বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আবারও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট-দোকান - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আবারও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট-দোকান

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আবারও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট-দোকান

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম জোরদার করতে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সব ধরনের বিলবোর্ডের আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

 

এছাড়া, চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

 

সোমবার (১ জুন) বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

 

বিদ্যুৎ বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল। তবে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে সেই সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

 

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষ্যে দেওয়া বিশেষ সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও আগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ফলে রাত ১০টার পরিবর্তে সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

 

আদেশে আরও বলা হয়, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সব ধরনের বিলবোর্ডের বাতি সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। একই সময়সীমা দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।


ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

কুমিল্লা জেলা পরিষদের ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। রোববার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক থেকে লাইভে এসে ওই বরাদ্দের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের ভিডিওতে হাতেকলমে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

 

ফেসবুক লাইভে হাসনাত বলেছেন, ‘রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে। ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

 

তিনি বলেন, ‘এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এ কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

 

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও এসব বরাদ্দ নিয়ে লাইভে এসে হিসাব দিয়েছি।’

 

হাসনাত বলেন, ‘১০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনি-অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবিদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা কম না, এক টাকা বেশিও না। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটা প্রজেক্টও পূর্ণাঙ্গ কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গেলেই দেখতে পাবেন।’

 

তিনি বলেন, ‘অথচ জেলা প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।’

 

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘যারা প্রোপাগান্ডা করেছেন-আপনাদের যদি চর্মচক্ষু থাকে এবং একটু জ্ঞানবুদ্ধি থাকে শুধু ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কয় টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছে- চাইলেই সব কিছু বের করা সম্ভব।’

 

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমার এলাকার যতগুলা বরাদ্দ বাজেট এসেছে সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এমনটি আমার পেজ ‘জবাবদিহিতায়’য প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ ডিটেইল দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো এটা খুবই দুঃখজনক।’

কুমিল্লা জেলা পরিষদের ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় ঈদযাত্রার গত ১০ দিনে পদ্মা ও যমুনা সেতু থেকে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা টোল আদায় হয়েছে। ২১ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সময়ে দুই সেতু দিয়ে মোট ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৭টি যানবাহন পারাপার করেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

সোমবার (১ জুন) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, পদ্মা সেতুতে ১০ দিনে ৩ লাখ ১৮ হাজার ৫১৫টি যানবাহন পারাপার করেছে।

 

এসব যানবাহন থেকে মোট ৩৬ কোটি ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

একই সময়ে যমুনা সেতু দিয়ে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪৮২টি যানবাহন পারাপার করেছে।

 

এ সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে ২৭ কোটি ৬৮ লাখ ৫৪ হাজার ৯০০ টাকা। ফলে দুই সেতু মিলিয়ে টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে সেতু দুটিতে বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের কারণে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ছিল এবং বড় ধরনের কোনো ভোগান্তির সৃষ্টি হয়নি।

 

এতে আরও বলা হয়, পদ্মা ও যমুনা সেতুর কার্যকর ব্যবস্থাপনার ফলে ঈদের ছুটিতে থাকা যাত্রীদের জন্য সড়কপথে নিরাপদ, মসৃণ ও শান্তিপূর্ণ ভ্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

 

সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, দেশের মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করেছেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সার্বক্ষণিক তদারকির ফলে এবারের ঈদযাত্রা আরও সুশৃঙ্খল ও স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

১০ দিনে দুই সেতুতে টোল আদায় প্রায় ৬৪ কোটি টাকা

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

 

আজ সোমবার (১ জুন) সকালে রাজধানীর দিলকুশায় প্রধান কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত গ্রাহকদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

 

আজই নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম যোগদানের কথা। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম বিতর্কিত ‘এস আলম গ্রুপে’র ঘনিষ্ঠ সহযোগী। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি।

 

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাংক এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

 

এর আগে গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করলে সেদিনই নিয়োগ দেয়া হয় খুরশীদ আলমকে।

ইসলামী ব্যাংকের সামনে পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল-জলকামান নিক্ষেপ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানি শুরু হবে। চার্জ গঠন শুনানির জন্য সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে ৮টায় কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

 

পরে সকাল ১১টার পর উভয়কে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলা হয়। এ সময় আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি একা দোষী না, আমার স্ত্রীর দোষ নেই। সব দোষ ডলারের। আমি ধর্ষণ করছি, মারছে ডলার। ডলার দুই লাখ টাকা দিছে। সোহেল রানা এ সময় বলেন তার ডিএনএ টেস্ট না নিয়ে অটোমেটিক লেখা হয়েছে। নতুন নাম আসা ডলারের পরিচয় জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, মিরপুর ১১ নম্বর বাড়ির অনেক টাকাওয়ালা।’

 

সকাল পৌনে ৮টার দিকে দুই আসামিকে কারাগার থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়।

 

এদের মধ্যে আসামি সোহেলকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে নিয়ে আসে পুলিশ।

 

এর আগে গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

 

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে অপরাধে সহায়তার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

 

অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার দিনই মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে বদলি করা হয় এবং আদালত আজ চার্জ গঠনের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

 

এর মাধ্যমে মামলার প্রাথমিক তদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা, অভিযোগপত্র দাখিল এবং তা আদালতে আমলে নেওয়ার প্রধান চারটি ধাপ শেষ হয়েছে।

 

দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে মামলার রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘মামলাটি যেন দ্রুত শেষ হয়, সে বিষয়ে দায়িত্ব পালন করব। বাকি সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনাল নিবেন।’ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্রুত বিচারের আশ্বাসের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে কথা বলছি না। শুধুমাত্র এ মামলায় নিজের প্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করব।

 

এদিকে মামলার রায় ও তা কার্যকর করার প্রক্রিয়া নিয়ে ঢাকার জেলা লিগ্যাল এইডের নিয়মিত আইনজীবী রায়হানা নাজনীন জুই জানান, রামিসার মামলার রায় দ্রুত শেষ হবে মনে হচ্ছে। তবে রায় হলেই তো হবে না, এটি কার্যকর করাটাই আসল। আর সেটি থমকে যায় মূলত উচ্চ আদালতে। তবে নিম্ন আদালতের পর কারাগারের জেলার এবং প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ পেলে আশা করি এটি দ্রুত শেষ হবে। না হলে ডেথ রেফারেন্স সংগ্রহসহ বিভিন্ন ধাপ শেষ করতে করতে মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে।

 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রামিসার পরিবার ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমে বালতির ভেতর তার কাটা মাথা উদ্ধার করে। ঘটনার পরপরই জানালার গ্রিল কেটে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতে আসামিরা ইতোমধ্যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছে।

আমি ধর্ষণ করছি, রামিসাকে মারছে ডলার’—দাবি আসামি সোহেলের

বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা এক ধরনের ধোঁকাবাজি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

 

তিনি বলেন, ‘সরকার আগে আশ্বস্ত করেছিল অন্তত চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে না। এরপরও যদি নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে তা হবে জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ।

 

রোববার (৩১ মে) দিনগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।

 

তিনি বলেন, ‘গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও, ফলে দ্রব্যমূল্য আরও বেড়ে গেছে। কিন্তু মানুষের আয় না বাড়লেও বেকারত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।’তিনি অভিযোগ করেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে আবারও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির উদ্যোগের খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়াবে। জনগণ ইতোমধ্যে দিশেহারা অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তারা কোথায় যাবে, কী করবে এবং কীভাবে জীবনযাপন করবে—সেই প্রশ্ন এখন সামনে চলে এসেছে।’

 

জামায়াত আমির বলেন, ‘এক সপ্তাহের ব্যবধানে জাতীয় বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। এর আগে যদি তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল হবে।’

 

তিনি এ ধরনের যেকোনো জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার ঘোষণা দেন।

 

বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে জনগণকেই সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে। নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কথা বলতে হবে এবং গণতান্ত্রিক উপায়ে দাবি আদায় করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী জনগণের পাশে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, দেশে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি ঘটেছে, তার সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি যুক্ত হয়ে দেশ ও সমাজের অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, অধিকার কেউ কাউকে এনে দেয় না; তা সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমেই অর্জন করতে হয়।

 

এর আগে রোববার জুন মাসের জন্য দেশে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে সরকার। নতুন দাম অনুযায়ী, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা করে বেড়েছে। তবে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

 

এদিন রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন মূল্য আজ (সোমবার) থেকেই কার্যকর হবে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ জনস্বার্থবিরোধী: জামায়াত আমির

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কফিল উদ্দিনের মৃত্যুতে থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুউদ্দিন সাইফুলের শোক প্রকাশ।

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং হানিফ এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাভার থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুউদ্দিন সাইফুল।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জনাব কফিল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

 

এক শোকবার্তায় সাভার থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুদ্দিন সাইফুল বলেন:

 

“আলহাজ্ব মোহাম্মদ কফিল উদ্দিনের মৃত্যুতে সাভারবাসী একজন দক্ষ সংগঠক ও সমাজসেবককে হারাল। দলের প্রতি তাঁর অবদান এবং স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কল্যাণে তাঁর ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর এই অকাল মৃত্যু সাভারের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

 

সাইফুদ্দিন সাইফুল মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সাথে তিনি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মরহুমের জানাজায় শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কফিল উদ্দিনের মৃত্যুতে থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুউদ্দিন সাইফুলের শোক প্রকাশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

কুমিল্লা জেলা পরিষদের ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। রোববার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক থেকে লাইভে এসে ওই বরাদ্দের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের ভিডিওতে হাতেকলমে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

 

ফেসবুক লাইভে হাসনাত বলেছেন, ‘রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে। ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

 

তিনি বলেন, ‘এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এ কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবিদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

 

এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও এসব বরাদ্দ নিয়ে লাইভে এসে হিসাব দিয়েছি।’

 

হাসনাত বলেন, ‘১০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনি-অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবিদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা কম না, এক টাকা বেশিও না। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটা প্রজেক্টও পূর্ণাঙ্গ কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গেলেই দেখতে পাবেন।’

 

তিনি বলেন, ‘অথচ জেলা প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।’

 

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এই মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘যারা প্রোপাগান্ডা করেছেন-আপনাদের যদি চর্মচক্ষু থাকে এবং একটু জ্ঞানবুদ্ধি থাকে শুধু ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কয় টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছে- চাইলেই সব কিছু বের করা সম্ভব।’

 

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমার এলাকার যতগুলা বরাদ্দ বাজেট এসেছে সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এমনটি আমার পেজ ‘জবাবদিহিতায়’য প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ ডিটেইল দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো এটা খুবই দুঃখজনক।’

কুমিল্লা জেলা পরিষদের ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে মাসজিদ-উত-তাকওয়ায় (তাকওয়া মসজিদ) ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মিছিল করলে পুলিশ তাদের কয়েকজনকে আটক করে।

 

সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নেতাকর্মীরা স্লোগান দিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় ১০ থেকে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

 

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির রমনা বিভাগের ধানমণ্ডি জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিসানুল হক।

 

তিনি বলেন, ‘যথাসময়ে স্মুথলি মরদেহবাহী গাড়ি যাতে করে যেতে পারে, আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি। আর যারা বিশৃঙ্খলা করেছে তাদের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে কতজনকে আটক করা হয়, সেই সংখ্যাটি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। যাচাই-বাছাই করে জানানো হবে।

 

আটককৃতরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিশৃঙ্খলাকারীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। যারা বিশৃঙ্খলা করেছে তাকে ধরা হয়েছে। তবে যদি আটককৃতদের মধ্যে সাধারণ কেউ থাকে, তাহলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।’

 

এর আগে সোমবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তোফায়েল আহমেদ মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, নেতাকর্মী আটক

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১০দিন বাকি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১১ জুন মাঠে গড়াবে ফিফা বিশ্বকাপ। ফুটবল বিশ্বকাপ ভারতে সরাসরি দেখাবে জি এন্টারটেইনমেন্ট।

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা।

 

সোমবার জি এন্টারটেইনমেন্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, তারা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০৩৪ সাল পর্যন্ত আরও ৩৮টি ফিফা ইভেন্ট সম্প্রচারের স্বত্ব পেয়েছে। চুক্তির আর্থিক শর্তাবলী প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এই চুক্তির মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এতে ভারতজুড়ে বেশ স্বল্পমূল্যেই ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।

 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফা প্রাথমিকভাবে ভারতের প্যাকেজটির জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার চেয়েছিল। পরে তাদের চাওয়া দাম কমিয়ে ৬০ মিলিয়ন ডলারে নামিয়ে আনে। এর আগে গত ১৫ মে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘সিএমজি’ প্রায় ৬০ মিলিয়ন ডলারে ২০২৬ বিশ্বকাপের একচেটিয়া স্বত্ব কিনে নেয়।

 

ভারত ও চীনে সম্প্রচার স্বত্ব চূড়ান্ত হলেও বাংলাদেশের দর্শকরা এখনো জানেন না তারা কোথায় দেখবেন বিশ্বকাপ। বাংলাদেশে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বের জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৫০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা) দাবি করেছে ফিফার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। এর সঙ্গে কর, অগ্রিম আয়কর ও ভ্যাট যুক্ত হলে মোট ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছাতে পারে।

 

বিপুল পরিমাণ এই অর্থের কারণে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বিটিভি কিংবা দেশের অন্য কোনো বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এখন পর্যন্ত এই চুক্তিতে সম্মত হতে পারেনি। মূলত এই আকাশচুম্বী আর্থিক চাহিদার কারণেই বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

 

তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যয় সংকোচন করে দেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চেষ্টা এখনো চলমান রয়েছে। আজ বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। বর্তমানে দেশের কয়েকটি বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যম যৌথভাবে স্বত্ব নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। যেখানে টি-স্পোর্টস ও স্টার নিউজের অংশীদারিত্বের একটি উদ্যোগের কথা শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি দুবাইভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

 

সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে বিনা মূল্যে বিশ্বকাপ দেখানোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও ফিফা তাতে সায় দেয়নি।

বিশ্বকাপ দেখানোর সুখবর পেল ভারত, আলোচনায় বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শতভাগ সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সব পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্য এক অত্যন্ত জরুরি ও কড়া নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের নতুন নিয়মানুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা সার্বক্ষণিক সচল রাখার পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত প্রযুক্তিগত বিবরণ এবং প্রশ্নপত্র বহনের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর জরুরি ভিত্তিতে বোর্ডে জমা দিতে হবে।

 

 

সোমবার (১ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এই আদেশ জারি করা হয়। পরীক্ষার গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বোর্ড প্রশাসন এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে।

 

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের পাঠানো নির্দেশনায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের স্বার্থে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর বা এনভিআরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ চালু রাখতে হবে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরার মূল আইডি এবং পাসওয়ার্ড—যা ক্যামেরা ব্র্যান্ড এবং ডিভাইসের সুনির্দিষ্ট সিরিয়াল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য আগামী ৮ জুনের মধ্যে বোর্ডের অফিশিয়াল ইমেইল (controller@dhakaeducationboard.gov.bd)-এ জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে হবে; যাতে বোর্ড কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় যেকোনো কেন্দ্রের পরিস্থিতি সরাসরি তদারকি করতে পারে।

 

ডিজিটাল নিরাপত্তার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রশ্ন বহনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনছে শিক্ষাবোর্ড। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, যেসব শিক্ষক, কর্মচারী এবং সরকারি ট্যাগ অফিসার প্রতিদিন সকালে মূল ট্রেজারি বা থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও কেন্দ্রে পরিবহনের কাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকবেন, তাদের প্রত্যেকের পূর্ণাঙ্গ নাম, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং ব্যক্তিগত সচল মোবাইল নম্বর আগামী ৮ জুনের মধ্যে বোর্ডে পাঠাতে হবে। শিক্ষাবোর্ড এই পুরো বিষয়টি ‘অতীব জরুরি’ বা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে এবং এই নির্দেশনা অমান্যকারী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা শিক্ষাবোর্ডের

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম জোরদার করতে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সব ধরনের বিলবোর্ডের আলোকসজ্জা সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

 

এছাড়া, চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

 

সোমবার (১ জুন) বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

 

বিদ্যুৎ বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল। তবে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে সেই সময়সীমা রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।

 

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদ উপলক্ষ্যে দেওয়া বিশেষ সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও আগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ফলে রাত ১০টার পরিবর্তে সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

 

আদেশে আরও বলা হয়, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সব ধরনের বিলবোর্ডের বাতি সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। একই সময়সীমা দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আবারও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মার্কেট-দোকান

নীলফামারীতে বারো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন

 

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী) নীলফামারীতে অভ্যন্তরীণ বারো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার

(১ জুন) বিকেলে নীলফামারী সদর খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহের উদ্বোধন করান নীলফামারী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতিফ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আতিকুল হক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সোহেল রানা, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আতিক আহমেদ, জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মোহাম্মদ সুজা, সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুজ্জামান প্রমুখ। উদ্বোধনের দিন সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের আব্দুর রহমান নামের এক কৃষকের কাছ থেকে ৩ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করে তাৎক্ষণিক তাকে ধনের মূল্য পরিশোধের চেক প্রদান করা হয়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সোহেল রানা জানান, চলতি বারো মৌসুমে সদর উপজেলার কৃষকদের কাছ থেকে

২ হাজার ৪ শত মেট্রিক টন বারো ধান সংগ্রহ করা হবে।

এজন্য কৃষক অ্যাপে আবেদনকারীর কৃষকদের মধ্য হতে লটারির মাধ্যমে ৮৪৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। লটারিতে নির্বাচিত প্রত্যেক কৃষক সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান সরকারী খাদ্য গুদামে দিতে পারবেন। এছাড়াও চলতি মৌসুমে মিল মালিকদের কাছ থেকে ১৪ হাজার ৭১ মেট্রিক টন চাল ও ৭৭১ মেট্রিক টন আতব চাল সংগ্রহ করা হবে।

নীলফামারীতে বারো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন 

নৃশংসভাবে হত্যার শিকার শিশু রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা রাজধানীর হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা যায়, তিনি হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হৃদরোগজনিত সমস্যার সন্দেহে তিনি কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ)-তে অধ্যাপক ডা. তৌফিক রহমান ফারুক এর অধীনে পর্যবেক্ষণে আছেন।

 

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোঃ রফিকুল ইসলাম দ্রুত হান্নান মোল্লাকে দেখতে যান। তিনি হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে হান্নান মোল্লা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক ও অধ্যাপক ডাঃ তৌফিক রহমান ফারুক এর কাছে তার বর্তমান অবস্থার বিস্তারিত তথ্য নেন। এ সময় তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেন এবং রামিসার বাবার সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন।

 

প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তার শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং তিনি হৃদপিণ্ডের পর্দার প্রদাহে (ভাইরাল পেরিকার্ডাইটিস) আক্রান্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

বর্তমানে হান্নান মোল্লার অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও, চিকিৎসকরা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছেন।

রামিসার বাবাকে দেখতে হাসপাতালে অধ্যাপক ডা. রফিক

সোমবার (১ জুন) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দর্শকনন্দিত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ প্রশ্ন তুলেন তিনি।

 

সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

 

মানববন্ধনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, পরিবারের সকলকে নিয়ে দেখার মতো একটি সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। সেই সিনেমাটি কেন বন্ধ করে দেওয়া হলো? আমি যদি প্রশ্ন করি, যেই রাষ্ট্র ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ আর বলাৎকার থেকে রক্ষা করতে পারে না, যেই রাষ্ট্রে দুর্নীতি, টাকাপাচার আর ব্যাংকলুট বন্ধ করতে পারে না- সেই রাষ্ট্র কেন সিনেমা বন্ধে মদদ দেয়?যে রাষ্ট্র শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকার ঠেকাতে পারে না, সেই রাষ্ট্র কীভাবে সিনেমা প্রদর্শন বন্ধে মদদ দেয়- সেই প্রশ্ন তুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।এর আগে গত ৩০ মে জেলা শহরে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের বাধায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এর প্রদর্শনী স্থগিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটি। এছাড়া ওইদিন রাতে কসবা উপজেলার তালতলা গ্রামে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন গিয়ে সিনেমাটির প্রদর্শনী বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ উঠে।

শিশু ধর্ষণ ঠেকাতে না পারা রাষ্ট্র কেন সিনেমা বন্ধে মদদ দেয়?’

জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সোমবার (১ জুন) থেকে সুন্দরবনে প্রবেশে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এই সময়ে জেলে, বাওয়াল, মৌয়াল ও পর্যটকদের সুন্দরবনে ঢোকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

 

বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট এই তিন মাস সুন্দরবনের অধিকাংশ মাছ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রধান প্রজনন মৌসুম। এই বিশেষ সময়ে বনের নদী ও খালে মাছ ডিম ছাড়ে, বন্যপ্রাণীদের প্রজনন ঘটে এবং বিভিন্ন গাছের বীজ থেকে নতুন চারা গজায়। যার ফলে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হওয়ার সুযোগ পায়। বনের এই স্বাভাবিক প্রাকৃতিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত না করতেই তিন মাসের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় সুন্দরবন সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

 

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন বনের ভেতরে সব ধরনের প্রবেশ রুখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড ও নৌপুলিশ যৌথভাবে সমন্বিত নজরদারি ও টহল পরিচালনা করবে।

 

এদিকে, সুন্দরবনে প্রবেশ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বনের ওপর নির্ভরশীল উপকূলীয় অঞ্চলের হাজার হাজার বনজীবী। কর্মসংস্থান হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহের সংকটে পড়া এই মানুষগুলো সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ আর্থিক ও খাদ্য সহায়তার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আজ থেকে তিন মাস প্রবেশ করা যাবে না সুন্দরবনে

সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

 

সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা।

 

৬৯’এর গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর, ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

 

১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

 

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তোফায়েল আহমেদ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d