আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আসামের নগাঁও জেলার চার নম্বর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে মমতাজ বেগম নামের এক গৃহবধূকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় গত জুনের দিকে ওই গৃহবধূকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা যায়। এই আইনি প্রক্রিয়ার ত্রুটি ও ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনার পর মমতাজ বেগমের পরিবার ও আইজীবীরা আদালতের দ্বারস্থ হন এবং বিষয়টি নিয়ে তীব্র আইনি লড়াই শুরু করেন। তারা আদালতকে জানান যে মমতাজ বেগম প্রকৃতপক্ষে ভারতেরই নাগরিক এবং তাকে ভুলবশত বা অন্যায়ভাবে ভিন্দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে আদালত এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আসামের হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে এই ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। আদালতের এই রায়ের ফলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত গৃহবধূকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতির ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। আদালতের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারী ন্যায়বিচার পাবেন এবং খুব শীঘ্রই নিজ পরিবারে ফিরে আসতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
Leave a Reply