রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে 'ব্লকেড কর্মসূচি' - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’

শিশু রামিসা হত্যাকারীর কঠোর ও প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে মিরপুর- ১০ নম্বর গোলচত্ত্বরে চলছে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’। এতে যোগ দিয়েছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।

 

শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিবাদ-মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ ও ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগান দেন। তাদের কণ্ঠে ছিল, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’, ‘ফাঁসি চাই’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’।

 

বিক্ষোভকারীদের দাবি— দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিও তোলেন অনেকে। সাজা নিশ্চিত করা না গেলে, সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়তেই থাকবে বলে শঙ্কা জানান তারা।

 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের একটি ভবন থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ততক্ষণে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। ঘটনাস্থল থেকেই সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। সেই রাতেই গ্রেফতার হলে, ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল।


নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

২২/মে ২০২৬: নীলফামারী পৌরসভার ১নং

ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া গ্রামে আল নাহিয়ান রিসান (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১মে) দুপুর নিজ বাড়ির সয়নকক্ষ থেকে তার

মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আল নাহিয়ান রিসান নীলফামারী সরকারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ও মুন্সিপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো তার বাবা মা কর্মস্থলে যান। ছোট ভাই আইয়ান বিদ্যালয়ে গেলে বাড়িতে একাই ছিলেন রিসান। পরে স্কুল ছুটি শেষে ছোট ভাই বাড়িতে ফিরে শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বড় ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। খবর পেয়ে নীলফামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে

ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে প্রেম ঘটিত কারণে অভিমান থেকে তিনি করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। নীলফামারী থানার ওসি জিল্লুর রহমান কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব দেওভোগ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে পুকুরে ডুবে দুই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে তারা পুকুরে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে গভীর পানিতে তলিয়ে গেলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

মৃতরা রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পানিতে ডুবে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সিলেট নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন ক্বিনব্রিজ এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ইমন আচার্য নামে এক র‌্যাব সদস্য নিহত হয়েছেন।

 

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই ছিনতাইকারীকে ছুরিসহ আটক করেছে পুলিশ।

 

পুলিশ জানায়, ক্বিনব্রিজ এলাকায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ওই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে। এ সময় ওই ছিনতাইকারীকে দৌঁড়ে পালাতে দেখে র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই ছিনতাইকারী ছুরি দিয়ে ইমনের বুকের বাম পাশে আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান।

 

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) সাইফুল ইসলাম জানান, দায়িত্ব পালন করার সময় ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে পুলিশ। এ সময় র‌্যাব সদস্য ইমন দেখতে পেয়ে ওই ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ছিনতাইকারী তাকে বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে।

 

তিনি জানান, পরে অভিযান চালিয়ে ওই ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সিলেট র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ছিনতাইকারীকে ধরার পর পরই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ছুরি দিয়ে বুকের বাম পাশে আঘাত করায় অতিরিক্ত রক্তকরণে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য নিহত

 

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

 

ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা শুরু করে। প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।

 

এ সময় হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

 

ঘটনার পর আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি আবার থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

দিনে দিনে সিলেট বিভাগে হামের পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়।

 

এরমধ্যে সিলেটের ১জন, সুনামগঞ্জের ৩ জন ও হবিগঞ্জের ১ জন রয়েছেন। এনিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ২৮৩ জন রোগী। শুক্রবার (২২ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫ শিশু হলেন- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের আব্দুল মালিকের ৫ মাস বয়সী মেয়ে রাইসা, সুনামগঞ্জের ছাতকের ইশাক আলীর ৬ বছর বয়সী ছেলে আলী আফসান, দিরাইর মুসাদ্দিক মিয়ার ১০ মাস বয়সী মেয়ে মুসলিমা, সদরের ৪ বছর ২ মাস বয়সী শামিমা ও সিলেট সদরের বাহরাম আহমেদের ১ বছর ২ মাস বয়সী ছেলে মো. রাশেদ আহমেদ। তাদের মধ্যে রাইসা ও আলী আফসান সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, মুসলিমা ও রাশেদ সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে শামিমা মারা যান।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৪ জন রোগী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ২৮৩ জন সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন।

 

এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৮০ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৯ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৫৫ জন ভর্তি আছে। এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৪ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৯ জনসহ বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছে।

সিলেটে হাম উপসর্গে একদিনে প্রাণ গেল ৫ শিশুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

 

 

 

ওয়ার্ড মাস্টারের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসহায় ব্যক্তিকে রেলস্টেশনে ফেলে আসার অভিযোগ; ঘটনায় ক্ষোভ ও বিচার দাবি

 

ফেনী প্রতিনিধি:

 

মানবিকতার চরম বিপর্যয়ের এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল-এ। যেখানে মানুষের জীবন বাঁচানোর কথা, সেখান থেকেই এক চিকিৎসাধীন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক ওয়ার্ড মাস্টারের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, গত ৪ মে কিছু মানবিক ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয়ের এক অসুস্থ মানুষকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রায় ১৭ দিন ধরে তিনি হাসপাতালের একটি বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও ওয়ার্ড মাস্টার নজরুল ইসলাম চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তিকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, নজরুল ইসলামের নির্দেশে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবু বক্কর ও জাকের অসহায় ওই ব্যক্তিকে ফেনী রেলস্টেশন এলাকায় ফেলে রেখে আসেন। পরদিন বিকেলে স্টেশন এলাকায় একটি অজ্ঞাত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আবারও ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। সচেতন মহল বলছে, একজন চিকিৎসাধীন মানুষকে এভাবে রাস্তায় ফেলে দেওয়া শুধু অমানবিকই নয়, এটি গুরুতর অপরাধ।

স্থানীয়দের প্রশ্ন— একজন অসহায়, পরিচয়হীন মানুষ বলে কি তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই? হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা কেউ কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের নির্মমতা, প্রাণ গেল অজ্ঞাত ব্যক্তির

নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

২২/মে ২০২৬: নীলফামারী পৌরসভার ১নং

ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া গ্রামে আল নাহিয়ান রিসান (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১মে) দুপুর নিজ বাড়ির সয়নকক্ষ থেকে তার

মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আল নাহিয়ান রিসান নীলফামারী সরকারী কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ও মুন্সিপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো তার বাবা মা কর্মস্থলে যান। ছোট ভাই আইয়ান বিদ্যালয়ে গেলে বাড়িতে একাই ছিলেন রিসান। পরে স্কুল ছুটি শেষে ছোট ভাই বাড়িতে ফিরে শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বড় ভাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। খবর পেয়ে নীলফামারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে

ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে প্রেম ঘটিত কারণে অভিমান থেকে তিনি করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। নীলফামারী থানার ওসি জিল্লুর রহমান কলেজ ছাত্রের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নীলফামারীতে কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক,ও পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আগামী পৌর নির্বাচনে উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আসে। কুরবানির প্রকৃত শিক্ষা বুকে ধারণ করে সমাজের হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সামিরুল হক সামির তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন:

“পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের পাশাপাশি সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে আমি সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণসহ দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং আমাদের চারপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই।”

 

পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ওয়ার্ড গড়ার আহ্বান

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির পবিত্র ঈদের নামাজ শেষে নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানি করার এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে কুরবানির বর্জ্য অপসারণ করে ৬ নং ওয়ার্ডের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে সর্বস্তরের নাগরিককে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

 

তিনি ওয়ার্ডবাসীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও অনাবিল সুখ-শান্তি কামনা করে আবারও সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা—”ঈদ মোবারক” জানান।

সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাভার পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সামিরুল হক সামির।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব দেওভোগ এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে পুকুরে ডুবে দুই ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসে তারা পুকুরে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে গভীর পানিতে তলিয়ে গেলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

 

মৃতরা রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পানিতে ডুবে দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অত্র ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান , বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব হাজী মোঃ মনিরুল হক।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ত্যাগ ও উৎসর্গের মহান মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে এক অনন্য শিক্ষার বার্তা নিয়ে আসে। আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ও ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে এই উৎসবের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে।

হাজী মোঃ মনিরুল হক আরও বলেন:

“ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। তবে এই আনন্দের দিনে আমাদের আশেপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। আসুন, আমরা সবাই মিলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বিরুলিয়া ইউনিয়ন গড়ে তুলি।”

তিনি ইউনিয়নবাসীকে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসব মুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান। একই সাথে কোরবানির পর নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য অপসারণ করে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সবার প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ করেন।

শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তিনি বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ কামনা করেন এবং সবাইকে আবারও জানান—”ঈদ মোবারক”।

বিরুলিয়া ইউনিয়নবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ মনিরুল হক

সিলেট নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন ক্বিনব্রিজ এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে ইমন আচার্য নামে এক র‌্যাব সদস্য নিহত হয়েছেন।

 

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই ছিনতাইকারীকে ছুরিসহ আটক করেছে পুলিশ।

 

পুলিশ জানায়, ক্বিনব্রিজ এলাকায় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল ওই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে। এ সময় ওই ছিনতাইকারীকে দৌঁড়ে পালাতে দেখে র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই ছিনতাইকারী ছুরি দিয়ে ইমনের বুকের বাম পাশে আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান।

 

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) সাইফুল ইসলাম জানান, দায়িত্ব পালন করার সময় ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে পুলিশ। এ সময় র‌্যাব সদস্য ইমন দেখতে পেয়ে ওই ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন। সঙ্গে সঙ্গে ছিনতাইকারী তাকে বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে।

 

তিনি জানান, পরে অভিযান চালিয়ে ওই ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সিলেট র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ছিনতাইকারীকে ধরার পর পরই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ছুরি দিয়ে বুকের বাম পাশে আঘাত করায় অতিরিক্ত রক্তকরণে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য নিহত

শিশু রামিসা হত্যাকারীর কঠোর ও প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে মিরপুর- ১০ নম্বর গোলচত্ত্বরে চলছে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’। এতে যোগ দিয়েছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।

 

শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিবাদ-মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

বিক্ষুব্ধ জনতা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ ও ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগান দেন। তাদের কণ্ঠে ছিল, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’, ‘ফাঁসি চাই’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’।

 

বিক্ষোভকারীদের দাবি— দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিও তোলেন অনেকে। সাজা নিশ্চিত করা না গেলে, সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়তেই থাকবে বলে শঙ্কা জানান তারা।

 

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের একটি ভবন থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ততক্ষণে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। ঘটনাস্থল থেকেই সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। সেই রাতেই গ্রেফতার হলে, ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল।

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বরে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’

 

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

 

ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা শুরু করে। প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।

 

এ সময় হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

 

ঘটনার পর আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি আবার থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিকে অগ্রিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভার পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ, দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান।

 

এক শুভেচ্ছা বার্তায় আব্দুর রহিম পালোয়ান বলেন, “পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের মহিমা শেখায়। ধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ভুলে ঈদের আনন্দকে সবার মাঝে ভাগ করে নেওয়াই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। আমি সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।”

 

তিনি আরও বলেন, “ঈদের এই আনন্দ যেন প্রতিটি ঘরে ঘরে বয়ে আনে অনাবিল প্রশান্তি। ত্যাগের এই মহান উৎসবে আমরা যেন সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে একটি সুন্দর ও আদর্শ ওয়ার্ড গঠনে এগিয়ে আসি।”

 

আসন্ন নির্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মাদকমুক্ত মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি ওয়ার্ডবাসীর সার্বিক সহযোগিতা, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন। একই সাথে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রেখে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানান এই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

সাভার পৌর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিকে অগ্রিম ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম পালোয়ান 

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d