নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতার ওপর যুবদলের হামলা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতার ওপর যুবদলের হামলা

নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতার ওপর যুবদলের হামলা

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়ার উপর যুবদল কর্মীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের কার্যালয় প্রাঙ্গনে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির অনুসারী যুবদল কর্মীরা এই হামলা করেন। এসময় বিএনপি নেতা ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়াকে ব্যাপক মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে তার পড়নে থাকা জামা কাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়। পরে অন্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

 

উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিলো, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষ মেলা, বই মেলা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও জিয়াউর রহমানের দুর্লভ আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

 

আর এই কর্মসূচি উপলক্ষ্যে জেলা পরিষদে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা আসেন। আর এই কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠান চলাকালে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি ও বিএনপি নেতা ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়ার তর্ক বিতর্কে ঘটনা ঘটে। আর এই তর্ক বিতর্কের জের ধরে ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়াকে কার্যালয় প্রাঙ্গনে একা পেয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে অন্যরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

 

বিএনপি নেতা ওকিল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, অনুষ্ঠানের শুরুতে মশিউর রহমান রনির সাথে আমার তর্ক বিতর্ক হয়। পরে জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ সহ অন্যান্য নেতারা একত্রে বসে আমাদের মিলিয়ে দেন। এরপর আমি জেলা পরিষদের কার্যালয় প্রাঙ্গনে আসার সাথে সাথেই আমার ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করা হয়। আমি এই ঘটনায় মামলা দায়ের করবো।

 

তবে এ বিষয়ে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি বলেন, প্রথমে আমাদের দুইজনের মাঝে একটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিলো। পরে আমরা এ বিষয়ে উভয়পক্ষ মিলে সমাধান করি। কিন্তু অতি উৎসাহী কিছু কর্মী কার্যালয় প্রাঙ্গনে গিয়ে এই ঘটনা ঘটায়। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যুবদল থেকে বহিস্কার করে দেয়া হয়েছে।


 

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান অপহৃত হননি। মূলত এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণের অভিযোগ ও আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি নিজেই নাটকীয়ভাবে আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

 

আজ শনিবার (১৩ জুন) কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন জিসানের নিখোঁজ হওয়ার দাবি করে তাঁর চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন। জিডি নথিভুক্ত হওয়ার পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জিসানকে উদ্ধারে অনুসন্ধানে নামে।

 

অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের ভাষ্যমতে, গত ২০ মে দাউদকান্দিতে জিসানের ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের জেরে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে ওষুধ খাইয়ে ভ্রূণ নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তবে আইনি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়াতে বিয়ের আগের দিন অর্থাৎ ১১ জুন রাতেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। নিজের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিকে ‘অপহরণ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি কৌশলে চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে থানায় জিডি করান বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।

 

এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম জংশন রোড এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন জিসানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। উদ্ধার হওয়ার পর জিসান দাবি করেছিলেন যে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করেছিল। তবে পুলিশি তদন্তে এই দাবির কোনো সত্যতা বা অপহরণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

জিসান উদ্ধার হওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় জিসানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা, ভ্রূণ হত্যা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

জানতে চাইলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, জিসানকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট হয়েছে যে, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অপহরণ নয়, ধর্ষণের মামলা এড়াতে ছাত্রশিবির নেতার ‘আত্মগোপন’: পুলিশ

আলোচিত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদ প্রধানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

নাছির উদ্দীন লিখেছেন, আবারও প্রমাণিত হলো, জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে জামায়াতের আমির, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং শিবির-নিয়ন্ত্রিত বট ও ফেক আইডিগুলো থেকে। পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে

তিনি আরও লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ঘটনাটিকে অপহরণ ও ‘গুম’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য এবং অনলাইন সমর্থকদের প্রচারণায় এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয় যেন এটি রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্টতার কোনো গুরুতর ঘটনা। অথচ ‘গুম’ শব্দটি কোনো সাধারণ অভিযোগ নয়; এটি একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার প্রশ্ন জড়িত থাকে।

 

পোস্টে লিখেন, এখন পুলিশি তদন্তের প্রাথমিক তথ্য বলছে, ঘটনাটি অপহরণ বা গুম নয়। বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে। যদি তদন্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—কোনো রাজনৈতিক দল কি এত বড় অভিযোগ উত্থাপনের আগে ন্যূনতম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনও অনুভব করে না?

 

পোস্টে উল্লেখ করেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিতভাবে ‘গুম’ বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি অপ্রমাণিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবেগ উসকে দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ পরে যখন ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে তখন সেই প্রচারণার দায় কেউ নিচ্ছে না।

 

তিনি লিখেন, বারবার দেখা যাচ্ছে, তথ্যের চেয়ে বয়ানকে এবং সত্যের চেয়ে মিথ্যা প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বক্তব্য যদি যাচাইকৃত তথ্যের পরিবর্তে অনুমান, গুজব কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ওপর দাঁড়ায়, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না; বরং প্রকৃত গুম, অপহরণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর গুরুত্বও কমিয়ে দেয়।

 

সবশেষে লিখেন, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে জনগণ সত্যভিত্তিক অবস্থান প্রত্যাশা করে, প্রোপাগান্ডা নয়। জিসান ইস্যুতে অন্তত এটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে, অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যতটা তৎপরতা দেখানো হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার সামান্য অংশও দেখা যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রবণতা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জন আস্থার জন্য মোটেও শুভ নয়।।

 

 

মিথ্যা তথ্য প্রচার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে’

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।

 

তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে এবং আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

শুক্রবার চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে স্টার্ট-আপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, আমরা আগে যে ধরনের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করেছি, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সেটির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মূলত ইনোভেশন, স্টার্ট-আপ এবং প্রজেক্ট বেইজড। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল। প্রদর্শনীতে ৬ কলেজসহ উপজেলার মোট ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

 

শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তার মোট ২৯ প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

 

প্রজেক্ট প্রদর্শন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় হয়েছে রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় হয়েছে গুলবাহার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাওকাত হোসেন সুমন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ, শিক্ষক, সুধী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

পাবনার সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে রুহান মোল্লা নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

রুহান মোল্লা (২৬) উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের চর কাবারিকোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রুহান বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশে ডোবায় টেঁটা দিয়ে মাছ শিকার করতে যান। সেখান থেকে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

 

পরিবারের অভিযোগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম থাকার পরও চিকিৎসক রুহানের শরীরে তা প্রয়োগ না করে পাবনা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই রুহান মারা যান। এ ঘটনায় অভিভাবকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

 

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক প্রয়োগ করেনি। অ্যান্টিভেনম সময়মতো প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

 

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল বাতেন বলেন, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোনো নমুনা পায়নি। হাসপাতালে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক রয়েছে।

 

সাঁথিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।

ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়ে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল যুবকের

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার, ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার

মৌচাকে শুক্রবার ১২ ই জুন বিকালে

“দেশীয় ফলের স্বাদে, উৎসবে মাতি সবার সাথে” এবং “দেশী ফল বেশী বল”—এই দুটি চমৎকার স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় মৌচাক প্রেস ক্লাব এই ব্যতিক্রমী ও সুস্বাদু উৎসবের আয়োজন করে।

মৌচাক প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আড়ম্বরপূর্ণ এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা ও সৌজন্যে ছিলেন মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন।

উৎসবে বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী নানা পদের দেশীয় মৌসুমী ফলের পসরা সাজানো হয়। প্রদর্শনী ও আপ্যায়নে থাকা ফলের তালিকায় ছিল—জাতীয় ফল কাঁঠাল, আম, লিচু, আনারস, কলা, জামরুল এবং করমচাসহ হরেক রকমের পুষ্টিকর দেশি ফল।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি তুলে ধরা এবং কৃত্রিম বা রাসায়নিকযুক্ত ফলের ভিড়ে সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত ও তাজা ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন। প্রেস ক্লাবের সংবাদকর্মী ও স্থানীয় সুধীজনদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মৌচাক প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন খাঁন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সাংবাদিকতার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে আমরা প্রতি বছরই এই ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখতে চাই। দেশীয় ফল চাষে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা এবং এর পুষ্টিমান সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মৌচাক প্রেস ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উৎসব শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিভিন্ন সুস্বাদু মৌসুমী ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

গাজীপুরের মৌচাক প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ‘মৌসুমী ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত।

ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মাসের এক শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ফুলগাজী বাজারসংলগ্ন মেম্বার কলোনির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত শিশুর নাম মোহাম্মদ জুনায়েদ। তার বাবার নাম মোহাম্মদ সুলতান (৩০)। তিনি নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কিতাব আলীর ছেলে। কাজের সুবাদে তিনি স্ত্রী রুনা আক্তারকে নিয়ে ফুলগাজীতে বসবাস করে আসছেন। রুনা আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী মোহাম্মদ সুলতান শিশুটিকে আছাড় মেরে হত্যা করেছেন। তবে সুলতানের দাবি, কোলে নিয়ে খেলার সময় শিশুটি তাঁর হাত থেকে পড়ে যায়।

 

সুলতান দিনমজুরের কাজ করেন। তাঁদের সংসারে একমাত্র সন্তান জুনায়েদের জন্ম হয় দুই মাস আগে। সুলতানের স্ত্রী রুনা আক্তারের অভিযোগ, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার কারণে সংসারের খরচ বহন করতেন না। প্রায়ই তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। বৃহস্পতিবার রাতেও কাজ শেষে বাসায় ফিরে সুলতান তাঁকে একটি পানীয় কিনে আনার জন্য দোকানে পাঠান। তিনি দোকান থেকে ফিরে এসে ছেলেকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

 

জানতে চাইলে রুনা আক্তার বলেন, ‘ঘরে ফিরে দেখি আমার ছেলে কোনো সাড়া দিচ্ছে না। আমি তাকে হাসপাতালে নিতে চাইলে সুলতান বাধা দেন। পরে অনেক চেষ্টার পর রাতের দিকে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছে। এর আগেও কান্না করলে শিশুটির ওপর সুলতান ক্ষুব্ধ হতেন।’

 

এদিকে আটক হওয়ার পর পুলিশকে জবানবন্দি দিয়েছেন সুলতান। পুলিশ জানায়, সুলতানের দাবি তিনি শিশুটিকে কোলে নিয়ে খেলছিলেন। এ সময় শিশুটি তাঁর হাত থেকে নিচে পড়ে যায়। এরপর শিশুটির কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি।

 

ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তানভীর মাহমুদ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মাথায় গুরুতর আঘাত দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

 

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। শিশুটির বাবাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুই মাসের শিশুকে আছাড় মেরে হত্যার অভিযোগ, বাবা আটক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জিসান মিয়া প্রধান অপহৃত হননি। মূলত এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণের অভিযোগ ও আইনি জটিলতা এড়াতে তিনি নিজেই নাটকীয়ভাবে আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

 

আজ শনিবার (১৩ জুন) কুমিল্লা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন জিসানের নিখোঁজ হওয়ার দাবি করে তাঁর চাচাতো ভাই মো. রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন। জিডি নথিভুক্ত হওয়ার পর জেলা পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জিসানকে উদ্ধারে অনুসন্ধানে নামে।

 

অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের ভাষ্যমতে, গত ২০ মে দাউদকান্দিতে জিসানের ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের জেরে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে ওষুধ খাইয়ে ভ্রূণ নষ্ট করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান ১২ জুন বিয়ে করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। তবে আইনি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়াতে বিয়ের আগের দিন অর্থাৎ ১১ জুন রাতেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। নিজের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিকে ‘অপহরণ’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি কৌশলে চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে থানায় জিডি করান বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ।

 

এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম জংশন রোড এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন জিসানকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। উদ্ধার হওয়ার পর জিসান দাবি করেছিলেন যে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করেছিল। তবে পুলিশি তদন্তে এই দাবির কোনো সত্যতা বা অপহরণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

 

জিসান উদ্ধার হওয়ার পরপরই ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় জিসানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা, ভ্রূণ হত্যা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

জানতে চাইলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, জিসানকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট হয়েছে যে, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অপহরণ নয়, ধর্ষণের মামলা এড়াতে ছাত্রশিবির নেতার ‘আত্মগোপন’: পুলিশ

 

অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং অলিগার্কদের ধ্বংস করাই সরকারের লক্ষ্য’ বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

আজ (শনিবার, ১৩ জুন) সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা জানান তিনি। যুবদলের নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যান তিনি।

 

এসময় আশা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ তরুণদের হাতে দায়িত্ব দেয়ার মাধ্যমেই সরকার দেশকে এগিয়ে নিতে চায় বলেও জানান তিনি।

 

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দক্ষ জনগোষ্ঠী গঠনে বদ্ধ পরিকর বর্তমান সরকার’, বলেন বিএনপি মহাসচিব।

অলিগার্কদের ধ্বংস করা সরকারের লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

চোটের কারণে মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র। দীর্ঘদিনের ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও এখনো পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় তাঁকে ছাড়াই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।

 

রবিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা ব্রাজিলের জন্য উদ্বোধনী ম্যাচে নেইমারের অনুপস্থিতি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

পায়ের মাংসপেশির চোটে ভুগছেন নেইমার। বর্তমানে তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন এবং শারীরিক অবস্থার কারণে সাম্প্রতিক কয়েকটি অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। ফলে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ।

 

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। তাঁর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলেও জানান ব্রাজিল কোচ।

 

আনচেলত্তি বলেন, “নেইমার দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। আমরা আশাবাদী, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সে পুরোপুরি ফিট হয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবে।”

 

ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে। এরপর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন তিনি। ইনজুরি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পান এই তারকা ফুটবলার।

 

গ্রুপ পর্বে মরক্কোর পর ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ব্রাজিল শিবির আশা করছে, এই দুই ম্যাচের যেকোনো একটিতে মাঠে ফিরতে পারবেন নেইমার। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁর প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছেন কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থক।

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামছেন না নেইমার

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না খেললেও ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে দেশের কোটি দর্শকের মতোই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসা বরাবরই আলোচনায় থাকে।

 

বিশেষ করে বিশ্বকাপ এলেই প্রিয় দল ও খেলোয়াড়কে ঘিরে তার আবেগ আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

 

সম্প্রতি প্রিয় দল, প্রিয় ফুটবলার এবং বিশ্বকাপের স্মৃতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, ব্রাজিলের প্রতি তার সমর্থন অনেক দিনের। একই সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দুই ফুটবল তারকার প্রতিও আলাদা পছন্দের কথা তুলে ধরেন তিনি।

 

প্রিয় খেলোয়াড় সম্পর্কে অপু গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি নেইমারকে অনেক পছন্দ করি। তার খেলাধুলা সবকিছুই আমার পছন্দ। আর ব্যক্তিত্বের দিক থেকে মেসিকে আমার পছন্দ।’

 

নিজে ব্রাজিলের সমর্থক হলেও তার ছেলে আব্রাম খান জয় নীল-সাদা দলের ভক্ত। বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসের সুরে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক।

 

যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের খেলায় আলাদা একটা ছন্দ আছে। যারা আমার ভক্ত আছে তাদের বলি, “শুধু ব্রাজিল হলে তো চলবে না অন্য দলের সাপোর্টারও লাগবে।” তা না হলে খেলা দেখে মজা থাকবে না। আমার ছেলে জয় আর্জেন্টিনা করে। সে মেসির ভক্ত।’

 

বিশ্বকাপ ফুটবলকে তিনি শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়, বরং উৎসব হিসেবেই দেখেন।

 

রাত জেগে খেলা দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা মানেই উত্তেজনায় ভরপুর এক পরিবেশ। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ঈদের মতো একটা আমেজ তৈরি হয়। এমনও হয় যে, রান্নাবান্না করে আবার টিভির সামনে বসে যাই। রাত দুইটা তিনটা বেজে গেলেও দেখা যায় আমরা খেলা দেখছি।’

যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে – অপু বিশ্বাস

ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

 

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, সমাজ থেকে এসিড সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। একইভাবে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে।

 

নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি।

 

শনিবার (১৩ জুন) বেলা পৌনে ১২টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষা: চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকার শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এই সেমিনারের আয়োজন করে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়।

 

মিজানুর রহমান মিনু আরও বলেন, রাজশাহী আজ যে চিন্তা করে পুরো দেশ সেটা পরে চিন্তা কারে। এ কারণে রাজশাহী পাইওনিয়ার। আমরা গোটা জাতিকে এমন কিছু উপহার দিব যা থেকে সবাই উপকৃত হবে।

 

তিনি আরও বলেন, দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে রাজশাহী ভিন্ন, কারণ এই বিভাগের মানুষ সবচাইতে সহনশীল ও ধৈর্যশীল। এটা আমাদেরকেই ধরে রাখতে হবে।

 

রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা, বিভাগীয় কমিশনার আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এইচ এম মাহামুদুর রহমান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ফয়েজুল কবির।

 

সেমিনারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের কর্মর্কর্তা, বিচারক ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ঐক্যবদ্ধভাবে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে: ভূমিমন্ত্রী

আলোচিত ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদ প্রধানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

নাছির উদ্দীন লিখেছেন, আবারও প্রমাণিত হলো, জুলাই-আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি অপপ্রচার, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে জামায়াতের আমির, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং শিবির-নিয়ন্ত্রিত বট ও ফেক আইডিগুলো থেকে। পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা বারবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে

তিনি আরও লিখেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ঘটনাটিকে অপহরণ ও ‘গুম’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাদের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য এবং অনলাইন সমর্থকদের প্রচারণায় এমন একটি ধারণা তৈরি করা হয় যেন এটি রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্টতার কোনো গুরুতর ঘটনা। অথচ ‘গুম’ শব্দটি কোনো সাধারণ অভিযোগ নয়; এটি একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ, যার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার প্রশ্ন জড়িত থাকে।

 

পোস্টে লিখেন, এখন পুলিশি তদন্তের প্রাথমিক তথ্য বলছে, ঘটনাটি অপহরণ বা গুম নয়। বরং সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা সামনে এসেছে। যদি তদন্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে—কোনো রাজনৈতিক দল কি এত বড় অভিযোগ উত্থাপনের আগে ন্যূনতম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনও অনুভব করে না?

 

পোস্টে উল্লেখ করেন, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠিতভাবে ‘গুম’ বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি অপ্রমাণিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবেগ উসকে দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্র ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ পরে যখন ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে তখন সেই প্রচারণার দায় কেউ নিচ্ছে না।

 

তিনি লিখেন, বারবার দেখা যাচ্ছে, তথ্যের চেয়ে বয়ানকে এবং সত্যের চেয়ে মিথ্যা প্রচারণাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক বক্তব্য যদি যাচাইকৃত তথ্যের পরিবর্তে অনুমান, গুজব কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের ওপর দাঁড়ায়, তাহলে তা শুধু রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না; বরং প্রকৃত গুম, অপহরণ বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর গুরুত্বও কমিয়ে দেয়।

 

সবশেষে লিখেন, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে জনগণ সত্যভিত্তিক অবস্থান প্রত্যাশা করে, প্রোপাগান্ডা নয়। জিসান ইস্যুতে অন্তত এটুকু স্পষ্ট হয়েছে যে, অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে যতটা তৎপরতা দেখানো হয়েছে, তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তার সামান্য অংশও দেখা যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রবণতা গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জন আস্থার জন্য মোটেও শুভ নয়।।

 

 

মিথ্যা তথ্য প্রচার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে’

 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মুজিবুর রহমান নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

 

আজ শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

 

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাব। ইতোমধ্যে আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি।

 

তিনি বলেন, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে এবং আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

শুক্রবার চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে স্টার্ট-আপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, আমরা আগে যে ধরনের মুখস্থনির্ভর শিক্ষা গ্রহণ করেছি, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সেটির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা মূলত ইনোভেশন, স্টার্ট-আপ এবং প্রজেক্ট বেইজড। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান রাসেল। প্রদর্শনীতে ৬ কলেজসহ উপজেলার মোট ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

 

শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের উদ্ভাবনী চিন্তার মোট ২৯ প্রজেক্ট উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

 

প্রজেক্ট প্রদর্শন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় হয়েছে রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় হয়েছে গুলবাহার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ।

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাওকাত হোসেন সুমন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ, শিক্ষক, সুধী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান আহম্মেদ প্রধানকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর কুমিল্লার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

 

শুক্রবার (১২ জুন) বিষয়টি রাত ১০ টা ২০ মিনিটে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী কামরুন্নাহার লাকী।

 

তিনি লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও কুমিল্লা টাওয়ার হসপিটালে উন্নত চিকিৎসার জন্য আনা হচ্ছে।

 

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত সাড়ে ৮টার পর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধান পাননি।

 

এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বড় ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল আহমেদ রাফি।

 

শুক্রবার রাতে খবর পাওয়া যায়, জিসান আহম্মেদ প্রধানকে লাকসাম জংশন এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার চিকিৎসা শুরু হয়।

 

তবে কীভাবে তিনি সেখানে পৌঁছেছেন, নিখোঁজ থাকার সময়ে তার সঙ্গে কী ঘটেছে কিংবা কোনো অপরাধমূলক ঘটনার শিকার হয়েছেন কি না—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

 

লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী কামরুন্নাহার লাকী জানিয়েছেন, জিসানের নিখোঁজ হওয়া এবং পরবর্তীতে উদ্ধারের ঘটনাটি পরে অবগত করব। আপাতত হসপিটালে চিকিৎসা চলছে।

অচেতন অবস্থায় উদ্ধার নিখোঁজ শিবির নেতা জিসান

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রচলিত অর্থে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তবে ভূমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচায় প্রকৃত লেনদেনমূল্য প্রকাশে উৎসাহ দিতে সীমিত একটি কর-সুবিধা রাখা হয়েছে , যা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

এর আগে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) দাবি করে যে, প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষভাবে ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন এ ধরনের বিধানকে সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, “ভালো বাজেটের কালো দিক হলো কালো টাকা। এই সুযোগ না রেখে বাজেটকে কালো টাকা-মুক্ত রাখা যেত কি না।”

 

জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি ঘিরে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয়মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় অনেক বৈধ লেনদেনও কর-জটিলতায় পড়ে।

 

তিনি আরও জানান, গত অর্থবছর থেকে বিক্রেতাদের জন্য একটি ব্যবস্থা চালু রয়েছে, যেখানে প্রকৃত লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেল ও প্রয়োজনীয় দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ করা গেলে নিয়মিত কর এবং ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শনের সুযোগ পাওয়া যায়।

 

এবারের বাজেটে একই ধরনের একটি ব্যবস্থা ক্রেতাদের জন্যও বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতারা প্রকৃত মূল্যে সম্পদ কিনলেও নিবন্ধনে কম মূল্য দেখানো হয়, ফলে পরবর্তীতে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত তথ্য পেলে অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়।

 

এই জটিলতা কমাতে নতুন বিধানের মাধ্যমে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে প্রকৃত লেনদেনমূল্য ঘোষণা করলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত কর দিয়ে তা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

তবে এ বিষয়ে আপত্তি উঠলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

 

এদিকে একই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনে ব্যবহৃত মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় এই ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

 

তিনি জানান, মৌজা রেটকে বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং এ জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি জরিপের মাধ্যমে দেশের ভূমিমূল্য কাঠামো হালনাগাদ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

 

অর্থমন্ত্রীর মতে, মৌজা রেট বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা গেলে লেনদেনমূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং বিতর্কিত কর-সুবিধার প্রয়োজনও অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d