বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার

বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

 

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিতে যেসব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে এরমধ্যে একটি হলো এই নির্বাচনে পোস্টার থাকবে না। আমরা নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচন পোস্টার না রাখার পক্ষে।’

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালায় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার বলেন, সংশোধিত বিধিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

 

তিনি জানান, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের বর্তমান বিধান বাতিল করা হবে। একইভাবে ইভিএম ব্যবহারের নিয়মও থাকছে না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।

 

বর্তমানে নির্দলীয় প্রার্থীদের জন্য সমর্থন হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেটিও বাতিল করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব স্তরের নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তবে কী পরিমাণ বাড়বে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

 

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসী ভোট বা পোস্টাল ভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। একই সঙ্গে ফেরারি আসামিরাও প্রার্থী হতে পারবেন না। বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের মামলায় চার্জশিটভুক্ত কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

 

তিনি বলেন, নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, অবাধ, সুন্দর ও সুষ্ঠু করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার কাজ চলছে।

 

ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, জুন মাসের মধ্যেই পুরো বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি বৈঠক হয়েছে। ঈদের আগে আরেকটি বৈঠক করা গেলে খসড়া বিধিমালা কমিশনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন আগামী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে পারবে বলে আশা করছে।

 

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।

 

প্রথমত, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। তিনি বলেন, সরকার কী চায় এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী-সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে।

 

দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কী চায়? তারা কি মারামারি-হানাহানির পথে যাবে, নাকি দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবে? তিনি বলেন, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সংঘর্ষ নয়।

 

তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব। তিনি বলেন, ইসি নিরপেক্ষ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও ইসির নিজস্ব কোনো শক্তি নেই; তবুও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে ‘হুংকার’ দিতে হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকে।

 

চতুর্থত-নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের আচরণ। লাখ লাখ মানুষ নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন। প্রিসাইডিং অফিসার যদি আন্তরিকভাবে বলেন- জাল ভোট আমি করতে দেব না, বা দুই নম্বর কাজ হবে না-তাহলে তা তার সততা, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের গুণাবলির ওপর নির্ভর করে।

 

তিনি বলেন, নিজের সততার শতভাগ দরকার, সঙ্গে থাকতে হবে নেতৃত্বের সক্ষমতাও।

 

সহিংসতাহীন ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে বলেন, এজন্য সরকারের শতভাগ সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিক সমর্থন প্রয়োজন। সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং সরকারের স্বার্থেই নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

 

তিনি বলেন, সহিংসতা মূলত আইন-শৃঙ্খলার বিষয়। কেউ সংঘর্ষ সৃষ্টি করলে দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তি হবে। তবে শুধু আইনের কঠোর প্রয়োগ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোরও স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।

 

তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে প্রার্থীরা রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। কোনো দলের সমর্থিত প্রার্থী মাঠে নামলে অন্য পক্ষ থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়ায়। এ অবস্থায় দলগুলোর মধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না থাকলে এবং তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হয়।

 

তিনি জানান, রাজনৈতিক দলগুলোকে দলগতভাবে অনুরোধ জানানো হবে যাতে তারা-নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত না করে, মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি বা লাঠালাঠি থেকে বিরত থাকে। দলবাজি বা উত্তেজনা তৈরির প্রচেষ্টা না চালায়।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সহযোগিতা না করলে আমরা কী করব? খেলোয়াড় যদি সারাদিন ফাউল করে, রেফারি কয়টা ফাউল ধরবে?’

 

তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দুটি রাজনৈতিক জোট আচরণবিধি মেনে চলেছে। ভোটের দিন বড় কোনো ঝামেলা, কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা খুব কম হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত।

 

তিনি আরও বলেন, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

 

তিনি জানান, প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা; আইন ও বিধিমালায় রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে।’


জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

 

তিনি বলেছেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে’ মধ্যযুগীয় আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করেছেন। দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাসূল (সা.) এর বিচারব্যবস্থার প্রতি চরম অবমাননার শামিল।

 

শুক্রবার (২২ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারি দলের নীতিনির্ধারকগণ প্রায়ই ‘মদিনার সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা’ এবং ‘শরীয়াবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন না করার’ মৌখিক অঙ্গীকার ব্যক্ত করে থাকেন। অথচ বাস্তব ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়া আইনকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলে হেয় প্রতিপন্ন করার মাধ্যমে তাদের আদর্শিক দেউলিয়াত্ব, সস্তা রাজনৈতিক অবস্থান এবং চরম দ্বিচারিতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটলো।

 

তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই অবমাননাকর মন্তব্য দেশের আপামর মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে এবং সামগ্রিকভাবে তাদের ক্ষুব্ধ ও উসকে দিয়েছে। দেশের ধর্মপ্রাণ নাগরিক সমাজ মনে করেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসলামী শরীয়া আইনের প্রতি চরম অবমাননা প্রদর্শন করেছেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আহ্বানও জানিয়েছে জামায়াত।

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড মধ্যযুগীয়’ মন্তব্যের প্রতিবাদ গোলাম পরওয়ারের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে নজিরবিহীন লুটপাট ও দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলেও দেখা যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারে কারা নতুন ‘এস আলম’ বা ‘সালমান এফ রহমান’ হতে যাচ্ছে, তা নিয়ে যেন এক ধরনের অঘোষিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে এনসিপির ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটির আয়োজনে ‘বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের বাজেট’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমানে দেশের যে অর্থনৈতিক সংকট, সরকার তা সহজেই মোকাবিলা করতে পারত যদি রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রাখা যেত এবং জনগণের আস্থা অর্জন করা যেত। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জুলাই সনদে থাকা রাজনৈতিক সংস্কারের অঙ্গীকারগুলো সরকার রক্ষা করেনি। ফলে অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রক্রিয়া দুই ধাপ পিছিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, “আমরা রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বলছি, কিন্তু অর্থনৈতিক সংস্কারের পর্যায়েই পৌঁছাতে পারছি না।”

 

বিদেশি বিনিয়োগের আগে দেশীয় সৎ ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার উপদেষ্টাদের মধ্যে বিভিন্ন বিতর্কিত ব্যবসায়ীকে স্থান দিয়ে ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন করতে পারবে না। অনেক ব্যবসায়ী ঋণখেলাপি ও অর্থ পাচারের সাথে যুক্ত, তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রাখা হচ্ছে।”

 

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “বড় বড় করপোরেট গ্রুপ রাজনৈতিক লবিংয়ের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ করে না। অথচ একজন কৃষক পাঁচ হাজার টাকা ঋণ শোধ করতে না পারলে তাকে কোমর বেঁধে জেলখানায় পাঠানো হয়। এভাবে অর্থনীতির চাকা ঘুরবে না।”

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নরের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই নিয়োগের পর দেশি-বিদেশি কোনো বিনিয়োগকারীই সরকারের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। তিনি সরকারকে সব বিষয়ে উন্মুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংকট নিরসনে দায় অন্যের ওপর না চাপিয়ে প্রকৃত অবস্থা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এককভাবে কোনো সরকারের পক্ষেই এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়; এর জন্য রাজনৈতিক ও জনগণের ঐক্য প্রয়োজন।

 

এনসিপির এই আলোচনা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অর্থনৈতিক সংস্কার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসে। বক্তারা বলেন, গত ১৬ বছরের দুর্নীতি ও লুটপাটের অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো জরুরি।

সরকারের মধ্য থেকে এস আলম, সালমান এফ রহমান হওয়ার প্রতিযোগিতা হচ্ছে’

ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে নিজের শৈশবের ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন, যেখানে অভিনেত্রী ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন বলে জানান।

 

সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। সব শ্রেণির মানুষের পাশাপাশি নিজেদের জায়গা থেকে শোবিজ অঙ্গণের অনেক তারকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করেন উর্বী।

 

ফেসবুক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে। আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।

 

কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউডজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।’

 

শৈশবের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মনে করে অভিনেত্রী বলেন, ‘তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।’

 

ধর্ষকের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।’

 

সবট্যাটাসের শেষাংশে অভিনেত্রী যোগ করেন, ‘আজ খুব আব্বুকে মিস করছি। শুটিং, কাজ, ব্যস্ততা সবকিছুর মাঝেও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোথাও হারিয়ে যাই, এমন একটা জায়গায় যেখানে কেউ আমাকে চেনে না। হয়তো সেখানে একটু শান্তি পাওয়া যেত।’

ছোটবেলায় আমিও আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলাম: উর্বী

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

 

মো:নুরুল ইসলাম সুজন মালয়েশিয়া।। দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মির্জা আব্বাসের শারীরিক খোঁজখবর নিতে

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়ার শাখার প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসের খোঁজ নিতে স্থানীয় সময় বিকেল ৬টার দিকে এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

 

এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ এনামুল হক তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। এবং মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান।এবং কিছুক্ষণ সময় তার সাথে আলোচনা করেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেম এনসিপি ডায়স্পোরা এয়ালেন্স মালয়েশিয়া শাখার যুগ্ন মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ ইমন ,নুরুল আমিন। যুগ্ম সংগঠক মো:নুরুল ইসলাম সুজন এবং যুগ্ন সচিব আরিফুল ইসলাম ও নির্বাহি সদস্য :মাসুম বিল্লাহ।

 

আফরোজা আব্বাস জানান, চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তবে এখনো তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

 

আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুনর্বাসন চিকিৎসার আওতায় রাখা হয়েছে। চিকিৎসার প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চিকিৎসক দল তার শারীরিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

তিনি আরো বলেন, চিকিৎসকের পরামর্শে প্রতিদিন হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালের নিচে কিছু সময়ের জন্য চলাফেরাও করছেন মির্জা আব্বাস।

 

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মির্জা আব্বাসের দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা কামনা করা হয়, যেন তিনি পুনরায় দেশ ও মানুষের সেবায় সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন।

অসুস্থ মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে এনসিপি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সারা দেশে খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির প্রতিবাদ এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী। বুধবার (২০ মে) বিকেলে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি দলের নেতা-কর্মীদের যৌন লালসায় দেশের নারী-শিশুর জীবন হুমকির মুখোমুখি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হয়ে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট ও পল্টন মোড় প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগর মোড়ে এসে শেষ হয়।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে এত বেশি নারী ও শিশু ধর্ষিত হচ্ছে যে, তাদের নিরাপত্তা সম্পূর্ণ বিপন্ন। রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিশাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাটি মানবতার নিকৃষ্ট একটি উদাহরণ, যা পুরো জাতিকে ব্যথিত করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে যেমন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তেমনি বিএনপিও দলীয়ভাবে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

 

এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে সামাজিক অপরাধ বেড়েই চলছে। অতীতের সরকারের ব্যর্থতার বুলি দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা ঢেকে রাখা যাবে না উল্লেখ করে তিনি সরকারকে জনগণের মতামত মেনে নিয়ে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

 

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের মানুষ আজ বুঝতে পারছে না তারা কি এখনো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের যুগে আছে নাকি নতুন বাংলাদেশে নতুন সরকারের অধীনে আছে। এত বড় একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা সরকারের সংশ্লিষ্ট কেউ শিশু রামিশার পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়াননি। তিনি নিজে ওই পরিবারের পাশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, শিশুটির বাবা স্পষ্ট ভাষায় রাষ্ট্র কর্তৃক এই হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়ার বিষয়ে অবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, কারণ অতীতে এই জাতীয় কোনো অপরাধের বিচার ভুক্তভোগী পরিবার পায়নি।

 

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাসের মধ্যে লোমহর্ষক অনেক ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, বিএনপি সরকারের আমলে বহু নারী ও শিশু ধর্ষিত এবং খুন হচ্ছে এবং প্রতিটি হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীরা সরাসরি জড়িত। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ ও পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে তিনি নারী-শিশু নিপীড়নের ঘটনাগুলোর বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিশ্চিত করার দাবি জানান।

 

কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানসহ দলটির কেন্দ্রীয় ও মহানগরী পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: গোলাম পরওয়ার

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ নানা ধরনের কার্ড দেওয়া হচ্ছে; কিন্তু জনগণ ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। আমরা সরকারের কাছে ‘জাস্টিস কার্ড’ চাই।’’

 

আজ বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘‘হাসপাতালে আইসিইউ’র অভাব, ঘুষ ছাড়া চাকরি না পাওয়া, থানায় দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য-এসব সমস্যা এখনো বহাল রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য সেবা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছে।’’

 

জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে তিনি অভিযোগ করেন, দেশে এখনো বিচারহীনতা, দুর্নীতি ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি বিদ্যমান। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। গুম ও হত্যার ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, বরং বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় ভুক্তভোগীরা অনেক সময় আইনি আশ্রয় নেওয়া থেকেও বিরত থাকছে।

 

সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘‘যত দিন পর্যন্ত সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হবে, তত দিন সরকারের সব উন্নয়নমূলক উদ্যোগই প্রশ্নবিদ্ধ থাকবে। জনগণ একদিন ব্যালটের মাধ্যমে বা গণপ্রতিরোধের মুখে এর উপযুক্ত জবাব দেবে।’’

 

অবিলম্বে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন এবং বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের কাছে ‘জাস্টিস কার্ড’ চাই: হাসনাত আব্দুল্লাহ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

 

 

 

ওয়ার্ড মাস্টারের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসহায় ব্যক্তিকে রেলস্টেশনে ফেলে আসার অভিযোগ; ঘটনায় ক্ষোভ ও বিচার দাবি

 

ফেনী প্রতিনিধি:

 

মানবিকতার চরম বিপর্যয়ের এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল-এ। যেখানে মানুষের জীবন বাঁচানোর কথা, সেখান থেকেই এক চিকিৎসাধীন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড মাস্টারের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, গত ৪ মে কিছু মানবিক ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয়ের এক অসুস্থ মানুষকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রায় ১৭ দিন ধরে তিনি হাসপাতালের একটি বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও ওয়ার্ড মাস্টার নজরুল ইসলাম চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তিকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, নজরুল ইসলামের নির্দেশে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবু বক্কর ও জাকের অসহায় ওই ব্যক্তিকে ফেনী রেলস্টেশন এলাকায় ফেলে রেখে আসেন। পরদিন বিকেলে স্টেশন এলাকায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আবারও ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। সচেতন মহল বলছে, একজন চিকিৎসাধীন মানুষকে এভাবে রাস্তায় ফেলে দেওয়া শুধু অমানবিকই নয়, এটি গুরুতর অপরাধ।

স্থানীয়দের প্রশ্ন— একজন অসহায়, পরিচয়হীন মানুষ বলে কি তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই? হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা কেউ কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

২২/মে ২০২৬: নীলফামারী পৌরসভার ১নং

ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া গ্রামে আল নাহিয়ান রিসান (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১মে) দুপুর নিজ বাড়ির সয়নকক্ষ থেকে তার

মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আল নাহিয়ান রিসান নীলফামারী সরকারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ও মুন্সিপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো তার বাবা মা কর্মস্থলে যান। ছোট ভাই আইয়ান বিদ্যালয়ে গেলে বাড়িতে একাই ছিলেন রিসান। পরে স্কুল ছুটি শেষে ছোট ভাই বাড়িতে ফিরে শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বড় ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। খবর পেয়ে নীলফামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে

ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে প্রেম ঘটিত কারণে অভিমান থেকে তিনি করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। নীলফামারী থানার ওসি জিল্লুর রহমান কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক,ও পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আগামী পৌর নির্বাচনে উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আসে। কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা বুকে ধারণ করে সমাজের হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সামিরুল হক সামির তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন:

“পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের পাশাপাশি সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং আমাদের চারপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই।”

 

পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ওয়ার্ড গড়ার আহ্বান

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির পবিত্র ঈদের নামাজ শেষে নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানি করার এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে কুরবানির বর্জ্য অপসারণ করে ৬ নং ওয়ার্ডের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে সর্বস্তরের নাগরিককে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

 

তিনি ওয়ার্ডবাসীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও অনাবিল সুখ-শান্তি কামনা করে আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা—”ঈদ মোবারক” জানান।

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব দেওভোগ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে পুকুরে ডুবে দুই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে তারা পুকুরে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে গভীর পানিতে তলিয়ে গেলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

মৃতরা রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পানিতে ডুবে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অত্র ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান , বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব হাজী মোঃ মনিরুল হক।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও উৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে এক অনন্য শিক্ষার বার্তা নিয়ে আসে। আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ও ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে এই উৎসবের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে।

হাজী মোঃ মনিরুল হক আরও বলেন:

“ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এই আনন্দের দিনে আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বিরুলিয়া ইউনিয়ন গড়ে তুলি।”

তিনি ইউনিয়নবাসীকে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান। একই সাথে কোরবানির পর নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য অপসারণ করে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করেন এবং সবাইকে আবারও জানান—”ঈদ মোবারক”।

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক

সিলেট নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন ক্বিনব্রিজ এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ইমন আচার্য নামে এক র‌্যাব সদস্য নিহত হয়েছেন।

 

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই ছিনতাইকারীকে ছুরিসহ আটক করেছে পুলিশ।

 

পুলিশ জানায়, ক্বিনব্রিজ এলাকায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ওই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে। এ সময় ওই ছিনতাইকারীকে দৌঁড়ে পালাতে দেখে র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই ছিনতাইকারী ছুরি দিয়ে ইমনের বুকের বাম পাশে আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান।

 

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) সাইফুল ইসলাম জানান, দায়িত্ব পালন করার সময় ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে পুলিশ। এ সময় র‌্যাব সদস্য ইমন দেখতে পেয়ে ওই ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ছিনতাইকারী তাকে বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে।

 

তিনি জানান, পরে অভিযান চালিয়ে ওই ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সিলেট র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ছিনতাইকারীকে ধরার পর পরই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ছুরি দিয়ে বুকের বাম পাশে আঘাত করায় অতিরিক্ত রক্তকরণে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য নিহত

শিশু রামিসা হত্যাকারীর কঠোর ও প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে মিরপুর- ১০ নম্বর গোলচত্ত্বরে চলছে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’। এতে যোগ দিয়েছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।

 

শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিবাদ-মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ ও ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগান দেন। তাদের কণ্ঠে ছিল, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’, ‘ফাঁসি চাই’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’।

 

বিক্ষোভকারীদের দাবি— দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিও তোলেন অনেকে। সাজা নিশ্চিত করা না গেলে, সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়তেই থাকবে বলে শঙ্কা জানান তারা।

 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের একটি ভবন থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ততক্ষণে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। ঘটনাস্থল থেকেই সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। সেই রাতেই গ্রেফতার হলে, ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল।

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’

 

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

 

ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা শুরু করে। প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।

 

এ সময় হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

 

ঘটনার পর আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি আবার থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিকে অগ্রিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় আব্দুর রহিম পালোয়ান বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের মহিমা শেখায়। ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ভুলে ঈদের আনন্দকে সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়াই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। আমি সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।”

 

তিনি আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দ যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে বয়ে আনে অনাবিল প্রশান্তি। ত্যাগের এই মহান উৎসবে আমরা যেন সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে একটি সুন্দর ও আদর্শ ওয়ার্ড গঠনে এগিয়ে আসি।”

 

আসন্ন নির্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মাদকমুক্ত মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি ওয়ার্ডবাসীর সার্বিক সহযোগিতা, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন। একই সাথে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানান এই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিকে অগ্রিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান 

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d