ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এনসিপির নেতাকে শোকজ - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এনসিপির নেতাকে শোকজ

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এনসিপির নেতাকে শোকজ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুককে একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) রাতে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম. সুজাউদ্দিনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

তবে নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ উল্লেখ করা হয়নি।

 

এর আগে ওমর ফারুক নিজের ফেসবুক আইডিতে ফেনী জেলা এনসিপির নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনামূলক একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমাদের জেলা এনসিপিতে অযোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা নাই, নাই কোনো মুরোদ, আছে শুধু একটা পদ, যার নাম আহ্বায়ক। দয়া করে কমিটির এসব অযোগ্য, কোরামবাজ লোকজনকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে যোগ্য সংগঠকদের মাধ্যমে কমিটি দেওয়া হোক।’

 

একই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে দলের যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতকে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘ভাই, দয়া করে আপনি উনাকে নিঃশর্তভাবে আর কোনো সাপোর্ট দিয়েন না। উনি আপনার নাম বিক্রি করেই ফেনী জেলা এনসিপিকে অস্থিতিশীল করে যাচ্ছে। নির্বাচনকালীন আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্তে দাগনভূঞা কেন্দ্রিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে দাগনভূঞায় এনসিপি এখন পর্যন্ত কোণঠাসা। বর্তমানে উনি জেলা এনসিপিকে যা করে রাখছে, এই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে। আপনাকে বিষয়গুলো নিয়ে ইনবক্স করেছি, এএসএম সুজাউদ্দিন ভাইকেও বলেছি। দুঃখজনকভাবে আপনারা সিন করেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরপরও সিফাত ভাই ফেনীতে এসে বিষয়গুলোর সমাধান না করে উল্টো তাদের সঙ্গে বসার অর্থ হচ্ছে আমাদের উপেক্ষা করা, ফেনী জেলা এনসিপির কণ্ঠকে তুচ্ছ করে দেখা। আপনাদের এসব পদক্ষেপ-অপদক্ষেপ ফেনী জেলা এনসিপির জন্য অশনিসংকেত।’

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী জেলা এনসিপির ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে আহ্বায়ক এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সীমান্তকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য সীমান্তবর্তী মানুষকে মিলিটারি ট্রেনিং দিতে হবে।বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর তোপখানা রোডে আয়োজিত ‘সীমান্ত হত্যা, পুশইন ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

 

নাসীরুদ্দীন বলেন, সীমান্ত প্রশ্নে দল মত নির্বিশেষে এক সিদ্ধান্তে আসতে হবে।

 

এ সময় গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও উমামা ফাতেমাসহ তরুণ রাজনীতিকরা।

সীমান্ত সুরক্ষায় সীমান্তবর্তীদের মিলিটারি ট্রেনিং দিতে হবে: নাসীরুদ্দীন

হামলা, নাশকতাসহ নানা অভিযোগে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রয়েছে।

 

যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিরা জানান, কুমিল্লার চান্দিনায় পৃথক অভিযানে জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. আব্দুল্লাহ ও মো. ইউনুছ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে কেশব বিশ্বাস, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. ফয়সাল আহাম্মেদকে আটক করা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বাতাঘাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, থানা যুবলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মো. তমিজ উদ্দিন এবং কংগাই ইউনিয়ন কৃষকলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্রেফতাররা হলেন-থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন মাদবর ও ফতুল্লা ইউনিয়ন ৫নং ওয়াড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জসু কন্ট্রাক্টর।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি কামরান হোসেন রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক মামলায় রুবেল ও সুমনকে গ্রেফতার করা হয়।

 

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গ্রেফতাররা হলেন-পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. জামাল মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক রুহুল আমিন শাকিল, মসূয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আল-আমিন ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন পায়েল।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গ্রেফতাররা হলেন-খাড়েরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া, বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের মকবুল হোসেন এবং কাইমপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন।

 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকির তালুকদার ও বাগধা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

খাগড়াছড়ি পৌর যুবলীগের সদস্য আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাভারে মহাসড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগের ৬ সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।

 

কুমিল্লার চান্দিনায় গ্রেফতাররা হলেন-কেরনখাল ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, চান্দিনা পৌর শাখা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় সদস্য হারুন অর রশিদ, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. সুমন মিয়া, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মো. ইয়াছিন এবং চান্দিনা পৌর আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহাবুব।

 

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ছাত্রলীগকর্মী কামরুল হাসান প্রকাশ রাজু, শেখ ফরিদ শাহীন ও নাজমুল ইসলাম রাব্বি, পরোয়ানাভুক্ত আসামি রুবেল হোসেন ও সুমন হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

রাঙামাটিতে ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন-১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য মো. নুরুল হক, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মো. কবির, রাঙামাটি সদর কৃষকলীগের সহসভাপতি চম্পক দাশ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. নিজাম উদ্দীন, যুবলীগ সদস্য মো. ইলিয়াছ, লংগদু উপজেলা শ্রমিকলীগের সহসভাপতি মো. ইসমাইল বেগ, ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহসভাপতি মো. জসিম, ৯নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সদস্য মো. নয়ন, নানিয়ারচর থানা কৃষকলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম মিজান ও কাপ্তাই ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. রাসেল। এছাড়া শাহাদত হোসেন জীবন, রাম প্রসাদ শীল, জাহিদুল ইসলাম বাবু, মো. সাইফুল ইসলাম, দুর্জয় কান্তি দে রিন্টু ও হাফিজুর রহমান।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিল্লাল হোসেন ও সজিব নামে যুবলীগের দুই কর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। গাজীপুরে পৃথক অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে হামিদুর রহমান তায়েফ সরকার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে গ্রেফতাররা হলেন-রূপসী ইউনিয়ন কৃষকলীগের আহ্বায়ক আঙ্গুর ফকির, বালিয়ার আওয়ামী লীগ কর্মী হুমায়ূন কবির, ছাত্রলীগ কর্মী রহিমগঞ্জের মো. রামিম ও গোদারিয়া গ্রামের রাতুল হাসান।

 

ঝালকাঠির নলছিটিতে গ্রেফতারা হলেন-মো. মামুন হাওলাদার (মামুন মেকার), মো. সোহাগ হাওলাদার, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান রাজু।

 

পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আরজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

হামলা-নাশকতাসহ নানা অভিযোগে আ.লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীসহ আটক ৮৪

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ

 

রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু:

 

সারাদেশের মত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল।

 

সারা দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধসহ ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবিতে সাভারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল। মঙ্গলবার দুপুরে নবীনগর জয়রেস্তরা থেকে কয়েকশ বাইক নিয়ে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলিটি।

 

 

উক্ত কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন তানভির এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল। এ সময় সাভার থানা ছাত্রদল, আশুলিয়া থানা ছাত্রদল এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আয়োজিত প্রতিরোধ সমাবেশে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বলেন, ‘ছাত্রদল দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ত্যাগের ইতিহাস ছাত্রদলের রয়েছে।

 

সাভার-আশুলিয়ায় কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীকে রাজপথে নামতে দেওয়া হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী যাতে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে ছাত্রদল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে তা প্রতিহত করবে।’

 

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল বলেন, ‘সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

 

 

এমতাবস্থায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদীদের বিচারের দাবিতে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সোচ্চার রয়েছে। যে স্বৈরাচার বাংলাদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদেরকে বাংলার মাটিতে আর মিছিলের সুযোগ দেওয়া হবে না।’

সমাবেশ থেকে বক্তারা বলেন, ‘মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এ জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সক্রিয় রয়েছেন।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় জুলাই হত্যাযজ্ঞের আরও ৩ মামলায় জামিন আবেদন করেছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি।

 

হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে যেকোনো দিন হতে পারে শুনানি।

 

এর আগে, তাকে ২ মামলায় জামিন দেয় হাইকোর্ট। এছাড়া, আরও ১৩ মামলায় তাকে কেন জামিন দেয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

 

এখন পর্যন্ত দীপু মনিকে অন্তত ৩৯টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে৷ এর মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ও জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় তার বিচার প্রক্রিয়াধীন।

 

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে পুলিশ দীপু মনিকে গ্রেফতার করে।

 

এদিকে, জুলাইয়ের একাধিক হত্যা মামলায় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, শাকিল আহমেদ ও ফারজানার রুপার জামিন শুনানি নিয়ে হাইকোর্টে রুল শুনানি হবে আগামি সপ্তাহে।

জুলাই অভ্যুত্থানের আরও ৩ মামলায় জামিন আবেদন দীপু মনির

রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৬ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. কবিরও রয়েছেন।

 

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন-মো. নুরুল হক (৫২), চম্পক দাশ (৫৪), মো. নিজাম উদ্দীন (৪২), মো. ইলিয়াছ (৩৫), মো. ইসমাইল (৫৯), মো. জসিম (৩৮), মো. নয়ন (১৯), মো. তারিকুল ইসলাম (৪৫), মো. রাসেল (৩৮), শাহাদত হোসেন (৩২), রাম প্রসাদ শীল (৪৫), জাহিদুল ইসলাম (২৪), মো. সাইফুল ইসলাম (২৫), দুর্জয় কান্তি দে (২৬) ও হাফিজুর রহমান (২৯)।

 

পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৬ জন গ্রেপ্তার

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’ বসেছে। তারা সেখানে দুর্নীতি ও অনিয়মসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেই নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

 

নাসীরুদ্দীন জামায়াতের প্রয়াত নেতা মাওলানা সাঈদীর কথা স্মরণ করে বলেন, এই চট্টগ্রামে আল্লামা সাঈদীর ঐতিহাসিক বক্তব্য রয়েছে।

 

ভারত সীমান্তে উত্তেজনা প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, আমরা বাংলাদেশের সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ড সমর্থন করি না। যেদিন সীমান্তে হত্যা বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের কোনো নাগরিককে অবৈধভাবে হত্যা করা হবে না, সেদিনই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রকৃত অর্থে ন্যায্য ও স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

 

এনসিপির এই নেতা দাবি করেন, তাদের দল চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয় এবং তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এটি কোনো বাজেট নয়, বরং দলীয় লোকজনের জন্য তৈরি একটি গেজেট। এর মাধ্যমে দেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এই বাজেটে শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম কিংবা মুগ্ধের আত্মত্যাগের প্রতিফলন নেই। তাই এই বাজেটের প্রতি ধিক্কার জানাই।

পার্লামেন্ট থেকে সচিবালয় সব জায়গায় ‘হুতুমপেঁচা’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মাইদুল ইসলাম; (জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী)

সদর উপজেলার চাপড়া সুকানপুকুর এলাকায় জমি- জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা,

হয়রানিমূলক মামলা ও অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার

(২৫ জুন) বিকেলে চাপরা শুকানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মুক্তা খাতুন। এছাড়াও নাসরিন বেগম, বড় ভাই আবু তালেব সহ আরো অনেকে বক্তব্য দেন। লিখিত বক্তব্যে মুক্তা খাতুন অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর মজিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী তহমিনা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও সম্পত্তিগত বিরত চলে আসছে। সম্প্রতি তালাকের পর তহমিনা বেগম তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন, গত ১৭ জুন তহমিনা বেগম ও তার সহযোগীরা মজিদুল ইসলামের

ভিটাবাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালান। খেতে মজিদুল ইসলাম ও তার ছেলে ওবায়দুল ইসলাম আহত হন। পরে তাদের নীলফামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গুরুতর আহত ওবায়দুল ইসলামকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। মুক্তা খাতুন দাবি করেন, এ ঘটনায় তহমিনা বেগম ও রবিউল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনো আসামিদের গ্রেফতার না করায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলাম সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল এবং তাদের পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষণ্য করার চেষ্টা করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানান বক্তারা।

নীলফামারীতে জমি বিরোধে হামলার অভিযোগ, আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

মোঃ তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

একসময় সাতক্ষীরার সকল উপজেলার বিল, খাল, পুকুর ও জলাশয়গুলোতে শাপলা ফুলের বাহার ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্ষা এলেই ফুটে উঠতো সাদা, লাল ও বেগুনি রঙের শাপলা, যা শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, গ্রামীণ জীবনের এক আবেগময় অংশ হিসেবেই পরিগণিত ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আশাশুনির সেই অপরূপ দৃশ্য ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তন, অপরিকল্পিত আধুনিকায়ন, জলাশয় ভরাট, রাসায়নিক বর্জ্য এবং অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের ফলে আজ বিলুপ্তির পথে প্রাকৃতিক জলজ উদ্ভিদ শাপলা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রামের শিশুরা সকাল সকাল শাপলা তুলতে পুকুরে যেত। মায়েরা রান্নার উপকরণ হিসেবে শাপলার ডাটা সংগ্রহ করতেন। শাপলার শিকড় (ঢ্যাঁড়শের মতো অংশ) ছিল গ্রামীণ পুষ্টিকর খাদ্য, যা পেটের নানা রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হতো।

বিশেষ করে প্রতিটি গ্রামে পুকুরঘাট, বিল বা খালের ধারে বসে শাপলা ফোটা দেখার যে অপার আনন্দ ছিল তা আজ শহুরে যান্ত্রিকতার ভিড়ে চাপা পড়ে যাচ্ছে। কলারোয়া, তালা, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর ও আশাশুনিসহ অনেক এলাকায় এখন আর আগের মতো শাপলা দেখা যায় না। উপজেলা কৃষি ও পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, শাপলা শুধু একটি ফুল নয় এটি একটি জীববৈচিত্র্যবান এলাকার পরিচায়ক।

এটি জলাশয়ের স্বাস্থ্যবিধান রক্ষা করে এবং ছোট মাছের আশ্রয়স্থল হিসেবেও কাজ করে। ফলে শাপলা বিলুপ্ত হওয়া মানে শুধু ফুল হারানো নয়, একটি জীববৈচিত্র্যগত ভারসাম্যের বিপর্যয়ও। ঝাউডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ কাশেম বলেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের প্রকৃতি চেনাতে হলে, গ্রামীণ সৌন্দর্য টিকিয়ে রাখতে হলে স্থানীয় জলজ উদ্ভিদ সংরক্ষণে পদক্ষেপ নিতে হবে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে বিল ও খাল পুনরুদ্ধার, রাসায়নিক দূষণ রোধ এবং শাপলা সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। পরিবেশবান্ধব সাতক্ষীরা গড়তে হলে প্রকৃতির এই নিঃশব্দ ধ্বংস ঠেকাতে কার্যকর নীতিমালা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

সাতক্ষীরার জলাশয়ে বিলুপ্তপ্রায় শাপলা ফুল: হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও বোনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মেঝো বোন কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকেও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

 

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রায়পুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশে ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ঘটনার কারণ জানাতে পারেনি কেউ।

 

নিহতরা হলেন- মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তাদের পিতা কামাল হোসেন ২০১৯ সালে কেরোয়া গ্রামে রাস্তায় পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান।

 

গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত যুবক নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরের বাসিন্দা কার্তিক মজুমদারের ছেলে অন্তর মজুমদার। নিহতদের রায়পুর ও সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

 

এদিকে আহত মেঝো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকে (১৭) আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া থাকেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

 

বৃহস্পতিবার সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে ওই যুবক। এ সময় ঘটনাস্থলেই মা ও ছোট মেয়ে মারা যান। অপর আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর বড় মেয়ে সায়মাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ইকরা নামের একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

 

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ঘাতক যুবককে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তির পর তার মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।

 

পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার আবু তারেক।

 

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। এছাড়া তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

 

সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ বলেন, তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের লাশ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হলে তিনি পথে মারা যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে ৭ জন সদস্য আহত হয়।

 

পুলিশ সুপার আবু তারেক ৪ জন নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এখনো ঘটনার কারণ জানা যায়নি। তবে তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।

মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, যারা বিগত ২০ বছর ধরে গ্রামের শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে এসেছে, তাদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে।

 

‎বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে খুলনা বিভাগীয় অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, জুলাই মাস থেকে দেশের সব স্কুলে মিড ডে মিল চালু হবে, সেখানে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তিনি আরও বলেন, ৬০ হাজার শিক্ষক সংকট নিয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চলছে। এভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। তাই পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

 

এহসানুল হক মিলন বলেন, আগে পরীক্ষার্থীরা খাতা চ্যালেঞ্জ করলে শুধুমাত্র নম্বরপত্র যোগ করা হতো। তাই আইন পরিবর্তন করে খাতা চেক করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গ্রামের শিক্ষা ফাঁকি দিয়ে শহরে আগতদের আবারও গ্রামে পাঠানো হবে

শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু

মুজাহিদ শেখ, শ্রীপুর (মাগুরা):

 

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে এক ওরিয়েন্টেশন ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটনের সভাপতিত্বে সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অলি মিয়া। এছাড়া সভায় হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, মাঠকর্মী এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সভাপতির বক্তব্যে ডা. মো. আশরাফুজ্জামান লিটন জানান, আগামী ২৮শে জুন শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মোট ১৯৩টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ১৯২টি নিয়মিত ইপিআই আ/রি-কেন্দ্র এবং ১টি বিশেষ অতিরিক্ত কেন্দ্র রয়েছে। ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ২,৪৭৫ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৯,২৫০ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, উপজেলায় সর্বমোট ২১,৭২৫ জন শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে।

 

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ১৭৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলার মোট ১,৮৪,৭৭৯ জন জনসংখ্যার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই ক্যাম্পেইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফলভাবে সম্পন্ন করতে ২৩ জন মাঠকর্মী (এইচ.এ), ২৩ জন এফডব্লিউএ, ১৯ জন সিএইচসিপি এবং ২৪ জন প্রথম সারির তত্ত্বাবধায়ক মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও কেন্দ্রগুলোতে সার্বিক সহায়তার জন্য মোট ৩৮৬ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। দুর্গম বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের সুবিধার্থে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নির্ধারিত স্থানে অতিরিক্ত ক্যাপসুলের বিশেষ বুথ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

সভায় অতিথি শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ অলি মিয়া বলেন, “শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অপরিহার্য। এই জাতীয় কর্মসূচিকে সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।” তিনি প্রতিটি অভিভাবককে তাদের শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

 

উল্লেখ্য, এই ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে ২৩ জুন মাইক্রোপ্লান প্রণয়ন এবং ২৫ জুন উপজেলা অ্যাডভোকেসী মিটিং ও সিএস অফিসে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রেরণ সম্পন্ন হয়েছে। ২১ ও ২২ জুন দুই দিনব্যাপী ওয়ার্ড পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবকদের ওরিয়েন্টেশনও সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।

শ্রীপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত: লক্ষ্যমাত্রা ২১,৭২৫ শিশু

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে মেজো বোনকেও। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ঘটনাটি ঘটে।

 

নিহতরা হলেন- সায়মা আক্তার (২১), তার তা শাহিনুর বেগম (৩৮) এবং ছোট বোন শিফা আক্তার (৯)। এ ঘটনায় আহত মেজো মেয়ে কলেজছাত্রী ইকরা আক্তারকে (১৭) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়।

 

এদিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অজ্ঞাত এক যুবককে পিটুনি দেওয়া হয়েছে। তাকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশে ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

 

নিহতদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঘটনাস্থলে ভাড়া থাকেন। নিহত সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে ভাড়া বাসায় থাকেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ঘাতক যুবককে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

 

বিষয়টি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (রায়পুর সার্কেল) মো. আব্দুর রাশেদ। তিনি বলেন বলেন, ৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকেও সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উত্তেজিতরা ইটপাটকেল ছুড়লে আমাদের ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়।

মাসহ দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, আশঙ্কাজনক মেজো মেয়েও

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় ৩ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাওকি গ্রামের মুকুল মল্লিকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মিঠু মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন ও মনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন (পলাতক)।

 

অপরদিকে, একই মামলার আসামি ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে মুকুল মালিকের বিরোধ হয়। ওই রাতেই মুকুল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ আগস্ট গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠের একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস বাদী হয়ে হরিণাকুন্ডু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত ৩ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

 

রায়ে আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পূর্বে ভোগ করা হাজতবাসের সময় দণ্ডের সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহে মুকুল হত্যা মামলায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুককে একটি ফেসবুক পোস্টের জেরে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) রাতে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ফেনী জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ এস এম. সুজাউদ্দিনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

তবে নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ উল্লেখ করা হয়নি।

 

এর আগে ওমর ফারুক নিজের ফেসবুক আইডিতে ফেনী জেলা এনসিপির নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনামূলক একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমাদের জেলা এনসিপিতে অযোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা নাই, নাই কোনো মুরোদ, আছে শুধু একটা পদ, যার নাম আহ্বায়ক। দয়া করে কমিটির এসব অযোগ্য, কোরামবাজ লোকজনকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে যোগ্য সংগঠকদের মাধ্যমে কমিটি দেওয়া হোক।’

 

একই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে দলের যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতকে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘ভাই, দয়া করে আপনি উনাকে নিঃশর্তভাবে আর কোনো সাপোর্ট দিয়েন না। উনি আপনার নাম বিক্রি করেই ফেনী জেলা এনসিপিকে অস্থিতিশীল করে যাচ্ছে। নির্বাচনকালীন আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্তে দাগনভূঞা কেন্দ্রিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে দাগনভূঞায় এনসিপি এখন পর্যন্ত কোণঠাসা। বর্তমানে উনি জেলা এনসিপিকে যা করে রাখছে, এই অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে। আপনাকে বিষয়গুলো নিয়ে ইনবক্স করেছি, এএসএম সুজাউদ্দিন ভাইকেও বলেছি। দুঃখজনকভাবে আপনারা সিন করেও কোনো পদক্ষেপ নেননি। এরপরও সিফাত ভাই ফেনীতে এসে বিষয়গুলোর সমাধান না করে উল্টো তাদের সঙ্গে বসার অর্থ হচ্ছে আমাদের উপেক্ষা করা, ফেনী জেলা এনসিপির কণ্ঠকে তুচ্ছ করে দেখা। আপনাদের এসব পদক্ষেপ-অপদক্ষেপ ফেনী জেলা এনসিপির জন্য অশনিসংকেত।’

 

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী জেলা এনসিপির ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে আহ্বায়ক এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান।

ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এনসিপির নেতাকে শোকজ

মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে শিগগিরই তা জাতীয় সংসদে পাস করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। একইসঙ্গে মাদক সংক্রান্ত মামলা জট দূর করতে আলাদা ট্রাইব্যুনালও গঠন হবে বলে জানান তিনি।

 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

 

 

দেশের প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকাসহ তিনটি বিভাগীয় শহরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ের মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে সরকার। যাতে করে মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয়।

 

আরও পড়ুন: দেশে স্বর্ণের দামে ফের পতন, ভরিতে কমলো কত?

 

সরকার মাদক নিরাময়ে ৭৩টি প্রতিষ্ঠানকে এবার ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা দিয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

এসময় সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, আইন সংশোধনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অস্ত্র প্রদান, থানায় আসামী হস্তান্তরের আগে রাখার জন্য হাজতখানাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিগগিরই মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d