ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের। - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে বিশেষ প্রতিনিধি- হেলাল উদ্দিন।

গত ২০ মে বুধবার

সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে গিয়ে একে একে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন শ্রমিক, অপর একজন একই গ্রামের বাসিন্দা,আরেকজন পার্শ্ববর্তী গ্রাম ধর্মতীর্থের বাসিন্দা। বুধবার বিকেলে ৩টায় উক্ত ঘটনা ঘটে। উক্ত হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিহতদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে গলানিয়া গ্রামের আকাশ-বাতাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গলানিয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে কয়েকজন শ্রমিক সেখানে যান।

 

প্রথমে একজন শ্রমিক ট্যাংকের ভিতরে প্রবেশ করেন। কিছু সময় পার হলেও সে বাহিরে ফিরে না আসায় অন্য একজন শ্রমিক তাকে দেখতে ভেতরে প্রবেশ করে সেও ফিরে আসেনি।তাদের দুজনের না ফেরা দেখে বাড়ির মালিক আলী মিয়া আরেকজনকে ডেকে এনে তাকে ভেতরে ঢুকে অবস্থা দেখতে বলে। সেও ভেতর ঢুকে আর ফিরে আসেনি।ডাকাডাকি করে কোন সাড়া না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী বাড়ির অপর একজন,যে সদ্য জমি থেকে ধান কেটে এসে বাসায় বিশ্রাম করছিল তাকে ডেকে উক্ত ট্যাঙ্কির ভেতরে পাঠায়। সে ঢুকার পর তারও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এক এক করে ৪ জনই নি:শব্দ।

 

দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ভবনের মালিক আলী মিয়া স্থানীয় লোকজনকে খবর দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

প্রথমে সরাইল ফায়ার সার্ভিসের শাখা এসে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চাইলে সেখান থেকে তারা এসে দুটি ইউনিটই উদ্ধার কাজ করে। তবে সেপটিক ট্যাংকের প্রবেশপথ অত্যন্ত সরু হওয়ায় উদ্ধারকর্মীরা প্রথমদিকে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ট্যাংকের ভিতরে পৌঁছান তারা। সেখানে গিয়ে চারজনেরই নিথর দেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। পরে একে একে মরদেহগুলো বাইরে আনা হয়।

 

নিহতরা হলেন—

১. ইমাম হোসেন, গলানিয়া।

২. সমশের মিয়া, গলানিয়া।

৩. মোঃ হৃদয় মিয়া, গলানিয়া।

৪. আরমান, ধর্মতীর্থ।

 

তাদের মৃত্যু নিয়ে শুরু হয় ধোয়াশা।

কেউ বলছে বিশাক্ত গ্যাসে আবার স্থানীয় অনেকে জানান, সেপটিক ট্যাংকের ভিতরে বিদ্যুতের একটি সচল লাইন ছিল। এ কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে একজনের পর আরেকজন উদ্ধার করতে গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে তাৎক্ষণিক সাড়া না দেওয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বলেই ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

 

ঘটনার পরপরই শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজন হারানো পরিবারগুলোর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নিহতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বলে জানা গেছে। হঠাৎ এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

এ বিষয়ে অদ্য ২১ মে সরাইল থানার পুলিশ সুত্রে জানাযায়, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে আজ এবং এ বিষয়ে এখনও কোন মামলা করেনি।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, আজ বাদ মাগরিব গলানিয়া ঈদগাহ মাঠে তাদের একসাথে জানাযা হয়।


কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মঙ্গলবার (৯ জুন) তিনি দুটি থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার বিভিন্ন শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম, নথিপত্র ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় তিনি থানায় কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সুপারের এ ধরনের পরিদর্শন মাঠপর্যায়ের সদস্যদের কাজে আরও উৎসাহিত করবে এবং থানার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

সাভারের ছায়াবিথি এলাকার একটি তিনতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে রিয়া মনি (১৯) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত রিয়া মনি পৌর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি ইসলামের স্ত্রী।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত রিয়া মনি নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানার রৌফ চৌধুরীর মেয়ে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভারের ছায়াবিথি এলাকার ওই ফ্ল্যাটে রনি ইসলাম ও তার স্ত্রী রিয়া মনি ভাড়া থাকতেন। গত কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রিয়াকে হত্যার পর ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে রনি ইসলাম পালিয়ে যান।

 

নিহতের মামা সাদ্দাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, রনি ইসলাম সম্প্রতি পৌর ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার পর থেকে রিয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে তিনি রিয়াকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনোভাবে হত্যা করে ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে গেছেন বলে তাদের দাবি।

 

তিনি জানান, ঘটনার পর রনি তার মাকে ফোনে বিষয়টি জানানোর পর ঘটনাটি প্রকাশ পায়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তিনি আত্মগোপনে আছেন।

 

নিহতের নানি জাহানারা বেগম জানান, রিয়ার বাবা ও মা দুজনেই প্রবাসে থাকেন। তাদের মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার উপ পরিদর্শক রমজান আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের কবরস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলেন, নেয়ামতপুর গ্রামের জমির হোসেনের ছেলে নুরু মিয়া (৬৫) এবং মর্জু মিয়ার ছেলে সানাউল্লাহ (১৮)।

 

জানা যায়, নেয়ামতপুর গ্রামের মরহুম মতি সরকারের স্ত্রীকে দাফনের জন্য কবর খোঁড়ার কাজে কয়েকজন যুবকসহ গ্রামের লোকজন অংশ নেন। একপর্যায়ে কবরস্থানের পাশে একটি স্টিল শিট সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় বিদ্যুতের তারের সঙ্গে সংস্পর্শ হয়। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ২ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

কসবা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নেয়ামতপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু

রাজধানীর সড়কে এআই দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সফলতা এসেছে দাবি করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

 

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক সমাবেশে যোগ দিয়ে এই কথা জানান তিনি।

 

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করছি, যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন তারাও এগিয়ে আসবেন। আমরা বলছি না একদিনেই পারব, আমরা তাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন কর‍তে চাই। আমরা সবাই মিলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করব।

 

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজকের পর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্পূর্ণরূপে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। কোনো লঙ্ঘন হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলস্টেশনে প্ল্যাটফর্ম দখল করে ২ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ প্রায় ৬ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সংঘর্ষের জেরে ঢাকা-চট্টগ্রাম -সিলেট-কিশোরগঞ্জ রেলপথে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৫০ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

 

এর জেরে বিভিন্ন স্টেশনে ৫টি আন্তঃনগর ট্রেন আটকে ছিল। এ ঘটনায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

 

সংঘর্ষে ৮ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, রেলপুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বেগ পেতে হয়।

 

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, ১৪-১৫ দিন আগে পৌর এলাকার পঞ্চবটী ও জগন্নাথপুরের বালক ও যুবকদের মাঝে একটি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই ফুটবল খেলায় ২ গ্রামবাসীর ছেলেদের মাঝে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ঝগড়া হয়। এই ঝগড়ার জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জগন্নাথপুরের সোহেল মিয়ার ছেলে লিয়ামকে (১৭) পঞ্চবটীর ছেলেরা হামলা করে আহত করে। আহত করার খবর জগন্নাথপুর এলাকায় ছড়িয়ে পরলে ভৈরব রেলস্টেশনে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্‌ম দখল করে ২ গ্রামবাসী ঝগড়ায় লিপ্ত হয়।

 

ঘটনার খবর পেয়ে প্রথমে রেল পুলিশ, পরে ভৈরব থানা পুলিশ, ভৈরব র‍্যাব ক্যাম্পের সদস্য, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ২ দলের সংঘর্ষ থামানোর চেষ্টা করে।

 

চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা মহানগর গোধূলি, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা পারাবত এক্সপ্রেস, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী এগারোসিন্ধুর গোধূলি, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেস, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ভৈরবগামী নরসিংদী কমিউটার- এ ৫টি ট্রেন রাত দেড়টা পর্যন্ত আটকে থাকে।

 

এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পরতে দেখা যায়। সংঘর্ষের সময় ভৈরব রেলস্টেশনে শত শত যাত্রীরা দৌড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে।

 

ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাইদ জানান, আমরা কয়েক দফা চেষ্টা করে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।

 

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম মামুনুর রশিদ কালের কণ্ঠকে রাত ২টায় জানান, আমরা ধৈর্য সহকারে চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছি। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে। যারা রাষ্ট্র ও রেলের সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

 

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু ইউসুফ জানান, রাত ১টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর গোধূলি ট্রেন চলাচলের মধ্য দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ভৈরব রেলস্টেশনে সংঘর্ষ ৬ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

 

সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা।

 

৬৯’এর গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর, ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

 

১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

 

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তোফায়েল আহমেদ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মানিকগঞ্জে ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফয়সাল (১৮) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সদর উপজেলার ভাটবাউর এলাকার তাসনুভা ফিলিং স্টেশনের আম গাছে পতাকা টানাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত ফয়সাল ভাটবাউর এলাকার মুন্নু মিয়ার ছেলে। তিনি ফয়সাল ফিলিং স্টেশনে চাকরি করতেন।

 

পুলিশ ও স্থানিয়দের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফয়সাল ফুটবল বিশ্বকাপ খেলাকে কেন্দ্র করে তার প্রিয় দল ব্রাজিলকে সমর্থন করে পতাকা টানানোর জন্য আমগাছে উঠেন। গাছের পাশ দিয়েই বিদ্যুৎতের তার ছিল।

 

ফয়সাল পতাকা টানানোর সময় তার গায়ে বিদ্যুৎতের তারের সঙ্গে শরীর লেগে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে গাছ থেকে পড়ে যায়। পরে আশে পাশের লোকজন ফয়সালকে উদ্ধার করে জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

সদর থানার ওসি মো. মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফয়সাল ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। আমরা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে রেখেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন।

ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট কিশোরের মৃত্যু

নেত্রকোণা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নে ভাত দিতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে মাকে শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে শ্যামল রাজভরকে (২৪) স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে চল্লিশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন মগরা নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত নারী আবুনি রাজভর (৫০) সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের বাসিন্দা শ্যামলাল রাজভরের স্ত্রী।

 

স্থানীয়রা জানান, আবুনি রাজভর তার পরিবারের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের বিপরীত পাশে মগরা নদীর তীরে একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করতেন। দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত শ্যামল মানসিকভাবেও কিছুটা ভারসাম্যহীন ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে শ্যামল তার মায়ের কাছে ভাত খেতে চায়। এ সময় আবুনি রাজভর তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং মাকে গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি লোহার শাবল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করে। গুরুতর আহত

 

স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে এলাকাবাসী অভিযুক্ত শ্যামলকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

 

নেত্রকোণা থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল কুমার সরকার বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত শ্যামল রাজভরকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নেত্রকোণায় খাবার দিতে দেরি হওয়ায় শাবলের আঘাতে মাকে হত্যা

সস্তায় ফ্ল্যাট কেনার স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত এক চীনা নাগরিকের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালে এক ব্যক্তি চীনে বহুতল ভবনের ৩৪তম তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর পর জানতে পারেন, ভবনটিতে আছেই মাত্র ৩২টি তলা। অর্থাৎ যে ফ্ল্যাটের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করেছিলেন ওই ব্যক্তি, বাস্তবে সেটির কোনও অস্তিত্বই নেই। এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ফ্ল্যাট পাননি, ফেরত পাননি অর্থও।

 

 

সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেন পদবির ওই ব্যক্তি ২০১৩ সালে চীনের শানসি প্রদেশের শি’আনের কাছাকাছি একটি গ্রামে ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন। কয়েক বছর পর তিনি জানতে পারেন, তিনি তথাকথিত ‘গ্রে মার্কেট’ আবাসন প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

 

 

শেন ৯০ বর্গমিটার আয়তনের একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন এবং সেটি ভবনের ৩৪তম তলায় থাকার কথা। প্রতি বর্গমিটারের দাম ছিল ২ হাজার ৬৪৬ ইউয়ান, যা ওই এলাকার গড় বাজারদরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় ফ্ল্যাটটির মূল্য ছিল প্রায় ৪৮ লাখ টাকা। এত কম দামের কারণ ছিল প্রকল্পটির তথাকথিত ‘সীমিত সম্পত্তি অধিকার’ বা ‘লিমিটেড প্রোপার্টি রাইটস’ মর্যাদা।

 

অর্থাৎ এটি এমন এক ধরনের আবাসন ব্যবস্থা, যা রাষ্ট্রীয় নগর জমির পরিবর্তে গ্রামীণ সমষ্টিগত মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়। এসব প্রকল্প সাধারণত প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয় এবং নিয়মিত আবাসন প্রকল্পের মতো আইনি সুরক্ষা পায় না। এগুলো আইনিভাবে পুনরায় বিক্রি করাও যায় না এবং চীনের সম্পত্তি আইনে তা স্বীকৃতও নয়। তবে কম দামের কারণে অনেক ক্রেতা এখনও এসব প্রকল্পে আগ্রহ দেখান।

 

 

২০১৩ সালে শেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ডাউন পেমেন্ট হিসেবে পরিশোধ করেন। তার দাবি, প্রকল্পের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের আশ্বস্ত করেছিল যে পরে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও সনদ সংগ্রহ করা হবে। কিন্তু এ ধরনের প্রকল্পে সাধারণত সেই আইনি নথি পাওয়া সম্ভব হয় না।

 

 

ফ্ল্যাটটি ২০১৫ সালে বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। তবে নির্মাণকাজে বিলম্ব হওয়ায় সময়সীমা পিছিয়ে যায়। ২০১৭ সালে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান শেনকে জানায়, নির্মিত ভবনটিতে মাত্র ৩২টি তলা রয়েছে। ফলে তিনি যে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, সেটি বাস্তবে নেই।

 

প্রথমে কোম্পানিটি তাকে ৩২তম তলায় বিকল্প একটি ফ্ল্যাট দেয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তখন তিনি বাকি অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি। দুই মাস পর সেই ফ্ল্যাটও অন্য এক ক্রেতার কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়। অন্যদিকে ফ্ল্যাট না পেয়ে শেন অর্থ ফেরতের দাবি জানান। তখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানায়, তারা আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং পুরো অর্থ ফেরত দিতে পারবে না।

 

 

২০২০ সালে তিনি ২০ হাজার ইউয়ান এবং ২০২২ সালে আরও ৫০ হাজার ইউয়ান ফেরত পান। এরপর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি বিষয়টি সালিসি প্রক্রিয়ায় নিয়ে যান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে তার ডাউন পেমেন্টের বাকি ৪৭ হাজার ৭০০ ইউয়ান ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়। এর সঙ্গে ২৭ হাজার ইউয়ান সুদও পরিশোধ করতে বলা হয়।

 

 

রায়ে আরও বলা হয়, নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ৪৭ হাজার ইউয়ান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তবে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত শেন ওই বকেয়া অর্থ পাননি।

 

মূলত ফ্ল্যাট কেনার এক দশকেরও বেশি সময় পরও শেন এখনও থাকার জায়গা পাননি এবং সম্পূর্ণ অর্থও ফেরত পাননি। ঘটনাটি চীনে আবারও কম দামের কিন্তু আইনি সুরক্ষাবিহীন আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগের ঝুঁকির বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।

৩৪ তলায় কিনেছিলেন ফ্ল্যাট, পরে ক্রেতা জানলেন ভবনই ৩২ তলা

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, আবার জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে এভাবে ইসলামের দোহাই দেওয়া ঠিক নয়’’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

 

আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের সমালোচনার জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ পদে সাম্প্রতিক রদবদল, গ্রাহক বিক্ষোভ এবং সাবেক এমডির পদত্যাগ নিয়ে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন বিরোধীদলের এমপিরা।

 

পরে বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বোর্ড অব ডিরেক্টরের সবাইকে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক অব্যাহতি দিতে পারে। এ বিষয়ে যদি কোনো প্রশ্ন তুলতে হয়, তবে আইন পরিবর্তন করে আসতে হবে।’’

 

অভিযোগ করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ব্যাংকে বিশৃঙ্খলা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি মহল পর্দার আড়ালে থেকে ‘‘গ্রাহক’’ সেজে আন্দোলন করাচ্ছে। বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করুক, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু বারে বারে এভাবে পর্দার আড়ালে ও পর্দার বাইরে প্রচারণা চালিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না।’

 

সংসদকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘ইসলামী ব্যাংকের বৈধ শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার যথাযথভাবে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নাবিল গ্রুপসহ যারা ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে আর ফেরত দেয়নি, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে, বিগত সময়ে নিয়ম না মেনে ব্যাংকটিতে যে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’

 

এর আগে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে অযোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হয়েছে।’’

 

সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে বিরোধীদলের উপনেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ২৬টি ভুয়া কোম্পানি গঠন করে ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছিল এস আলম গ্রুপ। আর এখন বর্তমান সরকার ব্যাংকটিতে কিছু বিতর্কিত লোককে বসিয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের টাকা পুনরায় লুটপাট হবে, এটা অত্যন্ত পরিষ্কার।’’

 

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কোন কারণে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হলো এবং কোন কারণে আগের এমডিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলো? ইসলামী ব্যাংককে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলতে না দেয়া হয়, তবে দেশে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’’

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুলও ইসলাম নয়, জামায়াতও ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পতত্যাগের দাবিতে আজ নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

ইসলামী ব্যাংকের সদস্য নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ খুরশিদ আলমের অপসারণ ও গ্রাহকদের উপর পুলিশ হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার

(৯ জুন) সকাল ১১ টায় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। এসময় ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের যুগ্ন আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী, সদস্য সচিব আরিফ আল মামুন, সদস্য মাওলানা নাজমুল হুদা, নূর মোহাম্মদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন ইসলামী ব্যাংকের

শতশত গ্রাহক মরতে রাজি আছে, কিন্তু ব্যাংক লুটেরাদের হাতে গ্রাহকদের আমানত তুলে দিতে রাজি নয়। অবিলম্বে ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর খুরশিদ আলমের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ বাতিল করতে হবে। তা না হলে ইসলামী ব্যাংকের কোটি কোটি গ্রাহক রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে। ইসলামী ব্যাংক নীলফামারী শাখা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেয়।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলমের পতত্যাগের দাবিতে আজ নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি 

কাশিমপুরে অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর ।

 

গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর বাগবাড়ি এলাকার আলোচিত মতিন অপহরণের ঘটনায় ৩ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা এস.কে রানা ওরফে সোহেল রানাকে আটক করছে থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ দুপুরের দিকে মহানগরীর সুরাবাড়ি এলাকা থেকে মতিন নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে একটি সাদা প্রাইভেটকার যোগে সারদাগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করে অপহরণ চক্রটি। পরে চক্রর সদস্যরা অপহৃত মতিনকে মুক্তির বিনিময়ে তার পরিবারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে মুঠোফোনে ফোন দেয়।

এসময় অপর এক মামলার আসামীকে আটকের উদ্দেশ্যে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেন একই এলাকায় গেলে নির্জন স্থানে প্রাইভেটকার ও অপহরণকারীদের দেখে সন্দেহ হলে তাদেরকে ধাওয়া দেয়। পরে অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, অপহরণকারী চক্রটি ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিবে বলে পরিবারকে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেয়। কিন্তু থানা পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের হলে এজাহারভুক্ত আসামী ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল দেওয়ানকে আটক করে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন বলেও জানা যায়।

সোমবার (৮ জুন) একই ঘটনায় ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এস.কে রানা ওরফে সোহেল রানাকে হাতীমারার বর্ষাডাঙা এলাকা থেকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা মোঃ খালিদ হোসেন জানান, অপহরণের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল রানা সহ অপর দুটি মামলায় আরও দুইজন আসামীকে আটক করে আজ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কাশিমপুরে অপহরণ মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় এক চাকরিজীবীর বাড়িতে জানালার গ্রিল কেটে ডাকাতির পর গৃহকর্তার স্ত্রী ও তার দশম শ্রেণির মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের জঘন্য অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনতার যৌথ অভিযানে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

 

গত সোমবার (৮ জুন) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া ডলনিরঘোনা এলাকায় এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। ডাকাতরা প্রথমে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে। এরপর ঘরে থাকা মা ও তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

 

পরে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা জানান— আমার বোন ও ভাগ্নিকে পাশবিক অত্যাচার করেছে ডাকাতদল। বর্তমানে ভাগ্নির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

 

ঘটনার পর চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশসহ পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পুরো এলাকা ঘিরে রেখে অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করা হয়।

 

আটকরা হলেন, মাতামুহুরী উপজেলার ডলুনিঘোনা এলাকার রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে বাবু (২৩) ও তাঁর ভাই কেফায়েত হোসেন ওরফে পুইত্যা (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), সাহারবিল ইউনিয়নের কদ্দাছড়া এলাকার মেহেদী হাসান (২৪) এবং কোরালখালী এলাকার মোহাম্মদ তারেক (২৬)।

 

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন এবং মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে একই রাতে ১টার দিকে উপজেলার কদ্দার ছড়া এলাকায় এক প্রবাসীর বাড়িতেও হানা দেয় ডাকাত দল। সেখান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

এর আগে ঈদুল আজহার আগের দিন অলির বাপের পাড়ায় জনৈক চিকিৎসকের বাড়িতে চুরি এবং পরে পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টার ঘটনা ঘটে।

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ‘গ্রিল-কাটা’ ডাকাত চক্র তীব্রভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। একের পর এক চুরি, ডাকাতি ও সর্বশেষ পাশবিক ধর্ষণের এই ঘটনায় পুরো উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে এই চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ডাকাতির পর মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

 

সরকারের কোষাগারের টাকায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।

 

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। তারা লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগরকে দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।

 

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল) মিছিল হচ্ছে। যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে।

 

এদিকে, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচনে যাবে কি না তা তফসিলের পর দলগুলোর সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সরকারি টাকায় ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছেন ঢাকার দুই সিটি প্রশাসক: আসিফ মাহমুদ

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

 

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মঙ্গলবার (৯ জুন) তিনি দুটি থানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার থানার বিভিন্ন শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম, নথিপত্র ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবার মান বৃদ্ধি এবং থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

এ সময় তিনি থানায় কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

পুলিশ সুপার বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানার বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জানান, পুলিশ সুপারের এ ধরনের পরিদর্শন মাঠপর্যায়ের সদস্যদের কাজে আরও উৎসাহিত করবে এবং থানার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থানা পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, সেবার মানোন্নয়নে দিলেন নির্দেশনা

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বিদ্যমান সব ৩১ ও ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

 

স্বাস্থ্য খাতসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিগত সপ্তাহের মাঠপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির বিবরণ তুলে ধরেন তিনি।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে সারা দেশে মাত্র ৮টি উপজেলায় ১০০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু রয়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও মান বাড়াতে এর বাইরে থাকা দেশের বাকি সব ৩১ শয্যা ও ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ হাতে নিয়েছে সরকার।

 

তিনি জানান, জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো তৈরি করা হবে। গত ৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রাথমিকভাবে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে ধরে এই প্রকল্পের কাজ শুরুর পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

দেশের ডেঙ্গু রোগজনিত পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে ‘ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট জাতীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৭ জুন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত চিকিৎসকদের নিয়ে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার বাইরে দেশের বাকি সাতটি বিভাগে এবং সবগুলো জেলায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

 

ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি হিসেবে দেশের গ্রিড ব্যবস্থা আধুনিকায়নের সমীক্ষা চলছে। ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা করা হয়েছে। লাইফ লাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্যহার স্থগিত রেখে পূর্বের দাম বহাল রাখা হয়েছে।

 

উপদেষ্টা জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে কর্মমুখী শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে ১২ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবলে দেশের ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। সারা দেশে ১ হাজার ১০০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ওএমএস কর্মসূচিতে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি চলছে। বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এছাড়া দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়েই এবারের ঈদুল আজহার শতভাগ চাহিদা পূরণ হয়েছে।

সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d