সব বাধা পেরিয়ে এ বছরই দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
সব বাধা পেরিয়ে এ বছরই দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

সব বাধা পেরিয়ে এ বছরই দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সব বাধা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে চলতি বছরই দেশে ফিরব।’ তার ভাষ্য, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সম্পর্কিত।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

 

নিজের বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রসঙ্গে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি কোনো বিচার নয়; বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসাংবিধানিক ও অবৈধ প্রক্রিয়ার ফল। বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।’

 

তিনি বলেন, ‘আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। মানুষের কল্যাণ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যেই রাজনীতি করি। মৃত্যুকে আমি ভয় পাই না। অতীতেও বহু ষড়যন্ত্র ও হত্যাচেষ্টা মোকাবিলা করেছি। তাই সব বাধা উপেক্ষা করে চলতি বছরই দেশে ফিরব।’

 

আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান নিয়ে যা বললেন শেখ হাসিনা

 

দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে প্রোথিত একটি শক্তি। অতীতে বহুবার নিষিদ্ধ ও নির্যাতনের শিকার হলেও জনগণের সমর্থনে দলটি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

 

তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যর্থতার ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং জনগণের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান সরকারের সময় দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

 

দল নিষিদ্ধ থাকা এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। তাঁর দাবি, জনগণের সমর্থন থাকায় দলকে রাজনৈতিকভাবে দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

 

তিনি বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন।

 

‘দেশ তার মৌলিক চরিত্র হারাচ্ছে’

 

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আঘাত এসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান, স্মৃতিসৌধ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দেশে উগ্রবাদের বিস্তার ঘটছে।

 

একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। তার দাবি, আওয়ামী লীগই আবার দেশকে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

 

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

 

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী, আহমদিয়া ও সুফি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থী।

 

তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা কোনো ভোটব্যাংক নয়; তারা সমান মর্যাদার নাগরিক। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হামলার ঘটনায় দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

 

নির্বাসিত জীবনের অভিজ্ঞতা

 

ভারতে অবস্থান প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ব্যক্তিগত জীবন অনেক আগেই দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও তার মন পড়ে থাকে বাংলাদেশে।


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুককে একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) রাতে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম. সুজাউদ্দিনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

তবে নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ উল্লেখ করা হয়নি।

 

এর আগে ওমর ফারুক নিজের ফেসবুক আইডিতে ফেনী জেলা এনসিপির নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনামূলক একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমাদের জেলা এনসিপিতে অযোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা নাই, নাই কোনো মুরোদ, আছে শুধু একটা পদ, যার নাম আহ্বায়ক। দয়া করে কমিটির এসব অযোগ্য, কোরামবাজ লোকজনকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে যোগ্য সংগঠকদের মাধ্যমে কমিটি দেওয়া হোক।’

 

একই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে দলের যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতকে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘ভাই, দয়া করে আপনি উনাকে নিঃশর্তভাবে আর কোনো সাপোর্ট দিয়েন না। উনি আপনার নাম বিক্রি করেই ফেনী জেলা এনসিপিকে অস্থিতিশীল করে যাচ্ছে। নির্বাচনকালীন আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্তে দাগনভূঞা কেন্দ্রিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে দাগনভূঞায় এনসিপি এখন পর্যন্ত কোণঠাসা। বর্তমানে উনি জেলা এনসিপিকে যা করে রাখছে, এই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে। আপনাকে বিষয়গুলো নিয়ে ইনবক্স করেছি, এএসএম সুজাউদ্দিন ভাইকেও বলেছি। দুঃখজনকভাবে আপনারা সিন করেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরপরও সিফাত ভাই ফেনীতে এসে বিষয়গুলোর সমাধান না করে উল্টো তাদের সঙ্গে বসার অর্থ হচ্ছে আমাদের উপেক্ষা করা, ফেনী জেলা এনসিপির কণ্ঠকে তুচ্ছ করে দেখা। আপনাদের এসব পদক্ষেপ-অপদক্ষেপ ফেনী জেলা এনসিপির জন্য অশনিসংকেত।’

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী জেলা এনসিপির ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে আহ্বায়ক এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এনসিপির নেতাকে শোকজ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সীমান্তকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য সীমান্তবর্তী মানুষকে মিলিটারি ট্রেনিং দিতে হবে।বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর তোপখানা রোডে আয়োজিত ‘সীমান্ত হত্যা, পুশইন ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

 

নাসীরুদ্দীন বলেন, সীমান্ত প্রশ্নে দল মত নির্বিশেষে এক সিদ্ধান্তে আসতে হবে।

 

এ সময় গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও উমামা ফাতেমাসহ তরুণ রাজনীতিকরা।

সীমান্ত সুরক্ষায় সীমান্তবর্তীদের মিলিটারি ট্রেনিং দিতে হবে: নাসীরুদ্দীন

হামলা, নাশকতাসহ নানা অভিযোগে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছে।

 

যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানান, কুমিল্লার চান্দিনায় পৃথক অভিযানে জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. আব্দুল্লাহ ও মো. ইউনুছ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে কেশব বিশ্বাস, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. ফয়সাল আহাম্মেদকে আটক করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বাতাঘাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, থানা যুবলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মো. তমিজ উদ্দিন এবং কংগাই ইউনিয়ন কৃষকলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্রেফতাররা হলেন-থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন মাদবর ও ফতুল্লা ইউনিয়ন ৫নং ওয়াড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জসু কন্ট্রাক্টর।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি কামরান হোসেন রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক মামলায় রুবেল ও সুমনকে গ্রেফতার করা হয়।

 

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গ্রেফতাররা হলেন-পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. জামাল মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক রুহুল আমিন শাকিল, মসূয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আল-আমিন ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন পায়েল।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গ্রেফতাররা হলেন-খাড়েরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া, বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের মকবুল হোসেন এবং কাইমপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন।

 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির তালুকদার ও বাগধা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

খাগড়াছড়ি পৌর যুবলীগের সদস্য আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাভারে মহাসড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগের ৬ সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।

 

কুমিল্লার চান্দিনায় গ্রেফতাররা হলেন-কেরনখাল ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, চান্দিনা পৌর শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় সদস্য হারুন অর রশিদ, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. সুমন মিয়া, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. ইয়াছিন এবং চান্দিনা পৌর আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহাবুব।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছাত্রলীগকর্মী কামরুল হাসান প্রকাশ রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি রুবেল হোসেন ও সুমন হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

রাঙামাটিতে ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন-১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য মো. নুরুল হক, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. কবির, রাঙামাটি সদর কৃষকলীগের সহসভাপতি চম্পক দাশ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. নিজাম উদ্দীন, যুবলীগ সদস্য মো. ইলিয়াছ, লংগদু উপজেলা শ্রমিকলীগের সহসভাপতি মো. ইসমাইল বেগ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. জসিম, ৯নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সদস্য মো. নয়ন, নানিয়ারচর থানা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম মিজান ও কাপ্তাই ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রাসেল। এছাড়া শাহাদত হোসেন জীবন, রাম প্রসাদ শীল, জাহিদুল ইসলাম বাবু, মো. সাইফুল ইসলাম, দুর্জয় কান্তি দে রিন্টু ও হাফিজুর রহমান।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিল্লাল হোসেন ও সজিব নামে যুবলীগের দুই কর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। গাজীপুরে পৃথক অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে হামিদুর রহমান তায়েফ সরকার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে গ্রেফতাররা হলেন-রূপসী ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহ্বায়ক আঙ্গুর ফকির, বালিয়ার আওয়ামী লীগ কর্মী হুমায়ূন কবির, ছাত্রলীগ কর্মী রহিমগঞ্জের মো. রামিম ও গোদারিয়া গ্রামের রাতুল হাসান।

 

ঝালকাঠির নলছিটিতে গ্রেফতারা হলেন-মো. মামুন হাওলাদার (মামুন মেকার), মো. সোহাগ হাওলাদার, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান রাজু।

 

পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আরজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সারাদেশের মত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল।

 

সারা দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধসহ ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবিতে সাভারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল। মঙ্গলবার দুপুরে নবীনগর জয়রেস্তরা থেকে কয়েকশ বাইক নিয়ে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলিটি।

 

 

উক্ত কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন তানভির এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল। এ সময় সাভার থানা ছাত্রদল, আশুলিয়া থানা ছাত্রদল এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আয়োজিত প্রতিরোধ সমাবেশে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বলেন, ‘ছাত্রদল দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ত্যাগের ইতিহাস ছাত্রদলের রয়েছে।

 

সাভার-আশুলিয়ায় কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীকে রাজপথে নামতে দেওয়া হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী যাতে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে ছাত্রদল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে তা প্রতিহত করবে।’

 

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল বলেন, ‘সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

 

 

এমতাবস্থায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদীদের বিচারের দাবিতে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সোচ্চার রয়েছে। যে স্বৈরাচার বাংলাদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদেরকে বাংলার মাটিতে আর মিছিলের সুযোগ দেওয়া হবে না।’

সমাবেশ থেকে বক্তারা বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এ জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সক্রিয় রয়েছেন।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় জুলাই হত্যাযজ্ঞের আরও ৩ মামলায় জামিন আবেদন করেছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি।

 

হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে যেকোনো দিন হতে পারে শুনানি।

 

এর আগে, তাকে ২ মামলায় জামিন দেয় হাইকোর্ট। এছাড়া, আরও ১৩ মামলায় তাকে কেন জামিন দেয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

 

এখন পর্যন্ত দীপু মনিকে অন্তত ৩৯টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে৷ এর মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ও জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় তার বিচার প্রক্রিয়াধীন।

 

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে পুলিশ দীপু মনিকে গ্রেফতার করে।

 

এদিকে, জুলাইয়ের একাধিক হত্যা মামলায় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, শাকিল আহমেদ ও ফারজানার রুপার জামিন শুনানি নিয়ে হাইকোর্টে রুল শুনানি হবে আগামি সপ্তাহে।

জুলাই অভ্যুত্থানের আরও ৩ মামলায় জামিন আবেদন দীপু মনির

রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৬ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. কবিরও রয়েছেন।

 

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন-মো. নুরুল হক (৫২), চম্পক দাশ (৫৪), মো. নিজাম উদ্দীন (৪২), মো. ইলিয়াছ (৩৫), মো. ইসমাইল (৫৯), মো. জসিম (৩৮), মো. নয়ন (১৯), মো. তারিকুল ইসলাম (৪৫), মো. রাসেল (৩৮), শাহাদত হোসেন (৩২), রাম প্রসাদ শীল (৪৫), জাহিদুল ইসলাম (২৪), মো. সাইফুল ইসলাম (২৫), দুর্জয় কান্তি দে (২৬) ও হাফিজুর রহমান (২৯)।

 

পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৬ জন গ্রেপ্তার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সব বাধা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে চলতি বছরই দেশে ফিরব।’ তার ভাষ্য, দেশে ফেরা তার ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সম্পর্কিত।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

 

নিজের বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রসঙ্গে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি কোনো বিচার নয়; বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসাংবিধানিক ও অবৈধ প্রক্রিয়ার ফল। বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।’

 

তিনি বলেন, ‘আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। মানুষের কল্যাণ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যেই রাজনীতি করি। মৃত্যুকে আমি ভয় পাই না। অতীতেও বহু ষড়যন্ত্র ও হত্যাচেষ্টা মোকাবিলা করেছি। তাই সব বাধা উপেক্ষা করে চলতি বছরই দেশে ফিরব।’

 

আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান নিয়ে যা বললেন শেখ হাসিনা

 

দলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে প্রোথিত একটি শক্তি। অতীতে বহুবার নিষিদ্ধ ও নির্যাতনের শিকার হলেও জনগণের সমর্থনে দলটি বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

 

তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যর্থতার ওপর নির্ভরশীল নয়; বরং জনগণের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান সরকারের সময় দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি

 

দল নিষিদ্ধ থাকা এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। তাঁর দাবি, জনগণের সমর্থন থাকায় দলকে রাজনৈতিকভাবে দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

 

তিনি বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন।

 

‘দেশ তার মৌলিক চরিত্র হারাচ্ছে’

 

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আঘাত এসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান, স্মৃতিসৌধ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দেশে উগ্রবাদের বিস্তার ঘটছে।

 

একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। তার দাবি, আওয়ামী লীগই আবার দেশকে স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

 

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

 

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী, আহমদিয়া ও সুফি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থী।

 

তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা কোনো ভোটব্যাংক নয়; তারা সমান মর্যাদার নাগরিক। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হামলার ঘটনায় দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

 

নির্বাসিত জীবনের অভিজ্ঞতা

 

ভারতে অবস্থান প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ব্যক্তিগত জীবন অনেক আগেই দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও তার মন পড়ে থাকে বাংলাদেশে।

সব বাধা পেরিয়ে এ বছরই দেশে ফিরব: শেখ হাসিনা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় সাইয়েদ আবদুল্লাহ সিয়াম (২২) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর প্রেমিকার বিরুদ্ধে। সোমবার (২৯ জুন) ভোরে উপজেলার পৌর এলাকার লক্ষীপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

 

এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রেমিকা নাইমা জাহান ও তাঁর বন্ধু আরিয়ান খানকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত সিয়াম লক্ষীপুর গ্রামের হাজী এনামুল হকের ছেলে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাইমা জাহানের সঙ্গে সিয়ামের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গতকাল রোববার রাতে নাইমা সিয়ামের লক্ষীপুরের বাড়িতে আসেন। রাতে সিয়ামের ঘরের একটি কক্ষে সিয়াম, নাইমা এবং সিয়ামের বন্ধু আরিয়ান অবস্থান করছিলেন।

 

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইমা দাবি করেছেন, তাঁদের দুজনের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিয়ে নিয়ে বিরোধ চলছিল। আজ ভোরে সিয়াম তাঁকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বললে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি ছুরি দিয়ে সিয়ামের পেটে আঘাত করেন নাইমা।

 

পরে সিয়ামের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে নাইমা ও আরিয়ানকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিয়ামের লাশ উদ্ধার করে এবং ওই দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

 

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোছাইন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইমা সিয়ামকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। আটক নাইমা ও তাঁর বন্ধু আরিয়ানকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বিয়ে না করায় কুমিল্লায় প্রেমিককে ছুরিকাঘাতে ‘হত্যা’, প্রেমিকা ও বন্ধু আটক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে আজ (সোমবার) মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও জাপান। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন ইতালির অভিজ্ঞ রেফারি মাউরিজিও মারিয়ানি। তবে অতীতে একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে ম্যাচটির আগে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে তার নাম।

 

সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও জাপান।

 

মারিয়ানি ইউরোপীয় ফুটবলের শীর্ষ প্রতিযোগিতা সিরি আ এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করলেও তার বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে পেনাল্টি ও ভিএআর–সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

 

২০২৪ সালে সিরি আ’তে নাপোলি ও ইন্টার মিলানের ম্যাচে বিতর্কিত পেনাল্টি দেওয়ার পর সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছিল মারিয়ানিকে। এছাড়া সর্বশেষ মৌসুমেও ভিএআরের সহায়তায় দেওয়া একটি পেনাল্টি সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

 

এরও আগে ২০২১ সালে ইন্টার মিলান ও য়্যুভেন্তাসের ম্যাচের শেষদিকে য়্যুভেন্তাসের পক্ষে দেওয়া একটি পেনাল্টিকে কেন্দ্র করে ইন্টারের খেলোয়াড়দের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছিলেন এই ইতালিয়ান রেফারি।

 

তবে বিতর্কের পাশাপাশি ইউরোপের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার অভিজ্ঞতাও রয়েছে মারিয়ানির। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তিনি সৌদি আরব–উরুগুয়ে এবং কলম্বিয়া–ডিআর কঙ্গো ম্যাচেও দায়িত্ব পালন করেন।

 

ব্রাজিল–জাপান ম্যাচে মারিয়ানিকে সহায়তা করবেন তাঁর স্বদেশী সহকারী রেফারি দানিয়েল বিন্দোনি ও আলবার্তো তেগোনি।

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে সেই বিতর্কিত রেফারি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (২৮ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আড়াইবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহতের নাম আইরিন আক্তার (২২)। তিনি কুমিল্লা জেলার বাঙ্গরা থানার আন্দিকোট ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের নুরুল হক ও জোহানা আক্তার দম্পতির মেয়ে।

 

আইরিন কসবা উপজেলার আড়াইবাড়ি মাছ বাজার এলাকায় শহিদুল হকের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আইরিন আক্তার রাত আনুমানিক ৮টা থেকে ৯ টার মধ্যে নিজ রুমে গিয়ে গলায় ফাঁস দেন। কিছুক্ষন হঠাৎ ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়েকে দেখতে পেয়ে মা ও ঘরের অন্যান্য লোকজন চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ নাজনিন সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমানে তরুণীর আত্মহত্যা

বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের নিকটবর্তী সীমান্ত এলাকায় এক ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে পরপর তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

 

সোমবার ২৯ জুন ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে ভারতের মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ-ভুটান সীমান্ত এবং মেঘালয় অঞ্চলে এই ভূকম্পনগুলোর উৎপত্তি হয়।

 

ভারতের সরকারি ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি’র তথ্য অনুযায়ী,

বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ১২ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ভারতের মণিপুরে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৫ এবং এর উপকেন্দ্র ছিল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৯ কিলোমিটার গভীরে।

 

দ্বিতীয় ভূমিকম্প (অরুণাচল-ভুটান সীমান্ত):

 

এর প্রায় পাঁচ মিনিট পর, ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে অরুণাচল প্রদেশ ও ভুটান সীমান্তবর্তী এলাকায় দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি হয়। ৩ মাত্রার এই ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ছিল মাত্র ৭ কিলোমিটার গভীরে।

 

তৃতীয় ভূমিকম্প (মেঘালয়):

 

সর্বশেষ ভোর ৫টা ৫ মিনিটে সুনামগঞ্জের উত্তরের এলাকা সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যে তৃতীয় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর মাত্রা ছিল ২.৯ এবং এটি ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে সংগঠিত হয়।

 

এর আগে এবং সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ও সীমান্ত এলাকায় আরও দুটি ভূমিকম্পের রেকর্ড পাওয়া গেছে:

 

কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্ত: গত রোববার (২৮ জুন) রাতেও কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪.৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

 

নারায়ণগঞ্জ (অভ্যন্তরীণ): দেশের ভেতরে সর্বশেষ গত ২২ জুন রাত ৯টা ২৮ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প সংগঠিত হয়।

 

ভূ-পৃষ্ঠের ১৬ কিলোমিটার গভীরতায় উৎপত্তি হওয়া এই ভূমিকম্পটি ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় অনুভূত হয়েছিল।

বাংলাদেশের আশপাশে এক ঘণ্টায় তিনবার ভূমিকম্প!

দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর আবারও ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি গায়ে মাঠে নামলেন নেইমার। গতকাল মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার বদলি হিসেবে তিনি খেলতে নামেন।

 

যদিও ম্যাচে তিনি কোনো গোল পাননি, তবে মাঠে তার পারফরম্যান্স বুঝিয়ে দিয়েছে যে তিনি এখন পুরোপুরি ফিট। এবারের লক্ষ্য জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে নিজের চেনা ছন্দ ফিরে পাওয়া।

 

আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাপান যেন নেইমারের অন্যতম প্রিয় প্রতিপক্ষ। ব্রাজিলের হয়ে করা তার মোট ৭৯টি গোলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯টি গোলই এসেছে জাপানের (ব্লু সামুরাই) বিপক্ষে।

 

জাপানের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ৫টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি, যার মধ্যে ৪টি প্রীতি ম্যাচ এবং ১টি কনফেডারেশন্স কাপের ম্যাচ।

 

বছরভিত্তিক হিসেবে, তিনি ২০১২ সালে ২টি, ২০১৩ সালে ১টি, ২০১৪ সালে ৪টি, ২০১৭ সালে ১টি এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে জাপানের বিপক্ষে ১টি গোল করেছিলেন।

 

নেইমারের এই দুর্দান্ত রেকর্ডের কারণে জাপান দল আগেভাগেই বেশ সতর্ক। দলটির অভিজ্ঞ ফুলব্যাক এবং এফসি টোকিওর খেলোয়াড় ইউতো নাগাতোমো তাকে নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।

 

নাগাতোমো বলেন, নেইমার একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়, তাই তাকে নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচটিকে একটি নতুন টুর্নামেন্ট হিসেবে দেখছেন তিনি এবং মাঠে নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন।

 

জাপানের পর নেইমার সবচেয়ে বেশি সফল পেরুর বিপক্ষে, যেখানে তার গোল সংখ্যা ৬টি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও বলিভিয়ার বিপক্ষে ৫টি করে এবং কলম্বিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও ইকুয়েডরের বিপক্ষে ৪টি করে গোল করেছেন তিনি।

 

অন্যান্য দেশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা, চীন ও উরুগুয়ের জালে ৩ বার করে বল পাঠিয়েছেন নেইমার। ক্যামেরুন, চিলি, কোস্টারিকা, স্কটল্যান্ড, মেক্সিকো, প্যারাগুয়ে ও তুরস্কের বিপক্ষে রয়েছে তার ২টি করে গোল।

 

আর জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, এল সালভাদর, স্পেন, ফ্রান্স, ইরাক, ইতালি, পানামা, পর্তুগাল, তিউনিসিয়া এবং ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে ১টি করে গোল রয়েছে ব্রাজিলের এই শীর্ষ গোলদাতার।

প্রিয় দলের বিপক্ষে মাঠে নামছেন নেইমার

গ্রুপ পর্ব শেষ করে বিশ্বকাপ এখন নকআউট পর্বে। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১১টায় এ পর্বে মুখোমখি হবে জাপান ও ব্রাজিল। এখান থেকে প্রতিটি ম্যাচই বাঁচা-মরার লড়াই—একটি হার মানেই বিদায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শক্তিশালী ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার আগে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠেই কথা বলেছেন জাপানের প্রধান কোচ হাজিমে মোরিয়াসু।

 

দুই দলের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র একবার ব্রাজিলকে হারাতে পেরেছে জাপান, আর সেই জয় এসেছে গত বছরের একটি প্রীতি ম্যাচে। বিশ্বকাপে এর আগে দুই দলের একমাত্র দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে, যেখানে ব্রাজিল ৪-১ গোলের জয় পেয়েছিল।

 

তবে অতীতের পরিসংখ্যান নিয়ে খুব বেশি ভাবতে রাজি নন মোরিয়াসু। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা ব্রাজিলকে যথাযথ সম্মান দিই। কিন্তু গত বছরও কেউ আমাদের জয়ের সম্ভাবনা দেখেনি। তবুও আমরা জিতেছিলাম। এমন সম্ভাবনাই ইতিহাস বদলে দিতে পারে।”

 

বর্তমান ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিলের অবস্থান পঞ্চম, আর জাপান রয়েছে ১৭তম স্থানে। এই ব্যবধান স্বীকার করলেও নিজেদের সামর্থ্য নিয়ে আত্মবিশ্বাসী জাপান কোচ। তাঁর ভাষায়, “র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্রাজিল এগিয়ে, এটা বাস্তবতা। তবে প্রতিটি নতুন ম্যাচ নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের জয়ের সক্ষমতা রয়েছে।”

 

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা জাপানের জন্য নতুন কিছু নয়। তবে দলটির সর্বোচ্চ অর্জন শেষ ষোলো পর্যন্ত পৌঁছানো। এবার সেই সীমা ছাড়িয়ে আরও দূরে যেতে চান মোরিয়াসু। তিনি বলেন, “অনেকে আমাদের আন্ডারডগ বলছেন। কিন্তু আমরা গ্রুপ পর্বের মতোই সাহসী ফুটবল খেলতে চাই। এখন পুরো বিশ্বের নজর আমাদের ওপর।”

 

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের কথাও জানিয়েছেন জাপান কোচ। যদিও বাস্তবতা মেনে নিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা। এখনো আমরা সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারিনি, তবে আমরা উন্নতি করছি এবং ভালো ফুটবল খেলছি।”

 

এবারের আসরে ব্রাজিল ও জাপান—দুই দলই অপরাজিত থেকে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। ব্রাজিল ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অন্যদিকে ‘এফ’ গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২-এ উঠেছে জাপান। তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলে হারানোর পাশাপাশি সুইডেন ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ড্র করে ৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে তারা।

 

বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১১টায় হিউস্টনে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও জাপান। গত অক্টোবরে ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে জয় পাওয়ার স্মৃতি জাপানকে বাড়তি অনুপ্রেরণা জোগাতে পারে। এই ম্যাচের বিজয়ী দল শেষ ষোলোতে কার মুখোমুখি হবে, তা নির্ধারিত হবে আগামীকাল নরওয়ে ও আইভরি কোস্টের ম্যাচের পর।

ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ রাতে, ইতিহাস বদলে দিতে চান জাপান কোচ

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হারিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লুকাস ত্রেহো । ৭৪ ঘণ্টার টানা অনুসন্ধানের পর উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর গালফ নিউজের।

 

৩৮ বছর বয়সী ত্রেহো বুধবার (২৪ জুন) দেশটিতে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে প্লায়া গ্রান্দেতে তাদের অবস্থানরত অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধসে পড়ার পর থেকে স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেল্লা এবং দুই সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়ার খোঁজে মরিয়া হয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন।

 

ডিফেন্ডার ত্রেহো তখন নিজের ক্লাবের হয়ে লিগ ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য রাজধানী কারাকাসে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে সাহায্যের আবেদন জানান।

 

তিনি লিখেছিলেন, প্লায়া গ্রান্দেতে আমাদের ভবনটি ধসে পড়েছে। আমার পরিবারের কোনো খবর জানি না। দয়া করে তাদের জন্য প্রার্থনা করুন এবং কেউ তাদের দেখে থাকলে এই বার্তাটি শেয়ার করুন। আমি বিশ্বাস করতে চাই, তারা সেখানে ছিল না।

 

গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৮ জুন) গভীর রাতে উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেন।

 

ত্রেহোর ক্লাব দেপোর্তিভো লা গুয়ারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। ক্লাবটি জানায়, লুকাস ত্রেহোর স্ত্রী ইয়ানিনা মারানেল্লা এবং সন্তান অ্যারন ও আইনহোয়া ত্রেহোর মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং লুকাস ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

 

ত্রেহোর আরেকটি ক্লাব মারিতিমো দে লা গুয়ারাও সমবেদনা জানিয়ে জানায়, ৭৪ ঘণ্টার অনুসন্ধান শেষে তার পরিবারের সদস্যদের মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

 

এদিকে, আর্জেন্টাইন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অনুসন্ধান অভিযানে সহায়তা করতে ত্রেহোর বাবা ও ভাই ভেনেজুয়েলায় যান।

 

পরিবারের মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা আগেও ত্রেহো স্ত্রী ও সন্তানদের একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন। তখনও তাদের জীবিত উদ্ধারের আশা ছিল। চলতি বছরের শুরুতে স্বামীর জন্মদিনে ইয়ানিনা এক বার্তায় লিখেছিলেন, পরিবার হিসেবে তোমাকে পাওয়া আমাদের জন্য আশীর্বাদ। তোমাকে পাশে পেলে সবকিছুই সহজ এবং আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

 

এদিকে, ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার বিরল জোড়া ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়াজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব মোকাবিলায় কাজ চলছে। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্যোগে প্রায় ৬৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ১,৫০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজদের সন্ধানে এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে স্ত্রী ও দুই সন্তান হারালেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লুকাস ত্রেহো

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ শেখ শাহরিয়ার বিন মতিনের বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিনের দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, শহীদ ছেলের পরিবারের জন্য সরকারের দেওয়া অনুদানের অর্থ ব্যবহার করে প্রায় সোয়া পাঁচ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার কিনে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন তিনি।

 

শহীদের টাকায় দ্বিতীয়বার মেহেদী মাখা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন আব্দুল মতিন। তার দাবি, নিজের উপার্জনের টাকায় তিনি বিয়ে করেছেন এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতি নিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।

 

জানা গেছে, মোহাম্মদ আব্দুল মতিন (৫০) ঢাকার মতিঝিলে আলফা গ্রুপের একটি শাখায় সেলস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। তার প্রথম স্ত্রী মমতাজ বেগম (৪৫)। উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের কুমড়াশসন গ্রামের এই দম্পতির একমাত্র ছেলে শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন। এছাড়া তাদের ১০ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৭ নভেম্বর আব্দুল মতিন ও মমতাজ বেগমের বিয়ে হয়। দীর্ঘ ২২ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে তাদের সম্পর্কে চরম বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গত বছরের ১৮ জুলাই ঢাকার মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন শেখ শাহরিয়ার বিন মতিন। গুলি তার ডান চোখের পাশ দিয়ে মাথা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। পরে ২০ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

 

অভিযোগ রয়েছে, চলতি বছরের ২৯ মে শহীদ পরিবারের জন্য পাওয়া সরকারি অনুদানের অর্থ থেকে ৭ লাখ টাকার কাবিন এবং প্রায় সোয়া পাঁচ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আব্দুল মতিন।

 

এ ঘটনার পর পারিবারিক বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। অভিযোগ অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানার পর গত ২ জুন মেয়ে শেখ মুমতাহিনা বিনতে মতিনকে (স্মাইল) নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মমতাজ বেগম। তবে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে নিবৃত্ত করেন। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, শহীদ শাহরিয়ারের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টার সঙ্গে আব্দুল মতিন জড়িত ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় তার আগের মতো প্রভাব বা দাপট আর দেখা যায় না বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

 

শহীদ শাহরিয়ারের মা মমতাজ বেগম বলেন, ‘সন্তান হারানোর শোক কাটিয়ে উঠতেই পারিনি। এর মধ্যেই আমার অনুমতি ছাড়াই আব্দুল মতিন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তিনি দাবি করছেন আমি নাকি তাকে অনুমতি দিয়েছি, কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার জানামতে, তার নিজের সামর্থ্যে এত দামি স্বর্ণালংকার কেনা সম্ভব নয়। আমার শহীদ ছেলের রক্তের দাগ শুকানোর আগেই সরকারের দেওয়া অনুদানের টাকার ওপর ভর করে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ শাহরিয়ারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর পর থেকেই তিনি আমাকে দ্বিতীয় বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন। বারবার বলতেন, ‘বংশ রক্ষার জন্য আমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করতেই হবে।’ কিন্তু আমি কখনোই এতে সম্মতি দিইনি।’

 

মমতাজ বেগমের অভিযোগ, আমার ছেলের শহীদ হওয়ার ঘটনাকে পুঁজি করে আব্দুল মতিন নানা ধরনের প্রতারণা ও ধান্ধাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। আমি তাকে বহুবার নিষেধ করেছি, কিন্তু তিনি শোনেননি। তার দুই সংসার চালানোর মতো আর্থিক সক্ষমতাও নেই।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শহীদ পরিবারের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া ৩০ লাখ টাকা উত্তোলনের জন্য আমার স্বাক্ষর জাল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমি সতর্ক থাকায় সেটি সফল হয়নি। এছাড়া শহীদ ছেলের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার চেষ্টাও করেছেন তিনি।

 

তিনি বলেন, ‘আমার এখন একটাই চাওয়া আমার মেয়েটিকে মানুষ করে যেতে চাই। একই সঙ্গে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদ শাহরিয়ারের বাবা মোহাম্মদ আব্দুল মতিন বলেন, ‘বংশ রক্ষার স্বার্থে, বিশেষ করে আমার মায়ের অনুরোধে আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। বিয়ের আগে আমার প্রথম স্ত্রীও এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তিনি সেই বিষয়টি অস্বীকার করছেন। আমি আলফা গ্রুপের মতিঝিল শাখায় সেলস ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করি। বিয়ে করার মতো আর্থিক সামর্থ্য আমার রয়েছে। ছেলের অনুদানের টাকা দিয়ে বিয়ে করেছি- এ ধরনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’

 

এ বিষয়ে জুলাই সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নাকিব বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি শুনেছি। যদি প্রথম স্ত্রীর সম্মতি ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বিয়েটি হতো, তাহলে সেটি বেশি গ্রহণযোগ্য হতো। আইন ও ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী একজন পুরুষ একাধিক বিয়ে করতে পারেন। তবে এমন সিদ্ধান্ত এমনভাবে নেওয়া উচিত, যাতে পরিবারের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকে এবং কোনো বিতর্কের সৃষ্টি না হয়। বিশেষ করে একজন জুলাই শহীদের পরিবারের ক্ষেত্রে এমন কোনো কাজ করা উচিত নয়, যাতে শহীদদের সম্মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়।

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ময়মনসিংহের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, একজন জুলাই শহীদের বাবা হিসেবে মতিন সাহেবের এমন সিদ্ধান্ত আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, এই সিদ্ধান্ত মোটেও সমীচীন হয়নি। শহীদ পরিবারের প্রতি মানুষের যে সম্মান, আবেগ ও প্রত্যাশা রয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল আচরণের প্রত্যাশা করি।

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারী (শহীদ ও আহত সেল) আল নূর আয়াস বলেন, জুলাই শহীদ শাহরিয়ার বিন মতিনের বাবার দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি আমাদের কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং মেনে নেওয়া কঠিন। আমার বিশ্বাস, যদি তিনি ছেলের স্মৃতি ও পরিবারের প্রতি আরও দায়িত্বশীল থাকতেন, তাহলে এমন সিদ্ধান্ত নিতেন না।

জুলাই শহীদ ছেলের অনুদানের টাকায় বাবা আনলেন নতুন বউ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণের পেছনের ঘটনা তুলে ধরে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে দায়িত্ব নিতে রাজি করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

 

রোববার সাভারের জিরাবোতে ইউনূস সেন্টার ও গ্রামীণ গ্রুপ আয়োজিত ১৬তম ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

ড. ইউনূস জানান, সে সময় তিনি ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর আসিফ মাহমুদ একাধিকবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং দেশের নেতৃত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানান। তবে শুরুতে তিনি এ দায়িত্ব নিতে রাজি হননি।

 

ড. ইউনুস বলেন, ‘আমি বারবার আসিফকে বলছিলাম, অন্য কাউকে খুঁজে নাও। আমি এই ধরনের কাজের জন্য উপযুক্ত নই। আমি শুধু সেই কাজগুলোই করি যা করতে আমি আনন্দ পাই।’

 

জবাবে আসিফ মাহমুদ তাকে বলেছিলেন, ‘অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। পুরো দেশ একটি সরকারের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আপনি রাজি না হওয়ার কারণে তিন দিন ধরে দেশে কোনো সরকার নেই।’

 

আসিফের এই কথার পর ড. ইউনুস দায়িত্ব নিতে সম্মতি জানান। সম্মতি দেওয়ার সাথে সাথেই আসিফ তাকে বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব বিমানের টিকিট কেটে চলে আসুন। প্রথম ফ্লাইটেই চলে আসুন।’

সরকার গঠনের দায়িত্ব নিতে আমাকে রাজি করিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ: ড. ইউনূস

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d