনেমার সিকুয়েলের ঘোষণায় নড়েচড়ে বসেছিলেন ভক্তরা। সঙ্গে নির্মাতা হিসেবে প্রিয়দর্শনের ফেরা নতুন আশা তৈরি করেছিল। কিন্তু পরেশ সরে দাঁড়ানোয় ‘হেরা ফেরি ৩’-এর ভাগ্য এখন অনিশ্চিত।


সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে বলিউডে পা রাখা অভিনেত্রী দিয়া মির্জা অভিনয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ। নানা ধরনের চরিত্রে এখনো নিয়মিত দেখা যায় তাকে।

 

তবে ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ‘মুঝে তুমসে মোহাব্বত হ্যায়’ গানটি দিয়াকে নতুনভাবে আলোচনায় এনেছিল।

 

ইমরান হাশমির সঙ্গে তার সেই গ্ল্যামারাস নাচ দর্শকের নজর কাড়লেও ক্যামেরার পেছনের অভিজ্ঞতা ছিল অভিনেত্রীর জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন দিয়া মির্জা। তিনি জানান, সেটে উপস্থিত শত শত পুরুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে নাচের দৃশ্যের শুটিং করতে হয়েছিল। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তিনি বেশ দ্বিধায় ও অস্বস্তিতে ছিলেন।দিয়ার ভাষ্য, তখন নিজের শরীর নিয়ে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না তিনি। রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে এমন পোশাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো তার জন্য সহজ ছিল না।

 

তবে শেষ পর্যন্ত সেই অভিজ্ঞতাই তার জীবনে আত্মবিশ্বাস ও মুক্তির অনুভূতি এনে দেয়।

 

দিয়া বলেন, এই শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা আমাকে এমনভাবে মুক্ত করেছিল, যা আমি কখনো আশা করিনি। নৃত্যপরিচালক বৈভবী মার্চেন্টের জন্যই আমি এই গানের শুটিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করতে পেরেছিলাম। সেটে যারা কাজ করছিলেন, প্রত্যেকেই আমাকে খুব নিরাপদ অনুভব করিয়েছিলেন।

 

পোশাক ও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন নারী হিসেবে এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন কাজ। কারণ শত শত মানুষের সামনে তাকে অন্তর্বাস পরে ক্যামেরার সামনে নাচতে হয়েছিল।

 

তবে কেন শেষ পর্যন্ত তিনি সেই দৃশ্যে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অভিনেত্রী। তার মতে, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের প্রয়োজন এবং চরিত্রের ভেতরের সত্যকে বোঝা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 

দিয়া বলেন, বিষয়টি অস্বস্তিকর হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। কারণ আমি বুঝতে পেরেছিলাম, একজন অভিনেতার জন্য চরিত্রের সত্যিটা খুঁজে বের করা জরুরি এবং সেই চরিত্রের মাধ্যমে কী প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঘরে ৫০০ জন মানুষ থাকুক বা ১ হাজার জন, সেটা আর আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।

 

হায়দরাবাদে রক্ষণশীল পরিবেশে বেড়ে ওঠা দিয়া জানান, একসময় নিজের শরীর নিয়ে তার যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। কিন্তু ‘তুমসা নেহি দেখা’ সিনেমার ওই গানের শুটিংই তাকে নিজের প্রতি আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

 

দর্শকের কাছে এটি হয়তো ছিল একটি গ্ল্যামারাস গানের দৃশ্য। তবে দিয়া মির্জার কাছে সেই অভিজ্ঞতা ছিল নিজের সীমাবদ্ধতা ভেঙে বেরিয়ে আসা, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া এবং এক ধরনের মুক্তির অনুভূতির স্মরণীয় অধ্যায়।

অভিনেত্রী দিয়া মির্জার গোপন ভিডিও ফাঁস, তোলপাড় নেটদুনিয়া!

শাড়ি নিয়ে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পন করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আজবৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিশা। শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক।গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়েছিল।

 

জামিন পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তানজিন তিশা বললেন, ২৭ হাজার টাকার একটা শাড়ি নাকি আত্মসাৎ করেছি। আমার ১৫ বছরের একটা ক্যারিয়ার। এটা কারোর কাছে কাম্য নয়, একটা শাড়ির জন্য আদালতে আসবো। আইনকে শ্রদ্ধা করি বলেই আদালতে এসেছি। তবে মামলায় অনেকগুলো মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণা এমন কিছুই করিনি।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটা কথা বলতে চাই, মামলার বাদী একজন নারী। তিনি নিজের স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা (মামলা) করেছে। অনেক ধরনের হুমকি দিয়েছে। আগামীতে সবকিছু তুলে ধরব। আমার নামে যে মামলা করেছে তাকে চিনি না।

 

এদিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন৷ এরপর তার আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে জামিন পেয়ে তিনি আদালত প্রাঙ্গন ছাড়েন। এসময় উৎসুক জনতা তাকে দেখতে ভীড় জমান।

 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন তানজিন তিশা। এ ঘটনায় ২০২৫ সালে অনলাইন ফ্যাশন পেজের এডমিন আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডিবি পুলিশকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তানজিল তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশ। সেই প্রতিবেদনের আদালত আমলে গ্রহণ করে গত ১২ জুলাই তিশাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করা হয়।

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন তানজিন তিশা

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান প্রয়াত আলহাজ্ব মাহমুদুল হাসান আলালকে মরণোত্তর সম্মাননা স্মারকে ভূষিত করেছে সাভার পৌর বিএনপি।

 

 

 

১৩তম (ত্রয়োদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর সাভার পৌরসভার ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মরহুমের স্মৃতি ও রাজনৈতিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সাভার পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলালের পক্ষে ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবুর কাছ থেকে এই সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তার ছোট ভাই সাভার থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আসন্ন বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল ।

 

দলীয় সূত্র মতে, সাভারের রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা, তৃণমূল বিএনপিতে দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব এবং বিরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বসাধারণের সেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই মরণোত্তর সম্মাননা জানানো হয়।

 

সম্মাননা স্মারক গ্রহণকালে মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল সাভার পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি তার প্রয়াত ভাইয়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন।

সাভার পৌর বিএনপির মরণোত্তর সম্মাননায় ভূষিত সাভার থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মাহমুদুল হাসান আলাল

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগের রাতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে কাজ করা সদস্যদের সঙ্গে তোলা একটি দলীয় ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই দল এমন এক ইতিহাস গড়েছে, যা কখনো মুছে ফেলা যাবে না।

 

নিউ জার্সিতে ফাইনালের আগে তোলা ছবিতে ২৬ সদস্যের খেলোয়াড়দলের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক, সরঞ্জামকর্মী, রাঁধুনি, কর্মকর্তাসহ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে এটিই ছিল পুরো দলের শেষ আনুষ্ঠানিক দলীয় ছবি।

 

ছবির ক্যাপশনে মেসি লেখেন, গত কয়েক বছরের সবচেয়ে মূল্যবান অর্জন শুধু শিরোপা নয়, বরং সতীর্থদের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি যাত্রাকে উপভোগ করা।

 

তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ মুছতেও পারবে না।’ একই সঙ্গে তিনি সমর্থকদেরও আর্জেন্টিনার পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 

স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান তিনি। এবার ৩৯ বছর বয়সে সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনে।

 

চলতি বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার পথে বড় ভূমিকা রেখেছেন মেসি। এখন পর্যন্ত তিনি করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪টি গোল। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুই গোলেই ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

 

বাংলাদেশ সময় রোববার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার লক্ষ্য চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা এবং ১৯৬২ সালের ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়া। অন্যদিকে, স্পেন চাইছে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ট্রফি জিততে।

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩