আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো: মির্জা ফখরুল - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো: মির্জা ফখরুল

আমরা একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রতিক ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।

 

আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ, এই অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো এবং একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো, যেখানে আমাদের সন্তানরা ভয়হীনভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।

 

তিনি আরও বলেন, কিন্তু শুধু আইন বা সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন একটি শক্তিশালী জাতীয় সামাজিক আন্দোলন।

 

মন্ত্রী বলেন, পরিবার, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম, সামাজিক সংগঠন এবং প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের ছেলেমেয়েদের সম্মান, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে।

 

তিনি আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা। আসুন, পরিবর্তনের এই সংগ্রামে সবাই একসঙ্গে শামিল হই।


রাজধানীর পল্লবীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।

 

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। দ্রুত বিচারের আশ্বাসও দেন তিনি।

 

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগেই রামিসার বাসার আশপাশের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

 

অন্যদিকে, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।

 

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

শিশু রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

এর আগে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় ঘোষণা করেন।

 

রায়ে সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। একইসঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পরবর্তীতে বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি বাতিল করে।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন কর্মকর্তাকে পুনরায় আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা বাড়াতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৬১ পয়সা বাড়াতে চায় ডিপিডিসি। পাশাপাশি, ডেসকো বাড়াতে চায় ৮৬ পয়সা।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গনশুনানিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিইআরসি জানায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় খরচ পড়বে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা এবং বিতরণ খরচ হবে ৯২ পয়সা। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ায় প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই আর্থিক ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই পাইকারি মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে খুচরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এদিকে, লোকসান কাটিয়ে উঠতে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, ২০২৬ ২৭ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা হতে পারে।

 

ডিপিডিসি জানিয়েছে, পাইকারি দাম এবং হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ১টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে গ্রাহক পর্যায়ে দাম ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ৮৬ পয়সা সমন্বয়ের প্রস্তাব পেশ করেছে।

 

পাশাপাশি, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা পেশ করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নেসকো।

 

এর আগে, বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম নিয়েও অনুষ্ঠিত হয় গণশুনানি।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

জামায়াতে ইসলাম সামাজে নানা ধরনের অপকর্ম করে তা সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

 

আজ বুধবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী ফার্মেসি আসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

 

জামায়াত মিথ্যা ছাড়া ভালো কিছু চিন্তা করতে পারে না মন্তব্য করে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থির করার চেষ্টা করছে।

 

এছাড়া অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে তাদের বিচারের দাবি জানান তিনি।

 

হাম নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অন্তবর্তী সরকারের ব্যর্থতা এখন বিএনপির ঘাড়ে এসে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।

জামায়াত নানা অপকর্ম করে সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে: শামসুজ্জামান দুদু

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে এ নির্দেশ দেন তিনি।

 

আইনমন্ত্রী বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

 

আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু হত্যা এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বাকি অংশের নির্মাণকাজ। একই সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়েকে আরও ব্যবহারবান্ধব করতে নতুন ৪টি র‍্যাম্প যুক্ত করার সম্ভাব্যতাও যাচাই করছে সেতু বিভাগ।

 

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আংশিক অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালে এফডিসি গেট সংলগ্ন কারওয়ান বাজার র‍্যাম্পও চালু করা হয়। লক্ষ্য ছিল রাজধানীর যানজট কমিয়ে নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া।

 

তবে বাস্তবে কর্মদিবসের পিক আওয়ারে এক্সপ্রেসওয়ের টোলপ্লাজাগুলোতেই তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। অনেক চালক এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠার আগেই ভোগান্তিতে পড়ে নিচের সড়ক ব্যবহার করছেন।

 

এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায়ের কারণেই টোলপ্লাজায় ধীরগতি তৈরি হচ্ছে এবং এতে ব্যবহারকারী কমে যাচ্ছে।

 

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা বিভাগের ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন (অব.) হাসিব হাসান খান বলেন, যতটুকু যাওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক গাড়ি চলে আসে। এটাকে যদি আরেকটু গতি বাড়াতে পারতাম তাহলে ইউজারদের সংখ্যা আরেকটু বাড়তো।

 

চলতি বছরের এপ্রিলে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) চালু হলেও এখনও বেশিরভাগ টোল আদায় হচ্ছে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। সেতু বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৯ হাজারের কিছু বেশি ইটিসি ডিভাইস বিক্রি হয়েছে।

 

বর্তমানে চালু থাকা অংশ দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করলেও টোলপ্লাজার যানজটের কারণে অনেকে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার থেকে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এতে সম্ভাব্য রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

 

চীনা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে নির্মিত এই পিপিপি প্রকল্পের চুক্তি অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়ে চালুর পর ২৫ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন প্রথম ৮০ হাজার গাড়ির টোল পাবে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান। এর বেশি গাড়ি চলাচল করলে অতিরিক্ত টোল আয়ের ২৫ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ সরকার। তবে চালুর পর এখন পর্যন্ত মাত্র তিন দিন ৮০ হাজারের বেশি গাড়ি এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করেছে।

 

সেতু বিভাগের সচিব মো. আবদুর রউফ জানান, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার গাড়ি চলাচল করছে। এছাড়া ২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ পুরো এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে এবং তখন যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে ও সরকারের আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

এক্সপ্রেসওয়ের মূল নকশার বাইরে গিয়ে আরও চারটি নতুন র‍্যাম্প যুক্ত করার বিষয়েও ভাবছে সেতু বিভাগ। এ নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

 

মো. আবদুর রউফ বলেন, ৩০০ ফিটের সাথে কানেকশন থাকলে আরও বেশি ভাইব্রেন্ট হয়। এদিকে মহাখালি বাসস্ট্যান্ড ও মগবাজারের বিষয়টা এখনও এড্রেস করা হয়নি। এগুলো এড্রেস করা হলে দেখ গেলো ভিতরের জ্যামটা আরও কমতে পারে। আমাদের ধারণা এবং এটার দাবিও আছে।

 

তবে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, মূল নকশায় পরিবর্তন আনলে প্রকল্প ব্যয় ও বাস্তবায়নের সময় দুটোই বাড়বে। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাইবে সব গাড়ি এক্সপ্রেসওয়েতে তুলতে। তাতে তাদের ইনকাম বেশি হবে। মূল অবকাঠামো, র‍্যাম্প এবং নিচের সড়কের সক্ষমতা আছে কিনা, যাচাই করতে হবে।

 

উল্লেখ্য, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। ২০২৩ সালের জুনে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। পরে ২০২৪ সালে শেয়ারসংক্রান্ত দ্বন্দ্বে নির্মাণকাজ স্থবির হয়ে পড়ে এবং বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দুই বছর বন্ধের পর আবারও শুরু বাকি অংশের নির্মাণ কাজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে অভিনেত্রী ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন বলে জানান।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি নিজেদের জায়গা থেকে শোবিজ অঙ্গণের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করেন উর্বী।

 

ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।

 

কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

 

শৈশবের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’

 

ধর্ষকের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’

 

সবট্যাটাসের শেষাংশে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’

ছোটবেলায় আমিও আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলাম: উর্বী

ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে অভিনেত্রী ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন বলে জানান।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি নিজেদের জায়গা থেকে শোবিজ অঙ্গণের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করেন উর্বী।

 

ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।

 

কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

 

শৈশবের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’

 

ধর্ষকের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’

 

সবট্যাটাসের শেষাংশে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’

ছোটবেলায় আমিও আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলাম: উর্বী

রাজধানীর পল্লবীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।

 

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। দ্রুত বিচারের আশ্বাসও দেন তিনি।

 

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগেই রামিসার বাসার আশপাশের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

 

অন্যদিকে, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।

 

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

শিশু রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদ অনুষ্ঠিত

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

 

রামিসা হত্যাসহ সারাদেশে খুন, অপহরণ, নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব গেটে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার কর্মী ও স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত। এ সময় বক্তব্য রাখেন হেড সংস্থার পরিচালক লুইস রানা গাইন, মহিলা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি তাসলিমা লিঙ্কি, যুব প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম অন্তর, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জোছনা দত্ত এবং ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ প্রমুখ।

এছাড়া মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল— স্বদেশ, প্রথম আলো বন্ধুসভা, মেরিট শিক্ষা পরিবার, সৃজনী মহিলা লোককেন্দ্র, সুশীলন, উত্তরণ, এডাব, এইচআরডিএফ, সিএসএইচ কোয়ালিশন, সিডো, ক্রিসেন্ট, এইচআরডি নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স, বারসিক, সুন্দরবন ফাউন্ডেশন এবং সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি।

বক্তারা বলেন, দেশে শিশু ও নারী নির্যাতন, খুন, অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। একইসঙ্গে সারাদেশে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান বক্তারা।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন এবং অপরাধীদের বিচারের দাবিতে ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদ অনুষ্ঠিত

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন মালয়েশিয়া।। দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজখবর নিতে

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়ার শাখার প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিতে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টার দিকে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

 

এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এবং মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান।এবং কিছুক্ষণ সময় তার সাথে আলোচনা করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেম এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার যুগ্ন মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন ,নুরুল আমিন। যুগ্ম সংগঠক মো:নুরুল ইসলাম সুজন এবং যুগ্ন সচিব আরিফুল ইসলাম ও নির্বাহি সদস্য :মাসুম বিল্লাহ।

 

আফরোজা আব্বাস জানান, চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে এখনো তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক দল তার শারীরিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালের নিচে কিছু সময়ের জন্য চলাফেরাও করছেন মির্জা আব্বাস।

 

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মির্জা আব্বাসের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করা হয়, যেন তিনি পুনরায় দেশ ও মানুষের সেবায় সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন।

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিশেষ প্রতিনিধি- হেলাল উদ্দিন।

গত ২০ মে বুধবার

সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে একে একে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন শ্রমিক, অপর একজন একই গ্রামের বাসিন্দা,আরেকজন পার্শ্ববর্তী গ্রাম ধর্মতীর্থের বাসিন্দা। বুধবার বিকেলে ৩টায় উক্ত ঘটনা ঘটে। উক্ত হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গলানিয়া গ্রামের আকাশ-বাতাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলানিয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে কয়েকজন শ্রমিক সেখানে যান।

 

প্রথমে একজন শ্রমিক ট্যাংকের ভিতরে প্রবেশ করেন। কিছু সময় পার হলেও সে বাহিরে ফিরে না আসায় অন্য একজন শ্রমিক তাকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করে সেও ফিরে আসেনি।তাদের দুজনের না ফেরা দেখে বাড়ির মালিক আলী মিয়া আরেকজনকে ডেকে এনে তাকে ভেতরে ঢুকে অবস্থা দেখতে বলে। সেও ভেতর ঢুকে আর ফিরে আসেনি।ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী বাড়ির অপর একজন,যে সদ্য জমি থেকে ধান কেটে এসে বাসায় বিশ্রাম করছিল তাকে ডেকে উক্ত ট্যাঙ্কির ভেতরে পাঠায়। সে ঢুকার পর তারও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এক এক করে ৪ জনই নি:শব্দ।

 

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ভবনের মালিক আলী মিয়া স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

প্রথমে সরাইল ফায়ার সার্ভিসের শাখা এসে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাইলে সেখান থেকে তারা এসে দুটি ইউনিটই উদ্ধার কাজ করে। তবে সেপটিক ট্যাংকের প্রবেশপথ অত্যন্ত সরু হওয়ায় উদ্ধারকর্মীরা প্রথমদিকে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ট্যাংকের ভিতরে পৌঁছান তারা। সেখানে গিয়ে চারজনেরই নিথর দেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে একে একে মরদেহগুলো বাইরে আনা হয়।

 

নিহতরা হলেন—

১. ইমাম হোসেন, গলানিয়া।

২. সমশের মিয়া, গলানিয়া।

৩. মোঃ হৃদয় মিয়া, গলানিয়া।

৪. আরমান, ধর্মতীর্থ।

 

তাদের মৃত্যু নিয়ে শুরু হয় ধোয়াশা।

কেউ বলছে বিশাক্ত গ্যাসে আবার স্থানীয় অনেকে জানান, সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে বিদ্যুতের একটি সচল লাইন ছিল। এ কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে একজনের পর আরেকজন উদ্ধার করতে গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে তাৎক্ষণিক সাড়া না দেওয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বলেই ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

 

ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নিহতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বলে জানা গেছে। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

এ বিষয়ে অদ্য ২১ মে সরাইল থানার পুলিশ সুত্রে জানাযায়, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে আজ এবং এ বিষয়ে এখনও কোন মামলা করেনি।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, আজ বাদ মাগরিব গলানিয়া ঈদগাহ মাঠে তাদের একসাথে জানাযা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও আসন্ন পৌর নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাভার পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক,খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের মহিমা ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, বরং নিজের ভেতরের অহংকার ও পঙ্কিলতা বিসর্জন দেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। এই ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ ও সমৃদ্ধি।”

 

তিনি ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক। পবিত্র ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। উৎসবের এই দিনগুলোতে আমরা যেন আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত প্রতিবেশীদের ভুলে না যাই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মিলে যেন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারি, এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।”

 

এলাকার সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় তরুণদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান দীর্ঘদিন ধরে ৫ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এলাকার যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ইতোমধ্যে তরুণ ও প্রবীণদের মাঝে এক ব্যাপক জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে তাকে ৫ নং ওয়ার্ডের যোগ্য অভিভাবক ও কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

 

শুভেচ্ছা বার্তা, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান সবাইকে সচেতন থাকার এবং কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে ওয়ার্ডবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

এর আগে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় ঘোষণা করেন।

 

রায়ে সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। একইসঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পরবর্তীতে বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি বাতিল করে।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন কর্মকর্তাকে পুনরায় আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা বাড়াতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৬১ পয়সা বাড়াতে চায় ডিপিডিসি। পাশাপাশি, ডেসকো বাড়াতে চায় ৮৬ পয়সা।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গনশুনানিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিইআরসি জানায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় খরচ পড়বে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা এবং বিতরণ খরচ হবে ৯২ পয়সা। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ায় প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই আর্থিক ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই পাইকারি মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে খুচরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এদিকে, লোকসান কাটিয়ে উঠতে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, ২০২৬ ২৭ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা হতে পারে।

 

ডিপিডিসি জানিয়েছে, পাইকারি দাম এবং হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ১টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে গ্রাহক পর্যায়ে দাম ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ৮৬ পয়সা সমন্বয়ের প্রস্তাব পেশ করেছে।

 

পাশাপাশি, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা পেশ করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নেসকো।

 

এর আগে, বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম নিয়েও অনুষ্ঠিত হয় গণশুনানি।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাভার আশুলিয়া ও দেশবাসীসহ সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মানবতার ফেরিওয়ালা মানবিক বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহান আদর্শ নিয়ে হাজির হয়। পশু কোরবানির মাধ্যমে মূলত আমাদের ভেতরের অহংকার, হিংসা ও অন্যায়কে বিসর্জন দিতে হবে। ত্যাগের এই মহিমায় উজ্জ্বল হয়ে উঠুক সকলের জীবন।

 

বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল আরও উল্লেখ করেন, ঈদের আনন্দ যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রতিটি পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমাদের কাম্য। একে অপরের প্রতি সহানুভূতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সর্বশেষে তিনি সাভারের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে পুনরায় সবাইকে ‘ঈদ মোবারক’ জানান।

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d