হাজারো পানকৌড়ি ও বকের ওড়াউড়ি ক্লান্তি ভোলায় পথিকের
হাজারো পানকৌড়ি ও বকের ওড়াউড়ি ক্লান্তি ভোলায় পথিকের

হাজারো পানকৌড়ি ও বকের ওড়াউড়ি ক্লান্তি ভোলায় পথিকের

Oplus_131072

পশ্চিম আকাশ রঙিন করে দিগন্তে ডুবছে সূর্য। অস্তগামী সূর্যের রক্তিম আভা ডানায় মেখে উড়ে চলেছে ঝাঁকে ঝাঁকে পানকৌড়ি ও বক। দিনের ক্লান্তি শেষে তারা ফিরছে নীড়ে। তাদের কলকাকলিতে মুখর গোটা এলাকা। গোধূলিবেলায় কাজ শেষে মানুষের ঘরে ফেরার ব্যস্ততা। শত ব্যস্ততার মধ্যেও হাজারের ওপর পানকৌড়ি ও বকের ওড়াউড়ি আর কলরব প্রশান্তি এনে দেয় তাঁদের মনে।১০ মে সন্ধ্যা ছয়টায় যশোরের অভয়নগর উপজেলার জয়রাবাদ গ্রামের খালপাড়ে গিয়ে এ দৃশ্যের দেখা মেলে। জয়রাবাদ গ্রামের পাশ দিয়ে কলকল শব্দে বয়ে চলেছে মুজুতখালী খাল। দক্ষিণ থেকে সোজা উত্তরে চলে গেছে খালটি। ভৈরব নদ থেকে বেরিয়ে প্রায় সাত কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে খালটি আত্রাই নদের সঙ্গে মিশেছে। খালের পশ্চিম পাড়ে কয়েকটি বাড়ি। বাড়িগুলোর পশ্চিম পাশে সিদ্ধিপাশা–সোনাতলা-পেড়লী সড়ক। সড়কের পশ্চিম পাশে বিশাল বিল। খালপাড়ের ছোট বাড়িগুলো ছেয়ে আছে তেঁতুল, মেহগনি, জাম, কাঁঠাল ও নারকেলগাছে। গাছগুলোই পাখিদের নিরাপদ আবাস। গাছগুলোর ডাল ও পাতার ফাঁকে ফাঁকে শুধু পাখি আর পাখি।সন্ধ্যা নামার আগেই ঝাঁকে ঝাঁকে পানকৌড়ি আর বক বিলের দিক থেকে উড়ে আসতে থাকে গাছের দিকে। আশ্রয় নেয় গাছগুলোতে। পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পাখির এমন কলরবে একটুও অতিষ্ঠ হন না আশপাশের বাড়ির লোকজন। উল্টো কেউ যেন পাখিগুলোর কোনো ক্ষতি করতে না পারে, সেদিকে নজর রাখেন তাঁরা। তারপরও মাঝেমধ্যে শিকারিদের শ্যেনদৃষ্টি পড়ে পাখিগুলোর ওপর। এয়ারগান ও জাল নিয়ে শিকারিরা পাখি শিকার করতে আসেন।
খালপাড়ে পাশাপাশি দুটি বড় তেঁতুলগাছ। একটি তেঁতুলগাছ ভরে আছে পানকৌড়িতে, অন্যটি ভরে আছে বকে। তেঁতুলগাছের নিচে বাড়ি জয়রাবাদ গ্রামের সুরেশ বিশ্বাসের (৪৫)। তিনি বলেন, চার বছর আগে হঠাৎ করেই কিছু পাখি এখানে আশ্রয় নিতে শুরু করে। লোকজন তাদের বিরক্ত না করায় কিছুদিনের মধ্যে ওদের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। প্রতি বছর বাড়ছে পাখি। ঝাঁক বেঁধে পাখিদের ওড়াউড়ির দৃশ্য আর কিচিরমিচির শব্দে মন ভরে যায়।গৃহবধূ পূর্ণিমা সেন (৩২) বলেন, ফাল্গুন মাসের প্রথম দিকে পাখিগুলো আসতে শুরু করে। বাড়ির তেঁতুলগাছ, মেহগনিগাছে শত শত পাখি আশ্রয় নেয়। বাসা বাঁধে। ডিম পাড়ে। বাচ্চা ফোটায়। জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষে বাচ্চাসহ পাখিগুলো চলে যায়। পাখিগুলো এখানকার মানুষের অতিথি। তাঁরা পাখিদের আগলে রাখেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, পাখিগুলোর কারণে তাঁদের কিছু সমস্যাও হয়। পাখিগুলো ঘরের চাল ও মাটিতে প্রচুর মলত্যাগ করে। পাখির মলে ঘরের টিনের চাল সাদা হয়ে গেছে। মল থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হয়। এ ছাড়া পাখিরা বিল থেকে মাছ ধরে এনে গাছে বসে খায়। মাছের কিছু অংশ ঘরের চাল ও মাটিতে পড়ে। এসব মাছের অংশ পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। তবে এসব গায়ে মাখেন না বলে জানালেন সত্তরোর্ধ্ব শ্রীমতী বিশ্বাসসময় পেলে গ্রামে বেড়াতে আসেন খুলনার সরকারি ফুলতলা মহিলা কলেজের প্রভাষক অলিপ কুমার বিশ্বাস। পাখির দুষ্টুমি আর কিচিরমিচির তাঁকে আকৃষ্ট করে। ১০ মে সন্ধ্যায় তিনি এসেছিলেন পাখি দেখতে। অলিপ কুমার বলেন, গাছে গাছে পাখির ওড়াউড়ির দৃশ্য এবং কলকাকলিতে মুগ্ধ হতে হয়। সন্ধ্যায় পাখির ডাক ও ওড়াউড়ি এক ভিন্ন আবহ তৈরি করে। শত ব্যস্ততার মধ্যেও মনে প্রশান্তি এনে দেয় পাখির কলকাকলি।


জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

কক্সবাজারের খুনিয়া পালংয়ে জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানার মিলনায়তনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা, শিক্ষাবিদ, লেখক-কলামিস্ট, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হাফেজ মাওলানা নজরুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিরা বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, লেখক ও কলামিস্ট মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ান এবং বড়ডেবা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা লতিফ মাহমুদ খালভী বক্তব্য রাখেন।

 

বক্তারা শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আদর্শিক চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেবল জ্ঞানার্জনের সুযোগ তৈরি করে না; শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে শিক্ষার্থীদের জীবন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে হেফজখানা ও মাদ্রাসাগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ রিয়াজুল হাসান সিকদার, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মাওলানা সাঈদুল ইসলাম, হাজী রকিম উল্লাহ, ডা. মাওলানা আবুল কালাম, মো. আনোয়ার ইসলাম, হাফেজ মাওলানা নুরুদ্দীনসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ। এ সময় শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাওলানা আজগর আলী। বক্তৃতা পর্ব শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানার শিক্ষা কার্যক্রমের উত্তরোত্তর উন্নতি এবং প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার কল্যাণ কামনা করেন।

জমিরিয়া ইসলামিয়া দারুচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

ঠাকুরগাঁওয়ে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

 

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারী সুমন চন্দ্র ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যালেট খেয়ে মৃত্যু বরন করেন।

 

নিহত সুমন চন্দ্র রাণীশংকৈল উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের ভেলাই গ্রামের মহেশ চন্দ্রের ছেলে। তিনি নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মরত ছিলেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ছুটি নিয়ে কর্মস্থল থেকে বাড়ি আসেন সুমন। সন্ধ্যায় পরিবারের অগোচরে বাড়ির পাশে শ্মশান ঘাটে গিয়ে তিনি ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন। কিছুক্ষণ পর অসুস্থ বোধ করলে নিজেই মাকে ফোন করে বিষয়টি জানান।

 

পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। দিনাজপুরে নেওয়ার পথে রাত ১টায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে

বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন: বিএনপি প্যানেলের বিপুল বিজয়, শ্যামনগরের দুই কৃতি সন্তান নির্বাচিত

 

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: জিয়াউর রহমান জিয়া,

শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি,

“দৈনিক আমাদের দেশ”।

 

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি (বাকশিস) সাতক্ষীরা জেলা শাখার ২০২৬ সালের নির্বাচন গত ২ অক্টোবর ২০২৬ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত *খলিল-নূর মোহাম্মদ-ওহাব পরিষদ* প্যানেল বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে।

 

এই প্যানেল থেকে শ্যামনগরের দুই কৃতি সন্তান নির্বাচিত হওয়ায় শ্যামনগরজুড়ে আনন্দের বন্যা বইছে। নবনির্বাচিতদের মধ্যে *সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন শ্যামনগরের কৃতি সন্তান প্রভাষক আব্দুল ওহাব* এবং *সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন শ্যামনগরের আরেক কৃতি সন্তান, জিয়া পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা শাখার সভাপতি প্রভাষক এম এম শফিউল আজম।*

 

নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী করায় মাঝী পরিবারের পক্ষ থেকে বিজয়ের অভিনন্দন জানানো হয়েছে। বিজয়ী প্রার্থীর সন্তান বলেন, আমার আব্বুকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় আমি সাতক্ষীরা জেলার সকল কলেজের অধ্যক্ষ স্যারসহ সকল শিক্ষকবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞ। বিশেষ করে খলিল-নূর মোহাম্মদ ও ওহাব পরিষদের জন্য যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই।

 

তিনি আরও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করায় *সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক জনাব হাবিবুল ইসলাম হাবিব* এবং *সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী* ভাইকে।

 

এদিকে শ্যামনগরের দুই সন্তানের এই গৌরবময় বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি, জিয়া পরিষদ, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণ। নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা শ্যামনগরবাসী গর্বিত। শিক্ষক সমাজের এই বিজয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করবে।

বাকশিস সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন: বিএনপি প্যানেলের বিপুল বিজয়, শ্যামনগরের দুই কৃতি সন্তান নির্বাচিত

নীলফামারীতে জমি নিয়ে বিরোধে শতাধিক কলাগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে

 

স্টাফ রিপোর্টার

জেলা নীলফামারী:

 

নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের দুবাছুরি এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ১০০টি কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাগর চন্দ্র শর্মা নামে এক যুবক নীলফামারী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে মানিক চন্দ্র সরকার (৩৫) ও শ্যামল চন্দ্র সরকার (৩৩) নামে দুই ভাইকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা দুবাছুরি (সরকারপাড়া) এলাকার দ্বিজেন্দ্র নাথ সরকারের ছেলে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে সাগর চন্দ্র শর্মা উল্লেখ করেন, লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের দুবাছুরি মৌজায় এসএ খতিয়ান নম্বর ১৯৯ ও এসএ দাগ নম্বর ৬৬৫০-এর ১৮ শতক জমি নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে এর আগেও অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে বলা হয়, ২৮ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে অভিযুক্তরা হাতে কাইছা নিয়ে সাগরের ভোগদখলীয় জমিতে প্রবেশ করেন। সেখানে থাকা তার রোপণ করা প্রায় ১০০টি কলাগাছ কেটে ফেলা হয়। এতে আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সাগরের অভিযোগ, ঘটনাটি তার মা শেফালী রাণী শর্মা দেখতে পেয়ে অভিযুক্তদের কারণ জানতে চাইলে তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে তিনি বাড়িতে গিয়ে ছেলেকে বিষয়টি জানান। সাগর তার সঙ্গে হিমাংসু সরকারকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটার প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা হাতে থাকা ধারালো কাইছা উঁচিয়ে তাদের গুরুতর জখম করার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগকারীর দাবি। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে আপস-মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি বলে জানান সাগর।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মানিক চন্দ্র সরকার। তিনি বলেন, “আমি সরকারি চাকরি করি। আমাকে ফাঁসানোর জন্যই এসব ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সত্য নয়।”

তিনি আরও দাবি করেন, জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ও তার ভাইকে জড়ানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে নীলফামারী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং জমির দখল ও মালিকানাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এই অভিযোগের বিষয়ে নীলফামারী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নীলফামারীতে জমি নিয়ে বিরোধে শতাধিক কলাগাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেয়ার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমুর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৮১, ১৮২ ও ১৯৩ ধারায় মামলা করা হবে। আদালত নিজেই এ মামলার বাদী হয়েছেন।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, খাদিজা সুলতানা শিমু মামলার বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

 

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ফলে ওই কর্মকর্তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদনও করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

 

পরে গত ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।

 

তদন্তে যা উঠে এসেছে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তকালে রেকর্ড, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক লিংক ও ফরেনসিক তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

তদন্তে আরও উঠে আসে, শিমু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু এবং ওমর ফারুক একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স কর্মকর্তা। ফেসবুকে পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ওমর ফারুকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নেয়ার অভিযোগে ওমর ফারুক আদালতে পৃথক মামলা করেন। এরপর সেই মামলার দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতেই শিমু পর্নোগ্রাফি আইনে অভিযোগ দায়ের করেন বলে তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।

 

ওমর ফারুকের আগের মামলা গত ২০ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরী শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ‘হানি ট্র্যাপ’ ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে তিনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন।

 

সেই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালে ফেসবুকে পরিচয়ের পর শিমু তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন। জন্মদিনে দেড় লাখ টাকা মূল্যের একটি হীরার আংটিসহ বিয়ের খরচের জন্য মোট ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১১ টাকা নেয়ার পরও বিয়ে না করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়।

পর্নোগ্রাফি আইনে কেবিন ক্রু শিমুর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ আদালতের

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্কে, থমথমে পুরো মনপুরা। আসন্ন 2 নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন, নাছির(২৩), আল আমিন(২৫),জিদনী (১৮),অনি (২৩)কাশেম(২৮),অজয়(২৬)

আহতদের পরিবার জানিয়েছেন আহতদের অবস্থা গুরুতর, চিকিৎসার জন্য জেলাতে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।।

মেম্বার প্রার্থী নাসির অভিযোগ করে বলেন , স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছে,মাঠ প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন, দীপক রাশি বাহিনী এরপর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আমি নির্বাচন প্রতারণা চলাকালীন সময়ে অতর্কিত দীপক বাহিনীর মূল হোতা সন্ত্রাসী মাকসুদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাকেও আমার তুই ছেলের উপর হামলা চালান।। এতে করে আমিও আমার ছোট ছেলে আমিন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে রয়েছি।। মনপুরা পুলিশ প্রশাসনের নিকট আমি অভিযোগ করেছি।ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নাই। তিনি আরো বলেন সন্ত্রাসী ফারুক ফরাজী, ইলিয়াছ চৌধূরী, ইলিয়াস ফরাজী, ফুহাদ আওলাদ মাতাব্বর, মনির ফরাজী, খোকন পর এক নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ওসি মনপুরা এখন পর্যন্ত কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে নাই, চিরে যদি সন্ত্রাসীদের দমন না করা হয় তাহলে নির্বাচন হবে মনপুরা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বেন।। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আকিব ওসমান মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও এখন পর্যন্ত মনপুরা মাঠ নিয়ন্ত্রণে আনতে পরিপূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

অপর চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন পরোক্ষভাবে প্রত্যক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা চলেছেন, অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা ধরনের কর্মের সাথে পার্থী শাহরিয়া দীপক সরাসরি জড়িত রয়েছেন।।

মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কাটিয়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরা কে বারবার ফোন করলেও এখন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।।

বিষয়টি নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি।। অচিরেই মনপুরায় মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে আমি নিরস কাজ করছি।।

উল্লেখ্য এই যে মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক বিরুদ্ধে শাহরিয়ার বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে।। আজকের চোরাগুপ্তা হামলা সহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।।। কোন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।।

আসছে বিস্তারিত……. সাথে থাকুন

ভোলার মনপুরায় নির্বাচনী মাঠে জনআতঙ্ক, দীপক বাহিনীর হাতে আহত ৫

এস এম খলিলুর রহমান
ব্যুরো চীফ হবিগঞ্জ জেলা ॥

নবীগঞ্জ পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামে নিরীহ ব্যক্তি বিজিত দাশ মেটনের উপর সন্ত্রাসী হামলার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী কাউন্সিলর যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বাদিনী সুপ্রিয়া রানী দাশ। শনিবার (১২ জুন) সকালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্টিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুপ্রিয়া রানী দাশ বলেন, গেল পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হন। এরজের ধরে বিগত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় নবীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডস্থ গয়াহরি গ্রামে জ্যোতিষ দাশের বাড়ি সামনে রাস্তার উপর পেয়ে আমার স্বামী বিজিত দাশ মেটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেন আমাদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর যুবরাজ গোপ, জ্যোতিষ দাশ, সীমা রানী দাশ, উৎফল দাশ ও লিপ্টু দাশসহ একদল লোক। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হয়ে সিলেট ও ঢাকা হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করি। আমার স্বামী আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিল। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে আমার স্বামীর রক্তাক্ত অবস্থা দেখে তাৎক্ষনিকভাবে জ্যোতিষ দাশকে গ্রেফতার করে। পরে ৫৪ ধারায় জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। এ ব্যাপারে আমি নবীগঞ্জ থানায় মামলা নিয়ে গেলে পুলিশ আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ আদালতে উল্লেখিত দুর্বৃত্তদের আসামী করে মামলা দায়ের করি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে এফআইআর হিসেবে নবীগঞ্জ থানায় রুজু হয়। মামলা রুজু হলেও মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপরাপর আসামীদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ যুবরাজ গোপ প্রকাশ্যে নবীগঞ্জ শহরে ও বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি অসহায় একজন মহিলা, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফুর রহমানকে বারবার তাগিদ দেয়া সত্ত্বেও আসামী গ্রেফতার করিতে তিনি গড়িমশি করছেন। এদিকে আমার স্বামীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা এখন পর্যন্ত ভাল নয়। বিছানায় শয্যাসায়ী আছেন। দারিদ্রতার কারনে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাইতে গিয়ে ইতিমধ্যে ভিটে বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে। সামাজিক বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েও আমাদের এত বিড়ম্বনা পোহাতে হবে, তা জানা ছিলনা।
বর্তমানে আমার আহত স্বামী বিজিত দাশ কথা বার্তা বলতে পারছেন না, বাম চোখেঁ দেখতেও পান না। ঘটনাটি এলাকার সকল মানূষ অবগত রয়েছেন।
ন্যায় বিচারের স্বার্থে আমার দায়েরী মামলার অন্যতম আসামী যুবরাজ গোপসহ অপর আসামীদের গ্রেফতার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

নবীগঞ্জে আসামী গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে বাদিনীর সংবাদ সম্মেলন

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩