জি এম মামুন নিজস্ব প্রতিনিধি : পাগলীর সাথে মেলামেশা কালে এলাকাবাসীর নিকট হাতেনাতে ধরা খেলো বড় ভেটখালী গ্রামের, ওজি মোড়লের এর পুত্র আইয়ুব আলী (৩৫)।
ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ছোট ভেটখালী গ্রামে। ইতিমধ্যে অজ্ঞাত নামা পাগলী মানুষরূপে পশুর পাপের ফসল হিসাবে বয়ে বেড়াচ্ছে পেটে বাচ্চা।
সুত্রে জানা যায় অজ্ঞাতনামা ওই পাগলী গত ১ বছর যাবত ছোট ভেটখালী গ্রামে ঘোরাফেরা করে। এবং রাত্রেতে ছোট ভেটখালী ৩৩ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত কক্ষের থাকে। এক পর্যায়ে গত এক মাস আগের পাগলীর পেটে বাচ্চা এলাকাবাসীর নজরে আসে এবং এলাকার কিছু লোক পাগলীর ওই থাকার জায়গায় পরিত্যক্ত স্কুলের দিকে নজর রাখে যাহাতে পাগলীর পেটের বাচ্চার হুদিস মেলে কিনা।
গত ১৭/৬/২০২১ তারিক দিবাগত রাত্রে বন্যার কারণে স্কুলের পাশে খালে মাছ ধরা এলাকাবাসীরা ওজি মোড়লের পুত্র আইয়ুব আলীকে ওই স্থানে ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ হয়, রাত্রে আনুমানিক ৯ টার দিকে বড় ভেটখালী গ্রামের, বাশাড়,হায়বুর, আব্দুল্লাহ, সহ কয়েকজন অতি গোপনে পাগলীর বাসস্থান ইস্কুল পরিত্যক্ত ঘরে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় পাগলীর সাথে ধরে ফেলে ওজি মোড়লের পুত্র আইয়ুব আলীকে।
ধরার পরে এলাকার লোকজন সহ সবাই মিলে মানুষ রুপে জানোয়ার লম্পট আইয়ুব আলী সহ ওই পাগলি কে, শ্যামনগর থানা পুলিশের হাতে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে ১৮/৬/২০২১ তারিকে ছোট ভেটখালী গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর পুত্র আব্দুল জলিল বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মামলা (নং২৬) মানুষ রুপি জানোয়ার লম্পট আইয়ুব আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসী সর্বস্তরের মানুষ।
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশের নিকট জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পাগলী ধর্ষণকারী আইয়ুব আলী ও পাগলিকে আইন অনুযায়ী সাতক্ষীরা জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়।
Leave a Reply