সাতসকালেই সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
সাতসকালেই সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের

সাতসকালেই সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের

বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়ার সিল্কিবান্ধা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় ঢাকা থেকে নওগাঁগামী যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডান পাশের একটি বৈদ্যুতিক পিলারে আঘাত করে। সেখানে কাজের সন্ধানে অনেক শ্রমিক অপেক্ষা করছিলেন। বাসটি শ্রমিকদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলে ছয়জন নিহত হন। এছাড়া কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়।

 

সূত্র মতে , দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।


গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বাসের ধাক্কায় আকরাম বিশ্বাস (৫০) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছে।

 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মুকসুদপুর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গেড়াখোলা ব্রীজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত আকরাম বিশ্বাস উপজেলার সালিনাবক্সা গ্রামের হাসেম বিশ্বাসের ছেলে।

 

 

স্থানীয়রা জানায়, সকালে ঢাকাগামী ওয়েকাম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কন্টেইনারের সঙ্গে পাশাপাশি সংঘর্ষ হয়। এসময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে থাকা পথচারী আকরাম বিশ্বাসকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এব্যাপারে আইনগত প্রক্রিয়াধীন।

মুকসুদপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। গুরুতর আহত ১২ জনকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

 

আজ রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের গেড়াখোলা এলাকায় ব্রিজের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন।

 

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশাঙ্কা করা হচ্ছে।

 

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. আজাদুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশিচত করেছেন।

গোপালগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফাজিলপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের ভেতর প্রায় চার ঘণ্টা আটকে থাকার পর চালক মো. শামীমকে (২৫) জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে ফাজিলপুরের খাইয়ারা সংলগ্ন জেনিথ পাম্পের বিপরীত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল ৯ টার দিকে চালককে উদ্ধার করা হয়।

 

উদ্ধার হওয়া চালক শামীম পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ইদ্রিস আকনের ছেলে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ‘রহিম ইন্ডাস্ট্রিজ’-এর প্রায় ২১ টন স্ক্র্যাপ ও লোহার মালামাল নিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি ঢাকার কাঁচপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। ফাজিলপুর এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে কাভার্ড ভ্যানটি সড়কের পাশে উলটে যায়।

 

এ সময় চালকের সহকারী বের হতে পারলেও ভ্যানের ভেতরে আটকা পড়েন শামীম। পরে টহলরত হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি দেখতে পেয়ে কাছে যান। এ সময় তারা ভেতর থেকে চালকের চিৎকার ও আকুতি শুনতে পান। পরে পুলিশ দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।

 

ফেনী সদর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ হারুন পাশার নেতৃত্বে একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের ভেতর থেকে শামীমকে জীবিত ও নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এম. এ. ইমরান হোসেন বলেন, সকালে টহলের সময় কাভার্ড ভ্যানটি উলটে থাকতে দেখে আমরা এগিয়ে যাই। পরে চালকের চিৎকার শুনে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বুঝতে পারি। সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।

 

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ হারুন পাশা বলেন, কাভার্ড ভ্যানে প্রায় ২১ টন ভারি লোহার মালামাল ছিল। দুর্ঘটনায় গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যাওয়ায় চালককে বের করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তাকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

দুর্ঘটনার ৪ ঘণ্টা পর কাভার্ড ভ্যানের ভেতর থেকে চালক উদ্ধার

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লং ভেহিকল, যাত্রীবাহী বাস ও কাভার্ডভ্যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চারজন।

 

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছাগলনাইয়া থানাধীন পুরাতন মুহুরীগঞ্জ এলাকার দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

আহতদের ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

 

পুলিশ জানায়, মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি লং ভেহিকল, ইউনিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ও একটি কাভার্ডভ্যানের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। গুরুতর আহত আরও একজনকে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

 

নিহত তিনজনের মরদেহ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

 

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি যানবাহন হেফাজতে নেয়। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

 

ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নোমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ফেনীতে কাভার্ডভ্যান, লরি ও বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৩

*বুড়িগোয়ালিনীতে মুরগির খোঁয়াড়ে অজগরের হানা, ৬টি হাঁস-মুরগি খেলো, ফরেস্ট স্টাফরা উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্তির প্রস্তুতি*।

 

সংবাদদাতা: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

“দৈনিক আমাদের দেশ”।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে একটি মুরগির খোঁয়াড়ে সুন্দরবন থেকে আসা বিশাল আকৃতির অজগর সাপ ঢুকে ৬টি হাঁস-মুরগি খেয়ে ফেলেছে। পরে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ও সিপিজির সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করেন।

 

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের *আতিয়ার রহমানের ছেলে মুক্তার গাজীর* মুরগির কোটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয়রা জানান, রাতে হঠাৎ মুরগির খোঁয়াড় থেকে মুরগির ডাকাডাকি শুনে মুক্তার গাজী ও তার পরিবারের লোকজন গিয়ে দেখেন একটি বড় অজগর সাপ খোঁয়াড়ের ভেতরে ঢুকে হাঁস-মুরগি খাচ্ছে। এ সময় তারা চিৎকার করলে সাপটি খোঁয়াড়ের মধ্যেই কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে থাকে।

 

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে *বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন* এবং *সিপিজি সদস্যরা* ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগর সাপটিকে উদ্ধার করেন।

 

স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে খাবারের সন্ধানে সুন্দরবন থেকে সাপটি লোকালয়ে চলে এসেছে। সাপটি প্রায় ৮-৯ ফুট লম্বা। উদ্ধারের পর সাপটিকে নিরাপদে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে অবমুক্ত করা হবে।

 

এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও ফরেস্ট স্টাফদের দ্রুত পদক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে রাতে ঘরবাড়ি ও খোঁয়াড় নিরাপদে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বুড়িগোয়ালিনীতে মুরগির খোঁয়াড়ে অজগরের হানা, ৬টি হাঁস-মুরগি খেলো, ফরেস্ট স্টাফরা উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্তির প্রস্তুতি

জামালপুরের লাহিরীকান্দা এলাকায় বাস উল্টে ইজিবাইকের ওপর পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। আহতরা জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের লাহিরীকান্দা ঈদগাহ মাঠ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজিব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইকের সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে ইজিবাইকের ওপর পড়ে যায়। এতে দুই যানবাহনের যাত্রীরা চাপা পড়েন।

 

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালান। তারা ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় আহত দুজনকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

দুর্ঘটনার পর জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

জামালপুরে ইজিবাইকের ওপর উল্টে পড়ল বাস, নিহত ৩

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩