সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো

সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো

আজ (২৬ জুন) বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সাত বছর পূর্ণ হলো। ২০১৯ সালের এদিনে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির উপস্থিতিতেই প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রিফাতকে। আলোচিত ওই মামলায় পরবর্তীতে স্ত্রী মিন্নিসহ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বর্তমানে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন।

 

কারা সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে মিন্নি অধিকাংশ সময় নিরিবিলি থাকেন। নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় অনুশীলনের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটে। কারাগারের অন্য বন্দি বা কারারক্ষীদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলেন না। কেবল বাবা-মা বা স্বজনরা সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের সঙ্গে কিছু সময় কথা বলেন। কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, কারাগারে তার আচরণ স্বাভাবিক এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠেনি।

 

মিন্নিকে প্রথমে কাশিমপুর কারাগারে রাখা হলেও পরে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্বজনদের সাক্ষাতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় রিফাত শরীফের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় একদল যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

 

হত্যাকাণ্ডের পরদিন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশের দাবি ছিল, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এরপর ঘটনার প্রায় ২০ দিন পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে মোট ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক—দুই ভাগে মামলার বিচার চলে। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের মামলায় আদালত মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং চারজনকে খালাস দেন। একই বছরের ২৭ অক্টোবর শিশু আদালত অপ্রাপ্তবয়স্ক কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

 

মামলার শুরু থেকেই মিন্নির পরিবার দাবি করে আসছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তদন্তের সময় প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে একজন সাক্ষীকে আসামিতে পরিণত করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও সিসিটিভি ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি এবং তদন্তে নানা অসঙ্গতি ছিল।

 

মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর গণমাধ্যমের কাছে বরাবরই একই অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, মিন্নি তার স্বামীকে হাজারো মানুষের সামনে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। কিন্তু সে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত সে খুনি হয়ে গেল শুধু শম্ভুদার কারণে। তিনি এমন একটি পরিকল্পনা এখানে করেন তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য। তার ছেলে হলো বরগুনার মাদক সম্রাট। সে মাদকের ডিলার এবং এই ‘নয়ন বন্ড’ থেকে শুরু করে বরগুনার যত মাদকাসক্ত মানুষ ও যুব সমাজ সবই তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

 

কিশোর গ্যাং ‘বন্ড বাহিনী’ আওয়ামী লীগের এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠে। বন্ড বাহিনীর মাদকের ব্যবসা চালাত সুনাম। তাকে বাঁচাতেই শম্ভু নির্দোষ মিন্নিকে ফাঁসিয়েছেন।


ঢাকার ধামরাইয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ৩৩ কেভি বিদ্যুতের একটি টাওয়ারের চূড়ায় উঠে বসেন এক যুবক। প্রায় ২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের চেষ্টার পর তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের ভাটারখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম আসাদুজ্জামান জামাল (২২)। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা দবির উদ্দিনের ছেলে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে আসাদুজ্জামানের সঙ্গে তার স্ত্রীর বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে অভিমান করে তিনি বাড়ির পাশের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের টাওয়ারে উঠে যান। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক মানুষ জড়ো হন। স্থানীয়রা তাকে নানা ভাবে বুঝিয়ে নিচে নামানোর চেষ্টা করলেও তিনি তাতে সাড়া দেননি। একপর্যায়ে ওপর থেকেই আত্মহত্যার হুমকি দিতে থাকেন।

 

পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার সতর্ক প্রচেষ্টার পর আসাদুজ্জামান জামালকে অক্ষত অবস্থায় নিচে নামিয়ে আনা হয়।

 

ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আল আমিন খান জানান, যুবকটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন। সামান্য অসতর্কতা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত। উদ্ধার শেষে তাকে প্রয়োজনীয় আইনি ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে বিদ্যুতের টাওয়ারের চূড়ায় যুবক

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মাইদুল ইসলাম; (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় জমি- জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা,

হয়রানিমূলক মামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার

(২৫ জুন) বিকেলে চাপরা শুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মুক্তা খাতুন। এছাড়াও নাসরিন বেগম, বড় ভাই আবু তালেব সহ আরো অনেকে বক্তব্য দেন। লিখিত বক্তব্যে মুক্তা খাতুন অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর মজিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরত চলে আসছে। সম্প্রতি তালাকের পর তহমিনা বেগম তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগম ও তার সহযোগীরা মজিদুল ইসলামের

ভিটাবাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান। খেতে মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম আহত হন। পরে তাদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত ওবায়দুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মুক্তা খাতুন দাবি করেন, এ ঘটনায় তহমিনা বেগম ও রবিউল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনো আসামিদের গ্রেফতার না করায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল এবং তাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষণ্য করার চেষ্টা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানান বক্তারা।

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

 

সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে চলতি বাজেটে জিডিপির এক শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

 

রোববার (১৪ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ১০ জেলার নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী থাকবে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে।

 

তিনি আরও বলেন, অতীতের সরকারের সময় হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হয়নি এবং সময়মতো টিকা আমদানি করা হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউনিসেফের সহায়তায় টিকা সংগ্রহ করে প্রথম ধাপে ১৮ জেলায় হাম প্রতিরোধ কার্যক্রম শুরু করে। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনের মাধ্যমে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হয়।

 

চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো সেবা দিলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। আমাদেরও সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 

ডেঙ্গু মোকাবিলার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে নারায়ণগঞ্জসহ ১০ জেলায় নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা চালু করা হয়েছে। বেসরকারি খাতের সহযোগিতায় এসব কেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

তিনি আরও বলেন, জরুরি চিকিৎসাসেবা জোরদার করতে চারটি হেলিকপ্টার ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের জটিল রোগীদের দ্রুত জেলা সদর বা উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তরে এসব হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।

 

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের রান্নাঘরসহ সামগ্রিক পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা থাকায় জেলা সিভিল সার্জনের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আগামী তিন দিনের মধ্যে রান্নাঘরের সব অপরিচ্ছন্ন সরঞ্জাম পরিষ্কার করে তাকে জানানোর নির্দেশ দেন। অন্যথায় সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

 

সাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজের ক্যান্টিন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্যান্টিনটি চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক সোহেল পারভেজ, কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক বাবুল হোসাইন, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ শামসুল আলম এবং ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন,”শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুপরিচালিত ক্যান্টিন শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্যান্টিনের সেবার মান বজায় রাখতে হবে”। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান বলেন,”ক্যান্টিন চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হয়েছে। এটি শুধু খাদ্য সংগ্রহের স্থান নয়, শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও বন্ধন সুদূর করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক জানান, শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হবে। ক্যান্টিনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থাও থাকবে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম, নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আয়ববাহক মোঃ পায়েলুজ্জামান রকসি , সদস্য সচিব মোঃ রইসুল ইসলাম রানা, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ফিরোজ আহমেদ সৈকতসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মঙ্গলবার (৯ জুন) তিনি দুটি থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার বিভিন্ন শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম, নথিপত্র ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় তিনি থানায় কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সুপারের এ ধরনের পরিদর্শন মাঠপর্যায়ের সদস্যদের কাজে আরও উৎসাহিত করবে এবং থানার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

সাভারের ছায়াবিথি এলাকার একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে রিয়া মনি (১৯) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত রিয়া মনি পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলামের স্ত্রী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত রিয়া মনি নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানার রৌফ চৌধুরীর মেয়ে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভারের ছায়াবিথি এলাকার ওই ফ্ল্যাটে রনি ইসলাম ও তার স্ত্রী রিয়া মনি ভাড়া থাকতেন। গত কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিয়াকে হত্যার পর ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে রনি ইসলাম পালিয়ে যান।

 

নিহতের মামা সাদ্দাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, রনি ইসলাম সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার পর থেকে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি রিয়াকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনোভাবে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে তাদের দাবি।

 

তিনি জানান, ঘটনার পর রনি তার মাকে ফোনে বিষয়টি জানানোর পর ঘটনাটি প্রকাশ পায়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তিনি আত্মগোপনে আছেন।

 

নিহতের নানি জাহানারা বেগম জানান, রিয়ার বাবা ও মা দুজনেই প্রবাসে থাকেন। তাদের মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার উপ পরিদর্শক রমজান আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আজ (২৬ জুন) বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার সাত বছর পূর্ণ হলো। ২০১৯ সালের এদিনে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির উপস্থিতিতেই প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রিফাতকে। আলোচিত ওই মামলায় পরবর্তীতে স্ত্রী মিন্নিসহ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বর্তমানে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন।

 

কারা সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে মিন্নি অধিকাংশ সময় নিরিবিলি থাকেন। নিয়মিত নামাজ ও ধর্মীয় অনুশীলনের মধ্য দিয়েই তার দিন কাটে। কারাগারের অন্য বন্দি বা কারারক্ষীদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলেন না। কেবল বাবা-মা বা স্বজনরা সাক্ষাৎ করতে এলে তাদের সঙ্গে কিছু সময় কথা বলেন। কারা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, কারাগারে তার আচরণ স্বাভাবিক এবং এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠেনি।

 

মিন্নিকে প্রথমে কাশিমপুর কারাগারে রাখা হলেও পরে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্বজনদের সাক্ষাতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজসংলগ্ন এলাকায় রিফাত শরীফের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় একদল যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

 

হত্যাকাণ্ডের পরদিন রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ বরগুনা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশের দাবি ছিল, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এরপর ঘটনার প্রায় ২০ দিন পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে মোট ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক—দুই ভাগে মামলার বিচার চলে। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের মামলায় আদালত মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন এবং চারজনকে খালাস দেন। একই বছরের ২৭ অক্টোবর শিশু আদালত অপ্রাপ্তবয়স্ক কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

 

মামলার শুরু থেকেই মিন্নির পরিবার দাবি করে আসছে, তাকে পরিকল্পিতভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তদন্তের সময় প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে একজন সাক্ষীকে আসামিতে পরিণত করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও সিসিটিভি ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি এবং তদন্তে নানা অসঙ্গতি ছিল।

 

মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর গণমাধ্যমের কাছে বরাবরই একই অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, মিন্নি তার স্বামীকে হাজারো মানুষের সামনে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। কিন্তু সে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত সে খুনি হয়ে গেল শুধু শম্ভুদার কারণে। তিনি এমন একটি পরিকল্পনা এখানে করেন তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য। তার ছেলে হলো বরগুনার মাদক সম্রাট। সে মাদকের ডিলার এবং এই ‘নয়ন বন্ড’ থেকে শুরু করে বরগুনার যত মাদকাসক্ত মানুষ ও যুব সমাজ সবই তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

 

কিশোর গ্যাং ‘বন্ড বাহিনী’ আওয়ামী লীগের এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠে। বন্ড বাহিনীর মাদকের ব্যবসা চালাত সুনাম। তাকে বাঁচাতেই শম্ভু নির্দোষ মিন্নিকে ফাঁসিয়েছেন।

সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো

রাজধানীর শাহবাগে একটি বাসা থেকে এক মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে আজিজ সুপার মার্কেট ভবনের একটি কক্ষের তালা ভেঙে ফারা ফেরদৌস নামে এক মেডিকেল শিক্ষার্থীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক একরামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে পরিবারের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর কোনো যোগাযোগ ছিল না।

 

ওই শিক্ষার্থী কীভাবে মারা গেছেন, কিংবা এটি আত্মহত্যা কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সন্ধ্যায় মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মর্গে পাঠানো হয়।

 

জানা গেছে, ফারা ফেরদৌস মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। পরে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

রাজধানীর বাসা থেকে মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস-২০২৬ইং উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

“মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬” উপলক্ষে নীলফামারীতে জনসচেতনতামূলক মাদকবিরোধী র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত রেলিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একেই স্থানে এসে শেষ হয়। রেলি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিলফামারী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহসিন, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নীলফামারীর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান খান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলার প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ইলেকট্রিক ও পিন মিডিয়ার সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুধীজন অংশগ্রহণ করেন আলোচনা সভায় বক্তারা মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বাআরোপ করেন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নীলফামারীতে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস-২০২৬ইং উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

ঢাকার ধামরাইয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ৩৩ কেভি বিদ্যুতের একটি টাওয়ারের চূড়ায় উঠে বসেন এক যুবক। প্রায় ২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের চেষ্টার পর তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের ভাটারখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া যুবকের নাম আসাদুজ্জামান জামাল (২২)। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা দবির উদ্দিনের ছেলে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে আসাদুজ্জামানের সঙ্গে তার স্ত্রীর বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে অভিমান করে তিনি বাড়ির পাশের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের টাওয়ারে উঠে যান। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক মানুষ জড়ো হন। স্থানীয়রা তাকে নানা ভাবে বুঝিয়ে নিচে নামানোর চেষ্টা করলেও তিনি তাতে সাড়া দেননি। একপর্যায়ে ওপর থেকেই আত্মহত্যার হুমকি দিতে থাকেন।

 

পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার সতর্ক প্রচেষ্টার পর আসাদুজ্জামান জামালকে অক্ষত অবস্থায় নিচে নামিয়ে আনা হয়।

 

ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আল আমিন খান জানান, যুবকটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন। সামান্য অসতর্কতা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত। উদ্ধার শেষে তাকে প্রয়োজনীয় আইনি ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে বিদ্যুতের টাওয়ারের চূড়ায় যুবক

গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গুমের ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি জানান।

 

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে শুক্রবার (২৬ জুন) ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ইন সাপোর্ট অব ভিক্টিমস অব টর্চার-২০২৬’ উপলক্ষে ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালুর বিষয়টি চলতি বাজেটেই অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হবে।

 

তিনি আরও বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। সকল লড়াই-সংগ্রামে সরকার আপনাদের পাশে থাকবে।

 

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এখন কান্নার সময় নয়, এখন সময় অধিকার আদায়ের, এখন সময় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার।

 

তিনি মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গুম-সংক্রান্ত একটি সংসদীয় কমিটি গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা।

 

এ সময় বিগত শাসনামলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা সংলাপে অংশ নেন। তারা ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল

নকআউট পর্ব আগেই নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তাই গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে পূর্ণ শক্তির দল নামানোর ঝুঁকি নিচ্ছেন না প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। একাধিক পরিবর্তন এনে বিকল্প একাদশ নিয়ে পরিকল্পনা সাজিয়েছেন তিনি। অনুশীলনে দেখা গেছে, সম্ভাব্য শুরুর একাদশে নেই অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে গোলবারের নিচে আস্থা রাখা হয়েছে এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের ওপর। নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়ে নতুনদের সুযোগ করে দিতেই এই পরিকল্পনা আর্জেন্টিনা কোচের।

 

শনিবার রাত ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রবিবার সকাল ৮টা) ডালাস স্টেডিয়ামে জর্ডানের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের আগে নিজেদের শেষের আগের অনুশীলন করেছে দলটি। পুরো অনুশীলনই ছিল বন্ধ দরজার আড়ালে। সেই অনুশীলনে স্কালোনি মূলত বিকল্প একাদশ নিয়েই কাজ করেন। যদিও এই একাদশ এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে ম্যাচে কারা খেলতে পারেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা মিলেছে। ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইতোমধ্যেই শেষ ৩২ নিশ্চিত করায় দল নির্বাচন নিয়ে স্বস্তিতে আছেন স্কালোনি।

 

গত সোমবার অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারানোর পর আলজেরিয়া জর্ডানকে পরাজিত করায় গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার। ফলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নিয়মিত একাদশে বড় পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছেন স্কালোনি। এই সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা দুটি সুবিধা পাবে। প্রথমত, যেসব ফুটবলার এখনো বিশ্বকাপে মাঠে নামার সুযোগ পাননি, তারা নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবেন। দ্বিতীয়ত, নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়ে আগামী শুক্রবার ৩ জুলাই মায়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য শেষ ৩২-এর ম্যাচের জন্য প্রস্তুত রাখা যাবে।

 

সকালের অনুশীলনে স্কালোনি বিকল্প দল নিয়েই কাজ করলেও মূল একাদশে গোলবারের নিচে থাকবেন এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ। যদিও অনুশীলনে গোলরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন হুয়ান মুসো। রক্ষণভাগে ছিলেন গনসালো মনতিয়েল, নিকোলাস ওতামেন্দি, মার্কোস সেনেসি ও নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলতে না পারা মনতিয়েল পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে আর্জেন্টিনা কোনো গোল না খাওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন দিবু মার্তিনেজ। তাই জর্ডানের বিপক্ষেও শুরুর একাদশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর।

 

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে হলুদ কার্ড দেখায় লিয়ান্দ্রো পারেদেস শেষ ৩২-এর ম্যাচের আগে ঝুঁকিতে থাকলেও জর্ডানের বিপক্ষে মাঝমাঠের রক্ষণাত্মক দায়িত্বে তাকেই দেখা যেতে পারে। তাঁর সঙ্গে খেলতে পারেন এক্সেকিয়েল পালাসিওস, জিওভানি লো সেলসো ও জুলিয়ানো সিমেওনে। বিশ্বকাপে এখনো মাঠে নামার সুযোগ না পাওয়া ভ্যালেন্তিন বারকোরও শুরুর একাদশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে রোজারিও সেন্ট্রালের একাডেমি থেকে উঠে আসা জিওভানি লো সেলসোর জায়গায় খেলতে পারেন তিনি।

 

অনুশীলনে মাঝমাঠ ও আক্রমণের সংযোগ রক্ষার দায়িত্বে ছিলেন নিকো পাস। একমাত্র স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেছেন হুলিয়ান আলভারেস। ফলে অনুশীলনে বিশ্বকাপের বর্তমান সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসিকে বেঞ্চে রাখার পরিকল্পনারই ইঙ্গিত মিলেছে। তবে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামতে পারেন।

 

অনুশীলনে স্কালোনির সাজানো সম্ভাব্য একাদশ: হুয়ান মুসো, গনসালো মনতিয়েল, নিকোলাস ওতামেন্দি, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো; লিয়ান্দ্রো পারেদেস, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, জিওভানি লো সেলসো অথবা ভ্যালেন্তিন বারকো, জুলিয়ানো সিমেওনে, নিকো পাস; হুলিয়ান আলভারেস।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বিশ্রামে থাকবেন মেসি?

নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আশিকা সুলতানার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত) ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিছিল এবং ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।

 

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত ১৯ জুন রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকার এপেক্স ভবনসংলগ্ন বাটা শোরুমের সামনে আওয়ামী লীগের ৪০ থেকে ৫০ জন নেতাকর্মী মিছিল করেন। এতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়া এবং অর্থায়নের অভিযোগে ২৬ জুন নীলফামারী-৩ আসনের সাবেক এমপি আশিকা সুলতানাকে গ্রেফতার করা হয়।

নীলফামারীর সাবেক এমপি আশিকা তিন দিনের রিমান্ডে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

 

রিজভী বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রী যুগোপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এছাড়া, বাংলাদেশকে আর পরনির্ভরশীল রাখা হবে না। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে আত্মনির্ভর ও সক্ষম রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

 

তিনি জানান, একটি গোষ্ঠি দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। বর্তমান সরকারের আমলে দেশবিরোধী কোন কর্মকাণ্ড মেনে নেয়া হবে না।

 

বিরোধীদলের সমালোচনায় তিনি বলেন, যারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে তাদের কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা স্পষ্ট। তার দাবি, বর্তমানে দেশে গুম বা ক্রসফায়ার নেই এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলারও অবসান ঘটেছে। পাশাপাশি, জুলাইর গণহত্যাকারীদের বিচারিক কার্যক্রম নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব: রিজভী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের আধুনিক অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে। এজন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে আইন সংশোধন হবে। আইন সংশোধন হলে তারা আধুনিক অস্ত্র হিসেবে নাইন এমএম অস্ত্র পাবেন।

 

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা অস্ত্রের পাশাপাশি হাজতখানা, প্রশিক্ষিত কুকুরও পাবেন। প্রত্যেকটি জেলায় উন্নত মাদক টেস্টের ল্যাবরেটরি করা হচ্ছে।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঢাকায় মাদকের ৮০ হাজার মামলা হয়েছে। সেগুলো এখনো চলছে। এখনো ১৮৬৭ সালের আইন দিয়ে জুয়া খেলার অপরাধের সাজাসংক্রান্ত আইন চলছে।

মন্ত্রী বলেন, আইনের ভিত্তিগুলো শক্তভাবে আমরা দাঁড় করাতে চায় সরকার। সাইবার আইনগুলোও আরও শক্ত করা হচ্ছে।

 

তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নারী, শিশু-কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এখন মাদকের সঙ্গে জড়িত। তিনি মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে আরও শক্ত অবস্থানে থাকার আহ্বান জানার।

দুই-একদিনেই সংসদে উঠছে মাদক প্রতিরোধ আইন সংশোধনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এফ’-এর শেষ ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে জাপান। এই ড্রয়ে রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে সামুরাই ব্লুরা। আর সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা পেয়েছে সুইডেন।

 

শুক্রবার (২৬ জুন) ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে রিতসু দোয়ানের দারুণ পাস থেকে গোল করে জাপানকে এগিয়ে দেন দাইজেন মায়েদা। তবে ছয় মিনিট পরই দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান অ্যান্থনি এলাঞ্জা।

 

ম্যাচের শেষ দিকে জয়ের একাধিক সুযোগ তৈরি করেছিল সুইডেন। তবে, অতিরিক্ত সময়ে এলাঞ্জা ও অ্যালেক্সান্ডার আইজ্যাকের নিশ্চিত গোলের সুযোগ রুখে দিয়ে দলকে হার থেকে বাচান জাপানের গোলরক্ষক জিয়ন সুজুকি।

 

এদিকে, তিউনিসিয়াকে হারিয়ে হারিয়ে নেদারল্যান্ডস গ্রুপ এফ-এর শীর্ষস্থান দখল করায়, শেষ ৩২-এ মরক্কোর মুখোমুখি হবে ডাচরা এবং রানার্সআপ জাপানের প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

 

অন্যদিকে, সুইডেনের পরবর্তী ম্যাচ হবে গ্রুপ বি, ই অথবা আই-এর বিজয়ীর বিপক্ষে। আর তিন ম্যাচেই হেরে গ্রুপের তলানিতে থেকে বিদায় নিয়েছে তিউনিশিয়া।

সুইডেনের সঙ্গে ড্র করে শেষ ৩২-এ ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ জাপান

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d