আজ খুলনার ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
আজ খুলনার ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী

আজ খুলনার ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী

মোঃ ওমর ফারুক

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ খুলনা, যা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থনীতির দিক থেকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। খুলনা জেলা প্রশাসনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮২ সালে। সেই হিসেবে প্রতিবছর এর জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়।

খুলনা বিভাগ মোট ১০টি জেলা নিয়ে গঠিত—খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর।

খুলনা বিভাগের মোট আয়তন প্রায় ২২,২৮৫ বর্গকিলোমিটার। শিল্প, বন্দর ও প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য এই অঞ্চল বিশেষভাবে পরিচিত। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের একটি বড় অংশ এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত, যা খুলনাকে আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত খুলনা আজ ১০ জেলার সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী বিভাগ।


 

চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ বিকেল সাড়ে তিনটায় চট্টগ্রাম রাঙামাটি সড়কের রাউজান চারাবটতল এলাকায়প্রথম আলো

চট্টগ্রামের রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত বিএনপি কর্মী কাউসারুজ্জামানের লাশ নিয়ে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক অবরোধ করেছেন স্বজন ও গ্রামবাসী। আজ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত রাউজানের চারাবটতল এলাকায় এ অবরোধ চলে। অবরোধকারীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশকে আলটিমেটাম দেন। খুনিদের প্রকাশ্য এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবিও জানান তাঁরা।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, লাশ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স এবং লাশ রাখার খাটিয়া দিয়ে সড়ক অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শত শত নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন এবং খুনিদের বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন। এ সময় সড়কটির দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ায় দুর্ভোগের শিকার হন যাত্রীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, আজ বিকেল চারটা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। তবে সন্ধ্যায় লাশ দাফনের পর মামলা দিতে পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাউসারুজ্জামানের ওপর গত দুই বছরে আরও কয়েকবার সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। এবার গুলি করে হত্যা নিশ্চিত করেছে। তবে কী নিয়ে তাঁর সঙ্গে বিরোধ, সেটি পরিষ্কার জানেন না তাঁরা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, কাউসারুজ্জামান গতকাল শুক্রবার রাত তিনটার দিকে তাঁর নানাবাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে হেঁটে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে সাত–আটজন অস্ত্রধারী তাঁর ওপর হামলা করে। তাঁর পিঠে গুলি লাগে। স্বজনেরা খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। আজ ভোরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাউজানে খুন হওয়া বিএনপি কর্মীর লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কবে নাগাদ এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে, সেটাও স্পষ্ট নয়। তবুও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের এসব নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা চালাচ্ছেন বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। আইন সংশোধন হওয়ায় এবার দলীয় প্রতীকে ভোট না হওয়ার সুযোগে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।

 

তারা ইতোমধ্যে এলাকায় এলাকায় গণসংযোগ করছেন। তাদের পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে সয়লাব হাট-বাজার, গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অলিগলি ও জনসমাগমস্থল। নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরতে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন এসব প্রার্থী। ভোটারদের মনোযোগ টানতে ব্যক্তিগত যোগাযোগের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও জোর দিচ্ছেন তারা। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। দলীয় সূত্র বলছে, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। জাতীয় নির্বাচনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন নেতাকর্মীরা।

 

জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের দলীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর দলীয় পূর্ণ শক্তি নিয়ে সবাই (নেতাকর্মী) ভোটের মাঠে নামবে। এজন্য ‘কোদাল’ দিয়ে মাঠ তৈরি করতে হবে না।’ সরকারের কার্যক্রমের সফলতায় জাতীয় নির্বাচনের সাফল্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পড়বে বলে মনে করেন বিএনপির এ সিনিয়র নেতা। তিনি বলেন, ‘সরকার গঠনের পর গত দুই মাসে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের যে অর্জনগুলো রয়েছে, তাতে জনমনে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। এ কারণেই আমাদের নেতাকর্মীরা অধিকাংশ স্থানে বিজয়ী হবে।’

 

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। এবার দলটির নজর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও সরকার থেকে বলা হচ্ছে শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকাসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অনেকেই। কেউ কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না-এমনটা ধরে নিয়েই এগোচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরছেন তারা।

 

জানা যায়, ইতোমধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় অনেকেই মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। দেয়ালে-দেয়ালে শোভা পাচ্ছে তাদের পোস্টার ও ফেস্টুন। বিভিন্ন ইস্যুতে এলাকাভিত্তিক নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। একই চিত্র তৃণমূলেও।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে ২১টি জেলার বিএনপির শীর্ষ পদে থাকা অন্তত ৩০ জন নেতার অভিমত জানতে চেয়েছে যুগান্তর। কিছুটা অভিন্ন সুরে নেতারা জানান, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা পোস্টার, ফেস্টুন করে সম্ভাব্য প্রার্থিতা জানান দিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ভালো ফলের আশাবাদী তারা। এজন্য দলীয় সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগাম এই তৎপরতা নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করে তুলবে বলেও মনে করে বিএনপির তৃণমূল। একইসঙ্গে এসব নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকার সুযোগে একাধিক প্রার্থী যাতে ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না থাকে, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।

 

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল যুগান্তরকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আমাদের দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি আছে। যে যার মতো করে নিজ নিজ এলাকায় কাজ করছেন। তবে দল থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, অনেকেই মাঠপর্যায়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। কে কোন পদে নির্বাচন করবেন, সেটি জানান দিচ্ছেন। আমাদেরও অনেকেই বলে রাখছেন যে, তারা এলাকায় নির্বাচনি কর্মকাণ্ড চালাবেন। তবে কেন্দ্র থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, সেটি সম্ভাব্য প্রার্থীরা মেনে নেবেন।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভোলার মনপুরা উপজেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এলাকাবাসী চান আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করি। জনগণের এই দাবিকে স্বাগত জানিয়ে আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিনি বলেন, বিগত সময়ে মনপুরাবাসীর পাশে ছিলাম, এখনো আছি।

স্থানীয় নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আট ফুট দীর্ঘ একটি অজগর উদ্ধার করে পাহাড়ে অবমুক্ত করেছে সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (থ্রি-এসএ)।

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে নীপবন শিশু বিদ্যালয়ের সামনে সাপটি দেখা যায়।

 

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জমাদিউল আউয়াল সুজাত সাপটি দেখে সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেসকে খবর দেন।

 

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আট ফুট দীর্ঘ সাপটি একটি বার্মিজ পাইথন। অজগর সাপ সাধারণত বেশ লম্বা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সাপ হল রেটিকুলেটেড পাইথন। তবে আমাদের দেশে বার্মিজ পাইথনই বেশি দেখা যায়।’

 

উদ্ধার করা সাপটি ক্যাম্পাসের পাহাড়ি অঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে রফিক বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সাপ অবমুক্ত করার নির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ করি না। তবে এটুকু বলা যায়, ক্যাম্পাসের নিকটবর্তী পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকায় এটি অবমুক্ত করা হয়েছে।’

 

সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার বলেন, বার্মিজ পাইথন আমাদের আদি সাপ। আমাদের দেশে তিন ধরনের পাইথন পাওয়া যায়। তার মধ্যে এটা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এই সাপ ১৭ থেকে ১৮ ফুট হতে পারে। এটা জুভেনাইল বা সাব-এডাল্ট সাপ।

 

তিনি বলেন, এই সাপের কোনো বিষ নেই। মানুষের জীবন ঝুঁকি হবে এমন কোনো ক্ষতি করে না। তবে পুকুরে নেমে মাছ খেয়ে বা খামারের মুরগি বা হাঁস খেয়ে ক্ষতি করে। এছাড়া কোনো ক্ষতি করে না।

 

এর আগে গত ১০ ও ১২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে দুটি কিং কোবরা উ

দ্ধার করা হয়।

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফুট দীর্ঘ আজগর উদ্ধার

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদে ও রাজপথে একসঙ্গে বিরোধী দলের আন্দোলন চলবে।

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশ’ তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, এ রায় যদি না মানেন, মহান আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, এ রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলনে আমরা কোনো ধরনের বিশ্রাম নেব না। আন্দোলন চলবে সংসদে, আন্দোলন চলবে রাজপথে।

 

তিনি বলেন, আমাদের এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেছেন- একাত্তর সালে জনগণের রায়কে অমান্য করার কারণেই একটি যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। যারা রায় অস্বীকার করেছিলেন, তাদের পরিণতি ভালো হয়নি। এবারো যারা রায় অস্বীকার করছেন- তারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত অংশ মনে করেন। আমরা বলি সেই মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করে আপনারা রায়কে মেনে নেন। এ রায় মেনে নিলে (মঞ্চ ইশারা করে) আমরা এই স্টেইজে দাঁড়িয়ে আর এই দাবিতে বক্তব্য দেব না।

 

এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কথার সূত্র ধরে জামায়াতের আমির বলেন, তিনি বলেছেন- রাজপথ আর সংসদ প্রয়োজনে একাকার হয়ে যাবে। রাজপথ আর সংসদ যেদিন একাকার হয়ে যাবে, সেদিন বালুর বাঁধ দিয়ে সমুদ্রের জোয়ার থামাতে পারবেন না।

 

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদীরা বিভিন্ন ন্যারেটিভ করে জাতিকে বিভক্ত করেছিল। আর আপনারা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, নির্বাচনে জিতলে সবাইকে নিয়ে দেশ চালাবেন। এখন আপনারা কী করছেন? একদলকে পাঠায়া দিচ্ছেন পাকিস্তানে, আরেক দলকে পাঠায়া দিচ্ছেন পেশোয়ারে, আরেক দলকে পাঠায়া দিচ্ছেন আরও কোনো দেশে। আর এই দেশের জমিদারির দখল নিতে চাচ্ছেন।

 

শফিকুর রহমান বলেন, মনে রাখবেন জুলাইয়ের দুটা স্লোগান ছিল বড়, শক্তিশালী। একটা ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’; আরেকটা ছিল ‘দেশটা কারও বাপের নয়’। এই দেশ বাংলাদেশের জনগণের, আধিপত্যবাদের দোসরদের তাড়াতে গিয়ে শত শত আলেম বুকে গুলি নিয়ে এই দেশের মানুষকে, এই দেশের জীবন এনে দিয়েছেন। আমরা সেই আলেম ওলামাদের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করব না।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

 

সভাপতির বক্তব্যে মামুনুল হক গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের দাবিতে ঢাকায় গণমিছিলসহ তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

 

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মে, জুন ও জুলাই মাসে জেলায় জেলায় নাগরিক সমাবেশ এবং ৫ আগস্ট ঢাকায় গণমিছিল।

আন্দোলন চলবে সংসদ ও রাজপথে: শফিকুর রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 

চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ বিকেল সাড়ে তিনটায় চট্টগ্রাম রাঙামাটি সড়কের রাউজান চারাবটতল এলাকায়প্রথম আলো

চট্টগ্রামের রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত বিএনপি কর্মী কাউসারুজ্জামানের লাশ নিয়ে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক অবরোধ করেছেন স্বজন ও গ্রামবাসী। আজ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত রাউজানের চারাবটতল এলাকায় এ অবরোধ চলে। অবরোধকারীরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশকে আলটিমেটাম দেন। খুনিদের প্রকাশ্য এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবিও জানান তাঁরা।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, লাশ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স এবং লাশ রাখার খাটিয়া দিয়ে সড়ক অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শত শত নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন এবং খুনিদের বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন। এ সময় সড়কটির দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ায় দুর্ভোগের শিকার হন যাত্রীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, আজ বিকেল চারটা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। তবে সন্ধ্যায় লাশ দাফনের পর মামলা দিতে পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাউসারুজ্জামানের ওপর গত দুই বছরে আরও কয়েকবার সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। এবার গুলি করে হত্যা নিশ্চিত করেছে। তবে কী নিয়ে তাঁর সঙ্গে বিরোধ, সেটি পরিষ্কার জানেন না তাঁরা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, কাউসারুজ্জামান গতকাল শুক্রবার রাত তিনটার দিকে তাঁর নানাবাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে হেঁটে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে সাত–আটজন অস্ত্রধারী তাঁর ওপর হামলা করে। তাঁর পিঠে গুলি লাগে। স্বজনেরা খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। আজ ভোরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাউজানে খুন হওয়া বিএনপি কর্মীর লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

প্রতিবেদনঃ ওমর ফারুক

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা আজ (শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬) সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের নির্বাচিত ১৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষাটি সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বছর প্রায় সাড়ে চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে আসনের বিপরীতে প্রায় সমসংখ্যক আবেদনকারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

সারাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা

মোঃ ওমর ফারুক

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ খুলনা, যা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থনীতির দিক থেকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। খুলনা জেলা প্রশাসনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮২ সালে। সেই হিসেবে প্রতিবছর এর জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়।

খুলনা বিভাগ মোট ১০টি জেলা নিয়ে গঠিত—খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর।

খুলনা বিভাগের মোট আয়তন প্রায় ২২,২৮৫ বর্গকিলোমিটার। শিল্প, বন্দর ও প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য এই অঞ্চল বিশেষভাবে পরিচিত। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের একটি বড় অংশ এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত, যা খুলনাকে আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত খুলনা আজ ১০ জেলার সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী বিভাগ।

আজ খুলনার ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কবে নাগাদ এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে, সেটাও স্পষ্ট নয়। তবুও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের এসব নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা চালাচ্ছেন বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা। আইন সংশোধন হওয়ায় এবার দলীয় প্রতীকে ভোট না হওয়ার সুযোগে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।

 

তারা ইতোমধ্যে এলাকায় এলাকায় গণসংযোগ করছেন। তাদের পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে সয়লাব হাট-বাজার, গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অলিগলি ও জনসমাগমস্থল। নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরতে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন এসব প্রার্থী। ভোটারদের মনোযোগ টানতে ব্যক্তিগত যোগাযোগের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও জোর দিচ্ছেন তারা। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। দলীয় সূত্র বলছে, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। জাতীয় নির্বাচনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন নেতাকর্মীরা।

 

জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী যুগান্তরকে বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের দলীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর দলীয় পূর্ণ শক্তি নিয়ে সবাই (নেতাকর্মী) ভোটের মাঠে নামবে। এজন্য ‘কোদাল’ দিয়ে মাঠ তৈরি করতে হবে না।’ সরকারের কার্যক্রমের সফলতায় জাতীয় নির্বাচনের সাফল্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পড়বে বলে মনে করেন বিএনপির এ সিনিয়র নেতা। তিনি বলেন, ‘সরকার গঠনের পর গত দুই মাসে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের যে অর্জনগুলো রয়েছে, তাতে জনমনে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। এ কারণেই আমাদের নেতাকর্মীরা অধিকাংশ স্থানে বিজয়ী হবে।’

 

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। এবার দলটির নজর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও সরকার থেকে বলা হচ্ছে শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকাসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অনেকেই। কেউ কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না-এমনটা ধরে নিয়েই এগোচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরছেন তারা।

 

জানা যায়, ইতোমধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় অনেকেই মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। দেয়ালে-দেয়ালে শোভা পাচ্ছে তাদের পোস্টার ও ফেস্টুন। বিভিন্ন ইস্যুতে এলাকাভিত্তিক নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। একই চিত্র তৃণমূলেও।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে ২১টি জেলার বিএনপির শীর্ষ পদে থাকা অন্তত ৩০ জন নেতার অভিমত জানতে চেয়েছে যুগান্তর। কিছুটা অভিন্ন সুরে নেতারা জানান, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কাজ করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা পোস্টার, ফেস্টুন করে সম্ভাব্য প্রার্থিতা জানান দিয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ভালো ফলের আশাবাদী তারা। এজন্য দলীয় সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগাম এই তৎপরতা নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও তীব্র করে তুলবে বলেও মনে করে বিএনপির তৃণমূল। একইসঙ্গে এসব নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকার সুযোগে একাধিক প্রার্থী যাতে ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় না থাকে, সে বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।

 

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল যুগান্তরকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আমাদের দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি আছে। যে যার মতো করে নিজ নিজ এলাকায় কাজ করছেন। তবে দল থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, অনেকেই মাঠপর্যায়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। কে কোন পদে নির্বাচন করবেন, সেটি জানান দিচ্ছেন। আমাদেরও অনেকেই বলে রাখছেন যে, তারা এলাকায় নির্বাচনি কর্মকাণ্ড চালাবেন। তবে কেন্দ্র থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, সেটি সম্ভাব্য প্রার্থীরা মেনে নেবেন।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভোলার মনপুরা উপজেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স। তিনি যুগান্তরকে বলেন, এলাকাবাসী চান আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করি। জনগণের এই দাবিকে স্বাগত জানিয়ে আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিনি বলেন, বিগত সময়ে মনপুরাবাসীর পাশে ছিলাম, এখনো আছি।

স্থানীয় নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আট ফুট দীর্ঘ একটি অজগর উদ্ধার করে পাহাড়ে অবমুক্ত করেছে সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (থ্রি-এসএ)।

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে নীপবন শিশু বিদ্যালয়ের সামনে সাপটি দেখা যায়।

 

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জমাদিউল আউয়াল সুজাত সাপটি দেখে সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেসকে খবর দেন।

 

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আট ফুট দীর্ঘ সাপটি একটি বার্মিজ পাইথন। অজগর সাপ সাধারণত বেশ লম্বা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সাপ হল রেটিকুলেটেড পাইথন। তবে আমাদের দেশে বার্মিজ পাইথনই বেশি দেখা যায়।’

 

উদ্ধার করা সাপটি ক্যাম্পাসের পাহাড়ি অঞ্চলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে রফিক বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সাপ অবমুক্ত করার নির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ করি না। তবে এটুকু বলা যায়, ক্যাম্পাসের নিকটবর্তী পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকায় এটি অবমুক্ত করা হয়েছে।’

 

সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার বলেন, বার্মিজ পাইথন আমাদের আদি সাপ। আমাদের দেশে তিন ধরনের পাইথন পাওয়া যায়। তার মধ্যে এটা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এই সাপ ১৭ থেকে ১৮ ফুট হতে পারে। এটা জুভেনাইল বা সাব-এডাল্ট সাপ।

 

তিনি বলেন, এই সাপের কোনো বিষ নেই। মানুষের জীবন ঝুঁকি হবে এমন কোনো ক্ষতি করে না। তবে পুকুরে নেমে মাছ খেয়ে বা খামারের মুরগি বা হাঁস খেয়ে ক্ষতি করে। এছাড়া কোনো ক্ষতি করে না।

 

এর আগে গত ১০ ও ১২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে দুটি কিং কোবরা উ

দ্ধার করা হয়।

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফুট দীর্ঘ আজগর উদ্ধার

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংসদে ও রাজপথে একসঙ্গে বিরোধী দলের আন্দোলন চলবে।

 

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশ’ তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, এ রায় যদি না মানেন, মহান আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, এ রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলনে আমরা কোনো ধরনের বিশ্রাম নেব না। আন্দোলন চলবে সংসদে, আন্দোলন চলবে রাজপথে।

 

তিনি বলেন, আমাদের এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেছেন- একাত্তর সালে জনগণের রায়কে অমান্য করার কারণেই একটি যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। যারা রায় অস্বীকার করেছিলেন, তাদের পরিণতি ভালো হয়নি। এবারো যারা রায় অস্বীকার করছেন- তারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত অংশ মনে করেন। আমরা বলি সেই মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করে আপনারা রায়কে মেনে নেন। এ রায় মেনে নিলে (মঞ্চ ইশারা করে) আমরা এই স্টেইজে দাঁড়িয়ে আর এই দাবিতে বক্তব্য দেব না।

 

এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কথার সূত্র ধরে জামায়াতের আমির বলেন, তিনি বলেছেন- রাজপথ আর সংসদ প্রয়োজনে একাকার হয়ে যাবে। রাজপথ আর সংসদ যেদিন একাকার হয়ে যাবে, সেদিন বালুর বাঁধ দিয়ে সমুদ্রের জোয়ার থামাতে পারবেন না।

 

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদীরা বিভিন্ন ন্যারেটিভ করে জাতিকে বিভক্ত করেছিল। আর আপনারা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, নির্বাচনে জিতলে সবাইকে নিয়ে দেশ চালাবেন। এখন আপনারা কী করছেন? একদলকে পাঠায়া দিচ্ছেন পাকিস্তানে, আরেক দলকে পাঠায়া দিচ্ছেন পেশোয়ারে, আরেক দলকে পাঠায়া দিচ্ছেন আরও কোনো দেশে। আর এই দেশের জমিদারির দখল নিতে চাচ্ছেন।

 

শফিকুর রহমান বলেন, মনে রাখবেন জুলাইয়ের দুটা স্লোগান ছিল বড়, শক্তিশালী। একটা ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’; আরেকটা ছিল ‘দেশটা কারও বাপের নয়’। এই দেশ বাংলাদেশের জনগণের, আধিপত্যবাদের দোসরদের তাড়াতে গিয়ে শত শত আলেম বুকে গুলি নিয়ে এই দেশের মানুষকে, এই দেশের জীবন এনে দিয়েছেন। আমরা সেই আলেম ওলামাদের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করব না।

 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

 

সভাপতির বক্তব্যে মামুনুল হক গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের দাবিতে ঢাকায় গণমিছিলসহ তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

 

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মে, জুন ও জুলাই মাসে জেলায় জেলায় নাগরিক সমাবেশ এবং ৫ আগস্ট ঢাকায় গণমিছিল।

আন্দোলন চলবে সংসদ ও রাজপথে: শফিকুর রহমান

বেসরকারি আবহাওয়া গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম জানিয়েছে, দেশের দিকে প্রায় পূর্ণাঙ্গ একটি শক্তিশালী বৃষ্টি বলয় ঝুমুল ধেয়ে আসছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

 

সংস্থাটি জানিয়েছে, এটি একটি শক্তিশালী প্রায় পূর্ণাঙ্গ বৃষ্টি বলয়। মানে এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের সব এলাকায় কমবেশি বজ্রবৃষ্টি হতে পারে এবং নির্দিষ্ট কিছু স্থানে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণও হতে পারে। এই বৃষ্টি বলয়ে দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ এলাকায় কমবেশি ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। এটি চলতি বছরের ৫ম বৃষ্টি বলয়।

 

সংস্থাটি জানায়, এতে সর্বাধিক সক্রিয় সিলেট বিভাগ। বেশ সক্রিয়-ময়মনসিংহ, রংপুর, ঢাকা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তর অংশের বেশ কিছু এলাকা এবং মাঝারি সক্রিয়- বরিশাল ও খুলনা বিভাগের অনেক এলাকা। কম সক্রিয়- রাজশাহী বিভাগের কিছু এলাকা।

 

এতে আরও বলা হয়েছে, ২৬ এপ্রিল থেকে ৭ মে পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উল্লেখিত স্থানগুলোতে বৃষ্টি বলয় অবস্থান করবে। তবে ২৫ এপ্রিলও দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যত্র কিছুকিছু স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে কালবৈশাখীসহ কিছুটা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তবে সব চেয়ে বেশি সময় সর্বোচ্চ সক্রিয় থাকবে ২৮ এপ্রিল থেকে ২ মে এবং ৪ ও ৬ মে পর্যন্ত। এর প্রভাবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের অতি বন্যা প্রবণ নিচু এলাকায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

 

এছাড়া সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ জেলার কিছুকিছু নিচু এলাকায় অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হতেপারে সাময়িক সময়ের জন্য। এ সময় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের উজানে ভারতীয় ভূখণ্ডে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের কারণে আসাম ও মেঘালয় রাজ্যের বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হতে পারে। এই পাহাড়ি ঢলের কারণে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের নদনদীগুলোতে ও হাওরে পানি আকস্মিক বৃদ্ধি পেতে পারে।

 

বিশেষ করে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট জেলার বেশকিছু স্থানে একটানা বর্ষণ হতে পারে।

আসছে শক্তিশালী বৃষ্টি বলয় ‘ঝুমুল’

মালয়েশিয়ায় গাড়ির ধাক্কায় মুজাহিদ মিল্লাদ (২২) নামের একজন বাংলাদেশি তরুণ নিহতের ঘটনায় দেশটির এক সেনা কর্মকর্তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

জলকুয়ালালামপুর ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামজুরি মোহাম্মদ ঈসা জানান, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক গুপ্তান নর আসিকিন মুরলিকামাল এই রিমান্ড আদেশ দিয়েছেন। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত পাঁচ দিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মালয়েশিয়ায় বেড়াতে গিয়ে বৃহস্পতিবার দুই গাড়ির সংঘর্ষে নিহত হন মুজাহিদ মিল্লাদ। এ সময় আহত হন তার স্ত্রী তাবাসসুম আবিদা। এই দম্পতির বাড়ি হবিগঞ্জে।

ঘটনার বিবরণে কুয়ালালামপুর ট্রাফিক পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে তারা বিমানবন্দর থেকে ‘মাজু’ মহাসড়ক ধরে যাচ্ছিলেন। ওই সময় ৩১ বছর বয়সি ওই সেনা কর্মকর্তা গাড়ি চালিয়ে আসছিলেন বিপরীত দিক থেকে। ওই সেনা কর্মকর্তা গাড়ি নিয়ে ভুল লেনে ঢুকে পড়েন। এতে দুই গাড়ির সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মুজাহিদ মিল্লাদ প্রাণ হারান।

কুয়ালালামপুর ট্রাফিক পুলিশ জানায়, ওই সংঘর্ষে সেনা কর্মকর্তা ও তার গাড়িতে থাকা এক নারীও আহত হন।

পুলিশের ধারণা, ঘটনার সময় ওই সেনা কর্মকর্তা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন।ঘটনার পর হত্যার অভিযোগ এনে সড়ক পরিবহণ আইনে মামলা দায়ের করে ওই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দেখায় কুয়ালালামপুর পুলিশ।

মালয়েশিয়ায় গাড়ির ধাক্কায় নিহত ‘এডভ্যান্স গেমিং’ এর মুজাহিদ মিল্লাদ (২২)

চলতি সপ্তাহে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ- বললেন মির্জা ফখরুল”

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ।

ঠাকুরগাঁও জেলার বহুল কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় আগামী চলতি সপ্তাহে ভিসি নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মাননীয় মন্ত্রী স্হানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

২৪ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে জেলার মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তন কালিবাড়িতে

ঠাকুরগাঁও জেলার ঘূর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার মধ্যে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ এবং এলজিইডি ও জেলা পরিষদ মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন লক্ষ্যে বিভিন্ন বিভিন্ন সামাজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ পত্র বিতরণ অনুষ্ঠান বক্তব্য এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেনল মোহাম্মদ রফিকুল হক,জেলা প্রশাসক ঠাকুরগাঁও,মো আফাজ উদ্দিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা পরিষদ ঠাকুরগাঁও,মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস,নির্বাহী প্রকৌশলী এলজিইডি ঠাকুরগাঁও, মির্জা ফায়সাল আমিন সভাপতি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, খোদাদাদ হোসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঠাকুরগাঁও, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সভাপতি, সম্পাদক সহ প্রমুখ স্হানীয় নেতৃত্ব বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যায়কারীকে কখনো প্রশ্রয় দিবেন না ঠাকুরগাঁওয়ে:মির্জা ফখরুল

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d