
নীলফামারীতে পৃথক ঘটনায় নিহত তিন, আহত এক
মাইদুল ইসলাম: (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)
নীলফামারী সদরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন।
এসময় আহত হয়েছেন একজন। বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বাবু বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কুঠিপাড়া নদীরপাড় এলাকার মৃত আব্দুর রবের ছেলে মুজিবুর রহমান (৫৫) ও কচুকাটা ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে জালাল উদ্দিন (৪৫)। আহত মিঠু ইসলাম (৩৫) সে ওই ঘটনায় নিহত মজিবুর রহমানের ছেলে। এলাকাবাসী জানান, আহত ও নিহতরা পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। ঘটনার দিন সকালে উক্ত বাবু বাজার এলাকায় একটি পুকুরে বিদ্যুৎ চালিত সেচ যন্ত্র লাগিয়ে মাছ ধরার জন্য পানি নিষ্কাশন করছিল। সেসময় সেচ পাম্পের বিদ্যুতের থ্রি-পেজ লাইন অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে পড়লে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হয়। আহত মিঠু নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অপরদিকে সদর উপজেলার এটাখোলা ইউনিয়নের মোজাহারের টারি এলাকায় পুকুরে ডুবে স্বপন ইসলাম (২৮) নামে একজন যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার তৈয়ব আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার (১ জুন) রান্নার জ্বালানি হিসেবে খড়ি সংগ্রহ করতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর বুধবার সকালে বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়সংলগ্ন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় পুকুরপাড়ে খড়ির একটি বোঝাও পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, খড়ি সংগ্রহের সময় মৃগী রোগের খিচুনি উঠলে তিনি পুকুরে পড়ে যান এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে
ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান বলেন, “স্বপন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। প্রায়ই তার খিচুনি উঠত।খড়ি কুড়াতে গিয়ে হয়তো তার খিচুনি উঠেছিল। ঘটনাস্থলটি নির্জন হওয়ার কেউ বিষয়টি দেখতে পায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পুকুরে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।
Leave a Reply