ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিশেষ প্রতিনিধি- হেলাল উদ্দিন।

গত ২০ মে বুধবার

সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে একে একে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন শ্রমিক, অপর একজন একই গ্রামের বাসিন্দা,আরেকজন পার্শ্ববর্তী গ্রাম ধর্মতীর্থের বাসিন্দা। বুধবার বিকেলে ৩টায় উক্ত ঘটনা ঘটে। উক্ত হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গলানিয়া গ্রামের আকাশ-বাতাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলানিয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে কয়েকজন শ্রমিক সেখানে যান।

 

প্রথমে একজন শ্রমিক ট্যাংকের ভিতরে প্রবেশ করেন। কিছু সময় পার হলেও সে বাহিরে ফিরে না আসায় অন্য একজন শ্রমিক তাকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করে সেও ফিরে আসেনি।তাদের দুজনের না ফেরা দেখে বাড়ির মালিক আলী মিয়া আরেকজনকে ডেকে এনে তাকে ভেতরে ঢুকে অবস্থা দেখতে বলে। সেও ভেতর ঢুকে আর ফিরে আসেনি।ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী বাড়ির অপর একজন,যে সদ্য জমি থেকে ধান কেটে এসে বাসায় বিশ্রাম করছিল তাকে ডেকে উক্ত ট্যাঙ্কির ভেতরে পাঠায়। সে ঢুকার পর তারও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এক এক করে ৪ জনই নি:শব্দ।

 

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ভবনের মালিক আলী মিয়া স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

প্রথমে সরাইল ফায়ার সার্ভিসের শাখা এসে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাইলে সেখান থেকে তারা এসে দুটি ইউনিটই উদ্ধার কাজ করে। তবে সেপটিক ট্যাংকের প্রবেশপথ অত্যন্ত সরু হওয়ায় উদ্ধারকর্মীরা প্রথমদিকে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ট্যাংকের ভিতরে পৌঁছান তারা। সেখানে গিয়ে চারজনেরই নিথর দেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে একে একে মরদেহগুলো বাইরে আনা হয়।

 

নিহতরা হলেন—

১. ইমাম হোসেন, গলানিয়া।

২. সমশের মিয়া, গলানিয়া।

৩. মোঃ হৃদয় মিয়া, গলানিয়া।

৪. আরমান, ধর্মতীর্থ।

 

তাদের মৃত্যু নিয়ে শুরু হয় ধোয়াশা।

কেউ বলছে বিশাক্ত গ্যাসে আবার স্থানীয় অনেকে জানান, সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে বিদ্যুতের একটি সচল লাইন ছিল। এ কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে একজনের পর আরেকজন উদ্ধার করতে গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে তাৎক্ষণিক সাড়া না দেওয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বলেই ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

 

ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নিহতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বলে জানা গেছে। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

এ বিষয়ে অদ্য ২১ মে সরাইল থানার পুলিশ সুত্রে জানাযায়, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে আজ এবং এ বিষয়ে এখনও কোন মামলা করেনি।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, আজ বাদ মাগরিব গলানিয়া ঈদগাহ মাঠে তাদের একসাথে জানাযা হয়।


সময় লাগে? কেন ৯০ দিন চলে যায়? আমরা (সাধারণ মানুষ) মনে করি, পুলিশ তো চার্জশিট দিছিলো। আসামীরা কোর্ট থেকে বের হয়ে গেছে… কিন্তু পুলিশ যদি চার্জশিটে ফাঁকফোঁকড় রেখে দেয়, তাহলে তো হবেই। অর্থাৎ, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমাদের সদিচ্ছার অভাব আছে।

 

এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এখন ধর্ষণের পর মেরে ফেলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। কারণ শিশু বেঁচে গেলে সে তাকে অত্যাচারের কথা বলে ফেলতে পারে।

 

এছাড়া, এই ধরনের অনেক ঘটনাই সামনে আসে না জানিয়ে তিনি বলেন, মূল জটিলতা হয় পরিবারে। সদস্যরা বলে, যা ঘটার ঘটেছে, এটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক, এবার ধামাচাপা দাও। তারা ভাবে মেয়ের বিয়ে হবে না, আমরা তো এখানেই থাকবো।

 

অ্যাডভোকেট সালমা আলীর সাথেও এ প্রসঙ্গে কথা হয় বিবিসি বাংলা’র।

 

তার মতে, বাংলাদেশে মেয়েশিশুর জন্য ঝুঁকি সব জায়গায়। ঘরে বাইরে কোথাও নিরাপত্তা নেই। তবে এই ধরনের ঘটনায় পরিবার এগুলোকে গোপন করার চেষ্টা করে। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দ্বিতীয়বার সহিংসতার শিকার হওয়ার ভয়ে থানায় যাওয়ার বিষয়টা নিরুৎসাহিত করা হয়।”

 

‘আর আমাদের থানাগুলোতে পরিবেশ যেরকম হওয়ার কথা, সেরকম নেই। আমাদের ভালো পুলিশ অফিসার নেই। থানায় নারীবান্ধব পরিবেশ নেই,’ যোগ করেন তিনি।

 

মানবাধিকারকর্মীদের মতে, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত আদালত ও পর্যাপ্ত অবকাঠামো প্রয়োজন।

 

তাদের ভাষ্য, দৃশ্যমান শাস্তি নিশ্চিত হলে অপরাধীদের মধ্যে ভয় তৈরি হবে।

 

এছাড়া, শিশুদের নিরাপত্তায় পরিবারের পাশাপাশি স্কুল, কমিউনিটি ও রাষ্ট্রের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি। এদের মাঝে সমন্বয়ের অভাব, জনবল সংকট ও পর্যাপ্ত মনিটরিং না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরণের ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না।

 

এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন ও নারী অধিকার সংগঠনগুলোরও সক্রিয় ভূমিকা রাখাটা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

কোন কোন লক্ষণ দেখলে মেয়েশিশুর নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক হতে হবে?

নানা কারণে আলোচনায় থাকা ফেনীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান এবং পঞ্চগড়ের এসপি মো. মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাদেরকে এই দুই জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

 

সোমবার (১১ মে) পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক দুই আদেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়। তাদেরকে ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

এর মধ্যে মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে বদলি করে ফেনীতে আনা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

 

অন্যদিকে, বিসিএস পুলিশের ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান পঞ্চগড়ে যোগদানের আগে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন-১-এ সহঅধিনায়ক (পুলিশ সুপার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ফেনী ও পঞ্চগড়ের আলোচিত দুই এসপিকে প্রত্যাহার

আজ ২৫শে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম আবির্ভাব দিবস। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখ, কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের অন্যতম এই নায়কের। তিনি অনন্য সব সৃষ্টি গল্প, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও অসংখ্য গানের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের কাছে।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা সারদাসুন্দরী দেবী এবং বাবা ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন আট বছর বয়সে। ১৮৯১ সাল থেকে বাবার আদেশে নদিয়া, পাবনা, রাজশাহী ও ওড়িশার জমিদারি তদারকি শুরু করেন। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘসময় অতিবাহিত করেন। ১৯০১ সালে সপরিবারে চলে আসেন বীরভূমের বোলপুর শহরের উপকণ্ঠে শান্তিনিকেতনে। তার জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্য সংকলন। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ নোবেল বিজয়ী এই সহিত্য প্রতিভাকে স্মরণ করবে তার অগণিত ভক্ত।

 

বিটিভিতে সকাল ৯টায় থাকছে বিশেষ শিশুতোষ অনুষ্ঠান। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান ‘গীতবিতান’। সন্ধ্যা ৬টায় থাকছে বিশেষ কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান। রাত ৯টায় থাকছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে নাটক ‘সম্পত্তি সমর্পণ’। রাত ১০টায় সংবাদের পর প্রচারিত হবে বিশেষ রবীন্দ্রসংগীতের অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কবির বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রিয় ৯টি গান পরিবেশন করবেন একঝাঁক রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। রাত ১১টায় প্রচারিত হবে ‘চিত্রাঙ্গদা’।

 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজগৎ ছিল নানা বর্ণ, মানসিকতা ও চেতনায় ভরপুর। তাইতো, নিঃসঙ্গতার প্রতিচ্ছবি চারুলতা, সামাজিক বেড়াজাল ভেঙে আত্মসচেতন হয়ে ওঠা বিনোদিনী কিংবা গোরা উপন্যাসের স্বদেশপ্রেম ও জাতিসত্তার পরিচয়ে জর্জরিত পুরুষের মধ্যে আজও পাঠক খুঁজে ফেরে নিজেদের। বাংলার মাটিতে যেমন তাঁর কদর, তেমনি বিশ্ব দরবারেও সমানভাবে ছড়িয়ে আছে তার দীপ্তি। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯১৩ সালে নবজাগরণের এই পুরোধাকে ভূষিত করা হয় নোবেল পুরস্কারে। দিনটি উদযাপনে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে নানা আয়োজন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী আজ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে নিজ বাড়ির সামনে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত-সহায়ক (পিএ) চন্দ্রনাথকে গুলি করে হত্যা করা হয়। বুধবার (৬ মে) এই ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ি এবং কার্তুজ উদ্ধার হলেও নেপথ্যে বড় কোনো ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে পুলিশ।

 

পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা জানিয়েছেন, অপরাধে ব্যবহৃত একটি গাড়ি ইতোমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তে দেখা গেছে, গাড়িটির নম্বর প্লেট বিকৃত করা ছিল। যে নম্বরটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি মূলত শিলিগুড়ির একটি গাড়ির, যা অপরাধীরা ভুয়া হিসেবে ব্যবহার করেছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু ব্যবহৃত খোল এবং তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এর সূত্র অনুযায়ী, রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে চন্দ্রনাথ রথ যখন মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন, তখন আততায়ীরা তার গাড়ি থামাতে বাধ্য করে। এরপর অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুলিতে চন্দ্রনাথের পাশাপাশি তাঁর গাড়িচালক বুদ্ধদেব বেরাও গুরুতর আহত হন।

 

হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, চন্দ্রনাথকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার শরীরে দুটি গুলি লাগে। একটি গুলি তার বুক দিয়ে ঢুকে হৃদপিণ্ড ফুটো করে দেয় এবং অন্যটি পেটে লাগে। অন্যদিকে, চালক বুদ্ধদেবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

 

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নব-নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং এবং বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই ঘটনার জন্য সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছেন।

 

তাদের দাবি, বিজেপিকে ভয় দেখাতেই এই ‘টার্গেট কিলিং’ করা হয়েছে। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

গাড়ির ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে শুভেন্দু অধিকারীর পিএকে গুলি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয়। এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না। এ কারণে বর্তমান সরকার পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পোশাকের উপরের অংশ আগে যেটা ছিল ‘নেভি ব্লু’ শার্ট, সেটা বহাল রাখা হয়েছে। আর প্যান্ট দেওয়া হয়েছে খাকি রঙের। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী ড্রেস যাতে দেওয়া যায়, সেটা বিবেচনা করেছি। আগের শার্ট, উপরের অংশ আগে যেটা ছিল, মেট্রোর জন্য এবং সারা দেশের জন্য, সেটা আমরা বহাল রেখেছি। প্যান্ট সেটা খাকি ড্রেস দিয়েছি। তবে নতুন পোশাক পরতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে। একটি প্রস্তুতির বিষয় আছে, কাপড় তৈরির বিষয় আছে।’

 

পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসর প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং মন্ত্রণালয়ের একটি নিয়মিত রুটিন কার্যক্রম। নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা এবং অবসর গ্রহণ- সবই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। এসব প্রশাসনিক কাজে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।’ পুলিশ কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসরের বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে এবং বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অবিচার না ঘটে।’ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়া অপরাধীদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদালত থেকে জামিন পাওয়া আইনি বিষয়। তবে এসব চিহ্নিত অপরাধী যাতে সমাজে আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।’ ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ খন্দকার নাইম আহমেদ টিটন হত্যার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এগুলোর বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। শীর্ষ সন্ত্রাসী হোক আর যাই হোক, হত্যাকাণ্ড মানেই হত্যাকাণ্ড। সেটা আইনের আওতায় আসবে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এটা ব্যতিক্রম হিসাবে দেখার কোনো কারণ নেই।’

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন যাবত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছিল, যেহেতু তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না, সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকাণ্ড তারা সেভাবে হয়তো যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেনি। হয়তো নিয়ন্ত্রণ সেভাবে ছিল না। আইনশৃঙ্খলার এমন পরিস্থিতি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। এখন গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের স্বস্তির জন্য আইনশৃঙ্খলাকে একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে আশা করছি। মন্ত্রী আরও বলেন, ১ মে থেকে সারা দেশে মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাব এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে অভিযানে কাজ করছে। মাদক ব্যবসার হোতা এবং সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানে জড়িত বড় সিন্ডিকেটগুলোকে ধরা এ অভিযানের প্রধান লক্ষ্য। মাদকের এই ভয়াবহ অবস্থা থেকে নিষ্কৃতি পেতে ‘জিরো টলারেন্স’ (শূন্য সহিষ্ণুতা) নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সারা দেশের মতো পরিস্থিতি টেকনাফ, কক্সবাজার, উখিয়াতে নয়। সেখানে কিছু ব্যতিক্রমধর্মী বিষয় আছে। প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী সেখানে আছে। তাদের ক্ষেত্রে বিস্তারিত ম্যানেজমেন্ট, ক্যাম্পের ভিতর শৃঙ্খলা রাখা, মাদকদ্রব্য, চোরা কারবারির বিষয়গুলো আছে। সে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি যাতে সুন্দরভাবে কাজ করতে পারি। সেখানে যৌথ অভিযান কীভাবে হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্যাম্প ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবারের সংসদ অধিবেশন ছিল ইতিহাসের অন্যতম সফল। এটি কোনো বিতর্ক ছাড়াই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তা গঠনমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এক সাংবাদিককে বিদেশে যেতে না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখি।

 

নেভি ব্লু শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্টের রঙ কী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে অভিনেত্রী ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন বলে জানান।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি নিজেদের জায়গা থেকে শোবিজ অঙ্গণের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করেন উর্বী।

 

ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।

 

কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

 

শৈশবের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’

 

ধর্ষকের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’

 

সবট্যাটাসের শেষাংশে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’

ছোটবেলায় আমিও আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলাম: উর্বী

রাজধানীর পল্লবীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।

 

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। দ্রুত বিচারের আশ্বাসও দেন তিনি।

 

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগেই রামিসার বাসার আশপাশের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

 

অন্যদিকে, শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান।

 

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

শিশু রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদ অনুষ্ঠিত

 

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

 

রামিসা হত্যাসহ সারাদেশে খুন, অপহরণ, নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব গেটে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মানবাধিকার কর্মী ও স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত। এ সময় বক্তব্য রাখেন হেড সংস্থার পরিচালক লুইস রানা গাইন, মহিলা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি তাসলিমা লিঙ্কি, যুব প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম অন্তর, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জোছনা দত্ত এবং ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ প্রমুখ।

এছাড়া মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল— স্বদেশ, প্রথম আলো বন্ধুসভা, মেরিট শিক্ষা পরিবার, সৃজনী মহিলা লোককেন্দ্র, সুশীলন, উত্তরণ, এডাব, এইচআরডিএফ, সিএসএইচ কোয়ালিশন, সিডো, ক্রিসেন্ট, এইচআরডি নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স, বারসিক, সুন্দরবন ফাউন্ডেশন এবং সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি।

বক্তারা বলেন, দেশে শিশু ও নারী নির্যাতন, খুন, অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। একইসঙ্গে সারাদেশে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান বক্তারা।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন এবং অপরাধীদের বিচারের দাবিতে ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও গণপ্রতিবাদ অনুষ্ঠিত

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন মালয়েশিয়া।। দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজখবর নিতে

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়ার শাখার প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিতে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টার দিকে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

 

এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এবং মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান।এবং কিছুক্ষণ সময় তার সাথে আলোচনা করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেম এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার যুগ্ন মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন ,নুরুল আমিন। যুগ্ম সংগঠক মো:নুরুল ইসলাম সুজন এবং যুগ্ন সচিব আরিফুল ইসলাম ও নির্বাহি সদস্য :মাসুম বিল্লাহ।

 

আফরোজা আব্বাস জানান, চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে এখনো তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক দল তার শারীরিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালের নিচে কিছু সময়ের জন্য চলাফেরাও করছেন মির্জা আব্বাস।

 

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মির্জা আব্বাসের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করা হয়, যেন তিনি পুনরায় দেশ ও মানুষের সেবায় সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন।

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিশেষ প্রতিনিধি- হেলাল উদ্দিন।

গত ২০ মে বুধবার

সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে একে একে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন শ্রমিক, অপর একজন একই গ্রামের বাসিন্দা,আরেকজন পার্শ্ববর্তী গ্রাম ধর্মতীর্থের বাসিন্দা। বুধবার বিকেলে ৩টায় উক্ত ঘটনা ঘটে। উক্ত হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গলানিয়া গ্রামের আকাশ-বাতাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলানিয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে কয়েকজন শ্রমিক সেখানে যান।

 

প্রথমে একজন শ্রমিক ট্যাংকের ভিতরে প্রবেশ করেন। কিছু সময় পার হলেও সে বাহিরে ফিরে না আসায় অন্য একজন শ্রমিক তাকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করে সেও ফিরে আসেনি।তাদের দুজনের না ফেরা দেখে বাড়ির মালিক আলী মিয়া আরেকজনকে ডেকে এনে তাকে ভেতরে ঢুকে অবস্থা দেখতে বলে। সেও ভেতর ঢুকে আর ফিরে আসেনি।ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী বাড়ির অপর একজন,যে সদ্য জমি থেকে ধান কেটে এসে বাসায় বিশ্রাম করছিল তাকে ডেকে উক্ত ট্যাঙ্কির ভেতরে পাঠায়। সে ঢুকার পর তারও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এক এক করে ৪ জনই নি:শব্দ।

 

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ভবনের মালিক আলী মিয়া স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

প্রথমে সরাইল ফায়ার সার্ভিসের শাখা এসে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাইলে সেখান থেকে তারা এসে দুটি ইউনিটই উদ্ধার কাজ করে। তবে সেপটিক ট্যাংকের প্রবেশপথ অত্যন্ত সরু হওয়ায় উদ্ধারকর্মীরা প্রথমদিকে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ট্যাংকের ভিতরে পৌঁছান তারা। সেখানে গিয়ে চারজনেরই নিথর দেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে একে একে মরদেহগুলো বাইরে আনা হয়।

 

নিহতরা হলেন—

১. ইমাম হোসেন, গলানিয়া।

২. সমশের মিয়া, গলানিয়া।

৩. মোঃ হৃদয় মিয়া, গলানিয়া।

৪. আরমান, ধর্মতীর্থ।

 

তাদের মৃত্যু নিয়ে শুরু হয় ধোয়াশা।

কেউ বলছে বিশাক্ত গ্যাসে আবার স্থানীয় অনেকে জানান, সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে বিদ্যুতের একটি সচল লাইন ছিল। এ কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে একজনের পর আরেকজন উদ্ধার করতে গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে তাৎক্ষণিক সাড়া না দেওয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বলেই ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

 

ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নিহতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বলে জানা গেছে। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

এ বিষয়ে অদ্য ২১ মে সরাইল থানার পুলিশ সুত্রে জানাযায়, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে আজ এবং এ বিষয়ে এখনও কোন মামলা করেনি।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, আজ বাদ মাগরিব গলানিয়া ঈদগাহ মাঠে তাদের একসাথে জানাযা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক ও আসন্ন পৌর নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডের জনপ্রিয় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাভার পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর জাসাসের সাধারণ সম্পাদক,খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান বলেন, “ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের মহিমা ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। কোরবানি শুধু পশু জবাই নয়, বরং নিজের ভেতরের অহংকার ও পঙ্কিলতা বিসর্জন দেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম। এই ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সুখ ও সমৃদ্ধি।”

 

তিনি ৫ নং ওয়ার্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক। পবিত্র ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি ৫ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। উৎসবের এই দিনগুলোতে আমরা যেন আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত প্রতিবেশীদের ভুলে না যাই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মিলে যেন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারি, এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।”

 

এলাকার সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় তরুণদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান দীর্ঘদিন ধরে ৫ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এলাকার যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ইতোমধ্যে তরুণ ও প্রবীণদের মাঝে এক ব্যাপক জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে তাকে ৫ নং ওয়ার্ডের যোগ্য অভিভাবক ও কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

 

শুভেচ্ছা বার্তা, খন্দকার রকিব আহমেদ ইভান সবাইকে সচেতন থাকার এবং কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে ওয়ার্ডবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডবাসীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী খন্দকার রকিব আহমেদ ইভানের শুভেচ্ছা

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেনি চেম্বার জজ আদালত। আগামী ৯ জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

এর আগে, গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় ঘোষণা করেন।

 

রায়ে সংবিধানের বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। একইসঙ্গে, তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পরবর্তীতে বিএনপি সরকার অধ্যাদেশটি বাতিল করে।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিলুপ্তির পর সদ্য গঠিত সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ মোট ১৫ জন কর্মকর্তাকে পুনরায় আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে একাধিক প্রতিষ্ঠান।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতি ইউনিটে ৫০ পয়সা বাড়াতে চায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৬১ পয়সা বাড়াতে চায় ডিপিডিসি। পাশাপাশি, ডেসকো বাড়াতে চায় ৮৬ পয়সা।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গনশুনানিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বিইআরসি জানায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে পিডিবির গড় খরচ পড়বে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা এবং বিতরণ খরচ হবে ৯২ পয়সা। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ায় প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এই আর্থিক ঘাটতি সমন্বয়ের লক্ষ্যেই পাইকারি মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে খুচরা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এদিকে, লোকসান কাটিয়ে উঠতে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, ২০২৬ ২৭ অর্থবছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকা হতে পারে। ইউনিট প্রতি ৫০ পয়সা হতে পারে।

 

ডিপিডিসি জানিয়েছে, পাইকারি দাম এবং হুইলিং চার্জ অপরিবর্তিত থাকলে ১টাকা ৬১ পয়সা মূল্য সমন্বয় করলেই আর্থিক ভারসাম্য বজায় থাকবে। তবে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেলে গ্রাহক পর্যায়ে দাম ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

 

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা মূল্য ৮৬ পয়সা সমন্বয়ের প্রস্তাব পেশ করেছে।

 

পাশাপাশি, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা পেশ করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১ টাকা ৬৬ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নেসকো।

 

এর আগে, বুধবার পিডিবির প্রস্তাবিত পাইকারি বিদ্যুতের দাম নিয়েও অনুষ্ঠিত হয় গণশুনানি।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

 

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাভার আশুলিয়া ও দেশবাসীসহ সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি মানবতার ফেরিওয়ালা মানবিক বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগের মহান আদর্শ নিয়ে হাজির হয়। পশু কোরবানির মাধ্যমে মূলত আমাদের ভেতরের অহংকার, হিংসা ও অন্যায়কে বিসর্জন দিতে হবে। ত্যাগের এই মহিমায় উজ্জ্বল হয়ে উঠুক সকলের জীবন।

 

বিএনপি নেতা সাইফুউদ্দিন সাইফুল আরও উল্লেখ করেন, ঈদের আনন্দ যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রতিটি পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমাদের কাম্য। একে অপরের প্রতি সহানুভূতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সর্বশেষে তিনি সাভারের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে পুনরায় সবাইকে ‘ঈদ মোবারক’ জানান।

ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল হোক সকলের জীবন ঈদ মোবারক। সাইফুউদ্দিন সাইফুল

রাজধানীর রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মো. শিহাব হোসেন নামে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

বুধবার (২০ মে) রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মঙ্গলবার রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে ‘আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা’ থেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামে (১০) এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

শিশু আব্দুল্লাহকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা টুকু আরা খাতুন বুধবার রামপুরা থানায় শিহাব ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

 

উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ দেখা যায়। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।

 

তিনি বলেন, শিশুটি ফাঁস নেওয়ার আগেই অভিযুক্ত শিহাব মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

জিজ্ঞাসাবাদে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মাদ্রাসার চার ছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে মাদ্রাসার তরফে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

রামপুরায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর আত্মহত্যার প্ররোচনা, পাবনায় অভিযুক্ত গ্রেফতার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d