ফাঁসির ‘কনডেম সেলে’ ঠাঁই হলো সোহেল-স্বপ্নার - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ফাঁসির ‘কনডেম সেলে’ ঠাঁই হলো সোহেল-স্বপ্নার

ফাঁসির ‘কনডেম সেলে’ ঠাঁই হলো সোহেল-স্বপ্নার

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর রামিসা হত্যার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জে ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে ফাঁসির আসামিদের ‘কনডেম সেলে’ রাখা হয়েছে।

 

সোমবার (৮ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ‘সোহেলকে কেরাণীগঞ্জে ও স্বপ্নাকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে ফাঁসির আসামিদের সাথে সেলে রাখা হয়েছে।

 

ফাঁসির অন্যান্য আসামিরা যেভাবে থাকেন, তাদেরও একইভাবে রাখা হয়েছে।

 

কারাগারে অন্য কয়েদিদের মাঝে এ আসামিদের রাখলে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে কারা অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কারাগার নিরাপদ জায়গা। আসামিদের নিরাপদে রাখা আমাদের দায়িত্ব। সবসময় নিরাপত্তা কর্মী থাকে।

 

কেউ যদি অন্য কয়েদির প্রতি বিরূপ আচরণ বা মারামারি করে, তখন কারা কর্তৃপক্ষ থেকে পানিশমেন্ট সেলে নেওয়া হয়।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘ফাঁসির আসামিদের সাধারণত একা রাখা হয় না। কারণ রায়ের পর তারা মনস্তাত্ত্বিকভাবে খারাপ থাকে। আত্মহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাতে পারে। এজন্য সবার সঙ্গে রাখা হয়। সাধারণত ফাঁসির একটি সেলের আয়তন বিবেচনায় ২ থেকে ৫ জনকে রাখা হয়।’

 

গত রোববার সবচেয়ে দ্রুত সময় ৬ কার্যদিবসে দেশের আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।


অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

 

সাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজের ক্যান্টিন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্যান্টিনটি চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক সোহেল পারভেজ, কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক বাবুল হোসাইন, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ শামসুল আলম এবং ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন,”শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুপরিচালিত ক্যান্টিন শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্যান্টিনের সেবার মান বজায় রাখতে হবে”। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান বলেন,”ক্যান্টিন চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হয়েছে। এটি শুধু খাদ্য সংগ্রহের স্থান নয়, শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও বন্ধন সুদূর করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক জানান, শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হবে। ক্যান্টিনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থাও থাকবে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম, নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আয়ববাহক মোঃ পায়েলুজ্জামান রকসি , সদস্য সচিব মোঃ রইসুল ইসলাম রানা, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ফিরোজ আহমেদ সৈকতসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারী সদরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন।

এসময় আহত হয়েছেন একজন। বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বাবু বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কুঠিপাড়া নদীরপাড় এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে মুজিবুর রহমান (৫৫) ও কচুকাটা ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে জালাল উদ্দিন (৪৫)। আহত মিঠু ইসলাম (৩৫) সে ওই ঘটনায় নিহত মজিবুর রহমানের ছেলে। এলাকাবাসী জানান, আহত ও নিহতরা পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। ঘটনার দিন সকালে উক্ত বাবু বাজার এলাকায় একটি পুকুরে বিদ্যুৎ চালিত সেচ যন্ত্র লাগিয়ে মাছ ধরার জন্য পানি নিষ্কাশন করছিল। সেসময় সেচ পাম্পের বিদ্যুতের থ্রি-পেজ লাইন অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে পড়লে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হয়। আহত মিঠু নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

(ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে সদর উপজেলার এটাখোলা ইউনিয়নের মোজাহারের টারি এলাকায় পুকুরে ডুবে স্বপন ইসলাম (২৮) নামে একজন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার তৈয়ব আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার (১ জুন) রান্নার জ্বালানি হিসেবে খড়ি সংগ্রহ করতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর বুধবার সকালে বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়সংলগ্ন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় পুকুরপাড়ে খড়ির একটি বোঝাও পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, খড়ি সংগ্রহের সময় মৃগী রোগের খিচুনি উঠলে তিনি পুকুরে পড়ে যান এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে

ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান বলেন, “স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। প্রায়ই তার খিচুনি উঠত।খড়ি কুড়াতে গিয়ে হয়তো তার খিচুনি উঠেছিল। ঘটনাস্থলটি নির্জন হওয়ার কেউ বিষয়টি দেখতে পায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পুকুরে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা নগদ ৭ লক্ষ টাকা আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় শাহজাহানপুর থানায় এই অর্থ প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

শাহজাহানপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শাহজাহানপুর থানার একটি বিশেষ টিম ডিউটি করাকালীন পরিত্যক্ত অবস্থায় নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। টাকা উদ্ধারের পরপরই পুলিশ বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকাসহ বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

 

পরবর্তীতে সবুজবাগ থানার উত্তর বাসাবো প্রেস গলি এলাকার বাসিন্দা কাজী শহিদুল ইসলাম (৪৮) শাহজাহানপুর থানায় এসে উক্ত টাকার মালিকানা দাবি করেন। তখন থানা পুলিশ তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করে।

 

আদালতের নির্দেশনা এবং পুলিশের যথাযথ তদন্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ আজ উক্ত ৭ লাখ টাকা প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে।

 

হারানো টাকা ফিরে পেয়ে কাজী শহিদুল ইসলাম শাহজাহানপুর থানা পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ লাখ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিল পুলিশ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে সম্পত্তির জন্য মাকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ছেলে ও ছেলের বউকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা খোতেজা বেগমকে তার ঘরে ঢুকে তারই আপন বড় ছেলে ফখরুল রাজু (৩৫) ও পুত্রবধূ মানিকা স্বপ্না (৩০) সম্পত্তি জন্য মারধর করেন। একপর্যায়ে ছেলে ও ছেলে বউ সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্বাসরোধের করে।

 

এ সময় খোতেজা বেগমের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তার ছোটো ছেলে রাকিব হোসেন আহত অবস্থায় তার মাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খোতেজা বেগমর ছেলে মো. রাকিব হোসেন (২৪) বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ফখরুল রাজু ও তার স্ত্রী মানিকা স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর সদর থানার এস আই শাহিনুর ইসলাম বলেন, মামলার প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মাকে হত্যাচেষ্টা, ছেলে ও ছেলের বউ গ্রেপ্তার

ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনবল বৃদ্ধি, অতিরিক্ত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৮ জুন থেকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থানরত ভারতের ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়। তবে সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও নজরদারির কারণে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।

 

পুশ-ইন প্রতিরোধে ১৭ বিজিবি একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন, মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত ও অতিরিক্ত রাত্রীকালীন টহল, সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাঁশি, লাইট ও মেগাফোনসহ বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

এছাড়া নদীপথে পুশ-ইনের সম্ভাবনা রোধে সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় হাই-স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভাও আয়োজন করা হচ্ছে।

 

বিজিবি জানিয়েছে, যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব, পিএসসি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশ-ইনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

পুশ-ইন ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় বিজিবি

ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় উদ্ধার কাজে অংশ নিতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

বুধবার (১০ জুন) সকাল ৯টার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের সময় শহরের ইটাখোলা বাইলেন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর লাইনচ্যুত পাওয়ার কার ও চারটি বগি ঘটনাস্থলে রেখে ট্রেনটির বাকি অংশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পাঠানো হলে সেটিও লাইনচ্যুত হয়।

 

এ ঘটনায় পরে রেললাইন মেরামত হলে লাইনচ্যুত পাওয়ার কার উদ্ধারে যোগ দেয় রিলিফ ট্রেনটি।

লাইনচ্যুত ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসকে উদ্ধারে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

 

সাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশায় অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজের ক্যান্টিন। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্যান্টিনটি চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ একেএম সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক সোহেল পারভেজ, কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক বাবুল হোসাইন, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ শামসুল আলম এবং ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন,”শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুপরিচালিত ক্যান্টিন শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্যান্টিনের সেবার মান বজায় রাখতে হবে”। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান বলেন,”ক্যান্টিন চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হয়েছে। এটি শুধু খাদ্য সংগ্রহের স্থান নয়, শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক যোগাযোগ, সৌহার্দ্য ও বন্ধন সুদূর করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” ক্যান্টিন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ওমর ফারুক জানান, শিক্ষার্থীদের চাহিদা ও আর্থিক সামর্থের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার সরবরাহ করা হবে। ক্যান্টিনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থাও থাকবে। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক মোজাম, নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আয়ববাহক মোঃ পায়েলুজ্জামান রকসি , সদস্য সচিব মোঃ রইসুল ইসলাম রানা, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ফিরোজ আহমেদ সৈকতসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অবশেষে চালু হলো নীলফামারী সরকারী কলেজ ক্যান্টিন

এক ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক পুশইনকে কেন্দ্র করে জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই উত্তেজনা বিজিবি- বিএসএফ ছাড়াও ছড়িয়ে পড়েছে দুই দেশের জনগণের মধ্যেও।

 

বুধবার (১০ জুন) বিকালে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এক পর্যায়ে বাংলাদেশীদের ধাওয়ায় পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

 

জানা যায়, আজ সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে এক ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে। এসময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলেও শুন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শুন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা প্রদান করেন। পরে আবার শুন্য রেখায় চলে যায় ৬০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি।

 

এনিয়ে বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোন পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিতে রাজী হননি। এরপর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিকালে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের জনগণের মধ্যে। এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

 

স্থানীয়রা জানান, ভারতের বিএসএফ প্রতিনিয়ত পুশইনের চেষ্টা করছে। আমরা বিজিবিকে সহযোগিতা করতে গেলেই তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিকালে ভারতের কয়েকজন যুবক বাংলাদেশীদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়লে আমরাও পাল্টা ঢিল ছুড়ি। আমাদের প্রতিরোধের মুখে তারা পালাতে বাধ্য হয়।

 

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, সীমান্তে শুন্য রেখা অতিক্রম না করতে প্রত্যেকটি নাগরিককে অনুরোধ করছি। এসময় তিনি বিজিবিকে সহযোগিতা করতে স্থানীয়দের প্রতি আহবান জানান।

সীমান্তে ভারতীয়-বাংলাদেশিদের ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আরও বেড়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ঢাকাতেই মারা গেছে ৬ জন। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৯ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯২ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৪৭ জন।

 

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৯ হাজার ৯২৭ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৮২ হাজার ২৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৮৫ জন ও আক্রান্ত ৪৫ হাজার ১১০ জন।

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

নীলফামারী সদরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন।

এসময় আহত হয়েছেন একজন। বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বাবু বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কুঠিপাড়া নদীরপাড় এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে মুজিবুর রহমান (৫৫) ও কচুকাটা ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে জালাল উদ্দিন (৪৫)। আহত মিঠু ইসলাম (৩৫) সে ওই ঘটনায় নিহত মজিবুর রহমানের ছেলে। এলাকাবাসী জানান, আহত ও নিহতরা পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। ঘটনার দিন সকালে উক্ত বাবু বাজার এলাকায় একটি পুকুরে বিদ্যুৎ চালিত সেচ যন্ত্র লাগিয়ে মাছ ধরার জন্য পানি নিষ্কাশন করছিল। সেসময় সেচ পাম্পের বিদ্যুতের থ্রি-পেজ লাইন অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে পড়লে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হয়। আহত মিঠু নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

(ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে সদর উপজেলার এটাখোলা ইউনিয়নের মোজাহারের টারি এলাকায় পুকুরে ডুবে স্বপন ইসলাম (২৮) নামে একজন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার তৈয়ব আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার (১ জুন) রান্নার জ্বালানি হিসেবে খড়ি সংগ্রহ করতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর বুধবার সকালে বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়সংলগ্ন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় পুকুরপাড়ে খড়ির একটি বোঝাও পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, খড়ি সংগ্রহের সময় মৃগী রোগের খিচুনি উঠলে তিনি পুকুরে পড়ে যান এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে

ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান বলেন, “স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। প্রায়ই তার খিচুনি উঠত।খড়ি কুড়াতে গিয়ে হয়তো তার খিচুনি উঠেছিল। ঘটনাস্থলটি নির্জন হওয়ার কেউ বিষয়টি দেখতে পায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পুকুরে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।

নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা নগদ ৭ লক্ষ টাকা আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১ টায় শাহজাহানপুর থানায় এই অর্থ প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

শাহজাহানপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) শাহজাহানপুর থানার একটি বিশেষ টিম ডিউটি করাকালীন পরিত্যক্ত অবস্থায় নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করে। টাকা উদ্ধারের পরপরই পুলিশ বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকাসহ বিজ্ঞ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।

 

পরবর্তীতে সবুজবাগ থানার উত্তর বাসাবো প্রেস গলি এলাকার বাসিন্দা কাজী শহিদুল ইসলাম (৪৮) শাহজাহানপুর থানায় এসে উক্ত টাকার মালিকানা দাবি করেন। তখন থানা পুলিশ তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ প্রদান করে।

 

আদালতের নির্দেশনা এবং পুলিশের যথাযথ তদন্ত ও উপযুক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ আজ উক্ত ৭ লাখ টাকা প্রকৃত মালিক কাজী শহিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করে।

 

হারানো টাকা ফিরে পেয়ে কাজী শহিদুল ইসলাম শাহজাহানপুর থানা পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ৭ লাখ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিল পুলিশ

 

জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা প্রণয়ন কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বড় ধরনের শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলে তাদের এবং পরিবারকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত এককালীন আর্থিক অনুদান দেওয়ার লক্ষ্যে একটি নতুন নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

 

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ‘নির্বাচনে ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত কর্মকর্তা/কর্মচারী ও মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা/অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৬’ শিরোনামে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে যাওয়া এই নীতিমালার মাধ্যমে দায়িত্ব পালনকারীদের যেকোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা, অঙ্গহানি বা চিকিৎসার ব্যয়বহুল আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে নির্বাচন কমিশন প্রতি অর্থবছরে তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে এই বড় অঙ্কের অনুদান নিশ্চিত করবে।

 

ইসি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এই নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন। নীতিমালার অধীনে অনুদানের হারকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথমত, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি দুর্বৃত্তদের হামলা অথবা কোনো দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার পরিবারকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। একই কারণে কেউ গুরুতর আহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা, গুরুতর আহত বা সাময়িকভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা এবং সাধারণ আহতের ক্ষেত্রে আঘাতের ধরন বিবেচনা করে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে।

 

দ্বিতীয়ত, দায়িত্ব পালনকালে কেউ যদি আকস্মিকভাবে অসুস্থ বা মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার পরিবার সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা অনুদান পাবেন। এছাড়া আকস্মিক গুরুতর অসুস্থতা বা স্থায়ী অক্ষমতার জন্য সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা, সাময়িক অসুস্থতার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা, হাসপাতালে ভর্তির পর ব্যয়বহুল চিকিৎসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা এবং সাধারণ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

 

নীতিমালায় অনুদান প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পরিবারের উত্তরাধিকার নির্ধারণের জন্য অর্থ বিভাগের সর্বশেষ সরকারি কর্মচারী পেনশন সহজীকরণ আদেশ অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকে তবে অনুদানের টাকা তাদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হবে এবং এক্ষেত্রে স্ত্রীদের যৌথভাবে আবেদন করতে হবে; তবে অনুদান পাওয়ার আগে স্বামী বা স্ত্রী পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে এই সুবিধা পাবেন না। মৃত ব্যক্তির কোনো স্বামী বা স্ত্রী জীবিত না থাকলে তার অনূর্ধ্ব ২৫ বছর বয়সী ছেলে বা অবিবাহিত মেয়ে এবং সন্তান না থাকলে বাবা-মা এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নাবালক সন্তান থাকলে অভিভাবক নির্ধারণের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স ১৯৮৫ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে বাবা-মা বা ভাই-বোন এবং কোনো সন্তান না থাকলে স্বামী বা স্ত্রী অর্ধেক এবং বাকি অর্ধেক বাবা-মা বা অবিবাহিত ভাই-বোন সমহারে পাবেন। কোনো উপযুক্ত উত্তরাধিকারী না থাকলে বিবাহিত মেয়েরাও প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ আবেদন করতে পারবেন।

 

আর্থিক সহায়তার জন্য যেকোনো দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা অফিস প্রধানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বা সচিব বরাবর আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। আবেদনের সঙ্গে নির্ধারিত আবেদন ফরম, আবেদনকারীর সত্যায়িত ছবি, উত্তরাধিকার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং সিভিল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রদত্ত চিকিৎসাজনিত বা মৃত্যুর সনদ সংযুক্ত করতে হবে।

 

এই আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়নের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-১ উইংয়ের যুগ্মসচিবকে সভাপতি এবং বাজেট ও অর্থ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিবকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি প্রতি অর্থবছরে অন্তত দুইবার প্রাপ্ত আবেদনসমূহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে অনুদানের পরিমাণ নির্ধারণপূর্বক সচিবের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবে। পরে এই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে এককালীন এই অনুদানের অর্থ সরাসরি হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নির্বাচনী দায়িত্বে প্রাণ হারালে পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা, নতুন নীতিমালা জারি করল ইসি

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে সম্পত্তির জন্য মাকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় ছেলে ও ছেলের বউকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী।

 

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা খোতেজা বেগমকে তার ঘরে ঢুকে তারই আপন বড় ছেলে ফখরুল রাজু (৩৫) ও পুত্রবধূ মানিকা স্বপ্না (৩০) সম্পত্তি জন্য মারধর করেন। একপর্যায়ে ছেলে ও ছেলে বউ সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শ্বাসরোধের করে।

 

এ সময় খোতেজা বেগমের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তার ছোটো ছেলে রাকিব হোসেন আহত অবস্থায় তার মাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী খোতেজা বেগমর ছেলে মো. রাকিব হোসেন (২৪) বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ফখরুল রাজু ও তার স্ত্রী মানিকা স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর সদর থানার এস আই শাহিনুর ইসলাম বলেন, মামলার প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মাকে হত্যাচেষ্টা, ছেলে ও ছেলের বউ গ্রেপ্তার

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে আমজাদের মোড় এলাকার আয়েশা টাওয়ারে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

 

নিহত শিক্ষার্থীর নাম মাহফুজুর রহমান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি নিয়ে আমি ঘটনাস্থলেই আছি। তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারছি না। পরে বিস্তারিত জানাব।’

 

 

মেস থেকে রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি)। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনবল বৃদ্ধি, অতিরিক্ত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

 

বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৮ জুন থেকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তের বিপরীতে অবস্থানরত ভারতের ৭৪ ও ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুশ-ইনের উদ্দেশ্যে জড়ো করা হয়। তবে সীমান্তে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও নজরদারির কারণে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।

 

পুশ-ইন প্রতিরোধে ১৭ বিজিবি একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী সংশ্লিষ্ট বিওপিগুলোতে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন, মোটরসাইকেল ও এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত ও অতিরিক্ত রাত্রীকালীন টহল, সীমান্ত এলাকায় মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাঁশি, লাইট ও মেগাফোনসহ বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

এছাড়া নদীপথে পুশ-ইনের সম্ভাবনা রোধে সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় হাই-স্পিড বোটের মাধ্যমে নিয়মিত টহল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সভাও আয়োজন করা হচ্ছে।

 

বিজিবি জানিয়েছে, যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সার্বক্ষণিক দুই সেকশনের একটি কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহারিয়ার রাজিব, পিএসসি বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

 

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশ-ইনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

পুশ-ইন ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় বিজিবি

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে সরকার ২১২টি ডাবল কেবিন পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব গাড়ি ক্রয়ে মোট ব্যয় হবে ১৮২ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

 

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাহিনীর জন্য এসব গাড়ি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য মোট ২১২টি ডাবল কেবিন পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব উত্থাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

 

পুলিশের জন্য এসব যানবাহনগুলো সরবরাহ করবে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ১৮২ কোটি ৩২ লাখ টাকায় ক্রয়চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশজুড়ে পুলিশের সেবার মান, টহল কার্যক্রম, অপরাধ দমন এবং জরুরি অভিযানে যানবাহন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এসব পিকআপ কেনার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে।

 

নতুন যানবাহন যুক্ত হলে মাঠপর্যায়ে পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণারয়।

পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে কেনা হচ্ছে ২১২ গাড়ি

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d